

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীরের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্টদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি আজ সোমবার (২৮
অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে সাক্ষাত করেছেন।
বৈঠককালে উভয় নেতা দু’দেশের বিদ্যমান
পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার পাশাপাশি মানবাধিকার, সুশাসন, দ্বি-পাক্ষিক ও আঞ্চলিক
স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বৈঠক শেষে, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জানান, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা
সংস্থা-‘সার্ক’কে সত্যিকারার্থে কার্যকর আঞ্চলিক সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব
দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নেপালের সাথে আমাদের সম্পর্ক
দীর্ঘদিনের। দ্বি-পাক্ষিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সম্ভাবনার নানা বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা
করেছি। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে নেপালের সাথে আমাদের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে মানবাধিকার,
সুশাসন, দ্বি-পাক্ষিক ও আঞ্চলিক সম্পর্কের
প্রতিফলন আগামী দিনগুলোতেও আমরা দেখতে চাই।
মন্তব্য করুন


গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগে মো. সিয়াম (২৩) ও তামজিদ হোসেন শুভ (২৩) নামে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গতকাল বুধবার (১০ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর তেজগাঁও থানার এলাকা থেকে তেজগাঁও থানা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানায়, তেজগাঁও এলাকায় পার্কিংয়ে রাখা একটি হ্যারিয়ার গাড়ির স্টিকার চুরির চেষ্টা করেন সিয়া ও শুভ। এসময় গাড়িচালক দেখলে তারা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া দিয়ে তাদের আটক করে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
পুলিশ আরও জানায়, শুভ ও সিয়াম শুধু মার্সিডিজ বেঞ্জ ও হ্যারিয়ার গাড়ির লোগো চুরি করতেন। যার কাছ থেকে চুরি করে পরে কৌশলে তার কাছেই বিক্রি করতেন চোরাই যন্ত্রাংশগুলো।
বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহম্মদ মোহসিন এসব তথ্য জানান।
তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহম্মদ মোহসিন বলেন, গ্রেফতারকৃত শুভ ও সিয়াম পেশাদার চোর। শুভর বিরুদ্ধে ৪টি ও সিয়ামের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা রয়েছে। ঢাকায় গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরির সংঘবদ্ধ যে কয়েকটি চক্র আছে তার মধ্যে শুভ ও সিয়াম অন্যতম। তারা শুধু মার্সিডিজ বেঞ্জ ও হ্যারিয়ার গাড়ির লোগো, স্টিকার, লুকিং গ্লাসসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ চুরি করতেন। পরে স্বল্প দামে ধোলাইখালে বিক্রি করে দিতেন সেসব যন্ত্রাংশ।
তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহম্মদ মোহসিন আরও বলেন, গ্রেফতারকৃতরা যে ব্যক্তির গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরি হয় তিনি যখন আবার এ ধরনের যন্ত্রাংশের খোঁজে ধোলাইখাল এলাকায় যান, তখন তার কাছেই উচ্চমূল্যে এগুলো বিক্রি করা হয়। দামি লোগো, স্টিকার, লুকিং গ্লাস চুরি করা সহজ, এসবের আবার দাম বেশি। তাই এগুলো চুরি করে বলে জানান তারা।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের উপস্থাপনা প্রত্যক্ষ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) দুপুর দুইটায় তিনি সংসদ ভবনে আসেন এবং সংসদের প্রেসিডেন্ট বক্স থেকে বাজেট উপস্থাপনা প্রত্যক্ষ করেন ।
এর আগে মন্ত্রিসভার বিশেষ
বৈঠকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য অনুমোদন দেওয়া
হয়েছে। দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার এ বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব
করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এদিন বিকেল তিনটায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭
লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি
দেশের ১৮তম অর্থমন্ত্রী। আবুল হাসান মাহমুদ আলী অর্থমন্ত্রী হিসেবে এবারই প্রথম বাজেট
পেশ করবেন।
এটি দেশের ৫৩তম বাজেট। সময়ের
সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতি বছরই বাজেটের আকার বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আগামী অর্থবছরের
বাজেট দেশের সবচেয়ে বড় বাজেট হতে যাচ্ছে। এর আগে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদারে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানান, নির্বাচনী নিরাপত্তায় মোট ৪২৮টি ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়—সে লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ডসহ স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।
তিনি জানান, প্রথম ধাপে বর্তমানে যেসব বাহিনী মাঠে রয়েছে, তাদের মোতায়েন বহাল থাকবে। দ্বিতীয় ধাপে ভোটকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা সাত দিন দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় পুলিশ ও আনসার ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও র্যাবের সমন্বয়ে একটি আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করা হবে। এই সেলে প্রতিটি বাহিনীর একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।
নির্বাচন উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর এক লাখ সদস্য, নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার, বিমান বাহিনীর তিন হাজার ৭৩০ জন (এর মধ্যে স্থলভাগে এক হাজার ২৫০ জন), পুলিশের এক লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩ জন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪ জন, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্টগার্ডের তিন হাজার ৫৮৫ জন, র্যাবের সাত হাজার ৭০০ জন এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১৩ হাজার ৩৯০ জনসহ মোট আট লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ৭৬১টি। এর মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৮ হাজার ৭৮০টি, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ১৬ হাজার ৫৪৮টি এবং সাধারণ কেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি। অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ২৫ হাজার বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ড্রোন ব্যবহারের বিষয়টি এবারের নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন বলে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী সেনাবাহিনী ২০০টি, নৌবাহিনী ১৬টি, বিজিবি ১০০টি, পুলিশ ৫০টি, কোস্টগার্ড ২০টি, র্যাব ১৬টি এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ১৬টি ড্রোন ব্যবহার করবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন বাহিনীর ডগ স্কোয়াডও মাঠে থাকবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে—এমন যে কোনো দুষ্কৃতিকারী কার্যক্রম কঠোরভাবে দমন করা হবে। যারা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করবে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকে প্রভাবিত করার যেকোনো অপচেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকার শক্ত হাতে মোকাবিলা করবে বলেও তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ৭৯তম জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে (ইউএনজিএ) যোগদানের জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওয়ানা হবেন।
২৭ সেপ্টেম্বর তাঁর উচ্চ পর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে বক্তৃতা দেওয়ার কথা রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ৭৯তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সংক্রান্ত
মিডিয়া ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন আজ বলেছেন, ‘তাঁর বক্তৃতায় তিনি
বাংলাদেশে গত দুই মাসে গণ-অভ্যুত্থানের কথা তুলে ধরবেন এবং একটি গণমুখী, কল্যাণধর্মী
ও জনস্বার্থমূলক রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রতি তাঁর অঙ্গীকার পুনরুল্লেখ করবেন
বলে আশা করা হচ্ছে।’
তৌহিদ হোসেন আরো বলেন, প্রধান উপদেষ্টার বক্তৃতায় আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের সুদৃঢ় অবস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক সংঘাত, রোহিঙ্গা সংকট, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সমস্যা, সম্পদের অবৈধ পাচার রোধ, অভিবাসী অধিকার রক্ষার মতো বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে।
তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা মাত্র তিনদিন নিউইয়র্কে থাকবেন। ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকার
উদ্দেশে রওয়ানা হবেন। প্রধান উপদেষ্টা পূর্ববর্তী সরকার প্রধানদের মতো চার্টার ফ্লাইটে
নয়, বাণিজ্যিক ফ্লাইটে এই যাতায়াত করবেন।
তৌহিদ বলেন, নিউইয়র্কে অবস্থানকালে প্রধান উপদেষ্টা নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান ও নেপালের
প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের মহাসচিব, জাতিসংঘের
মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট এবং ইউএসএআইডি প্রশাসক অধ্যাপক
ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভের ৫০ বছর পূর্তির বছর। একথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই মাইলফলক উপলক্ষে ২৪ সেপ্টেম্বর প্রফেসর ইউনূসের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ একটি উচ্চ পর্যায়ের সংবর্ধনার আয়োজন করবে।
এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুই নেতার সময়সূচি না মেলার কারণে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে কোনো দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে না। তবে হোসেন বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ইউএনজিএ’র পাশাপাশি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের আলোচ্যসূচি সম্পর্কিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা ও নয়াদিল্লী কীভাবে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে ভাল ‘কাজের সম্পর্ক’ বজায় রাখতে পারে, তা নিয়ে তিনি আলোচনা করবেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের পাশাপাশি তিনি জোট নিরপেক্ষ
আন্দোলনের (ন্যাম) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক, কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক, ইসলামিক
কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (ওআইসি) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোর
(এলডিসি) বার্ষিক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বাংলাদেশের
প্রতিনিধিত্ব করবেন।
এবারের সাধারণ বিতর্কের প্রতিপাদ্য “কাউকে পেছনে ফেলে নয় : বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের
জন্য শান্তি, টেকসই উন্নয়ন ও মানবিক মর্যাদার জন্য একসঙ্গে কাজ করা।”
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো.
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে দেশে নিরাপত্তায় নিয়ে
কোনো ঝুঁকি নেই।
আজ
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক
রহমানকে প্রয়োজনে বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়া হবে জানিয়ে মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন,
‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবার নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত।
স্পেশালি
যাদের জন্য দরকার, তাদের জন্য স্পেশাল নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত। সবার স্ট্যাটাস অনুযায়ী
দেওয়া হয়।’বাংলাদেশে কারো কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই বলেও জানিয়েছেন
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে তার ভেরিফাইড ফেসবুক
পেজে গুরুতর অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে একটি
স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে
তিনি উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়া সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন।
তার রোগমুক্তির জন্য দল–মত–নির্বিশেষে দেশের সব শ্রেণির মানুষ
আন্তরিকভাবে দোয়া করছেন। একইসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা তার সুস্থতার জন্য দোয়ার পাশাপাশি
চিকিৎসায় সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তারেক
রহমান লেখেন, দেশি–বিদেশি চিকিৎসক দল পেশাদারিত্বের পাশাপাশি
সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। বন্ধুপ্রতীম বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকেও উন্নত
চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আগ্রহ জানানো হয়েছে। সবার দোয়া ও ভালোবাসার
জন্য জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। পাশাপাশি খালেদা জিয়ার দ্রুত
আরোগ্যের জন্য দোয়া অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন।
স্ট্যাটাসে
নিজের অনুভূতির কথাও তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ-স্পর্শ
পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যে কোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো
এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন
নয়।’
পরিস্থিতি
অনুকূলে এলেই দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সম্ভব হবে বলে
আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত।
রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে
আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’
মন্তব্য করুন


জাতীয়
নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগরের প্রধান সমন্বয়ক
মীর আরশাদুল হক বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় গুলশানের চেয়ারপারসন
কার্যালয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেন তিনি। বিএনপির
মিডিয়া সেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন মীর আরশাদুল
হক।
গত
২৫ ডিসেম্বর সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, এনসিপির সব দায়িত্ব ও পদ থেকে নিজেকে
প্রত্যাহার করছেন এবং চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে এনসিপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে
অংশ নিচ্ছেন না।
মীর
আরশাদুল হক এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব, নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য, মিডিয়া
সেল ও শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য ছিলেন। পাশাপাশি তিনি পরিবেশ সেলের প্রধান এবং চট্টগ্রাম
মহানগরের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পদত্যাগপত্রে
তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এনসিপির যাত্রা শুরু হলেও গত
১০ মাসে দলটি সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।
দল
ও নেতৃত্ব ভুল পথে রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। তাই এনসিপির সঙ্গে আর কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক
রাখছেন না বলেও জানান।
পোস্টে
তিনি আরো লেখেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বৈরাচারের পতনের পর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখলেও
বাস্তবে তা পূরণ হয়নি। গণ-অভ্যুত্থানে বিপুল আত্মত্যাগের পরও দেশে শান্তি ও ন্যায্যতা
প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


সচিবালয়ের ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উত্তরাঞ্চলের সফর স্থগিত করে ঢাকা ফিরেছেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে নীলফামারী থেকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা ফিরে যান যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ গত মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) থেকে ৬ দিনের সরকারি সফরে উত্তরাঞ্চলে অবস্থান করছিলেন।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও নীলফামারীর জলঢাকায় কম্বল বিতরণ, মতবিনিময় ও সমাবেশে অংশ নিয়ে বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) নীলফামারী সার্কিট হাউসে রাত্রিযাপন করেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) নীলফামারীর ডোমার, লালমনিরহাট জেলা, কুড়িগ্রাম জেলা, শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) কুড়িগ্রাম জেলা, গাইবান্ধা জেলা, বগুড়া জেলা, আগামী শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) নওগাঁ জেলা, জয়পুরহাট জেলায় এবং রোববার (২৯ ডিসেম্বর) রাজশাহী ও চাঁপাইনবাগঞ্জ জেলায় কম্বল বিতরণ এবং মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার। এরপর তিনি ঢাকায় ফিরে যেতেন।
নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান জানায়, বুধবার গভীর রাতে সচিবালয়ের ভবনে আগুন লাগে। এতে ১ জন দমকল কর্মী নিহত হয়েছেন।
ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডের কারণে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ তার উত্তরাঞ্চলের সফর স্থগিত করে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে নীলফামারী থেকে হেলিকক্টারে করে ঢাকায় ফিরে যান।
এদিকে বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৮টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজস্ব আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে আসিফ মাহমুদ লিখেছেন, বিগত সময়ে হওয়া অর্থলোপাট, দুর্নীতি নিয়ে আমরা কাজ করছিলাম। কয়েক হাজার কোটি টাকা লুটপাটের প্রমাণও পাওয়া গিয়েছিল। আগুনে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, এখনো জানা যায়নি। আমাদের ব্যর্থ করার এ ষড়যন্ত্রে যে বা যারাই জড়িত থাকবে, তাদের বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেওয়া হবে না। এ মুহূর্তে আছি নীলফামারীতে, যত দ্রুত সম্ভব ঢাকা ব্যাক করছি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সংস্কার-নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা
হলে সংশয় কেটে যাবে।
আজ
শনিবার (২৪ মে) রাত ৮টার দিকে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ও নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ
আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রবেশ করেন। পরে রাত সাড়ে ৯টার
দিকে প্রেস ব্রিফিং করেন।
সেখানে
তিনি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশে কিছুটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। তার
ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের একটা বৈঠক হয়। সেই বৈঠক থেকে প্রধান
উপদেষ্টা একটি মেসেজ জাতিকে দিতে চেয়েছিলেন।
জামায়াতের
আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি (প্রদান উপদেষ্টা) সেটা দেননি। কিন্তু এটা খুব দ্রুত
সমাজে ছড়িয়ে পড়ে। যে কারণে এক ধরনের আশঙ্কা বিরাজ করে। আমরা সেটাকে আমলে নিয়েছি।
একই সময়ে একজন রাজনৈতিক নেতা তার জনপ্রতিনিধিদের দাবি নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন। আরেক
জায়গায় অন্যরা গুরুত্বপূর্ণ দাবি নিয়ে অবস্থান নিয়েছে। সব মিলিয়ে বিষয়টা কিছুটা
কষ্টের ও বিরক্তির। যে কারণে তিনি তার দায়িত্বের ব্যাপারে বিবেচনা করবেন এমনটি প্রকাশ
করেছিলেন।
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, দেশ ভালো থাকলে আমরা সবাই ভালো থাকবো। দেশে একটা পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু এই পরিবর্তনে এখন যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে সরকারের তাদের পরিচয় হলো তারা কোনো দলকে ধারণ করবে না। এটাই হওয়া উচিত নয়। আমাদের সবার দাবি ছিল অর্থবহ একটি সংস্কার হবে। এই সংস্কার ও বিচারের মধ্য দিয়েই একটা অর্থবহ নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনের সুস্থ মাঠ থাকবে, যারা অংশগ্রহণ করবে তারা ষড়যন্ত্রের শিকার হবে না, পেশী শক্তির প্রবণতা থাকবে না। সাড়ে ১৫ বছর জনগণ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে, এবার তারা ভোট দিতে পারবে সেটা নিশ্চিত হবে এটাই ছিল আমাদের দাবি।
জামায়াতের
আমির আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ইতোমধ্যে কয়েকবার বলেছেন, নির্বাচন তিনি দিতে চান
এ বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে। কিন্তু সুনির্দিষ্ট কোনো রোডম্যাপ
দেননি। দিন মাস ঘোষণা করেননি এটাকে কেন্দ্র করে। আমরা বলেছি, দুটি বিষয় স্পষ্ট করা
দরকার- গ্রহণযোগ্য সংস্কার হতে হবে, এবং সুষ্ঠু নির্বাচন হতে হবে। আমরা মনে করি, সংস্কার
ও নির্বাচনী রোডম্যাপের ঘোষণা হলে অনেকটাই সংশয় কেটে যাবে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন