

দেশে
২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা) হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গে মারা গেছে ৭৩০
জন এবং নিশ্চিত হামে ৯৫ জন। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২৫।
সোমবার
(২৭ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে
জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই
সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।
স্বাস্থ্য
অধিদফতরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত
হয়েছে ১ হাজার ১০৫টি শিশু।
গত
১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট এক লাখ ৭ হাজার ৬৫৪
রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র
পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৪৬৭ জন।
মন্তব্য করুন


সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছরে উন্নীতকরণ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
বুধবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব মো. সাজজাদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান চাকরিতে প্রবেশের বয়সীমা ৩৫ এবং অবসরের বয়সবৃদ্ধির দাবি জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আবেদন করেন।
আর তখন করা সেই আবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, এ বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিধির সম্পৃক্ততা থাকায় সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।
মন্তব্য করুন


কোনো
বিয়ে সাজের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকে, আবার কোনোটি সংগীতের জন্য। তবে ভারতের কেরালার চাঙ্গানাসেরি
শহরের একটি বিয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এক ভিন্ন কারণে।
ফুল,
সাজসজ্জা কিংবা সংগীত নয়, বরং বিয়ের প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় যমজদের উপস্থিতির
কারণে এই বিয়ে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।
বৃহস্পতিবার
চাঙ্গানাসেরি মেট্রোপলিটন চার্চে অনুষ্ঠিত যমজ দুই ভাইয়ের সঙ্গে যমজ দুই বোনের বিয়েতে
আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন যমজ দুই পুরোহিত। শুধু তা-ই নয়, তাদের সহায়তায় ছিলেন আরো
এক জোড়া যমজ সহকারী।
এক
প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, গত বৃহস্পতিবার কেরালার চাঙ্গানাসেরি মেট্রোপলিটন
চার্চে বর্ণাঢ্য এই বিয়ের আয়োজন করা হয়।
এদিন
অখিল কে থমাসের সঙ্গে বিয়ে হয় ম্যাগি মেরি থমাসের এবং অখিলের যমজ ভাই নিখিলকে থমাসের
সঙ্গে বিয়ে হয় ম্যাগির যমজ বোন মারিয়া মেরি থমাসের।
বিয়ের
প্রতিটি আয়োজনে যমজদের অংশগ্রহণ কোনো কাকতালীয় ঘটনা ছিল না। যমজ বোনেরা নিজেরাই যমজ
পুরোহিতদের সন্ধান করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত কোঠানাল্লুরের একটি গির্জায় তাদের খুঁজে পান।
দুই
পরিবারের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের ফসল ছিল এই অনন্য বিবাহ অনুষ্ঠান। পেশাগত জীবনে বর অখিল
ও নিখিল মার্চেন্ট নেভিতে কর্মরত এবং কনেরা কাজ করছেন আইটি খাতে।
ম্যাগি
ও মারিয়া বলেন, ‘শৈশব থেকেই আমাদের স্বপ্ন ছিল, যমজ ভাইদেরই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে
নেওয়ার। আমাদের পরিবারও সেটাই চেয়েছিল। যিশু খ্রিস্ট সেই স্বপ্ন পূরণ করেছেন।
বিয়েটিকে
আরো স্মরণীয় করে তুলতে কনেপক্ষ উদ্যোগ নিয়ে খুঁজে বের করেন যমজ দুই যাজক। তারা হলেন
ফাদার আন্তো পেজুমকাটিল ও ফাদার আজো পেজুমকাটিল। আনন্দের সঙ্গে এই বিয়ে পড়াতে রাজি
হন তারা। এ সময় বেদীতে তাদের সহযোগিতায় ছিলেন জেরন জেমস ও জোহন জেমস নামের আরও দুই
যমজ ভাই।
যমজ
পুরোহিতরা জানান, এমন বিশেষ কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা তাদের জীবনে
এই প্রথম। এটি সারা জীবন তাদের মনে থাকবে। একই সঙ্গে পুরো আয়োজনে যমজদের এমন মেলবন্ধন
উপস্থিত অতিথিদের মধ্যেও বেশ কৌতূহল ও আনন্দের সৃষ্টি করে।
মন্তব্য করুন


গাইবান্ধার
গোবিন্দগঞ্জে সাবেক স্ত্রীকে পুনরায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার
আসামি আল আমিনকে (২৪) ঢাকার আশুলিয়া থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন
(র্যাব)। গ্রেফতারকৃত আমিন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার জগন্নাথপুর এলাকার শাহজাহান আলীর ছেলে।
সোমবার
দুপুরে র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার
গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে, গত ২৩ মে বিকেলে
ঢাকার আশুলিয়া থানার কাঠগড়া বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর ভুক্তভোগীর সঙ্গে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক
আল আমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তিনি যৌতুকের দাবিতে ভুক্তভোগীর ওপর বিভিন্নভাবে
শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। ভুক্তভোগীর পরিবার যৌতুক দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে
২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর আল আমিন একতরফাভাবে ভুক্তভোগীকে তালাক দেন।
বিচ্ছেদের
কিছুদিন পর নিজের ভুল বুঝতে পেরে আল আমিন পুনরায় বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ভুক্তভোগীর সঙ্গে
যোগাযোগ শুরু করেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এর
ধারাবাহিকতায়, বিয়ের আশ্বাসে ভুক্তভোগীকে মামলার আরেক আসামি খালার বাসায় নিয়ে গিয়ে
তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে ভুক্তভোগী বিয়ের
জন্য চাপ দিলে আল আমিন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। এ ঘটনায় গত ৫ মে ভুক্তভোগী বাদী
হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে
আরও বলা হয়, ঘটনার পর গ্রেফতার এড়াতে আসামিরা আত্মগোপনে ছিলেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায়
র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৩ মে বিকেল সোয়া ৪টার
দিকে র্যাব-১৩ সিপিসি-৩ গাইবান্ধা এবং র্যাব-৪ সিপিসি-২ নবীনগরের (সাভার) যৌথ আভিযানিক
দল আশুলিয়ার কাঠগড়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আল আমিনকে গ্রেফতার করে।
পরবর্তী
আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতার আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নিখোঁজের দীর্ঘ ১৮ বছর পর নিজের ভিটেমাটিতে ফিরেছেন আলমগীর হাওলাদার। কিন্তু যে ঘরে ফেরার স্বপ্ন তিনি এতদিন বুকে লালন করেছেন, সেখানে নেই তার অপেক্ষায় থাকা বাবা-মা। নেই স্ত্রী, নেই সেই ছোট্ট মেয়েটিও যাকে কোলে নিয়ে তিনি একদিন জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় পাড়ি জমিয়েছিলেন।
আলমগীর
হাওলাদারের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট টেংরা গ্রামে।
তার বাবার নাম মৃত সিকান্দার আলী হাওলাদার।
স্থানীয়
ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে অভাবের তাড়নায় স্ত্রী আমেনা বেগম ও ছোট মেয়ে
খাদিজা কে নিয়ে ঢাকায় চলে যান আলমগীর। সেখানে তিনি দৈনিক শ্রমিকের কাজ করতেন, আর তার
স্ত্রী কাজ করতেন একটি গার্মেন্টেস-এ। সংসারের চাকা সচল রাখতে ব্যস্ত থাকা আলমগীরের
জীবনেই নেমে আসে এক অন্ধকার অধ্যায়।
২০০৮
সালের নভেম্বর মাসের একদিন ঢাকার পোস্তগোলা এলাকায় কাজের সন্ধানে বের হলে একটি অপহরণকারী
চক্র তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। গাড়িতে ওঠানোর পর তার হাত-পা ও চোখ বেঁধে ফেলা
হয়। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় অজ্ঞাত একটি স্থানে উঁচু দেয়ালঘেরা একটি প্রতিষ্ঠানে।
আলমগীরের
দাবি, সেখানে তার মতো আরও প্রায় ৩০ জন মানুষ ছিলেন। তাদের দিয়ে প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম
করানো হতো, কিন্তু কোনো বেতন বা ভাতা দেওয়া হতো না। পর্যাপ্ত খাবারও দেওয়া হতো না।
ভালো খাবার বলতে মাঝে মাঝে ডাল (পাতলা ঝোল) ও আলু ভর্তাই ছিল তাদের ভরসা। এভাবেই কেটে
যায় তার জীবনের ১৮টি বছর।
এদিকে
দীর্ঘদিন খোঁজ করেও আলমগীরের সন্ধান না পেয়ে তার স্ত্রী আমেনা বেগম অন্যত্র বিয়ে করে
নতুন সংসার শুরু করেন। একমাত্র মেয়ে খাদিজা বেগম বাবার অনুপস্থিতিতে নানা মানুষের বাড়িতে
ঝি এর কাজ করে বড় হয়েছেন। পরে তারও বিয়ে হয়ে গেছে। কোথায় বিয়ে হয়েছে, তা-ও জানেন না
আলমগীর।
সন্তানের
অপেক্ষায় থাকতে থাকতে পাঁচ বছর আগে মারা যান আলমগীরের বাবা-মা। ছেলের ফিরে আসার খবর
তারা আর শুনতে পারেননি। বর্তমানে আলমগীরের সংসারে রয়েছেন শুধু এক ভাই, তিনিও নিজের
পরিবার নিয়ে ব্যস্ত। দীর্ঘ নির্যাতন ও মানসিক আঘাতে গ্রামের বাড়িতে ফেরার পর আলমগীর
বেশিরভাগ সময় নীরব থাকেন। তাকে দেখে মনে হয়, তিনি যেন হারিয়ে ফেলেছেন স্বাভাবিক জীবনের
অনেক কিছুই।
সদ্য
বাড়ি ফেরা আলমগীরের ভাষ্য, গত ২৮ জুলাই গভীর রাতে ঢাকার পোস্তগোলা ব্রিজের পাশে আলমগীরসহ
৩০ জনকে চোখ বাঁধা অবস্থায় ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। সকালে তারা যে যার মতো বিভিন্ন স্থানে
চলে যান। আলমগীরের পকেটে কোনো টাকা না থাকায় রাস্তায় ঘুরতে থাকা এক ব্যক্তি এক দিনের
জন্য বালুর জাহাজে ৫০০ টাকা মজুরিতে কাজ দেন। সেই টাকা দিয়েই কোনো রকমে তিনি ফিরে আসেন
নিজের জন্মভূমি পাথরঘাটায়।
২৯
জুলাই বাড়িতে পৌঁছালে স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীর মধ্যে সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিস্থিতি।
দীর্ঘদিন পর হারিয়ে যাওয়া মানুষকে ফিরে পেয়ে অনেকে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।
কীভাবে
ছাড়া পেলেন প্রশ্নের জবাবে আলমগীর দাবি করেন, সরকার পরিবর্তনের পর সম্ভবত অপহরণকারীরা
নিজেদের বাঁচাতে ভয় পেয়ে আমাদের ছেড়ে দিয়েছে।
এদিকে
আলমগীরকে মৃত ভেবে তার পরিবার ও এলাকাবাসী বিভিন্ন সময় মিলাদ, দোয়া মাহফিল এবং মসজিদে
দোয়ার আয়োজন করেছিলেন। এমনকি তার স্মরণে কাঙালি ভোজেরও আয়োজন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে
এলাকাবাসী।
বিএনপির
সাবেক উপজেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান সাহেদ জানান, প্রায় ১৮ বছর তিনি নিখোঁজ
ছিলেন। তাকে মৃত ভেবে বিভিন্ন সময় দোয়া মাহফিলের আয়োজনও করা হয়েছে। সম্প্রতি বাড়ি
ফিরে আসার খবরে সবাই খুশি হয়েছেন। তিনি দাবি করছেন তাকে আটকে রেখে জোরপূর্বক পরিশ্রমের
কাজ করানো হয়েছিল। তিনি ফিরে আসার পর আমরা তাকে পাথরঘাটা হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি।
চিকিৎসা শেষে তাকে আজ (শুক্রবার) বাড়ি পৌঁছে দিয়েছি।
মন্তব্য করুন


অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে শেকড় সন্ধানী লেখক, সাংবাদিক ও সংগঠক শরীফ প্রধান-এর বই ‘শিক্ষানবিশ সাংবাদিকতা’। বইটি প্রকাশ করেছে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান 'প্রতিভা প্রকাশ। গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিষয়ক বইটির প্রচ্ছদ করেছেন শাহাদাত শিবলী। মুদ্রিত মূল্য রাখা হয়েছে ৪৫০ টাকা। বই মেলার- ৩২৭,৩২৮ ও ৩২৯ নং স্টলে পাওয়া যাচ্ছে বইটি।
গণমাধ্যম পেশায় আগত নবীন ও শিক্ষানবিশদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সহায়ক হবে। বইটির মাধ্যমে সাংবাদিকতার প্রাথমিক বিষয় সম্পর্কে নবীনরা চমৎকার ধারণা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন লেখক।
বই মেলার প্রথম দিন থেকেই প্রতিভা প্রকাশনার - ৩২৭, ৩২৮, ৩২৯ নং স্টলে বইটি পাওয়া যাবে। এছাড়াও অর্ডার করতে পারবেন রকমারি, বইফেরী, বাতিঘর, প্রথমা, বই বাজার, বিডি বুকস, ই-বইঘর, পাঠক পয়েন্ট, বইয়ের দুনিয়া, বইসদাই, বই প্রহরসহ যে কোনো অনলাইন বুকশপে।
শরীফ প্রধান বর্তমানে দৈনিক ইত্তেফাক-পত্রিকায় কাজ করছেন। এই বইটি লেখকের ৩য় প্রকাশিত গ্রন্থ। এর আগে, আঞ্চলিক ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংবাদপত্রে প্রকাশিত উন্নয়নমূলক প্রতিবেদন নিয়ে ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয় "পজিটিভ দাউদকান্দি" নামে বই এবং তথ্য গবেষণা ও আঞ্চলিক বংশ ভিত্তিক ইতিহাসের বই "কাদিয়ারভাঙ্গা প্রধান বংশের ইতিকথা" নামের বইটি লেখকের প্রথম প্রতাশিত গ্রন্থ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
শিক্ষা খাতের সার্বিক উন্নয়নে ইউনেস্কো ও ইউনিসেফ থেকে ৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের
অর্থায়ন অনুমোদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থায় গতি আনতে এক লাখের বেশি নতুন
শিক্ষক নিয়োগের সুসংবাদ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম
এহছানুল হক মিলন ।
বৃহস্পতিবার
(২ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইউনেস্কো আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি
জোড়া এই সুখবর দেন।
শিক্ষামন্ত্রী
জানান, গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর অ্যাডুকেশনের (জিপিই) আওতায় অনুমোদিত এই বিশাল অঙ্কের
অর্থায়ন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার রূপান্তরে সরাসরি ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি শিক্ষক সংকট
দূর করতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক এবং বেসরকারি এমপিওভুক্ত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক-প্রভাষক নিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে
সরকার।
প্রাথমিকে
প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে তিনি জানান, আপিল বিভাগ সরকারের আপিল গ্রহণ করে রায় ঘোষণা
করায় এই ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক নিয়োগের দীর্ঘদিনের আইনি বাধা পুরোপুরি কেটে
গেছে। এর সাথে ৭০ হাজার এমপিওভুক্ত শিক্ষক যুক্ত হলে দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে তা এক যুগান্তকারী
পরিবর্তন আনবে।
অনুষ্ঠানে
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি
হাজ্জাজসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই আন্তর্জাতিক অর্থায়ন এবং মেগা
নিয়োগের উদ্যোগ দেশের শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে।
মন্তব্য করুন


জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভা শেষে আজ শনিবার
(২৪ মে) উপদেষ্টা পরিষদের এক অনির্ধারিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত বৈঠকে অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের ওপর অর্পিত তিনটি প্রধান দায়িত্ব (নির্বাচন, সংস্কার ও বিচার) বিষয়ে বিস্তারিত
আলোচনা হয়।
এ নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ এক বিবৃতি দিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে রাজধানীর
শের-ই-বাংলা নগর এলাকায় পরিকল্পনা কমিশনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এসব দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের
অযৌক্তিক দাবি দাওয়া, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও এখতিয়ার বহির্ভূত বক্তব্য এবং কর্মসূচি দিয়ে
যেভাবে স্বাভাবিক কাজের পরিবেশ বাধাগ্রস্ত করে তোলা হচ্ছে এবং জনমনে সংশয় ও সন্দেহ
সৃষ্টি করা হচ্ছে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বৈঠকে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশকে স্থিতিশীল
রাখতে, নির্বাচন, বিচার ও সংস্কার কাজ এগিয়ে নিতে এবং চিরতরে এদেশে স্বৈরাচারের আগমন
প্রতিহত করতে বৃহত্তর ঐক্য প্রয়োজন বলে মনে করে উপদেষ্টা পরিষদ।
এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর
বক্তব্য শুনবে এবং সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করবে।
শত বাধার মাঝেও গোষ্ঠীস্বার্থকে উপেক্ষা
করে অন্তর্বর্তী সরকার তার ওপর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। যদি পরাজিত শক্তির ইন্ধনে
এবং বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সরকারের ওপর আরোপিত দায়িত্ব পালনকে অসম্ভব করে তোলা
হয়, তবে সরকার সকল কারণ জনসমক্ষে উত্থাপন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। অন্তর্বর্তীকালীন
সরকার জুলাই অভ্যুত্থানের জনপ্রত্যাশাকে ধারণ করে। কিন্তু সরকারের স্বকীয়তা, সংস্কার
উদ্যোগ, বিচার প্রক্রিয়া, সুষ্ঠু নির্বাচন ও স্বাভাবিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে
এমন কর্মকাণ্ড অর্পিত দায়িত্ব পালন করাকে অসম্ভব করে তুললে সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে
প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
মন্তব্য করুন


দেশের
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা ও মহানগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং
সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকাতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য
মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
রবিবার
(২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-২ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে সংশ্লিষ্ট
জেলা প্রশাসকদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে
বলা হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল,
শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে
বলে আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং জানমালের ব্যাপক
ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ
অবস্থায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার
স্বার্থে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুর মহানগর এলাকা, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর
জেলায় ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের
জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের চাহিদার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়েছে।
চিঠির
সঙ্গে ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পাঠানো সেনা মোতায়েন সংক্রান্ত
চাহিদাপত্রও সংযুক্ত করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলোর কর্মসূচিকে
কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি
সেনাবাহিনীকে মাঠে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সেনাসদস্যরা বেসামরিক প্রশাসনকে
সহায়তার অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
মন্তব্য করুন


কার্যক্রম
নিষিদ্ধঘোষিত দল হিসেবে আওয়ামী লীগের কোনো তৎপরতা চালানোর ‘মুরোদ নেই’
বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ৫ আগস্টকে কেন্দ্র
করে দলটির মাঠে নামার ক্ষমতা নেই, তারা কেবল বিদেশ থেকে মাঝেমধ্যে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে।
সোমবার
(৩ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের
সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্পষ্ট করেন, ৫ আগস্ট উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য আলাদা কোনো বিশেষ নির্দেশনা
নেই; পুলিশ স্বাভাবিক নিয়মেই তাদের নিয়মিত কার্যক্রম ও নিরাপত্তা বজায় রাখবে।
একই
বৈঠকে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, দুবাইয়ের আদালত
থেকে বেনজীরকে শর্তসাপেক্ষ জামিন দেওয়া হলেও তাঁর দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার তাঁর জামিন বাতিল করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে দুবাইয়ে বিশেষ ল’
ফার্ম নিয়োগ করেছে।
এ
ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক বোমা আতঙ্কের বিষয়টি উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, এসব ঘটনা বা বোমা উদ্ধারের মধ্যে কোনো যৌথ সংযোগ আছে কি না তা গুরুত্বের সাথে
খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ নিয়ে দেশবাসীকে শঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


রমজান মাসে লোডশেডিং না
দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ৪ কার্গো অতিরিক্ত এলএনজি আমদানির করা হচ্ছে
বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
রবিবার (২ মার্চ) আসরের নামাজের পর রাজধানীর সার্কিট হাউজ জামে
মসজিদের সামনে সাংবাদিকদের উপদেষ্টা বলেন, রমজানে ৪ কার্গো অতিরিক্ত এলএনজি
আমদানির উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা আশা করছি রমজান মাসে ইনশাআল্লাহ কোনো লোডশেডিং হবে
না।
তিনি বলেন, আমাদের যে গ্যাস ছিল সেই গ্যাস ফুরিয়ে যাচ্ছে। আমরা
বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার করে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানি করছি। এবারের রোজা কিছুটা
গরমের মধ্যে পড়ছে। এ সময় আমাদের সেচের জন্য অনেক বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়। বিদ্যুতের
চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। শীতকালে আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা থাকে ৯ থেকে ১০ হাজার
মেগাওয়াট। সেচ ও গরমের কারণে এই বিদুতের চাহিদা গরমে ১৭ থেকে ১৮ হাজার মেগাওয়াট
হয়ে যায়। এর মধ্যে দুই হাজার মেগাওয়াট লাগে আমাদের সেচ কাজে। কিন্তু সেচ বন্ধ
করা যাবে না। সেচ বন্ধ হলে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হব।
বিদ্যুৎ চুরির বিষয়ে উপদেষ্টার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুধু
যে বিদ্যুৎ চুরি হয় তা নয়, গ্যাসও চুরি হয়। সেজন্য আমরা অবৈধ গ্যাস সংযোগ
বিচ্ছিন্ন করছি। বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ব্যবস্থা নিচ্ছি।
উপদেষ্টা বলেন, শীততাপ
নিয়ন্ত্রণ এবং অতিরিক্ত আলোকসজ্জ্বার জন্য ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লাগে।
এজন্য আমরা ইমাম সাহেব এবং মুসল্লিদের মাধ্যমে সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছি এসির
তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি রাখার জন্য। এই ২৫ ডিগ্রি বেশ ভালো তাপমাত্রা। এ তাপমাত্রায়
মানুষ খুব আরামে ইবাদাত করতে পারবে। জুয়েলারি শপেও যেন অতিরিক্ত আলোকসজ্জ্বা না করা হয়। এজন্য আমি
এবং আমার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের সহকর্মীরা সবার কাছে যাচ্ছি।
মন্তব্য করুন