

লালমনিহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় স্বামী হাসান আলীর মৃত্যুর ৭ ঘণ্টা পরই স্বামীর শোকে স্ত্রী মঞ্জু আরা বেগম মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
শনিবার (১৫ জুন) ভোর ৪টায় পাটগ্রাম উপজেলার বাউড়া ইউনিয়রের রসুলপুর গ্রামে মৃত্যুবরণ করেন স্বামী হাসান আলী (৫৫)। এরপর স্বামীর মৃত্যুর শোকে বেলা ১১ টায় মৃত্যুবরণ করেন স্ত্রী মঞ্জু আরা বেগম (৪৫)।
হাসান আলী ও মঞ্জু আরা বেগম দম্পতির তিন মেয়ে। দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন আরেক মেয়ে স্থানীয় সরকারি আলিমুদ্দিন ডিগ্রি কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
স্বামীর শোকে মঞ্জু আরা বেগম ভোর থেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এরপর বেলা ১১ টায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্থানীয় বাউড়া বাজারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসান আলী একজন সুস্থ-সবল মুদি ব্যবসায়ী ছিলেন। প্রতিদিনের ন্যায় বাজার থেকে রাতে বাড়ি ফিরেন তিনি। এরপর ভোর ৪টার দিকে ঝড়ে পড়া আম খেয়ে কিছুক্ষণ পর স্ত্রীর সামনেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে হাসান আলী।
স্থানীয়রা বলেন, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালবাসার বন্ধন ছিল দৃঢ়। একজন আরেকজনকে খুবই ভালোবাসতেন। স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুতে তাদের বাড়িতে শত শত মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন।
স্থানীয় সাহেব হোসেন জানান, হাসান আলী একজন সাদামনের মানুষ ছিলেন। আমরা জীবনে এমন মৃত্যু দেখি নাই। স্বামীর মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা পর স্ত্রীর মৃত্যু।
পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রাবিউল ইসলাম মিরন জানান, স্বামী স্ত্রীর মৃত্যু খবর পেয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়েছি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৫ কেজি গাঁজা’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারী) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ শাহাদাৎ হোসেন (৩১) ও ২। মোঃ রুবেল (৩০) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ শাহাদাৎ হোসেন (৩১) চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার উত্তর চাঁদপুর গ্রামের মৃত নূরুল হক কারী এর ছেলে এবং ২। মোঃ রুবেল (৩০) কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার লক্ষীপুর গ্রামের মোঃ সাত্তার এর ছেলে।
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ফেলে যাওয়া সেই কন্যা সন্তানের বাবা-মায়ের সন্ধান মিলেছে। তারা নিজেরাই সন্তানের কাছে ফিরে এসেছেন। প্রশাসনের মাধ্যমে শুক্রবার রাতে কন্যা সন্তানকে ফিরে পান প্রকৃত বাবা-মা। বর্তমানে ওই নবজাতক ও মা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকাল পৌঁনে ৮টায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেয় পাপিয়া খাতুন। সেখান থেকে তাকে গাইনী ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ওয়ার্ডে থাকা অবস্থায় বাচ্চাকে পাশের আরেক রোগীর স্বজন বিলকিস বানুর কাছে রেখে পালিয়ে যান মা ও স্বজনরা।
সেসময় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাপিয়া-আলমগীর দম্পতির ঘরে আরও তিনটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এ নিয়ে চতুর্থবার কন্যা সন্তান হওয়া নাবজাতককে পরিত্যাগ করেন তারা। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ, প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তর নবজাতককে হাসপাতালের তত্বাবধায়নে রাখে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে মুহূর্তেই।
এর পরদিন গতকাল শুক্রবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফামেত তুজ জোহরার সাথে যোগাযোগ করেন নাবজাতকের বাবা। পরে সকল প্রক্রিয়া ও যাচাই-বাছাই শেষে নবজাতককে প্রকৃত বাবা-মায়ের কাছে হস্তান্তর করে প্রশাসন। বর্তমানে নবজাতক ও মা হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন আছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের রেজিস্ট্রারে নিজেদেরকে আলমডাঙ্গা উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামের পাপিয়া-আলমগীর দম্পতি হিসেবে পরিচয় দেন। সে পরিচয় অনুসন্ধান করে কাউকে খুঁজে পায়নি পুলিশ। পরে দেখা যায় তাদের নাম ঠিক থাকলেও ঠিকানার তথ্য ভুল দেয়া হয়েছে। তাদের প্রকৃত ঠিকানা চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিহি কেষ্টপুর গ্রামে। আর এটি তাদের চতুর্থ কন্যা সন্তান নয়, তৃতীয় কন্যা সন্তান।
নবজাতকের বাবা আলমগীর হোসেন বলেন, গর্ভবতী অবস্থায় আমার স্ত্রী পাপিয়া খাতুন তার মায়ের বাড়ি আলমডাঙ্গার পুটিমারী গ্রামে ছিল। হাসপাতালের আসার সময় তারা আমাকে জানিয়েছে যে, আমার বাচ্চাটি আর বেঁচে নেই। আমি ধরেই নিয়েছি আমার বাচ্চা মরে গেছে।
নবজাতকের মা পাপিয়া খাতুন বলেন, আমার স্বামীকে বোঝানোর জন্য বাচ্চার মৃতের কথা বলেছিলাম। আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি।
এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরা জানান, প্রকৃত অভিভাবকের কাছে নবজাতককে হস্তান্তর করা হয়েছে। এজন্য তাদের কাছ থেকে লিখিত নেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে ওই নবজাতকের খোঁজখবর রাখবে প্রশাসন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের উনকোট গ্রামে বিশেষ অভিযানে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী।
আজ সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোর প্রায় ৪ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেফতারকৃত মোহাম্মদ রাকিব হোসেন চৌদ্দগ্রামের উনকুট গ্রামের তাজুল ইসলামের পুত্র।
অভিযানের সময় আসামির কাছ থেকে দুটি ওয়াকিটকি সেট, দুটি ওয়াকিটকি চার্জার, একটি লাঠি ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
মন্তব্য করুন


চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলীতে দুই ভাইকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। পূর্ববিরোধের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে নিহতের পরিবার।
আজ শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে এ হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহত দু’জন হলেন— উথলী গ্রামের মাঝেরপাড়ার মৃত খোদা বক্স মণ্ডলের দুই ছেলে আনোয়ার (৫৫) ও হামজা (৪৫) ।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। এরপর সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সকালে নিজেদের কৃষিকাজের উদ্দেশ্যে ব্রিজ মাঠে যান মিন্টা ও হামজা। সে সময় আগে থেকেই ওতপেতে থাকা ৫ থেকে ৭ জন দুর্বৃত্ত দেশিয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় দুর্বৃত্তরা ওই দুই ভাইকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।
আরও জানা যায়, এ হামলায় ঘটনাস্থলেই মারা যান হামজা। এ সময় স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় মিন্টাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সদর হাসপাতালে তারও মৃত্যু হয়।
নিহতদের আরেক ভাই তোতা মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘গত এপ্রিল মাসে নিজামুদ্দিন খোকা নামের এক ব্যক্তি আমাদের একটি গরু মুখে বায়না করে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা না দেয়ায় আমরা গরুটি বিক্রি করে দেই। এরপর থেকেই খোকা ও তার লোকজন আমাদের হুমকি দিতে থাকে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবার সেই বিরোধের জেরেই ওরা আমার দুই ভাইকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মেরে ফেললো। আমরা আগেই পুলিশের কাছে জানিয়েছিলাম, কিন্তু কিছু হয়নি। আজ আমার ভাইরা আর বেঁচে নেই।’
সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওয়াহেদ মাহমুদ রবিন বলেন, ‘রক্তাক্ত ও শঙ্কাজনক অবস্থায় আনোয়ার হোসেন মিন্টা জরুরি বিভাগে আসে। এরপর চিকিৎসা দিয়ে তাকে ভর্তি করানো হয়। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়।’
তিনি বলেন, ‘এছাড়া মো. হামজাকে জরুরি বিভাগে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। হাসপাতালে নেয়ার পূর্বেই তার মৃত্যু হয়েছে। হামজার সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে।’
চুয়াডাঙ্গা সহকারি পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। হামলাকারীরা ঘটনার পরপরই পালিয়ে গেছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।’
এদিকে দুই ভাইয়ের নির্মম হত্যাকাণ্ডে উথলী গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বিজয়পুরে রেললাইনের ওপর লরি উল্টেগিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার(২৮ডিসেম্বর) সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে রেললাইনের ওপর থেকে লরিটি সরিয়ে নিতে না পারায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে অন্তত দুই ঘণ্টা।
কুমিল্লা রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী লিয়াকত আলী মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। একটি পণ্যবাহী লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেললাইনের রেলক্রসিংয়ের ওপর দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয়। যে কারণে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী রেললাইনটি বন্ধ রয়েছে।
কুমিল্লা রেলওয়ে ইনচার্জ মোস্তফা কামাল জানিয়েছেন, আপাতত কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে লরি এবং অটোরিকশা দুটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় ঈদ সালামি দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্ত্রীর দায়ের কোপে আহত হয়েছেন স্বামী তাইজুল ইসলাম।
আহত স্বামী রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত ঈদের দিন (১১ এপ্রিল) উপজেলার নওদাবাস ইউনিয়নের চৌপুতি বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বামী ও স্ত্রী হাতীবান্ধা থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা গেছে, ওই এলাকার মকবুল হোসেনের ছেলে তাইজুল ইসলাম ঈদের দিন সকালে তার ভাতিজাদের ২০ টাকা করে ঈদ সালামি দিতে থাকলে তার স্ত্রী রাশেদা বেগম ২০ টাকার পরিবর্তে ১০ টাকা দিতে বলেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর বাগবিতণ্ডা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ অবস্থায় রাশেদা বেগম দা দিয়ে তার স্বামী তাইজুল ইসলামকে কোপ দেয়। এতে তাইজুলের ঘাড়ের নিচে কেটে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে হাতীবান্ধা হাসপাতাল পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। কিন্তু তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় শনিবার সকালে চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এ ঘটনায় স্বামী তাইজুল বাদী হয়ে স্থানীয় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তাইজুলের স্ত্রী রাশেদা বেগম বলেন, তার স্বামী তাকে মারধর করে ওই দা নিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করেন। এতে তিনি বাধা দিলে ওই দা তার স্বামী ঘাড়ের নিচে লাগে। এ ঘটনায় স্ত্রীও হাতীবান্ধা থানায় পাল্টা একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
হাতীবান্ধা থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) নির্মল চন্দ্র রায় জানান, ঈদের সালামি নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মারামারি হয়েছে। এ ঘটনায় উভয়েই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের আলোকে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


বিবেক হচ্ছে কুমিল্লাস্হ একটি সামাজিক সংগঠন। সমাজের মানুষের সহযোগিতার কল্যাণে এ প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ বছর ধরে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে কাজ করে আসছে।
উক্ত প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান হলেন ইউসুফ মোল্লা টিপু যিনি কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব।
শনিবার ৭ সেপ্টেম্বর বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এর উদ্যোগে বিবেকের একটি টিম কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নের বারেশ্বর গ্রামে অসহায় মানুষের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে এসে দাঁড়িয়েছে।
বন্যায় কুমিল্লার আমড়াতলি ইউনিয়নের একটি পরিবার ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া পরিবারটির ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা নিয়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু ।
সহযোগিতার
হাত নিয়ে বিবেকের এই উদ্যোগ সামনের দিনগুলোতেও চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
আগামী ২১শে ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার শাখার কর্মী সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত দাওয়াতী অভিযান ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বিকালে কচুয়া পৌর বাজারের বিভিন্ন সড়কে গিয়ে বাজার ব্যবসায়ী,পথচারী ও সাধারন মানুষকে দাওয়াত দেন এবং উপস্থিতি কামনা করে লিফলেট বিতরণ করেন নেতাকর্মীরা। পাশাপাশি ২১ ডিসেম্বর শনিবার হযরত শাহ নেয়াতমত শাহ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ কর্মী সম্মেলনকে সফল করতে সকলের দোয়া কামনা করেছেন জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীরা।
এসময় জেলা নায়েবে আমির এডভোকেট মাসুদুল ইসলাম বুলবুল,কচুয়া উপজেলা আমীর এডভোকেট আবু তাহের মেসবাহ,নায়েবে আমির মাষ্টার সিরাজুল ইসলাম,সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী ও পৌর আমীর আমিনুল হক আজহারী সহ অন্যান্যরা দাওয়াতী কাজে অংশগ্রহন করেন।
উল্লেখ্য যে, ২১ ডিসেম্বর শনিবার কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, বালাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, চাঁদপুর জেলা আমীর মাওলানা বিল্লাল হোসেন মিয়াজী,নায়েবে আমীর এডভোকেট মাসুদুল ইসলাম বুলবুল,সেক্রেটারী এডভোকেট শাহজাহান মিয়া,বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী। কর্মী সম্মেলনটি সভাপতিত্ব করবেন, কচুয়া উপজেলা শাখা আমীর এডভোকেট আবু তাহের মেসবাহ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা–৬ (আদর্শ সদর, কুমিল্লা মহানগরী, সদর দক্ষিণ ও সেনানিবাস এলাকা) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মাদ আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) দিনব্যাপী গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, নির্বাচনি অফিস উদ্বোধন ও সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়নের ক্যান্টনম্যান্ট এলাকায় ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। অনুষ্ঠানে কুমিল্লা সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সবুজ, মুফতি মাহবুবুর রহমান, গোলাম আযম জুয়েলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মাদ বলেন, “প্রতিবেশী রাষ্ট্র হবে বন্ধু রাষ্ট্র; বড়সুলভ আচরণ চাই না, চাই সমতা ও ন্যায্যতা। প্রভুত্ব নয়, বন্ধুত্বই স্বাভাবিক সম্পর্কের ভিত্তি।” তিনি জাতি–ধর্ম–বর্ণ নির্বিশেষে দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সুন্দর একটি দেশ গঠনে সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম
সরোয়ার নির্জন হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মামলার এজাহার নামীয় অন্যতম আসামি মো: সাদেককে
গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর)
দিনগত রাতে চকরিয়া থানার ফাসিয়াখালি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে
হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন তিনি।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের চকরিয়ার
মাইজপাড়া এলাকায় মাছ ব্যবসায়ী রেজাউল করিমের বাড়িতে একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে—
এমন সংবাদে লেফটেন্যান্ট তানজিম সরোয়ার নির্জনের নেতৃত্বে যৌথবাহিনীর একটি টিম ঘটনাস্থলে
যায়। এরপর একজন ডাকাতকে আটক করলে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য তার ওপর হামলা করে ডাকাত
দল।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় লেফটেন্যান্ট
তানজিম সরোয়ার নির্জনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন