

টালিউডের সুপারস্টার জিৎ অভিনীত নতুন সিনেমা ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর শুটিং আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। সূত্রের খবর, শুটিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যের সময় জীৎ হাতে আঘাত পান। তার শারীরিক অবস্থার কারণে এবং নিরাপত্তা বিবেচনা করে পরিচালক পথিকৃৎ বসু শুটিং স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন।
কীভাবে এই আঘাত ঘটে, সে বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়। পরিচালকও এখনও শুটিং পুনরায় শুরু করার নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করেননি।
ছবিতে জীৎ ঐতিহাসিক চরিত্র অনন্ত সিংহ-এর ভূমিকায় অভিনয় করছেন। সিনেমার মূল থিম অ্যাকশন ঘরানা এবং ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার উপর ভিত্তি করে নির্মিত। অনন্ত সিংহ ছিলেন মাস্টারদা সূর্য সেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
জিৎ-র বিপরীতে ছবিতে অভিনয় করেছেন টোটা রায় চৌধুরী, রজতাভ দত্ত, সোমনাথ করসহ আরও অনেকে। সিনেমার মুক্তির জন্য লক্ষ্য করা হয়েছে ১৫ আগস্ট, ২০২৬।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন মুন্সীগঞ্জের গুয়াগাছিয়ায়
অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পে হামলার ঘটনায় জড়িত প্রধান অভিযুক্ত নৌ-ডাকাত নয়ন-পিয়াসসহ একাধিক
আসামি পাশের দেশে পালিয়ে গেছে। ওরা দেশে ফিরলে ঠিকানা হবে কেরানীগঞ্জ কারাগার।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর)
বিকেলে গজারিয়ার দুর্গম অঞ্চল গুয়াগাছিয়ার জামালপুর গ্রামে নবনির্মিত অস্থায়ী পুলিশ
ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী
আরও বলেন যে এ অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই নৌ-ডাকাতদের
তৎপরতা ছিল। আমি নিজেও মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা হিসেবে তাদের সম্পর্কে পূর্ব থেকেই অবহিত।
থানায় হামলার সময় তারা অস্ত্র লুট করেছিল ধারণা করা হচ্ছে সেই অস্ত্রগুলো এখনো তাদের
কাছেই রয়েছে। সেগুলো উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন প্রাথমিকভাবে
অস্থায়ী ভিত্তিতে এ ক্যাম্পটি স্থাপন করা হলেও স্থায়ীভাবে একটি পূর্ণাঙ্গ থানা স্থাপনের
কাজ শুরু হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের রামুতে সহোদর দুই শিশুকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে ০৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ০৩ নারীসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক ওসমান গণি এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) মীর মোশারফ হোসেন টিটু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—গর্জনিয়া বড়বিল এলাকার জাহাঙ্গীর আলম, আবদু শুক্কুর, আলমগীর হোসেন প্রকাশ বুলু, মিজানুর রহমান ও মো. শহীদুল্লাহ। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—একই এলাকার আবদুল মজিদ বদাইয়া, ফাতেমা খাতুন, রাশেদা খাতুন ও লায়লা বেগম।
রায় ঘোষণাকালে প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অন্যরা সবাই পলাতক রয়েছেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল এলাকার দোকান কর্মচারী মো. ফোরকানের দুই ছেলে হাসান শাকিল (১০) ও হোসেন কাজল (৮) বাড়ির অদূরে খেলছিল। পাখির ছানা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে জাহাঙ্গীর আলমসহ একটি চক্র তাদের অপহরণ করে।
আরও জানা গেছে, অপহরণের পর ওই দিন রাতে মুঠোফোনের মাধ্যমে পরিবারের কাছ থেকে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী চক্র। এরপর পুলিশ ও স্থানীয়রা মিলে স্থানীয় পাহাড়ি এলাকাসহ অপহরণকারীদের আস্তানায় তল্লাশি চালায়। অপহরণের দুদিন পর ১৯ জানুয়ারি রাত ১২টার দিকে স্থানীয় জালালের ফলের বাগান সংলগ্ন একটি খালের পাড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় অপহৃত দুই শিশুর মরদেহ পাওয়ায় যায়। নিহত শিশুদের বাবা ফোরকান বাদী হয়ে রামু থানায় আটজনের নাম উল্লেখ ও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করা করেন। ঘটনার পরপরই ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী “ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ” বলেন, প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম জবানবন্দিতে স্বীকার করেছেন, মুক্তিপণ না দিয়ে পুলিশকে ঘটনা জানানোয় ক্ষুব্ধ হয়ে দুই শিশুকে হত্যা করা হয়। একটি বাড়িতে হত্যা করে মরদেহ প্রথমে ড্রামে ভরে রাখা হয়। পরে সুযোগ বুঝে স্থানীয় খালের পাড়ে ফেল দেয় আসামিরা। তার নেতৃত্বে এ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে এবং সঙ্গে কয়েকজন ছিল।
আইনজীবী “মীর মোশারফ হোসেন টিটু ” বলেন, ৯ বছর ধরে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম চলে। এ সময় সাক্ষী-প্রমাণসহ পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। তাই আদালত আইনের বিধি মোতাবেক সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং চার আসামিকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন। এ ছাড়া তাদের জরিমানা করেছেন আদালত।
মন্তব্য করুন


লক্ষ্মীপুরে
বেলাল হোসেন নামে এক বিএনপি নেতার ঘরে দরজায় তালা লাগিয়ে ও পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ার
অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ঘরের ভেতর আগুনে পুড়ে ওই বিএনপি নেতার সাত বছর বয়সী এক মেয়ের মৃত্যু
হয়েছে এবং তিনিসহ আরও দুই মেয়ে দগ্ধ হয়েছেন।
গতকাল
শুক্রবার গভীর রাতে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমনসা গ্রামের সূতারগোপ্তা এলাকায়
এ ঘটনা ঘটে।
বেলাল
হোসেন লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক এবং সূতারগোপ্তা বাজারের
সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী।
আগুনে
পুড়ে মারা যাওয়া শিশুর নাম আয়েশা আক্তার। দগ্ধ তিনজন হলেন, বেলাল হোসেন (৫০) ও তার
দুই মেয়ে বীথি আক্তার (১৭) ও স্মৃতি আক্তার (১৪)। এর মধ্যে বীথি আক্তার ও স্মৃতি আক্তারকে
চিকিৎসার জন্য জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। বেলালকে
সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আগুনে বেলাল হোসেনের ঘরটিও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
পরিবার
ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের খাবার খেয়ে বেলালের পরিবারের সদস্যরা সবাই ঘুমিয়ে
পড়েছিলেন। পরে রাত দুইটার দিকে দরজায় তালা লাগিয়ে ঘরে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ায় দ্রুত তা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
জেলা
বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে
দেয়। এর আগে দরজায়ও তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। পরিকল্পিতভাবে এ কাজটি করেছে সন্ত্রাসীরা।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’
লক্ষ্মীপুর
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রণজিৎ কুমার দাস বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত
অবস্থায় এক শিশুকে উদ্ধার করা হয়। এছাড়া দগ্ধ অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে
পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে দুজনের অবস্থা শঙ্কাজনক। আগুন কীভাবে লেগেছে তা খতিয়ে দেখা
হচ্ছে।
লক্ষ্মীপুর
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, আগুনে পুড়ে ঘুমন্ত
এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে ওই ঘরে কেউ আগুন লাগিয়ে দিয়েছে কি না, সেটি খতিয়ে
দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মো. মনিরুল হক সাক্কুকে ডেকে পাটিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১১টায় রাজধানীর গুলশানে মহাসচিবের বাসায় তাকে ডেকে পাঠানো হয়। সেখানে সাক্কুকে নিয়ে বৈঠক করেন বিএনপি মহাসচিব। বৈঠকে মনিরুল হক সাক্কু কুমিল্লা-৬ আসনের রাজনৈতিক পরিবেশ মির্জা ফখরুলকে অবহিত করেন বলে জানা গেছে।
পরে বিকেলে মো. মনিরুল হক সাক্কু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আমি কুমিল্লার আদি লোক। আদি বিএনপি। এখন যারা সবুজ সংকেত পেয়েছেন বলে মাঠে হইচই করছেন তারা বিএনপিতে আমার জুনিয়র। আগামী নির্বাচনে সদর আসনের সঠিক চিত্র কি হতে পারে, তা আমি মহাসচিবকে অবহিত করেছি। এ ছাড়াও কুমিল্লার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উনার সঙ্গে আলাপ হয়েছে।
এর আগে ২০২২ সালের মে মাসে বিএনপি থেকে মনিরুল হক সাক্কু আজীবনের জন্য বহিষ্কার হন। এরপরও তিনি দল থেকে দূরে না সরে সব কর্মসূচি পালন করছেন। কুমিল্লার ভোটের রাজনীতিতে সাক্কু বড় ধরনের ফ্যাক্টর বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা।।
পবিত্র ঈদ-ই-মিল্লাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল। বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে সমিতি ভবনের দ্বিতীয় তলায় ৭নং হল রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়- ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ মাহাবুবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইয়াছির আরাফাত এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের রুলস্ এন্ড পাবলিকেশন কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ কাইমুল হক রিংকু এবং সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামাল হোসেন।
অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ মিজানুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি এডভোকেট মুহাম্মদ জহীরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন, মোফাচ্ছিরে কোরআন, বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মোশতাক ফয়েজী পীর সাহেব নাগাইশ দরবার শরীফ, কুমিল্লা। তাঁর আলোচনায় উঠে আসে যে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর ন্যায়, দয়া, মানবিকতা ও সমাজ সংস্কারের শিক্ষা একটি ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিময় সমাজ প্রতিষ্ঠার অনিবার্য দিকনির্দেশনা। তিনি বলেন- মহানবীর আদর্শ অনুসরণ করলে ব্যক্তিজীবন যেমন কল্যাণমুখী হয়, তেমনি জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের পথও সুগম হয়।
ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোঃ সহিদ উল্লাহ। তাঁর বক্তব্যে প্রতিফলিত হয় মানবকল্যাণ, সত্য ও ন্যায়ের শিক্ষা মহানবীর জীবনাদর্শের মূল সুর, যা সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ভিত্তি হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
সবশেষে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে। আইনজীবীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ আধ্যাত্মিক আবেশে ভরে ওঠে।
মন্তব্য করুন


নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের তথ্য সংরক্ষণ ও রিপোর্ট কার্ড তৈরির অ্যাপ 'নৈপুণ্যর' আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।
গতকাল বুধবার এ অ্যাপটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এদিন সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে অ্যাপটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অ্যাপটির উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ এ আরাফাত, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. কামাল হোসেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ, সংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দ্র মজুমদার, বিশিষ্ট সাংবাদিক সুভাষ সিংহ রায়, এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ফরহাদুল ইসলাম, সদস্য অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদসহ শিক্ষা প্রশাসনের কর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, এ অ্যাপটি শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের তথ্য সংগ্রহ করতে প্রস্তুত করা হয়েছে। এ অ্যাপটিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। একইসঙ্গে এ অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিক্ষার্থীদের রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুত করবে।
জানা গেছে, জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুযায়ী ২০২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে চালুকৃত মূল্যায়ন পদ্ধতির তথ্য সংরক্ষণ ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুতের জন্য ‘নৈপুণ্য’ নামের অ্যাপটি উন্নয়ন করা হয়েছে। এটুআইয়ের কারিগরি সহায়তায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এর দায়িত্বে রয়েছে।
অনুষ্ঠানে এনসিটিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ অ্যাপে শিক্ষকদের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এর মাধ্যমেই বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নির্বাচন করবেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। প্রধান শিক্ষকদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে অ্যাপে লগইন করা ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড পাঠানো হয়েছে। তা ব্যবহার করে প্রধান শিক্ষকরা অ্যাপে লগইন করতে পারবেন। শিক্ষক ব্যবস্থাপনা অপশন থেকে শিক্ষকদের যুক্ত করা যাবে এবং বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নির্বাচন করা যাবে। কোনো শিক্ষককে যুক্ত করা হলে তার মুঠোফোনের এসএমএসের মাধ্যমে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড চলে যাবে। যা দিয়ে ওই শিক্ষক অ্যাপের ড্যাশবোর্ডে লগইন করতে পারবেন। এতে শিক্ষার্থীদের শিখনকালীন মূল্যায়ন ও সামষ্টিক মূল্যায়নের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে৷ এটি ব্যবহার করেই সক্রিয়ভাবে রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুত করতে হবে।
শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা আরো বলছেন, এ অ্যাপে শিক্ষকদের শিক্ষার্থীর শিখণকালীন ও সামস্টিক মূল্যায়নের (পরীক্ষা) তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। অ্যাপে সংরক্ষিত তথ্য শিক্ষার্থীর একটি আইডিতে সংরক্ষিত থাকবে। যা পরবর্তী শ্রেণিতেও শিক্ষকরা দেখতে পারবেন।
জানা গেছে, নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের তথ্য সংরক্ষণ ও রিপোর্ট কার্ড তৈরির অ্যাপ ‘নৈপুণ্য’ গত শনিবার শিক্ষকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এ অ্যাপে মাধ্যমিক পর্যায়ের সব স্কুল ও মাদরাসার রেজিস্ট্রেশন করতে স্কুল ও মাদরাসাগুলোর প্রধানদের বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াও শেষ হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও সুস্বাস্থ্য কামনায় কুমিল্লায় ধারাবাহিকভাবে কুরআন খতম ও বিশেষ দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
কুমিল্লা–৬ আসনের জননেতা ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের উদ্যোগে নগরী ও জেলার বিভিন্ন মসজিদে নিয়মিতভাবে কুরআন খতম, দোয়া-মাহফিল, এতিমখানায় খাবার বিতরণ এবং পশু সদকার কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
এরই অংশ হিসেবে বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে নগরীর কান্দিরপাড় এলাকায় কুরআন খতম শেষে বিশেষ দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনার পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
দোয়া-মাহফিলে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুবুর রহমান দুলাল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল ও মনির হোসেন পারভেজ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, যুগ্ম আহ্বায়ক সালমান সাঈদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ ও সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন।
দোয়া-মাহফিলে আরও অংশ নেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর রহমান ও সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী।
এছাড়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রবিন, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেনসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও কৃষকদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ দোয়া-মাহফিলে অংশ নেন।
আয়োজকরা জানান, বেগম খালেদা জিয়ার পূর্ণ সুস্থতা কামনায় এ ধরনের ধর্মীয় ও মানবিক কর্মসূচি আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


পৃথিবীকে জলবায়ু বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার জন্য ‘শূন্য বর্জ্য ও শূন্য কার্বন’-এর ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন জীবনধারা গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
বুধবার (১৩
নভেম্বর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ২৯-এর ওয়ার্ল্ড লিডারস ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি আহ্বান করেন।
একটি নতুন পৃথিবী গড়ার লক্ষে তিনটি শূন্যভিত্তিক তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্নের কথাও উপস্থাপন করেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, বেঁচে থাকার জন্য, আমাদের আরেকটি সংস্কৃতি গঠন করতে হবে। একটি ভিন্ন জীবনধারার ওপর ভিত্তি করে আরেকটি পাল্টা সংস্কৃতি গড়তে হবে। এটি হবে শূন্য বর্জ্যের ওপর ভিত্তি করে। এ সংস্কৃতি নিত্য পণ্যের ব্যবহারকে সীমিত করবে, কোন বর্জ্য অবশিষ্ট রাখবে না। এ জীবনযাত্রাও হবে শূন্য কার্বনের ওপর ভিত্তি করে যেখানে কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি থাকবে না, শুধুমাত্র পুনঃনবায়নযোগ্য শক্তি থাকবে। এতে এমন একটি অর্থনীতি হবে যা প্রাথমিকভাবে সামাজিক ব্যবসার মতো ব্যক্তিগত পর্যায়ে শূন্য মুনাফার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। সামাজিক ব্যবসার একটি বিশাল অংশ পরিবেশ ও মানবজাতির সুরক্ষায় মনোযোগ দেবে। সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের জীবন কেবল সুরক্ষিতই হবে না, গুণগতভাবে উন্নত হবে। এটি যুবকদের জন্য উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সহজতর করবে। উদ্যোক্তা হওয়ার নতুন শিক্ষার মাধ্যমে তরুণরা প্রস্তুত হবে। চাকরিপ্রার্থী তৈরির শিক্ষা উদ্যোক্তা-কেন্দ্রিক শিক্ষা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে।
পরিবেশের সুরক্ষার জন্য একটি নতুন জীবনধারার প্রয়োজন উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন জীবনধারা চাপিয়ে দেয়া হবে না, এটি হবে পছন্দ বেছে নেওয়া। তরুণরা সে জীবনধারাকে পছন্দ হিসেবে বেছে নেবে। প্রতিটি যুবক তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে। এগুলো হচ্ছে- শূন্য নেট কার্বন নির্গমন, শুধুমাত্র সামাজিক ব্যবসা গড়ে তোলার মাধ্যমে শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ ও নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে পরিণত করার মাধ্যমে শূন্য বেকারত্ব। প্রত্যেক মানুষ তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে এবং সারাজীবন তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে থাকবে। এটি নতুন সভ্যতা গড়ে তুলবে। এটা করা যেতে পারে আমাদের যা করতে হবে তা হল এ গ্রহের নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নতুন জীবনধারা গ্রহণ করা যেখানে সবাই বসবাস করে। আজকের তরুণ প্রজন্ম বাকিটা করবে। তারা তাদের আমাদের গ্রহকে ভালোবাসে। আমি আশা করি আপনারা এ স্বপ্ন দেখায় আমার সাথে যোগ দেবেন। আমরা যদি একসাথে স্বপ্ন দেখি তবে তা সম্ভব হবে। জলবায়ু সংকট তীব্রতর হচ্ছে এবং সে কারণে মানব সভ্যতা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মানুষ আত্ম-বিধ্বংসী মূল্যবোধের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আত্ম-রক্ষাত্মক ও আত্ম-শক্তিবর্ধক একটি নতুন সভ্যতার ভিত্তি স্থাপনের জন্য আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক, আর্থিক ও যুব শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা, এই গ্রহের মানব বাসিন্দারা এই গ্রহের ধ্বংসের কারণ। মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করছে এবং তারা এমন একটি জীবনধারা বেছে নিয়েছে যা পরিবেশের বিরুদ্ধে কাজ করে। তারা এটিকে একটি অর্থনৈতিক কাঠামো দিয়ে ন্যায্যতা দেয়, যা এ গ্রহ ব্যবস্থার মতো প্রাকৃতিক হিসেবে বিবেচিত হয়। এ অর্থনৈতিক কাঠামো সীমাহীন খরচের ওপর ভিত্তি করে চলছে। আপনি যত বেশি ব্যবহার করবেন তত বেশি প্রবৃদ্ধি পাবেন। যত বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করবেন, তত বেশি অর্থ উপার্জন করবেন। সর্বাধিক মুনাফা অর্জনকে সিস্টেমের সবকিছুকে আমাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভূমিকা পালনের শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক “ প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া” আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩ টি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
বিএনপি মহাসচিব “মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর” আজ সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রথম দফায় ২৩৭টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। সংবাদ সম্মেলনে “মির্জা ফখরুল” বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম “খালেদা জিয়া” আসন্ন নির্বাচনে বগুড়া-৭, দিনাজপুর-৩ এবং ফেনী-১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
মন্তব্য করুন


সংস্কার গভীর না হলে দেশে আবারও স্বৈরাচার
আসতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেন, সংস্কার মানে শুধু কয়েকটা
কাগজের সংস্কার নয়, মনের গভীরতর জায়গার সংস্কার করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) বিকালে রাজধানীর
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জুলাই বিপ্লবের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশে জাতিসংঘ
মানবাধিকার মিশনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশকে একেবারে নতুন করে গড়ে তুলতে
হবে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শুধু ওপরে একটি প্রলেপ দিয়ে নয়,
গভীর থেকে পরিবর্তন আনতে হবে। সেই গভীরতম পরিবর্তন যদি না করি, যেই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে
আজ আমরা কথা বলছি, আবার ঘুরেফিরে সে চলে আসবে—যতই আমরা সামাল দিই, যতই সংস্কার করি।
আমাদের আরও গভীরের সংস্কার দরকার। এই সংস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, জুলাই গণহত্যার বিচার এমনভাবে
করা হবে যেন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে কখনো নীরবতা দমন বা দেশের জনগণকে ধ্বংস
করা না যায়।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, সংস্কার কর্মসূচির পাশাপাশি আমরা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ীদের আইনের আওতায়
আনতে কাজ করছি। কিন্তু বিচার মানে শুধু শাস্তি নয়—বিচার মানে এই নিশ্চয়তা প্রদান
করা যে রাষ্ট্রক্ষমতা আর কখনো জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার হবে না।
রাজনৈতিক ব্যবস্থা গঠনের লক্ষ্যে জাতীয়
ঐকমত্য গড়ার চেষ্টা করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই ঐকমত্য এমন একটি
ব্যবস্থাকে নিশ্চিত করবে, যা অন্তর্ভুক্তিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন
নিশ্চিত করে।
আমাদের লক্ষ্য একটাই, একটি বাংলাদেশ
গঠন করা, যেখানে প্রতিটি নাগরিক শান্তিতে, মর্যাদায়, গর্বে ও স্বাধীনতায় বাঁচতে পারে।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে
রোহিঙ্গা সংকট পর্যন্ত, এমনকি গত বছরের জুলাই-আগস্টের সংকটকালীন সময়েও জাতিসংঘ সব সময়
বাংলাদেশের পাশে ছিল বলেও উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মন্তব্য করুন