

ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক মো. আব্দুল
হান্নানের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। রিমান্ড আবেদনে চারটি কারণ উল্লেখ
করা হয়েছে। এ বিষয়ে আজ রবিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালতে
শুনানি হয়।
এদিন
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
প্রথমে
পল্টন থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক সামিম হাসান তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। পরবর্তী
সময় আরেকটি আবেদনে চারটি কারণ উল্লেখ করে তার সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ
করতে প্রার্থনা করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ঘটনায় আসামিদের ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র ও মোটরসাইকেল
উদ্ধার; জড়িত অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিদের নাম ঠিকানা সংগ্রহসহ অবস্থান ও গ্রেপ্তার;
মূল রহস্য উদঘাটন ও তথ্য সম্পর্ক প্রবাহ, অর্থ সম্পর্ক প্রবাহ নির্ণয় করার জন্য এবং
কোনো স্থানে অবৈধ অস্ত্র সংগ্রহ করা হয়েছে তার উৎস জানা প্রয়োজন।
আবেদনে
আরো বলা হয়, আসামি হান্নানকে র্যাব-২ আটক করে পল্টন মডেল থানায় সোপর্দ করে।
গত
১২ ডিসেম্বর দুপুর ২টা ২৪ মিনিটে পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট রোডে ঢাকা-৮ আসনে
সম্ভাব্য স্বতন্ত্রী প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ
হয়ে গুরুতর আহত হন। তিনি বর্তমানে মুমূর্ষু অবস্থায় এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পরবর্তী সময় ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়, শরিফ ওসমান
হাদি ও তার সঙ্গীয় ব্যক্তি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাযোগে যাওয়ার সময় অজ্ঞাতনামা দুই সন্ত্রাসী
একটি মোটরসাইকেলে এসে ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে
গুলি করে। গুলিতে হাদি গুরুতর জখমপ্রাপ্ত হন।
সিসি
ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে র্যাব-২ জানতে পারে, সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন
নম্বর-ঢাকা মেট্রো ল-৫৪-৬৩৭৫। পরবর্তী সময় র্যাব-২ বিআরটিএ কর্তৃক মালিকানা যাচাই
করে মোটরসাইকেলের মালিক মো. আব্দুল হান্নান হিসেবে চিহ্নিত করেন। এ ঘটনায় মামলা দায়ের
প্রক্রিয়াধীন। এই আসামি উল্লেখিত ঘটনায় জড়িত থাকায় সন্দেহে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায়
গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য দেন।
সকালে দেশের আট বিভাগ থেকে আগত স্বেচ্ছাসেবকদের নিবন্ধনের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ৯টায় স্বেচ্ছাসেবক ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সকাল ১০টায় ধর্মগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। স্বাগত বক্তব্য দেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, বড় অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্প কিংবা বন্যার মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় শুধু সরকারি বাহিনীর পক্ষে এককভাবে সব দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। স্বেচ্ছাসেবকেরা পেশাদার বাহিনীর সঙ্গে একযোগে কাজ করেই দুর্যোগকালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তিনি আরও বলেন, যেকোনো দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি জানান, স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য সুযোগ–সুবিধা বাড়ানো এবং তাদের প্রশিক্ষণের মান ও পরিমাণ বৃদ্ধি করতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বখশ চৌধুরী এবং ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামালসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নিঃস্বার্থ সেবার মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবকেরা জনগণের বন্ধু হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছেন। সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্পসহ বড় বড় দুর্ঘটনায় ফায়ার ফাইটারদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছেন স্বেচ্ছাসেবকেরা—যা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
অনুষ্ঠানের আগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পূর্বাচল ট্রেনিং গ্রাউন্ডে স্বেচ্ছাসেবকদের মহড়া পরিদর্শন করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক দেশের বিভিন্ন এলাকার বাছাই করা ২২ জন স্বেচ্ছাসেবককে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করেন। তিনি স্বেচ্ছাসেবকদের নিরলস ও সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করে আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতের সব দুর্যোগেও তাদের দেশপ্রেম ও নিষ্ঠা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক ছাড়াও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক, উপপরিচালক, ট্রেনিং কমপ্লেক্সের অধ্যক্ষসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুশিল্পীরা পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে খ্যাতি অর্জন করবে।
আজ
শনিবার ঢাকার রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) অডিটোরিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি ২০২৫’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশু-কিশোরদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
নতুন
কুঁড়ি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশু-কিশোরদের অভিনন্দন জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হিসেবে নতুন কুঁড়ির শিশুশিল্পীদের সংস্কৃতিচর্চা চালিয়ে যেতে হবে। একইসঙ্গে অন্যান্য বিষয়েও শিশুশিল্পীদের প্রতিভা বিকশিত করতে হবে। শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশে অভিভাবক ও শিক্ষকগণের ভূমিকা
তুলে ধরে তিনি বলেন, নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতায় শিশুশিল্পীরা যে সাফল্য দেখিয়েছে,
তার মূলে রয়েছে অভিভাবক ও শিক্ষকগণের অবদান।
তিনি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুশিল্পীদের অভিভাবক ও শিক্ষকগণকে অভিনন্দন
জানান।
শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে উপদেষ্টা বলেন, ‘তোমরা অনেকেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাক্ষী হয়েছ। গণঅভ্যুত্থানে শহীদ অনেকেই হয়তো তোমাদের পরিচিত। গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতরা যে
বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নের পথে হাঁটার জন্য আমরা এই আয়োজনটা (নতুন
কুঁড়ি) করেছি।
২০
বছর পর নতুন কুঁড়ি
প্রতিযোগিতা শুরুর প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, গত জুলাই মাসে
এই প্রতিযোগিতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে বিজয়ী শিশুশিল্পীদের পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতা আনুষ্ঠানিকভাবে
শেষ হলো। নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা সফলভাবে আয়োজনের জন্য তিনি বিটিভির মহাপরিচালক-সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে
ধন্যবাদ জানান।
মাহফুজ
আলম বলেন, নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে একটা আশার সঞ্চার হয়েছে যে, বাংলাদেশের সংস্কৃতি টিকে থাকবে এবং সারা দুনিয়ায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী সরকারও নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের
সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুশিল্পীরা শিল্প-সাহিত্য অঙ্গনে নেতৃত্ব দেবে। এই শিশুশিল্পীরা বাংলাদেশের
শিল্প-সাহিত্যকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে
সভাপতির বক্তৃতায় বিটিভির মহাপরিচালক মো. মাহবুবুল আলম বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার
প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও আন্তরিক পদক্ষেপের
কারণে মাত্র দেড় মাসের মধ্যে নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়েছে।
প্রতিযোগিতায়
বিজয়ী শিশুশিল্পীদের নিয়ে বিটিভির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতার সকল শাখার সেরা দশ জন সরাসরি
বিটিভির শিল্পী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে। এছাড়া বিটিভি আয়োজিত শিশুপ্রহর অনুষ্ঠানে শুধু নতুন কুঁড়ির সেরা দশের শিল্পীরা অংশগ্রহণ করবে। অনুষ্ঠানটি প্রতি শুক্রবার প্রচারিত হবে।
বাংলাদেশ
টেলিভিশন আয়োজিত পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে নতুন কুঁড়ি ২০২৫ প্রতিযোগিতায় ক ও খ
বিভাগের প্রতি বিষয়ে ১ম, ২য় ও ৩য়
স্থান অর্জনকারী মোট ৭৩ জন শিশুশিল্পী
পুরস্কৃত হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত শিশুশিল্পীরা হলো :
ক
বিভাগ : অভিনয়ে ১ম আরহাম হাসান
আরিয়ান; ২য় রুফাইদা আফরা;
৩য় মুগ্ধতা মল্লিক। আধুনিক গানে ১ম প্রিয়সী চক্রবর্তী;
২য় স্মিতা বাড়ই; ৩য় শেখ রোদসী
রায়ান। আবৃত্তিতে ১ম আরিশা দানীন
মাহা; ২য় মোঃ ইছা
আল মাহিম; ৩য় নাভীদ হাসান।
উচ্চাঙ্গ নৃত্যে ১ম মোছাঃ আদৃতা
তাসনিম লাবণ্য; ২য় শৌনক কুন্ডু;
৩য় আর্যশ্রী বিশ্বাস পৃথা। কৌতুকে ১ম সাবিক সাদত;
২য় জেরাল্ড বিশ্বাস; ৩য় মাহিরা। গল্প
বলায় ১ম রোহিনী হাসান
হৃদ্ধি; ২য় আয়েশা সিদ্দিকা;
৩য় নুসরাত তাসনিম। দেশাত্মবোধক গানে ১ম অংকিতা সরকার;
২য় মো. ইহানুর রহমান; ৩য় তোজো মণ্ডল।
নজরুল সংগীতে ১ম অরিত্রা বসাক;
২য় শ্রেয়া রায়; ৩য় অংকিতা সরকার।
রবীন্দ্রসংগীতে ১ম প্রিয়সী চক্রবর্তী;
২য় আরিশা দানীন মাহা; ৩য় শুভশ্রী সরকার।
লোকসংগীতে ১ম চিশতি রহমতুল্লাহ
সাফীন মন্ডল; ২য় আইয়ান রেজা;
৩য় মো. ইহানুর রহমান। সাধারণ নৃত্যে ১ম ঐশ্বর্য্য জিতা
স্পর্শ; ২য় নাজিফা হোসেন
(স্বাধিকা); ৩য় দীপশিখা দে।
হামদ-নাতে ১ম সুরাইয়া আক্তার;
২য় তাসবিহা আয়ান তানহা; ৩য় শুহাদা।
খ
বিভাগ : অভিনয়ে ১ম হুমায়রা আসিফা;
২য় মাহিমা জামান কথা; ৩য় মুরাদুস সালিহীন।
আধুনিক গানে ১ম রোদসী নূর
সিদ্দিকী; ২য় তুষ্মি দাস;
৩য় শ্রীতমা রায়। আবৃত্তিতে ১ম সাবিলা সুলতান
বাণী; ২য় আফিয়া সাইয়ারা
ত্বাহা; ৩য় নাহিনা বিনতে
জামান। উচ্চাঙ্গ নৃত্যে ১ম মৃনময়া পাল
ও তুলি মল্লিক (যৌথভাবে); ২য় তনুশ্রী মন্ডল;
৩য় কায়নাত বিনতে মোর্শেদ রাই। কৌতুকে ১ম দিশান রায়
দুর্জয়; ২য় এহসানুল হক;
৩য় তাসফিয়া মুনতাহা। গল্প বলায় ১ম ফাইরুজ বারী
মালিহা; ২য় সমহৃদ্ধি সূচনা
স্বর্গ; ৩য় মাহিমা জামান
কথা। দেশাত্মবোধক গানে ১ম শ্রেয়া সাহা;
২য় শ্রদ্ধা কর্মকার; ৩য় অন্বেষা বর্মন।
নজরুলসংগীতে
১ম আজমাইন আরহাম; ২য় শুভমিতা তালুকদার;
৩য় অন্বেষা বর্মন। রবীন্দ্রসংগীতে ১ম শুভমিতা তালুকদার;
২য় শ্রীতমা রায়; ৩য় অন্বেষা বর্মন।
লোকসংগীতে ১ম কুমারী রিয়া
ব্যাধ; ২য় মোঃ বাইজিদ
আহমেদ; ৩য় তানিশা ইসলাম
হিয়া। সাধারণ নৃত্যে ১ম রাওজা করিম
রোজা; ২য় রাধিকা তাছাল্লুম
রিয়ন্তি; ৩য় ইউশা শাহিরা
আনুভা। হামদ-নাতে ১ম আহনাফ আদিল;
২য় তাসনিম জাহান; ৩য় রোদসী নূর
সিদ্দিকী।
অনুষ্ঠানে
১ম স্থান অর্জনকারীকে ২ লক্ষ টাকা,
২য় স্থান অর্জনকারীকে ১ লক্ষ টাকা
এবং ৩য় স্থান অর্জনকারীকে
৫০ হাজার টাকার চেক-সহ ট্রফি ও
সনদ প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতার ক বিভাগের চ্যাম্পিয়ন
প্রিয়সী চক্রবর্তী এবং ‘খ’ বিভাগের চ্যাম্পিয়ন
শুভমিতা তালুকদার গত ১৩ নভেম্বর
প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে ৩ লক্ষ টাকার
চেক ও ট্রফি গ্রহণ
করে।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশন সচিব জাহাংগীর আলম জানিয়েছেন,ভোটে অনিয়মের ছবি প্রকাশ হওয়ায় সদ্য সমাপ্ত লক্ষ্মীপুর-৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ সংসদীয় আসনে উপ-নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গত রোববার (৫ নভেম্বর) লক্ষ্মীপুর-৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ সংসদীয় আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। ভোটে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ ওঠে। ভোটার তালিকা ত্রুটিপূর্ণ বলেও অভিযোগ করেন প্রার্থীরা।
আসনটিতে উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান আলম নৌকা প্রতীক নিয়ে ৬৬ হাজার ৩১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা কলার ছড়ি প্রতীকে পান ৩৭ হাজার ৫৫৭ ভোট।
অন্যদিকে, লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের উপনির্বাচনেও অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেন জাতীয় পার্টি ও জাকের পার্টির প্রার্থী। ভোটের দিন দুপুরে দুই প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
উপনির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক। ভোটের পরদিন গতকাল সোমবার দুপুরে সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছ বাজারে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বর্তমান নির্বাচন কমিশন দিয়ে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
এছাড়া আসনটিতে ভোটগ্রহণ চলাকালে একটি কেন্দ্রে ‘জাল ভোটের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সেখানকার একটি ভোটকেন্দ্রে একজনকে একাধিক ব্যালট পেপারে নৌকা প্রতীকে সিল মারতে দেখা যায়। গতকাল সোমবার সেই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সুষ্ঠু ভোট নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
ভাইরাল হওয়া ৫৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ভোটকক্ষে বসে এক ব্যক্তি ব্যালট পেপারে বিরামহীনভাবে নৌকা প্রতীকে সিল মারছেন। তার গলায় নৌকা প্রতীকের কার্ড ঝুলছে। এসময় ৪৩টি ব্যালটে নৌকা প্রতীকে তাকে সিল মারতে দেখা যায় তাকে।
এরপরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একাধিক সিল মারা ওই ব্যক্তির নাম আজাদ হোসেন। তিনি সদর উপজেলা দিঘলী ইউনিয়নের দক্ষিণ খাগুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নৌকার এজেন্ট হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। তবে ওই আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গোলাম ফারুক পিংকু প্রকাশ্যে নৌকায় সিল মারা আজাদকে ছাত্রশিবিরের কর্মী বলে দাবি করেন।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর একই দিনে মারা যান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার ভুঁইয়া ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শাহজাহান কামাল। তাদের মৃত্যুতে গত ৪ অক্টোবর আসন দুটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
আসনটিতে নৌকা প্রতীক নিয়ে পিংকু ১ লাখ ২০ হাজার ৫৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী মোহাম্মদ রাকিব হোসেন লাঙল প্রতীকে পান ৩ হাজার ৮৪৬ ভোট।
মন্তব্য করুন


জুলাই
রেবেলস সংগঠনের সদস্য মোহাম্মদ রেজওয়ানের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার
করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো.
মাসুম এবং মো. ফাহিম খান। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর
উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টর এলাকায় জুলাই রেবেলস সংগঠনের সদস্য মোহাম্মদ রেজওয়ানের ওপর হামলা
চালায় দুর্বৃত্তরা। আহতবস্থায় তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতাল নেওয়া হয়।
ডিএমপি
জানিয়েছে, হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য পুলিশ রাজধানীর
বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার
দিকে রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় বর্ণিত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার
করে উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশ।
মামলার
সুষ্ঠু তদন্ত এবং এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত
রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর সাভারের বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ডুবাই গেস্ট হাউস নামে এক আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ৯ নারীসহ ২২ জনকে আটক করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।
গত মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হোটেল থেকে পালানোর চেষ্টা করলে অভিযানে থাকা সদস্যরা তাদের আটক করেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ওই হোটেলটিতে দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ কার্যকলাপ চলছিল। রাতের বেলায় অচেনা মানুষদের আসা-যাওয়ায় এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। এ নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তারা।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) “জুয়েল মিঞা ” জানান, হোটেলটিতে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে এমন খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৯ নারীসহ ২২ জনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তাদের মধ্যে কেউ স্বামী-স্ত্রী হতে পারেন। যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


যেকোনো
মূল্যে দেশে নির্বাচন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি)
মিলনায়তনে বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি
যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তারেক
রহমান বলেন, “ষড়যন্ত্র থেমে নেই। দেশের কল্যাণে আমরা যদি ঐকবদ্ধ না হই তাহলে দেশ ধ্বংস
হয়ে যাবে। ষড়যন্ত্র থামানো যাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে, তাই নির্বাচন যেকোনো মূল্য
নির্বাচন হতে হবে।”
ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় উল্লেখ করে
তিনি বলেন, “গতকাল ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর যে দুষ্কৃতকারীদের
হামলা হয়েছে, গুলিবিদ্ধ সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন তিনি, এই হামলার পেছনে কারও
কোনো অসৎ উদ্দেশ্য আছে কি না ভেবে দেখতে হবে।”এ সময় তিনি কিছুদিন আগে চট্টগ্রামে
বিএনপির এক কর্মীর ওপর হামলার ঘটনাও তুলে ধরেন এবং বলেন, এসব ঘটনা ঘটিয়ে কেউ হয়তো ফায়দা
লোটার চেষ্টা করছে। অতীতের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, “অতীতে আওয়ামী
স্বৈরাচার যেভাবে দেশ পরিচালিত করেছেন, আমরা সেভাবে দেশ পরিচালিত করবো না। আমরা তার
পরিবর্তন আনবো, কল্যাণ করবো। সেজন্য এই দেশ গড়ার পরিকল্পনা আমরা আপনাদের সামনে তুলে
ধরেছি। ইনশাআল্লাহ আমরা নির্বাচিত হলে বাস্তবায়ন করবো।”
দলীয়
নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “মানুষের কাছে আমাদের যেতে হবে।
একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আপনারা মানুষের সঙ্গে মেশেন, তাদের সঙ্গে কথা বলেন। আমাদের
বসে থাকলে চলবে না।”বিএনপির দায়িত্ব ও করণীয় তুলে ধরে তারেক
রহমান বলেন, “আমাদের এখন বড় দায়িত্ব হলো বিএনপির প্রত্যেকটি পরিকল্পনা জনগণের কাছে
পৌঁছে দেওয়া। বিএনপির একজন নেতা হিসেবে, একজন কর্মী হিসেবে আমাদের পরিকল্পনাগুলো জনগণের
কাছে নিয়ে যেতে হবে। শুধু জনগণের দোরগোড়ায় নিলে হবে না, এই কাজের বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে।”
মন্তব্য করুন


আগামীকাল (২৬ নভেম্বর) রবিবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ।
এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফল হস্তান্তরের পর বেলা ১১টায় স্ব স্ব কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে একযোগে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আর এবার শিক্ষার্থীরা কলেজে না গিয়ে ঘরে বসেই ফল দেখতে পারবে।
আন্তঃশিক্ষাবোর্ড জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীরা কলেজ নোটিশ বোর্ড ছাড়াও বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে ।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল জানতে শিক্ষার্থীকে প্রথমে www.educationboardresults.gov.bd এ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।সেখানে থাকা ফলাফল অপশনে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সাবমিট করলেই শিক্ষার্থী তার রেজাল্ট শিট দেখতে পারবে।
ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে www.dhakaeducationboard.gov.bd রেজাল্ট ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।
এছাড়াও পরীক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজি অক্ষরে এইচএসসি (HSC) লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে। যেমন ঢাকা বোর্ডের একজন পরীক্ষার্থীকে- HSC DHA 123456 2023 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। সঙ্গে সঙ্গেই ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য,দেশের আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা গত ১৭ আগস্ট শুরু হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পিছিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম, মাদরাসা ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শুরু হয় ২৭ আগস্ট।
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন ১৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪২ পরীক্ষার্থী।
মন্তব্য করুন


রাজশাহীতে
ট্রায়াল দেওয়ার নামে গ্যারেজ থেকে গাড়ি নিয়ে যুবদলের এক নেতা লাপাত্তা হয়ে গেছেন বলে
অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ তুলে রোববার দুপুর ১২টায় গ্যারেজ মালিক নূর আহমেদ রাজশাহী নগরের
একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এরপর বিকেলে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি এক সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে এই নেতাকে বহিষ্কারের কথা জানিয়েছে।
অভিযুক্ত
নেতার নাম এসএম সফিক মাহমুদ তন্ময়। তিনি রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য
ছিলেন। এছাড়া দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাও ছিলেন। যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির
সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুইয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা
পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে তন্ময়কে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল
পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক
মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন। এতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতার
কোন অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না। তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য যুবদলের
সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে নির্দেশনাও দেওয়া হয় এতে।
এর
আগে সংবাদ সম্মেলনে গ্যারেজ মালিক নূর আহমেদের ভাই মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করেন, নগরের
বন্ধগেট এলাকায় তার ভাই নূর আহমদের একটি গাড়ির গ্যারেজ রয়েছে। সেখানে তিনি গাড়ি মেরামতের
কাজ করেন। পাশাপাশি পুরনো গাড়ি কেনাবেচার ব্যবসা করেন। গত ১৮ নভেম্বর বিকেলে গ্যারেজে
গাড়ি কেনার জন্য যান যুবদল নেতা তন্ময়। এ সময় তিনি গ্যারেজে থাকা একটি জিপ (ঢাকা মেট্রো
গ-০২-০৮৭০) পছন্দ করেন। ছয় লাখ টাকা দাম হয়। এরপর তন্ময় গাড়িটি ট্রায়াল দেওয়ার কথা
বলে নিয়ে যান। তারপর আর তিনি ফেরেননি। কয়েকদিন পর ফোন ধরলেও গাড়ি দিতে চাননি। মোহাম্মদ
আলী অভিযোগ করেন, তন্ময় বলেছিলেন যে তিনি যুবদল নেতা। তার কিছু করা যাবে না।
গ্যারেজ
মালিক নূর আহমেদ বলেন, ‘আমি গত ১৪ ডিসেম্বর মহানগরীর রাজপাড়া থানায় মামলা করতে যাই।
কিন্তু ওসি মামলা নেননি। আসামি প্রভাবশালী হবার কারণে আমাকে তিনি আদালতে মামলা করার
পরামর্শ দেন। পরে গত ২২ ডিসেম্বর আদালতে মামলা করি। বিষয়টি মহানগর বিএনপি এবং যুবদলের
শীর্ষ নেতাদের অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি।’
নূর
আহমেদ দাবি করেন, শহরের লক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা মো. মিজানুর রহমানের কাছ থেকে তিনি
গাড়িটি কিনে বিক্রির জন্য গ্যারেজে রেখেছিলেন। এ সংক্রান্ত চুক্তিনামা এবং বিআরটিএ’র
সমস্ত কাগজপত্রসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণাদিও তার কাছে আছে। সেই গাড়ি তন্ময় নিয়ে গেছেন। অভিযোগের
বিষয়ে জানতে চাইলে সদ্য বহিষ্কৃত যুবদল নেতা তন্ময় বলেন, ‘গাড়িটা আমার কেনা। গ্যারেজ
থেকে ট্রায়াল দেওয়ার নামে গাড়ি আনার অভিযোগ একেবারেই সত্য নয়।’
গাড়ি কেনার এফিডেফিট আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা এখনও করা হয়নি।’
দল
থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি জেনেছেন জানিয়ে তন্ময় বলেন, ‘দল তো আমাকে শোকজও করেনি। হঠাৎ
এটা দেখছি। সমস্যা নাই। আমি সঠিক আছি। সবকিছুই প্রমাণ হয়ে যাবে।’
রাজশাহী
মহানগর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শরিফুল ইসলাম জনি বলেন, ‘যারা অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত
হবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তন্ময়ের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ
সেটি জেনেছি। ইতোমধ্যে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি তাকে বহিষ্কার করেছে।’
মন্তব্য করুন


তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হোর্তা বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের তাঁর দেশে বিনিয়োগের আহবান জানিয়েছেন।
আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক এবং প্রতিনিধিদলের আলোচনার পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে রামোস-হোর্তা বলেন, আমি মনে করি আমরা বাংলাদেশ থেকে আরও পণ্য আমদানি করতে পারি এবং বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোকে তিমুর-লেস্তে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাই। আগামী বছর আমরা আসিয়ানের সদস্য হব এবং সেইসাথে ৭০০ মিলিয়ন জনগোষ্টির অঞ্চলের অংশ হয়ে উঠব। আগামী বছর তিমুর-লেস্তে ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি জিডিপি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হবে। তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন যে বাংলাদেশ তাঁর দেশের উন্নয়নে অংশীদার হবে।
রামোস-হোর্তা বলেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূস বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত নেতা, যিনি এখনও সক্রিয়ভাবে অফিসে কাজ করছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টাকে নেলসন ম্যান্ডেলা, জন এফ কেনেডি, মহাত্মা গান্ধী, ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভারের মতো বিশ্ব নেতাদের সাথে তুলনা করেন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ অত্যন্ত সৌভাগ্যবান, খুবই ভাগ্যবান যে এমন একজন নিরহঙ্কার ও বিনয়ী মানুষ দেশের নেতৃত্বে রয়েছেন। তিনি আপনাদের তরুণদের সাথে কাজ করছেন দেশের পরিববর্তনের জন্য।'
বাংলাদেশ ও তিমুর-লেস্তের জনগণের ভোগান্তির ইতিহাস প্রায় একই রকম উল্লেখ করে তিমোর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ দৃঢ়চেতা, পরিশ্রমী, সৃজনশীল ও সফল।
অধ্যাপক ইউনূসকে তার ভাই, বন্ধু ও পরামর্শক উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশ সরকারকে তাকে আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এখানে এসে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন।
সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট এবং তার সফরসঙ্গীরা গতকাল রাত ১০টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (এইচএসআইএ) অবতরণ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস তাকে গার্ড অব অনার এবং গান স্যালুটের মাধ্যমে অভ্যর্থনা জানান।
আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক এবং প্রতিনিধিদলের আলোচনার পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে রামোস-হোর্তা বলেন, আমি মনে করি আমরা বাংলাদেশ থেকে আরও পণ্য আমদানি করতে পারি এবং বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোকে তিমুর-লেস্তে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাই। আগামী বছর আমরা আসিয়ানের সদস্য হব এবং সেইসাথে ৭০০ মিলিয়ন জনগোষ্টির অঞ্চলের অংশ হয়ে উঠব। আগামী বছর তিমুর-লেস্তে ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি জিডিপি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হবে। তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন যে বাংলাদেশ তাঁর দেশের উন্নয়নে অংশীদার হবে।
রামোস-হোর্তা বলেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূস বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত নেতা, যিনি এখনও সক্রিয়ভাবে অফিসে কাজ করছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টাকে নেলসন ম্যান্ডেলা, জন এফ কেনেডি, মহাত্মা গান্ধী, ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভারের মতো বিশ্ব নেতাদের সাথে তুলনা করেন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ অত্যন্ত সৌভাগ্যবান, খুবই ভাগ্যবান যে এমন একজন নিরহঙ্কার ও বিনয়ী মানুষ দেশের নেতৃত্বে রয়েছেন। তিনি আপনাদের তরুণদের সাথে কাজ করছেন দেশের পরিববর্তনের জন্য।'
বাংলাদেশ ও তিমুর-লেস্তের জনগণের ভোগান্তির ইতিহাস প্রায় একই রকম উল্লেখ করে তিমোর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ দৃঢ়চেতা, পরিশ্রমী, সৃজনশীল ও সফল।
অধ্যাপক ইউনূসকে তার ভাই, বন্ধু ও পরামর্শক উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশ সরকারকে তাকে আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এখানে এসে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন।
সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিমুর-লেস্তের প্রেসিডেন্ট এবং তার সফরসঙ্গীরা গতকাল রাত ১০টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (এইচএসআইএ) অবতরণ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস তাকে গার্ড অব অনার এবং গান স্যালুটের মাধ্যমে অভ্যর্থনা জানান।
মন্তব্য করুন


জুলাই
গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে পোস্টার ও পোস্টকার্ড প্রকাশ করেছে তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়।
তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে আজ রোববার (১৩ জুলাই) পোস্টার ও পোস্টকার্ড প্রকাশ
কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম। প্রকাশিত ১০টি পোস্টারের সবগুলোই
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক।
পোস্টার
ও পোস্টকার্ড প্রকাশ অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
পোস্টকার্ড 'নোটস্ অন জুলাই'-এ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
উপদেষ্টা
আশা প্রকাশ করে বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষ পোস্টকার্ডে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-সম্পর্কিত
স্মৃতি ও মতামত প্রদান করবেন। এসব পোস্টকার্ড গুরুত্বসহকারে সংরক্ষণ করা হবে।
জুলাই
গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন দপ্তর-সংস্থার
কার্যক্রম চলমান উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়নের
পাশাপাশি মন্ত্রণালয় নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে
তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
মাঠপর্যায়ে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জেলা তথ্য অফিসসমূহ
প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, পোস্টার বিতরণ ও প্রদর্শনসহ অন্যান্য কার্যক্রম বাস্তবায়ন
করছে। তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির সকল কার্যক্রম যথাসময়ে বাস্তবায়নের ওপর
গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা ও মন্ত্রণালয়ের
দপ্তর-সংস্থার প্রধানগণ।
(সূত্র-বাসস)
মন্তব্য করুন