

জুলাই
গণঅভ্যুত্থানকেন্দ্রিক প্লাটফর্ম ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা-৮
আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে ঢাকা মেডিকেল
কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানী বিজয়নগরের কালভার্ট এলাকায় অস্ত্রধারীরা তাকে
গুলি করে। তখনই ওসমান বিন হাদীকে উদ্ধার করে ২টা ৩৫ মিনিটে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা
হয়।
ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের (ডিসি) উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর
রশিদ বলেন, প্রাথমিকভাবে যতটুকু জানা গেছে, দুপুরের দিকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র
ওসমান বিন হাদী এবং তার সঙ্গে আরেকজন রিকশায় করে যাচ্ছিলেন। তাদের রিকশা কালভার্ট রোড
এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল যোগে দুইজন এসে ওসমান হাদীকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে
যায়। বিস্তারিত ঘটনা জানতে চেষ্টা করা হচ্ছে। পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
ঢামেক
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক (আরএস) ডা. মোশতাক আহমেদ মোবাইল ফোনে বাংলানিউজকে
জানান, শরিফ ওসমান হাদীর অবস্থা খুবই গুরুতর। তার মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তিনি এখন
কোমায় (গভীর অচেতনাবস্থায়) আছেন।
এদিকে
ওসমান বিন হাদী গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। ঢামেক হাসপাতালে জড়ো হন জুলাই
অভ্যুত্থানের আন্দোলনকারীরা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এখন শরিফ ওসমান বিন
হাদীর ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি জানাচ্ছেন তারা।
মন্তব্য করুন


সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক বিকেলে শুরু হবে। কমিশনের প্রথম বৈঠক বিএনপির সঙ্গে হবে বলে জানা গেছে।
আজ
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠকে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবেন।
বিএনপি জানিয়েছে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রথম বৈঠকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেবেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর
হোসেন,
কুমিল্লা
প্রতিনিধি:
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ‘নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু।
তিনি বলেন, ‘গ্রাম বাংলার মা-বোনদের সামাজিক বিবর্তন ও সাংস্কৃতিক জাগরণে বেগম খালেদা জিয়ার ব্যাপক ভূমিকায় তিনি (খালেদা জিয়া) নোবেল প্রাইজ পাওয়ার যোগ্য। গ্রাম বাংলার মা-বোনদের সংস্কৃতির যে বিবর্তন তার একমাত্র কারণ খালেদা জিয়া।’
আজ রোববার (২৪ আগস্ট) কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন তিনি। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক এবং কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন।
বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে মেয়েদের বিনা বেতনে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করেছেন। উপবৃত্তির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তখন অনেকে আমাকে বলেছিলেন ‘মেয়েদের ফ্রি লেখাপড়া হচ্ছে, ছেলেদের কী হবে?’ তখন আমি খালেদা জিয়াকে বিষয়টি বললাম, এর উত্তরে তিনি বলেন- ‘আজকে যেসব মেয়ে লেখাপড়া করছে তারাই একদিন মা হবেন। যে পরিবারে মা শিক্ষিত সেই পরিবারের সন্তান শিক্ষিত হয়।’ তার এ যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত মা-বোনদের সামাজিক ও সংস্কৃতিক বিবর্তনে অন্যতম অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। ৯০-এর গণঅভ্যুত্থান খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্বের কারণেই সম্ভব হয়েছিল। সেই অভ্যুত্থানের পর চাইলে সেনাবাহিনী ক্ষমতা নিয়ে যেতে পারত। কিন্তু তারা ক্ষমতা নেয়নি। কারণ আমাদের সেনাবাহিনী দেশপ্রেমিক ও মুক্তিযুদ্ধের বাহিনী। তারপর ১৯৯১ সালে একটি ব্যাপক গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে। যে নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। শেখ মুজিব বাকশাল গঠন করে সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে বাকশাল বহাল না রেখে কেউ কোনো নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে চাইলে রাষ্ট্রপতি বরাবর আবেদন করার কথা বলেন। এরপরই আব্দুল মালেক উকিল প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কাছে আওয়ামী লীগকে পুনরায় গঠন করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি চান। সেই আ.লীগ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অনুদানে প্রাপ্ত দল। সেদিন যদি মালিক উকিলের আবেদনে জিয়াউর রহমান সাড়া না দিতেন তাহলে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব থাকত না।’
আগামী নির্বাচন বিএনপির জন্য সহজ নয় উল্লেখ করে বরকত উল্লাহ বুলু আরও বলেন, দেশি-বিদেশি অনেক শক্তিই বিএনপির বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। ভূ-রাজনৈতিক কারণে সারা বিশ্বের অনেক ঈগল পাখির চোখ বাংলাদেশে। সেই চোখ উপেক্ষা করে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে। এর জন্য বিএনপির বিকল্প নেই। আমরা উগ্র রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। যারা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাকে বিশ্বাস করে না, তাদের বাংলাদেশে ভোট চাওয়ার ও রাজনীতি করার অধিকার নেই।
নেতাদের উদ্দেশ্যে বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, আপনারা এমন কোনো আচরণ করবেন না, যে কারণে বিএনপি, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তারেক রহমানকে নিয়ে কথা উঠে। আর কেউ যদি এমন আচরণ করেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো হাইব্রিড যেন বিএনপিতে স্থান না পায় সে বিষয়ে সতর্ক নজর রাখতে হবে বলেও আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাক মিয়া, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর মাহমুদ ওয়াসিম, যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজি জসিম উদ্দিন, বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি এটিএম মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
মন্তব্য করুন


দেশে চারটি
নতুন থানা স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয়
বাস্তবায়ন কমিটি । এ ছাড়া মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করার প্রস্তাব
অনুমোদিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে তাঁর বাসভবন যমুনায় নিকারের ১১৯তম
সভা অনুষ্ঠিত হয়। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদকালে নিকারের প্রথম সভা।
সভায় প্রশাসনিক
পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত মোট ১১টি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। সভা শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস
উইং থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
নতুন থানাগুলো
হলো গাজীপুর জেলার পূর্বাচল উত্তর, নারায়ণগঞ্জ জেলার পূর্বাচল দক্ষিণ ও কক্সবাজার জেলার
মাতারবাড়ী। এ ছাড়া নরসিংদী জেলার রায়পুরাকে ভেঙে একটি নতুন থানা স্থাপনের প্রস্তাব
অনুমোদিত হয়েছে।
আর সাতক্ষীরাকে
‘বি’ থেকে ‘এ’ শ্রেণির জেলায় উন্নীত করার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।
সভায় স্বাস্থ্য
মন্ত্রণালয়ের ‘স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ’ এবং ‘স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ’
দুটিকে আবার একত্র করে ‘স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়’ পুনর্গঠন করার প্রস্তাব
অনুমোদন করা হয়।
এ ছাড়া মহিলা
ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়’ করার প্রস্তাব
সভায় অনুমোদিত হয়। তবে এই মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি নাম অপরিবর্তিত থাকবে।
সভায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের
আওতায় ‘রাজস্ব নীতি বিভাগ’ ও ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ নামের দুটি প্রশাসনিক বিভাগ
গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। প্রসঙ্গত, এ বিষয়ে ইতিমধ্যে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা
অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছে।
সভায় পরিবেশগত
বৈশ্বিক ঐতিহ্য, পর্যটন ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিবেচনায় সাতক্ষীরা জেলাকে ‘বি’ থেকে
‘এ’ শ্রেণিতে উন্নীত করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
এ ছাড়া ঠাকুরগাঁও
জেলায় ‘ভূল্লী’ থানার নামের বানান সংশোধনের প্রস্তাব সভায় অনুমোদিত হয়।
সভায় প্রধান
উপদেষ্টা ছাড়াও কয়েকজন উপদেষ্টা, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্য সচিবসহ সরকারের ১৪ জন সচিব
বা জ্যেষ্ঠ সচিব উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস 'সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৫' এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।
আজ রোববার
(২০ জুলাই)) সেনা সদর দপ্তরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন
তিনি।
প্রথম পর্বের এই পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্নেল ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদবির যোগ্য কর্মকর্তাগণ পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন।
পদোন্নতি পর্ষদের বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা শুরুতেই স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা সেনাবাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনানীদের, যাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে। এছাড়াও, তিনি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে সকল আহত ও শহীদ সেনা সদস্যদের। একই সাথে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যূত্থানে শহীদ ও আহত সকল ছাত্র জনতাকে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস পদোন্নতির জন্য অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলী, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া সৎ, নীতিবান, পেশাদার এবং নেতৃত্বের গুণাবলী সম্পন্ন অফিসারগণই উচ্চতর পদোন্নতির দাবিদার বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে যে সকল অফিসার সামরিক জীবনের বিভিন্ন স্তরে যোগ্য নেতৃত্ব প্রদানে সফল হয়েছেন সে সকল অফিসারকে পদোন্নতির জন্য নির্বাচন করার নির্দেশনা প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা।
ড.
ইউনূস বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবেলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বর্তমানে সেনা সদস্যগণ বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব বেশ কিছু সময় ধরে পালন করে আসছেন। দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই ত্যাগের জন্য তিনি সেনাপ্রধান থেকে শুরু করে সেনাবাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারি এবং চীফ অব জেনারেল স্টাফ।
নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করায় সেনা প্রধান অধ্যাপক
ড. ইউনূসের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
এসময়
সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর উপস্থিত কর্মকর্তাগণের সাথে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ এবং পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আল্লাহর রহমতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয়
সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ তথা বিএনপির বিজয় হবে। জনগণের বিপুল সমর্থন ও জাতীয় ঐক্য
সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে বিএনপি এমন একটা সরকার পরিচালনা করবে যে সরকারের মালিক হবে সকল
জনগণ।
আজ
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় চকরিয়ার সাহারবিল ইউনিয়নের বিএমএস উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে
অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, জনগণ তাদের রাষ্ট্রের মালিকানা ফেরত পাবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের
মধ্য দিয়ে।
আপনার
ভোট আপনি দিবেন, যাকে খুশি তাকে দিবেন। আপনার পছন্দের প্রার্থীকে দিবেন। গণতন্ত্রকে
শক্তিশালী করবেন। বাংলাদেশে যেন আর কোনদিন এই কথা শুনতে না হয় কেউ গুম হয়েছে।
কোন
মাকে যেন তার সন্তান হারানোর বেদনা অনুভব করতে না হয়। বিএনপি এমন একটা বাংলাদেশ বিনির্মাণ
করবে যে বাংলাদেশে আর কোন মানুষ গুম হবেনা। যারা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন তাদের
মর্যাদাবান করতে হবে।
তিনি
আরো বলেন, বিএনপি কর্মসূচি, বিএনপির প্ল্যান, পরিকল্পনা এবং রাষ্ট্র চিন্তা যদি মানুষের পছন্দ হয় তাহলে অবশ্যই তারা বিএনপিকে
ভোট দিবে।
অন্য
যে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন করছেন তারাও তাদের কর্মসূচি, পরিকল্পনা প্রকাশ করবে। জনগণ
তাদেরটা পছন্দ করলে তাদেরই ভোট দিবে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য্য। এমনই হওয়া উচিত।
কিন্তু একটা দল তা না করে তাদের ভোট দিলে মরলে পরে জান্নাত পাবেন বলে ধোঁকাবাজি করছে
তাদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমি দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে আপনাদের সাথে আছি। আমি জেলে
থাকার কারণে ২০০৮ সালে নির্বাচন করতে পারিনি জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, সেবার আমার
স্ত্রী অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমদকে আমার চাইতে বেশি ভোটে নির্বাচিত করেছিলেন। এ কারণে
আমি এবং আমার পরিবার আজীবন আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। সুতরাং এতে করে বুঝতে পারি আপনারা
আমাকে ভালোবাসেন। এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করতে গিয়ে আমার জীবন বিপন্ন হতে
বসেছিল। আমরা গণতন্ত্রকে হারিয়ে ফেলেছিলাম। কেউ মুক্ত পরিবেশে কথা বলতে পারেনি। তাদের
ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি।
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন- মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহীম চৌধুরী,
সাধারণ সম্পাদক হেফাজতুর রহমান টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শোয়াইবুল ইসলাম সবুজসহ অসংখ্য
নেতাকর্মী।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর)
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাক্ষাৎকালে, সেনাপ্রধান
দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সেনাবাহিনীর চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান
উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। পাশাপাশি, দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সেনাবাহিনী গৃহীত
বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করেন।
আলোচনাকালে, সেনাপ্রধান তাঁর সাম্প্রতিক
সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সফরের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। এই সফরটি দুই
দেশের মধ্যকার সম্পর্কোন্নয়ন ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে সেনাপ্রধান
আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এছাড়াও, সদ্য সমাপ্ত বিবিধ বঞ্চিত সেনা
কর্মকর্তাদের সুবিচার নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত উচ্চপদস্থ পর্ষদের মূল্যায়ন ও সুপারিশ এবং
বিবিধ কারণে চাকরিচ্যুত জেসিও ও অন্যান্য পদবীর সেনা সদস্যদের চলমান উচ্চপদস্থ পর্ষদ-এর
অগ্রগতির বিষয়ে সেনাপ্রধান প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন।
এ ছাড়া জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আহত
ছাত্র-জনতার চিকিৎসায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কেও তাঁকে অবহিত
করা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর ভূমিকা
ও অবদানের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা
প্রদান করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে
সেনাবাহিনী তাদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক
শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেছেন।
আজ
শনিবার ( ২৭ ডিসেম্বর ) সকাল ১১টার পরে তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবি কাজী নজরুল
ইসলামের সমাধির পাশে ওসমান হাদির কবরে পৌঁছান।
তারেক
রহমান এ সময় ওসমান হাদির কবরে ফুল দেন এবং ফাতিহা পাঠ ও হাদিসহ জুলাইয়ের সকল শহীদের
জন্যে দুহাত তুলে আল্লাহ’র দরবারে দোয়া ও মোনাজাত করেন। পাশাপাশি
তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরেও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
হাদির
কবর জিয়ারতের সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন
দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ সিনিয়র
নেতাকর্মীরা।
এছাড়াও,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আমহেদ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা
দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, উন্মুক্ত
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য
অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমানসহ আরো অনেকে এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে রওনা হন তারেক রহমান। বিএনপির
ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানানো হয়, তিনি ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে
যাত্রা করেন।
আজ
আগের দুই দিনের মতো লালসবুজ রঙে সাজানো বাস ব্যবহার না করে সাদা রঙের একটি গাড়িতে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ে যান তারেক রহমান। গাড়িটি ফুল দিয়ে সাজানো ছিল। এ সময় রাস্তার দুপাশে
বিএনপির নেতা-কর্মীদের অবস্থান করতে দেখা যায়। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর
সদস্যদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।
তারেক
রহমানের আগমনকে ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। টিএসসি থেকে
হাদির কবর পর্যন্ত দুই স্তরের ব্যারিকেড বসানো হয়। শাহবাগের দিকেও পুলিশের ব্যারিকেড
ও নজরদারি ছিল। এর আগে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে টিএসসি এলাকায় অবস্থান নেন ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সংগঠনের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ
সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনের নেতৃত্বে তারা রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান করেন।
কবর
জিয়ারত শেষে ভোটার হওয়ার জন্য নির্বাচন ভবনে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
সেখান থেকে ধানমন্ডিতে মাহবুব ভবনে যাবেন তিনি। ধানমন্ডির মাহবুব ভবনে কিছু সময় থাকার
পর বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী তার মা খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ারে
যাবেন তারেক রহমান।
বিএনপির
মিডিয়া সেলের এক ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, জুলাই গণুঅভ্যুত্থানের কোনো আহত ব্যক্তি
বর্তমানে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি না থাকায় সেখানে যাওয়ার কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,
দীর্ঘ ১৭ বছর পর গত বৃহস্পতিবার লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তাঁর প্রত্যাবর্তন
ঘিরে ঢাকায় বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি
দেখা যায়। পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা সমাবেশে সারা দেশ থেকে দলীয় নেতা-কর্মীরা
অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের গঠন করা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জনসাধারণের জন্য প্রকাশ
করা হয়েছে। আট খণ্ডের এ প্রতিবেদনে রয়েছে- কমিশনের সুপারিশ, জুলাই জাতীয় সনদ, রাজনৈতিক
দল ও জোটগুলোর মতামত, আলোচনার সারসংক্ষেপ, বিভিন্ন নথিপত্র এবং কমিশনের করা জনমত জরিপের
ফলাফল।
আজ মঙ্গলবার
( ০৯ ডিসেম্বর ) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা
ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অন্তর্বর্তী
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর গত বছরের অক্টোবর থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১১টি সংস্কার কমিশন
গঠন করা হয়। প্রথম ছয়টি কমিশনের কার্যক্রম শেষের দিকে এলে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনূসকে সভাপতি এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান প্রফেসর আলী রীয়াজকে সহ-সভাপতি
করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিচার বিভাগ ও জনপ্রশাসন সংস্কার
কমিশনের প্রধানরা ব্যক্তিগত কারণে দায়িত্ব পালন করতে না পারায় ওই দুই কমিশনের জ্যেষ্ঠ
সদস্যদের জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
চলতি বছরের
১৫ ফেব্রুয়ারি কমিশনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর পর রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের
সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনা চলে। এর ধারাবাহিকতায় ৩১ জুলাই চূড়ান্ত করা হয় জুলাই জাতীয়
সনদ ২০২৫, যা পরে ১৭ অক্টোবর রাজনৈতিক দলগুলোর আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে অনুমোদিত
হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে ২৫টি রাজনৈতিক দলের মনোনীত ৭৬ জন প্রার্থী ও স্বতন্ত্র চার প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসান কুমিল্লা-১ আসনে প্রতীক বরাদ্দের মধ্যদিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পরে আসনভিত্তিকভাবে প্রার্থীদের মধ্যে পর্যায়ক্রমে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রতীক বরাদ্দ ঘিরে জেলা প্রশাসক কার্যালয় এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রতীক বরাদ্দের সময় অধিকাংশ প্রার্থী নিজে উপস্থিত না থেকে তাদের প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রতীক সংগ্রহ করেন। কুমিল্লা- ৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলাীর প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহামম্মদ, কুমিল্লা-৭ আসনের বিএনপি প্রার্থী রেদোয়ান আহমেদ, কুমিল্লা-৯ আসনের বিএনপি প্রার্থী হআবুল কালাম আরও কিছু প্রার্থী নিজ নিজ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হয়ে প্রতীক গ্রহণ করেন।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে প্রার্থীরা প্রচারণার কৌশল নির্ধারণ ও মাঠে নামার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘিরে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
এদিকে কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে বিএনপির তিনজন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে তারা পছন্দের প্রতীক গ্রহণ করেছেন।এরমধ্যে কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এম এ মতিন খান পেয়েছেন তালা প্রতীক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া। কুমিল্লা ৭ চান্দিনা আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী চান্দিনা উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আতিকুল আলম পেয়েছেন কলস মার্কা। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. রেদওয়ান আহমেদ।
কুমিল্লা ৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম দোলা পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম।
কুমিল্লার ১১টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮০ জন প্রার্থী। এরমধ্যে মধ্যে ৭৬ জন তাদের নিজস্ব দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করছেন। চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের বলেন, কুমিল্লার ১১টি আসনে ২৫টি দলের ৭৬ জন প্রার্থী এবং চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে প্রতীক দেওয়া হয়েছে। একজন প্রার্থী হাইকোর্টের রায় নিয়ে এসেছেন, এটা যাচাই-বাছাই করেছি।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে চিত্রনায়িকা শারমিন আক্তার নিপা মাহিয়া ওরফে মাহিয়া মাহিকে ১
হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে রাজশাহীর তানোর পৌর এলাকার গোল্লাপাড়া বাজারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবিদা সিফাত ভ্রাম্যমাণ আদালতে এ জরিমানা করেন।
চিত্রনায়িকা
শারমিন আক্তার নিপা মাহিয়া ওরফে মাহিয়া মাহি রাজশাহী-১ (তানোর- গোদাগাড়ী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। তার প্রতীক হচ্ছে ট্রাক।
নির্বাচনি আচরণবিধি ভেঙে অতিরিক্ত মাইক ব্যবহার করে মাহির ট্রাক প্রতীকের প্রচার-প্রচারণা চলছিল। এ সময় খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবিদা সিফাত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১
হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রাজশাহীর তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং বিল্লাল হোসেন জানান, আচরণবিধি ভেঙে একসঙ্গে ৭টি মাইক ব্যবহার করছিলেন মাহির প্রচারকাজের সঙ্গে জড়িত লোকজন। এ কারণে জরিমানা করা হয়েছে। তবে ঘটনাস্থলে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি নিজে উপস্থিত ছিলেন না।
মন্তব্য করুন