

খাল
খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী ১৪ জুন কক্সবাজার সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান।
বুধবার
(৩ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।
বৈঠকে
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) বাঁধ এলাকার দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা সমস্যা এবং তা থেকে
উত্তরণের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সিটি কর্পোরেশনের কাছে ডিএনডি বাঁধ হস্তান্তরের
বিষয়টি তুলে ধরে পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, ডিএনডি বাঁধ এলাকায় দীর্ঘদিনের একটা জলাবদ্ধতা
ছিল এবং এখনও এই সমস্যা অনেকাংশে রয়ে গেছে। ২০১৬ সালে এ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প হাতে
নেওয়া হয়েছিল, যা ২০২৪ সালে এসে শেষ হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এই প্রকল্পের সুফল এখন
পর্যন্ত সাধারণ মানুষ খুব একটা পাচ্ছে না, যার কারণে এখনও জলাবদ্ধতা লেগেই আছে।
জলাবদ্ধতার
স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আজ প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ সভা আহ্বান করেছিলেন উল্লেখ করে
মন্ত্রী বলেন, আজকের বৈঠকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের
সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সবার সম্মিলিত আলোচনায় আমরা এই সিদ্ধান্তে
উপনীত হয়েছি যে, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সমাপ্ত করা প্রজেক্টটি আগামী দুই সপ্তাহের
মধ্যে সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তিনি
আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় এবং সবার সম্মিলিত উদ্যোগে
এবার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাবে। জলাবদ্ধতা দূর করার পাশাপাশি এলাকার বর্জ্য অপসারণ
ও বর্জ্যমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টিও সিটি কর্পোরেশন সরাসরি তদারকি করবে। সবকিছু
মিলিয়ে এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি আলোচনা হয়েছে।
ডিএনডি
এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার আরও উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে শহীদ উদ্দিন
চৌধুরী এ্যানী বলেন, এই এলাকায় আরও ৩০ কিলোমিটার নতুন ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নত করার
বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে আনা হয়েছে।
খুব
শিগগিরই এই প্রকল্পের কাজ শুরু করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জনগণকে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার
হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
মন্তব্য করুন


১১তম
ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে রাতে মিশর যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাত ১টায় তিনি কায়রোর
উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সম-সাময়িক
ইস্যুতে ব্রিফিংকালে এ কথা জানান উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
ব্রিফিংয়ে
উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম ও সিনিয়র সহকারী
প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ।
উপ-প্রেস
সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন,
বাংলাদেশ ছাড়াও আরও কয়েকটি দেশের সরকার প্রধান এতে যোগ দেবেন। এর মধ্যে রয়েছে
ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান।
মালয়েশিয়ার শিক্ষামন্ত্রী ও নাইজেরিয়ার একজন উচ্চপস্থ কর্মকর্তা প্রতিনিধিত্ব
করবেন। ইনভেস্টিং
ইন ইয়ুথ অ্যান্ড সাপোর্টিং স্মল মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজ, শেপিং টুমরো'স ইকোনমি’ সম্মেলন
ভবিষ্যতের অর্থনীতির জন্য যুব ও এমএসএমই ইস্যুতে সংস্থাটির গুরুত্বকে তুলে ধরে।
এজন্য এই সম্মেলন বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের তরুণদের নিয়ে বৈশ্বিক
সস্মেলনে কাজ করতে তিনি সেখানে যাচ্ছেন। এসএমই ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কীভাবে কাজে
লাগানো যায়, সেই
বিষয়গুলো এখানে আলোচনা হবে।
সম্মেলনে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, তুরস্কের
প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান,
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং মিশরের
প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি উপস্থিত থাকার কথা।
ডি-৮
অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন,
যা ডেভেলপিং-৮ নামেও পরিচিত। সংস্থাটি বাংলাদেশ, মিশর,
ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান
এবং তুরস্কের মধ্যে পারস্পরিক উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রতিষ্ঠিত। কায়রোতে
অনুষ্ঠিতব্য ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘ইনভেস্টিং ইন ইয়ুথ অ্যান্ড সাপোর্টিং স্মল মিডিয়াম
এন্টারপ্রাইজ, শেপিং
টুমরোস ইকোনমি’।
মন্তব্য করুন


আজ
(৩০ জানুয়ারি) বিকালে বসছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। একাদশ জাতীয় সংসদের
মেয়াদ শেষ হয়েছে গতকাল (২৯ জানুয়ারি)।
রাষ্ট্রপতির
ভাষণের মধ্য দিয়ে বিকেল ৩টায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হবে।
সংখ্যাগরিষ্ঠ
দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বর্তমান স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ও ডেপুটি স্পিকার শামসুল
হক টুকুকে একই পদে মনোনীত করেছে। ফলে তারা আবারও নির্বাচিত হবেন। সংসদ নেতা হিসেবে
নির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর উপনেতা মতিয়া চৌধুরী। বিরোধী দলীয় নেতা
হয়েছেন জাতীয় পার্টির জি এম কাদের ও উপনেতা আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
অধিবেশনের
প্রথম দিনেই রাষ্ট্রপতি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন বলে জানিয়েছে
সংসদ সচিবালয়। এরপর নতুন সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রথমবারের মত ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি
মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। পরে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর সাধারণ
আলোচনায় অংশ নেবেন সদস্যরা।
সংসদে
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদীয় কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠক হবে। এতে
অধিবেশনের কার্যকাল ও আলোচ্যসূচি ঠিক করা হবে।
প্রথম
অধিবেশন সংসদ থেকে সরাসরি দেখার জন্য বিদেশি কূটনীতিকসহ বিশিষ্টজনদের আমন্ত্রণ জানানো
হয়েছে।
এদিকে
সংসদ ভবন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নিরাপত্তা
কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়, সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে
পিজিআরের শব কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ
রোববার দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, 'একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে আমি জনগণের বিশ্বাস এবং ভালোবাসার ওপর
আমার আস্থা ও নির্ভরতা বজায় রাখতে চাই। সুতরাং, নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকার প্রধানকে
জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়। নিরাপত্তা কৌশল এমনভাবে বিন্যাস করা জরুরি জনগণ যেন নিজেদেরকে
সরকার প্রধান থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না করেন। সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য আমি
আপনাদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানাই।'
তিনি
বলেন, 'বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে বিশেষভাবে নির্বাচিত ও প্রশিক্ষিত সদস্যরা এই রেজিমেন্টে
দায়িত্ব পালনের জন্য যথানিয়মে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। অর্থাৎ, প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট
সেনাবাহিনীরই অধীন একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। সুতরাং, পেশাদারত্ব, আনুগত্য ও শৃংঙ্খলার
সমন্বয়ে পিজিআর সদস্যরা নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথারীতি পালন করবেন এটিই বিধিবদ্ধ
নিয়ম। আপনাদের কার্যক্রমের মাধ্যমেই পিজিআরের দক্ষতা ও একনিষ্ঠতা ফুটে উঠবে এটি আমার
প্রত্যাশা।'
পিজিআরের
কাজটি অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এর কারণ রাষ্ট্র ঘোষিত অতি
গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার
দায়িত্ব পালন করাও আপনাদের অন্যতম কর্তব্য। এ দায়িত্ব পালনে আপনাদের নানারকমের পরিস্থিতির
মুখোমুখি হতে হয়। এসব দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আপনাদের বিশ্বস্ততা, দায়িত্ববোধ ও কর্তব্যপরায়ণতা
আপনাদের নিঃসন্দেহে একটি সুশৃংঙ্খল বাহিনী হিসেবে পরিচিত করেছে।'
সুশৃঙ্খলতার
স্বীকৃতিস্বরূপ পিজিআর চলতি বছর 'ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড' পুরস্কারের জন্য মনোনিত হয়েছে
উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, 'একটি বাহিনী হিসেবে এটি অবশ্যই আপনাদের
জন্য অত্যন্ত গৌরবের। এই সাফল্যের জন্য আমি আপনাদের আবারও অভিনন্দন জানাই। যেকোনো প্রতিকূল
পরিস্থিতিতেও আপনাদের ইস্পাত কঠিন দায়িত্ববোধ অবশ্যই প্রশংসনীয়।'
সশস্ত্র
বাহিনীকে জনগণের সাহস এবং একটি দেশের গৌরবের প্রতীক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর সাহসী ভূমিকা সেনাবাহিনীকে
বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাসের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ও অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে ফেলেছে।'
তিনি
বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, সশস্ত্র বাহিনী যদি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ থেকে কঠোর নিয়মানুবর্তিতা
অনুসরণ ও পেশাদারত্ব বজায় রাখে তাহলে দেশের সার্বভৌমত্ব আর কখনোই হুমকির মুখে পড়বে
না।'
পিজিআরের
প্রতি প্রত্যাশা রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি আশা করব, পিজিআরের মতো বিশেষায়িত বাহিনীর
সর্বোচ্চ সফলতার জন্য আধুনিক নিরাপত্তা কৌশল ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি
প্রতিটি সদস্যের সাহস, সততা, বিশ্বস্ততা, সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, নিয়মানুবর্তিতা এবং
সর্বোপরি "চেইন অব কমান্ড" অনুসরণ কঠোরভাবে মেনে চলা অপরিহার্য।'
একটি
বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে সাহস, দক্ষতা, কৌশল ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে পিজিআরেরও পিছিয়ে
থাকার সুযোগ নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'যেকোনো বাহিনীর সামনে প্রচলিত চ্যালেঞ্জের
বাইরেও বর্তমানে আর্থ-সামাজিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ বিকাশের
ফলে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। তাইতো সাইবার যুদ্ধ, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার,
ড্রোন যুদ্ধ কিংবা তথ্যযুদ্ধ এসব নতুন নতুন ক্ষেত্রগুলো উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।'
তিনি
বলেন, 'এসব বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শুধুমাত্র পিজিআরই নয় প্রতিটি বাহিনীকেই
আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা জরুরি।'
তারেক
রহমান বলেন, 'সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি পিজিআর কিংবা এসএসএফের মতো সফিস্টিকেটেড বাহিনীগুলোকে
সরকার আরও আধুনিকায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে যথানিয়মে পদক্ষেপ গ্রহণ করা
হচ্ছে।'
বক্তব্যের
শুরুতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'রাষ্ট্রপতি
এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তায় ১৯৭৫ সালের এইদিনে প্রথমে 'রাষ্ট্রপতির
দেহরক্ষী ইউনিট’ নামে একটি নতুন রেজিমেন্ট আত্মপ্রকাশ
করেছিল। পরবর্তীতে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর
জেনারেল জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর 'রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী ইউনিট'কে 'প্রেসিডেন্ট
গার্ড রেজিমেন্ট' হিসেবে নামকরণ করেন। নতুন এ নামকরণ রেজিমেন্টের কার্যক্রমকে আরও দৃঢ়
ও গতিশীল করতে ইতিবাচক প্রভাব রাখে।'
পিজিআরের
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে নিজের জীবনের সবচেয়ে শোকাবহ এবং হৃদয় বিদারক ঘটনার কথা
তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমার পিতা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর
রহমানের শাহাদাতের কথা মনে পড়ছে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে প্রেসিডেন্ট
জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বরণের সময় কর্তব্য পালনরত পিজিআরের কয়েকজন সদস্যও শহীদ হয়েছিলেন।
আজকের এই বিশেষ দিনে আমি পিজিআরের সেই শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। আল্লাহর দরবারে
তাদের মাগফিরাত কামনা করছি।'
তিনি
বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় তাদের নির্মম মৃত্যুর মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের নিরাপত্তার
প্রতি অটল আনুগত্য, কর্তব্যপরায়ণতা এবং জীবন উৎসর্গের যে চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত উপস্থাপিত
হয়েছে এটি অবশ্যই পিজিআরের সদস্যদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানে
যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন। তিনি পিজিআর সদর
দপ্তরে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এসময় তিনি চট্টগ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের
সঙ্গে শহীদ হওয়া পাঁচ পিজিআর সদস্যের পরিবারের খোঁজ নেন এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময়
করেন।
উল্লেখ্য,
প্রতি বছর ৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়। ১৯৭৫
সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা ও প্রটোকল নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত
এই বাহিনী গঠিত হয়। ঢাকা সেনানিবাসে পিজিআর সদর দপ্তরে বার্ষিক দরবার ও সুসজ্জিত কুচকাওয়াজের
মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা হয়।
পিজিআর
মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট। এটি বঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির
দৈনন্দিন নিরাপত্তা ও অন্যান্য সামরিক দায়িত্ব পালন করে।
মন্তব্য করুন


সোমবার (১২ আগস্ট) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হটলাইন সেবা চালু করা নিয়ে বলা হয় ।
একটি অনুরোধ জানিয়ে আরো বলা হয় যে,
মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা বা অন্য কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা হলে তার তথ্য জানাতে
অনুরোধ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
এতে আরো বলা হয়, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা
বা অন্য কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বৃত্ত কর্তৃক হামলার শিকার বা আক্রান্ত হলে তার
তথ্য ০১৭৬৬-৮৪৩৮০৯ এই মোবাইল নম্বরে ফোন বা ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে জানানোর জন্য অনুরোধ
করা হলো।
এর আগে গতকাল দুপুরের দিকে অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ঠেকাতে হটলাইন চালুর
কথা বলেন। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চালু হলো এই সেবা।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় তো বটেই, সব সংস্করণের ক্রিকেট মিলিয়েই পাকিস্তানের মাটিতে এটি বাংলাদেশের প্রথম সিরিজ জয়।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত যেন নতুন এক ইতিহাস গড়ারই অগ্রপথিক হলেন। এমন বর্ণিল সাফল্যের দিনে ঢাকা থেকে নিশ্চয়ই অভিনন্দনসিক্ত অনেক ফোন পেয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার মধ্যে একটি ফোনকল নিশ্চিতভাবেই আলাদা।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও যে ফোনে অভিনন্দন জানিয়েছেন তাঁকে। মাঠে দাঁড়িয়েই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের জন্য ম্যাচের পরই নাজমুল ও তাঁর ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়ে মুঠোফোনে প্রধান উপদেষ্টা অধিনায়ককে বলেছেন, ‘আমার ও সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন। পুরো জাতি তোমাদের নিয়ে গর্বিত।’
দেশে ফেরার পর বাংলাদেশ দলকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ড. ইউনূস।
বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন জানিয়ে একই পোস্ট দেওয়া হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজেও।
রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটে জয়। এরপর আজ একই মাঠে পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ২–০ তে সিরিজও জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ দল।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই
চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।
শহীদ
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ
ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। এই সময় হেসেখেলে কাটিয়ে
দিলে দেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
তারেক
রহমান বলেন, ‘জিয়াউর রহমান কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে এমন স্থানে নিয়ে গিয়েছেন,
তাতে মানুষ জিয়া ও বাংলাদেশকে এক রকম মনে করত।
কঠোর
পরিশ্রম, সততার মাধ্যমে দেশে অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন তিনি। জিয়াউর রহমানের সেই পথ অনুসরণ
করতে হবে।’
এ
সময় সরকারপ্রধান বলেন, ‘দেশে সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক মূল্যবোধের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।
বিষয়গুলো কিভাবে শিশুদের মাঝে তৈরি করা যায়, তা নিয়ে তথ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা
দেওয়া হয়েছে।
তারেক
রহমান এ সময় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান নিজ দলের নেতাকর্মীদের প্রতি।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগের মতো পরিশ্রম জারি রাখতে হবে। ইশতেহার বাস্তবায়নের মাধ্যমে
সরকারকে সফল করতে হবে।’
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ত্বকের একটি ক্ষত অপসারণের
চিকিৎসা নিয়েছেন।
শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং
জানায়, বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) এ অস্ত্রোপচার করা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বৃহস্পতিবার ঢাকার সিএমএইচে ত্বকের একটি ক্ষত অপসারণের জন্য একটি ছোট চিকিৎসা নিয়েছেন।
শুক্রবার সকালে তিনি তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালন করেন।
চলমান সংলাপের অংশ হিসেবে আগামীকাল
শনিবার (১৯ অক্টোবর) কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূস।
মন্তব্য করুন




বাংলাদেশের বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে চীন।
রোববার (২৫ আগস্ট) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বন্যাদুর্গতদের সহায়তার লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে ২০ হাজার মার্কিন ডলার অনুদানের চেক তুলেন দেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
পাশাপাশি চীনা রেড ক্রসও বাংলাদেশের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য এক লাখ মার্কিন ডলারের মানবিক সহায়তা প্রদান করবে বলে জানান রাষ্ট্রদূত।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করায় চীনা নেতা এবং জনগণের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে অভিনন্দন জানান।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সবুজ অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে চীনের কিছু সোলার প্যানেল কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বেইজিং ঢাকার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত এবং আমি আশাবাদী যে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নপূরণ সফল হবে।
তিনি প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে বলেন, আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল এবং সমৃদ্ধ হবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে চীন ও বাংলাদেশের কৌশলগত এবং সহযোগিতামূলক অংশীদারত্বের সম্পর্ক উচ্চ শিখরে রয়েছে এবং উভয় দেশ আগামী বছর তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বছর উদযাপন করবে।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বেইজিং ও ঢাকার মধ্যে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেন এবং চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান জানিয়ে বলেন, চীন সোলার প্যানেলের অন্যতম বৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, তবে রপ্তানি বাজারে ক্রমবর্ধমান বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
তিনি উভয় দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে চীনে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। তিনি উভয় দেশের মধ্যে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও কৃষিখাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বানও জানান।
ইয়াও ওয়েন বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা কবলিত অঞ্চলে অস্ত্রবিরতির মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে পেতে চীনা সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।
বৈঠকে ড. ইউনূস আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশে বসবাসরত ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে রাজনৈতিক, আর্থিক ও মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে চীন।
প্রধান উপদেষ্টা চীনে তার স্মৃতি স্মরণ বলেন, চীনের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনূস সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে এবং অনেক তরুণ ত্রি-জিরো ক্লাব গঠন করেছে। এসব ক্লাবের সদস্যরা দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি দুই দেশের তরুণ সম্প্রদায় এবং জনগণের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে চীনা রাষ্ট্রদূত ড. ইউনূসকে তার সুবিধাজনক সময়মতো চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন একটা সন্ধিক্ষণ পার করছে, তবে বাংলাদেশের জনগণ এই চ্যলেঞ্জ অতিক্রম করতে সক্ষম হবে।
মন্তব্য করুন


একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ।
এ দিনের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
রীতি অনুযায়ী রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এবং পরে প্রধান উপদেষ্টা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে একুশের কর্মসূচি শুরু হয়।
পরে বিদেশি কূটনীতিক, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ভাষাসৈনিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা জানান।
একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার রাজপথ ও দেয়াল বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। চারুকলার শিক্ষার্থীরা রাত-দিন খেটে রং-তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেছেন প্রতিবাদের নানা ভাষা। শহীদ মিনারের বেদি, কালো রাজপথ, দেওয়াল সেজে উঠছে বর্ণিল আল্পনায়।
মন্তব্য করুন