

ঢাকা
শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত ফল পুনঃনিরীক্ষণের এইচএসসি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত
জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র টেলিটকের প্রিপেইড নম্বর থেকে ফল পুনঃনিরীক্ষণের
আবেদন করা যাবে।
আবেদন করার জন্য প্রথমে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখতে হবে। তারপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করতে হবে। উদাহারণ: RSC COM123456 174 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য কমা দিয়ে সাবজেক্ট কোড এসএমএস করতে হবে।
এসএমএস সেন্ড হয়ে গেলে টেলিটক থেকে পিন নম্বরসহ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে, সেটা জানিয়ে একটি ফিরতি টেলিটকের আসবে। পিন নম্বরটি সংগ্রহ করে রাখতে হবে। তারপর এতে সম্মত হলে আবারও মেসেজ অপশনে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে ‘পিন নম্বর’ লিখে স্পেস দিয়ে নিজস্ব মোবাইল নম্বর (যেকোনো অপারেটর) লিখে ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে।
বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি তথ্যানুযায়ী- প্রতিটি পত্রের ফল পুনঃনিরীক্ষার ফি ১৫০ টাকা। সেই হিসেবে এইচএসসির প্রতি বিষয়ের (১ম এবং ২য় পত্র) পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের জন্য ফি ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কারণ ২ পত্রের বিষয়ের ক্ষেত্রে দুটির জন্যই একসঙ্গে আবেদন করতে হবে।
মন্তব্য করুন


মাতৃভাষার জন্য জীবন
দেওয়ার ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার (২১
ফেব্রুয়ারি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আন্তর্জাতিক
মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার
স্বীকৃতি এনে দিতে আমাদের আত্মত্যাগ করতে হয়েছে অনেক। জাতির মুক্তি সংগ্রামের
ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই একটি
অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ভাষাভিত্তিক জাতিসত্তা ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত
রচিত হয়।
তিনি আরো বলেন, পৃথিবীর
প্রায় সব দেশে নানান দেশের নানান ভাষার কিংবা হাতে গোনা কয়েকটি দেশের কিছু মানুষ
নাগরিকত্ব গ্রহণ করে কয়েক প্রজন্ম ধরে বসবাস করে। নতুন দেশের ভাষা তাদের দৈনন্দিন
জীবনে চব্বিশ ঘণ্টার ভাষায় পরিণত হয়ে যায়, কিন্তু তবু সে ভাষা তার মাতৃভাষায় পরিণত
হয় না। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সব জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে মাতৃভাষার চেতনা ও মর্যাদা
রক্ষার প্রেরণা ও এ চেতনার সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিকতার সূত্রে ২০০১ সালের ১৫ মার্চ
ঢাকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। বিশ্বের সব
মাতৃভাষার সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও গবেষণার ইতিবৃত্তকে লক্ষ্য করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
ইনস্টিটিউট তার যাত্রা শুরু করে।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, একটি নতুন ভাষা শিখলেই পুরনো ভাষায় দুর্বল হয়ে পড়বে এই ধারণার কোনো ভিত্তি
নেই। পৃথিবীর বহু দেশে একই নাগরিক সাবলীলভাবে কয়েকটি ভাষায় কথা বলবে এটা খুবই
স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া হয়। তারা শৈশব থেকে নানান ভাষায় অভ্যস্ত হয়ে যায়।
স্কুলে পড়ার সময় প্রত্যেক ছাত্রকে অন্তত একটি ভিন্ন ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করা
হয়। ছাত্ররাও আনন্দ সহকারে সেটা করে থাকে। ইংরেজি শিখলেই বাংলা ভুলে যেতে হবে এমন
কোনো চিন্তা তাদের কারও মাথায় আসে না।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন,
আমরা দ্রুত গতিতে নতুন পৃথিবী সৃষ্টি করে যাচ্ছি। এর জন্য মূলত নিত্যনতুন
প্রযুক্তি প্রধানত দায়ী। প্রযুক্তির প্রাধান্যের সঙ্গে আসে ভাষার প্রাধান্য। যে
দেশের প্রযুক্তি পৃথিবীতে প্রাধান্য অর্জন করতে থাকবে তার সঙ্গে প্রাধান্য অর্জন
করতে থাকবে প্রযুক্তিদাতা দেশের ভাষা। সারা পৃথিবী এই ভাষা শেখার জন্য ঝাঁপিয়ে
পড়বে।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, ভাষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির সঙ্গে সাহিত্য, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান- সরাসরি জড়িত। আমরা যখন মাতৃভাষায় কথা বলি তখন যেন মনে রাখি মাতৃভাষা মানুষের প্রাথমিক ভাষা। সেই ভাষা প্রথম শ্রবণে যতই রূঢ় মনে হোক না কেন তা একদিন তার প্রাথমিক স্তর পার হয়ে বহু দেশের বহু মানুষের অত্যন্ত নমস্য ভাষায় পরিণত হতে পারে। যদি সে ভাষা পৃথিবীর অগ্রযাত্রায় কৌশলগত ভূমিকা দখল করে নিতে পারে।
মন্তব্য করুন


দেশে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ‘হিটস্ট্রোকে’
গত এক সপ্তাহে ১০ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে গতকাল সোমবার (২৯ এপ্রিল) তিনজনের মৃত্যু
হয়েছে হিটস্ট্রোকে।
এছাড়াও হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে দেশের
বিভিন্ন হাসপাতালে আরও পাঁচজন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৩০এপ্রিল) সকাল ৯টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি
অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এসব তথ্য জানায়।
কন্ট্রোল রুম জানায়, এ পর্যন্ত সারা
দেশে হিটস্ট্রোকে মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে আটজন পুরুষ ও দুজন নারী। হিটস্ট্রোকে নতুন
করে মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে মাদারীপুর জেলায়। আরেকজনের মৃত্যু
হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়। মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে দুজন মাদারীপুরের। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গা,
খুলনা, হবিগঞ্জ, রাজবাড়ী, ঝিনাইদহ, লালমনিরহাট, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় একজন করে
মারা গেছেন।
উষ্ণতাজনিত অসুস্থতার চিকিৎসায় একটি
গাইডলাইন তৈরি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) শাহবাগ থানায় কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো.
আরশাদ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
ডিএমপির
পুলিশ কমিশনার মো: মাইনুল হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা
হয়।
ডিএমপি
জানায়, গত ৩১ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে ঢাকার
নিউ মডেল ডিগ্রী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলামের মুখ চেপে
ধরেন পরিদর্শক আরশাদ হোসেন। তার এমন অপেশাদার কর্মকাণ্ডের ফলে পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে
জনগণের বিরূপ ধারণা সৃষ্টিসহ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। যার প্রেক্ষিতে তাকে
সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) চট্টগ্রাম সেনানিবাসস্থ দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টার (ইবিআরসি)-এ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩৮তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি। সেনাবাহিনী প্রধান ইবিআরসিতে পৌঁছালে তাঁকে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড: জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া এবং কমান্ড্যান্ট ও পাপা টাইগার, দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টার অভ্যর্থনা জানান।
বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনের শুরুতেই সেনাবাহিনী প্রধান ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা স্মরণ করে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। সেই সাথে নিষ্ঠা, একাগ্রতা এবং পেশাদারিত্বের সাথে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা অর্জন করে একবিংশ শতাব্দীর কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার জন্য ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সকল সদস্যদের প্রতি আহবান জানান। এছাড়াও, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে সেনাবাহিনী প্রধান এ রেজিমেন্টের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করেন।
অনুষ্ঠানে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া; কমান্ড্যান্ট ও পাপা টাইগার, ইবিআরসি; মিলিটারি সেক্রেটারি; অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল; কমান্ড্যান্ট, বিআইআরসি; চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ চা বোর্ড; সেনাসদর ও চট্টগ্রাম এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ; সকল পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডারগণ ও ইউনিটসমূহের অধিনায়কগণ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘদিন
পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনে
ধানের শীষের প্রার্থী তারেক রহমান।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ১২ ফেব্রুয়ারি ) সকাল সাড়ে ৯টার পর রাজধানীর গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড
কলেজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জয়ের ব্যাপারে দৃঢ়
আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তারেক
রহমান বলেন, বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের মানুষ এই দিনটির জন্য অপেক্ষা
করছিলেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে
একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবেন।
সারা
দেশ থেকে গত রাতে পাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী কঠোরভাবে সেসব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যা তার কাছে আশাব্যঞ্জক
বলে মনে হয়েছে।
তিনি
ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়ে বলেন,
মানুষ যদি সারাদিন ভোটকেন্দ্রে এসে তাদের অধিকার প্রয়োগ করেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ যে
কোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব।
নির্বাচনের
ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তারেক রহমান দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, তিনি এবং তার দল জয়ের ব্যাপারে
আশাবাদী।
নির্বাচনে
বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার
দেওয়ার কথা জানান। তার ভাষায়, সাধারণ মানুষ যাতে দেশে নিরাপদ বোধ করেন, সেটিই হবে আমাদের
প্রধান লক্ষ্য।
নারীর
অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দেশের
মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। নির্বাচনী ইশতেহার
অনুযায়ী নারীর যথাযথ মূল্যায়ন ও ক্ষমতায়নের কাজ প্রথম দিন থেকেই শুরু করা হবে।
ভোটের
পরিবেশ কেমন দেখছেন বা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কিনা—এমন
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনই মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। আরও কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণ
করার পর হয়তো বলতে পারব।
সবাইকে
সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর ও স্থিতিশীল আগামীর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন


এআই
দিয়ে আহত হাতের ছবি বানিয়ে অফিস থেকে ছুটি নিলেন এক কর্মী। সেই ঘটনা ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল
মিডিয়ায়, চলছে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
মানুষের
জীবনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের পাশাপাশি অপব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে। সম্প্রতি
গুগলের ন্যানো ব্যানা এআই ইমেজ জেনারেটর তারই যেন প্রমাণ দিলো। এর হাইপার-রিয়েলিস্টিক
(অত্যন্ত বাস্তবসম্মত) ছবি তৈরি করার ক্ষমতা ব্যবহার করে অদ্ভুতভাবে অফিস থেকে ছুটি
নিয়েছেন এক ব্যক্তি। তিনি প্রথমে রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিজের হাতের একটি ছবি তোলেন। এরপর
সেই ছবি ন্যানো ব্যানানাতে আপলোড করেন। সেখানে সংক্ষিপ্ত প্রম্পট লিখে এআই’কে
আঘাতের চিহ্ন যোগ করার নির্দেশ দেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এআই এমন একটি বাস্তবসম্মত
ছবি তৈরি করে দেয়, যা দেখলে মনে হবে- সত্যিই আঘাত লেগেছে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, ‘বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি
এই অর্ধেক জনসংখ্যাকে যদি আমরা পেছনে রাখি, শিক্ষা এবং অর্থনৈতিকভাবে তাদেরকে যদি ক্ষমতায়িত
করতে না পারি, তাহলে দেশকে কোনোভাবেই সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।’
আজ
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানীতে কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি মাঠে ‘ফ্যামিলি
কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে
প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। পাইলট প্রকল্পের অংশ হিসেবে সারা দেশের ১৪টি স্থানে একযোগে
এই কার্ড বিতরণ শুরু হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারী ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ
মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
সাবেক
প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সরকারের উদাহরণ টেনে তারেক রহমান বলেন, এর আগে দেশনেত্রী
বেগম খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তখন সমগ্র বাংলাদেশে তিনি নারীদের
স্কুল পর্যায় থেকে ইন্টারমিডিয়েট লেভেল পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিনামূল্যে করার
ব্যবস্থা করেছিলেন। সেই শিক্ষিত নারী সমাজকে আজকে আমরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়িত করতে
চাই, অর্থনৈতিকভাবে তাদের সচ্ছল করতে চাই।
সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বর্তমান সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করছে কীভাবে নারীর
ক্ষমতায়ন আমরা করব, অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল করে তুলব। তারই অংশ হিসেবে আজকে এই ফ্যামিলি
কার্ড আমরা সমগ্র বাংলাদেশে পর্যায়ক্রমে ইন্ট্রোডিউস (পরিচিত) করলাম।
তারেক
রহমান বলেন, সমগ্র বাংলাদেশে ১৪টি জায়গায় বা ১৪টি উপজেলায় এই কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে
এই মুহূর্তে প্রায় ৩৭ হাজার নারী অংশগ্রহণ করছে। আমাদের এই কড়াইল এলাকা, ভাষানটেক এলাকা
এবং সাততলা এই তিন এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার নারীকে এই কার্ডের সুবিধার আওতায় আজকে নিয়ে
আসা হয়েছে।
সরকারের
পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন,‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সরকার পর্যায়ক্রমিকভাবে
বাংলাদেশে যে চার কোটি পরিবার রয়েছে, সেই চার কোটি পরিবারে যারা নারী প্রধান তাদের
কাছে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমিকভাবে সকলের কাছে এই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে যেতে
সক্ষম হবে।’
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ফল। এ উদ্যোগকে তিনি তাঁর সরকার
ও বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক একটি দিন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি
আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আজকের এই অনুষ্ঠানটি আমাদের জন্য অত্যন্ত একটি
গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান, একটি স্মরণীয় দিন এবং একটি ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান।’
দায়িত্বশীল
সরকারের ভূমিকা পালন করার অঙ্গীকার করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা একটি
দায়িত্বশীল সরকারের ভূমিকা পালন করতে চাই, যে সরকার জনগণের জন্য কাজ করবে, যে সরকার
কাজ করবে দেশের জন্য।’
তিনি
বলেন, ‘আমরা জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে চাই এবং তারই একটি অংশ হিসেবে আমাদের দল বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দল নির্বাচনের পূর্বে আমরা বাংলাদেশের মানুষ ও নারী সমাজের কাছে প্রতিশ্রুতি
দিয়েছিলাম যে বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে আমরা এই ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু করব।
আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশের মানুষের সমর্থনে বিগত নির্বাচনে সরকার গঠন করার এক মাসেরও
কম সময়ের মধ্যে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কাজ আমরা শুরু করেছি।’
তিনি
জানান, ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’
চালুর কাজও শুরু হয়েছে এবং আগামী মাসের মধ্যে অনেক কৃষকের হাতে সেই কার্ড তুলে দেওয়া
সম্ভব হবে।
এ
ছাড়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ
করা হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা কৃষক ভাইদের কাছে প্রতিশ্রুতি
দিয়েছিলাম, যাদের কৃষি ঋণ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আছে, সুদসহ সেই ঋণ আমরা মওকুফ করব।
গত সপ্তাহে সেই ঋণ মওকুফ করা হয়েছে।’
ফ্যামিলি
কার্ড কর্মসূচি চালুর দিনটি তাঁর জন্য ব্যক্তিগতভাবে আবেগঘন বলেও উল্লেখ করেন তারেক
রহমান। তিনি বলেন, ‘এই ফ্যামিলি কার্ডটি ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্য অত্যন্ত আবেগঘন। কারণ
অনেক বছর ধরে আমরা পরিকল্পনা করেছি, সুযোগ পেলে এটি বাস্তবায়ন করব। আল্লাহর রহমতে আজকে
আমরা সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পেরেছি।’
মধ্যপ্রাচ্যের
অস্থিরতাসহ সমসাময়িক বৈশ্বিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের
মানুষের প্রত্যাশা বর্তমান সরকারের কাছে অনেক, সেটি আমরা বুঝতে পারি। আমরা যে প্রতিশ্রুতি
গুলো দিয়েছিলাম, তা থেকে বিন্দুমাত্র অবস্থান পরিবর্তন করব না। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির
কারণে ক্ষেত্রবিশেষে কিছু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে হয়তো সময় বেশি লাগতে পারে। তাই সবাইকে
ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলার অনুরোধ করছি।’
বক্তব্যের
শেষে তিনি তাঁর নির্বাচনী স্লোগান মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, প্রত্যেকটি নির্বাচনী জনসভায়
একটি কথা আমার বক্তব্যের শেষে আমি তুলে ধরতাম। সেই কথাটি ছোট্ট একটি স্লোগানের মাধ্যমে
আপনাদের সকলের কমবেশি জানা আছে, সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের কাছে স্লোগানটি পৌঁছে গেছে।
আজকে সেই স্লোগানটি দিয়েই আমি আমার বক্তব্য শেষ করতে চাই, সেই স্লোগানটি ছিল: করব কাজ,
গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ! সবার আগে বাংলাদেশ!
রাজধানীর
বনানীতে টিঅ্যান্ডটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে
যোগ দিতে সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সেখানে পৌঁছান। তবে, মঞ্চে ওঠার আগেই
তিনি সোজা চলে যান মাঠে অপেক্ষমাণ নারীদের কাছে।
এ
সময় প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন নারীরা। নানা স্লোগান দেন তারা। দেশের
প্রধানমন্ত্রীকে এতো কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি ;
আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কুমিল্লা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
আজ কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার বিবির বাজার এলাকায় এক বিশেষ অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেমাই উৎপাদন ও ক্ষতিকর রং ব্যবহারের দায়ে একটি প্রতিষ্ঠানকে বড় অংকের জরিমানা করা হয়েছে।
২৪ ফেব্রুয়ারী,রোজ-মঙ্গলবার দুপুরে বিবির বাজার এলাকায় অবস্থিত ‘কাশফুল ফুড প্রডাক্ট’ নামক সেমাই কারখানায় এই ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে কারখানাটিতে একাধিক গুরুতর অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়- অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেমাই তৈরি ও সংরক্ষণ করা হচ্ছিল, শিশুখাদ্যে মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ শিল্প-রং ব্যবহার করা হচ্ছিল,কারখানায় উৎপাদিত সফট ড্রিংক পাউডারে (ট্যাংক) অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি এসপারটাম মেশানো হচ্ছিল, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ।
ভোক্তা অধিদপ্তর জানায়,কোনো বৈধ হালাল সনদ না থাকা সত্ত্বেও প্যাকেটের গায়ে ‘হালাল’ লোগো ব্যবহার করে সাধারণ ক্রেতাদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছিল প্রতিষ্ঠানটি।
উক্ত প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী এসব অপরাধের দায়ে ‘কাশফুল ফুড প্রডাক্ট’কে ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সাথে ভবিষ্যতে এই ধরণের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
ভোক্তা অধিদপ্তর আরও জানায়,"জনস্বার্থ এবং রমজানে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমাদের এই অভিযান পুরো মাসব্যাপী জেলাজুড়ে অব্যাহত থাকবে।"
উক্ত অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো: কাউছার মিয়া। উক্ত অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন মো: জুয়েল মিয়া, নিরাপদ খাদ্য অফিসার, কুমিল্লা ক্যাব প্রতিনিধি মো: কাজী মাসুদ আলম।
সহযোগিতায় ছিলেন র্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লা-এর একটি চৌকস দল।
মন্তব্য করুন


বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় ট্রেনের ধাক্কায় এক নারী ও তার শিশুপুত্রের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সোনাতলা পৌর এলাকার ছয়ঘরিয়া পাড়ায় রেললাইনের ওপর এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দোয়াইল এলাকার বাসিন্দা রনি বেগম (৩০) এবং তার আট বছর বয়সী ছেলে আরাফাত। সোনাতলা থানার উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম জানান, সকালে ওই নারী তার সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে রেললাইন ধরে সোনাতলার দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় রেলপথে তাদের অবস্থান লক্ষ্য করে স্থানীয় এক ব্যক্তি সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তা সফল না হওয়ায় সান্তাহার থেকে লালমনিরহাটগামী পদ্মরাগ ট্রেনটি এসে তাদের দুজনকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মা ও ছেলের মৃত্যু হয় এবং ওই ব্যক্তি আহত হন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
মন্তব্য করুন


মুন্সীগঞ্জে দেশীয়
বিষাক্ত মদপানে প্রাণ গেল ৫ জনের। শুক্রবার (০৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে রহমতউল্লাহ
বেপারী (৬৫) নামে আরও একজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এ ঘটনায় আরও দুইজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর)
সকাল ১০টার দিকে তাকে স্থানীয় কাঠাদিয়ায় দাফন করা হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার (০৪ সেপ্টেম্বর)
ও শুক্রবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময়ে মুন্সীগঞ্জ সদরে দুইজন ও টংগীবাড়ী উপজেলায় বিষাক্ত
মদপানে দুইজন নিহত হন ।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীনরা
হলেন- আল আমিন সরকার (৪৫) ও সিজান বেপারী (২৬)।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন-
টংগিবাড়ী উপজেলার কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া ইউনিয়নের কাঠাদিয়া গ্রামের ইব্রাহিম মুন্সী (৭০),
বাচ্চু বেপারী (৬৫), রহমতউল্লাহ বেপারী (৬৫), সদর উপজেলার মহাকালি ইউনিয়নের ঘাসিপুকুরপাড়
এলাকার হোসেন ডাক্তার (৬৫) ও নুরপুকুরপাড় এলাকার আমির হোসেন (৬০)।
স্থানীয়রা জানান,
বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকজন একসঙ্গে দেশীয় মদপান করার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে
নেওয়ার পথে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে তাদের মৃত্যুবরণ হয় এবং দাফন করা হয়।
টংগীবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মহিদুল ইসলাম বলেন, বিষাক্ত মদপানে টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় তিনজন নিহত
হয়েছেন।
মন্তব্য করুন