

পুলিশ-জনতা ঐক্য করি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি - এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে দেশব্যাপী শনিবার (৪ নভেম্বর) উদযাপিত হতে যাচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২৩।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে পুলিশ সদস দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) কামরুল হাসান বিষয়টি জানান।
বাংলাদেশ পুলিশের সব মেট্রোপলিটন, রেঞ্জ, জেলা পুলিশ, বিশেষায়িত ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ ইত্যাদি ইউনিটে দিবসটি পালিত হবে বলে বাংলাদেশ পুলিশ সদস দপ্তর থেকে জানানো হয়।এ উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।এছাড়া শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি পুলিশিং সদস্যদের পুরস্কার দেওয়া হবে।
কামরুল হাসান জানান, কমিউনিটি পুলিশিং একটি সংগঠনভিত্তিক দর্শন ও ব্যবস্থাপনা, যা জনগণকে সম্পৃক্ত করে জনগণ ও পুলিশের অংশীদারত্বের ভিত্তিতে সমাজে অপরাধ ভীতি কমানো ও বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা হয়। এটি একটি গণমুখী, প্রতিরোধমূলক এবং সমস্যা সমাধানমূলক পুলিশি ব্যবস্থা।
কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্কুল/কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের পুলিশের কাজে সহযোগিতা, অপরাধ বিরোধী সচেতনতা তৈরি, বাল্যবিয়ে রোধ, ইভটিজিং প্রতিরোধ, জঙ্গিবাদ দমন, সন্ত্রাস দমন, মাদকের কুফল, নারী ও শিশু নির্যাতন, যৌতুক নিরোধ, মোবাইল ফোনের অপব্যবহার, সামাজিক মূল্যবোধ বাড়ানো ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষে দেশব্যাপী ৪৯ হাজার ৫২৯টি কমিটিতে ৮ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ জন কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য রয়েছেন বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সেনাবাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এই প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা দেওয়া হয়। এই ধারা অনুযায়ী সরকারকে মেট্রোপলিটনের বাইরে যে কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ক্ষেত্রে সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিচে কাউকে দায়িত্ব প্রদান করা না গেলেও অন্যদের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে আইনে শর্ত আরোপ করা হয়নি।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা (সেনা কর্মকর্তা) সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (জেলা প্রশাসক) তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন।
গ্রেফতার, তল্লাশি ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের ক্ষমতা: প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এসব ধারা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা কাউকে আটক বা গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ, তল্লাশির আদেশ ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের জন্য আদেশ দিতে পারবেন।
গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪ ও ৬৫ ধারায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে ও এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোনো অপরাধ করলে তিনি নিজে অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারবেন অথবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারবেন। এছাড়া ৮৩ ও ৮৪ ধারা অনুযায়ী অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। আইনের ৮৬ ধারার বিধান মতে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিতে পারবেন অথবা অপরাধ জামিনযোগ্য না হলে তাকে আদালতে পাঠাবেন।
তল্লশি সংক্রান্ত আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৯৫(২) ধারার বিধানমতে তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে ডাক বা টেলিগ্রাম বিভাগের দ্বারা তল্লাশি পরিচালনা করবার ও উক্ত দলিল, পার্সেল বা ব্যক্তি আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন। ১০০ ধারার বিধানমতে কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করার বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পেলে তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। ১০৫ ধারার বিধানমতে নিজ উপস্থিতিতেও ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশির আদেশ দিতে পারবেন।
শান্তিরক্ষায় মুচলেকা গ্রহণ: শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী শান্তি শান্তিরক্ষায় সদাচরণের মুচলেকা গ্রহণ করতে পারবেন। ১০৯ ধারার বিধানমতে অধিক্ষেত্রের মধ্যে ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছ থেকে মুচলেকা নিতে পারবেন। ১১০ ও ১২৬ ধারা অনুযায়ী অভ্যাসগত অপরাধীর কাছ থেকে জামিনদারসহ বা জামিনদার ছাড়াও শান্তিরক্ষায় মুচলেকা নিতে এবং প্রয়োজনে মুচলেকা বাতিল করতে পারবেন।
বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দান: ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ ধারা অনুযায়ী সর্বসাধারণের শান্তি বিনষ্ট হওয়ার কারণ হতে পারে এই ধরনের পাঁচ বা তারবেশি ব্যক্তির সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দিতে পারেন। আদেশ অমান্য করলে ১২৮ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ ভঙ্গে বল প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন। ১৩০ ধারার বিধান অনুযায়ী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে প্রয়োজনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে পারবেন।
এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট পথ, নদী, খাল বা প্রকাশ্য স্থানে বেআইনি বাঁধা অপসারণ, ব্যবসা বা সংরক্ষিত এলাকায় মানুষের আরাম আয়েশের বিঘ্ন ঘটানো, গৃহ বা তাবু হতে ক্ষতিকর বস্তু বা বৃক্ষ অপসারণ, জলাশয় ঘেরাও, বিপজ্জনক প্রাণী ধ্বংস বা আটক ইত্যাদি আদেশ দিতে পারেন। কোনো ব্যক্তি ১৪২ ধারার বিধান মতে ক্ষতি এড়াতে কোনো ব্যক্তির উপর নির্দিষ্ট স্থানে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,
ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি; নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, ওএসপি,
এনপিপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান
মাহমুদ খান, বিবিপি, ওএসপি, জিইউপি, এনএসডব্লিউসি, পিএসসি শুক্রবার (১১ অক্টোবর) রমনা
কালী মন্দির পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান দুর্গাপূজা
উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন এবং বলেন,
"বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশব্যাপী পূজামন্ডপসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য
সবসময় প্রস্তুত ও তৎপর রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য
নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ যেন
উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে, সেটি আমাদের মূল উদ্দেশ্য।
আমরা অতীতের মতোই সকল ধর্মের মানুষদের মধ্যে সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখব এবং
দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করব।"
নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান
বক্তব্যের শুরুতেই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনী পূজামন্ডপের নিরাপত্তা
নিশ্চিত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি সকলের জন্য নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ
পূজা উদযাপনের প্রত্যাশা করেন।
বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান
মাহমুদ খান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, দেশের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে
বিমান বাহিনীও সর্বোচ্চ সতর্কতায় দায়িত্ব পালন করছে।
তিনি সকল ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সহযোগিতা ও
সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।
সেনাবাহিনী প্রধানের পত্নী সারাহনাজ কমলিকা
জামান পূজা উপলক্ষে উপস্থিত অন্যান্যের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের সাথে
শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পূজামন্ডপ পরিদর্শনের সময় তিনি উপস্থিত সকলকে শারদীয়
শুভেচ্ছা জানান এবং পূজার আনন্দ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে একসাথে সময় কাটান।
পরিদর্শনকালে সশস্ত্র বাহিনী ও অসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আগামী
দিনে র্যাবকে একটি জনবান্ধব ও দায়িত্বশীল বাহিনী হিসেবে পুর্নগঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মন্ত্রী
আজ (১৮ মে) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তরে র্যাব ফোর্সেস এর ২২তম
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান।
মন্ত্রী
বলেন, র্যাবকে একটি জনবান্ধব ও দায়িত্বশীল বাহিনী হিসেবে পুর্নগঠনের লক্ষ্যে বর্তমান
গণতান্ত্রিক সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- র্যাব
সদস্যদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিভিন্ন অভিযান পরিচালনার সময় আন্তর্জাতিক
মানদন্ড রক্ষা করে ন্যূনতম বল প্রয়োগ, মানবাধিকার প্রশিক্ষণ, অপরাধ দমনে এআই (Al) এর
ব্যবহার ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং এ লক্ষ্যে অতিশীঘ্রই র্যাব
ফোর্সেস এর জন্য জঙ্গল সলিমপুরে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা; পরিবর্তনশীল
অপরাধের ধরন ও কৌশল বিবেচনায় সময়োপযোগী কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা ও কার্যক্রমকে
আরও উন্নতকরণ; জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে জনআস্থা অর্জন; মানবাধিকার,
আইনের শাসন ও পেশাগত নৈতিকতার মানদণ্ড বজায়
রেখে নিরাপদ ও স্থিতিশীল সমাজ গঠনে কার্যকরী ভূমিকা রাখা; স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত
করার লক্ষ্যে দ্রুত র্যাব আইন প্রণয়ন, ইত্যাদি।
মন্ত্রী
আরো বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় সরকারের এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নেই যেটি ক্ষতিগ্রস্ত
হয়নি। প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তার বেআইনি কর্মকাণ্ডের কারণে পুরো প্রতিষ্ঠানকে
দায়ী করা যাবে না। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব সুনাম ও গৌরব বজায় রেখে কাজ
করে যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের কোন রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না। সারাবিশ্বের নিকট
প্রতিষ্ঠা করতে হবে যে বাংলাদেশের সকল প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা রয়েছে।
এর মাধ্যমে আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও স্বাভাবিক রাখতে একটি এলিট
ফোর্সের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সে বিবেচনায় র্যাবের বিদ্যমান আইন পরিবর্তন ও সংশোধনপূর্বক
এটিকে যুগোপযোগী ও বিশ্বমানের করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে যাতে করে এলিট ফোর্সটির সদস্যদের
পেশাদারিত্বের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়। একইসঙ্গে র্যাবের
বিদ্যমান নাম পরিবর্তনের কথাও বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতির দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও স্বাভাবিক রাখতে এলিট ফোর্সের প্রয়োজনীয়তার কথা ভেবে
২০০১ সালের বিএনপি সরকারের মেয়াদে র্যাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,
র্যাব যে উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, তখন র্যাবকে কেবল সে উদ্দেশ্যেই ব্যবহার
করা হয়েছে। পরবর্তীতে ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় র্যাবকে রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থ
করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে। যার ফলে প্রতিষ্ঠান হিসেবে র্যাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য, পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি এবং সংস্কৃতি
বিষয়ক উপদেষ্টা ডাঃ জাহেদ উর রহমান। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আইজিপি মোঃ আলী হোসেন ফকির।
স্বাগত বক্তৃতা করেন র্যাবের মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ।
অনুষ্ঠানে
তিন বাহিনীর প্রধানগণ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধানগণ
সহ বিভিন্ন সামরিক-অসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সোমবার ইসির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের সচিব মো. জাহাংগীর আলম সাংবাদিকদের জানান, ভোট শেষে যেসব এলাকা থেকে ভোট গণনার তথ্য পেতে সমস্যা হবে সেগুলোতে ভেরিফাইড হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তৈরি অ্যাপের মাধ্যমে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কেন্দ্রভিত্তিক ভোট পড়ার হার দুই ঘণ্টা পরপর নির্বাচনি অ্যাপে জানাবে নির্বাচন কমিশন।
৭ জানুয়ারির ভোটের দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে তিনি জানান, সেসময় মাঝারি শৈত্য প্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে৷ ফলে চরাঞ্চল থেকে কুয়াশার কারণে ফলাফলের লিখিত তথ্যের কাগজ আসতে দেরি হতে পারে। এজন্য ফল সংগ্রহে বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবা হচ্ছে জানিয়ে ইসি সচিব বলেন, তবে ভেরিফাইড হোয়াটসঅ্যাপে যেন তথ্য নিয়ে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা যায় সে চিন্তাভাবনা চলছে।
সংবাদ সম্মেলনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসির তৈরি স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাবে বলে জানান সচিব।অ্যাপটির হালনাগাদ করার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ভোটকন্দ্রের তথ্য এখনই জানা যাচ্ছে, কার ভোটকেন্দ্র কোনটি এবং লোকেশন কোথায়।
নির্বাচনের দিন দেশের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের গতিও কমবে না বলে জানান তিনি বলেন, আমাদের যতগুলো মোবাইল নেটওয়ার্কিং সিস্টেম আছে সবগুলোই ফুল স্পিডে চালু থাকবে।
তবে অ্যাপটিতে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল পাওয়া গেলেও পার্বত্য অঞ্চলগুলোর মত ২০ শতাংশ এলাকা নেটওয়ার্কের বাইরে থাকায় কেন্দ্রীভূত ফলাফল পাওয়া যাবে না বলে জানান তিনি।তিনি বলেন, কোনো কারণে ফলাফল পাঠাতে না পারলে ভোটের পারসেন্টেজে গরমিল হয়ে যেতে পারে। তবে সম্ভব হলে আমরা জানাব। আমরা সেখানে বিজিবি, পুলিশের ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক ব্যবহার করব।
এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশন সচিব জানান, নির্বাচনি অ্যাপে প্রায় ৩৯০টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল; বাছাইয়ে টিকেছে ২৬টি।
এ অ্যাপ ব্যবহার করে ভোটার নম্বর, ভোটকেন্দ্রের নাম, প্রার্থী, দল ও আসনভিত্তিক তথ্য যেমন পাওয়া যাবে, তেমনি আইনবিধি, ভোট পড়ার হার, ফলসহ নানা ধরনের তথ্যও জেনে নিতে পারবেন নাগরিকরা।
এতে একজন ভোটার সহজেই ভোট দিতে কেন্দ্রে যাওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নিতে পারবেন। আগের বছরগুলোর মতো কোথায় কোন কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবেন তা নিয়ে যেমন জটিলতায় পড়তে হবে না, তেমনি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নম্বর খোঁজার বিড়ম্বনার মধ্যেও পড়বেন না।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবীদ্বারে ব্যবসায়ী মুসা আলী হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত ০২ ঘাতককে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ তারিখ কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন নাজিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ভিকটিম মোঃ মুসা আলী (৪০) খুন হয়। উক্ত ঘটনাটি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমসমূহে প্রচারিত হলে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ভিকটিমের শ্বশুর বাড়ী কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানাধীন তুলাগাও এলাকায় হওয়ায় সে প্রায়ই উক্ত এলাকায় আসা-যাওয়া করতো। এরই সূত্র ধরে আসামীদের সাথে ভিকটিম মুসা আলী (৪০) এর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় ও অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে অপহরণপূর্বক ভিকটিমের স্ত্রীর নিকট ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রী দাবীকৃত ১০ লক্ষ টাকার পরিবর্তে বিকাশের মাধ্যমে ৩০,০০০/- টাকা আসামীদেরকে প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামীরা দাবীকৃত অর্থ না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ভিকটিমের পায়ে, হাতে ও পিঠে ছুরি দিয়ে আঘাত করে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানাধীন পশ্চিম বাগুর এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে উদ্ধার করে দেবীদ্বার থানাধীন মেডিনোভা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং চিকিৎসক জানান যে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ভিকটিমের মৃত্যু হয়েছে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী রাজিয়া আক্তার (৩৮) বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের নিমিত্তে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা এর একটি আভিযানিক দল গত ০২/০২/২০২৪ ইং তারিখ রাতে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানাধীন বাসস্ট্যান্ড ও কোতয়ালী মডেল থানাধীন বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে হত্যাকারী মোঃ রফিকুল ইসলাম@ লিমন (৩০), পিতা-মোঃ আবুল হোসেন, সাং-রেইসকোর্স, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা এবং সবুজ সরকার (২৭), পিতা-মৃত আব্দুল আজিজ, সাং-বাগুর, থানা-দেবীদ্বার, জেলা-কুমিল্লা’দ্বয়কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (২৯ জানুয়ারি) মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিতে সুফল পাওয়ায় ‘আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) আইন, ২০২৪’ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সকালে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় আর বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি আরো জানান, প্রথম যখন আইনটি প্রণয়ন করা হয়, তখন একটির মেয়াদ ছিল দুই বছর। পরবর্তীতে কয়েক ধাপে সেটার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। সেই মেয়াদ ২০২৪ সালের ৯ এপ্রিল শেষ হওয়ার জন্য নির্ধারিত ছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ এ আইনটি মন্ত্রিসভায় তুলেছিল। আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে ধাপে ধাপে মেয়াদ বাড়ানোর পরিবর্তে স্থায়ী আইন হিসেবে নীতিগত সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। এটিকে আর নতুন করে মেয়াদ বাড়াতে হবে না।
আইনটিতে কোনো পরিবর্তন আছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আইনটি পুরোনো। আগে যা ছিল, তা-ই থাকবে। কেবল মেয়াদ দুই বা তিন বছর না বাড়িয়ে স্থায়ী করা হয়েছে।
আগে ছিল দুই বছর পর পর মেয়াদ বাড়ানো হবে, তাহলে কেন স্থায়ী করা হচ্ছে এমন প্রশ্নে মাহবুব হোসেন বলেন, জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, এ আইনটির অনেক সুফল আছে, এ আইনটির কারণে এই ক্ষেত্রে তাদের তরফ থেকে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য খুব কাজে লেগেছে, এজন্য তারা আইনটি কন্টিনিউ করতে চাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশ
উত্থাপিত ‘শান্তির সংস্কৃতি’ শীর্ষক রেজোল্যুশন (প্রস্তাবনা) সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত
হয়েছে। ১১২টি দেশ এই রেজোল্যুশনটিতে কো-স্পন্সর করেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
প্রথম মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় ১৯৯৯ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে
শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি গৃহীত হয়। এরপর থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশ
‘শান্তির সংস্কৃতি’ রেজোল্যুশনটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উপস্থাপন করে আসছে, যা শান্তি
ও অহিংসার সংস্কৃতিকে উন্নীত করার জন্য আটটি বিশেষ ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করে, সে অনুযায়ী
কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সবার প্রতি আহ্বান রয়েছে এতে। এছাড়া সাধারণ পরিষদের সভাপতির
নেতৃত্বে ২০১২ সাল থেকে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ বিষয়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘে একটি উচ্চ পর্যায়ের
ফোরামের আয়োজন করে আসছে।
নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার
(২ মে) জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত
বাংলাদেশের পক্ষে এটি উত্থাপন করেন। শুক্রবার (৩ মে) জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন
এ তথ্য জানায়।
স্থায়ী মিশন বলছে, চলতি বছর
আলোচ্য রেজোল্যুশনটি একটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। কেননা এ বছরে শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা
এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি ২৫তম বর্ষে পদার্পণ করেছে।
প্রস্তাবনাটি উপস্থাপনের
সময় রাষ্ট্রদূত মুহিত বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে শান্তির সংস্কৃতির অব্যাহত
প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আজ বিশ্ব ক্রমবর্ধমান দ্বন্দ্ব এবং মানবিক মর্যাদা
অবজ্ঞার মুখোমুখি। এই ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও সহিংসতা থেকে উত্তরণে মানবমনে সম্প্রীতি
ও সহমর্মিতার ভাবকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে, সমতা ও সব মানুষের সমমর্যাদার চেতনাকে সমুন্নত
করতে হবে এবং সর্বোপরি যুদ্ধের চেয়ে শান্তিকে অনেক বেশি লাভজনক করে তুলতে হবে।
যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞে বাংলাদেশের
নিজস্ব অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মুহিত বলেন, জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতির
ধারণা প্রবর্তনের বাংলাদেশের উদ্যোগটি আমাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত। বৈষম্য,
বর্ণবাদী অসহিষ্ণুতা এবং পরাধীনতা আমাদের একটি ধ্বংসাত্মক যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করে।
এ কারণেই আমরা শান্তির প্রসারকে আমাদের পররাষ্ট্রনীতির একটি মৌলিক নীতিতে পরিণত করেছি।
এবারের রেজোল্যুশনে শান্তির
সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচির ২৫তম বার্ষিকী যথাযথভাবে পালন ও উদ্যাপনের
জন্য সাধারণ পরিষদের সভাপতিকে দিনব্যাপী একটি উচ্চ পর্যায়ের ফোরাম আহ্বান করার জন্য
অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া এ রেজোল্যুশনে সাধারণ পরিষদের সদস্য রাষ্ট্র, জাতিসংঘের
আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থা, নাগরিক সমাজ, বেসরকারি খাত, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
এবং মিডিয়াসহ অন্যান্য অংশীজনদের শিক্ষা ও জনসচেতনতা সম্প্রসারণসহ অন্যান্য আয়োজনের
মাধ্যমে যথাযথভাবে এই বার্ষিকীটি পালনের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
রেজোল্যুশনটির বিবেচনার পূর্বে
শান্তির সংস্কৃতির ওপর সাধারণ পরিষদে একটি সাধারণ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বহুসংখ্যক
সদস্য রাষ্ট্র বক্তব্য দেয়। এ সময় তারা শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি
বাস্তবায়নে তাদের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে।
সবশেষে প্রতিনিধি দলগুলো
জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতির ধারণাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক
নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে ধন্যবাদ জানায়।
মন্তব্য করুন


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সাক্ষাৎতে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় চীনা ভাষা অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব আরোপ এবং প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দেশটির রাষ্ট্রদূত।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
চীনা রাষ্ট্রদূত স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের সঙ্গে গণচীনের পারস্পরিক দ্বিপক্ষীয় হৃদ্যতাপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্কের দীর্ঘ ঐতিহ্যের বিষয়গুলো বিশদভাবে তুলে ধরেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, এর ধারাবাহিকতায় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর জুলাই-আগস্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনে আহতদের চীন চিকিৎসা সেবা দিয়েছে, সেপ্টেম্বরে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তিনি দু'দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বিনিময়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। চাইনিজ রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় চীনের ভাষা অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে চীন ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তিনি বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে বিশেষ করে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা কামনা করেন। প্রাইমারি শিক্ষার পাশাপাশি ভোকেশনাল ট্রেনিং এর মাধ্যমে মানবসম্পদ তৈরির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। এতে করে বেকারত্বের হার হ্রাস পাবে ও নিত্যনতুন কর্মসংস্থান সৃজন হবে। প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি খাতে দক্ষ হয়ে কর্মক্ষেত্রে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারবে। উপদেষ্টা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ সমাপ্তির পথে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৫ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৫ এর সকল কম্পোনেন্টে চীনের সহযোগিতা সম্প্রসারণে অনুরোধ করেন তিনি।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিভিন্ন প্রকল্পে বিশেষ করে সাউথ সাউথ কো-অপারেশন এর আওতায় অথবা ইআরডির মাধ্যমে সহযোগিতার ধারা অব্যাহত রাখা ও নতুন নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করারর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব ব্যয় সরকার বহন করবে । এ ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালে
বিনা মূল্যে সব সেবা ও বেসরকারি হাসপাতালে বিল গ্রহণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শনিবার
(১৭ আগস্ট) স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে , বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যেসব ছাত্র-জনতা আহত
হয়েছেন সরকারি হাসপাতালে তাদের বিনা মূল্যে চিকিৎসাসহ যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় সরকার
বহন করবে।
এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে
হতাহতের ব্যাপারে অনুসন্ধান করতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে
একটি কমিটি গঠন করেছে। সেই কমিটির সদস্যরা তাদের কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে আগামীকাল
রবিবার বৈঠক করবেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
অপরদিকে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ
হাসপাতাল, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত
ছাত্র-জনতার চিকিৎসা বিল গ্রহণ না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে এসব
বেসরকারি হাসপাতালে চিকিংসাধীন ছাত্র-জনতার সব বিল সরকার বহন করবে বলে জানানো
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ- জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আজ (৩ অক্টোবর ২০২৪) ৬৬ পদাতিক ডিভিশন ও রংপুর এরিয়া পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান রংপুর সেনানিবাসে কর্মরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে দরবার নেন এবং তাঁর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। অতঃপর তিনি আর্মি মেডিকেল কলেজ রংপুর এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরবর্তীতে তিনি সকল পদবির সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে 'অফিসার্স অ্যাড্রেস' গ্রহণ করেন।
এসময় তিনি তাঁর মূল্যবান বক্তব্যের শুরুতেই শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
তিনি বলেন, দেশমাতৃকার সেবায় তরুণ সাহসী এই সেনা কর্মকর্তার আত্মত্যাগ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাঁর জন্য গর্বিত। এরপর সকলের উদ্দেশ্যে দেশের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর আলোকপাত করে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এসময় জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ৬৬ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার রংপুর এরিয়া, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, সেনাসদর ও রংপুর এরিয়ার সেনা কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন