

মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের নিয়ে কৃষক মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের আয়োজনে তেগুরিয়া প্রদর্শনী মাঠে এ মাঠ দিবস করা হয়।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার কৃষিবিদ সাইফুল হাসান আলামিন। মাঠ দিবসে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো.মাসুদ হোসেন।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মানসুরা আক্তার,বিতারা ইউনিয়ন পশ্চিম ছাত্রদলের আহবায়ক দেলোয়ার পাটোয়ারী, যুগ্ন আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম সরকার , কৃষক আবদুর ছাত্তার প্রমুখ।
এসময় কৃষক-কৃষানী সহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে অতিথিবৃন্দ কৃষকের সরিষার মাঠ পরিদর্শন করেন এবং সার্বিক বিষয়ে পরামর্শ দেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা
ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে এবং মাঠপর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব
ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে এর বাস্তবায়ন দৃশ্যমান হবে। আচরণবিধি
প্রতিপালনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কমিশন কঠোর অবস্থানে থাকবে।
আজ
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ও গণভোট উপলক্ষে ‘বৃহত্তর চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সেল’-এর
সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এরআগে ‘ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন
টিম’ -এর সঙ্গেও মতবিনিময় সভা করেন নির্বাচন কমিশনার।
নির্বাচন
কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, বৃহত্তর চট্টগ্রামের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনরায় পর্যালোচনা
করা হয়েছে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় যেসব নিরাপত্তা-সংবেদনশীল
বিষয় রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সম্ভাব্য ঝুঁকি ও করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচনকে
কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করা
হচ্ছে।
রাজনৈতিক
দল ও প্রার্থীদের আচরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে আচরণবিধি প্রতিপালনে তাদের
মধ্যে সচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আন্তঃদলীয় সংঘাতের মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম, যা একটি
ইতিবাচক লক্ষণ। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসুক, কোনো দল যেন সহিংসতায় জড়িয়ে না পড়ে- এভাবে
একটি উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজন করাই সবার প্রত্যাশা।
তিনি
বলেন, আজ আমরা যে সমন্বিত বাহিনীর প্রস্তুতি দেখেছি, তাতে আমরা অত্যন্ত আশাবাদী। বৃহত্তর
চট্টগ্রামে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করছি।
গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সঠিক তথ্য সঠিক সময়ে তুলে ধরা গণমাধ্যমের বড় দায়িত্ব।
অপতথ্য ও গুজব রোধে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। অপতথ্য ছড়ানো যেমন
অপরাধ, তেমনি অপতথ্য শেয়ার করাও অপরাধ- এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
নির্বাচন
নিয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কারও যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে,
তাহলে নির্বাচনী ইনকোয়ারি কমিটি ও নির্বাচন কমিশনের কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অবৈধ
অস্ত্রধারীদের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন, গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট
ফেজ-২’ নামে অভিযান চলছে। এ অভিযানে এখন পর্যন্ত ২০০টিরও বেশি
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ভোটারদের কেন্দ্রমুখী হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ভোটাররা
ভোট দিতে ভোটকেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে আছেন। অতীতে যে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা ছিল, সামনে তার
পুনরাবৃত্তি হবে না- ইনশাআল্লাহ।
এরআগে
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতবিনিময় সভায় ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, আপনারা যে অপারেশনগুলো
করছেন, অপারেশনের পরে তা মিডিয়ায় দিয়ে দিবেন। কোনো গোষ্ঠী বা দল যদি অপকর্ম করে পার
পেয়ে যেতে চায় তাহলে তারা যেন উৎসাহিত বোধ না করে। কারণ তারা জানবে অপকর্ম করলে ধরা
পড়তে হবে এবং অপকর্ম লোকালি থাকবে না জাতীয় বিষয় হয়ে যাবে। লোকাল ক্ষতির পাশাপাশি জাতীয়
ক্ষতি হবে। আমরা চাই রাজনৈতিক দলগুলো আইন মেনে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন করুক।
নির্বাচনকে
ঘিরে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল যাতে সংখ্যালঘুদের ব্যবহার করতে না পারে, সেদিকে লক্ষ্য
রাখার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, এ এলাকায় (চট্টগ্রাম) সংখ্যালঘুদের আবাস আছে। নির্বাচনকে
ঘিরে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল সংখ্যালঘুদের মধ্যে বিভিন্ন ঘটনা ঘটানোর প্রয়াস চালাতে
পারে। অতীতেও এমন ঘটনা ঘটেছে। সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মতবিনিয়ম
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের
ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার
নাজির আহমদ খাঁন প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী ১ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সাড়ে ৩ ঘণ্টা করে বন্ধ থাকবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে।
এসময় বন্ধ থাকবে ফ্লাইট ওঠানামা।
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, রানওয়েতে আইএলএস ক্যাটাগরি-২ সংক্রান্ত রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী ১ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত ১৪ দিন রাত ১টা থেকে ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত রানওয়ে বন্ধ থাকবে। এই মেরামতকালীন সময়ে বিমানবন্দরের সব ফ্লাইটের অবতরণ ও উড্ডয়ন কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।
বিমানবন্দরের ফ্লাইট অপারেশনের নিয়মমাফিক কাজের মধ্যে একটি রানওয়ে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের অংশ হিসেবে রানওয়ে সেন্টারলাইন লাইটস, টাচ ডাউন জোন লাইটস, ইন্টলেশন অব স্টপওয়ে লাইটিং সিস্টেম ফর রানওয়ে-১৪ এবং ৩২ এর কাজ করা হবে। এতে রানওয়ের কার্যক্রম ও ফ্লাইট অপারেশন সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। সংশ্লিষ্ট সব এয়ারলাইনস ও সংস্থাকে জানাতে ইতোমধ্যে নোটাম জারি করা হয়েছে।
এই মেরামতকালীন সময়ে বিমানবন্দরের সব ফ্লাইটের অবতরণ ও উড্ডয়ন কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত থাকায় ফ্লাইট সূচিতে পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এ সংক্রান্ত সব এয়ারলাইনস ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
যাত্রীদেরকে তাদের স্ব স্ব ফ্লাইট সম্পর্কে অগ্রিম জানাতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসকে ও যাত্রীদের তাদের ফ্লাইট সূচি পুনরায় নিশ্চিত হওয়ার জন্য বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ পরামর্শ দিচ্ছে। প্রয়োজনে বিমানবন্দর কল সেন্টার ১৩৬০০ তে কল করতে পারবেন যাত্রীরা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সর্বদা বদ্ধপরিকর।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চলতি মাসের শেষ দিকে জাতিসংঘের ৭৯তম সাধারণ অধিবেশনে (ইউএনজিএ) যোগ দেবেন।
আজ (১ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, (তবে) প্রধান উপদেষ্টার যাত্রার তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানান, প্রধান উপদেষ্টার সংক্ষিপ্ত সফরে নিউইয়র্ক যাবেন। সফরের আগে তিনি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ইউএনজিএ’তে তাঁর সফরসূচি নিয়ে আলোচনা করবেন।
ইউনূস নিউইয়র্কে এ সফরকালে সীমিত সংখ্যক সাইডলাইন বৈঠকে অংশ নিতে পারেন বলে পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ইঙ্গিত দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


সামাজিক ব্যবসার (সোশ্যাল বিজনেস) রূপান্তর
সক্ষম শক্তি এবং এর মাধ্যমে ইতিবাচক টেকসই পরিবর্তন আনার শক্তিশালী উপায়ের ওপর গুরুত্ব
দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সামাজিক ব্যবসা শুধু বাংলাদেশ
নয়, বরং পুরো বিশ্বকে বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে এবং নতুন সভ্যতাও তৈরি করতে পারে। এই
ব্যবসার মাধ্যমে ‘একটি সুন্দর ও উন্নত বিশ্ব’ গড়ে তোলা সম্ভব, যা বর্তমানের হতাশা থেকে
মুক্তি এনে তাৎপর্যপূর্ণ রূপান্তর ঘটাতে পারবে।
আজ শুক্রবার সাভারের জিরাবো সামাজিক
কনভেনশন সেন্টারে দু’দিনের ‘সোশ্যাল বিজনেস ডে’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য
দিয়ে ১৫তম সামাজিক ব্যবসা দিবসের উদ্বোধন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনূস মূল বক্তা হিসেবে যোগ দেন।
ইউনূস সেন্টার ও গ্রামীণ গ্রুপ যৌথভাবে
১৫তম সামাজিক ব্যবসা দিবসের আয়োজন করেছে।
‘সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে
সর্বোত্তম পথ হলো সামাজিক ব্যবসা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারের সামাজিক ব্যবসা
দিবস উদ্যাপন করা হচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর শক্তিশালী ও আবেগঘন
মূল বক্তব্যে সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, বিশ্ব একটি ভুল পথে চলছে এবং কেবল নিঃস্বার্থ,
ভালো কাজের জন্য স্বপ্নবান হওয়া এবং সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই
ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, পৃথিবীতে
সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার একমাত্র সঠিক পথ হল সামাজিক ব্যবসা। এর মাধ্যমে
স্বাস্থ্যসেবার চ্যালেঞ্জগুলো সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব।
তিনি তরুণদেরকে বৈশ্বিক পরিবর্তন আনার
আহ্বান জানিয়ে বলেন, উদ্যোক্তা হিসেবে ছোট থেকে শুরু করতে হবে, বড় স্বপ্ন দেখতে হবে
এবং একসঙ্গে কাজ করে এমন একটি বিশ্ব গড়ে তুলতে হবে, যার বৈশিষ্ট্য হবে তিনটি শূন্য-‘শূন্য
দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য গড় কার্বন নিঃসরণ।
চাকরি প্রার্থী নয়, উদ্যোক্তা হিসেবে
নিজেকে প্রস্তুত করার মত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা প্রথম দিন থেকেই যেন জানেন-তারা
চাকরির জন্য এখানে আসেনি। কিন্তু আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ছাত্রদের স্বপ্ন দেখতে দেওয়া
হয় না। আমি বলি-শিক্ষা ব্যবস্থার প্রথম দায়িত্বই হলো-স্বপ্ন দেখার সুযোগ দেওয়া।’
ছাত্রদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আগে স্বপ্ন
দেখতে হবে। তারপর কীভাবে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়া যায়, সেই পথ খুঁজে বের করো।
একে অপরকে চ্যালেঞ্জ দাও। এই ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা গড়তে সোশ্যাল বিজনেস শিক্ষার গুরুত্ব
আমাদের কাছে এত বড় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন,
তরুণদের বলবো, যদি তুমি একজন চাকরি প্রার্থী হও, তবে সেটি আমাদের জন্য লজ্জার। কারণ
আমরা তোমাকে নিজেকে আবিষ্কার করার মত সাহায্য করতে পারিনি।’ যদি তুমি নিজেকে আবিষ্কার
করো—তাহলে কখনোই চাকরি প্রার্থী থাকবে না। তুমি একজন উদ্যোক্তা হয়ে উঠবে।
ভারত-পাকিস্তান, ইরান-ইসরায়েল-ফিলিস্তিন
এবং ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এই বছরের প্রেক্ষাপট অতীতের
যেকোনো সময়ের চেয়ে খারাপ। আগের সোশ্যাল বিজনেস ডে‑গুলোতে আমরা অনুভব করতাম যে,পৃথিবী
একটা আশাব্যঞ্জক দিকে এগোচ্ছে। আমরা ভেবেছিলাম-বিশ্বে যুদ্ধের অধ্যায় শেষ হচ্ছে। আমরা
আশা করেছিলাম-মানবজাতি এখন শান্তিতে বাস করবে। কিন্তু হঠাৎ করেই এই বছর নানা ভয়াবহ
ঘটনা ঘটতে শুরু করল। দরিদ্র মানুষ এই যুদ্ধে পিষ্ট হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সামাজিক ব্যবসার বার্তা কী-এই প্রসঙ্গ
উল্লেখ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, সামাজিক ব্যবসার একটি বার্তা হলো পৃথিবীকে
বদলে দেওয়ার বার্তা-এবং এর জন্য প্রয়োজন প্রতিটি জাতির অংশগ্রহণ, প্রতিটি জাতির উচিত
সেইসব সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসা যেগুলো তারা এত বছর ধরে তুলে ধরেছেন। এবং এই বার্তাটি
খুবই সহজ, যা আমরা বারবার পুনরাবৃত্তি করে আসছি। বার্তাটি হলো—আমরা ভুল পথে চলছি। যদি
আমরা এই পথেই এগিয়ে যেতে থাকি, তাহলে আমাদের সবার জন্যই এক বিশাল বিপর্যয় অপেক্ষা করছে।
আমরা তার থেকে রক্ষা পাবো না।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অন্য একটি
পথ অনুসরণ করার খুবই সহজ উপায় রয়েছে এবং এর জন্য সবকিছু রাতারাতি ধ্বংস করার প্রয়োজন
নেই। ‘আপনি কেবল ধীরে ধীরে ভিন্ন এক পথে হাঁটতে শুরু করুন। ব্যাস, এটাই। এটা খুবই বাস্তবসম্মত
এবং সহজে বাস্তবায়নযোগ্য।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা বারবার
বিশ্বকে যা বোঝাতে চেয়েছি তা হলো—পুরো পৃথিবী গড়ে উঠেছে মানুষের স্বার্থপরতার একমাত্রিক
ভিত্তির উপর এবং মানুষকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে স্বার্থপর সত্তা হিসেবে। আমরা এর বিরোধিতা
করছি। আমরা বলছি, হ্যাঁ, আমাদের ভেতরে স্বার্থপরতা আছে, তবে এটাও ভুলে যাবেন না যে
আমাদের ভেতর নিঃস্বার্থ মানসিকতাও আছে।
মন্তব্য করুন


নতুন বছর- ২০২৫ উপলক্ষে দেশবাসী এবং প্রবাসী বাঙালিসহ বিশ্ববাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বুধবার (১ জানুয়ারি) খ্রিষ্টীয় নতুন বছর উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘নতুনের আগমনী বার্তা আমাদের উদ্বেলিত করে, নব উদ্যমে সুন্দর আগামীর পথচলার জন্য অনুপ্রেরণা যোগায়।
নতুন বছরের এই মাহেন্দ্রক্ষণে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নতুন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উন্নতির নতুন শিখরে আরোহণে অঙ্গীকারবদ্ধ বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার।’
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার লাখো শহীদের রক্ত ও গত জুলাই-আগস্ট মাসে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অর্জিত স্বাধীনতাকে সর্বদা সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার করছে। আমরা দেশকে ভালোবাসবো, দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে সর্বশক্তি নিয়োগ করবো এবং যেকোনো সন্ত্রাসবাদকে প্রতিহত করবো।’
নতুন বছরে মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি, সৌহার্দ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও জোরদার হোক এই কামনা করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘খ্রিষ্টীয় নতুন বছর ২০২৫ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।
মন্তব্য করুন


ভোলার মনপুরায় ভয়াবহ আগুনে ৮টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
আজ ২৪ নভেম্বর ভোরের দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এসময় ২টি ফার্মেসি, ১টি মুদি, ১টি গোডাউন ও ১টি চায়ের দোকানসহ ৮টি দোকান সম্পূর্ণ ও আংশিক পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
মনপুরা ফায়ার সার্ভিসের ফাইটার মো. হাসান জানিয়েছেন, মনপুরা উপজেলার হাজিরজাট বাজারের একটি দোকানে মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত। মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারপাশের দোকানে ছড়িয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই।
মনপুরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিনা আকতার চৌধুরী বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকা হতে ২৪ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ০৬ নভেম্বর রাতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ২৪ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলোঃ ১। গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার গেড়াখোলা গ্রামের আব্দুল মান্নান মোল্লা এর ছেলে মোঃ মিলন মোল্লা (৩২) ২। ময়মনসিংহ জেলার কোতয়ালী থানার চরসত্তরপুর গ্রামের মোঃ চাঁন মিয়া এর ছেলে মোঃ শিমুল হোসেন (২৭)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত কাভার্ড ভ্যান ব্যবহার করে গোপালগঞ্জ, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগরে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) বিকেল ৪টায় মুরাদনগর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় তিনি প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন।
বাংলাদেশ পুলিশের মুরাদনগর থানার একটি চৌকস ইউনিট উপদেষ্টাকে নিজ উপজেলায় প্রবেশের পর গার্ড অফ অনারে বরণ করে নেয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষাবিদরা।
আয়োজকরা জানান, কোরআন হিফজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং মেধাবীদের সম্মাননা জানানোর উদ্দেশ্যে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, "কুরআন হিফজকারীরা সমাজের গর্ব। তাদের মাধ্যমে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ সমুন্নত থাকবে। সরকারের পক্ষ থেকে এমন উদ্যোগকে সবসময় উৎসাহিত করা হবে।"অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আয়োজক কমিটির হাফেজ মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান জানায়, ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এই ধরনের প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের উপপরিচালক মো. আলা উদ্দিন আল মামুন সব সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের জন্য পাঠানো নির্দেশনাটিতে আগামী ২ জানুয়ারির মধ্যে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন করার জন্য মাঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এতে বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ আগামী ২ জানুয়ারির মধ্যে অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে। সে পরিপ্রেক্ষিতে পরিবর্তিত তারিখ পাঠিয়ে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।
আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ১০৩টি। ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন ও নারী ভোটার ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন। হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৮৫২ জন।
নির্বাচনে ২৭টি দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৮৯৬ জন। তবে উচ্চ আদালত থেকে নির্দেশনা এলে এ সংখ্যা আরও বাড়তে বা কমতে পারে।
চার লাখ ছয় হাজার ৩৬৪ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তাদের ভোটগ্রহণের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন , দুই লাখ ৮৭ হাজার ৭২২ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পাঁচ লাখ ৭৫ হাজার ৪৪৩ জন পোলিং কর্মকর্তা। মোট নয় লাখ নয় হাজার ৫২৯ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন।
ইসি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে স্কুল-কলেজের শিক্ষক, ব্যাংক কর্মকর্তাসহ সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের নিয়োগ করেছে ।
মন্তব্য করুন