

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক–সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন যে সরকার এখন প্রবাসীদের নিজস্ব ব্যবহারযোগ্য ফোন ছাড়াও বিদেশ থেকে অতিরিক্ত দুইটি নতুন মোবাইল আনার সুযোগ দিচ্ছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ফোন রেজিস্ট্রেশন নিয়ে কোনো নতুন আইন করা হয়নি, অথচ সামাজিকমাধ্যমে এ নিয়ে নানা বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। গুজব ও ভিত্তিহীন প্রচারণা থেকে দূরে থাকতে তিনি প্রবাসীদের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান।
সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে, বিদেশ থেকে একাধিক ফোন আনলেই ট্যাক্স দিতে হবে—এমন কোনো নতুন নিয়ম চালু হয়নি। পূর্বের সরকার যেখানে প্রবাসীদের ব্যবহৃত ফোনের সঙ্গে মাত্র একটি নতুন সেট আনতে দিত, বর্তমান সরকার সুবিধা বাড়িয়ে দুইটি নতুন সেট আনার অনুমতি দিয়েছে। অর্থাৎ, প্রবাসীরা এখন ব্যক্তিগত ফোনসহ মোট তিনটি ডিভাইস আনতে পারবেন। তবে যদি দুইটির বেশি নতুন ফোন আনা হয়, তাহলে শুধু অতিরিক্ত সেটের জন্যই শুল্ক দিতে হবে। এনবিআর ব্যাগেজ রুল সংশোধনের মাধ্যমেই এই নতুন সুবিধা কার্যকর হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এই সুবিধা কেবল তাদের জন্য যারা বিএমইটি (প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়) থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বিদেশে গেছেন। অন্য যাত্রীদের ক্ষেত্রে পূর্বের নিয়মই বহাল থাকবে।
ফোন রেজিস্ট্রেশন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, নতুন কোনো আইন না হলেও ১৬ ডিসেম্বর থেকে দেশে যে কেউ নতুন মোবাইল ব্যবহার করলে ৬০ দিনের মধ্যে সেটি নিবন্ধন করতে হবে—এটি দেশের সব নাগরিকের জন্যই প্রযোজ্য। অপহরণ, হুমকি, চাঁদাবাজি কিংবা অবৈধ অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণের মতো অপরাধ ঠেকাতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য কাউকে হয়রানি করা নয়, বরং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
প্রবাসীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, গুজব ও গিবত ইসলামের দৃষ্টিতে মারাত্মক পাপ। কেউ কেউ মিথ্যা প্রচার করছে যে প্রবাসীরা নাকি দেশে সর্বোচ্চ ৬০ দিন থাকতে পারবেন—যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি এসব অসত্য ও কুৎসামূলক প্রচারণা বন্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। তবে নির্বাচনের পূর্বাভাসে তিনি জান-মালের ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) কালবেলার প্রতিবেদকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার সময় তাহেরী বলেন, “লুট হওয়া অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। ফেসবুকে আমার সমর্থকদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। এসব নিয়ে আমি শঙ্কিত। আসন্ন নির্বাচনে জান-মালের নিরাপত্তা নিয়ে আমি ভাবছি।”
নির্বাচন চলাকালীন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত আছে কি না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা ২২ জানুয়ারি শুরু হবে। তখনই বুঝতে পারব নির্বাচনী মাঠ সমান আছে নাকি কোনো দিকে হেলে পড়েছে।”
সম্পদ ও হলফনামা:
তাহেরী বলেন, “আমার জমানো টাকা থেকে যে সুদ আসে, সেটি আমি ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করি না। আমার স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, নিজের নামে আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ। এসব স্বর্ণ আমি বিভিন্ন সময়ে উপহার হিসেবে পেয়েছি এবং স্ত্রীর ও মেয়েদের জন্য নিজের নামে ক্রয় করেছি। পরিবারের প্রধান হিসেবে সকল সম্পত্তি নিজের নামের।”
ভোটের উৎসাহ ও প্রত্যাশা:
মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী আরও জানান, “সাধারণ মানুষ আমাকে ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ। আশা করি উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের ভোটেই আমি এমপি হিসেবে জয়ী হবো।”
হবিগঞ্জ-৪ আসনে ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত এই প্রার্থী ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। ‘মোমবাতি’ প্রতীকে তিনি নির্বাচন করবেন। বৃহত্তর সুন্নিজোট তাকে সমর্থন দিয়েছে। তাহেরির বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ভাজরা গ্রামে। মাধবপুরে তার শ্বশুরবাড়ি।
মন্তব্য করুন


সাগর
সংরক্ষণ, সামুদ্রিক মৎস্য রক্ষা ও টেকসই নীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড
ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা) জাপানের খ্যাতনামা সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের (এসপিএফ) সঙ্গে
সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে।
বুধবার
বিকেল সাড়ে চারটায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূসের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে এই সমঝোতা স্মারকে সই করেন মিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের অধীন ওশান পলিসি রিসার্চ
ইনস্টিটিউটের (ওপিআরআই) সভাপতি অধ্যাপক মিৎসুতাকু মাকিনো।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সাসাকাওয়া
পিস ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ড. আতসুশি সুনামি আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তিতে অনুমোদন
দেবেন। অনুষ্ঠানে ওপিআরআইয়ের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. ইমাদুল ইসলাম এবং মিডার সদস্য
কমোডর তানজিম ফারুক উপস্থিত ছিলেন।
সমঝোতা
সই প্রত্যক্ষ করার পর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সাগর সংরক্ষণের গুরুত্ব
তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের সাগর একটি বড় সম্পদ। কিন্তু এটি দিন দিন দূষিত হচ্ছে। সমুদ্রের
কয়েক হাজার মিটার গভীরেও এখন প্লাস্টিক বর্জ্যের অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে। এই সমঝোতা
আমাদের সাগর রক্ষা ও পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করবে।’
তিনি
আরও বলেন, ‘আমাদের সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ করতেই হবে। সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশন সামুদ্রিক
গবেষণায় বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত সম্মানিত একটি প্রতিষ্ঠান। আমাদের গবেষণায় তাদের সম্পৃক্ততা
নিয়ে আমরা আনন্দিত। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন সায়েন্স ইনস্টিটিউট এই ফাউন্ডেশনের
সঙ্গে যুক্ত থাকবে এবং এই গবেষণা সহযোগিতা ধীরে ধীরে বিস্তৃত হবে।’
প্রধান
উপদেষ্টা জানান, এই সমঝোতার আওতায় সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশন মহেশখালীর তিনটি গ্রামকে
‘উমিগিও’ (সামুদ্রিক শিল্পভিত্তিক কমিউনিটি উন্নয়ন) ধারণা অনুসারে
মডেল ‘মৎস্যগ্রাম’ হিসেবে গড়ে তুলতে মিডাকে সহায়তা করবে।
বাংলাদেশের
অন্তর্বর্তী সরকারের উপকূলীয় উন্নয়ন ও কৌশলগত অবকাঠামো উন্নয়নে নিয়োজিত বিশেষায়িত সংস্থা
হিসেবে মিডা, মৎস্য ও সামুদ্রিক বিষয়ক জাতীয় অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের
সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে। এই অগ্রাধিকারগুলো দেশের ২০টির বেশি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার
সমন্বয়ে নির্ধারিত।
সাসাকাওয়া
পিস ফাউন্ডেশন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্বাধীন দাতব্য প্রতিষ্ঠান। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে
সামুদ্রিক নীতিমালা, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির
দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
সমঝোতার
আওতায় জাপানের নীল অর্থনীতির মডেল অনুসরণ করে মেরিকালচার, মৎস্য, মৎস্যোত্তর ব্যবস্থাপনা,
সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং জেলেদের কল্যাণে সম্ভাব্যতা যাচাইসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে
যৌথভাবে কাজ করা হবে।
এ
ছাড়া উমিগিও ধারণার আলোকে উপকূলীয় জীবিকায়ন, সাগরে নিরাপত্তা, কমিউনিটি-ভিত্তিক সামুদ্রিক
সম্পদ ব্যবস্থাপনা, টেকসই স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জেলে সম্প্রদায় ও সরকারের মধ্যে
দ্বিমুখী যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
মৎস্যসম্পদ
ও উপকূলীয় পর্যটনের সম্ভাবনা নিয়ে ভিত্তিমূলক গবেষণা পরিচালনার পাশাপাশি জেটি, স্বয়ংক্রিয়
মাছ অবতরণ কেন্দ্র, কোল্ডচেইন ও পরিবহন ব্যবস্থা, সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ
কারখানা এবং বাজারব্যবস্থা উন্নয়নেও সহযোগিতা করা হবে।
এ
ছাড়া গভীর সমুদ্র মৎস্য আহরণ, সামুদ্রিক খাদ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ, মেরিকালচার,
উচ্চমূল্য সংযোজন প্রযুক্তি হস্তান্তর, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বিনিয়োগ সহায়তা, দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা, সাগরে নিরাপত্তা, মাননিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যবিধি, কর্মপরিবেশ ও শ্রমমান
উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা হবে।
সমঝোতা
প্রসঙ্গে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের ওপিআরআইয়ের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক মিৎসুতাকু মাকিনো
বলেন, ‘এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে বিশেষ করে মৎস্য
খাতে সমন্বিত ও টেকসই নীল অর্থনীতি এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে।’
তিনি
আশা প্রকাশ করেন, এই সহযোগিতার মাধ্যমে জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এবং
বাংলাদেশের উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর কল্যাণ ও টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখা সম্ভব হবে।
মিডার
নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ‘মিডা উপকূলীয় অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী
জীবিকা সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে এই অংশীদারত্ব দৃষ্টিভঙ্গি, মূল্যবোধ ও বাস্তব কর্মসূচির
সমন্বয় ঘটিয়েছে। এর মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের (বিশ্বের দীর্ঘতম উপসাগরের)—সম্ভাবনা কাজে
লাগাতে প্রয়োজনীয় বিজ্ঞান, কৌশল ও ব্যবস্থাপনা জোরদার করা সম্ভব হবে। এখন বাংলাদেশকে
আরও উচ্চতর পর্যায়ে কাজ করতে হবে।’
উল্লেখ্য,
১৩ থেকে ১৪ জানুয়ারি ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘নর্থইস্ট ইন্ডিয়ান
ওশান রিজিওনাল ডায়ালগ অন সাসটেইনেবল ব্লু ইকোনমি, কানেক্টিভিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স
ফর স্মল আইল্যান্ড ডেভেলপিং স্টেটস (এসআইডিএস)’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সংলাপের ফাঁকে
এই সমঝোতা স্মারক সই হয়।
দুই
দিনব্যাপী এই সংলাপ যৌথভাবে আয়োজন করেছে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের ওশান পলিসি রিসার্চ
ইনস্টিটিউট, মিডা এবং পিস অ্যান্ড পলিসি সলিউশনস (বাংলাদেশ)। এতে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা,
মালদ্বীপ এবং ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের জ্যেষ্ঠ নীতিনির্ধারক, বিশেষজ্ঞ
ও উন্নয়ন সহযোগীরা অংশগ্রহণ করে।
মন্তব্য করুন


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক
ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, সম্প্রীতির বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ দীর্ঘদিন
যাবৎ শান্তি ও সৌহার্দ্যের মধ্যে বসবাস করে আসছে।
আজ শুক্রবার (১১ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীস্থ
বেইলি রোডে সিদ্ধেশ্বরী শ্রী শ্রী কালী মন্দিরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সমবেত ভক্ত
ও পূজারীদের উদ্দেশ্য এ কথা বলেন।
গণশিক্ষা উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায়
পোদ্দার বলেন, সকল ধর্মের মানুষ তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় অনুষ্ঠান উৎসবের সঙ্গে পালন করে
আসছে। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্রের কাছে সকলেই সমান। অনেকে আশঙ্কা করেছিল দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে
পালন করা যাবে কিনা । এখন পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক আছে, কোন অসুবিধা হচ্ছে না। দুর্গাপূজা
সুন্দরভাবে পালন করা হচ্ছে। যদি আমরা সম্প্রীতি ও সংহতি ধরে রাখতে পারি, তাহলে দুষ্কৃতিকারীরা
তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারবে না।
অনুষ্ঠানে পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি
নিবাস চন্দ্র মাঝি, সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র, উদযাপন পরিষদের স্টিয়ারিং কমিটির
চেয়ারম্যান তপন মজুমদার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক
প্রমিতা সরকার উপস্থিত ছিলেন।
পরে উপদেষ্টা দু:স্থদের মধ্যে বস্ত্র
বিতরণ করেন।
মন্তব্য করুন


ইন্সপেক্টর
জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ মোঃ আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত
আয়ারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত কেভিন কেলি (Kevin Kelly) আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পুলিশ
হেডকোয়ার্টার্সে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সাক্ষাৎকালে
রাষ্ট্রদূত উভয় দেশের পুলিশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সংস্কারসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আইজিপির
সাথে মতবিনিময় করেন।
আইজিপি
বাংলাদেশ পুলিশের সংস্কার কর্মসূচি ও নানামুখী কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতের সাথে
মতবিনিময় করেন। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আয়ারল্যান্ড সরকারের সহযোগিতা
কামনা করেন। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরে অভিবাসন ও বিনিয়োগ অগ্রাধিকার পাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আগামীকাল সোমবার প্রধান উপদেষ্টা তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা সফর। এই সফরে অনেকগুলো সমঝোতা স্বাক্ষর হবে। এই সফরের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর থেকে গভীরতর হবে। সফরের মূল ফোকাস অভিবাসন নিয়ে আলাপ, দ্বিতীয় ফোকাস হচ্ছে বিনিয়োগ।
রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার মালয়েশিয়া সফর নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
প্রেস সচবি শফিকুল আলম বলেন, মালয়েশিয়া আমাদের জনশক্তি খাতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ। আমরা আমাদের অভিবাসন এমন জায়গায় নিয়ে যেতে পারি-যাতে মালয়েশিয়া আমাদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক জনশক্তি নেয়। এগুলো নিয়ে কিছু আলাপ হবে এবং এটার আলোকে কিছু চুক্তি স্বাক্ষর হবে। তিনি বলেন,মালয়েশিয়ার বড় বড় যেসব কোম্পানি আছে—তাদের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে কথা হবে। আগামী ১২ আগস্ট একটি বিজনেস কনফারেন্স আছে। এরপর ১৩ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টাকে মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি কেবাংসান (ইউকেএম) সম্মানসূচক ডিগ্রি দেবে। এই অনুষ্ঠানে আমরা আশা করছি, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীম উপস্থিত থাকবেন । মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ১২ আগস্ট একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আছে। সেটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আমরা আশা করছি, মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের যে সুসম্পর্ক আছে, সেটা একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহা-পরিচালক শাহ আসিফ রহমান বলেন, আগামী ১১ থেকে ১৩ আগস্ট মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীমের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যাবেন প্রধান উপদেষ্টা। তার সঙ্গে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল যাচ্ছেন। প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফওজুল কবির খান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক বিন হারুন।
তিনি আরও জানান, সফরের প্রথম দিন প্রধান উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনারের মাধ্যমে স্বাগত জানানো হবে, সেখানে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইল প্রধান উপদেষ্টাকে গ্রহণ করবেন। ১২ আগস্ট পুত্রজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে। বৈঠকের পর দুদেশের প্রতিনিধি পর্যায়ে বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।
দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য যে সমঝোতা স্মারকগুলো সই হবে তা হলো প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা; এলএনজি ও পেট্রোলিয়াম সরবরাহ ও অবকাঠামো নির্মাণসহ জ্বালানি সহযোগিতা; বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) ও ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ মালয়েশিয়া (আইএসআইএস); বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিএমসিসিআই) ও চিপ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মিমোস (এমআইএমওএস) এর সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়িক চেম্বার এফবিসিসিআইর সঙ্গে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়িক চেম্বারের মধ্যে সমঝোতা।
সম্ভাব্য এক্সচেঞ্জ নোটগুলো হলো হালাল ইকোসিস্টেম, দুই দেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমি এবং উচ্চ শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বিষয়ক নথি সই।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত
প্রতিদিন বিকেল ৩টায় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।
আজ
শনিবার (১৪ মার্চ) সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা
কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কমিটির সভাপতি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ
উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের কার্যাদি নিষ্পন্নের জন্য সময় বরাদ্দকরণ ও অধিবেশনের
স্থায়িত্বকাল নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সিদ্ধান্ত
গৃহীত হয়।
কমিটি
সদস্য, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে আরও
অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য বিরোধীদলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান, এমপি; ড. খন্দকার মোশাররফ
হোসেন, এমপি; স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এমপি; অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী,
এমপি; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, এমপি; চীফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, এমপি;
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, এমপি; এ টি এম আজহারুল ইসলাম, এমপি; বিরোধীদলের চীফ হুইপ
মো. নাহিদ ইসলাম, এমপি এবং মুহাম্মদ নওশাদ জমির, এমপি।
বৈঠকে
স্পিকারের বিশেষ আমন্ত্রণে অংশগ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার
কায়সার কামাল, এমপি।
প্রয়োজনে
অধিবেশনের সময় ও কার্যদিবস সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় পরিবর্তনের ক্ষমতা স্পিকারকে প্রদান
করা হয়।
এ
অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য আটটি ও অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৪৬০টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৮টি
প্রশ্ন পাওয়া গেছে। বিধি-৭১ এ মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে ২৭টি এবং সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব
সংখ্যা (বিধি-১৩১) এ ৯৭টি নোটিশ পাওয়া গেছে।
বৈঠকে
সাচিবিক সহায়তা প্রদান করেন সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা। সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন। তিনি আজ সোমবার
(৩০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’—এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ক্রীড়া কার্ড
ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী
ল্যাপটপে বাটন প্রেস করার সঙ্গে সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রত্যেক
ক্রীড়াবিদের মোবাইলে এক লক্ষ টাকা পৌঁছে যায়। প্রধানমন্ত্রী এ সময় ১২৯ জন ক্রীড়াবিদের
হাতে ক্রীড়া কার্ড তুলে দেন। একই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী
ক্রীড়াবিদদের সম্মাননা প্রদান করেন।
এর
আগে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে
একে একে অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ক্রীড়া
মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব–উল–আলম।
এরপর
ক্রীড়াবিষয়ক ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রচার করা হয়। এতে দেশের ক্রীড়া অঙ্গনে সাবেক প্রেসিডেন্ট
জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তাঁদের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর
অবদান তুলে ধরা হয়।
খেলোয়াড়দের
জীবনমান উন্নয়ন, নতুন খেলার মাঠ তৈরি, তৃণমূল থেকে মেধাবী খেলোয়াড় তুলে আনতে প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের বিভিন্ন পরিকল্পনার চিত্রও তুলে ধরা হয়।
এ
সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে বেজে ওঠে ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার, শেষ বাংলাদেশ, জীবন বাংলাদেশ, আমার
মরণ বাংলাদেশ’ গান।
২০
ডিসিপ্লিনের ১২৯ জন ক্রীড়াবিদ এই কর্মসূচির আওতায় সম্মাননা পেয়েছেন। এই কর্মসূচির ফলে
দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন যুগের সূচনা হলো।
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ এই স্লোগান বাস্তবে রূপ নিল।
বর্তমান
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের ক্রীড়াবিদেরা এখন থেকে বেতনকাঠামোর
আওতায় আসবেন। তবে ক্রিকেট বোর্ড স্বনির্ভর হওয়ায় ক্রিকেটাররা এ তালিকার বাইরে থাকবেন।
ক্রীড়া
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, যেসব ক্রীড়াবিদ বেতনের আওতায় আসবেন, প্রতি চার মাস
পর তাঁদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হবে। পারফরম্যান্স বজায় রাখতে পারলে তাঁরা এই
সুবিধা অব্যাহত রাখতে পারবেন। আর পারফরম্যান্সে ঘাটতি দেখা দিলে তালিকা থেকে বাদ পড়বেন।
এপ্রিল
থেকে পর্যায়ক্রমে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে বেতনকাঠামোর আওতায় আনা হবে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
আমিনুল হক।
যুব
ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে
উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী (এলজিআরডি) এবং বিএনপি মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এ
ছাড়া উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ
হোসেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, পররাষ্ট্র
প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, ঢাকা দক্ষিণ
সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপন প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


দেশে ভোটার তালিকা হালনাগাদ নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তালিকা অনুযায়ী দেশে বর্তমানে মোট ভোটার ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ২১ লাখ ৪৪ হাজার ৫৮৭ জন। নারী ভোটার ৫ কোটি ৯৭ লাখ ৪ হাজার ৬৪১ জন। আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৯৩২ জন।
শনিবার (২ মার্চ) এ তালিকা প্রকাশ করে ইসি।ভোটার তালিকা হালনাগাদে ২ দশমিক ২৬ শতাংশ ভোটার বেড়েছে। গত বছর ২ মার্চ দেশে মোট ভোটার ছিল ১১ কোটি ৯১ লাখ ৫১ হাজার ৪৪০ জন।
এর আগে এ বছর ২১ জানুয়ারি ২০২৩ সালের হালনাগাদ করা খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করে ইসি। সেই সময় হালনাগাদে যুক্ত হয়েছিল ২০ লাখ ৮৬ হাজার ভোটার যুক্ত হয়েছিল। ওই তালিকার পর দাবি আপত্তি গ্রহণ ও নিষ্পত্তি শেষে ২ মার্চ ভোটার দিবসে নতুন ভোটার তালিকা প্রকাশ করে ইসি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, বিএনপি যদি সংস্কার প্রস্তাব না মানে তবে এটা তাদের দায়িত্বহীনতার পরিচয়। নতুন করে রাজনৈতিক সংকট তৈরির অপপ্রয়াস। ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন সম্পর্কে জনগণের মাঝে সংশয় তৈরির অপপ্রয়াস।
আজ শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) কুমিল্লায় নিজ নির্বাচনি এলাকা চৌদ্দগ্রামের নির্বাচন কেন্দ্র পরিচালক সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় ডা. তাহের বলেন, ‘যদি নির্বাচন না হয় তাহলে যারা পালিয়ে গিয়ে ভারতে বসে ষড়যন্ত্র করছে, তারাই একটা সুযোগ নিবে। বিগত সরকারের যে বাংলাদেশ, সংস্কারবিহীন যে বাংলাদেশ, মনে হয় যেন বিএনপি সেই জায়গায় ফিরে যেতে চায়। বাংলাদেশকে আওয়ামী জাহেলিয়াতের দিকে ফিরে যেতে এদেশের মানুষ দিবে না।’
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, ‘সরকারের সিদ্ধান্ত থেকে যদি সরকার সরে যায়, তাহলে এটা পরিষ্কার হবে যে সরকার আর নিরপেক্ষ নেই। এ সরকার যদি নিরপেক্ষতা হারায় এবং কোনো দলের প্রতি যদি তাদের আনুগত্য প্রকাশ করে এ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এটা আশঙ্কা তৈরি হবে।’
উপজেলা জামায়াতে আমির মু মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা অঞ্চল টিম সদস্য ও সাবেক জেলা আমির আব্দুস সাত্তার, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবর রহমান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান ভুঁইয়া, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে সাবেক আমির ভিপি সাহাব উদ্দিন।
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইনের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা আমির মাওলানা ইব্রাহীম, জামায়াত নেতা আয়ুব আলী ফরায়েজী, সাবেক চৌদ্দগ্রাম উপজেলা দক্ষিণ আমির শাহ মিজানুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রহিম, পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি, মোশাররফ হোসেন ওপেলসহ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর থেকে পলিথিনের বিরুদ্ধে অভিযান কার্যক্রম শুরু হবে।
বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আপনি যে দোকানে যান
সে দোকান থেকে পলিথিন ব্যাগ কিনে আনেন। আমি আপনিও বলি না পলিথিন ব্যাগ
দিচ্ছেন কেন, এটা তো নিষিদ্ধ। আমরাও
তো হাতে করে নিয়ে আসি। মার্কেটগুলোতে গিয়ে পলিথিন ব্যাগগুলো প্রথমে আমরা বলব ১৫ থেকে ২০
দিন তারপর আমরা অভিযানে যাব। এগুলো আপাতত সিদ্ধান্ত। এটি তারিখ নির্ধারিত হয়নি। কারণ এর সঙ্গে আরো
কয়েকটি সংস্থা সম্পৃক্ত। এখন সবাই একটা আন্দোলনের মুডে আছে। সবাই সবার দাবি পেশ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ওইদিকে ব্যস্ত আছে। তবে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই আপনারা কার্যক্রমের শুরু দেখতে পারবেন। বায়ু দূষণ একদিনে সমাধান হবে না, কিন্তু এই শীতের আগে
যেন বায়ু দূষণের কয়েকটি উৎসকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, সেজন্য বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা করছি। এখানে মেগা পরিকল্পনা চলছে কিন্তু বায়ুদূষণের ব্যবস্থা নেই, সেই জায়গাটা আমরা ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব। কনস্ট্রাকশন হবে, কিন্তু বায়ুদূষণ করে কনস্ট্রাকশন হতে পারবে না। স্বল্প ব্যয়েই এটি করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাংক পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়কে এবং পরিবেশ অধিদপ্তরকে কিছু কিছু প্রকল্প সহায়তা দিচ্ছে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা হলো। তাদের প্রত্যাশাটা কি, এবং এই প্রত্যাশাটা আমরা যত তাড়াতাড়ি পূরণ করতে পারব ততো তাদের পক্ষে সম্ভব হবে এই অন্তর্বর্তী সরকারকে আমাদের এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে বাজেট সহায়তা দেওয়ার। আমরা বলেছি বাংলাদেশে আইনকানুন, নীতি ভালো আছে। এগুলোকে আরো ভালো করা যায়। কিন্তু সক্ষমতা না বাড়ালে এগুলোর বাস্তবায়নের জন্য তাহলে দূরত্বটা বেড়ে যাবে। মানুষের প্রত্যাশার জায়গাটা পূরণ হবে না। আইনকানুন, নীতি আমরা আরও সময়োপযোগী করব, আরও শক্ত করব। কিন্তু একই সঙ্গে আমাদের কাজে নেমে যেতে হবে। যেমন মানুষকে আমাদের দেখাতে হবে দূষণকারী কয়জন শাস্তি পাচ্ছে, ময়লা আবর্জনা নদীর পাড় থেকে সরছে, কিছু কিছু নদী পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়েছে। নতুন করে তাদের (বিশ্বব্যাংক) কাছে নতুন করে প্লাস্টিক, পলিথিন, শব্দ দূষণ ও কয়েকটা নদীতে দূষণ নিয়ে কথা বলেছি, বলেন পরিবেশ উপদেষ্টা।
বিশ্বব্যাংক কী ধরনের সহায়তা দেবে -এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরকে সবচেয়ে দূষিত নদী ও দূষণকারীদের তালিকা করতে বলা হয়েছে। সেগুলো যখন আমরা পাব তখন একটি মনিটরিং প্ল্যান করে ফেলতে পারব। ফলে বিস্তারিত রূপরেখা তৈরি হয়নি। তবে একটি রূপরেখা তো আছেই, সেখানে নতুন নতুন কম্পোনেন্ট যদি যুক্ত করতে পারি সেটি নিয়ে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছে সর্বাত্মক সহায়তা করার চেষ্টা করবেন।
মন্তব্য করুন