

সংবিধানের
বহুল আলোচিত ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সংশোধিত বিধান অনুযায়ীই
ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন
আহমদ।
বৃহস্পতিবার
(২০ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, ৩৫ বছর পরে সাংবিধানিক মতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হচ্ছে। এখানে বিরোধী দলের পক্ষ
থেকেও প্রার্থী আছে, সরকারি দলের পক্ষ থেকেও আছে। মাঝে অনেকবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়
নির্বাচন হয়েছে। গণতান্ত্রিক ধারায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে নির্বাচন হওয়াটা উচিত।
তিনি
বলেন, আশা করি দেশের মানুষ প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক চর্চা দেখতে পাবে এবং এর মধ্য দিয়ে
আমাদের গণতন্ত্রের আবার নতুনভাবে সূচনা হবে।
সংবিধানের
৭০ অনুচ্ছেদের কারণে গণতান্ত্রিক মতপ্রকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে—
বিরোধী দলের এ অভিযোগ প্রসঙ্গে এরপর সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত
যে সংসদীয় কমিটি গঠন করেছি, সেই কমিটিতে বিরোধীদলীয় সদস্যরা এখনও যোগদান করেননি।
ভবিষ্যতে সংবিধানের যে সংশোধনী আসবে, ৭০ ধারাতেও পরিবর্তন আসবে। সেটা জুলাই জাতীয়
সনদে রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েছে।
এসময়
তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এই সংশোধিত ৭০ অনুচ্ছেদের
বিধান অনুযায়ীই অনুষ্ঠিত হবে।
বর্তমান
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দিলে
তার সংসদীয় আসন শূন্য হয়ে যায়। এই বিধানকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক ও
সাংবিধানিক বিতর্ক চলে আসছে এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে এ অনুচ্ছেদ নিয়ে নতুন করে
আলোচনার ঝড় উঠেছে।
মন্তব্য করুন


দেশের ওপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। তবে এমন
অবস্থায় দেশের দুই বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দিনের তাপমাত্রা
বাড়বে বলেও আভাস দিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী
৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানায়, সোমবার ও বুধবার চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের
দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই
সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে
আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
তাপপ্রবাহের বিষয়ে বলা হয়েছে, যশোর
ও রাজশাহী জেলা ওপর দিয়ে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, নওগাঁ,
পাবনা ও নীলফামারী জেলাসহ খুলনা বিভাগের অবশিষ্টাংশের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে
যাচ্ছে। ময়মনসিংহ, মৌলভীবাজার, রাঙামাটি, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও বান্দরবান জেলাসহ
ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর বিভাগের অবশিষ্টাংশ এবং বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি
ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
আর আগামী বুধবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহ
অব্যাহত থাকবে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আজ (১১ নভেম্বর ৪)
আর্টিলারি সেন্টার এন্ড স্কুল (এসিএন্ডএস), হালিশহর, চট্টগ্রামে রেজিমেন্ট অব
আর্টিলারির ৪৩তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন ২০২৪ এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন সম্মানিত সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি,
পিএসসি। সেনাবাহিনী প্রধান আর্টিলারি সেন্টার ও স্কুল এ পৌঁছালে তাকে জিওসি, আর্মি
ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার,
চট্টগ্রাম এরিয়া এবং কমান্ড্যান্ট, আর্টিলারি সেন্টার ও স্কুল অভ্যর্থনা জানান।
বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে
সেনাবাহিনী প্রধান উপস্থিত রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির অধিনায়ক ও অন্যান্য
কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির
গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় অবদানের কথা উল্লেখ করেন। সেই সাথে
আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা অর্জন করে একবিংশ শতাব্দীর কঠিন
চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার জন্য রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির সকল সদস্যদের
প্রতি আহবান জানান।
এছাড়া, রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে সেনাবাহিনী প্রধান এ রেজিমেন্টের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে সম্মানিত সেনাবাহিনী প্রধান নবগঠিত 'আর্মি এয়ার ডিফেন্স কোর' হতে জ্যেষ্ঠতম ইউনিট অধিনায়ককে সোল্ডার টাইটেল ও ক্যাপ ব্যাজ দ্বারা অলংকৃত করেন।
এছাড়াও, তিনি পরিচালক, এডহক
আর্মি এয়ার ডিফেন্স পরিদপ্তর এর নিকট নবগঠিত 'আর্মি এয়ার ডিফেন্স কোর' এর পতাকা
হস্তান্তর করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর সকল আর্টিলারি ব্রিগেডের কমান্ডারগণ, আর্টিলারি ইউনিটসমূহের অধিনায়কগণ
এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, সেনাবাহিনী প্রধান
চট্টগ্রামের ভাটিয়ারী-হাটহাজারী লিংক রোড সংলগ্ন খিল্লাপাড়ায় ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট
আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এই
হাসপাতাল নির্মাণ সুদক্ষ চিকিৎসক তৈরীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য
এবং তাদের পরিবারবর্গের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে
জিওসি, আর্টডক; জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন; সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ;
আর্মি মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রামের অধ্যক্ষ, চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, ফ্যাকাল্টিগণ,
ছাত্র-ছাত্রী ও বিভিন্ন পদবীর সেনাসদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


উপবৃত্তির
জন্য স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা ব্যক্তিগত
তথ্যের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে রূপালী ব্যাংক পঞ্চগড় শাখার এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত
কর্মকর্তা তারেক মাহমুদ অ্যাকাউন্ট খোলার ফর্মে দেওয়া মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে একাধিক
ছাত্রীকে গভীর রাতে হোয়াটসঅ্যাপে অডিও-ভিডিও কল ও মেসেজ দিয়ে ইভটিজিং ও সাইবার বুলিং
করতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিষয়টি
জানাজানি হওয়ার পর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। পরে
কলেজ প্রশাসন ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানালে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কর্মকর্তাকে বদলি
করা হয়।
ভুক্তভোগী
শিক্ষার্থী ও কলেজ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীদের
উপবৃত্তির অর্থ বিতরণের লক্ষ্যে স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার কার্যক্রম পরিচালনা করে
রূপালী ব্যাংক পঞ্চগড় শাখা। এ সময় নির্ধারিত ফরমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নাম ও মোবাইল
নম্বরসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের
অভিযোগ, অ্যাকাউন্ট খোলার কিছুদিন পর থেকেই রূপালী ব্যাংকের ওই কর্মকর্তা তাদের ব্যক্তিগত
মোবাইল নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠাতে শুরু করেন। পরবর্তীতে গভীর রাতে ভিডিও ও
অডিও কল করে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও বিরক্ত করতেন। একই ধরনের ঘটনার শিকার হন কলেজের
একাধিক ছাত্রী। এতে বিব্রত ও আতঙ্কিত হয়ে তারা বিষয়টি কলেজের শিক্ষকদের জানান ।
পঞ্চগড়
সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ বলেন, রূপালী ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা আমাদের
কলেজের অনেক শিক্ষার্থীকে রাতের বেলায় ভিডিও-অডিও কল দিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতেন।
একটি ব্যাংক থেকে ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে একজন ব্যাংক কর্মকর্তা কীভাবে এই ধরনের ইভটিজিং
ও সাইবার বুলিং করতে পারেন? বিষয়টি রূপালী ব্যাংক পঞ্চগড় শাখার ব্যবস্থাপককে জানানো
হয়েছে।
এ
বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা তারেক মাহমুদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,
এ বিষয়ে ব্রাঞ্চে যোগাযোগ করুন। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরপরই তিনি ফোন কেটে দেন।
পরবর্তীতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।
রূপালী
ব্যাংক পঞ্চগড় শাখার ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার রায় জানান, পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজ
থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। প্রাথমিক
পদক্ষেপ হিসেবে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বদলি করা
হয়েছে।
এ
বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানার ওসি (তদন্ত) আশীষ কুমার বলেন, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায়
কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


অস্ট্রিয়ার
বিপক্ষে ম্যাচে জোড়া গোল করে ইতিহাস গড়ার পাশাপাশি আরও ৪টি রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন
৩৮ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি, যেগুলোকে স্বীকৃতি দিয়েছে গিনেজ ওয়ার্ল্ড
রেকর্ডবুকও।
অস্ট্রিয়ার
বিপক্ষে জোড়া গোলের পর বিশ্বকাপে মেসির মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮। এর মাধ্যমে
তিনি জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে এককভাবে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ
গোলদাতার আসনে বসেছেন। শুধু তাই নয়, নারী ও পুরুষ মিলিয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৭ গোল
করা ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি মার্তার রেকর্ডকেও পেছনে ফেলেছেন তিনি। ২০০৬ সালে বিশ্বকাপ
অভিষেকের পর ছয়টি আসরে অংশ নেওয়া আর্জেন্টিনা অধিনায়কের এটি ছিল বিশ্বকাপে ১৮তম
জয়। এই অর্জনের মাধ্যমেও তিনি ক্লোসাকে ছাড়িয়ে গেছেন, যিনি এতদিন ১৭টি জয় নিয়ে
শীর্ষে ছিলেন।
ম্যাচসংখ্যার
দিক থেকেও নিজের রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ করেছেন মেসি। কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মান
কিংবদন্তি লোথার ম্যাথিউসের ২৫ ম্যাচের রেকর্ড ভাঙার পর আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে
মাঠে নেমে বিশ্বকাপে এখন তাঁর মোট ম্যাচসংখ্যা ২৮। এছাড়া খেলার সময়ের দিক থেকেও নিজের
আধিপত্য বজায় রেখেছেন তিনি। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পুরো ম্যাচের কাছাকাছি খেলায় বিশ্বকাপে
তাঁর মোট খেলার সময় দাঁড়িয়েছে ২,৪৮৯ মিনিট। এর আগে কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালেই তিনি
ইতালির কিংবদন্তি পাওলো মালদিনির ২,২১৭ মিনিটের রেকর্ডটি ভেঙে দিয়েছিলেন।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বার্তায় দেশবাসীকে সালাম জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমাদের তরুণ বিপ্লবীরা দেশের মানুষের মনে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন জাগিয়ে দিয়েছে তা পূরণে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। শহীদদের আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হয়ে এক নতুন যুগের সূচনা করতে চাই।
ড.
মুহাম্মদ ইউনূস আরো বলেছেন, আজ আমরা বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জনের প্রথম মাস
উদযাপন করছি। ইতিহাসের অন্যতম গৌরবময় বিপ্লবের জন্য শত শত ছাত্র এবং সর্বস্তরের মানুষ
সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আমাদের বাংলাদেশকে এর পূর্ণ গৌরবে প্রতিষ্ঠিত করার
দায়িত্ব আমাদের।
তিনি বলেন, আমি সেই সাহসী তরুণ, শ্রমিক, দিনমজুর, পেশাজীবীদের স্মরণ করছি যারা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছিল। স্মরণ করছি আন্দোলন চলাকালে নিহত সাংবাদিকদের। আজ আমি এই বিপ্লবে শাহাদাত বরণকারী সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। আমি অভিবাদন জানাই হাজার হাজার মানুষকেও যারা আহত হয়েছেন, প্রাণঘাতী আঘাতের শিকার হয়ে চিরজীবনের জন্য পঙ্গু হয়েছেন, কিংবা চক্ষু হারিয়েছেন।
গত মাসে আমাকে যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তখন আবু সাঈদ, মুগ্ধ এবং সমস্ত জানা এবং অজানা শহীদদের নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমার সকল সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।’
ড. ইউনূস বলেন, ‘আমার প্রিয় তরুণেরা, তোমরা তোমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের শপথ নিয়েছিলে। শহর ও গ্রামীণ জনপদের দেয়ালে আঁকা তোমাদের স্বপ্নগুলো এখনো নানা রঙের সাজ নিয়ে আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।’
তিনি আরো বলেন, বিপ্লবের সময়, তোমরা পড়াশুনা ছেড়ে দিয়ে বন্ধুদের নিয়ে উদ্বিগ্ন ঘুমহীন রাত কাটিয়েছো এবং দিনে নিষ্ঠুর শাসনকে প্রতিহত করার জন্য পরস্পরের থেকে চির বিদায় নিয়ে রাস্তায় নেমেছো। বিপ্লব শেষ হওয়ার পর তোমরা দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও তাদের উপাসনালয় পাহারা দিয়েছো এবং সারাদেশে ট্রাফিক পরিচালনা করার দায়িত্ব নিয়েছো। আমি জানি তোমাদের পড়াশোনার অনেক ক্ষতি হয়েছে। তাই এখন সময় পড়াশোনায় ফেরার। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হয়েছে। আমি তোমাদেরকে ক্লাস ও ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। কেননা বিপ্লবের সুফল ঘরে তুলতে আমাদের একটি সুশিক্ষিত ও দক্ষ প্রজন্মের দরকার।
তিনি বলেন, মাত্র একমাস হলো অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। তা সত্ত্বেও আমরা বিপ্লবের প্রকৃত লক্ষ্য অর্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের কাজ শুরু করেছি। আমাদের প্রথম কাজ জুলাই ও আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। গণহত্যার বিষয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করার জন্য আমরা জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তারা এদেশে এসেছেন এবং তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের প্রধান দায়িত্বগুলির মধ্যে একটি হল বিপ্লবের সময় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হাজার হাজার মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করা। হাসিনার দুর্বৃত্তরা তাদের চোখ লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ছোড়ায় অসংখ্য তরুণ শিক্ষার্থী দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করবো তাদের চোখের আলো ফিরিয়ে দিতে। আমরা শহীদ ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির জন্য ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছি। মূল তালিকা হয়ে গেছে। এখন শুধু দূর-দূরান্তে যাদের লাশ নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাদের তথ্য সংগ্রহ করে তথ্যগুলিতে পূর্ণাঙ্গতা দেওয়া হচ্ছে। আহত শত শত মানুষ যাদের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা প্রয়োজন, তাদের ব্যয়বহুল চিকিৎসা এবং শহীদদের পরিবারের দেখাশোনার জন্য একটি ফাউন্ডেশন এখন তৈরির শেষ পর্যায়ে আছে। যাদের শাহাদাতের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে আমরা তাদের কখনোই ভুলবো না।
ড.
মুহাম্মদ ইউনূস সবশেষে বলেন, আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা নিলাম শহিদদের রক্ত এবং আহত ভাইবোনদের
আত্মত্যাগকে জাতি হিসাবে আমরা কিছুতেই ব্যর্থ হতে দেবো না। যে সুযোগ তারা আমাদের জন্য
তৈরি করে দিয়েছেন সে সুযোগকে আমরা কখনো হাতছাড়া হতে দেবো না। আজ তাদের স্মৃতিময় দিনে
আবারও প্রতিজ্ঞা করলাম তাদের স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ আমরা গড়বোই। মহান আল্লাহ আমাদের
সকলের সহায় হোন।
মন্তব্য করুন


বগুড়ায়
অজ্ঞাত এক যানবাহনের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা ও মেয়ে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর
আহত হয়েছেন আরও একজন।
সোমবার
(২৫ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে শাজাহানপুর উপজেলার বনানী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা
হলেন আনিছুর রহমান (৩৫) ও তার মেয়ে আয়শা খাতুন (৪)। আহত পুষ্পা আক্তার (২৮) নিহত আনিছুরের
স্ত্রী। তারা পাবনা জেলার সুজানগর থানার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা।
বগুড়া
ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম জানান, রংপুরে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকে কর্মরত
আনিছুর রহমান তার স্ত্রী আয়েশা বেগম এবং মেয়ে পুষ্পকে নিয়ে ঈদের ছুটিতে মোটরসাইকেলে
গ্রামের বাড়ি পাবনায় যাচ্ছিলেন। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার বনানী
এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাত এক যানবাহনের ধাক্কায় তারা মোটরসাইকেল থেকে মহাসড়কের ওপর ছিটকে
পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই বাবা ও মেয়ের মৃত্যু হয় এবং আয়েশা বেগম আহত হন।
খবর
পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা সকাল ৭টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার
করেন এবং আহত পুষ্পা আক্তারকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি
করেন।
শাজাহানপুর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল বলেন, দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি
ফুটেজ দেখে অজ্ঞাত যানবাহনটি শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহের
ধোবাউড়া উপজেলায় নিছামনি নামের এক শিশুকে দলবেঁধে ধর্ষণ ও নদীতে ফেলে হত্যা মামলায়
তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার
(৯ জুলাই) দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সুদীপ্তা সরকার এ রায় ঘোষণা
করেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বজলুল করিম চৌধুরী জানিয়েছেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
আসামিরা হলেন- আরিফ মিয়া (১৯), হাসান রাকিব (২০) এবং আবু সাইম (১৮)। এই তিন আসামিকে
মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা করে জরিমানা দিয়েছেন বিচারক।
অন্যদিকে
এ মামলায় অপ্রাপ্তবয়স্ক একজনকে (১৬) দশ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন
দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ। পৃথক দুটি আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে
এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।
মামলার
বিবরণে বলা হয়, গত ১৪ জুন বিকালে ধোবাউড়ায় শিশু নিছামনিকে দলবেঁধে ধর্ষণের পর নদীতে
ফেলে হত্যা করা হয়। পরদিন নিছামনির বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে
ধোবাউড়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
এরপর
পুলিশের অভিযানে চার আসামি গ্রেপ্তার করা হয়। তারা ঘটনায় সম্পৃক্তত থাকার কথা স্বীকার
করে আদালতে জবানবন্দি দেয়। এরই মধ্যে মামলার মাত্র নয়দিনের মাথায় ২৩ জুন চার আসামির
বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এরপর ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও উভয়
পক্ষের শুনানি শেষে ঘটনার ২৫ দিনের মাথায় এ রায় ঘোষণা করা হল।
রায়
ঘোষণার পর নিছামনির বাবা-মা ও স্বজনরা সন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত রায় বাস্তবায়নের দাবি
জানান।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
সাতকানিয়া উপজেলায় বন্যার পানির মধ্যে ভেলায় একটি মরদেহ ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। মৃত ব্যক্তি হলেন কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের
বাসিন্দা মোহাম্মদ ফোরকান (ড্রাইভার)।
ভিডিওটিতে
দেখা যাচ্ছে, কয়েকজন ব্যক্তি কলাগাছের তৈরি একটি অস্থায়ী ভেলায় সাদা কাফনে আবদ্ধ একটি
মরদেহ বহন করে নিয়ে যাচ্ছেন। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়, এবং সেটি বন্যাকবলিত এলাকায়
দাফনের সংকটের চিত্র হিসেবে প্রচারিত হতে শুরু করে।
তবে
স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, ভেলায় মরদেহ বহনের ঘটনাটি সত্য হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
যে তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে, সেটি সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর ও বিকৃত।
স্থানীয়দের
কথায়, গত শুক্রবার ভোরে মোহাম্মদ ফোরকানের মৃত্যু ঘটে। তার স্বজনদের দাবি, মৃত্যুর
পর মরদেহ দাফন করার বিষয়টি তাদের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। বাড়ির চারপাশ এবং
পুরো এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়ে যাওয়ায় কবরস্থানে মরদেহ নেওয়ার স্বাভাবিক কোনো
ব্যবস্থা ছিল না।
এদিকে,
আশেপাশে দাফনের উপযোগী শুকনো জায়গাও পাওয়া যায়নি। পরে স্বজন ও স্থানীয়দের সহযোগিতায়
কয়েকটি কলাগাছের মাধ্যমে একটি অস্থায়ী ভেলা তৈরি করা হয়। সেই ভেলায় মরদেহ কবরস্থানে
নেওয়া হয়। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে সেখানে জানাজা শেষে মরদেহ দাফন কার্যটি সম্পন্ন করা হয়।
এ
বিষয়ে সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন,
ঘটনাটি সত্য, তবে ভিডিওটি ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। ওই ব্যক্তি মাছ ধরতে গিয়ে স্ট্রোক
করে মারা যান। তখন সেখানে কোনো নৌকা ছিল না। তারা যে ভেলায় মাছ ধরছিলেন, সেই ভেলাতেই
মরদেহটি বাড়িতে নিয়ে যান। পরে জানাজার পর স্বাভাবিক নিয়মে দাফন কার্য সম্পন্ন করা হয়।
ইউএনও
আরও জানান, ভিডিওটি এমনভাবে প্রচার করা হয়েছে যেন বন্যার কারণে মাটি না পেয়ে মরদেহ
ভেলায় ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে, অথবা প্রশাসনের কোনো সহযোগিতা ছিল না। আসলে, এমন কিছু ঘটেনি।
মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে "ভিউ ব্যবসা" বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ঘটনাটিকে বিকৃতভাবে
উপস্থাপন করা হয়েছে।
তিনি
জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি ফ্যাক্ট-চেক করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে তিনি সকলকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রচারের আগে যাচাই-বাছাই করে
নেওয়ার আহ্বান জানান।
এদিকে,
সাতকানিয়ায় বন্যাকে কেন্দ্র করে উপজেলা প্রশাসন আরও তিনটি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
ইউএনও জানান, বাজালিয়া ইউনিয়নে বন্যার পানির প্রবল স্রোতে একটি কবরস্থানের বেশ কয়েকটি
কবর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরে সেখান থেকে স্থানান্তরিত হওয়া তিনটি মরদেহ স্থানীয়রা অন্য
একটি নিরাপদ কবরস্থানে পুনরায় দাফন করেন।
মন্তব্য করুন


দেশে
আবারও পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ
এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে এ
ঘোষণা দেন।
চলতি
জুন মাস থেকেই নতুন দর কার্যকর হবে।
নতুন
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে
গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুতের সঞ্চালন (ট্রান্সমিশন) চার্জ
২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
নতুন
ট্যারিফ অনুযায়ী, গ্রাহক পর্যায়ে বিভিন্ন শ্রেণির বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য ভিন্ন
হারে দাম বাড়ানো হয়েছে।
এর
মধ্যে লাইফলাইন গ্রাহকদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১৫ শতাংশ এবং অন্যান্য শ্রেণিতে সর্বোচ্চ
১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে।
গ্রাহক
পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের গড় দাম ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ
করা হয়েছে। বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য হার ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা
বলছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় বৃদ্ধি এবং খাতটির আর্থিক চাপ মোকাবেলায় এই মূল্য
সমন্বয় করা হয়েছে।
তবে
নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের বিদ্যুৎ ব্যয় বাড়বে, যা সামগ্রিকভাবে
জীবনযাত্রার ব্যয় ও উৎপাদন খরচে প্রভাব ফেলতে পারে।
গত
২০ ও ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিইআরসির গণশুনানিতে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কম্পানি খুচরা
পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।
বিপিডিবি ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮
পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব করে।
মন্তব্য করুন


আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হলে নির্বাহী
বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আলাদা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ
রেফাত আহমেদ।
আজ শনিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে সুপ্রিম
কোর্ট বার আয়োজিত নবীন আইনজীবীদের কর্মশালায় এ কথা বলেন প্রধান বিচারপতি।
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
বলেন, বিচারপতি অপসারণে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন হয়েছে; যা আগে পার্লামেন্টের
কাছে ছিল। বিচার বিভাগ আলাদা করার জন্য সরকারকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক
স্বশাসন বিচার বিভাগের স্বাধীনতার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। নবীন আইনজীবীরা বিচারবিভাগের মর্যাদা
সমুন্নত রাখতে সচেষ্ট হতে হবে। সাম্প্রতিক আদালত অঙ্গনে ঘটে যাওয়া ঘটনায় আইনজীবীদের
আরও দায়বদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে। সার্বিকভাবে বিচারবিভাগ বার ও বেঞ্চের সমন্বয়ে এগিয়ে
যাবে।
এ সময় চট্টগ্রামে আইনজীবী আলিফ হত্যার
ঘটনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে ৫ আগস্ট ঘিরে আন্দোলনে নিহত আহতদের নিয়ে বিশেষ
দোয়া হয়। উল্লেখ্য, আজকের কর্মশালায় চট্টগ্রামের আইনজীবী আলিফেরও থাকার কথা ছিলো।
এসময় আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি
জুবায়ের রহমান চৌধুরী, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। অ্যাটর্নি জেনারেল
মো. আসাদুজ্জামান , সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি মাহবুব উদ্দিন খোকন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী
ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সারা দেশ থেকে প্রায়
এক হাজার ৫০০ নবীন আইনজীবী যারা বারে নতুন সদস্য হয়েছেন তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন