

ঢাকা
শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত ফল পুনঃনিরীক্ষণের এইচএসসি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত
জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র টেলিটকের প্রিপেইড নম্বর থেকে ফল পুনঃনিরীক্ষণের
আবেদন করা যাবে।
আবেদন করার জন্য প্রথমে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখতে হবে। তারপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করতে হবে। উদাহারণ: RSC COM123456 174 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য কমা দিয়ে সাবজেক্ট কোড এসএমএস করতে হবে।
এসএমএস সেন্ড হয়ে গেলে টেলিটক থেকে পিন নম্বরসহ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে, সেটা জানিয়ে একটি ফিরতি টেলিটকের আসবে। পিন নম্বরটি সংগ্রহ করে রাখতে হবে। তারপর এতে সম্মত হলে আবারও মেসেজ অপশনে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে ‘পিন নম্বর’ লিখে স্পেস দিয়ে নিজস্ব মোবাইল নম্বর (যেকোনো অপারেটর) লিখে ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে।
বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি তথ্যানুযায়ী- প্রতিটি পত্রের ফল পুনঃনিরীক্ষার ফি ১৫০ টাকা। সেই হিসেবে এইচএসসির প্রতি বিষয়ের (১ম এবং ২য় পত্র) পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের জন্য ফি ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কারণ ২ পত্রের বিষয়ের ক্ষেত্রে দুটির জন্যই একসঙ্গে আবেদন করতে হবে।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের
সখীপুরে বেপরোয়া গতির দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাবেক
ও বর্তমান শিক্ষার্থী দুই বন্ধুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায়
উপজেলার কালমেঘা–নলুয়া সড়কের বেলতলী এলাকায় এ দুর্ঘটনা
ঘটে।
নিহত
কিশোরেরা হলেন- উপজেলার কালিদাস গ্রামের পানাউল্লাহপাড়ার মোহাম্মদ আলীর ছেলে লিখন
আহমেদ (১৫), একই গ্রামের বল্লাচালাপাড়ার মইনুদ্দিনের ছেলে আবির হোসেন (১৫) এবং ফুলঝুঁড়িপাড়ার
প্রবাসী আবদুর রউফের ছেলে সাব্বির হাসান (২০)। লিখন ও আবির বন্ধু। তারা কালিদাস কলতান
বিদ্যানিকেতনের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আর সাব্বির হাসান এইচএসসি পাস করে বিদেশে যাওয়ার
প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী
সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় স্কুল শিক্ষার্থী দুই বন্ধু আবির ও লিখন মোটরসাইকেলযোগে
বেড়াতে বের হন। তারা উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের বেলতলী এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক
থেকে আসা অপর একটি বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে
গুরুতর আহত হন দুই মোটরসাইকেল আরোহী ছাড়াও আরও তিন শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় একটি মোটরসাইকেল
চালাচ্ছিল আবির হোসেন এবং অন্যটি চালাচ্ছিলেন সাব্বির হাসান। নিহত আবির ও লিখন একই
মোটরসাইকেলে ছিলেন।
স্থানীয়রা
জানান, গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত
চিকিৎসক আবির হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে আহত বাকি চারজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
নেওয়ার পথে লিখন আহমেদ ও সাব্বির হাসানের মৃত্যু হয়।
নিহতদের
পরিচয় নিশ্চিত করে কালিদাস কলতান বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বাদল জানান,
লিখন ও আবির তার প্রতিষ্ঠানের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং নিহত সাব্বির তার প্রতিষ্ঠানের
সাবেক শিক্ষার্থী। কাকতালীয়ভাবে তিনজনেরই বাড়ি একই গ্রামে।
এ
বিষয়ে জানতে চাইলে সখীপুর থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মোশারফ হোসেন
চৌধুরী বলেন, দুটি মরদেহ থানায় আনা হয়েছে। অপর একটি মরদেহ ঢাকা থেকে সখীপুরে আনার
প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


আইন
উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, শিগগিরই সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করা হবে।
বৃহস্পতিবার
(৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর বিচার প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ
কথা বলেন।
উপদেষ্টা
আসিফ নজরুল বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব কালাকানুন বাতিল করা হবে। ডিজিটাল সার্ভিসেস
অ্যাক্টে (ডিএসএ) হওয়া মামলাগুলো প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর
আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর আইন মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সাইবার আইনে হওয়া ‘স্পিচ
অফেন্স’ (মুক্তমত প্রকাশ) সম্পর্কিত মামলাগুলো প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর
চাটখিল উপজেলায় নতুন টিউবওয়েলে পানির সঙ্গে গ্যাস বের হওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে।
টিউবওয়েলের মুখে দিয়াশলাই ধরতেই আগুন জ্বলে ওঠায় স্থানীয়দের মধ্যে কৌতুহল ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মতিন গৃহস্থালির ব্যবহারের জন্য এক মাস আগে
তার বসতঘরের পাশে ৬০ ফুট গভীর একটি টিউবওয়েল স্থাপন করেন। টিউবওয়েল স্থাপনের পর থেকেই
পানির সঙ্গে এক ধরনের তীব্র গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। পানি বের হওয়ার সময় বুদ বুদ শব্দ করে।
এ কারণে পানি ব্যবহার করতে পারছিল না পরিবারটি। বিষয়টি পরীক্ষা করতে আব্দুল মতিন ও
তার পরিবারের সদস্যরা দিয়াশলাই জ্বালালে টিউবওয়েলের মুখে আগুন জ্বলে ওঠে। এ ঘটনার খবর
দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। এতে স্থানীয়দের মধ্যে চরম
উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
এদিকে
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূগর্ভস্থ গ্যাসের উপস্থিতির কারণে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। তাই দ্রুত
পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ঝুঁকি নিরূপণ করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আব্দুল
মতিন বলেন, প্রথমে আমরা বিষয়টি বুঝতে পারিনি। পরে গ্যাসের গন্ধ পেয়ে সন্দেহ হলে লাইটার
দিয়ে পরীক্ষা করি, তখনই আগুন জ্বলে ওঠে। আমরা এখন আতঙ্কে আছি। দ্রুত পরীক্ষা করার জন্য
প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।
এ
বিষয়ে চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে নজরে এসেছে। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া এ বিষয়ে নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব
নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও
তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


পদ্মশ্রী
সম্মান ঘোষণার পরপরই রাজনৈতিক বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন ভারতের আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক
ভি কামাকোটি। শিক্ষাবিদ ও গবেষক হিসেবে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে পদ্মশ্রী দেওয়ার
সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে কটাক্ষ করে কেরালা কংগ্রেস।
এর জবাবে মাঠে নামেন জোহো করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীধর ভেম্বু, যার ফলে বিষয়টি ঘিরে
তীব্র তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
২০২২
সাল থেকে আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন ভি কামাকোটি। পদ্মশ্রী
পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, এই সম্মান তার একক অর্জন নয়, বরং সমষ্টিগত প্রয়াসের
স্বীকৃতি। একই সঙ্গে ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ লক্ষ্য অর্জনে আরও বেশি কাজ করার প্রত্যয়
ব্যক্ত করেন তিনি।
তবে
সম্মান ঘোষণার পরই কেরালা কংগ্রেসের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ব্যঙ্গাত্মক
পোস্ট করা হয়। সেখানে কামাকোটির আগের একটি বক্তব্য উল্লেখ করে ‘গোমূত্র গবেষণা’কে
আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার জন্য তাকে অভিনন্দন জানানো হয়।
উল্লেখ্য,
গত বছর কামাকোটি দাবি করেছিলেন, গোমূত্রে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল
বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং তা আইবিএসসহ কিছু রোগে উপকারী হতে পারে। ওই বক্তব্যকে ঘিরে সে
সময় দেশজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
কেরালা
কংগ্রেসের এই কটাক্ষের জবাবে শ্রীধর ভেম্বু সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, ভি কামাকোটি একজন
‘ডিপ টেক’ গবেষক, যিনি মাইক্রোপ্রসেসর ডিজাইনের মতো উচ্চপ্রযুক্তিগত
ক্ষেত্রে কাজ করেছেন এবং দেশের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন।
তার মতে, পদ্মশ্রী সম্মান কামাকোটির প্রাপ্যতার প্রশ্নে কোনো সন্দেহ নেই।
ভেম্বু
আরও মন্তব্য করেন, গোমূত্র ও গোবরের মাইক্রোবায়োম নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণার যথেষ্ট সম্ভাবনা
রয়েছে। এসব বিষয়কে কেবল ‘ঔপনিবেশিক মানসিকতা’ থেকে অস্বীকার করা উচিত নয় বলেও মত
দেন তিনি।
এরপর
বিতর্ক আরও বিস্তৃত হয়। কেরালা কংগ্রেস প্রশ্ন তোলে, গবেষণার ক্ষেত্র হিসেবে শুধু গরু
কেন অগ্রাধিকার পাচ্ছে, অন্য প্রাণীর বিষয়গুলো কেন বিবেচনায় আসছে না। পাশাপাশি তারা
মধ্যপ্রদেশে পঞ্চগব্য নিয়ে সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত একটি গবেষণার উদাহরণ টেনে আর্থিক
অনিয়মের অভিযোগও উত্থাপন করে।
কেরালা
কংগ্রেস সরাসরি শ্রীধর ভেম্বুকে চ্যালেঞ্জ জানায়। তাদের বক্তব্য, যদি গোমূত্রের চিকিৎসাগত
উপকারিতা সত্যিই কার্যকর হয়, তবে একজন বিলিয়নিয়ার উদ্যোক্তা হিসেবে ভেম্বু নিজেই কেন
সেই গবেষণায় বিনিয়োগ করছেন না। ক্যানসারের মতো গুরুতর রোগ নিরাময়ে এটি কার্যকর প্রমাণিত
হলে সেটিই হতে পারে ভারতের বৈশ্বিক অবদানের অন্যতম বড় উদাহরণ।
মন্তব্য করুন


জনস্বার্থকে
প্রাধান্য দিয়ে সম্প্রচার-ব্যবস্থা যুগোপযোগী করা হবে বলে জানিয়েছেন,তথ্য ও সম্প্রচার
উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম।
আজ
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিকেলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে কেবল টিভি
ডিজিটালাইজেশন, টেলিভিশন রেটিং পয়েন্ট (টিআরপি) সেবাপ্রদান এবং ওভার দ্য টপ (ওটিটি)
প্লাটফর্ম-সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন-বিষয়ক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
জানিয়েছেন,তথ্য
ও সম্প্রচার বলেন, কেবল টিভি ডিজিটালাইজেশন, টিআরপি সেবাপ্রদান এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মের
সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের
সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে কোন মন্ত্রণালয় কোন কাজটি করবে সেটি অ্যালোকেশন অব
বিজনেস দ্বারা নির্ধারিত। তিনি দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতার ভিত্তিতে
সম্প্রচার-ব্যবস্থা যুগোপযোগীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায়
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ
সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, সম্প্রচার-ব্যবস্থা যুগোপযোগী ও জনবান্ধব করতে প্রযুক্তি
মূল্যায়ন পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। এই পরিকল্পনায় সংশ্লিষ্ট অংশীজনকে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত
করা যায়, এ বিষয়ে দুই মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এর পাশাপাশি লাইসেন্সিং, মনিটরিং
ও মনিটাইজেশনের বিষয়েও দুই মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবে বলে তিনি আশা প্রকাশ
করেন।
সভায়
উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, সংশ্লিষ্ট দপ্তর-সংস্থার
কর্মকর্তা, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) প্রতিনিধি এবং কেবল
অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) প্রতিনিধিগণ।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে করার লক্ষ্যে
সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন,
মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে পরীক্ষার সিস্টেমে পরিবর্তন আনা হবে। ‘অটোপাশ’র
আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।
আজ
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান
এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায়
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এসময় মন্ত্রী পরীক্ষায়
যেকোনো ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি ঘোষণা করেন।
তিনি
বলেন, ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে।
পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের যথাযথ ‘বডি সার্চ’
নিশ্চিত করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
ড.
এহছানুল হক মিলন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘পরীক্ষা কেন্দ্রের টয়লেটেও যদি নকল পাওয়া যায়,
তবে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে এর জন্য দায় নিতে হবে।’
এছাড়া
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র সংক্রান্ত কোনো গুজব বা কনটেন্ট ছড়ালে কঠোর আইনানুগ
ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
পরীক্ষার্থীদের
প্রকৃত মেধা যাচাইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, প্র্যাকটিক্যাল বা ব্যবহারিক
পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার প্রচলিত প্রথা বন্ধ করতে হবে। প্রকৃত মূল্যায়নের মাধ্যমেই
শিক্ষার্থীদের ফলাফল নির্ধারিত হতে হবে।
নকলের
বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়তে দেশব্যাপী জেলা পর্যায়ে ‘মোটিভেশনাল মিটিং’
আয়োজন করা হবে বলেও সভায় জানানো হয়।
সভায়
মন্ত্রী দেশের শিক্ষা কাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একটি দূরদর্শী পরিকল্পনার কথা
তুলে ধরেন। তিনি জানান, যেসব জেলায় বর্তমানে ‘জিলা স্কুল’
নেই, সেখানে নতুন করে জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে। এই স্কুলগুলো প্রথম শ্রেণি থেকে
দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অর্থাৎ উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের আদলে পরিচালিত হবে।
মতবিনিময়
সভায় মন্ত্রী এসএসসি পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর
তালিকা পুনরায় তদন্ত করে হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন।
সভায়
শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানগণ পরীক্ষা আয়োজনের বর্তমান অগ্রগতি তুলে ধরেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটকে সামনে রেখে সশস্ত্র বাহিনীসহ ১৬টি বিভাগ ও
সংস্থার সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত আলোচনা ও সমন্বয় সভা করেছে নির্বাচন কমিশন।
আজ রবিবার ( ১১ জানুয়ারি ) সকাল ৯টায়
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের সম্মেলন কক্ষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগে. জেনা.
(অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহর সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ সভা
অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে
বর্ডার গার্ড, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, জাতীয় নিরাপত্তা
ও গোয়েন্দা অধিদফতর, ডিজিএফআই, জাতীয় টেলিযোগাযোগ মনিটরিং সেন্টার ও র্যাপিড একশন
ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সহ বিভিন্ন সশস্ত্র বাহিনীর মহাপরিচালকসহ প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার
ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে
নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ আসন্ন ভোটকে কেন্দ্র করে যে কোনো ধরনের সহিংসতা ঠেকাতে
জোরালো ভূমিকা রাখতে মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
মন্তব্য করুন


যশোরের ঝিকরগাছায় হত্যা মামলায় ওসমান গণি ও আলী হোসেন নামে ২ ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক জুয়েল অধিকারী এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের ছোট পোদাউলিয়া গ্রামের মৃত ছবেদ আলী সরদারের ছেলে ওসমান গণি ও আলী হোসেন। এ মামলার অপর আসামি দণ্ডপ্রাপ্ত ওসমানের স্ত্রী খাদিজা খাতুনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) আজিজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ছোট পোদাউলিয়া গ্রামের নুরুল হকের ছেলে কামরুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচাতো ভাই ওসমান ও আলী হোসেনের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ২০২৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নিজের জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে কামরুজ্জামানের সঙ্গে ওসমান ও আলী হোসেনের বাগ্বিতণ্ডা হয়।
এক পর্যায়ে ওসমান ও আলী হোসেন বাড়ি থেকে ধারালো দা এনে কামরুজ্জামানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী আনোয়ারা, ছোট ভাইয়ের স্ত্রী পারভীন ও ভাইপো আতাউর রহমানও হামলার শিকার হন। ওই চারজনকে কুপিয়ে জখম করে ওসমান ও আলী হোসেন পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চারজনকেই যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে আনার পর কামরুজ্জামানের মৃত্যু হয়। আহত ৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় নিহত কামরুজ্জামানের বাবা রুহুল আমিন সরদার থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৩ জুলাই ঝিকরগাছা থানার উপপরিদর্শক বনি ইসরাইল আদালতে চার্জশিট জমা দেন। ওসমান ও আলী হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সোমবার তাদের ফাঁসির আদেশ ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ওসমানের স্ত্রী খাদিজা খাতুনকে খালাস দেওয়া হয়। এপিপি আজিজুল ইসলাম বলেন, হত্যা মামলায় ২ বছরের মাথায় আদালত রায় দিয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, হেলমেট ও ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
আজ বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য জানান।
ডিএমপি জানায়, গত রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানাধীন পশ্চিম আগারগাঁওয়ের বনলতা আবাসিক এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় মোটরসাইকেল, হেলমেট ও ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার করা হয়।
সিটিটিসি সূত্র জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির নম্বর প্লেট পরিবর্তনের বিষয়টি শনাক্ত করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বাড়ির নিচতলার পার্কিং থেকে মোটরসাইকেল ও হেলমেট উদ্ধার করা হয়। পরে ভুয়া নম্বর প্লেটটি একটি ম্যানহোলের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেলটির মালিকানা শনাক্তে তদন্ত চালিয়ে সিটিটিসি জানতে পারে, মোটরসাইকেলটির প্রথম মালিক ছিলেন আব্দুর রহমান। পরবর্তীতে এটি শহিদুল, রাসেল, মার্কেটপ্লেস, ওবায়দুল ইসলাম, আনারুলসহ একাধিক ব্যক্তির হাতবদল হয়ে শুভ নামে একজনের কাছে যায়।
তদন্তে আরও জানা যায়, হামলার ঘটনায় জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সালের সহযোগী মো. কবিরের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে মাইনুদ্দিন ইসলামের নামে মোটরসাইকেলটি কেনা হয়। মোটরসাইকেলটি মোট আটবার হাতবদল হয়।
উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেল, হেলমেট ও ভুয়া নম্বর প্লেট পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জগতপুর গ্রামে ময়লা ফেলার জেরে অন্তঃসত্ত্বা নারী ফাহিমা আক্তার কে হত্যা করে সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর সময় ৩ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত ১০টায় ভারতে পালানোর সময় সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবির সহায়তায় তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- প্রধান আসামী মো. সাইদুর রহমান (২৪), ২ নং আসামী শাফিউল জান্নাত প্রকাশ সিয়াম (১৯) ও ৪ নং আসামী শাহারিয়ার নাজিম জয় (১৯)। তাদের মধ্যে সাইদুর রহমান ও সিয়াম জগতপুর (নাগরবাড়ি), বুড়িচং উপজেলার বাসিন্দা এবং শাহারিয়ার নাজিম জয় কুমিল্লা কোতোয়ালী থানার বাঁশমঙ্গল গ্রামের বাসিন্দা।
বুড়িচং থানার ওসি মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় আসামিরা ভারতে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ তথ্যের পর তিনি নিজে এবং বুড়িচং থানার একাধিক পুলিশ সদস্য নিয়ে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করেন। পরে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের সহযোগিতায় ভারতে পালানোর আগ মুহূর্তে আসামিদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়।তিনি আরও জানায়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মামলার এজাহারনামীয় এক, দুই ও চার নম্বর আসামি রয়েছে।এর আগে রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে বুড়িচং পৌরসভার জগতপুর (নাগরবাড়ি) গ্রামে ডায়পার ফেলা নিয়ে তুচ্ছ বিরোধের জেরে ফাহিমা আক্তার আঁখিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হন।
বুড়িচং থানা সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন