

মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর থেকে ৫০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিলসহ ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার (১৫ জানুয়ারি) মধ্যরাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুজিবনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী স্বাধীনতা সড়কে অভিযান পরিচালনা করে আটক করা হয় তাদের।
আটকৃতরা হলো: মুজিবনগর উপজেলার গৌরীনগর গ্রামের দারিয়াপুর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে মো. মাসুদ রানা (৩৫) ও একই উপজেলার সাজিবুর রহমানের স্ত্রী মোছা. কোহিনুর (৪৫)।
ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) উত্তম কুমার বলেন, ফেনসিডিল পাচার হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ২ জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মুজিবনগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মানববন্ধনে
বক্তব্য দেওয়ার সময় স্ট্রোক করে ইন্তেকাল করেছেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক
আবুল হাশেম (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
আজ সোমবার ( ১৯ জানুয়ারি ) বিকেলে তিনি ইন্তেকাল
করেন।
এদিন
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান জামায়াতের এমপিপ্রার্থী
মুফতি আমির হামজা।
ওই
পোস্টে তিনি বলেন, আমার অভিভাবককে হারিয়ে ফেলেছি।
আমাকে
হত্যার হুমকির প্রতিবাদে আজ বাদ আসর বিক্ষোভ মিছিলে বক্তব্য চলাকালীন সময় আমার অভিভাবক
কুষ্টিয়া জেলা জামায়াত ইসলামীর আমির অধ্যাপক আবুল হাশেম স্ট্রোক করে দুনিয়ার সফর শেষ
করেছেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান সকল ধর্মের মানুষের জন্য শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেছেন,
‘আমরা আজ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসেছি। এক কাতারে রয়েছি। এটিই আমাদের আবহমানকালের
ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ বিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে। মুসলমান
হিন্দু বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী কিংবা সংশয়বাদী আমরা সবাই মিলেই
ভালো থাকবো।’
আজ
শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল সোয়া ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন,
খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার, অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের সম্মানী দেওয়ার কার্যক্রমের
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
বগুড়ার
বায়তুল রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের ইমাম হোসাইন আহমেদ আবদুল্লাহর হাতে সম্মানীর চেক হস্তান্তরের
মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে আইবাস সিস্টেমে ‘সেন্ট বাটন’
প্রেস করে সম্মানীর টাকা নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেন, ‘আজ থেকে চালু হলো খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয়
গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি। যাদের প্রয়োজন সারাদেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে
এই সহায়তা দেয়া হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণী-পেশার মানুষ তথা প্রতিটি
নাগরিকের আর্থিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু
দিয়ে চেষ্টা করবে।'
নাগরিক
কিছু দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'নাগরিকদেরও কিন্তু রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি
কিছু দায় দায়িত্ব রয়েছে। নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র এবং সমাজের
প্রতি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি, আমি আশা করি, আগামী ১০ বছরে রাজনৈতিক এবং
অর্থনৈতিকভাবে আমরা একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পাবো ইনশাআল্লাহ।'
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, 'বিভিন্ন ধর্মের সম্মানিত নেতৃবৃন্দ খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সম্মানিত ভাতা
দেয়ার যে কর্মসূচি সরকার চালু করেছে, এই কর্মসূচির অধীনে প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং স্কিমের
আওতায় মোট ৪ হাজার ৯০৮ টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪ টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬ হাজার
৯৯২ জন মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে সবাইকে এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত
করা হবে। বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের জন্য সরকারের এইসব অর্থনৈতিক কর্মসূচি উদ্যোগের
মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নাগরিকদেরকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।'
দেশের
জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা কেউ মসজিদে কিংবা যার যার ধর্মীয়
উপাসনালয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেদেরকে বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে
সম্পৃক্ত করতে চাইলে আপনাদের সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নেও সরকার সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মিটিংয়ে একজন ইমাম, খতিব বা ধর্মীয় প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত
করা হবে। '
নাগরিকদের
দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'দেশের
প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের
দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, যাতে আর কোনো ফ্যাসিবাদ
কিংবা তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে। আমি বার বার একটি কথা
বলি, নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না।'
শহীদ
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় দেশে প্রথমবারের মতো'ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী'
চালু করা হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ মসজিদ রয়েছে।
আমরা সারাদেশের এই মসজিদগুলোকে ধর্মীয় সামাজিক এবং নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে
পরিণত করতে পারি। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় দেশে
প্রথমবারের মতো'ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী' চালু করা হয়েছিল।
তিনি
বলেন, '১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় দেশে 'মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা'
কার্যক্রম চালু হয়েছিল। বর্তমান সরকারও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের একটি নির্দিষ্ট হারে সম্মানী
ভাতা প্রদানের পাশাপাশি আপনাদের যোগ্যতাকে আরো কিভাবে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানো
যায় সেই পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।'
ধর্মীয়,
সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'অর্থনৈতিকভাবে
সমৃদ্ধ রাষ্ট্র মানুষের জীবনে হয়তো আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করে কিন্তু ধৈর্য,
সততা, কৃতজ্ঞতাবোধ, শ্রদ্ধা, আনুগত্য, সংহতি, সহনশীলতা, উদারতা, বন্ধুত্ব, বিনয়, দায়
কিংবা দয়া, এই সকল বৈশিষ্টগুলো অর্জন ছাড়া একজন ব্যক্তি মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন হয়ে
উঠতে পারে না। এ ধরনের মানবিক বৈশিষ্টগুলো অর্জনের জন্য ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে
উজ্জীবিত হওয়া জরুরি।''যার আমানতদারি নেই, যার কাছে নিরাপত্তা নেই, সে প্রকৃত ইমানদার
নয়। যার ওয়াদা ঠিক নেই, তার কোনো ধর্মই নেই' পবিত্র হাদিসের এই উক্তি টেনে প্রধানমন্ত্রী
বলেন, 'রাষ্ট্র ও সমাজ এবং পরিবেশ ও প্রতিবেশ থেকে অর্জিত আচরণ থেকেই মানুষ তার শুদ্ধ
জীবন এবং সুস্থ চিন্তার মানসিক নির্দেশনা পায়।'
তিনি
বলেন, 'প্রতিহিংসা এবং সহিংসতা' মুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে ধর্মের
এই উদারনৈতিক শিক্ষণীয় বক্তব্যগুলো অতুলনীয়। আমার বিশ্বাস, একটি নৈতিকতা সমৃদ্ধ মানব
সমাজের গঠনের জন্য প্রতিটি ধর্মেই এ ধরণের ইতিবাচক বার্তা রয়েছে। সুতরাং, একটি ধর্মীয়,
সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ মানসিকতা
তৈরীর ক্ষেত্রে আপনাদের মতো ধর্মীয় জ্ঞান সম্পন্ন মানুষদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, দুনিয়ার কল্যাণের পাশাপাশি আখেরাতের কল্যাণের জন্য প্রার্থনার কথা পবিত্র কোরআনে
কারীমে রয়েছে। ইহকালীন পরকালীন কল্যাণ বিষয়ক নির্দেশনা নিঃসন্দেহে অন্য ধর্মাবলম্বীদের
ধর্মীয় বিধিবিধান অনুযায়ীও নির্দেশিত রয়েছে। সুতরাং, ধর্মীয় বিধিবিধানের আলোকেই আপনারা
আপনাদের শিক্ষা-দীক্ষা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে কিভাবে আরো বেশি করে দেশ এবং জনগণের কল্যাণে
কাজে লাগাতে পারেন সেই চিন্তা এবং চেষ্টা অব্যাহত রাখাও জরুরি।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর কাছে এ নোটিশ পাঠানো হয়। জামালপুরের মেলান্দহ সিভিল জজ আদালতে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির বিচারক মো. আহমাদুল কবির সাকিল নোটিশটি জারি করেন।
নোটিশে বলা হয়, গত ১৯ জানুয়ারি দুপুরে উপজেলার ডিগ্রিরচর বাজার এলাকায় এমপি প্রার্থী ছামিউল হক ফারুকী মিছিল, জনসমাবেশ এবং প্রচারমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন—এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগটি যাচাই করে প্রাথমিকভাবে এর সত্যতা মিলেছে বলে উল্লেখ করা হয়। এ অবস্থায় তাকে আগামী ২২ জানুয়ারি সশরীরে হাজির হয়ে লিখিতভাবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে ছামিউল হক ফারুকীর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


দেশবাসীর
প্রিয় নেত্রীকে শেষবারের মতো একনজর দেখা আর জানাজায় অংশ নেওয়ার ব্যাকুলতা নিয়ে ঢাকার
পথে সর্বস্তরের লাখো মানুষ। বাস, ট্রেন কিংবা লঞ্চ, যে যেভাবে পারছেন, গতকাল মঙ্গলবার
রাত থেকেই রাজধানীর পথ ধরেছেন।
আজ
বুধবার সকাল হতে না হতেই সেই জনস্রোত মিশতে শুরু করেছে মানিক মিয়া এভিনিউতে।
সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই
দেশের নানা প্রান্ত থেকে ঢাকামুখী এই যাত্রা শুরু হয়। মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে এই
স্রোত আরও জোরালো হয়। রাতে ভোলা, বরিশাল ও চাঁদপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের নেতাকর্মীরা নদীপথে
সদরঘাটে এসে পৌঁছান। একই সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা
ট্রেন ও বাসগুলোতেও ছিল তুলনামূলক ভিড়। সবার গন্তব্য একটাই, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা।
তীব্র
শীত উপেক্ষা করে গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাত থেকেই মানিক মিয়া এভিনিউ ও এর আশপাশের এলাকায়
জড়ো হতে থাকেন নেতাকর্মীরা। সকাল থেকেই লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে সংসদ ভবন চত্বর ও এর
আশপাশের সড়ক। অনেকে ফুটপাতেই রাত কাটিয়েছেন প্রিয় নেত্রীর জানাজায় সামনের কাতারে থাকার
আশায়।
জাতীয়
বার্তা সংস্থা বাসসের কথা হয় বাষট্টি বছর বয়সী কৃষক সাত্তার মিয়ার সাথে। লাঠিতে ভর
দিয়ে তিনি সুদূর বগুড়া থেকে গতকাল মঙ্গলবার রাতেই ঢাকায় পৌঁছান। থাকবার জায়গা না থাকায়
তীব্র শীত উপেক্ষা করে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের রাস্তায়। ভেজা চোখে
তিনি বলছিলেন, ‘ম্যাডাম হামাগের মা। ওনারে শেষবারের মতো দেখমু না, তা কি হয়? শরীর চলে
না, তাও মনের জোরে আসছি। ওনার জানাজায় শরিক হতে পারলেই শান্তি।’
সরেজমিনে
দেখা গেছে, সমবেত মানুষের চোখেমুখে গভীর শোকের ছায়া। দলীয় কার্যালয় ছাড়াও সড়কগুলোতে
উড়ছে কালো পতাকা। ঢাকার আশপাশের জেলাগুলো থেকে আজ ভোর থেকেই মিছিল নিয়ে আসছেন নেতাকর্মীরা।
তাছাড়া দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ শেষবারের মত শ্রদ্ধা জানাতে মানিক মিয়ার
পথ ধরেছেন।
আজ
দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবন মাঠ ও মানিক মিয়া এভিনিউতে খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত
হবে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব এই জানাজায় ইমামতি করবেন। এরপর পূর্ণ রাষ্ট্রীয়
মর্যাদায় শেরেবাংলা নগরে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাঁকে
সমাহিত করা হবে।
গতকাল
মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে ইন্তেকাল
করেন (ইন্নানিল্লাহে........রাজিউন) দেশের তিনবারের এই প্রধানমন্ত্রী। জীবনের শেষ মুহূর্তে
পাশে ছিলেন তাঁর বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড.
আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া। আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় সচিবালয়ে মন্ত্রীপরিষদ
বিভাগে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানান। এ সময়ে উভয়ের মধ্যে ভ্রাতৃপ্রতিম
দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং আসন্ন হজ নিয়ে আলোচনা হয়।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন
কবির।
এর
আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ে অফিস করতে আসেন। এ সময়
মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান
বলেছেন, লেখাপড়া করে মেধার ভিত্তিতে যেমন ডাক্তার, প্রকৌশলী, অর্কিটেক্ট হতে হবে তেমনি
পেশাদার খেলোয়াড় কিংবা শিল্পী তৈরী করতে হবে। কারণ,একজন পেশাদার খেলোয়াড় কিংবা শিল্পীও
তার পেশার মাধ্যমে পরিবারকে সাহায্য করতে পারেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) লালমনিরহাটের
বড়বাড়ীতে শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪’র ফাইনাল ম্যাচে লন্ডন থেকে ভার্চুয়াল
প্লাটফর্মে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। এটি ছিল ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল
টুর্নামেন্ট’র
৬ষ্ঠ তম আসর।
তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষ স্বৈরাচার
বিদায় করেছে। এখন দেশ গড়ার পালা। এ প্রত্যয় নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। এজন্য আমাদের
সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দেশ গড়তে আমরা ৩১ দফা দিয়েছি। দেশকে নিয়ে এখনো ষড়যন্ত্র
হচ্ছে। আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
আগামীদিনে পেশাদার খেলোয়াড় তৈরী করতে
হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর পাশপাশি ভাল সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও শিল্পী তৈরির কাজ
করতে হবে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে জনপ্রিয় খেলাগুলো বাছাই করে আমরা দেশের তরুণ সমাজের
মধ্যে থেকে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি করবো। বাইরের দেশের খেলোয়াড়ের উপর নির্ভরশীলতা
কমাতে হবে। সবকিছু হবে সরকারিভাবে।
এ প্রসঙ্গে, উদাহরণ হিসেবে শহিদ জিয়ার
আমলের ‘নতুন কুড়ি’
অনুষ্ঠানের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ওই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভাল সাংস্কৃতিক
ব্যক্তিত্ব এবং ভাল শিল্পী বের করে আনা। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পী
বেবী নাজনীন ‘নতুন কুড়ি’-ই
ফসল।
তিনি বলেন, ‘ঠিক একইভাবে ভাল খেলোয়াড়
বের করে আনতে আমাদেরকে ৮ থেকে ১০ টি খেলা পছন্দ করে এসব খেলার ওপর জোর গুরুত্ব দিতে
হবে। যিনি যে ধরণের খেলায় ভাল করবেন, তাদেরকে সেই খেলায় পারদর্শী করে তুলতে হবে। যাতে
করে আন্তর্জাতিক ইভেন্টগুলোতে আমাদের খোলোয়াড়রাও ভাল ফলাফল বয়ে আনতে পারে।’
বিএনপি’ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যার বলেন,‘জনগণের ভোটে যদি ক্ষমতায় আসতে
পারি তাহলে আমরা সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাজের সাথে-সাথে খেলাধুলা
ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের ওপরও জোর দেব। মেধাবী ডাক্তার, প্রকৌশলী, আর্কিটেক্ট বানানোর
পাশাপাশি ভালো রাজনীতিবিদ, ভালো খেলোয়াড় ও শিল্পী তৈরী করতে পারি সেই চেষ্টা করবো।
তারেক রহমান আরও বলেন, যে ব্যক্তি যে
বিষয়ে মেধাবী, তার মেধাকে মূল্যায়ন করে সেই বিষয়ে দক্ষ করে তোলা হবে। সবাইকে নিয়ে নতুন
বাংলাদেশ তৈরি করবে বিএনপি।
‘আমরা যদি বিভিন্ন খেলায় পেশাদার খেলোয়াড়
এবং ভালো সাংস্কৃতিক কর্মী ও শিল্পী তৈরী করতে পারি’ তাহলে ওইসব ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা হবে বলেও
তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, লালমনিরহাটের বড়বাড়ি শহীদ
আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে গত ১২ নভেম্বর শুরু হয় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্ট। বিএনপির
রংপুর বিভাগের ১০টি সাংগঠনিক দল এতে অংশগ্রহণ করে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় পঞ্চগড় বিএনপি
একাদশ ও রংপুর মহানগর বিএনপি একাদশ’র
মধ্যে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। টাইব্রেকারে এক শূন্য গোলে পঞ্চগড় জেলা বিএনপি একাদশ
বিজয় লাভ করে।
‘শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪’র ফাইনাল ম্যাচ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি’র
জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মির্জা আব্বাস। অনুষ্ঠানে
সভাপতিত্ব করেন বিএনপি’র
রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পদক আসাদুল হাবিব দুলু।
অন্যান্যের মধ্যে বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী
এ্যানি, কেন্দ্রীয় নেতা ফরহাদ হোসেন আজাদ ও ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান অনুষ্ঠানে
বক্তৃতা করেন ।
মন্তব্য করুন


ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় ৫০০ টাকা বাজি ধরে ঠান্ডা পানিতে একটানা ১১২ বার ডুব দেওয়ার পর বাবুল মোল্লা (৪০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের পালট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে কাচারিবাড়ি বাজারে কয়েকজনের সঙ্গে ৫০০ টাকা বাজি ধরে বাবুল মোল্লা ঠান্ডা পানিতে বারবার ডুব দেন। ডুব দেওয়া শেষে হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে রাজাপুর মেডিকেলে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবুল খায়ের মাহমুদ রাসেল বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ঠান্ডা পানিতে অতিরিক্তবার ডুব দেওয়ার কারণেই তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জানা গেছে এবং ঘটনার বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, এবারের আন্দোলন সব আন্দোলনকে ছাপিয়ে গেছে।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টামণ্ডলীর চার সদস্য।
আর এই শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ১৯৫২ সাল থেকে ছাত্ররা আন্দোলন করে দেশের নতুন নতুন সূচনা ঘটিয়েছে। আমরা গতকাল নতুন চারজন উপদেষ্টা শপথ গ্রহণ করেছি। আমরা আগামীকাল কাজে যোগদান করবো। আমাদের সামনে বড় একটি চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার।
শুধু এটা না আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, আমরা এখানে আজকে এসেছিলাম আমাদের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। ৫২ থেকে ছাত্ররা আন্দোলন করে দেশের নতুন নতুন সূচনা ঘটিয়েছে। কিন্তু এবারের আন্দোলন সব আন্দোলনকে ছাপিয়ে গেছে। আর সেজন্যই আমাদের সামনে এখন বাংলাদেশকে পুনঃনির্মাণের বড় একটি চ্যালেঞ্জ।
সবশেষে তিনি বলেন, আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমাদের প্রথম পদক্ষেপ হবে দেশটাকে গতিশীল করা এবং জনগণের সঠিক সেবা নিশ্চিত করা।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বার্তায় দেশবাসীকে সালাম জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমাদের তরুণ বিপ্লবীরা দেশের মানুষের মনে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন জাগিয়ে দিয়েছে তা পূরণে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। শহীদদের আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হয়ে এক নতুন যুগের সূচনা করতে চাই।
ড.
মুহাম্মদ ইউনূস আরো বলেছেন, আজ আমরা বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জনের প্রথম মাস
উদযাপন করছি। ইতিহাসের অন্যতম গৌরবময় বিপ্লবের জন্য শত শত ছাত্র এবং সর্বস্তরের মানুষ
সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আমাদের বাংলাদেশকে এর পূর্ণ গৌরবে প্রতিষ্ঠিত করার
দায়িত্ব আমাদের।
তিনি বলেন, আমি সেই সাহসী তরুণ, শ্রমিক, দিনমজুর, পেশাজীবীদের স্মরণ করছি যারা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছিল। স্মরণ করছি আন্দোলন চলাকালে নিহত সাংবাদিকদের। আজ আমি এই বিপ্লবে শাহাদাত বরণকারী সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। আমি অভিবাদন জানাই হাজার হাজার মানুষকেও যারা আহত হয়েছেন, প্রাণঘাতী আঘাতের শিকার হয়ে চিরজীবনের জন্য পঙ্গু হয়েছেন, কিংবা চক্ষু হারিয়েছেন।
গত মাসে আমাকে যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তখন আবু সাঈদ, মুগ্ধ এবং সমস্ত জানা এবং অজানা শহীদদের নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমার সকল সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।’
ড. ইউনূস বলেন, ‘আমার প্রিয় তরুণেরা, তোমরা তোমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের শপথ নিয়েছিলে। শহর ও গ্রামীণ জনপদের দেয়ালে আঁকা তোমাদের স্বপ্নগুলো এখনো নানা রঙের সাজ নিয়ে আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।’
তিনি আরো বলেন, বিপ্লবের সময়, তোমরা পড়াশুনা ছেড়ে দিয়ে বন্ধুদের নিয়ে উদ্বিগ্ন ঘুমহীন রাত কাটিয়েছো এবং দিনে নিষ্ঠুর শাসনকে প্রতিহত করার জন্য পরস্পরের থেকে চির বিদায় নিয়ে রাস্তায় নেমেছো। বিপ্লব শেষ হওয়ার পর তোমরা দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও তাদের উপাসনালয় পাহারা দিয়েছো এবং সারাদেশে ট্রাফিক পরিচালনা করার দায়িত্ব নিয়েছো। আমি জানি তোমাদের পড়াশোনার অনেক ক্ষতি হয়েছে। তাই এখন সময় পড়াশোনায় ফেরার। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হয়েছে। আমি তোমাদেরকে ক্লাস ও ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। কেননা বিপ্লবের সুফল ঘরে তুলতে আমাদের একটি সুশিক্ষিত ও দক্ষ প্রজন্মের দরকার।
তিনি বলেন, মাত্র একমাস হলো অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। তা সত্ত্বেও আমরা বিপ্লবের প্রকৃত লক্ষ্য অর্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের কাজ শুরু করেছি। আমাদের প্রথম কাজ জুলাই ও আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। গণহত্যার বিষয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করার জন্য আমরা জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তারা এদেশে এসেছেন এবং তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের প্রধান দায়িত্বগুলির মধ্যে একটি হল বিপ্লবের সময় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হাজার হাজার মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করা। হাসিনার দুর্বৃত্তরা তাদের চোখ লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ছোড়ায় অসংখ্য তরুণ শিক্ষার্থী দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করবো তাদের চোখের আলো ফিরিয়ে দিতে। আমরা শহীদ ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির জন্য ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছি। মূল তালিকা হয়ে গেছে। এখন শুধু দূর-দূরান্তে যাদের লাশ নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাদের তথ্য সংগ্রহ করে তথ্যগুলিতে পূর্ণাঙ্গতা দেওয়া হচ্ছে। আহত শত শত মানুষ যাদের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা প্রয়োজন, তাদের ব্যয়বহুল চিকিৎসা এবং শহীদদের পরিবারের দেখাশোনার জন্য একটি ফাউন্ডেশন এখন তৈরির শেষ পর্যায়ে আছে। যাদের শাহাদাতের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে আমরা তাদের কখনোই ভুলবো না।
ড.
মুহাম্মদ ইউনূস সবশেষে বলেন, আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা নিলাম শহিদদের রক্ত এবং আহত ভাইবোনদের
আত্মত্যাগকে জাতি হিসাবে আমরা কিছুতেই ব্যর্থ হতে দেবো না। যে সুযোগ তারা আমাদের জন্য
তৈরি করে দিয়েছেন সে সুযোগকে আমরা কখনো হাতছাড়া হতে দেবো না। আজ তাদের স্মৃতিময় দিনে
আবারও প্রতিজ্ঞা করলাম তাদের স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ আমরা গড়বোই। মহান আল্লাহ আমাদের
সকলের সহায় হোন।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা ও ৫০ বোতল ফেন্সিডিল’সহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
(০২ জুলাই) তারিখ রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ শাহিন উদ্দিন (২৫) এবং ২। মনি আক্তার (২৯) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা, ৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে (০২ জুলাই) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন মাঝিগাছা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৩) নামক ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ শাহিন উদ্দিন (২৫) কক্সবাজার জেলার সদর থানার মধ্যম মাইজপাড়া গ্রামের শামসুল আলম এর ছেলে, ২। মনি আক্তার (২৯) নারায়নগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার গুরুবদী গ্রামের হানিফ মিয়া এর মেয়ে এবং ৩। মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ভরজালা গ্রামের মৃত আলী আকবর এর ছেলে। আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা ও ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন