

একজন ইউটিউবারের একমাত্র ধ্যান জ্ঞান থাকে ভিউ পাওয়া । সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের
ভিডিওতে বাকিদের তুলনায় একটু বেশি ভিউ পাওয়ার জন্য কতকিছুই না তারা করেন।
তবে ট্রেভর জ্যাকব নামে ৩০ বছর বয়সী এক মার্কিন ইউটিউবার এমনই এক ঘটনা ঘটাতে
গিয়ে উল্টো ঘটালেন এক অঘটন যার দরুণ সেই ইউটিউবার সম্ভবত সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন।
বিবিসির খবরের সূত্র হতে জানা যায়, তিনি ভিডিওতে দর্শক টানতে স্বেচ্ছায় নিজের
বিমান বিধ্বস্ত করেছেন। শুধু তাই নয়, বিমান বিধ্বস্ত করে তদন্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে
মিথ্যাচারও করেছেন। এই অপরাধের দায়ে তাকে ছয় মাসের সাজা দিয়েছেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত
ওই ইউটিউবার ২০২১ সালের ডিসেম্বরে এই ঘটনার একটি ভিডিও ইউটিউবে পোস্ট করেন । সেখানে
দেখা যায়, তিনি সেলফি স্টিক হাতে বিমান থেকে প্যারাস্যুটে করে নিচে নামছেন। মূলত বিমান
বিধ্বস্ত করে সেটাকে দুর্ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দিতেই এমনটা করেন তিনি।
ক্যালিফোর্নিয়ার সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অফিস জানিয়েছে, ২০২১ সালের
নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারা বিমানবন্দর থেকে বিমান নিয়ে
উড্ডয়ন করেন ট্রেভর জ্যাকব। এ সময় তার সঙ্গে ক্যামেরা, প্যারাসুট ও সেলফি স্টিক ছিল।
উড্ডয়নের ৩৫ মিনিট পর বিমানটি লস প্যাড্রেস ন্যাশনাল ফরেস্টে বিধ্বস্ত হয়। ঘটনাস্থলে
গিয়ে ভিডিও ফুটেজ উদ্ধার করলেও বিমানটি নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর কোনো চেষ্টা করেননি
জ্যাকব। বরং উড্ডয়নের পর বিমান থেকে বের হয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন এবং প্যারাসুট
ব্যবহার করে মাটিতে নেমে আসেন।
এরপর একই বছরের ২৩ ডিসেম্বর ‘আই ক্রাশড মাই এয়ারপ্লেন’ নামে একটি ভিডিও ইউটিউবে
ছাড়েন জ্যাকব। ভিডিওটি ৩০ লাখ বার দেখা হয়েছে। তবে পরবর্তীতে ভিডিওটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে
নেওয়া হয়।
মার্কিন তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, ইউটিউবে দর্শকপ্রিয়তা পেতেই স্বেচ্ছায় বিমানটি
বিধ্বস্ত করেছিলেন ট্রেভর জ্যাকব। পরে এ ঘটনায় মামলা হলে তাদের সঙ্গে মিথ্যা কথা বলেছেন
তিনি।
দোষ স্বীকার করে আদালতকে জ্যাকব জানান, একটি পণ্যের প্রচারের জন্য চুক্তি করেছিলেন
তিনি। এর অংশ হিসেবে তিনি বিমানটি বিধ্বস্ত করে ভিডিও ধারণ করেছেন। এই মামলায় সোমবার
জ্যাকবকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালত।
মন্তব্য করুন


আজ শনিবার তৃতীয় ভয়েস
অব গ্লোবাল সাউথ সামিটে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, অন্তর্ভুক্তিমূলক, বহুবচনবাদী গণতন্ত্র রূপান্তর নিশ্চিত
করতে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ।
ভারতের নয়াদিল্লিতে এই সামিট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ঢাকা থেকে এই সামিটে যুক্ত দিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে শপথ নেওয়ার পর এটিই ড. ইউনূসের প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক কর্মকাণ্ড, যেখানে একাধিক দেশ যুক্ত ছিল। এই সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশন রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধান পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সামিটে প্রধান উপদেষ্টা
বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, গণমাধ্যম,
অর্থনীতি ও শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার করা অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম কাজ।
এ সময় ভারতের
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এর আগে গতকাল শুক্রবার
ফোনালাপে সামিটে যোগ দেওয়ার জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানান নরেন্দ্র
মোদি। তখন আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি সম্মেলনে যোগ দিতে রাজি হন
প্রধান উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনী
ইশতেহার অনুযায়ী প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারের আর্থিক সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’
দেয়ার ক্ষেত্রে তিনটি পর্যায়ের পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ বিষয়টি জানান।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী
বলেন, প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কার্ড
দেয়া হবে। পরিবারে নারীদের গুরুত্ব বাড়ানো এবং স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনাই সরকারের মূল
লক্ষ্য।
জাহিদ
হোসেন দাবি করেন, কার্ড দেয়ার প্রক্রিয়াটি এতটাই স্বচ্ছ হবে, যাতে দুর্নীতির কোনো সুযোগ
থাকবে না।
এদিকে
ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে কয়েকটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার কথা রয়েছে। দুই
জন মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীসহ ১৫ সদস্যের ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা
কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রীর
সভাপতিত্বে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও সচিবদের সমন্বয়ে এ কমিটি করা হয়েছে।
আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কমিটিকে প্রাথমিক প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।
মন্তব্য করুন


প্রবাসী
কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল
বলেছেন, ডিজিটালাইজেশনের কারণে বিদেশি যাওয়া কর্মীদের ভোগান্তি ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে
দুর্নীতি আগের তুলনায় অনেক
কমেছে।
তিনি
বলেন, প্রবাসী অ্যাপসের মাধ্যমে শত শত হাজার
কোটি টাকা প্রবাসীদের থেকে
আদায় করা হতো। যারা
বিদেশে যাবেন কর্মীদের থেকে অনেক ধরনের
দুর্নীতি হতো। সেটা বন্ধ
করার জন্য আমরা প্রাণান্ত
প্রচেষ্টা করেছি।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক
অভিবাসী দিবস এবং জাতীয়
প্রবাসী দিবস–২০২৫ উপলক্ষ্যে
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা
বলেন।
তিনি
বলেন, আমাদেরকে আইওএম অনেক হেল্প করেছে।
এটার জন্য আইএলও অনেক
হেল্প করেছে। এটার জন্য আমরা
ওভারসিজ অ্যামপ্লয়মেন্ট প্লাটফর্ম নামে সম্পূর্ণ একটা
অনলাইন প্লাটফর্ম চালু করেছি। সমস্ত
বিদেশে গমন ১০০ শতাংশ
ডিজিটালাইজ করেছে। এখন ডিজিটালাইজেশন করার
কারণে দুর্নীতি, হয়রানি, ভোগান্তি হওয়ার সুযোগ অনেক কমেছে। তারপরও
মেশিনের পিছনে তো মানুষ থাকে।
আমাদেরকে মনে রাখতে হবে,
সেই মানুষগুলোকে এই দায়িত্বটা পালন
করতে হবে।
অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি
বলেন, যারা ভোটের জন্য
নিবন্ধন করেছেন প্রথমবারের মতো ভোট দিতে
পারবেন। আমি সবার কাছে
অত্যন্ত আনন্দের সাথে বলতে চাই,
প্রবাসীদের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার যে দৃষ্টিভঙ্গি, সেটা
আমরা প্রতিফলন করে ঢাকা এয়ারপোর্টে
প্রথমবারের মত অনেক রুটিন
কাজ করেছি। প্রবাসীদের জন্য আমাদের রুটিন
কাজের বাইরে প্রথমবারের মত কিছু স্টেপ
নিতে পেরেছি। অবশ্যই এগুলো যথেষ্ট না।
তিনি
আরও বলেন, সৌদি আরবের সাথে
প্রথমবারের মত বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক
চুক্তি করেছে। চুক্তি করার সাথে সাথে
ওদের ইম্প্যাক্ট বোঝা যায় না,
কিন্তু একটা ভালো ইম্প্যাক্ট
অবশ্যই আসবে। সৌদি মিনিস্টার আমাকে
বলেছেন, তোমাদের অনেক সরকার অনেক
চেষ্টা করেছে, এটা হয়নি। আমাদেরকে
বাংলাদেশি মিশনের মানুষজন বলেছেন পাকিস্তান বা ইন্ডিয়ার সাথে
ওই ধরনের কোনো চুক্তি হয়নি।
বাংলাদেশের সাথে হয়েছে।
তিনি
বলেন, আমরা মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে
সিন্ডিকেট নিয়ে অনেক অভিযোগ
শোনা যায়। মালয়েশিয়ার সিন্ডিকেটকে আমরা সম্পূর্ণ ডিলিস্টিং
করেছি। আমরা স্ট্রংলি বলেছি,
আমরা সিন্ডিকেট হতে দিব না।
এখানে প্রবাসী শ্রমিকদের থেকে অবৈধভাবে অনিয়ন্ত্রিত
মুনাফা অর্জনকরে যে সিন্ডিকেট হয়েছিল,
সেটা ভাঙার চেষ্টা করেছি। অন্তত হতে দেইনি এখনো।
আমাদের মনে হয়, আমাদের
আরো অনেক কিছু করার
আছে।
তিনি
আরো বলেন, আমাদের পরবর্তী যে সরকার থাকবেন,
তাদের যদি বাংলাদেশের মানুষের
প্রতি মিনিমাম ভালোবাসা থাকে, নিজের মধ্যে যদি মিনিমাম ঈমান
থাকে, যদি তাদের মধ্যে
সত্যি মিনিমাম কৃতজ্ঞতাবোধ থাকে, আমরা যতটুকু কাজ
করেছি সেগুলো এগিয়ে নিবেই। তারা আমাদের চেয়ে
অনেক বেশি সময় পাবেন।
প্রবাসীদের কল্যাণের জন্য আরো অনেক
বেশি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


বাস্তব জীবনের
কিছু গল্প অনেক সময় কল্পনাকেও হার মানায়। তেমনই এক হৃদয়স্পর্শী ঘটনার সাক্ষী হলো দক্ষিণ
কোরিয়ার আনসানের খুদেপিয়ংওয়ান হাসপাতাল। দীর্ঘ দিন ধরে দুরারোগ্য ক্যান্সারের সঙ্গে
লড়াই করা কোরীয় নাগরিক চংওয়াং জীবনের শেষ মুহূর্তে এসে ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
মুফতি ফয়জুল্লাহ
আমানের হাতে এ পর্যন্ত ৮০ জনের মতো ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
গত সোমবার
(১২ জানুয়ারি) রাতে বাংলাদেশি আলেম মুফতি ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে কালিমা পড়ে তিনি ইসলামের
সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় নেন।
এক পাক্ষিক
প্রেমের অবিস্মরণীয় গল্প চংওয়াংয়ের জীবনের এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী
লাইলা। বাংলাদেশের সোনারগাঁয়ের মেয়ে লাইলার সঙ্গে প্রায় ১৪–১৫ বছর আগে ঘর বাঁধেন চংওয়াং।
বিয়ের সময় নামমাত্র শাহাদা পড়লেও চংওয়াং ধর্মীয় জীবনে অভ্যস্ত ছিলেন না। তবে স্বামীর
এই কঠিন অসুস্থতার সময়েও বাংলাদেশি বধূদের চিরচেনা ধৈর্য ও মায়ার প্রতিচ্ছবি হয়ে নিঃশব্দে
সেবা দিয়ে যাচ্ছেন লাইলা। তার অনুরোধেই চংওয়াং জীবনের এই সায়াহ্নে এসে তওবা করে নতুন
করে কালিমা পড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
হাসপাতালের
সেই আবেগঘন মুহূর্ত কোরিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি যুবক ইমনের মাধ্যমে খবর পেয়ে মুফতি
ফয়জুল্লাহ আমান হাসপাতালে যান। তিনি জানান, চংওয়াং এখন মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। ডাক্তাররা
প্রায় আশা ছেড়ে দিয়েছেন। সেই বিছানায় শুয়েই তিনি কালিমা পড়ে নতুন জীবনের দীক্ষা নেন।
মুফতি
ফয়জুল্লাহ আমান বলেন, মৃত্যু কোনো বিলয় নয়, এটি এক রূপান্তর। মানুষ বিলুপ্ত হয় না;
কেবল এক ঘর থেকে অন্য ঘরে স্থানান্তরিত হয়। যদি এই জীবনে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক
সুন্দর হয়, তবে পরের জীবনটি আরও শক্তিশালী ও অর্থবহ হয়ে ওঠে।
শতজনের
পথপ্রদর্শক মুফতি ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে এ পর্যন্ত কতজন ইসলাম গ্রহণ করেছেন জানতে
চাইলে তিনি সময় সংবাদকে জানান, এই সংখ্যা প্রায় ৮০ ছাড়িয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। তিনি চংওয়াংয়ের
জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। তিনি বলেন, আল্লাহ চরম অসুস্থ ব্যক্তিকেও সুস্থ করতে
পারেন। আর যদি হায়াত না থাকে, তবে যেন ঈমানের সঙ্গে তার মৃত্যু নসিব হয়।
বর্তমানে
চংওয়াং আনসানের ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে এক কোরীয় নাগরিকের
এমন ঈমানি রূপান্তর কোরিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
মন্তব্য করুন


চিকিৎসকরা যা পারলেন না, করে দেখিয়ে দিলেন একজন মা। এ যেন মাতৃশক্তির জয় । ৫ বছর কোমায় থাকার পর মায়ের মুখে কৌতুক শুনেই জেগে উঠলেন এক মার্কিন নারী।
জেনিফার ফ্লিওয়েলেন ২০১৭ সালে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন । আর এরপরই কোমায় চলে যান। কিন্তু মেয়ের নিস্পন্দ শরীরটাকে আগলে রাখতেন মা পেগি মিন্স। মেয়েকে পিরে পাওয়ার প্রত্যাশায় প্রতিদিন আসতেন হাসপাতালে মা, মেয়ের সঙ্গে কথা বলতেন, হাসির-মজার নানা গল্প বলতেন, কৌতুকও শোনাতেন। হঠাৎ একদিন ঘটল মিরাকল’। কাঁপুনি দিয়ে জেগে উঠলেন মেয়ে। মুখভর্তি একগাল হাসি।
৬০ বছরের পেগি জানিয়েছেন, ২০২২ সালের ২৫ আগস্টের সেই অবিস্মরণীয় দিনটির কথা। ওইদিনই কোমা-মুক্ত হন জেনিফার। সম্প্রতি এতবছর পর ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে ।
মার কথায় জানা যায়, যখন সে জেগে উঠল, আমি প্রথমে রীতিমতো ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। কারণ সে হাসছিল। এতদিন ধরে তাকে হাসপাতালে দেখছি। কখনও আগে এরকম হাসতে দেখিনি। ওর শরীরে কাঁপুনি দিচ্ছিল। কথা বলতে পারছিল না, তবে মাথা নাড়ছিল। তবে এটা সত্যি, তাকে জেগে উঠতে দেখে বুঝেছি, আমার স্বপ্ন সত্যি হল। সেদিন নিজেকে বললাম, আমার স্বপ্ন সত্যি হল। এতদিন যে দরজা আমাদের দুইজনকে আলাদা করে রেখেছিল, তা যেন হঠাৎই খুলে গেল। আবার আমরা এক হয়ে গেলাম।
তবে কোমা মুক্ত হলেও এখনো পুরোপুরি সুস্থ হননি জেনিফার। এখনও ঠিক করে কথা বলতে পারেন না তিনি, নড়াচড়া করতেও সমস্যা হয়। জেনিফারের চিকিৎসার খরচ জোগাতে সমাজমাধ্যমে একটি ‘গো-ফান্ড-মি’নামে পেজও খোলা হয়েছে। গোটা ঘটনায় বিস্মিত মিশিগানের মেরি ফ্রি বেড রিহ্যাবিলিটেশন হাসপাতালের ডাক্তার র্যালফ ওয়াং।
ডাক্তার বলেন, এটি অলৌকিক ঘটনা, শুধু কোমা থেকে জেগে ওঠাই নয়, জেনিফার সুস্থতার দিকেও এগোচ্ছে। মাত্র ১ থেকে ২ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই এমনটা দেখা যায়।
এদিকে, মায়ের ফিরে আসায় উচ্ছ্বসিত পুত্র জুলিয়ান। সম্প্রতি তার ফুটবল ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন জেনিফার। জুলিয়ান জানিয়েছেন, মা আমার সবচেয়ে বড় সমর্থক। দর্শকাসনে তাকে ফিরে পাওয়ার অনুভূতি বলে বোঝানো সম্ভব নয়।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে পুলিশ
এবং নির্বাচন কমিশনসহ প্রধান প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে সহায়তা
করবে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস।
রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন
তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়,
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর সৌজন্য সাক্ষাতে
তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার, দুর্নীতি, বন্যা, রোহিঙ্গা সংকট এবং জুলাই-আগস্ট গণহত্যা
বিষয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বে তদন্ত বিষয়ে আলাপ করেন।
গোয়েন লুইস অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া
সংস্কার উদ্যোগে সহায়তায় আগ্রহের কথা জানান এবং বিপ্লব পরবর্তী প্রশাসনের প্রধান হিসেবে
অসাধারণ ভূমিকা নেওয়ায় ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ জানান।
জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের কথা উল্লেখ করে
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, এটা ছিল গোটা জাতির জন্য এক অনন্য আন্দোলন। তার সরকারের
প্রধান কাজ প্রত্যেকের জন্য একটা ভালো উদাহরণ স্থাপন করা। এটা দেশের অর্থনীতি এবং প্রায়
সকল প্রতিষ্ঠান সংস্কারের জন্য বিরাট সুযোগ।
গোয়েন লুইস পুলিশ প্রশাসনসহ নিরাপত্তা
বাহিনীর সংস্কার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তার সরকার পুলিশের সংস্কারের
সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে।
ড. ইউনূস বলেন, সরকার সারা দেশে সমন্বিত
তথ্যপ্রযুক্তি পদ্ধতি স্থাপনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি দেশে হয়রানি এবং দুর্নীতি হ্রাস
করবে। নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কারে সরকার একটি কমিশন গঠন করেছে। সুতরাং আগামীতে অবাধ ও
সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।
জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত
বিষয়ে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস বলেন, জুলাই ও আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড
এবং ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন তদন্ত টিম ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা,
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আইএলও আহত এবং মানসিক ট্রমাতে থাকা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা
করছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা বিষয়ে
গোয়েন লুইস বলেন, বাংলাদেশের পূর্ব এবং দক্ষিণ অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের বন্যা
পরবর্তী পুর্নবাসনে সহায়তা হিসেবে ৪ মিলিয়ন ডলার সরবরাহ করেছে।
তিনি বলেন, বন্যায় বাংলাদেশে প্রায়
১৮ মিলিয়ন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বিভিন্ন সংস্থা
ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় করেছে জাতিসংঘ।
দক্ষিণ এশিয়ায় আগাম বন্যা সতর্কতার
জন্য একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপনে জাতিসংঘের সহায়তা চান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা এবং জাতিসংঘের আবাসিক
সমন্বয়ক পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুতে আলাপ করেন।
তিন পার্বত্য জেলায় জাতিসংঘের সংস্থাগুলো
যে সাহায্য কাজ করেছে, তার চিত্র তুলে ধরেন গোয়েন লুইস।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলাপকালে ড. মুহাম্মদ
ইউনূস রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য অধিকতর সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে জাতিসংঘের সহায়তা চান।
মন্তব্য করুন


আজ রাতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে অধ্যাপক ইউনূসের ভাষণ দেওয়ার কথা। তিনি বাংলায় ভাষণ দেবেন।
ভাষণে বিশ্বে যুদ্ধ সংঘাত বন্ধ, ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানসহ বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা, জলবায়ু পরিবর্তন, বাংলাদেশে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ ও বীরত্বের কথা তুলে ধরবেন। এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানা গেছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে যোগ দিতে গত ২৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে
টেকসই সংহতি এবং বর্ধিত সহায়তার জরুরি প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, এমন
সহায়তার প্রয়োজন যাতে আর্থিক সংকট লাঘব করা যায় এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর
জন্য বাংলাদেশের সহায়তা আরো জোরদার করা যায়।
আজ
মঙ্গলবার (৩ জুন) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন
লুইস প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে
তাঁরা রোহিঙ্গা সংকট এবং রোহিঙ্গাদের জন্য আর্থিক সহায়তার চলমান চ্যালেঞ্জ নিয়ে গুরুত্ব
সহকারে আলোচনা করেন।
তাঁরা
উভয়ে অর্থায়নের ব্যাপক কাটছাঁটে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন, যা ইতোমধ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর
শিক্ষা ও অন্যান্য জরুরি কার্যক্রমে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।
আবাসিক
সমন্বয়ক গোয়েন লুইস অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে দৃঢ় সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং উভয়
নেতা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
তাঁরা
সরকারের উচ্চাকাঙ্ক্ষী সংস্কার কার্যক্রম শক্তিশালী করতে জাতিসংঘ কীভাবে ব্যাপক সহায়তা
দিতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করেন।
আবাসিক
সমন্বয়ক বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের জন্য একটি নির্বিঘ্ন
রূপান্তর নিশ্চিত করতে গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন।
আবাসিক
সমন্বয়কারী বাংলাদেশের সংস্কার ও সংস্কারপ্রক্রিয়ার সঙ্গে তার অবিচল সংহতি পুনর্ব্যক্ত
করেন এবং টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে জাতিসংঘের সমর্থনের প্রতিশ্রুতির ওপর জোর দেন।
মন্তব্য করুন


মদিনার
পবিত্র মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন শেখ ফয়সাল নোমান
ইন্তেকাল করেছেন ।
সৌদি
আরবের দুই পবিত্র মসজিদভিত্তিক
ওয়েবসাইট ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ সামাজিক
মাধ্যমে এক পোস্টে জানিয়েছে,আজ মঙ্গলবার ফজরের
পর মসজিদে নববীতে তার জানাজা আদায়
করা হয়। এরপর তাকে
মদিনার ঐতিহাসিক জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে দাফন
করা হয় বলে জানা
গেছে।
শেখ
ফয়সাল নোমান দীর্ঘদিন ধরে মসজিদে নববীর
মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
তার সুমধুর আজান ও ধর্মীয়
নিষ্ঠা বিশ্বের লাখো মুসলমানের হৃদয়ে
গভীর প্রভাব ফেলে।
শেখ
ফয়সাল নোমানের মৃত্যুতে মুসলিম উম্মাহ এক নিবেদিতপ্রাণ খাদেমকে
হারাল।
ইনসাইড
দ্য হারামাইন জানিয়েছে, শেখ ফয়সাল নোমান
১৪২২ হিজরিতে মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন নিযুক্ত হন। তিনি বংশ
পরম্পরায় মসজিদে নববীতে আজান দেওয়ার সৌভাগ্য
অর্জন করেছিলেন।
শেখ
ফয়সাল নোমান ১৪২২ থেকে ১৪৪৭
হিজরি পর্যন্ত ২৫ বছর ধরে
মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মন্তব্য করুন


উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন দেশে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।
কিন্তু সোমবার (৮ এপ্রিল) শুরু হওয়া মহাজাগতিক এই দৃশ্য সরাসরি দেখা যাচ্ছে শুধু যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো থেকে।
সোমবার মহাজাগতিক এই দৃশ্য সরাসরি দেখা যাচ্ছে শুধু যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো থেকে।
মেক্সিকোর স্থানীয় সময় বেলা পৌনে ১১টা (বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১১টা) থেকে বিরল এ সূর্যগ্রহণ দেখা যায়।
এরপর চাঁদের ছায়া ধীরে ধীরে সরে যাওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৭ মিনিটে দৃশ্যমান হবে এ সূর্যগ্রহণ।
তবে সূর্যগ্রহণের সময় বাংলাদেশে রাত হওয়ায় বাংলাদেশ বা এশিয়ার অন্য জায়গা থেকে এটি দেখা যাবে না। কিন্তু মহাকাশপ্রেমীরা এ বিরল দৃশ্য দেখার সুযোগ পাচ্ছেন নাসার ওয়েবসাইট লিংকে।
মন্তব্য করুন