

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সাফজয়ী নারী ফুটবল দলকে ১ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।
আজ সন্ধ্যায় (৩১ অক্টোবর) যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বাংলাদেশ জাতীয় নারী দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের হাতে ১ কোটি টাকার চেক তুলে দেন। এসময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় দলের কোচ পিটার বাটলার।
এর আগে দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে রওয়ানা দিয়ে তিন ঘন্টা শহরের বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিন করে সন্ধ্যায় বাফুফে ভবনে এসে উপস্থিত হন সাবিনা, মনিকা, রুপনারা। তার আগেই অবশ্য সেখানে সাবিনাদের জন্য অপেক্ষায় ছিলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা।
পরে বাফুফে ভবনের তিন তলায় কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ দলের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এরপর সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান আগামী শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাফজয়ী নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা দিবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নারীদের এক কোটি টাকা প্রদান করা হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা নারী দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন শনিবার। আমরা নারী ফুটবলের উন্নয়নের সঙ্গী হিসেবে রয়েছি। আমরা বিশেষভাবে নারী দলকে পুরো জাতি ও একইসাথে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। নেপালের মাটিতে স্বাগতিক সমর্থকদের বিপক্ষে বাংলাদেশের মেয়েরা যেভাবে জয় ছিনিয়ে এনেছে তার জন্য তারা ধন্যবাদ পাবার যোগ্য। শুধু নারী ফুটবল নয়, ক্রিকেটেও এই সমস্যা রয়েছে। এই বিষয় নিয়ে ইতোমধ্যে বিসিবির সাথে কথা হয়েছে। বাফুফের সাথে আলোচনা হবে। অবশ্যই এই বৈষম্য দূর করতে হবে।
এ সময় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে সাফের শিরোপা অক্ষুন্ন রাখে বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


বঙ্গোপসাগর অঞ্চলকে সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতার
কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, এখানে সহযোগিতার
কেন্দ্রে যেন পরিণত হয় আমরা সেই চেষ্টা করছি। এখানে যেন কোনো দ্বন্দ্ব-সংঘাতের কেন্দ্র
না হয়।
আজ রোববার (২২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট
অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ-বিআইআইএসএসে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
‘বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে পুনরায় সংযোগ’ শীর্ষক
এ সেমিনারের আয়োজন করে বিআইআইএসএস ও ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপিং ইকোনমিকস (আইডিই-জেট্রো)।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র
উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, বঙ্গোপসাগর অঞ্চল অর্থনীতি ও ভূ-কৌশলগত কারণে ফোকাল
পয়েন্টে পরিণত হয়েছে। এ কারণে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিকভাবে বঙ্গোপসাগর এলাকায় বড় বড় শক্তির
নজর পড়েছে। এটা এখন সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দু। বঙ্গোপসাগর যেন সহযোগিতার
কেন্দ্রে পরিণত হয় আমরা সেই চেষ্টা করছি, যাতে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের কেন্দ্র না হয়। গত
সাত বছরের বেশি সময় ধরে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অবস্থান করছে।
রোহিঙ্গাদের অধিকারসহ নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে না পারলে এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠিত
হবে না। নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বঙ্গোপসাগর এলাকা গড়ে তোলার জন্য স্থিতিশীলতা দরকার। এজন্য
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সব অংশীজনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাই।
সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকায়
নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত আইওয়ামা কিমিনিরো বলেন, মাতারবাড়ী বন্দর দিয়ে এই অঞ্চলে
কানেক্টিভিটি আরও জোরদার হবে আশা করি। এই কানেক্টিভিটি
জোরদারে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া থাকা দরকার।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআইআইএসএসের
চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত এ এফএম গাওসুল আজম সরকার ও মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ইফতেখার
আনিস।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রীয়
মর্যাদায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন
হয়েছে। দাফন শেষে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ
সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানরা মরহুমার প্রতি সশস্ত্র সালাম জানান।
এর
আগে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান কবরের পাশে তাকে সমাহিত
করা হয়। বিকেল ৩টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এদিন
বিকেল ৩টা ৪ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায়
বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জানাজায় লাখো মানুষের
ঢল নামে।
জাতীয়
মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক খালেদা জিয়ার জানাজা পড়ান।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন তার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ
পরিবারের সদস্যরা, বিএনপির শীর্ষ নেতারা, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ এবং বিদেশি
অতিথিরা। পুরো আয়োজন পরিচালনা করেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম
খান।
জানাজায়
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানরাও
নামাজে জানাজায় অংশ নেন। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, সেক্রেটারি
জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক
দলের নেতারাও খালেদা জিয়ার জানাজায় উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য,
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত (৩১ ডিসেম্বর
এবং ১ ও ২ জানুয়ারি) তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। এ ছাড়া জানাজা উপলক্ষে
আজ বুধবার সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ
১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরেছেন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ নির্বাসন শেষে মাতৃভূমিতে ফেরার এই ঐতিহাসিক
যাত্রায় তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান
এবং পরিবারের পোষা বিড়াল জেবু।
তারেক
রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়ক যেন পরিণত হয়েছে
মিলনমেলায়। প্রিয় নেতাকে সংবর্ধনা দিতে এখানে নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ।
দলীয়
নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সংবর্ধিত হবেন তিনি—এমন
প্রত্যাশায় উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
৩০০
ফিট সড়ক ও এর আশপাশের এলাকায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ইতিমধ্যেই জড়ো হয়েছেন বিপুলসংখ্যক
নেতাকর্মী ও সমর্থক। বহু বছর পর প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে গত কয়েক দিন ধরেই দেশের নানা
প্রান্ত থেকে ঢাকামুখী হচ্ছেন তারা। ভিড় ও দুর্ভোগ এড়াতে অনেকেই আগেভাগেই রাজধানীতে
এসে অবস্থান নিয়েছেন।
যাদের
ঢাকায় আত্মীয়-স্বজন বা থাকার ব্যবস্থা রয়েছে, তারা আগেই এসে পৌঁছান। তবে গত সোমবার
থেকেই দলবদ্ধভাবে নেতাকর্মীদের ঢাকায় আসা শুরু হয়। বুধবার রাতেও দেশের বিভিন্ন জেলা
থেকে ট্রেন, লঞ্চ ও বাসে করে নেতাকর্মীরা ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। ঢাকায় পৌঁছে অনেকেই
সংবর্ধনাস্থল পরিদর্শন করে ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন—কেউ
সেলফি তুলেছেন, কেউ লাইভে যুক্ত হয়েছেন।
সরেজমিনে
গিয়ে দেখা গেছে, ঢাকা ছাড়াও বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা বাস, ট্রাক, মিনি
ট্রাক ও মাইক্রোবাসে করে দলে দলে ৩০০ ফিট এলাকায় এসে জড়ো হচ্ছেন। কুমিল্লা, সিলেট,
রাজশাহী, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়াসহ বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষের ঢল নেমেছে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটগ্রহণ
শুরু হবে সকাল সাড়ে ৭টায়, শেষ হবে বিকেল সাড়ে ৪টায়।
আজ
রবিবার (০৭ ডিসেম্বর ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল,
গণভোট এবং ভোটের আগে-পরে নানা বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান নির্বাচন
কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
এর
আগে, গত শনিবার রাজধানীর একটি কেন্দ্রে মক ভোটিং করে ইসি পরীক্ষা করে দেখে, প্রতিটি
ভোটকক্ষে দুটি গোপন কক্ষ করা হলে ভোটকেন্দ্র বাড়ানোর প্রয়োজন নাও হতে পারে।
তবে
অনেক কেন্দ্রে পর্যাপ্ত অবকাঠামো নেই। বিশেষত গ্রামাঞ্চলে নতুন ভোটকেন্দ্র স্থাপনেও
সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফলে ইসি সময় বাড়ানোর দিকেই বেশি ঝুঁকছে।
সাধারণত
সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোট হয়।
এবার
এই সময় সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব বিবেচনায় ছিল।
নির্বাচন
কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছিল বলেন, সময় বৃদ্ধি ও তফসিল ঘোষণার বিষয়গুলো
রবিবারের সভায় চূড়ান্ত হবে।
মন্তব্য করুন


জনগণকে মুখ্য রেখে কর্মকর্তাদের
সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করার আহ্বান জানিয়েছেন এলজিআরডি উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া।
আজ সোমবার (১১ নভেম্বর) স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার গ্রহন শেষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের
সাথে মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের
(সচিবের রুটিন দায়িত্বে) অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো: নজরুল ইসলাম।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়াকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে সদ্য বিদায়ী উপদেষ্টা এ হাসান আরিফ বলেন, এটা কোন রুটিন সরকার নয়, বিপ্লবী সরকার। আমাদের
মূল দাবি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়া। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সবাই অংশগ্রহণ করেছিল, তেমনি
২০২৪ সালের আন্দোলন শুধু ঢাকা কেন্দ্রিক ছিল না। এর ধাক্কা লেগেছে সমস্ত দেশে। এ সময়
মন্ত্রণালয়ের সবার ভুয়সি প্রশংসা করেন হাসান।
সবাই কাজের ব্যাপারে বেশ দক্ষ ও আন্তরিক বলে
উল্লেখ করেন তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া বলেন, কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং দক্ষতার সাথে কাজ করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
সিনিয়রদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জনকল্যাণমূলক
কাজ করতে হবে যা ভবিষ্যতে উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে। এই মন্ত্রণালয়ের কাজে জনসম্পৃক্ততা
বেশি,জনকল্যাণে সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস জনগণ। জনকল্যাণে কাজের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যেতে
চাই।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে নতুন উপদেষ্টার শপথ গ্রহণ ও উপদেষ্টাদের মাঝে দপ্তর পুর্নবণ্টন করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং
স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। এর আগে তিনি যুব
ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় দায়িত্বে ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় অটোরিকশা চালক মো. সাব্বির হোসেন (১৮) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও ঘটনা জড়িত ৭জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি, লুন্ঠিত অটোরিকশা ও চালকের ব্যবহত মোবাইল ফোন।
বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
গ্রেফতার আসামীরা হলেন-চাঁদপুর সদরের তরপুরচন্ডী এলাকার মো. জহির বাবলা (৪৫), মতলব দক্ষিন উপজেলার মো. আনিছুর রহমান (২৫), একই উপজেলার মো. রাজু বেপারী (২৫), মো. রাকিব (২৩) ও মো. আমির হোসেন হানজালা (২৫), নরসিংদী জেলার পলাশ থানার চরসিন্দুরের কবির হোসেন (৩৫) এবং দিনাজপুর জেলার কোতয়াালী থানার মতুল্লাপুর এলাকার হামিদুর রহমান (৪১)।
পুলিশ সুপার জানান, কচুয়া পালাখাল ইউনিয়নের ভুঁইয়ারা গ্রামের অটোরিকশা চালক মো. সাব্বির হোসেন গত ২৪ জানুয়ারি বিকেলে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ী থেকে বের হন। এরপর রাতে বাড়ীতে ফিরেননি। পরদিন ২৫ জানুয়ারি তার মা জাহানারা বেগম থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। ওই দিন বিকেলে পুলিশ স্থানীয় সংবাদের ভিত্তিতে ওই ইউনিয়েনর সেঙ্গুয়া নামক স্থান থেকে হাত পা বাধা সাব্বিরের মরদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় চালকের মা জাহানারা বেগম ২৬ জানুয়ারি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি গ্রহনের পর কচুয়া থানা পুলিশ একটি চৌকস দল গঠন করে তদন্ত শুরু করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. দেলোয়ার হোসেন রাজিবসহ দলটি তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রথমে আসামী হানজালাকে গ্রেফতার করেন। তার তথ্যের ভিত্তিতে ১২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা পর্যন্ত চাঁদপুর ও নারায়নগঞ্জে অভিযান চালিয়ে বাকী আসামীদের গ্রেফতার করেন।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, অটোরিকশা চালক সাব্বির হত্যায় জড়িত ছিলেন ৯জন। এর মধ্যে ৭ জন গ্রেফতার হয়েছে। বাকীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। তারা অন্য কোন অপরাধে জড়িত আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আসামীদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী, সহকারী পুলিশ সুপার (কচুয়া সার্কেল) মো. রিজওয়ান সাঈদ জিকু, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমের বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেছেন, তার সরকার
দেশে মানবাধিকার এবং
বাকস্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে
প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের একটি
হোটেলে অর্ধ ডজনেরও
বেশি বিশ্বের শীর্ষ
মানবাধিকার সংস্থার সিনিয়র
কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে
এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার
প্রেস উইং জানায়,
এ সাক্ষাতে জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার বিপ্লব
এবং গত ১৫ বছরের বেশি
সময় ধরে শেখ
হাসিনা সরকারের শাসন
আমলে চালানো নৃশংসতা
এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের
বিচার ও জবাবদিহিতা নিয়ে
আলোচনা হয়।
এছাড়া তারা
নিরাপত্তা সেক্টর সংস্কার,
সাইবার নিরাপত্তা আইন
বাতিল এবং অধিকতর
তদন্ত, একনায়কতন্ত্রের সময়
বলপূর্বক গুমের শিকার
ব্যক্তিদের রাখা ডিটেনশন
কেন্দ্রগুলোতে অবাধ প্রবেশাধিকার এবং
জবাবদিহিতা নিশ্চিতের আহ্বান
জানান।
বৈঠকে ৯ সদস্যের প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব
দেন রবার্ট এফ কেনেডি হিউম্যান
রাইটসের প্রেসিডেন্ট কেরি
কেনেডি। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সেক্রেটারি জেনারেল
অ্যাগনেস ক্যালামার্ডও এ বৈঠকে যোগ
দেন।
অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেন,
অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত
একটি শক্তিশালী বার্তা
পাঠানো যে একটি
নতুন বাংলাদেশ।
প্রধান উপদেষ্টা
বলেন, তার সরকার
পুলিশসহ প্রধান প্রধান
প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারে কয়েকটি
কমিশন গঠন করেছে।
ড. ইউনূস
বলেন, তার সরকার
যেকোনো সমালোচনাকে স্বাগত
জানায় এবং অন্তর্বর্তী প্রশাসন
মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা সমুন্নত
রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
তিনি বলেন,
এ সরকার কোনো
সমালোচনায় বিরক্ত হয় না। বরং
আমরা সমালোচনার জন্য
আমন্ত্রণ জানাই।
অন্যদের মধ্যে
কথা বলেন, হংকংভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠনের
সাবেক অ্যাক্টিভিস্ট মোহাম্মদ
আশরাফুজ্জামান, হিউম্যান রাইটস
ওয়াচ এর সিনিয়র
গবেষক জুলিয়া ব্লেকনার
প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বর্তমান পোশাকে পুলিশ বাহিনী
সন্তুষ্ট নয়, আগের ঐতিহ্যমণ্ডিত যেকোনো একটি পোশাক যাতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী পায়
সেজন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
শনিবার
(২৮ মার্চ) দুপুরে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ
একাডেমিতে ৪৩তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে
এ কথা বলেন তিনি।
তিনি
বলেন, পুলিশ কোনো বিশেষ দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয়, পুলিশ হবে জনগণের বন্ধু। পুলিশ বাহিনীকে
দলীয় প্রভাব মুক্ত করে আধুনিক সেবাধর্মী ও মানবিক বাহিনী হিসেবে জনগণের কাছে সেবা
নিশ্চিত করাই এ সরকারের লক্ষ্য।
তিনি
আরও বলেন, গণতান্ত্রিক সংস্কারে রাষ্ট্র কাঠামোর যে সংস্কারের কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে
অন্যতম পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠন। পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ
মুক্ত রাখতে পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছে। অচিরেই এর সুফল সবাই পাবে।
৪৩তম
বিসিএস পুলিশ ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে এবার মোট ৭২ জন এএসপি তাদের প্রশিক্ষণ
শেষ করে চাকরিতে যোগ দেবেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) নতুন
মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো: মাহবুবুল আলম।
রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের
চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন
২০১৮-এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী মাহবুবুল আলমকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক
পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছর মেয়াদে বাংলাদেশ টেলিভিশনের
(বিটিভি) মহাপরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো।
এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত অনুমোদিত
চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে
প্রজ্ঞাপনে।
অন্যদিকে, কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী
পরিচালক পদে মো. লতিফুল ইসলামকে নিয়োগ দিয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, কবি নজরুল ইনস্টিটিউট আইন
অনুযায়ী তাকে পরবর্তী ২ বছর মেয়াদে কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক পদে নিয়োগ
করা হলো।
মন্তব্য করুন


বিএনপিই
দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করেছে বলে মন্তব্য দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। বক্তব্যের
শুরুতেই চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় তিনি বলেন, ‘অনেরা ক্যান আছেন (আপনারা কেমন আছেন)?’
তারেক
রহমান বলেন, বিএনপি একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা সরকারের সময়ে দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য
পরিবর্তনের জন্য কাজ করেছে। আমরা দেশের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য
সবসময় অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলাম।
গত
১৬ বছর ধরে দেশের মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার, বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তি স্বাধীনতা
হরণ করা হয়েছে। তাই ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন এসেছে পরিবর্তনের জন্য। বাংলাদেশের
মানুষ চায় নিরাপদ পরিবেশ, নিরাপদ চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সন্তানদের জন্য উন্নত শিক্ষা
ও চিকিৎসা সুবিধা।
তিনি
বলেন, আমাদের এই পরিকল্পনা তরুণ প্রজন্মকে সামনে রেখে তৈরি করা হয়েছে।
বর্তমানে
জনসংখ্যার অর্ধেক তরুণ, যারা কর্মসংস্থান ও নিরাপদ জীবন চায়। বিএনপি হিসেবে আমরা চেষ্টা
করি দেশের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে। বিএনপি সরকারের
সময়ে আমরা লক্ষ লক্ষ মানুষকে কর্মসংস্থানের সুযোগ দিয়েছি। চট্টগ্রামের ইপিজেডগুলো সেই
কর্মসংস্থানের উদাহরণ।
নতুন
পরিকল্পনার মাধ্যমে আরও বেশি ইপিজেড তৈরি করা হবে, যাতে যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান
বৃদ্ধি পায় এবং ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সুষ্ঠুভাবে চলতে পারে।
সারাদেশের
মানুষ যাতে নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে তা নিশ্চিত করা হবে উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারম্যান
বলেন, বিগত বিএনপি সরকারের সময় আমরা আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সফলভাবে কাজ
করেছি এবং ভবিষ্যতেও একইভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোন ছাড়
দেওয়া হবে না। এটি দেশের মানুষের অধিকার সুরক্ষায় অপরিহার্য। সমস্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন
করতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
এটাই
দেশের পরিবর্তনের জন্য সত্যিকারের পথ।
তিনি
আরও বলেন, বাংলাদেশে জলাবদ্ধতা ও বন্যার সমস্যা দূর করতে আমরা খাল খনন কর্মসূচি শুরু
করব। এটি দেশের নিরাপত্তা, জীবনমান এবং কৃষি-অর্থনীতি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রাখবে। পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে নাগরিকদের অংশগ্রহণ অপরিহার্য। আমাদের
পরিকল্পনাগুলো
বাস্তবায়নের জন্য দেশের মানুষকে একত্রিত হতে হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণের
ভোট ও সমর্থন দিয়ে বিএনপিকে সরকার গঠনে সক্ষম করতে হবে। তাহলে আমরা দেশের মানুষের ভাগ্য
পরিবর্তনের এই পদক্ষেপগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারব।
বক্তব্যের
শেষে চট্টগ্রামের সকল আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। সভায় সভাপতিত্ব
করেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ।
এর
আগে কঠোর নিরাপত্তায় বেলা সোয়া ১২টায় তারেক রহমান মঞ্চে ওঠেন। এসময় করতালিতে সমাবেশস্থল
মুখরিত হয়ে উঠে। বিএনপির চেয়ারম্যান হাত নেড়ে নেতা-কর্মী-সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানান।
সমাবেশে
উপস্থিত ছিলেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন,
চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, উদয় কুমার বড়ুয়া, সাঈদ আল
নোমান, মোহাম্মদ নাজিমুর রহমান, সরোয়ার জামাল নিজাম, আবু সুফিয়ান, মোহাম্মদ শাহাজাহান
চৌধুরী, সুকোমল বড়ুয়া, আসলাম চৌধুরী, গোলাম আকবর খন্দকার, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী,
মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ, এস এম ফজলুল হক, হারুনুর রশিদ, এম নাজিম উদ্দীন, আবুল হাশেম
বক্কর, আব্দুল ওয়াদুদ ভুইঁয়া, লুৎফুর রহমান কাজল, ম্যামাসিং, জেরি প্রু চৌধুরী, বেগম
নুরে আরা সাফা, ইদ্রিস মিয়া, আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ, মোস্তফা কামাল, দীপেন দেওয়ান
তালুকদার, মোহাম্মদ জসীমউদ্দিন, মোহাম্মদ এনামুল হক, নাজমুল মোস্তফা আমিন, মিশকাতুল
ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, মোহাম্মদ নুরুল আমিন।
মন্তব্য করুন