

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আজ বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স প্রবেশপথে টানানো, তথ্য কর্মকর্তা নিয়োগসহ ১০ দফা নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর পরিচালনার ক্ষেত্রে বর্ণিত শর্তাবলি আবশ্যিকভাবে প্রতিপালন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো। আর এ ১০ নির্দেশনা হলো :
১. বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকের লাইসেন্সের কপি প্রতিষ্ঠানের মূল প্রবেশ পথের সামনে দৃশ্যমান স্থানে অবশ্যই স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করতে হবে।
২. সব বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাদি সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য একজন নির্ধারিত দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকতে হবে। একইসঙ্গে তার ছবি ও মোবাইল নম্বর দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।
৩. যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল হিসেবে আছে, কিন্তু শুধু ডায়াগনস্টিক অথবা হাসপাতালের লাইসেন্স রয়েছে, তারা লাইসেন্স পাওয়া ছাড়া কোনাভাবেই নামে উল্লিখিত সেবা প্রদান করতে পারবে না।
৪. ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরির ক্ষেত্রে যে ক্যাটারগরিতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, শুধু সে ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া কোনোভাবেই অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যাবে না। ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্যাথলজি বা মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও রেডিওলজি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে হবে।
৫. বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতালের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের প্রকারভেদ ও শয্যা সংখ্যা অনুযায়ী সব শর্তাবলি বাধ্যতামূলকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
৬. হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়োজিত সব চিকিৎসকের পেশাগত ডিগ্রির সনদ, বিএমডিসির হালনাগাদ নিবন্ধন ও নিয়োগপত্রের কপি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।
৭. হাসপাতাল, ক্লিনিকের ক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের অপারেশন বা প্রসিডিউরের জন্য অবশ্যই রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসককে সার্জনের সহকারী হিসেবে রাখতে হবে।
৮. কোনো অবস্থাতেই লাইসেন্সপ্রাপ্ত বা নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ব্যতীত চেম্বারে অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়া যাবে না। বিএমডিসি স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ ছাড়া যে কোনো ধরনের অপারেশন/সার্জারি/ ইন্টারভেনশনাল প্রসেডিউর করা যাবে না।
৯. সব বেসরকারি নিবন্ধিত লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে লেবার রুম প্রটোকল অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
১০. নিবন্ধিত বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটারে অবশ্যই ‘Operation Theatre Etiquette’ মেনে চলতে হবে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনী
ইশতেহার অনুযায়ী প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারের আর্থিক সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’
দেয়ার ক্ষেত্রে তিনটি পর্যায়ের পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ বিষয়টি জানান।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী
বলেন, প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কার্ড
দেয়া হবে। পরিবারে নারীদের গুরুত্ব বাড়ানো এবং স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনাই সরকারের মূল
লক্ষ্য।
জাহিদ
হোসেন দাবি করেন, কার্ড দেয়ার প্রক্রিয়াটি এতটাই স্বচ্ছ হবে, যাতে দুর্নীতির কোনো সুযোগ
থাকবে না।
এদিকে
ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে কয়েকটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার কথা রয়েছে। দুই
জন মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীসহ ১৫ সদস্যের ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা
কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রীর
সভাপতিত্বে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও সচিবদের সমন্বয়ে এ কমিটি করা হয়েছে।
আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কমিটিকে প্রাথমিক প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।
মন্তব্য করুন


চলতি
ডিসেম্বর মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। ডিসেম্বর মাসের ২০ দিনে দেশে প্রবাসী আয়
(রেমিট্যান্স) এসেছে ২১৭ কোটি ২১ লাখ ৩০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ
২৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)।
রোববার
(২১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য
মতে, চলতি মাসের ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এসেছে ২১৭ কোটি ২১ লাখ ডলার। এরমধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত
ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৭ কোটি ১৩ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে
২১ কোটি ৫২ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৫৮ কোটি ১৩ লাখ ডলার এবং
বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪২ লাখ ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন,
সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগে হুন্ডি প্রতিরোধ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের
উন্নতি রেমিট্যান্স আয় বাড়াতে ভূমিকা রাখছে।
একদিকে
প্রবাসী আয় বাড়ছে, অন্যদিকে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বাড়ছে। এদিকে প্রবাসী আয়ের
প্রবাহের ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের বৈদেশিক
মুদ্রার জোগান-চাহিদার ভারসাম্য ঠিক রাখতে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয়
ব্যাংক মোট ২ হাজার ৮৭১ মিলিয়ন বা ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার ক্রয় করেছে।
চলতি
অর্থবছরের সদ্য সমাপ্ত নভেম্বর মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলার,
দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৫ হাজার ২৫২ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।
অক্টোবর
মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার, সেপ্টেম্বর মাসে রেমিট্যান্স
এসেছে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার, আগস্ট মাসে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার, জুলাই
মাসে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ
মধ্যরাতের পরে অথবা কালকে সকালের ভেতরে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডা. জাহিদ।
এবার তার সঙ্গী হবে ৬ চিকিৎসকসহ ১৪ জন। এবারও সঙ্গী হিসেবে নাম রয়েছে গৃহপরিচারিকা
ফাতেমা বেগমের। দীর্ঘদিন ধরে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে রয়েছেন তিনি।
এবারের
সফরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দুই গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগম ও রুপা সিকদার থাকবেন বলে বিএনপি
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
জানা
গেছে, গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগম ২০১০ সাল থেকে বেগম জিয়ার ছায়াসঙ্গী হয়ে রয়েছেন। ২০১৮
সালে স্বেচ্ছায় বেগম জিয়ার সঙ্গে কারাগারেও ছিলেন তিনি। বেগম জিয়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে
থাকলে তিনিও থাকেন হাসপাতালে। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা
বাতিলের প্রতিবাদে আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়াকে গুলশাল কার্যালয়ের সামনে আটকে দেওয়া
হয়েছিল। তখনো পতাকা হাতে বেগম জিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় ফাতেমাকে।
তার
গ্রামের বাড়ি ভোলায়। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য লন্ডন যান বেগম খালেদা জিয়া।
তখনো তার সঙ্গী ছিলেন ফাতেমা বেগম।
এবারের
খালেদা জিয়ার সঙ্গে লন্ডনে যাবেন—পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান, ডা. জাহিদ
হোসেন, ডা. এনামুল হক চৌধুরী (চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা), ডা. ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ সিদ্দিকী,
ডা. সাহাবুদ্দিন তালুকদার, ডা. নুরুদ্দিন আহমেদ, ডা. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, ডা. মোহাম্মদ
আল মামুন, হাসান শাহরিয়ার ইকবাল (এসএসএফ), সৈয়দ সামিন মাহফুজ (এসএসএফ), আব্দুল হাই
মল্লিক (ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সহকারী), মাসুদের রহমান (অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রাইভেট
সেক্রেটারি), ফাতেমা বেগম (গৃহকর্মী), রুপা শিকদার (গৃহকর্মী)।
মন্তব্য করুন


২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ৩৩ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে একটি
প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পর যেসব এসপি ও ইউনিট প্রধানরা বিপিএম-পিপিএম পদক পেয়েছিল তাও বাতিল করা হয়েছে।
এই
একই
কারণে এর আগে ওএসডি করা হয় ১২ ডিসিকে।
ওএসডি করা কর্মকর্তাদের তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
মন্তব্য করুন


শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানিয়েছেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা অধিকারের পাশাপাশি প্রত্যেক জেলায় টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটির (সিসিএস) আয়োজিত ভোক্তা অধিকার সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৩৭ আসনের পাশাপাশি ফাঁকা রাখা ৬৩ আসনের মধ্যে ৩৬
আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি।
আজ
বৃহস্পতিবার (০৪ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে
এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এর
মধ্যে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে ডা. আব্দুস সালাম, দিনাজপুর-৫ আসনে এ কে এম কামরুজ্জামান, নওগাঁ-৫
জাহিদুল ইসলাম ধলু ও নাটোর-৩ আসনে মো. আনোয়ারুল ইসলাম বিএনপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করবেন।
সিরাজগঞ্জ-১
আসনে সেলিম রেজা, যশোর-৫ আসনে এম ইকবাল হোসেন, নড়াইল-২ আসনে মনিরুল ইসলাম, খুলনা-১
আসনে আমির এজাজ খান, পটুয়াখালী আসনে মোহাম্মদ শহিদুল আলম তালুকদার, বরিশাল-৩ আসনে জয়নাল
আবেদীন ও ঝালকাঠি-১ আসনে রফিকুল ইসলাম জামাল বিএনপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এ
ছাড়া টাঙ্গাইল-৫ আসনে সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ময়মনসিংহ-৪ আসনে আবু ওহাব আখন্দ ওয়ালিদ,
কিশোরগঞ্জ-১ আসনে মো. মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, মানিকগঞ্জ-১
আসনে এস এ জিন্নাহ কবির ও মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে মো. কামরুজ্জামান বিএনপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করবেন।
ঢাকা-৭
আসনে হামিদুর রহমান, ঢাকা-৯ আসনে হাবিরুর রশিদ, ঢাকা-১০ আসনে শেখ রবিউল আলম, ঢাকা-১৮
আসনে এম এম জাহাঙ্গীর হোসেন, গাজীপুর-১ আসনে মো. মজিবুর রহমান, রাজবাড়ী-২ মো. হারুন
অর রশিদ, ফরিদপুর-১ খন্দোকার নাসিরুল ইসলাম, মাদারীপুর-১ আসনে নাদিরা আক্তার, মাদারীপুর-২
আসনে জাহান্দার আলী খান, সুনামগঞ্জ-২ আসনে নাসির হোসেন চৌধুরী ও সুনামগঞ্জ-৪ আসনে নুরুল
ইসলাম বিএনপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এ
ছাড়া সিলেট-৪ আসনে আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ-১ আসনে রেজা কিবরিয়া, কুমিল্লা-২ আসনে
মো. সেলিম ভূঁইয়া, চট্টগ্রাম-৩ আসনে মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৬ আসনে গিয়াস উদ্দিন
কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৯ আসনে মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে নাজমুল মোস্তফা
আমীন ও কক্সবাজার-২ আসনে আলমগীর মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ বিএনপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
গত
৩ নভেম্বর ২৩৭ আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। পরদিন মাদারীপুর-১ আসনের প্রার্থী
কামাল জামান মোল্লার মনোনয়ন স্থগিত করে দলটি। এই আসনে নাদিরা আক্তারকে প্রার্থী করেছে
বিএনপি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবীদ্বারে ব্যবসায়ী মুসা আলী হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত ০২ ঘাতককে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ তারিখ কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন নাজিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ভিকটিম মোঃ মুসা আলী (৪০) খুন হয়। উক্ত ঘটনাটি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমসমূহে প্রচারিত হলে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ভিকটিমের শ্বশুর বাড়ী কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানাধীন তুলাগাও এলাকায় হওয়ায় সে প্রায়ই উক্ত এলাকায় আসা-যাওয়া করতো। এরই সূত্র ধরে আসামীদের সাথে ভিকটিম মুসা আলী (৪০) এর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় ও অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে অপহরণপূর্বক ভিকটিমের স্ত্রীর নিকট ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রী দাবীকৃত ১০ লক্ষ টাকার পরিবর্তে বিকাশের মাধ্যমে ৩০,০০০/- টাকা আসামীদেরকে প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামীরা দাবীকৃত অর্থ না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ভিকটিমের পায়ে, হাতে ও পিঠে ছুরি দিয়ে আঘাত করে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানাধীন পশ্চিম বাগুর এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে উদ্ধার করে দেবীদ্বার থানাধীন মেডিনোভা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং চিকিৎসক জানান যে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ভিকটিমের মৃত্যু হয়েছে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী রাজিয়া আক্তার (৩৮) বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের নিমিত্তে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা এর একটি আভিযানিক দল গত ০২/০২/২০২৪ ইং তারিখ রাতে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানাধীন বাসস্ট্যান্ড ও কোতয়ালী মডেল থানাধীন বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে হত্যাকারী মোঃ রফিকুল ইসলাম@ লিমন (৩০), পিতা-মোঃ আবুল হোসেন, সাং-রেইসকোর্স, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা এবং সবুজ সরকার (২৭), পিতা-মৃত আব্দুল আজিজ, সাং-বাগুর, থানা-দেবীদ্বার, জেলা-কুমিল্লা’দ্বয়কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার অপরাধে ৩১ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এদের মধ্যে ১৯ জেলেকে ১২ দিন এবং ১২ জেলেকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও ৩ জেলেকে ৫ হাজার টাকা করে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৭ জন জেলে অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা রেখে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২১ অক্টোবর) রাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন অভিযানে অংশগ্রহণকারী সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান।
সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, রোববার (২০ অক্টোবর) বিকেল থেকে সোমবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর হরিনা, বহরিয়া, গাজীর টেক ও আনন্দ বাজার এলাকায় জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্স অভিযান চালিয়ে এসব জেলেদের আটক করে। এ সময় জেলেদের হেফাজতে থাকা মাছ ধরার ইঞ্জিন চালিত দুটি নৌকা, ২৫ কেজি ইলিশ এবং ১০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।
পৃথক দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপস শীল এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকারিয়া হোসেন।
জেল ও জরিমানা প্রাপ্ত ৩৪ জেলে হলেন- মিলন শেখ (২৮), রফিক গাজী (৩৫), আল-আমিন মোল্লা (৩৬), সত্তর খাঁ (৪২), আবু তাহের পাটওয়ারী (৫৫), জাকির গাজী (২১), সুমন উকিল (২৮), আল-আমিন পাটওয়ারী (২২), রাসেল খালাসি (২৬), নুর মোহাম্মদ (৩২), সেলিম উদ্দিন (৩৩), দুলাল ঢালী (৪৯), জসিম পাটওয়ারী (২০), শাহজাহান শেখ (৫৫), মাসুদ বেপারী (২৩), শাহজাহান (৪৫), নাহিদ তালুকদার (১৮), মোহাম্মদ আলী শেখ (৩৯), সোহেল মিজি (২৭), মজিদ বেপারী (৪২), বজলুল হক হাওলাদার (২৭), সুজন গাজী (৩০), মো. ফারুক শেখ (৪০), মো. নাদিম (২১), আব্দুল কাদির (২৭), মো. জসিম খান (৩৫), সুমন গাজী (৩৩), মো. জাকির (২৫), মো. হান্নান গাজী (২৪), রফিক রাঢ়ী (৩০), আরিফ ঢালী (২২), হারুন দর্জি (৪০), মহসীন রাজন (১৯), মো. মো. রাব্বি সামি (২২)।
একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড। বাকি জেলা টাস্কফোর্সের ৩টি অভিযানে মৎস্য অধিদপ্তর চাঁদপুরের ৩টি হাই স্পিডবোটসহ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকারিয়া হোসেন, মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট চাঁদপুরের টেকনোলজিস্ট মো. হাসিব রানা, চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ প্রকল্প) এসএম মুশফিকুর রহমান, উপসহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. জামিল হোসেন, কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জনগণ চাইলে কেউ দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। তার মতে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়লেই গণতন্ত্র আরও শক্ত ভিত্তি পাবে এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত হবে।তিনি বলেন, যারা দুর্নীতিমুক্ত ও চাঁদাবাজিমুক্ত বাংলাদেশ দেখতে চান, যারা চান দেশের সন্তানরা সুশিক্ষা অর্জন করে যোগ্যতার ভিত্তিতে ভালো চাকরি পাক, এবং যারা স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করেন—তাদের সবার উচিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে অবস্থান নেওয়া।রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বড় শালঘর ইউনিয়নের সৈয়দপুর বাজারে আয়োজিত আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রা ও গণসংযোগ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, দেশের উন্নয়নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে দুর্নীতি। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ফুটো থাকা একটি বড় পানির ট্যাংকিতে যতই পানি ঢালা হোক, তা কখনো পূর্ণ হবে না। দুর্নীতিই সেই ফুটোর মতো, যা বন্ধ না করলে কোনো সংস্কারই টেকসই হবে না। তিনি দাবি করেন, তার নির্বাচনী লড়াই মূলত দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। পাশাপাশি তিনি ঋণখেলাপিদের সংসদের বাইরে রাখার কথাও উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, এই পরিবর্তনের আন্দোলনে বিশেষ করে তরুণ সমাজসহ সব বয়সের মানুষকে মাঠে নামতে হবে এবং সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।আরও বলেন, তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের সন্ত্রাস বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের জায়গা নেই। উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, তাদের পক্ষ থেকে কেউ কখনো হুমকি দিয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ‘না’ বলে সাড়া দেন। তিনি বলেন, তারা জোর করে কাউকে কর্মসূচিতে আনেন না, বরং ভালোবাসা ও সম্মানের মাধ্যমে মানুষের কাছে যান।হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, ভোট চাওয়াকে তিনি অসম্মানের মনে করেন না। বরং দুর্নীতি বা চুরি করার চেয়ে ভোট ভিক্ষা করাই তার কাছে বেশি মর্যাদার। তিনি জানান, প্রতিদিনই সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাকে আর্থিক সহায়তা, খাবার ও ভালোবাসা দিচ্ছেন। তার মতে, মানুষ তাকে সহযোগিতা করছে কারণ তারা তাকে একজন সৎ মানুষ হিসেবে বিশ্বাস করছে। তিনি বলেন, তিনি নিজের সক্ষমতা গোপন করেন না এবং জনগণের সহায়তা থাকলে পরিবর্তন সম্ভব বলেই তিনি বিশ্বাস করেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীসহ
সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)
৪৬০টি টহল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।
১৯
নভেম্বর (রোববার) সকালে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার
আল মঈন বিষয়টি জানিয়েছেন।
তিনি
জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বিভিন্ন দলের ডাকা ২ দিনব্যাপী হরতালে রাজধানীসহ সারা দেশে যাতে
কোনো ধরনের নাশকতা ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি না হয়, সেজন্য র্যাবের সব কয়টি ব্যাটালিয়নের
সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। এই লক্ষ্যে ঢাকায় ১৬০টিসহ সারাদেশে ৪৬০টি র্যাবের টহল
টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও সাইবার স্পেসেও নজরদারি করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন