

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘‘পুরোনো ব্যবস্থার রাজনীতি ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে আগামীর বাংলাদেশ পরিচালিত হবে”। যেই রাজনীতি হবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে, খুনের বিরুদ্ধে, ধর্ষণের বিরুদ্ধে, মামলাবাজদের বিরুদ্ধে, দুর্নীতি-অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারুণ্যের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মান না হওয়া পর্যন্ত ম্যারাথন চলবেই। যত বাঁধা, ভয়ভীতি আসুক আমরা থেমে যাবো না। আমরা জাতির স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, আগামীর নির্বাচনে কোনো ধরনের কারিগরি ষড়যন্ত্র জনগণ হতে দেবে না। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে কোনো আনুকূল্য চাই না কিন্তু কমিশন যদি কারো প্রতি আনুকূল্য দেখায় তবে সেটি বরদাস্ত করা হবে না। কালো টাকায় কেউ মানুষকে কেনার চেষ্টা করলে মানুষ মুখে ছাঁই মেরে দেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত জাতিকে কেউ কালো টাকায় কিনতে পারবে না।
আমীরে জামায়াত বলেন, পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের ওপর অবিচার করার কারণে, বৈষম্যের সৃষ্টি করায় মানুষ ফুঁসে উঠেছিল। যারা ৭০ এর নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছিল তারা জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বৈষম্যহীন শাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলবেন। কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর তারা ক্ষমতায় বসে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছিল। তারা বহুদলীয় গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছিল, মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। রক্ষী বাহিনী গঠন করে যখন যাকে ইচ্ছে তাকে খুন করা হয়েছিল, মা-বোনদের ইজ্জত লুন্ঠন করা হয়েছিল। বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে পরিবারতন্ত্রের শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের ছেলেরা ব্যাংক ডাকাতি করেছিল। বিদেশী দাতা সংস্থাদের দান করা খাদ্য সামগ্রী ও অর্থ লুট করা হয়েছিল। তাদের সাড়ে চার বছরের দুঃশাসন মানুষকে বিদ্রোহী করে তুলেছিল। কে তাদেরকে হত্যা করেছিল?- একাত্তরের রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দেওয়া জাতীয় বীরদের হাতেই তারা হত্যার শিকার হয়েছিল। কেন হত্যার শিকার হয়েছে সেই উত্তর আওয়ামী লীগকেই খুঁজতে হবে। ৭২ এর ১০ জানুয়ারী, ৯৬ এর ১০ জানুয়ারী, ২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারী তারা তিনবার ক্ষমতায় এসেছে। ৯৬ সালে তারা ক্ষমতায় আসার আগে অতীতে তাদের দল যেই খুন করেছে, জুলুম করেছে তা স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছিল। জনগণ সরল বিশ্বাসে তাদেরকে ক্ষমতায় বসানোর পর তারা আবার নিজের রূপে ফিরে আসে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী চট্রগ্রামে গিয়ে ঘোষণা দিয়েছিল তার দলের একজন মারা গেলে ১০ জনকে হত্যা করা হবে। একজন প্রধানমন্ত্রী কতটা দায়িত্ব জ্ঞানহীন হলে এমনটা বলতে পারে। সেই সময় তারা মানুষকে হত্যা করে খালে-বিলে লাশ ফেলেছে।
পরবর্তীতে তারা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টন মোড়ে মানুষকে সাপের মতো পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। শুধু তাই নয় হত্যার পর তারা লাশের উপর নৃত্য করেছিল। যেই দৃশ্য দেখে পুরো বিশ্ব ব্যথিত হয়েছে। ২০০৯ সালে আবার ক্ষমতায় এসে তারা প্রথমেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। একে একে তারা জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হত্যা করেছিল। শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড চালিয়ে এদেশের আলেম-ওলামাদের হত্যা করেছিল। তাদের শাসনামলের ১৫ বছরে এমন কোনো জনপদ নেই যেখানে আওয়ামী লীগের জুলুম থেকে মানুষ রক্ষা পেয়েছে। যার কারণে জুলাই আন্দোলনে তাদের বিরুদ্ধে পুরো দেশবাসী ফুঁসে উঠেছিল। তারা জনরোষের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। এখন তারা পলাতক থেকেই চোরাগোপ্তা হামলা চালাচ্ছে। তাদের টার্গেট এখন এদেশের তরুণ ও বিপ্লবীরা। সেই টার্গেটের অংশ হিসেবে তারা জুলাইয়ের অন্যতম শীর্ষ নেতা ওসমান হাদীকে হত্যা চেষ্টা করেছে। ওসমান হাদীর কিছু হলে বিপ্লবীরা বসে থাকবে না। আওয়ামী লীগ ভেবেছে ওসমান হাদীকে শেষ করতে পারলে কিংবা কয়েকজন বিপ্লবীকে শেষ করতে পারলে তারা সফল হবে কিন্তু না! বিপ্লবীর সংখ্যা তারা কমাতে পারবে না। বরং ক্রমেই বিপ্লবী তরুণদের সংখ্যা বাড়বে। তরুণরা আওয়ামী লীগের সকল অপশক্তি রুখে দিতে প্রস্তুত রয়েছে। আমীরে জামায়াত, উপস্থিত যুব সমাজকে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত ম্যারাথন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী সভায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘‘রাজপথে বিজয়ে, চলো এক সাথে বাংলাদেশ গড়ি’’- স্লোগানে জামায়াতে ইসলামী সকলকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে প্রস্তুত। আজকের এই যুব ম্যারাথন অতীতের বস্তা পঁচা রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন ধারার রাজনীতির বার্তা দেয়। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা যেই স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছিলাম সেই বাংলাদেশে মানুষের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি। ৭১ এর চেতনা বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেই চব্বিশে নতুন চেতনায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে জুলাই বিপ্লব অর্জিত হয়েছে। জুলাই চেতনার নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ হবেই, হবে। বুলেট-বোমাকে ভয় না করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ যুব সমাজকে দৃঢ় শপথ নিতে হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেনের পরিচালনায় যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনী সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক প্রমুখ। এসময় কেন্দ্রীয় এবং ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী সভা শেষে, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে যুব ম্যারাথন উদ্বোধন করেন। যুব ম্যারাথনে অর্ধ লাখ তরুণ যুবক অংশগ্রহন করেন। ম্যারাথনটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে শুরু করে শাহবাগ-সাইন্সল্যাব হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন


বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,
‘আমাদের সামনে খুব ভালো সময় না, কঠিন সময়। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধটা আমাদের খুব ক্ষতি
করছে। সামনে তেলের দাম বেড়ে যাবে, জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাবে। সেগুলো সয়ে নিয়ে আমাদের
আগাতে হবে।’
সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ভাউলারহাটে
নেহা নদীর খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
খালকাটা কর্মসূচি প্রসঙ্গে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বলেন,
‘তারেক রহমানের সরকার জনগণকে যে কাজের প্রতিশ্রুতি দেয়, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে।
কিছু নেতা আমাদের বেহেশতে নেওয়ার টিকিট দিতে চাইলেও তারা তো বেহেশতে নিতে পারেন না।
আমরা বেহেশতের টিকিট দিই না, ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের কাজ দিয়েই বেহেশতে যাবো।
‘যে খালকাটার মাধ্যমে এ দেশে সবুজ বিপ্লবের সূচনা করেছিলেন শহীদ
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আজ তার ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালকাটা কর্মসূচি
শুরু করে সেই ধারাবাহিকতাই রক্ষা করছেন।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি কৃষকদের সমস্যাকে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দেয়।
আর সে কারণেই জিয়াউর রহমানের খালকাটা কর্মসূচির পরে বেগম খালেদা জিয়া ৫ হাজার টাকা
পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ, ২৫ বিঘা কৃষিজমির খাজনা মাফসহ কৃষক কল্যাণে বিস্তৃত কর্মসূচি
নিয়েছিলেন। আজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার অল্প সময়ের মধ্যেই জনগণের কাছে
দেওয়া নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। ইতোমধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ
করা শুরু হয়েছে, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। এখন খাল কাটার মাধ্যমে
কৃষকদের পানি সমস্যার প্রাকৃতিক সমাধান শুরু করা হচ্ছে।’
তিনি প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘দয়া করে আল্লাহর
ওয়াস্তে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনও দুর্নীতির আশ্রয় নেবেন না।’
ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ড আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন– পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইশরাত
ফারজানাসহ জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ঈদুল আজহার আগামী ১২ জুনের ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।
রোববার (২ জুন) সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে অনলাইনে চাপ এড়াতে পূর্বাঞ্চলের টিকিট বিক্রি হচ্ছে দুপুর ২টা থেকে।
প্রথম তিন ঘণ্টায় পশ্চিমাঞ্চলের ১৪,১৫৭ টিকেটের মধ্যে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। তবে পশ্চিমাঞ্চলের অন্য দুই বিভাগ রাজশাহী ও খুলনাতে এখনও কিছু ট্রেনের টিকিট অবিক্রীত রয়েছে।
ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার বলেন, পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট বিক্রির শুরুতেই উত্তরবঙ্গের টিকিটের অনেক চাহিদা ছিল। এ এলাকার সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। প্রথম তিন ঘণ্টায় অনলাইনে টিকিট কাটতে প্রায় ৭০ লাখ হিট পড়েছে।
রেলওয়ের কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, ঈদের আগে আন্তঃনগর ট্রেনের ১২ জুনের আসন বিক্রি হবে ২ জুন; ১৩ জুনের আসন ৩ জুন; ১৪ জুনের আসন ৪ জুন; ১৫ জুনের আসন ৫ জুন; ১৬ জুনের আসন ৬ জুন বিক্রি হবে। এছাড়া যাত্রী সাধারণের অনুরোধে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ আসন যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে পাওয়া যাবে।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সরকার সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার
খাল খননের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। শিগগিরই এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।
এরই অংশ হিসেবে বরিশালে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু হলো।
আজ
রবিবার ( ২২ ফেব্রুয়ারি ) বেলা ১১টায় কপালতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এসব
কথা বলেন। খালটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কাঁদাপাশা এলাকায় অবস্থিত।
মন্ত্রী
বলেন, বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলা সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এ পুনঃখনন
কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে পানি ব্যবস্থাপনা উন্নত হবে এবং কৃষি উৎপাদন
বাড়বে।
তথ্যমন্ত্রী
আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে একসময় খাদ্য
উৎপাদনের সুফল পেয়েছে দেশের মানুষ। পরবর্তীতে খালগুলো মরে যাওয়ায় কৃষি উৎপাদন ব্যাহত
হয়েছে।
তিনি
বলেন, শহীদ জিয়ার খাল খননের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
নেতৃত্বে নতুন করে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জোয়ার-ভাটার পানি সরাসরি
কৃষকের জমিতে পৌঁছে যাবে।
তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, খাল পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি সরকারের বনায়ন কর্মসূচির অংশ
হিসেবে বৃক্ষরোপণ অভিযানও শুরু হয়েছে। আগামীতে এ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
গণতান্ত্রিক
শাসনব্যবস্থার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার তুলে ধরে স্বপন বলেন, আমরা দলীয় সরকার বা দলীয়
রাষ্ট্র গড়তে চাই না, জনগণের সরকার গড়তে চাই।
তিনি
বলেন, পরবর্তীতে নির্বাচিত হলে আমরা দায়িত্বে থাকব, না হলে সরে দাঁড়াব। তবে নির্বাচনী
ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হবে।
জহির
উদ্দিন স্বপন বলেন, জনগণের সেবায় কার্যকরভাবে কাজ করতে বেসামরিক প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীর
জন্য উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কোটা সংস্কার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ জগন্নাথ
বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইকরামুল
হক সাজিদ মারা গেছেন। নিহত সাজিদের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলায়।
আজ বুধবার (১৪ আগস্ট) বিকাল সোয়া ২টায়
ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
জানা যায়, সাজিদ গত ৪ আগস্ট মিরপুরে
কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। দীর্ঘ
১০ দিন হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আজ দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে মারা যান
তিনি।
সাজিদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক হুমায়ুন কবির চৌধুরী ও হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের
সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও তার রুহের মাগফেরাত
কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন


ইসির আইন শাখার উপ-সচিব মো. আব্দুছ সালামের ২৩ নভেম্বর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে জানা গেছে,আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পূর্ব অনিয়মের তদন্ত করতে ৩০০ বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধান কমিটি নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
প্রতি জেলার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ এবং সিনিয়র সহকারী জজদের নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে ৩০০ আসনের জন্য ৩০০ নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি গঠন করল ইসি।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম সংঘটিত হলে তা অনুসন্ধানপূর্বক তৎমর্মে প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে পাঠাবেন এবং সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসার ওই অনুসন্ধান প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশন সচিবের কাছে পাঠাবেন। এর পর তা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত দেবে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি কর্তৃক দায়িত্ব পালনকালে ০১(এক) জন বেঞ্চ সহকারী/ স্টেনোগ্রাফার/অফিস সহকারীকে সহকারী হিসেবে সঙ্গে নিতে পারবেন।
এদিকে জেলা প্রশাসককে ইসি নির্দেশ দিয়েছে , কমিটির কর্মকর্তাদের চাহিদা এবং প্রয়োজন অনুসারে সার্বক্ষণিকভাবে জিপগাড়ি বা মাইক্রোবাস বা স্পিডবোট এবং ক্ষেত্রমতো প্রয়োজনীয় যানবাহন সরবরাহের ব্যাবস্থা রাখার।
একইসঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে নিরাপত্তার স্বার্থে অনুসন্ধান কমিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে পুলিশ বাহিনীর ০২(দুই) জন অস্ত্রধারী সদস্যকে নিয়োগ করার জন্য সব পুলিশ কমিশনার/পুলিশ সুপারকেও নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি ৫ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনি প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন


এয়ারবাসের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াউটার ভ্যান ওয়ার্শ আজ মঙ্গলবার লন্ডনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তাঁর হোটেলে সাক্ষাৎ করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (১০ জুন) লন্ডনের একটি হোটেলে এই সাক্ষাৎ হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা চার দিনের সরকারি সফরে আজ স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৫ মিনিটে লন্ডন পৌঁছান।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের
উপদেষ্টাদের মধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব আজ পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার
(২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে এতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা উপদেষ্টাগণের মধ্যে বিভিন্ন
মন্ত্রণালয়, বিভাগের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করেছেন।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন এ প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড.
মুহাম্মদ ইউনূস ছয়টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ সামলাবেন। পুনর্বণ্টনের পর তিনি
মন্ত্রপরিষদ বিভাগ; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়; সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ; খাদ্য
মন্ত্রণালয়; জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়; বেসামরিক বিমান পরিবহন ও
পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। এর আগে তার অধীনে এই
ছয় মন্ত্রণালয় ও বিভাগের পাশাপাশি ভূমি মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ছিল।
উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন
আহমেদ অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। নতুন
করে তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সামলাবেন।
উপদেষ্টা হাসান আরিফ আগে
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
নতুন করে তাকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে
ছিলেন। এখন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ও সামলাবেন।
উপদেষ্টা শারমীন এস
মুরশিদ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। নতুন করে মহিলা ও শিশু
বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
গত ৮ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ উপদেষ্টা শপথ
নেন। এরপর দুই উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা ও বিধান রঞ্জন রায় গত ১১ আগস্ট
এবং ফারুক-ই-আজম গত ১৩ আগস্ট উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন।
এরপর গত আগস্ট ১৬ শপথ নেন নতুন চার উপদেষ্টা-ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, আলী
ইমাম মজুমদার, ড. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অধ্যাদেশ, ২০২৪ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
আজ (১৯ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ব্যাপক দমনপীড়ন ও গণহত্যা চালানোর ফলশ্রুতিতে সমগ্র দেশে দলমত নির্বিশেষে ছাত্র-জনতা উত্তাল গণবিক্ষোভ করে এবং আন্দোলনের এক পর্যায়ে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে সরকার পতনের একদফা দাবিতে ঐক্যবদ্ধ ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্ট রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগ করে দেশ ত্যাগ করেন। রাষ্ট্রপতি বিগত ৬ আগস্ট দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাংবিধানিক সংকট মোকাবিলা, জনস্বার্থ ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা রক্ষা, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সচল রাখা এবং রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার গঠন বিষয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের মতামত যাচনা করেন। সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার প্রয়োগ করে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ৮ আগস্ট তারিখে স্পেশাল রেফারেন্স নম্বর- ০১-২০২৪ দ্বারা মতামত প্রদান করেছে যে, ‘রাষ্ট্রের সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার নিমিত্ত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উপদেষ্টা নিযুক্ত করতে পারবেন। রাষ্ট্রপতি উক্তরূপে নিযুক্ত প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উপদেষ্টাগণকে শপথ পাঠ করাতে পারবেন।
এতে আরও বলা হয়, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ডক্ট্রিন অব নেসেসিটি অনুসারে সাংবিধানিক সংকট মোকাবিলায় সর্বস্তরের জনগণের ঐকান্তিক ইচ্ছা ও পরম অভিপ্রায়ের প্রেক্ষিতে, গণ-অভ্যুত্থানকারী ছাত্র-জনতার প্রতিনিধিদের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের রাষ্ট্র সংস্কার আকাঙ্ক্ষা পূরণের ও রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা ও দায়িত্ব, প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টাদের পদমর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা, পদত্যাগ এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে বিধান করা জরুরি। এ প্রেক্ষাপটে অন্তবর্তী সরকার অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদ ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অধ্যাদেশ, ২০২৪ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন,
২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের ত্যাগের বিনিময়েই নতুন বাংলাদেশের যাত্রা
শুরু হয়েছে। এই বিপ্লবের চেতনা থেকেই আমরা বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক এবং সবার বাংলাদেশ
গড়ে তোলার পথে এগিয়ে যাচ্ছি।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের
শাপলা হলে ‘নতুন কুঁড়ি ২০২৫’-এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
এসব কথা বলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, আজকের এই আয়োজন
শুধু একটি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন বাংলাদেশের
একটি নতুন দিগন্ত। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশের তরুণদের স্বপ্ন, সৃজনশীলতা এবং
প্রতিভাকে সামনে আনার জন্য ‘নতুন কুঁড়ি’ এক অসাধারণ প্ল্যাটফর্ম। ধর্ম, বর্ণ, অঞ্চল
বা অর্থনৈতিক অবস্থা নির্বিশেষে সারাদেশ থেকে নতুন কুঁড়িতে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বাছাই
করা হয়েছে। এই তরুণরাই নতুন বাংলাদেশের পতাকাকে বহন করবে। নিজের প্রতিভা ও পরিশ্রম
দিয়ে আমাদের সংস্কৃতি, সমাজ ও সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। জুলাই শহীদ ও আহতদের কাঙ্ক্ষিত
সেই বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক এবং সবার বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। বাংলাদেশ বহু সংস্কৃতির,
ঐতিহ্যের এবং ভাষার দেশ। দীর্ঘদিন ধরে এই বৈচিত্র্যের সৌন্দর্য আমরা উপভোগ করতে পারিনি,
উপলব্ধি করতে পারিনি। আমাদের অনেক প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং যাদের প্রান্তিক করা হয়েছে,
তাদের সাংস্কৃতিক পরিষদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যার কারণে সাংস্কৃতিক জায়গায় ফ্যাসিবাদ
চেপে বসেছিল। আমরা চাই এখন থেকে আমাদের সাংস্কৃতিক কাঠামোতে জাত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে
সবাই জায়গা করে নিক। আমাদের সংস্কৃতির শক্তি হবে অন্তর্ভুক্তি, বৈচিত্র্য এবং মানবতার
সম্মিলন। সভ্যতা হবে এই বাংলার অববাহিকায় থাকা বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক সম্পদের প্রতিফলন।
প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে আমরা যখন একটি নতুন বাংলাদেশের যাত্রায় আছি, তখন প্রাতিষ্ঠানিক
সংস্কারের ধারাবাহিকতায় বিটিভি’কেও স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হচ্ছে; যাতে বিটিভি বাংলাদেশের
সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে। আমরা চাই বিটিভি কোনো দলের বা কোনো রাজনৈতিক
শক্তির স্বার্থের হাতিয়ার না হোক। বিটিভি’কে নতুন করে গড়ে তোলা হচ্ছে, যেখানে নতুন
রিয়েলিটি শো, ভিন্ন বয়স ও পটভূমির প্রতিযোগীদের নিয়ে নতুন নতুন অনুষ্ঠান চালু করা হবে।
আশা করি, এগুলো পরবর্তীতেও অব্যাহত থাকবে। এখন থেকে বিটিভি হবে সবার, সব দলের এবং সব
মানুষের।
বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে তথ্য ও
সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, আমি বিজয়ী ‘নতুন কুঁড়ি’র প্রতিযোগীদের আন্তরিক
অভিনন্দন জানাই। প্রতিযোগিতায় যারা জয়ী হয়েছেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তিক অঞ্চল
থেকে ধারাবাহিকভাবে যারা আজ এই মঞ্চে এসে পৌঁছেছেন সবাইকে অভিনন্দন জানাই। তোমাদের
প্রতিভা, নিষ্ঠা এবং উদ্ভাবনী শক্তি আমাদের সবাইকে অনুপ্রাণিত করে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটে’র ঘোষণা দিয়েছে।
আজ রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংবাদ সম্মেলন করে এই জোটের ঘোষণা দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
এ সময় আরও উপস্থিত
ছিলেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান
সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
দলগুলোর পক্ষ
থেকে এই জোটকে বলা হচ্ছে, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অঙ্গীকার রক্ষা ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত
বিনির্মাণে আগ্রহীদের রাজনৈতিক ও নির্বাচনী ঐক্য’৷
জোটের ঘোষণা
দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ২৪-এর পরে গত দেড় বছরে আমাদের অনেক জায়গা হতাশা রয়েছে। ঐকমত্য
কমিশনে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে নানা শক্তি নানাভাবেই সংস্কারের বিরোধিতা করেছে এবং
বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। এ অবস্থায় সংস্কারের পক্ষে আমরা তিন দল আজ ঐক্যবদ্ধ
হয়েছি। এই ঐক্য প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।
এনসিপির আহ্বায়ক
আরও বলেন, এটা কেবল নির্বাচনী জোট না, এটা রাজনীতিক জোট ও। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন
করব। আরও অনেকগুলা রাজনৈতিক শক্তি ও দলের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। আগামী নির্বাচনে
আমরা একসঙ্গে, এক মার্কায় নির্বাচন করব।
হুঁশিয়ার করে
নাহিদ বলেন, কেউ যদি মনে করে আগামী নির্বাচনে গায়ের জোরে জয়ী হবে, কিংবা ধর্মের দোহাই
দিয়ে জয়ী হবে, তারা সফল হবে না।
এবি পার্টির
চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু বলেন, নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা দিতে তিনটি দল
এক হয়েছে। অভ্যুত্থানের পর আমাদের প্রত্যাশা ব্যর্থ হয়েছে। তরুণদের প্রত্যাশা ব্যর্থ
হয়েছে। নতুনদের কর্মকাণ্ড অনেকের কাছে সমালোচিত হয়েছে। এ অবস্থায় আজ একটা নতুন যাত্রা
ঘোষণা করার জন্য আমরা এসেছি।
রাষ্ট্রসংস্কার
আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম বলেন, আমরা তিনটা দল নিয়ে যাত্রা শুরু করেছি, তবে
আমরা মনে করি না শুধু এই তিন দলই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে কিংবা পরিবর্তনের
আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে।
মন্তব্য করুন