

ভারতের
পুণের ব্যবসায়ী কেতন অগ্রবাল হত্যা মামলায় অভিযুক্ত সিয়া গয়াল পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে
চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তার ভাষ্য, বিয়ে করতে তিনি রাজি নন—পরিবারের
কাছে এ কথা বলার চেয়ে কেতনকে পথ থেকে সরিয়ে দেওয়াই তার কাছে সহজ কাজ মনে হয়েছিল।
জানা
গেছে, গত ১৮ জুন লোণবলার লোহাগড় দুর্গ থেকে কেতন অগ্রবালকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যার
অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় সিয়া গয়াল ও তার প্রেমিক চেতন চৌধরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে।
তদন্ত
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে সিয়া দাবি করেন, কেতন আলগা চুল ব্যবহার
করতেন, যা তার পছন্দ ছিল না। এ বিষয়ে জানার পরও কেন বিয়েতে রাজি হয়েছিলেন—এমন
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরিবারের সম্মান ও ভাবমূর্তির কথা ভেবেই বিয়েতে মত দিতে
বাধ্য হয়েছিলেন।
পুলিশের
জিজ্ঞাসাবাদে সিয়া আরও দাবি করেন, তিনি কেতনকে জানিয়েছিলেন যে তাকে বিয়ে করা সম্ভব
নয়। কিন্তু কেতন বিয়ে ভাঙতে রাজি হননি। এরপরই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে তদন্ত
সূত্রে জানা গেছে।
অন্যদিকে
কেতনের বাবা বিশাল অগ্রবাল দাবি করেছেন, তার ছেলে আলগা চুল ব্যবহার করতেন—এ
তথ্য সিয়ার পরিবার আগে থেকেই জানত। এ নিয়ে সিয়া বা তার পরিবারের কোনো আপত্তিও ছিল না।
তাই আগলা চুলের কারণে হত্যার দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে
তদন্তে আরও জানা গেছে, সিয়া ও চেতনের সম্পর্কের বিষয়ে তার পরিবার আগে থেকেই জানত। তবে
আর্থিক অবস্থার পার্থক্যের কারণে পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। তদন্তকারীদের ধারণা,
চেতনের কাছ থেকে সিয়াকে দূরে রাখতে কেতন অগ্রবালের সঙ্গে বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু
শেষ পর্যন্ত সেই ঘটনার পরিণতি ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে গড়ায়।
পুলিশ
জানিয়েছে, মামলার প্রকৃত কারণ জানতে সিয়া ও চেতনকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি
সিয়ার ভাই সাহিল গয়ালকেও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
মন্তব্য করুন


কেন্দ্রীয় ব্যাংক একীভূতকরণ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করেছিলো ।
আর সে নীতিমালাটি জারি করার পর এবারই সর্বপ্রথম পাঁচটি ব্যাংককে একসাথে করা হচ্ছে।
সোমবার (১৫ এপ্রিল) এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক জানান, কেন্দ্রীয়
ব্যাংক প্রথমত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিডিবিএল, বেসিক, পদ্মা ও ন্যাশনাল ব্যাংকের
বাহিরে নতুন কোনো ব্যাংককে আপাতত একীভূত করবে না আর পরবর্তী সময়ে অন্য কোনো ব্যাংক
একীভূত করা হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত এখনও নেয়া হয়নি।
এ সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বেসরকারি খাতের শরিয়াহভিত্তিক এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে নাজুক
পদ্মা ব্যাংক একীভূত হওয়ার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই হয়।
এদিকে ব্যাংক একীভূতকরণ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে,
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালার আলোকে দুর্বল (খারাপ অবস্থা) থাকা ব্যাংকগুলো নিজ থেকে
একীভূত না হলে বাধ্যতামূলকভাবে একীভূত করা হবে। তবে তার আগে দুই ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা স্মারকে সই করতে হবে।
আর এর পরবর্তী ধাপে আমানতকারী, পাওনাদার ও বিনিয়োগকারীর অর্থ ফেরতের পরিকল্পনা
জমা দিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তারপর বহিঃনিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংকের
সার্বিক আর্থিক চিত্র বের করবে।
এ সবগুলো ধাপ শেষে আদালতের কাছে একীভূতকরণের আবেদন করতে হবে।
একীভূতকরণে কোনো ব্যাংক মূলধন ও তারল্য ঘাটতি, খেলাপি ঋণ, সুশাসনের ঘাটতি এবং
আমানতকারীদের জন্য ক্ষতিকর কার্যকলাপের কারণে পিসিএ ফ্রেমওয়ার্কের আওতাভুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট
ব্যাংক পুনরুদ্ধারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধিনিষেধ মানতে হবে। পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা
বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে আমানতকারীর স্বার্থে ব্যাংক বাধ্যতামূলক একীভূতকরণ হবে। একীভূতকরণ
প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খল এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার লক্ষ্যে ব্যাংকের অনুসরণের এ নীতিমালা
জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় পশুর হাটে বেশি দামে বিক্রির আশায় ছাগলকে জোরপূর্বক পানি খাইয়ে
ওজন বাড়ানোর চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। এই অমানবিক ও প্রতারণামূলক ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে
ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে অভিযুক্ত
বাদশা মিয়া ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ।
জানা
যায়, বুধবার (২৪ জুন) উপজেলার রূপসদী উত্তর বাজারের পশুর হাটের পেছনের একটি গলিতে
এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন অসাধু ব্যক্তি একটি নলকূপের
সঙ্গে লম্বা পাইপ যুক্ত করে একের পর এক ছাগলকে জোর করে অতিরিক্ত পানি খাওয়াচ্ছেন।
সাময়িকভাবে ছাগলের ওজন বাড়িয়ে ক্রেতাদের ঠকিয়ে বাড়তি মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যেই
এমন নিষ্ঠুর পন্থা বেছে নেওয়া হয়েছিল।
স্থানীয়দের
অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, অভিযুক্ত বাদশা মিয়া বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আইয়ুবপুর
ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কড়ইকান্দি (ফেরিঘাট) এলাকার বাসিন্দা। ভিডিওটি ভাইরাল
হওয়ার পরপরই পুলিশ তদন্তে নামে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আবদুর রউফ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মূল অভিযুক্ত বাদশা
মিয়াসহ তার সহযোগীকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এই
অমানবিক প্রক্রিয়ার বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞরা।
তাদের মতে, জোর করে অতিরিক্ত পানি পান করানো পশুর স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
এতে পশুর শরীরে অস্বাভাবিক চাপ সৃষ্টি হয় ।
জেলা
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, 'পশুর ওজন বাড়ানোর
উদ্দেশ্যে জোর করে অতিরিক্ত পানি পান করানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।' তিনি আরও জানান,
এভাবে সাময়িকভাবে ওজন বাড়লেও সেটি প্রকৃত ওজন নয়, ফলে সাধারণ ক্রেতারা চরমভাবে প্রতারিত
হন।
এলাকাবাসী
ও হাটে আসা সাধারণ ক্রেতারা ঘটনাটিকে কেবল প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা নয়, বরং প্রতারণার
এক অভিনব কৌশল হিসেবে দেখছেন। তারা এই প্রতারক চক্রের সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে পশুর হাটে এ ধরনের অসাধু কর্মকাণ্ড করার
সাহস কেউ না পায়৷
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধষর্ণের পর গলাকেটে হত্যা মামলার আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে
নির্দোষ দাবি করেছেন স্বপ্না আক্তার। তবে বিচারকের প্রশ্নের জবাবে সোহেল রানা বলেছেন,
আমাকে মাফ করে দেন।
বুধবার
(৩ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন তাদের বিরুদ্ধে
অভিযোগ পড়ে শোনান। তখন তারা ন্যায় বিচার চেয়ে প্রার্থনা করেন।
এদিন,
কারাগার থেকে দুই আসামিকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। এরপর সকাল ১১ টা ১০ মিনিটে বিচারক
এজলাসে উঠেন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় বিচারক তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ ও ১৬
জনের সাক্ষ্য তাদের পড়ে শুনানো হয়।
এসময়
বিচারক তাদের প্রশ্ন করেন- আপনারা দোষী না নির্দোষ। উত্তরে স্বপ্না নিজেদের নির্দোষ
দাবি করে বলেন, আমি কিছু করি নাই, আমি নির্দোষ।
তবে
সোহেল রানা বলেন, স্যার আমি নির্দোষ। খালাস চাই। আমাকে মাফ করে দেন। আমার সাথে ডলার
ছিল। সেটা কেউ দেখে নাই। তাকে ধরেন, স্যার (বিচারক)। সেও তো দোষী। এরপর আদালত যুক্তিতর্ক
উপস্থাপনের জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার দিন নির্ধারণ করেন।
গত
১ জুন পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় বাদী আবদুল হান্নান মোল্লাসহ
১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। পরদিন ১৬ জনের সাক্ষ্য
নিয়ে করে সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল।
গত
২৪ মো আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র
জমা দেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। এরপর চার্জশিটটি
আমলে গ্রহণ করে বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেওয়া
হয়। একইদিন ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন অভিযোগ পত্র
আমলে নিয়ে নিয়ে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১ জুন দিন ধার্য করেন।
মামলার
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশু রামিসা আক্তার পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয়
শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না
আক্তার তাকে কৌশলে তার ফ্ল্যাটের রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে
রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকলে একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে তার
জুতা দেখতে পান।
ডাকাডাকির
পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে
প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসা আক্তারের মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের
ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। আসামি স্বপ্না আক্তারকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা
অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তার স্বামী আসামি মো. সোহেল রানা
(৩০) হীন কামনা চরিতার্থ করার জন্য রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ
করে গলা কেটে হত্যা করেছে।
এ
ঘটনায় ১৯ মে শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুইজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা
দায়ের করেন। মামলার দায়েরের প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোহেল রানাকে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ২০ মে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল
রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একইদিন আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে
কারাগারে পাঠানো হয়।
মন্তব্য করুন


বৈশাখের প্রথম দিনে অন্যদিনের চেয়ে তাপমাত্রা একটু বেশি থাকবে আর সাথে সঙ্গী
হবে অস্বস্তি- এসব আগেই জানিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর।
কিন্তু এমন পূর্বাভাসের মধ্যে সকালে কিছুটা মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশ থাকলেও বেলা বাড়ার
সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজ বাড়তে থাকে আর এরইমধ্যে তাপপ্রবাহের বিস্তার ঘটতে পারে বলে পূর্বাভাস
মিলেছে।
রোববার (১৪ এপ্রিল) আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে দেয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের
বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তার কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ
দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
সারাদিনর আবহাওয়ার অবস্হা নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর আরো জানায়, আজকের দিনে এ অবস্থায়
অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। আর নীলফামারি ও
নেত্রকোনা জেলাসহ রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে
মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাবে।
এ সময় দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
সোমবার (১৫ এপ্রিল) একই ধরনের আবহাওয়া পরিস্থিতি থাকলেও মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল)
রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা
বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। পাশাপাশি বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টিরও
শঙ্কা রয়েছে। তবে তাপপ্রবাহ অন্যান্য এলাকায় অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


হবিগঞ্জে
ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এতে উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন।
বুধবার
(৩ জুন) সকালে সদর উপজেলার লোকড়া ইউনিয়নের কাশীপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত
কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা
জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে কাশীপুর গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে প্রীতি
ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। সেখানে ২-০ গোলে ব্রাজিল হেরে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি
হয়।
পরে
স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। সকালে আবারও খেলা নিয়ে তর্কে জড়ায় দুই পক্ষ। পরে
দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় উভয়পক্ষ।
ঘণ্টাব্যাপী
সংঘাতে দুই পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
আনে।
মন্তব্য করুন




আগামী ৩ থেকে ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৪।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩ মার্চ সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের শাপলা হলে তিন দিনের এ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন । মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন। আর কর্মঅধিবেশনগুলো ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ডিসি সম্মেলন উপলক্ষ্যে ব্যস্ততম সময় পার করছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাঠ প্রশাসন) আমিন উল আহসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নতুন সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী মাঠ কর্মকর্তাদের নতুন করে নির্দেশনা দেবেন। তার বক্তব্য এবং নির্দেশনা মাঠ প্রশাসনে দায়িত্বপালন অধিক প্রেরণা হিসাবে কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ডিসিরা মুক্ত আলোচনায় অংশ নেবেন। জানাবেন তাদের সমস্যাগুলো। কাজ করতে গিয়ে কী ধরনের সংকট মোকাবিলা করতে হয় তাও তারা জানাবেন প্রধানমন্ত্রীকে।
তিনি আরো বলেন, নতুন সরকারের মন্ত্রীরা মাঠ প্রশাসনে কর্মরত ডিসিদের নির্দেশনা দেবেন। মন্ত্রণালয়ের কাজে ডিসিদের গাইডলাইন দেবেন। তাদের পরামর্শ এবং নির্দেশনায় ডিসিদের দায়িত্ব পালনে নতুন করে প্রেরণা পাবেন। সমস্যা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করবেন। ডিসিরা কাজ করতে গিয়ে নানা ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। সেগুলো তারা তুলে ধরবেন সম্মেলনে। মাঠের কাজে অনেক সমস্যা ডিসিদের নজরে আসে। সেগুলো যাচাই-বাছাই কর সম্মেলনের বিভিন্ন কর্ম অধিবেশন আলোচনা করা হয় এবং সমাধানের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।
তিন দিনের সম্মেলনের পর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীগণ এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন। সমাপনী দিবসে মন্ত্রিপরিষদ সচিব গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন।
মন্তব্য করুন


সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলির সঙ্গে বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)। এ সময় বন্যা পরবর্তী কৃষি পুনর্বাসনে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা।
সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দপ্তরে এই বৈঠক হয়। সাক্ষাৎকালে দু'দেশের মধ্যে মানবপাচার প্রতিরোধ, কৃষি পুনর্বাসন ও বীমা, পুলিশ বাহিনীর পুনর্গঠন ও সংস্কার, মানিলন্ডারিং ও দুর্নীতি প্রতিরোধ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূত এ মুহূর্তে উপদেষ্টার অগ্রাধিকারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বন্যা পরবর্তী কৃষি পুনর্বাসনই এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার ও চ্যালেঞ্জ। উপদেষ্টা এসময় কৃষি পুনর্বাসনে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা মানবপাচার প্রতিরোধে বিদ্যমান সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে চাই। তিনি বন্যা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় কৃষকদের সক্ষমতা ও সামর্থ্য বৃদ্ধিতে কৃষি ক্ষেত্রে বীমা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের কৃষকগণ এখনো এ বিষয়ে খুব বেশি আগ্রহী নয়। ভবিষ্যতে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন বেশ বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছ। যে কারণ বন্যাসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি এসব সমস্যা সমাধানে কৃষকদের নিকট গ্রহণযোগ্য ও উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের পরামর্শ দেন।
রাষ্ট্রদূত জানান, পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে সুইজারল্যান্ডের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাংলাদেশ এ সুযোগকে কাজে লাগাতে পারে।
এসময় উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তিনি বাংলাদেশে মানবাধিকার সুউচ্চ ও সমুন্নত রাখতে সুইজারল্যান্ডের সহায়তা চান।
রাষ্ট্রদূত বলেন, আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বাংলাদেশে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ও পাচার হওয়া টাকা দেশে ফেরত আনতে সহযোগিতা করবে সুইজারল্যান্ড।
স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা
লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের অধিকার, সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা
করতে বদ্ধপরিকর। শুধু স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা হিসেবে নয়, একজন সাধারণ নাগরিক ও সেনাবাহিনীর প্রাক্তন
সদস্য হিসেবে আমি বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার চাই। সঠিকভাবে এ হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত
ও ন্যায়বিচার প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু করা হবে।
মন্তব্য করুন


ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
বলেছেন, দেশের দুর্যোগ দুর্দিনে এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশবাসীর কল্যাণে পাশে আছে
এবং থাকবে। বন্যায় যাদের ঘর ভেসে গেছে, তাদের নতুনভাবে ঘর করে দেওয়া হবে।
আজ (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে লক্ষ্মীপুর
জেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমটুয়া আল আরাবিয়া দারুল উলুম মাদরাসা মাঠে বানভাসিদের
মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, বন্যায় যারা অত্যন্ত
ক্ষতিগ্রস্ত, যাদের ঘর পানিতে মিশে গেছে, যারা রাস্তার ওপর থাকছেন তাদের ছোটখাটো বাড়ি
করে দেওয়া হবে।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, লক্ষ্মীপুর,
ফেনী ও নোয়াখালীতে বন্যাদুর্গতদের সাহায্যে আলেম সমাজ ঝাঁপিয়ে পড়েছে। তারা মাঠে ময়দানে
গিয়ে সাহায্য করছেন। ফেনী মুহুরি নদীর দিকে বেসরকারি উদ্যোগে এক কোটি টাকা খরচ করে
বাঁধ তৈরি করা হচ্ছে। সরকারি উদ্যোগেও কাজ চলছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা এ বিপদ থেকে উদ্ধার
হতে পারবো। আমরা আল্লাহর সাহায্য কামনা করি।
আল-মানাহিল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ আয়োজন
করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রামের জামিয়া ইসলামিয়া জিরির মুতামিম মাওলানা
খোবাইন বিন তৈয়ব, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ
তারেক বিন রশিদ ও কমলনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ
প্রমুখ।
আয়োজকরা জানায়, আল-মানাহিল ফাউন্ডেশনের
উদ্যোগে বন্যায় দুর্গত ৫০০ পরিবারে মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে দুই শতাধিক
মানুষের মাঝে শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৬১০ কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের আড়ালে ধ্বংস করা হয়েছে শতবর্ষী ২টি পুকুর ও ২২ একর প্রাকৃতিক জলাশয়। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও পলাতক, হত্যা মামলার আসামী আবু জাহের রাতের আঁধারে গোমতী নদীর মাটি কেটে এই জলাধার ও পুকুর ভরাট করেন—যা পরিবেশ আইন ও প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।
আইনের অপমান
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন ২০০০ অনুযায়ী, কোনো পুকুর, খাল, নদী কিংবা প্রাকৃতিক জলাশয় ভরাট করা সম্পূর্ণ বেআইনি। কিন্তু কারাগারের অভ্যন্তরের পুকুরসহ ২২ একর জলাশয় বুলডোজারের নিচে চাপা পড়েছে নিরব প্রত্যক্ষদর্শীদের সামনে।
ঐতিহাসিক জলাধার, আজ শুধু স্মৃতি
ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৬৭ একর জমির মধ্যে দুটি পুকুর ও একটি ২২ একরের বিশাল জলাশয় রয়েছে। একসময় এ জলাশয়ে হাজারো অতিথি পাখির সমাগম হতো। পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছিল। এসব পুকুরে কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দও গোসল করেছিলেন—স্মৃতি হিসেবে সেই ছবিও সংরক্ষিত আছে।
কিন্তু এখন সেই পুকুরগুলোর দুটি সম্পূর্ণভাবে ভরাট, অপরটি আংশিকভাবে ভরাটের প্রক্রিয়ায়। আর বিশাল জলাশয়টি রাতারাতি মাটি ফেলে সমতল করা হয়েছে।সেখানে গড়ে উঠেছে দশতলা চারটি ভবন।
ক্ষমতার ছত্রছায়ায় কাজ
সূত্র মতে, কারাগারের এই উন্নয়ন কাজটি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় প্রভাব খাটিয়ে সাবেক এমপি আবু জাহের ও তার ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। জলাধার ভরাটের ঠিকাদার ছিলেন আবু জাহের নিজেই। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের অধিকাংশ অর্থাৎ কোটি কোটি টাকার কাজ তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে দখলে রেখেছেন।অধিকাংশ কাজ এখনো চলমান রয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর নির্লিপ্ত?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের কুমিল্লা অঞ্চলের উপ-পরিচালক মুসাব্বির হোসেন মোহাম্মদ রাজিব জানান, “আমরা কারা কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি। বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ পর্যন্ত গিয়েছে। কাজ বন্ধের সিদ্ধান্ত আছে, তবে তারা আমাদের অনুমতি না নিয়েই জলাশয় ভরাট করেছে।”
গণপূর্ত বিভাগ দায় এড়ালো
গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ৬১০ কোটি টাকার প্রকল্পটি তাদের তত্ত্বাবধানে হলেও জলাধার ভরাটের বিষয়ে তিনি বলেন,খতিয়ান নাল জমি উল্লেখ আছে। “পুকুর ভরাটের জায়গার কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে, তবে কারা কর্তৃপক্ষ ভালো বলতে পারবে।”
কর্তৃপক্ষের নীরবতা
সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুনের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে রিজার্ভ গার্ডের প্রধান কারারক্ষী জানান, তিনি ব্যস্ত। পরে তাঁর সরকারি নম্বরে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। একইভাবে জেলার আব্দুল্লাহ আল-আমিনের নম্বরেও যোগাযোগ করা হলে সাড়া মেলেনি।
এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনা এবং প্রাকৃতিক জলাধার রক্ষার দাবিতে পরিবেশবাদী ও সচেতন মহল সরব হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মন্তব্য করুন