

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেছেন, ঈদে মহাসড়কে বিশেষ নজরদারিতে থাকবে পুলিশ। এ সময় সড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ দৃষ্টি থাকবে তাদের। মহাসড়কে নসিমন, করিমন ও ভটভটি অথবা এ ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। একই সঙ্গে চলাচল করতে পারবে না ফিটনেসবিহীন কোনো যান।
পুলিশ সদর দপ্তরে ঈদুল ফিতর এবং বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় এসব কথা বলেন তিনি। বৈঠকে ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।
এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক মাঠে থেকে ব্যক্তিগত তদারকির কথা বলেন আইজিপি। সড়কপথ, রেলপথ ও নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন তিনি।
ঈদে শহর ছেড়ে যাওয়া মানুষের বাসা-বাড়ি, মার্কেট, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য পুলিশের নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ। আনন্দমুখর পরিবেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের লক্ষ্যে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
এ ছাড়া নৌ দুর্ঘটনা ও নৌ ডাকাতি রোধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নৌ পুলিশকে নির্দেশনা দেন তিনি।দেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে নিরাপত্তা প্রদানের ক্ষেত্রে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশকেও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে আইজিপি বলেন, ‘গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ নিয়ে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর অবস্থার সৃষ্টি না হয় সে জন্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশকে তৎপর থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’
সভায় অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মো. কামরুল আহসান, স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলামসহ অন্যান্য অতিরিক্ত আইজিপি, বিশেষায়িত ইউনিটের প্রধান, ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট প্রধান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এবং রেঞ্জ ডিআইজি উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মুক্তিযুদ্ধের
প্রধান সেনাপতি ও মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি (এম এ জি)
ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার। ১৯৮৪ সালের আজকের এইদিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
জেনারেল
ওসমানীর জন্ম ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাবার কর্মস্থল সুনামগঞ্জে। তার গ্রামের বাড়ি
সিলেটের বালাগঞ্জে।
শৈশবে
ওসমানীর প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় পরিবার থেকেই। কোনো স্কুলে ভর্তি না হয়ে, ঘরে বসে
বসেই তার বিদুষী মায়ের অনুশাসন এবং যোগ্য গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে বাংলা ও ফার্সি
ভাষায় ওসমানী প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। ১৯২৯ সালে ১১ বছর বয়সে ওসমানীকে আসামের গৌহাটির
কটনস স্কুলে ভর্তি করা হয়। কটন স্কুলে পড়াশুনা শেষ করার পর মায়ের ইচ্ছায় ১৯৩২ সালে
সিলেট সরকারি পাইলট স্কুলে নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।
এই
স্কুল থেকে ১৯৩৪ সালে প্রথম বিভাগে মেট্রিক পাস করেন এবং ইংরেজিতে কৃতিত্বের জন্য
‘প্রিটোরিয়া অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন।
১৯৩৪
সালে তিনি উচ্চ শিক্ষার্থে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়
থেকেই তিনি ১৯৩৬ সালে আই.এ পাশ করেন। ১৯৩৮ সালে বি.এ পাশ করেন।
১৯৩৯
সালে ভূগোলে এম এ প্রথম পর্ব পড়ার সময় ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনা বাহিনীতে যোগদান করেন। ছাত্র
হিসাবে সব সময়ই ওসমানী অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি
দক্ষতার পরিচয় দেন। ন্যায়পরায়ণতা, শৃঙ্খলা এবং কর্তব্যপরায়ণতা তার চারিত্রিক গুণাবলি
বিশেষভাবে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
ছাত্রজীবনেই
ওসমানীর মধ্যে ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের ছাপ ফুটে ওঠে।
যোগ্যতার
স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউ.ও.টি.সি’র (ইউনিভার্সিটি অফিসার্স ট্রেনিং কোর)
সার্জেন্ট নিযুক্ত হন। ওসমানী ১৯৩৯ সালে জুলাই মাসে ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনা বাহিনীতে যোগদান
করেন। তিনি ১৯৪০ সালে ৫ অক্টোবর দেরাদুন সামরিক একাডেমি হতে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ
হয়ে আর্মির কিং কমিশন প্রাপ্ত হন।
১৯৪১
সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং যোগ্যতার বলে তিনি ১৯৪২ সালে
ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিটিশ আর্মির সর্ব কনিষ্ঠ মেজর হন। মাত্র ২৩ বছর বয়সে একটি ব্যাটোলিয়ানের
অধিনায়ক হয়ে নজিরবিহীন রেকর্ড সৃষ্টি করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪৩ সাল থেকে ১৯৪৫
সাল পর্যন্ত বার্মার রণাঙ্গনে স্বতন্ত্র যান্ত্রিক পরিবহনে এক বিশাল বাহিনীর অধিনায়কত্ব
দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৫ সালে ওসমানী তার পিতার ইচ্ছা পূরণে আই.সি.এস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ
করে উত্তীর্ণ হন।
এম
এ জি ওসমানী ১৯৪৭ সালে ৭ অক্টোবর লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে
যোগ দেন এবং ১৯৪৮ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে কোয়েটা স্টাফ কলেজ থেকে পি.এস.সি ডিগ্রি লাভ
করেন। তাকে ১৯৫৫ সালে ১২ ডিসেম্বর পাকিস্তানের সেনা সদর অপারেশন পরিদপ্তরে জেনারেল
স্টাফ অফিসার নিয়োগ করা হয়। এখানে তাকে ১৯৫৬ সালে ১৬ মে মাসে কর্নেল পদে পদোন্নতি দিয়ে
ডেপুটি ডাইরেক্টর এর দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়।
এসময়
আন্তর্জাতিক সংস্থা সিয়াটো ও সেন্টোতে ওসমানী পাকিস্তান বাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেন।
১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে ওসমানীর দক্ষতার সঙ্গে ডেপুটি ডাইরেক্টর অব মিলিটারি অপারেশনের
দায়িত্ব পালন করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্নেল পদে কর্মরত থাকাকালীন ওসমানী একজন
স্বাধীন চেতা বাঙালি সেনা কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৬৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি
কর্নেল পদে থাকা অবস্থায় অবসরে যান ওসমানী।
পরবর্তীকালে
তিনি ১৯৭০ এর নির্বাচনে ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ-বিশ্বনাথ এলাকা থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের
সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে অসামান্য কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন
ওসমানী। মুক্তিবাহিনীর প্রধান হিসেবে পালন করেন অতুলনীয় ভূমিকা।
৬৫
বছর বয়সে ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ইন্তেকাল করেন। সিলেটে হযরত শাহজালাল (রঃ)
মাজার সংলগ্ন গোরস্তানে তাকে সমাহিত করা হয়।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
সংসদ নির্বাচনে মর্যাদাপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.
শফিকুর রহমানকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
শনিবার ( ১৪ ফেব্রুয়ারি ) এক বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা জামায়াত আমিরের উদ্দেশে বলেন,
‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীদের সক্রিয় ও ব্যাপক
অংশগ্রহণ, দৃঢ় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পরবর্তী সময় নির্বাচনের ফলাফলকে শান্ত ও মর্যাদাপূর্ণভাবে
গ্রহণ করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
তিনি
বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারপর্ব থেকে শুরু করে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী সময় পর্যন্ত আপনার
রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সংযম, দায়িত্বশীল বক্তব্য এবং কর্মীদের প্রতি শান্তিপূর্ণ আচরণের
আহ্বান দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।’
তিনি
বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালনকালে আপনার দল যে গঠনমূলক সমর্থন, পরামর্শ
ও সহযোগিতা প্রদান করেছে, তার জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। বৈশ্বিক অর্থনীতি,
প্রযুক্তিগত রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের
প্রশ্নে আমাদের সামনে বহু চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রকে
আরো শক্তিশালী, অংশগ্রহণমূলক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুসংহত করতে হলে সরকার ও বিরোধী দল—উভয়েরই
দায়িত্বশীল ও নীতিনিষ্ঠ ভূমিকা অপরিহার্য।’
তিনি
বলেন, ‘আমি প্রত্যাশা করি, আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি গঠনমূলক
ও দায়িত্বশীল বিরোধী শক্তি হিসেবে জাতীয় সংসদ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা পালন
করবে।
নীতিগত
বিতর্ক, আইন প্রণয়নে পরামর্শ, জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরা এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা
নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি সুস্থ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে—এমনটাই
আমাদের আকাঙ্ক্ষা।’
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘জাতীয় ঐক্য সুসংহত করতে আপনি অতীতে যে ভূমিকা রেখেছেন ভবিষ্যতের দিনগুলোতে
তা অব্যাহত রাখবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি। আমি মহান আল্লাহ
তায়ালার কাছে আপনার ব্যক্তিগত সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ও ঘানা এই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও ব্যবসা সম্প্রসারণে সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সফররত ঘানার পররাষ্ট্র ও আঞ্চলিক সংহতি বিষয়ক মন্ত্রী শার্লি আয়োরকর বোচওয়ে-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়ে একমত হয় বাংলাদেশ ও ঘানা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, “বাংলাদেশ ও ঘানা কৃষি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ফার্মাসিউটিক্যালস, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, পাট, চামড়া ও গার্মেন্টস সহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছে।” গণভবনে আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ঘানার পররাষ্ট্র ও আঞ্চলিক সংহতি মন্ত্রী শার্লি আয়োরকার বোচওয়ের মধ্যে বৈঠকে এ বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর ওপর জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আফ্রিকান দেশগুলির সাথে ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আফ্রিকান দেশগুলো বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য এবং টেক্সটাইল পণ্য আমদানি করতে পারে।
ঘানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ ও ঘানার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এ লক্ষ্যে তিনি দুই দেশের মধ্যে কৃষি, ওষুধ, আইসিটি এবং কৃষিভিত্তিক খাদ্য পণ্যের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন। তিনি আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য কমনওয়েলথের মহাসচিব হিসেবে আসন্ন নির্বাচনে তার দেশের প্রার্থীতার পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করেন। এবার আফ্রিকার দেশগুলো থেকে কমনওয়েলথ মহাসচিব নির্বাচিত হবেন।
কমনওয়েলথ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সংস্থা এক সময় নিষ্ক্রিয় ছিল। কিন্তু কমনওয়েলথ এখন বিনিয়োগ এবং মানবসম্পদ প্রশিক্ষণ (সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে) বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।” প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলেন, কমনওয়েলথের মহাসচিব পদে যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন।
সাক্ষাৎকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।
মন্তব্য করুন


ধর্ম
উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, আইনের শাসন একটি জাতির উন্নয়নের অন্যতম সোপান।
দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আজ
সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি ) দুপুরে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী সমিতির
উদ্যোগে আদালতের অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
ধর্ম
মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
ড.
আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়াই সরকারের অন্যতম
প্রধান অঙ্গীকার। বিচারব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের নাগালে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকার
কাজ করছে। আদালতের অবকাঠামো উন্নয়ন সেই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ।
তিনি
আরও বলেন, সাতকানিয়ার এই শতবর্ষী আদালত ভবনের অবকাঠামোতে আমূল পরিবর্তন আনা হবে। এটিকে
আধুনিক বহুতল ভবনে রূপান্তর করা হবে। এ বিষয়ে প্রকৌশলী ও স্থপতিদের সাথে কথা হয়েছে।
সাতকানিয়া
আদালতের অবকাঠামো উন্নয়নে সম্ভাব্য সকল ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
আগামী
১২ ফেব্রুয়ারিকে ঐতিহাসিক দিন উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার
প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে। আমরা আশাবাদী, উৎসবমুখর পরিবেশে এ দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার
প্রয়োগ করতে পারবে। নির্বাচিতদের হাতে আমরা ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিদায় নেব।
সাতকানিয়া
আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সোলাইমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সাতকানিয়া
আদালতের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ সিরাজ উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের
সহযোগী অধ্যাপক সাঈদ আহসান খালিদ ও আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুল
ইসলাম মানিক বক্তৃতা করেন।
পরে উপদেষ্টা সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন এক্স-রে মেশিন সংযোজন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
মন্তব্য করুন


আগামী বছরই রাজনৈতিক সরকার আসতে পারে
বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদুদ্দিন মাহমুদ।
আজ শনিবার সকালে গুলশানের একটি হোটেলে
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) বার্ষিক উন্নয়ন কনফারেন্সে তিনি
এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা খুব স্বল্পকালীন একটি
সরকার। আর আগামী বছরই রাজনৈতিক সরকার আসার বিষয়টি আমার ব্যক্তিগত মতামত। জানি না আসলে
কি হবে। আগামী বছরই হয়তো আমরা রাজনৈতিক সরকার দেখতে পাবো। অর্থনৈতিক ও আয়বৈষম্য এই
মুহূর্তে বড় একটি দুশ্চিন্তার বিষয়। বৈষম্য দূর করতে মানসম্পন্ন শিক্ষা দরকার, যেখান
থেকে অনেক দূরে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে উন্নত দেশ থেকে পাওয়া সুযোগ-সুবিধা অব্যাহত রাখার
ব্যাপারে আলোচনা চলমান। অনেক দেশই ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।
এ সময় মধ্যম আয়ের ফাঁদ থেকে বাঁচতে
বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেশি মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন বিশ্বব্যাংকের মুখ্য
অর্থনীতিবিদ ইন্দরমিত এস গিল। আর এই কর্মযজ্ঞে যেন উদ্যোক্তা তৈরি হয় ও প্রযুক্তির
ব্যবহার বাড়ে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছে সংস্থাটি।
এ জন্য মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানো
দরকার বলে মনে করে বিশ্বব্যাংক। ইন্দরমিত বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে দ্বিপক্ষীয়
ও আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে কৌশলী হওয়ার পাশাপাশি সেবা ও উৎপাদিত পণ্যের মূল্য সংযোজন
বাড়াতে বাংলাদেশকে উদ্যোগ নিতে হবে।
উক্ত সেমিনারে আগামীতে নিরবচ্ছিন্ন
জ্বালানি সরবরাহের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সাজানোর
পরামর্শ দেয় বিশ্বব্যাংক।
মন্তব্য করুন


ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক পদ্মা সেতু পরিদর্শন করেছেন ।
বুধবার (২৭ মার্চ) সকালে তিনি পদ্মা সেতু পরিদর্শন করেন। তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ এ আরাফাত তাকে পদ্মা সেতু ঘুরে দেখান।
পদ্মা সেতু দেখার পর রাজা নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোন পরিদর্শনে গেছেন।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ২৫ মার্চ চার দিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছেন ভুটানের রাজা। সফর শেষে তিনি ২৮ মার্চ বুড়িমারী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়বেন। তবে ভুটানের রাজার সফরসঙ্গীদের একাংশ ২৭ মার্চ বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকা থেকে বিদায় নেবেন।
মন্তব্য করুন


তেজগাঁও এলাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সফররত ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগেকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় যোগদানের আগে দুই নেতা সেখানে একান্ত সাক্ষাৎ করেন বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে।
দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় প্রধান উপদেষ্টা এবং ভুটানের প্রধানমন্ত্রী নিজ নিজ দেশের নেতৃত্ব দেন বলেও এতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গভীর সমুদ্রে গবেষণা ও সমস্যা চিহ্নিতকরণের ওপর গুরুত্বারোপ
করেছেন।তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দেশের স্থলভাগ যতটুকু, তার সমপরিমাণ অঞ্চল জলভাগেও রয়েছে।
কিন্তু এই সম্পদগুলো আমরা ঠিকমতো কাজে লাগাতে পারিনি, এমনকি সম্পদের পরিমাণ কত, সম্ভাবনা
কেমন—তাও জানতে পারিনি। এই সম্পদকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হলে
পর্যাপ্ত গবেষণা ও নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন।’সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেম
নিয়ে গবেষণা জাহাজ আর.ভি. ড. ফ্রিডটজফ ন্যানসেনু এর মাধ্যমে পরিচালিত জরিপ ও গবেষণার
প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া
আজ মঙ্গলবার ( ০৬ জানুয়ারি ) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বিষয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত
হয়। এ সময়ে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
সভায়
উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক
বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের
অধ্যাপক সায়েদুর রহমান চৌধুরী এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ড. মো. আব্দুল্লাহ
আল মামুন।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। গত বছরের ২১ আগস্ট থেকে
২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই জরিপ পরিচালিত হয়। আটটি দেশের ২৫ জন বিজ্ঞানী এই জরিপে অংশ
নেন, যার মধ্যে ১৩ জন ছিলেন বাংলাদেশের।
অধ্যাপক
সায়েদুর রহমান আজকের বৈঠকে গবেষণা ুসংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন। তিনি জানান, এই
গবেষণায় ৬৫টি নতুন জলজ প্রাণির প্রজাতির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের
গভীর সমুদ্রে জেলিফিশের আধিক্য মাত্রাতিরিক্তভাবে বেড়ে গেছে। এটি ভারসাম্যহীনতার লক্ষণ।
অতিরিক্ত মাছ ধরার কারণে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।’তিনি
আরও জানান, দুই হাজার মিটার গভীরতাতেও প্লাস্টিক পাওয়া গেছে, যা গভীর উদ্বেগের বিষয়।
২০১৮
সালের একটি গবেষণার সঙ্গে তুলনা করে দেখা গেছে, গভীর সমুদ্রে বড় আকারের মাছ কমে যাচ্ছে।
স্বল্প গভীর সমুদ্রে মাছের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে। জানা গেছে, বর্তমানে
২৭০ থেকে ২৮০টি বড় মাছ ধরার ট্রলার গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ করছে। এর মধ্যে ৭০টি ট্রলার
শব্দতরঙ্গ নির্ভর প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক মাছ ধরায় যুক্ত। এটি
অত্যন্ত আগ্রাসী একটি পদ্ধতি। এর ফলে গভীর সমুদ্রে বড় মাছ ধরেন—এমন
জেলেরা লাভবান হলেও স্বল্প গভীর পানিতে মাছ ধরেন—এমন জেলেরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
মৎস্য
ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, ‘এভাবে লক্ষ্যভিত্তিক মাছ ধরা চলতে থাকলে বঙ্গোপসাগর
মাছশূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শব্দতরঙ্গ নির্ভর মাছ ধরা বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।’গবেষণায়
উঠে এসেছে, বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রে টুনা মাছের আধিক্য রয়েছে এবং এর ব্যাপক সম্ভাবনাও
আছে। একই সঙ্গে সুন্দরবনের নিচে একটি মাছের প্রজনন ক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। এটি
সংরক্ষণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে
আরও জানানো হয়, যুক্তরাজ্যের রাজকীয় নৌবাহিনীর একটি বহুমুখী জলতল পরিমাপ ও সমুদ্রবিজ্ঞান
জরিপ জাহাজ বর্তমানে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই জাহাজ
সমুদ্রের তলদেশ, গভীরতা এবং অন্যান্য সামুদ্রিক তথ্য সংগ্রহ করবে, যা বাংলাদেশের সামুদ্রিক
গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
জাপান,
ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের সঙ্গে যৌথ গবেষণা সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধান উপদেষ্টা
বলেন, ‘সমস্যাগুলো আগে চিহ্নিত করতে হবে। এ বিষয়ে যাঁদের বিশেষজ্ঞ জ্ঞান রয়েছে, তাঁদের
সঙ্গে গবেষণা সমন্বয় করতে হবে। এর মধ্য দিয়েই অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে।’
মন্তব্য করুন


লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বশিকপুরে অস্ত্রসহ নুর হোসেন সাগর (২৬) নামে এক যুবককে আটক করেছে র্যাব।
২২ নভেম্বর বুধবার দুপুরে বিষয়টি জানানো হয় র্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
আটককৃত সাগর বশিকপুর এলাকার রফিক উল্যার ছেলে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানাযায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে বশিকপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে র্যাব-১১ এর সদস্যরা নুর হোসেন সাগরকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে ১টি এলজি, ১টি মোবাইল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় সাগরের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছে র্যাব।
মন্তব্য করুন


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাম্য হত্যাকান্ডের ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে বলে জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তিনি তার ভেরিফাইড ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, ইতিমধ্যে সাম্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে এক আতঙ্কের স্থান থেকে ধীরে ধীরে একটি নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক স্থানে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় সরকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে।
দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য নিহত হওয়ার ঘটনায় রাত আটটার পর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধসহ সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া অপর এক পোস্টে জানান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয় বলে জানান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
বৈঠকে নেওয়া অন্য সিদ্ধান্তগুলো হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেট স্থায়ীভাবে বন্ধ করা, উদ্যানে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, মাদক ব্যবসা বন্ধ এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা। নিয়মিত মনিটরিং ও অভিযানের জন্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটি কমিটি গঠন, উদ্যানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা ও ক্লোজড সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরা স্থাপন এবং সেগুলোর নিয়মিত মনিটরিং করা; উদ্যানে একটি ডেডিকেটেড পুলিশ বক্স স্থাপন এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেও রমনা পার্কের মতো সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা চালু করা।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মুক্তমঞ্চের পাশে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার। তিনি স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলেন। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল খুনীদের অবিলম্বে গ্রেফতারসহ বিভিন্ন দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
মন্তব্য করুন