

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে রংমিস্ত্রি আবরাহাম খান ওরফে আলিম খান (২৭) হত্যাকাণ্ডে জড়িত মো. রুহুল আমিন ওরফে রাব্বিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল রাশেদ এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর মধ্য বাড্ডা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রুহুল আমিন ওরফে রাব্বি রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার কাচারীপাড়া এলাকার মো. মনজু শেখের ছেলে। নিহত আবরাহাম খান একই উপজেলার ওয়াজেদ আলি খানের ছেলে।
পুলিশ সুপার জানান, গত ১৬ ডিসেম্বর সকালে আড়াইহাজার উপজেলার শ্রীনিবাসদী এলাকায় বালুর মাঠসংলগ্ন রাস্তার পাশ থেকে একটি মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করে।
তদন্তে জানা যায়, ১৫ ডিসেম্বর সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন আবরাহাম খান। ওইদিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বোনের সঙ্গে তার সর্বশেষ ফোনে কথা হয়। এরপর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা ওয়াজেদ আলি খান বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুহুল আমিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, নিহত আবরাহাম খানের সঙ্গে তার খালার পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে আবরাহাম তার খালাকে ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে খালাকে সঙ্গে নিয়ে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৫ ডিসেম্বর আবরাহামকে রাজবাড়ী থেকে আড়াইহাজারে ডেকে এনে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে পরিচয় গোপন করতে তার মাথা বিচ্ছিন্ন করে দা ও মস্তক একটি ব্যাগে ভরে পাশের একটি খালে ফেলে দেওয়া হয়। নিহতের পরিহিত জামাকাপড়ও খুলে নেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে ১৮ ডিসেম্বর একটি খাল থেকে নিহতের মস্তক, হত্যায় ব্যবহৃত দা এবং একটি জ্যাকেটের অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়।
পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জানান, হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত রুহুল আমিনের খালা ও অন্যদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার রাব্বিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বলিউডের আকাশে আরেকটি নক্ষত্র নিভে গেল, শেষ হয়ে গেল ভারতীয় সিনেমার জীবন্ত কিংবদন্তি ধর্মেন্দ্রের দীপ্তিময় অধ্যায়। আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) মুম্বাইয়ের নিজ বাসভবনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিঃশব্দে থেমে যায় কিংবদন্তি এই অভিনেতার প্রাণ। ৮৯ বছরের জীবনের শেষ মুহূর্তে বলিউডের স্বর্ণযুগের এই নায়ক রেখে গেলেন অজস্র স্মৃতি, অসংখ্য অনুরাগীর অশ্রু আর পর্দায় অমর হয়ে থাকা চরিত্রগুলোর উপজীব্যতা। খবর ইন্ডিয়া টুডে
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর খবর জানিয়ে বলিউড সিনেমার গুণী পরিচালক করন জোহর ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়েছেন। গুণী তারকার একটি ছবি পোস্ট করে এই নির্মাতা-সঞ্চালক লেখেন, ‘একটি যুগের অবসান… এক মহাতারকার প্রস্থান… মূলধারার সিনেমার এক বীরের প্রতিচ্ছবি অবিশ্বাস্য রূপবান এবং পর্দায় এক অনন্য রহস্যময় উপস্থিতি… তিনি ছিলেন এবং চিরকাল থাকবেন ভারতীয় সিনেমার এক সত্যিকারের জীবন্ত কিংবদন্তি… যিনি সিনেমার ইতিহাসের পাতায় চিরস্থায়ী হয়ে আছেন। সবচেয়ে বড় ব্যাপার অসাধারণ একজন মানুষ ছিলেন।
শূন্যতার কথা জানিয়ে করন জোহর লেখেন, আজ আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে বিশাল শূন্যতা তৈরি হলো। এমন এক শূন্যতা, যা কোনোদিন কোনোভাবে পূরণ হবে না… তিনি চিরকালই আমাদের একমাত্র ধর্মজি… আমরা আপনাকে ভালোবাসি, সদয় মহাশয়… আমরা আপনাকে ভীষণ মিস করব। আজ স্বর্গ ধন্য হলো। আপনার সঙ্গে কাজ করা ছিল আমার আশীর্বাদ।
উল্লেখ্য, অনেক দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন ধর্মেন্দ্র। গত ১১ নভেম্বর তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। যদিও সেই খবর সঠিক ছিল না। তারপর থেকে বাড়িতে রেখে তার চিকিৎসা চলছিল। আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) ফের তার মৃত্যুর খবর নেট দুনিয়ায় প্রচারিত হয়। মূলত, আজ এ অভিনেতার বাড়িতে অ্যাম্বুলেন্স যাওয়ার পর এই গুঞ্জনের সূচনা। তাছাড়া শোবিজ অঙ্গনের অনেকে ধর্মেন্দ্রর বাড়িতে হাজির হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত এ অভিনেতার মৃত্যুর খবর নিয়ে পরিবার থেকে কিছু জানানো হয়নি।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমাকে স্যার ভাবার দরকার নেই। আমাকে স্যার বলারও দরকার নেই। আপনাদের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে আমার ছবি যত কম প্রচার করা যায় তো ভালো।
রবিবার (১৮ আগস্ট) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর সচিবালয়ে প্রথম অফিসে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে
তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা নাহিদ
বলেন, নিরপেক্ষ সংবাদ এবং স্বাধীন গণমাধ্যম নিয়ে আমাদের খুব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। কারণ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে গণতন্ত্রের অন্যতম একটি পিলার বলা যায়। কাজেই আমরা যদি গণতন্ত্র চাই, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মানুষের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। গণমাধ্যমে কী ধরনের বাধা রয়েছে কিংবা এর সমাধান নিয়ে গণমাধ্যমের মানুষদের সঙ্গে কথা বলেই মূলত আমরা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করব। যেসব অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোকে বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনে আমরা সেন্সর বোর্ডকে পুনর্গঠন করার উদ্যোগ গ্রহণ করব।
এ সময় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গণহত্যার প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করে তদন্তে সহায়তা করতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।
সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রহসন করা হয়েছে। এটা নিয়ে মন্ত্রণালয় কাজ করবে বলেও জানান তথ্য উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


তিন
বছর আগে বড় ছেলে শাফকাত আসিফ রণর বিয়ে দিয়েছেন বাংলা গানের যুবরাজ আসিফ আকবর। এবার
তার ছোট ছেলেও বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন। সামাজিকমাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছেন আসিফ নিজেই।
মঙ্গলবার
(২৩ ডিসেম্বর) ফেসবুকে একটি ছবি শেয়ার করেন তিনি। যেখানে ছেলে ও পুত্রবধূর সঙ্গে আসিফ
এবং তার স্ত্রী বেগম সালমা আসিফকে দেখা গেছে। এর ক্যাপশনে আসিফ জানিয়েছেন, তার ছোট
ছেলে শাফায়াত আসিফ রুদ্র বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। আসিফ আকবরের পুত্রবধূর নাম লামিয়া
তানজিম শ্রেয়সী। তার বাবার নাম বাদল শাহরিয়ার।
রুদ্র
ও শ্রেয়সী নতুন জীবনে পা রেখেছেন জানিয়ে নবদম্পতির দাম্পত্য জীবন সুখী ও সুন্দর হোক-এমন
কামনা করেছেন আসিফ। একই সঙ্গে ছেলে ও বৌমার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এই গায়ক। আসিফের বড় ছেলে শাফকাত আসিফ রণ বর্তমানে কানাডার
টরন্টোতে একটি ব্যাংকে সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে কাজ করছেন। ছুটি না পাওয়ায় তিনি বিয়েতে
উপস্থিত থাকতে পারেননি। পাশাপাশি বড় বৌমা ইসমাত শেহরীন ঈশিতার পরীক্ষার কারণে তিনিও
টরন্টোতেই ছিলেন। তাদের অনুপস্থিতি খুব মিস করছেন বলেও অনুভূতি প্রকাশ করেন আসিফ। সবশেষে
সবার উদ্দেশে ভালোবাসা জানিয়ে আসিফ আকবর লেখেন, সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর
থাকুন। ভালোবাসা অবিরাম।
আসিফ
আকবরের এই স্ট্যাটাসে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে ভাসছেন রুদ্র-শ্রেয়সী দম্পতি।
মন্তব্য করুন


গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে
নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪০৩ জন।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত একদিনে ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ১১৭ জন ছাড়াও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩৫ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে ৯২ জন, ঢাকা বিভাগে ৩৬ জন, খুলনা বিভাগে ১৫ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
অন্যদিকে গত একদিনে মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুইজন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা। এছাড়া ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া অপরজন খুলনা বিভাগের বাসিন্দা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম দিন থেকে শনিবার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর এই সময়ে মশাবাহিত রোগটি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫ হাজার ২০৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুমুক্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২৫২ জন। মোট ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৬০৩ জন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে সংবাদ সম্মেলন শুরু করেছেন
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের গ্র্যান্ড
বলরুমে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সদ্য
সমাপ্ত নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি ও ফলাফল নিয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরতেই এই আয়োজন।
এ
সময় উপস্থিত রয়েছেন- দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য
ড. মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ
চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর হাফিজ উদ্দীন আহমদ বীর বিক্রম,
সেলিমা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমদ।
এ
ছাড়া দলের ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন,
দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবদুস সালাম, মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ নবনির্বাচিত
সংসদ সদস্যরা। এর পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন।
দলের
পক্ষ থেকে নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া এবং ফলাফল নিয়ে বিস্তারিত
বক্তব্য তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। হাসপাতালে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা জানান, হাদির মাথায় গুলির আঘাত রয়েছে এবং মাথা লক্ষ্য করেই হামলা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে তিনি ওসেক ইউনিটে চিকিৎসাধীন।মতিঝিল বিভাগের ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, ঘটনাস্থল হিসেবে বিজয়নগর এলাকা শোনা যাচ্ছে, তবে পুলিশ টিম যাচাই করছে।হাদিকে হাসপাতালে নেওয়া মিসবাহ জানান, জুমার নামাজের পর বিজয়নগর কালভার্ট এলাকার কাছে মোটরসাইকেলে আসা দু’জন হামলাকারী গুলি ছোড়ে। গুলিটি হাদির বাম কানের নিচে লাগে। পরে রিকশায় করে হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় আছেন এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে।
জানা যায়, গত নভেম্বর মাসে হাদি বিভিন্ন দেশি-বিদেশি নম্বর থেকে নিয়মিত হুমকি পাচ্ছিলেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, তাকে হত্যা, পরিবারকে আক্রমণ এবং বাড়িতে আগুন দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আগামী সোমবার ঘোষিত রায়কে কেন্দ্র করে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি ইতোমধ্যেই সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
তিনি
বলেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনা এবং অন্যদের বিরুদ্ধে রায় ১৭ নভেম্বর ঘোষণা
করা হবে। রায়কে কেন্দ্র করে দেশের কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তাই
আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি ইতোমধ্যেই তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।’
আজ শনিবার ( ১৫ নভেম্বর ) দুপুরে সরকারি
সফরে পটুয়াখালী সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি ।
জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে নয় দিনের জন্য
বিশেষ আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। নির্বাচনের আগে পাঁচ দিন, নির্বাচনের দিন এবং পরে আরও তিন দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে কঠোর অবস্থানে থাকবে। প্রয়োজন হলে দেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী সময়সীমা সমন্বয় করা হতে পারে বলেও তিনি জানান।
তিনি
জানান, বর্তমানে ৩০ হাজার সেনা
সদস্য মাঠে থাকলেও নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীর মোতায়েন বাড়িয়ে প্রায় ১ লাখ করা
হবে। এছাড়া দায়িত্ব পালন করবে প্রায় ১ লাখ ৫০
হাজার পুলিশ, ৩৫ হাজার বিজিবি,
৫ হাজার নৌবাহিনী, ৪ হাজার কোস্টগার্ড,
৮ হাজার র্যাব এবং
আনুমানিক সাড়ে ৫ লাখ আনসার
সদস্য। নিরাপত্তা জোরদারে আনসার সদস্যদের অস্ত্র ও বডিক্যাম সরবরাহ
করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নির্বাচনের
নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কোনো সন্দেহের সুযোগ নেই জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ইলেকশন খুবই শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন
করেছে।
সরকার
পরিবর্তন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ দেশে সরকার
পতন কোনো তিনজন মানুষের কারণে হয়নি। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের কারণেই সরকার পরিবর্তন ঘটেছে। আপনারা দেখেছেন, তারা কীভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, তাদের আত্মীয়স্বজনও পালিয়েছে। এটি জনগণের ইচ্ছার ফসল।’
উপদেষ্টা
জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে রোজার আগেই অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল ঘোষণার পর লটারির মাধ্যমে
প্রশাসনের রদবদল করা হবে।
মতবিনিময়
শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পটুয়াখালী পুলিশ লাইনস ও কোস্টগার্ড বেইস
পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


আজ মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর ) ঢাকা সেনানিবাসের এমইএস কনভেনশন হলে মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেস (এমইএস) এর বার্ষিক সম্মেলন-২০২৫ এ সম্মানিত সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তাঁর মূল্যবান দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। উল্লেখ্য যে, সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ এর সভাপতিত্বে আজ (০৯ ডিসেম্বর ২০২৫) থেকে তিন দিনব্যাপী (০৯-১১ ডিসেম্বর) এমইএস এর বার্ষিক সম্মেলন-২০২৫ শুরু হয়।
সম্মেলনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ, এমইএস-এ কর্মরত সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাগণ উপস্থিত থেকে এবং ভিটিসি’র মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে অংশগ্রহণ করেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্ধারণের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা
তারেক রহমান-কে দিয়েছে সরকারি সংসদীয় দল। বুধবার জাতীয় সংসদ ভবন-এর এলডি হলে আয়োজিত
সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
এর
আগে সংসদের সরকারি দলের সভাকক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র সংসদীয় দলের
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংসদ নেতা তারেক রহমান।
সংবাদ
সম্মেলনে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, “স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের জন্য আমরা সংসদ
নেতাকে দায়িত্ব দিয়েছি। তিনিই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন। আশা করছি আগামীকালই বিষয়টি
জানা যাবে। সংসদ উপনেতার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী।”
তিনি
জানান, সংসদীয় দলের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন। সংসদে এমপিরা
কীভাবে আচরণ করবেন এবং কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া
হয়েছে।
চিফ
হুইপ বলেন, যেহেতু বর্তমানে সংসদে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নেই, তাই প্রথমে খালি চেয়ার
দিয়ে অধিবেশন শুরু হবে। পরে সংসদ নেতা জ্যেষ্ঠ কোনো নেতাকে সভার সভাপতিত্বের জন্য প্রস্তাব
করবেন, অন্য একজন তা সমর্থন করবেন এবং তার সভাপতিত্বেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের
প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
তিনি
আরও জানান, ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার জন্য এর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-কে প্রস্তাব
দেওয়া হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে এখনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করা হবে বলে জানান
চিফ হুইপ। তিনি বলেন, এগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সব দলের সদস্যদের নিয়ে একটি বিশেষ
কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি নির্ধারণ করবে কোন অধ্যাদেশ বহাল থাকবে এবং কোনগুলো বাতিল
হবে।
নূরুল
ইসলাম মনি জানান, প্রথম দিনের অধিবেশনে কার্য উপদেষ্টা কমিটি, প্রিভিলেজ কমিটি ও হাউস
কমিটি গঠন করা হবে। রাষ্ট্রপতির ভাষণ শেষে অধিবেশন মুলতবি করা হবে। ডেপুটি স্পিকার
নির্বাচনের পর পাঁচ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলী গঠন করা হবে।
তিনি
বলেন, শোকপ্রস্তাবের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-সহ দেশি-বিদেশি বরেণ্য
ব্যক্তিদের স্মরণ করা হবে। এছাড়া জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাদের সম্পর্কেও আলোচনা থাকবে।
সংবাদ
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকার দলীয় হুইপ জি কে গউছ, রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন
আহাম্মেদ অপু, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মো. আখতারুজ্জামান মিয়া এবং এ.বি.এম
আশরাফ উদ্দিন (নিজাম)।
মন্তব্য করুন


খুব শিগগিরই জাতীয় ঐকমত্য কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানিয়েছেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক
আলী রীয়াজ।
আজ রোববার (৫ অক্টোবর) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি
ভবন যমুনায় কমিশন সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এক বৈঠকে এ কথা জানান তিনি।
প্রায় ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে জুলাই সনদের
বিষয়বস্তু ও এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোভাব ও এবিষয়ে ঐকমত্য
কমিশনের অবস্থান সম্পর্কে সভাকে অবহিত করা হয়।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস ঐকমত্য কমিশনের কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন,
ঐকমত্য কমিশন সকল রাজনৈতিক দল থেকে ব্যাপকভাবে সহযোগিতা পেয়েছে। এছাড়া,
গণমাধ্যমগুলো ঐকমত্য কমিশনকে অকল্পনীয় সমর্থন দিয়েছে।
কমিশন সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড.
মুহাম্মদ ইউনূস কমিশনের সকল সদস্যদের ধন্যবাদ ও শুভ কামনা জানিয়েছেন। কমিশনের
কাজের চুড়ান্ত অগ্রগতি সম্পর্কে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাঁকে জানানোর নির্দেশ
দিয়েছেন।
আজকের বৈঠকে কমিশনের পক্ষ থেকে বৈঠকে ঐকমত্য
কমিশনের সহসভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, কমিশন সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড.
ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার
বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
পাশাপাশি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, আসিফ নজরুল ও আদিলুর রহমান খান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন