

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে নিশ্চিত করে বলা হয়েছে, ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন, এমন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আগামী ২০ এপ্রিলের পর শুরু হবে। এতে প্রথম ধাপে ১৫২টি উপজেলার মাঠ পর্যায়ে বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তারা অংশ নেবেন।
কমিশনের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. শরিফুল আলম জানান, সচিবালয়ের নিজস্ব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারসহ সব নির্বাচন সংশ্লিষ্ট এবং ভোটার তালিকা হালনাগাদকরণ সংক্রান্ত বিধি-বিধানের উপর নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। এর আওতায় আগামী ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ১ম ও ২য় শ্রেণির কর্মকর্তাদের জন্য ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ এবং ২য় পর্যায়ের তফসিলে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
এছাড়া বর্তমানে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ডি নথিবিষয়ক প্রশিক্ষণ চালু রয়েছে।
আবার ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে নতুন করে যোগ দেওয়া এবং সদ্য পদোন্নতি পাওয়া ১ম ও ২য় শ্রেণির কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণও চলমান রয়েছে। এছাড়া প্রশিক্ষণ বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী— সাইবার সিকিউরিটি প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের চকরিয়ায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ভাতিজার হামলায় মো. কালু (৮০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত আলী আহমদকে তার বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পৌঁছালে পুলিশ তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে যায়।
এসময় উত্তেজিত জনতা পুলিশের কাছ থেকে আলী আহমদকে ছিনিয়ে নিয়ে মারধর করে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে বিক্ষুব্ধদের মারধরে গুরুতর আহত আলী আহমদকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে সকালেই চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পুলেরছরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, সকালে চাষের জমি পরিদর্শনে গেলে চাচা কালুর সঙ্গে ভাতিজা মাস্টার আলী আহমদের কথা–কাটাকাটি হয়। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে আলী আহমদ চাচাকে লাথি-ঘুষি মারলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে পরিবারের লোকজন তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে অভিযুক্ত আলী আহমদের বাড়ি ঘিরে ফেলে। পরে থানা পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজিত জনতা পুলিশ ও আলী আহমদের উপর হামলা চালায়। এতে আলী আহমদ ও পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন। আহতদের হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
অবস্থার অবনতি হওয়ায় আলী আহমদকে চমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
চকরিয়া থানার ওসি মো. তৌহিদুল আনোয়ার জানান, নিহত কালুর সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুরো ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সেনাবাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এই প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা দেওয়া হয়। এই ধারা অনুযায়ী সরকারকে মেট্রোপলিটনের বাইরে যে কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ক্ষেত্রে সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিচে কাউকে দায়িত্ব প্রদান করা না গেলেও অন্যদের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে আইনে শর্ত আরোপ করা হয়নি।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা (সেনা কর্মকর্তা) সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (জেলা প্রশাসক) তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন।
গ্রেফতার, তল্লাশি ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের ক্ষমতা: প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এসব ধারা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা কাউকে আটক বা গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ, তল্লাশির আদেশ ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের জন্য আদেশ দিতে পারবেন।
গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪ ও ৬৫ ধারায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে ও এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোনো অপরাধ করলে তিনি নিজে অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারবেন অথবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারবেন। এছাড়া ৮৩ ও ৮৪ ধারা অনুযায়ী অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। আইনের ৮৬ ধারার বিধান মতে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিতে পারবেন অথবা অপরাধ জামিনযোগ্য না হলে তাকে আদালতে পাঠাবেন।
তল্লশি সংক্রান্ত আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৯৫(২) ধারার বিধানমতে তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে ডাক বা টেলিগ্রাম বিভাগের দ্বারা তল্লাশি পরিচালনা করবার ও উক্ত দলিল, পার্সেল বা ব্যক্তি আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন। ১০০ ধারার বিধানমতে কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করার বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পেলে তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। ১০৫ ধারার বিধানমতে নিজ উপস্থিতিতেও ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশির আদেশ দিতে পারবেন।
শান্তিরক্ষায় মুচলেকা গ্রহণ: শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী শান্তি শান্তিরক্ষায় সদাচরণের মুচলেকা গ্রহণ করতে পারবেন। ১০৯ ধারার বিধানমতে অধিক্ষেত্রের মধ্যে ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছ থেকে মুচলেকা নিতে পারবেন। ১১০ ও ১২৬ ধারা অনুযায়ী অভ্যাসগত অপরাধীর কাছ থেকে জামিনদারসহ বা জামিনদার ছাড়াও শান্তিরক্ষায় মুচলেকা নিতে এবং প্রয়োজনে মুচলেকা বাতিল করতে পারবেন।
বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দান: ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ ধারা অনুযায়ী সর্বসাধারণের শান্তি বিনষ্ট হওয়ার কারণ হতে পারে এই ধরনের পাঁচ বা তারবেশি ব্যক্তির সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দিতে পারেন। আদেশ অমান্য করলে ১২৮ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ ভঙ্গে বল প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন। ১৩০ ধারার বিধান অনুযায়ী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে প্রয়োজনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে পারবেন।
এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট পথ, নদী, খাল বা প্রকাশ্য স্থানে বেআইনি বাঁধা অপসারণ, ব্যবসা বা সংরক্ষিত এলাকায় মানুষের আরাম আয়েশের বিঘ্ন ঘটানো, গৃহ বা তাবু হতে ক্ষতিকর বস্তু বা বৃক্ষ অপসারণ, জলাশয় ঘেরাও, বিপজ্জনক প্রাণী ধ্বংস বা আটক ইত্যাদি আদেশ দিতে পারেন। কোনো ব্যক্তি ১৪২ ধারার বিধান মতে ক্ষতি এড়াতে কোনো ব্যক্তির উপর নির্দিষ্ট স্থানে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে এবার দেখা যেতে পারে হলিউডের জনপ্রিয় অ্যাকশন ফ্র্যাঞ্চাইজির শেষ পর্বে—এমন সম্ভাবনা ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।আন্তর্জাতিক বিনোদনভিত্তিক গণমাধ্যম দ্য হলিউড রিপোর্টার-এর বরাতে জানা যায়, ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’ সিরিজে ডোমিনিক টোরেটো চরিত্রে পরিচিত অভিনেতা ভিন ডিজেল সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে রোনালদোর সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেন। আর এই পোস্ট ঘিরেই নতুন করে জল্পনার সূত্রপাত।প্রথমে দেওয়া ক্যাপশনে ভিন ডিজেল উল্লেখ করেন, এক সময় রোনালদোর জন্য একটি চরিত্র লেখার পরিকল্পনা ছিল। ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’-এর সিক্যুয়েল ‘লস বানডোলেরস’-এ তার অভিনয়ের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি।তবে বিষয়টি নতুন মাত্রা পায়, যখন ভক্তরা লক্ষ্য করেন—ভিন ডিজেল পরবর্তীতে ওই পোস্টের ক্যাপশন পরিবর্তন করেছেন। সংশোধিত ক্যাপশনে অভিনেতা লেখেন, অনেকেই জানতে চেয়েছেন রোনালদো কি ‘ফাস্ট’ ইউনিভার্সের অংশ হতে চলেছেন? জবাবে তিনি শুধু বলেন, রোনালদো একজন বাস্তব মানুষ এবং তার জন্য একটি চরিত্র তৈরি করা হয়েছিল।এই সামান্য পরিবর্তনই ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়। কমেন্ট সেকশনে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা। অনেকেই ধারণা করছেন, অবশেষে কি হলিউডের এই আইকনিক অ্যাকশন সিরিজে অভিষেক হতে যাচ্ছে ফুটবল সুপারস্টার রোনালদোর?বিশেষ করে ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস ১১’ নিয়ে এই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। কারণ শোনা যাচ্ছে, এই সিনেমাটিই হতে পারে দীর্ঘদিন ধরে চলা ফ্র্যাঞ্চাইজিটির শেষ অধ্যায়। যদিও এখন পর্যন্ত রোনালদোর অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে বিষয়টি আপাতত গুঞ্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।ভক্তদের কেউ কেউ কল্পনা করছেন, রোনালদো কোন ধরনের চরিত্রে দেখা যেতে পারেন। বেশিরভাগ প্রতিক্রিয়াই ইতিবাচক, এবং তাকে বড় পর্দার এই জনপ্রিয় অ্যাকশন সিরিজে দেখার আগ্রহ স্পষ্ট।এদিকে জানা গেছে, ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস ১১’-এ ভিন ডিজেলের পাশাপাশি ফিরতে পারেন ডোয়াইন জনসন (হবস), জেসন মোমোয়া (ডান্তে রেয়েস) এবং জেসন স্ট্যাথাম (ডেকার্ড শ)। এমনকি প্রয়াত অভিনেতা পল ওয়াকারকে ব্রায়ান ও’কনার চরিত্রে কোনোভাবে গল্পে যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে—যদিও সেটি কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
মন্তব্য করুন


আগের
নির্বাচনে টেলিভিশনে অনেক কুকুর দেখিয়েছেন কিন্তু আজ তো কোথাও কুকুর দেখছিনা’
বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন৷
আজ
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন হাইস্কুলে ভোট দিতে এসে
তিনি এই মন্তব্য করেন।
বিগত
কয়েকটি নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওপর মানুষের আস্থার সংকট নিয়ে সাংবাদিকদের
প্রশ্নের উত্তরে সিইসি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের উপরে আস্থা ইতোমধ্যেই ফিরে এসেছে। তা
না হলে তো এত লোক আসতো না। মুখে যাই বলুক না কেন দলগুলো তো আস্থা রেখেছে। আপনার অতীতের
নির্বাচনগুলোও দেখেছেন। আমাদের উপর আস্থা আছে বলেই আজকে এতগুলো ক্যামেরা হাজির হয়েছে।
সিইসি
অতীতের নির্বাচনের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করে বলেন, ‘আগে তো আপনারা টেলিভিশন
অনেক কুকুর দেখিয়েছেন। আজকে তো ধারেকাছেও কুকুর দেখতেছি না।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আগের নির্বাচনে আপনারা দেখিয়েছেন মাঠ খালি। পত্র-পত্রিকায় শুধু
কুকুরের ছবি ছাপা হয়েছে। এবার নির্বাচনে তো কুকুর খুঁজেও পাবেন না আপনারা। এবার তো
শুধু মানুষ আর মানুষ!’
দেশের
বিভিন্ন প্রান্তের ভোটের চিত্র পর্যবেক্ষণ করে নিজের সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে এ এম এম
নাসির উদ্দিন বলেন, আমি টেলিভিশনে দেশের অনেক জায়গার পরিস্থিতি দেখেছি। পঞ্চগড়ের
মতো জায়গায় মহিলারা সকাল থেকে কুয়াশার মধ্য লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। আমাদের
যুব সমাজ এবং মহিলারা আমাদের শক্তিতে রূপান্তর হবে ইনশাল্লাহ।
মন্তব্য করুন


সারা
দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
শুরু হয়েছে। প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্রের
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
বৃহস্পতিবার
(১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে শুরু
হওয়া পরীক্ষা শেষ হয়েছে দুপুর
১টায়।
এসএসসি,
দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল)
পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২০
লাখ ২৪ হাজার ১৯২
জন। দেশজুড়ে ২৯ হাজার ৭৩৫টি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৭০০টি
কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা
মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়
জানিয়েছে, এসএসসিতে পরীক্ষার্থী ১৬ লাখ ৬
হাজার ৮৭৯ জন, দাখিলে
২ লাখ ৯০ হাজার
৯৪০ জন, এসএসসি (ভোকেশনাল)
পরীক্ষা দিচ্ছে ১ লাখ ২৬
হাজার ৩৭৩ জন। আর
বিদেশের ৮ কেন্দ্রেও অনুষ্ঠিত
হচ্ছে পরীক্ষা।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন।
আজ সোমবার (১১ আগস্ট) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা
৭টা ৫০ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটি কুয়ালালামপুরে অবতরণ
করে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ
তথ্য জানানো হয়। এর আগে দুপুর ২টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি
ঢাকা ছাড়েন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের
মালয়েশিয়া সফরে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক সই ও তিনটি নোট বিনিময় হবে। তবে প্রধান উপদেষ্টার
মালয়েশিয়া সফরে কর্মী নিয়োগ ও বিনিয়োগ প্রাধান্য পাবে।
রোববার (১০ আগস্ট) প্রধান উপদেষ্টার
প্রেস উইং থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। ১১ থেকে ১৩ আগস্ট প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মালয়েশিয়া সফর করবেন। প্রধান উপদেষ্টার মালয়েশিয়া সফরে
কর্মী নিয়োগ ও বিনিয়োগ প্রাধান্য পাবে। মালয়েশিয়ায় কীভাবে আরও জনশক্তি বাড়ানো যায়,
সে বিষয়ে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা।
এ ছাড়া মালয়েশিয়ায় যেসব কোম্পানি আছে,
কীভাবে তাদের বিনিয়োগ আনা যায় সেই চেষ্টা থাকবে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীমের
আমন্ত্রণে উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সেদেশে সফরে গেছেন। আগামী ১২ আগস্ট পুত্রজায়ায়
দুদেশের সরকারপ্রধান বৈঠক করবেন। বৈঠক শেষে দুদেশের মধ্যে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক সই
ও তিনটি নোট বিনিময় হবে।
যে সব বিষয় সমঝোতা স্মারক সই হবে-
সেগুলো হলো- ১. প্রতিরক্ষা সহযোগিতা। ২. জ্বালানি সহযোগিতা। ৩. বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিএমসিসিআই) ও মেমোসের (মালয়েশিয়ান কোম্পানি) মধ্যে সমঝোতা সই। ৪. বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) ও ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (আইএসআইএস) মধ্যে সমঝোতা সই। ৫. ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) ও মালয়েশিয়ান ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমআইসিসিআই) মধ্যে সমঝোতা সই। যে তিনটি বিষয়ে নোট বিনিময় হবে, সেগুলো হলো- ১. হালাল খাদ্য ব্যবস্থাপনা। ২. ফরেন সার্ভিস একাডেমি ও ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমেসি অ্যান্ড ফরেন রিলেশানসের (আইডিএফআর) মধ্যে সহযোগিতা। ৩. দুদেশের মধ্যে উচ্চশিক্ষা খাতে সহযোগিতা।
মন্তব্য করুন


শনিবার রাতে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা একটি টিম কুমিল্লা জেলার সকল থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার আমতলী এলাকার চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা গামী মহাসড়কের রাস্তার উপর হতে ২৬ কেজি গাঁজাসহ ১জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম মোঃ আরিফুল ইসলাম (২০), পিতা-এরশাদ মিয়া।
আসামী কুমিল্লা জেলার মুরাদপুর থানার দিলালপুর গ্রাম নিবাসী।
উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের
ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে ঘটে গেল এক ব্যতিক্রমী ঘটনা। থ্যাংকসগিভিং উপলক্ষে বন্ধ থাকা
একটি মদের দোকানে ঢুকে এক বন্য র্যাকুন স্কচসহ কয়েক ধরনের মদ পান করে অচেতন হয়ে পড়ে
ছিল বলে জানিয়েছে দোকান কর্তৃপক্ষ।
ঘটনাটি
ঘটে চলতি সপ্তাহের শুরুতে অ্যাশল্যান্ড এলাকার এ–বি–সি নামে মদের দোকানটিতে। শনিবার (২৯
নভেম্বর) কর্মীরা দোকানে এসে দেখতে পান, দোকানের ভেতর ভাঙা কাচের টুকরো ছড়িয়ে রয়েছে,
মেঝে জুড়ে মদ গড়িয়ে পড়েছে, আর বাথরুম ও ডাস্টবিনের মাঝখানে পড়ে আছে এক মাতাল র্যাকুন।
দোকানের
নিচের তাক থেকে নিজের মতো করেই কয়েকটি বোতল খুলে মদ পান করেছিল প্রাণীটি। ঘটনাস্থলে
পৌঁছান হ্যানোভার কাউন্টি অ্যানিমাল প্রোটেকশন অ্যান্ড শেল্টারের কর্মকর্তা সামান্থা
মার্টিন। তিনি জানান, র্যাকুনটি দোকানের ছাদের একটি টাইল ভেঙে সরাসরি নিচে পড়ে এবং
এরপর দোকানজুড়ে তাণ্ডব চালাতে গিয়ে যা পায় তাই গিলতে শুরু করে।
উদ্ধারকর্মীরা
জানান, র্যাকুনটিকে তুলে নেওয়ার আগে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করা হয় যাতে তার হুঁশ ফেরে।
কয়েক ঘণ্টা ঘুমানোর পর দেখা যায়, প্রাণীটির শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই, যদিও হালকা
হ্যাংওভার ছিল। পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে ওঠার পর সেটিকে আবার নিরাপদে বনে ছেড়ে দেওয়া
হয়। দোকানটির পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে প্রাণীটি উদ্ধারে
পেশাদার সহায়তার জন্য হ্যানোভার কাউন্টি অ্যানিমাল প্রোটেকশন অ্যান্ড শেল্টারকে ধন্যবাদ
জানানো হয়েছে।
এই
অদ্ভুত ঘটনার বিষয়ে কর্মকর্তা সামান্থা মার্টিন হাসতে হাসতে বলেন, একজন অ্যানিমাল কন্ট্রোল
অফিসারের জীবনে এ তো আরেকটা সাধারণ দিন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ইয়াছিন বলেছেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারলে দেশ একটি যোগ্য ও সুন্দর প্রজন্ম পাবে।
আজ সকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে হাজী মোঃ জহিরুল ইসলাম ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে নেউরা এম. আই. উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রাথমিক স্তরের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আল্লাহ ধন-সম্পদ দেওয়ার আগে মানুষের মনকে সমৃদ্ধ করেন। আয়োজক জহিরুল ইসলামের এই উদ্যোগ তার উদার মানসিকতারই প্রমাণ। তিনি বলেন, আজকের এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি মহৎ কাজ, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
মন্ত্রী বলেন, সময় ও যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার ধরণ ও শিক্ষার্থীদের চাহিদাও বদলেছে। বর্তমান যুগে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি স্কুল ব্যাগও একজন শিক্ষার্থীর জন্য বড় সহায়তা হতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করে এবং সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
মন্ত্রী সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যার যার অবস্থান থেকে সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দেশের কল্যাণে এগিয়ে আসতে হবে। আজ যেসব শিক্ষার্থী সহায়তা পাচ্ছে, ভবিষ্যতে তারাই দেশের সম্পদ হয়ে সমাজের কল্যাণে অবদান রাখবে।
নিজের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য—এই তিনটি খাত দেশের অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কৃষকের ভাগ্য উন্নয়ন করতে পারলেই দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব। এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
হাজ্বী মোঃ জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে আজ রোববার (৭ সেপ্টেম্বর)।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, যদি আকাশ মেঘমুক্ত থাকে তাহলে বাংলাদেশ থেকেও এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। চন্দ্রগ্রহণটি রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে শুরু হয়ে পরদিন (৮ সেপ্টেম্বর) ভোর পর্যন্ত চলবে।
মোট সাত ঘণ্টা ২৭ মিনিট স্থায়ী হবে গ্রহণ। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ৭ সেপ্টেম্বর রাত ৯টা ২৭ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে।
চন্দ্রগ্রহণটি পূর্ণাঙ্গভাবে দেখা যাবে, এমন স্থান হলো—পূর্বে ইন্দোনেশিয়ার হিলা দ্বীপ থেকে শুরু করে পশ্চিমে কেনিয়ার মোম্বাসা বন্দর পর্যন্ত। এই দুই প্রান্তের কিছুটা পূর্ব-পশ্চিমেও আংশিক গ্রহণ দেখা যাবে।
তবে উত্তর আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা থেকে এটি দেখা যাবে না।
উল্লেখ্য, আকাশপ্রেমী ও সাধারণ মানুষ— সবার জন্য এটি এক অনন্য সুযোগ। শুধু সৌন্দর্য নয়, চাঁদের লাল রঙের মাধ্যমে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করারও বিরল সুযোগ মিলবে।
মন্তব্য করুন