

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরে অভিবাসন ও বিনিয়োগ অগ্রাধিকার পাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আগামীকাল সোমবার প্রধান উপদেষ্টা তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা সফর। এই সফরে অনেকগুলো সমঝোতা স্বাক্ষর হবে। এই সফরের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর থেকে গভীরতর হবে। সফরের মূল ফোকাস অভিবাসন নিয়ে আলাপ, দ্বিতীয় ফোকাস হচ্ছে বিনিয়োগ।
রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার মালয়েশিয়া সফর নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
প্রেস সচবি শফিকুল আলম বলেন, মালয়েশিয়া আমাদের জনশক্তি খাতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ। আমরা আমাদের অভিবাসন এমন জায়গায় নিয়ে যেতে পারি-যাতে মালয়েশিয়া আমাদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক জনশক্তি নেয়। এগুলো নিয়ে কিছু আলাপ হবে এবং এটার আলোকে কিছু চুক্তি স্বাক্ষর হবে। তিনি বলেন,মালয়েশিয়ার বড় বড় যেসব কোম্পানি আছে—তাদের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে কথা হবে। আগামী ১২ আগস্ট একটি বিজনেস কনফারেন্স আছে। এরপর ১৩ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টাকে মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি কেবাংসান (ইউকেএম) সম্মানসূচক ডিগ্রি দেবে। এই অনুষ্ঠানে আমরা আশা করছি, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীম উপস্থিত থাকবেন । মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ১২ আগস্ট একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আছে। সেটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আমরা আশা করছি, মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের যে সুসম্পর্ক আছে, সেটা একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহা-পরিচালক শাহ আসিফ রহমান বলেন, আগামী ১১ থেকে ১৩ আগস্ট মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীমের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যাবেন প্রধান উপদেষ্টা। তার সঙ্গে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল যাচ্ছেন। প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফওজুল কবির খান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক বিন হারুন।
তিনি আরও জানান, সফরের প্রথম দিন প্রধান উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনারের মাধ্যমে স্বাগত জানানো হবে, সেখানে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইল প্রধান উপদেষ্টাকে গ্রহণ করবেন। ১২ আগস্ট পুত্রজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে। বৈঠকের পর দুদেশের প্রতিনিধি পর্যায়ে বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।
দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য যে সমঝোতা স্মারকগুলো সই হবে তা হলো প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা; এলএনজি ও পেট্রোলিয়াম সরবরাহ ও অবকাঠামো নির্মাণসহ জ্বালানি সহযোগিতা; বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) ও ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ মালয়েশিয়া (আইএসআইএস); বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিএমসিসিআই) ও চিপ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মিমোস (এমআইএমওএস) এর সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়িক চেম্বার এফবিসিসিআইর সঙ্গে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়িক চেম্বারের মধ্যে সমঝোতা।
সম্ভাব্য এক্সচেঞ্জ নোটগুলো হলো হালাল ইকোসিস্টেম, দুই দেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমি এবং উচ্চ শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বিষয়ক নথি সই।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
চিঠিতে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করাসহ বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে সমর্থন অব্যাহত রাখার ব্যাপারেও জাতিসংঘের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তিনি।
গত ৮ আগস্ট ড. ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। ১৬ আগস্ট ড. ইউনূসকে চিঠি দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জাতিসংঘ মহাসচিব।
চিঠিতে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আপনাকে আমার পক্ষ থেকে জানাই শুভেচ্ছা। আমি বাংলাদেশে শান্তি ফিরিয়ে আনা ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানাই। এই ক্রান্তিকালে সহিংসতার অবসান ঘটাতে, জবাবদিহি নিশ্চিত করতে, আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পথে এগিয়ে যেতে আপনার নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ হবে। আমি আশা করি- আপনার সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পন্থা অবলম্বন করবে, যার মধ্যে তরুণ ও নারীদের পাশাপাশি সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রদায়ের কণ্ঠস্বর অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আমি সব নাগরিক ও বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর আস্থা রাখছি। আমি আপনাকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কল্যাণ নিশ্চিত করার জোরালোভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি, বিশেষ করে মিয়ানমারে অবনতিশীল পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে। বাংলাদেশ তার ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। জাতিসংঘ একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ গণতন্ত্রের প্রতি বাংলাদেশের প্রচেষ্টাকে পূর্ণ সমর্থন করে। অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে, বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে সমর্থনের হাত বাড়িয়ে দিতে জাতিসংঘ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার
অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক।
আজ
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে
এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের
শুরুতে উভয়ে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
রুমন
বলেন, সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের ভূয়সী
প্রশংসা করেন। তিনি বাহিনীর সদস্যদের নিরলস প্রচেষ্টার স্বীকৃতি দিয়ে বলেন, সমুদ্র
উপকূল ও নদী তীরবর্তী এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে কোস্টগার্ড গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে জনগণের স্বার্থে দুর্যোগ মোকাবিলায় তাদের জনসেবামূলক
কাজগুলো অব্যাহত রাখার জন্য তিনি বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রীকে কোস্টগার্ডের চলমান বিভিন্ন
উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী এই উন্নয়নের গতিপ্রকৃতি দেখে
সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আশ্বস্ত করেন যে, বাহিনীর এই আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা
ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে।
রুমন
বলেন, পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোস্টগার্ডকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি
বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, পেশাদারিত্বের মাধ্যমে এই বাহিনী
দেশের সমুদ্রসীমার অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা বহুল আলোচিত দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং ভাগনি যুক্তরাজ্যের এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ মোট ১৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে ৫ বছর, শেখ রেহানাকে ৭ বছর এবং টিউলিপ সিদ্দিককে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় শোনার আগেই আদালত এলাকা ঘিরে বাড়ানো হয় নিরাপত্তা। আদালতের গেট, বারান্দা ও প্রবেশপথজুড়ে পুলিশ, ডিবি ও বিজিবির অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়। সন্দেহজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেও দেখা যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।
দুদকের পক্ষ থেকে মামলার সমন্বয়কারী পাবলিক প্রসিকিউটর মঈনুল হাসান রায়ের আগে সাংবাদিকদের বলেন, “সাক্ষ্য-প্রমাণে আমরা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের, তবে রাষ্ট্রপক্ষ সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা করেছে।”
মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের একটি ১০ কাঠার প্লট অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি মামলাটি দায়ের করেন দুদকের উপপরিচালক সালাহউদ্দিন। তখন শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও টিউলিপ সিদ্দিকসহ মোট ১৫ জনকে আসামি করা হলেও পরে তদন্তের মাধ্যমে আরও দু’জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে আসামির সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭ জনে।
অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ আনিছুর রহমান মিঞা, রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, সাবেক পরিচালক নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপপরিচালক নায়েব আলী শরীফ এবং তদন্তের পর যুক্ত হওয়া দু’জন—সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
গত ৩১ জুলাই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে মোট ৩২ জন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অবশেষে আজ এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত অবস্থা যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যেসব প্রতিষ্ঠানে সীমানাপ্রাচীর নেই, দরজা-জানালা ভাঙা বা জরাজীর্ণ, কিংবা অল্প কিছু মেরামতের প্রয়োজন— সেসব প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত তথ্য দ্রুত চেয়েছে কমিশন।
বুধবার (৫ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ২০ অক্টোবর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন সেই তালিকাভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যেগুলোর অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর তথ্য নির্ধারিত ফরমে পাঠাতে হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি জেলার সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে এসব তথ্য আগামী ১২ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সহায়তা-১ শাখায় পাঠাতে হবে। তথ্যগুলো হার্ড কপি এবং নিকস ফন্টে সফ্টকপি উভয় আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া একই দিনে ইসি আরেকটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, যেসব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা আছে, সেগুলোর বিস্তারিত তালিকাও দ্রুত পাঠাতে হবে। সংশ্লিষ্ট সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসারদের একই সময়সীমার মধ্যে তালিকাগুলো জমা দিতে বলা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা, অবকাঠামোর মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সহজ হবে। তারা আরও বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও প্রযুক্তিনির্ভরভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে ইসি ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বন্যার্তদের সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন ।
বুধবার (২১ আগস্ট) সচিবালয়ে
এক সংক্ষিপ্ত সভায় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা এ আহ্বান জানিয়ে বলেন, চারদিকে বন্যা
পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে মানুষ যাতে এগিয়ে আসে সেজন্য
গণমাধ্যমকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের
বিরুদ্ধেও সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য
যে, ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণের কারণে দেশের কয়েকটি জেলায় ভয়াবহ
বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যার ফলে প্রধান প্রধান নদীগুলোতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। লাখ লাখ
মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাট, বসতভিটা তলিয়ে সর্বস্তরের মানুষ অসহায় অবস্থায়
আছেন। শিশুসহ বয়স্ক নারী-পুরুষ, আসবাবপত্র, হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু ইত্যাদি নিয়ে
মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন।
এমতাবস্থায় বন্যাকবলিত মানুষের
পাশে দাঁড়ানো অতিব জরুরি হয়ে পড়েছে।
দেশের
বিভিন্ন জেলায় ভয়াবহ বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মানুষ যাতে এগিয়ে আসে সেজন্য
গণমাধ্যমকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার
উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম ।
মন্তব্য করুন


শিশুদের
শিক্ষায় নিরাপদ প্রযুক্তি ও বিকাশে সহযোগিতা বাড়াতে গঠিত বৈশ্বিক জোট ‘ফস্টারিং দ্য
ফিউচার টুগেদার’-এ যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে
ঢাকা ছেড়েছেন ডা. জুবাইদা রহমান।
বিমানবন্দর
সূত্র নিশ্চিত করেছে, রোববার (২২ মার্চ) তিনি ঢাকা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের
একটি ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হন।
যুক্তরাষ্ট্রের
ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে এই জোটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান
ও সরকারপ্রধানদের জীবনসঙ্গীরা অংশ নিচ্ছেন। জুবাইদা রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের স্ত্রী।
সম্মেলনে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ (এআই) বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি কীভাবে শিক্ষার প্রসার ঘটাতে
পারে, তা নিয়ে আলোচনা হবে। পাশাপাশি শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রশিক্ষণ এবং শিশুদের অনলাইন
ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া
হবে।
হোয়াইট
হাউসের তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে স্বল্পমূল্যে
বা বিনামূল্যে এসব প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ দিতে সম্মত হয়েছে।
সম্মেলনে
অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা নিজ নিজ দেশের প্রেক্ষাপটে উপযোগী প্রযুক্তি নির্বাচন ও বাস্তবায়নে
নিজ নিজ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সম্মেলন
শেষে জুবাইদা রহমানের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদারে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানান, নির্বাচনী নিরাপত্তায় মোট ৪২৮টি ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়—সে লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ডসহ স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।
তিনি জানান, প্রথম ধাপে বর্তমানে যেসব বাহিনী মাঠে রয়েছে, তাদের মোতায়েন বহাল থাকবে। দ্বিতীয় ধাপে ভোটকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা সাত দিন দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় পুলিশ ও আনসার ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও র্যাবের সমন্বয়ে একটি আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করা হবে। এই সেলে প্রতিটি বাহিনীর একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।
নির্বাচন উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর এক লাখ সদস্য, নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার, বিমান বাহিনীর তিন হাজার ৭৩০ জন (এর মধ্যে স্থলভাগে এক হাজার ২৫০ জন), পুলিশের এক লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩ জন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪ জন, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্টগার্ডের তিন হাজার ৫৮৫ জন, র্যাবের সাত হাজার ৭০০ জন এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১৩ হাজার ৩৯০ জনসহ মোট আট লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ৭৬১টি। এর মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৮ হাজার ৭৮০টি, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ১৬ হাজার ৫৪৮টি এবং সাধারণ কেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি। অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ২৫ হাজার বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ড্রোন ব্যবহারের বিষয়টি এবারের নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন বলে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী সেনাবাহিনী ২০০টি, নৌবাহিনী ১৬টি, বিজিবি ১০০টি, পুলিশ ৫০টি, কোস্টগার্ড ২০টি, র্যাব ১৬টি এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ১৬টি ড্রোন ব্যবহার করবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন বাহিনীর ডগ স্কোয়াডও মাঠে থাকবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে—এমন যে কোনো দুষ্কৃতিকারী কার্যক্রম কঠোরভাবে দমন করা হবে। যারা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করবে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকে প্রভাবিত করার যেকোনো অপচেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকার শক্ত হাতে মোকাবিলা করবে বলেও তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


হামের
টিকার জন্য ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত
হোসেন। রবিবার (২৯ মার্চ) রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে
আন্তর্জাতিক ওষুধশিল্প মেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বলেন, গত ৮ বছর হামের টিকা দেয়নি বিগত সরকার। এ কারণে সম্প্রতি হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে।
তবে এ সংকট সমাধানে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে নতুন করে টিকা ক্রয় করা হচ্ছে।
সাখাওয়াত
হোসেন বলেন, বেসরকারিভাবে পাঁচটি ভেন্টিলেটরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর চারটিই রাজশাহীতে
পাঠানো হবে। একই সঙ্গে হামে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশু হাসপাতাল, ঢাকা মেডিক্যাল,
ডিএনসিসি ডেডিকেটেড হাসপাতালে আইসিইউ প্রস্তুত করা হয়েছে।
এ
সময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও এমপি ডা. এম এ মুহিত, স্বাস্থ্য
ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর
(ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
মেজর জেনারেল মো. শামিম হায়দারসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


শ্রদ্ধা, ভালোবাসা
ও শোকের মধ্য দিয়ে আজ
বুধবার (১৬ জুলাই) শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণ করেছে বেগম রোকেয়া
বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু
সাঈদের প্রথম শাহাদাতবার্ষিকীতে বেরোবিতে শহীদ আবু সাঈদ তোরণ ও মিউজিয়াম এবং শহীদ
আবু সাঈদ স্মৃতিস্তম্ভ’র
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে
শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন বেলা ১১টায় শহীদ আবু সাঈদ তোরণ, মিউজিয়াম স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তি স্থাপন করেন।
উদ্বোধন শেষে দোয়া মোনাজাত করা হয়।
পরে শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিচারণে আলোচনা সভা
অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন,
অন্তর্বর্তী
সরকারের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আসিফ নজরুল এবং
পরিবেশ, বন
ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের
(ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এসএমএ ফায়েজ, শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের
সদস্য প্রফেসর ড. তানজীম উদ্দীন খান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেগম রোকেয়া
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. শওকাত আলী। বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম ও
ডিআইজি আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অন্তর্বর্তী
সরকারের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আসিফ নজরুল বলেন, দ্রুতই আবু সাঈদ হত্যার বিচার হবে। তাঁর বাবা
এ বিচার দেখে যেতে পারবেন। এ সরকারের আমলেই জুলাই হত্যার বিচার হবে।
পরিবেশ, বন
ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, রংপুর অঞ্চলের মানুষ আর বৈষম্যের শিকার থাকবে
না। ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এ বছরেই হবে। এছাড়া
কুড়িগ্রামে ইপিজেড হবে। রংপুর অঞ্চলে হবে চীনের অত্যাধুনিক হাসপাতাল।
আজকের এই দিনে পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়া আবু
সাঈদকে স্মরণ করে কাঁদছেন তার প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা। তারা বলেছেন, আবু সাঈদ যেন এক আলোকবর্তিকা। বাংলাদেশের
মানুষের মুক্তির দিশারী।
শহীদ আবু সাঈদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন সর্বস্তরের মানুষ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
পুলিশের এলিট ফোর্স র্যাবের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত আইজি গ্রেড-১) এ কে এম শহিদুর রহমান,
বিপিএম, পিপিএম, এনডিসি এবং এসবির অতিরিক্ত আইজি (গ্রেড-১) মোঃ গোলাম রসুল দীর্ঘ কর্মজীবন
শেষে গতকাল রবিবার অবসরে গেলেন। তাঁদের অবসর উপলক্ষে আজ সোমবার (১৬ মার্চ) বিকালে পুলিশ
হেডকোয়ার্টার্সের হল অব প্রাইডে এক বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
ইন্সপেক্টর
জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ মোঃ আলী হোসেন ফকির অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
সভায়
অতিরিক্ত আইজিগণ, ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানগণ এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে
বিদায়ী কর্মকর্তাগণের পেশাগত ও ব্যক্তিজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে পুলিশ কর্মকর্তাগণ
স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন।
বিদায়ী
অতিরিক্ত আইজিগণ তাঁদের বক্তব্যে জনগণের আস্থা ও সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করার
জন্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। তাঁরা পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সহযোগিতার জন্য সকল সহকর্মীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
সভাপতির
বক্তব্যে আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনকালে বিদায়ী কর্মকর্তাগণ
অত্যন্ত সুনাম ও সফলতার সাথে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করেছেন। তাঁরা বাংলাদেশ পুলিশের
উন্নয়নে অনন্য অবদান রেখেছেন। আইজিপি বিদায়ী কর্মকর্তাগণের সুখী, সুন্দর ও সমৃদ্ধ
অবসর জীবন এবং সার্বিক সুস্থতা কামনা করেন।
জনাব
এ কে এম শহিদুর রহমান ১৯৯১ সালের ২০ জানুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ
পুলিশে যোগদান করেন। সর্বশেষ তিনি র্যাবের মহাপরিচালক ছিলেন।
অপর
বিদায়ী অতিথি জনাব মোঃ গোলাম রসুল ১৯৯১ সালের ২০ জানুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে
বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। সর্বশেষ তিনি স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজি পদে দায়িত্ব
পালন করেন।
মন্তব্য করুন