

ঢাকা
শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত ফল পুনঃনিরীক্ষণের এইচএসসি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত
জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র টেলিটকের প্রিপেইড নম্বর থেকে ফল পুনঃনিরীক্ষণের
আবেদন করা যাবে।
আবেদন করার জন্য প্রথমে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখতে হবে। তারপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করতে হবে। উদাহারণ: RSC COM123456 174 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য কমা দিয়ে সাবজেক্ট কোড এসএমএস করতে হবে।
এসএমএস সেন্ড হয়ে গেলে টেলিটক থেকে পিন নম্বরসহ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে, সেটা জানিয়ে একটি ফিরতি টেলিটকের আসবে। পিন নম্বরটি সংগ্রহ করে রাখতে হবে। তারপর এতে সম্মত হলে আবারও মেসেজ অপশনে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে ‘পিন নম্বর’ লিখে স্পেস দিয়ে নিজস্ব মোবাইল নম্বর (যেকোনো অপারেটর) লিখে ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে।
বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি তথ্যানুযায়ী- প্রতিটি পত্রের ফল পুনঃনিরীক্ষার ফি ১৫০ টাকা। সেই হিসেবে এইচএসসির প্রতি বিষয়ের (১ম এবং ২য় পত্র) পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের জন্য ফি ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কারণ ২ পত্রের বিষয়ের ক্ষেত্রে দুটির জন্যই একসঙ্গে আবেদন করতে হবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৭টি দেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চলছে।
আজ সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে তেজগাঁও কার্যালয়ে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তার বৈঠক চলছে।
এ বৈঠকে সমসাময়িক ইস্যু ও অর্থনৈতিক খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্ভাব্য অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
মন্তব্য করুন


আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ (ন্যাশনাল
চার্টার) বিষয়ে গণভোট পর্যবেক্ষণে এখন পর্যন্ত ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক আসার
বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
আজ
শনিবার ( ৩১ জানুয়ারি ) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা
(ওআইসি)-সহ ছয়টি আন্তর্জাতিক সংস্থা অন্তত ৬৩ জন পর্যবেক্ষক পাঠাতে সম্মত হয়েছে। এর
পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ১৬টি দেশ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ৩২
জন ব্যক্তি পর্যবেক্ষক হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
এ
নিয়ে আসন্ন নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩০ জন, যা ২০২৪ সালের
৭ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ওই নির্বাচনে আন্তর্জাতিক
পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে অনেক কম।
এর
আগে ১২তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫৮ জন, ১১তম জাতীয় নির্বাচনে ১২৫ জন এবং ১০ম নির্বাচনে
মাত্র চারজন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ছিলেন।
ওআইসি’র
দুই সদস্যের পর্যবেক্ষক দলটির নেতৃত্ব দেবেন সংস্থাটির নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ইউনিটের
প্রধান শাকির মাহমুদ বান্দার। এছাড়া এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (আনফ্রেল) থেকে
২৮ জন, কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট থেকে ২৫ জন, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান
ইনস্টিটিউট (আইআরআই) থেকে সাতজন এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) থেকে
একজন পর্যবেক্ষক আসবেন।
পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভয়েস ফর জাস্টিস, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল,
এসএনএএস আফ্রিকা, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এবং পোলিশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল
অ্যাফেয়ার্স-এর মতো সংস্থার প্রতিনিধিত্বকারী ৩২ জন ব্যক্তি পর্যবেক্ষক হিসেবেও নির্বাচনী
কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন।
আন্তর্জাতিক
পর্যবেক্ষকদের সফর সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র সচিব ও এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ
বলেন, আমরা আশা করছি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা আরো বাড়বে। আমন্ত্রণ জানানো কয়েকটি
দেশ এখনো তাদের প্রতিনিধিদের নাম নিশ্চিত করেনি।
যেসব
দেশ এখনো প্রতিনিধি চূড়ান্ত করেনি— তাদের মধ্যে রয়েছে ভারত, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া,
ব্রাজিল, কানাডা, মিসর, ফ্রান্স, কুয়েত, মরক্কো, নাইজেরিয়া ও রোমানিয়া। এছাড়া দক্ষিণ
এশিয়ার নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলোর ফোরাম ফেমবোসা শিগগিরই তাদের পর্যবেক্ষকদের
নাম ঘোষণা করতে পারে।
এবারের
নির্বাচনে ৫০টির বেশি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার প্রার্থী
৩০০টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে
অনুষ্ঠিত হবে জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোট।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনের সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব বাহিনীকে
সমন্বিতভাবে ও মাঠ পর্যায়ে আরো সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ সোমবার ( ০৫ জানুয়ারি ) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা
সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন। এ সভায় বেশ কয়েকজন উপদেষ্টাসহ
আইনশৃংখলা বাহিনীর প্রধান ও শীর্ষ কর্মকর্তারা
উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যথাসময়ে
নির্বাচন অনুষ্ঠানে অটল। যারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবেন, তারা ব্যর্থ হবেন- এ
বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোকে আরো কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এবারের
জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো বা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার
যে কোন অপতৎপরতা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সর্তক থাকবে।
উপদেষ্টা বলেন,‘নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও প্রচার-প্রচারণাকালে
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সভায় নির্দেশনা
দেয়া হয়েছে। আমি সাধারণ জনগণসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করছি- সবাই যেন নির্বাচনের পরিবেশ
নিশ্চিতে সহযোগিতা করেন এবং নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলেন।’ তিনি বলেন, সভায় সিদ্ধান্ত
নেয়া হয়েছে- রাস্তাঘাট বন্ধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ বিষয়ে কোন ছাড় দেওয়া হবে
না।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির
যোদ্ধা শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আগামী ৭ জানুয়ারি
চার্জশিট দেয়া হবে।
ইতোমধ্যে এ ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার
মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর
করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই এ হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার
নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিহত করতে যথাযথ ও কার্যকর ব্যবস্থা
গ্রহণের জন্যও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সভায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, আসন্ন ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা প্রস্তুতি, জুলাইয়ের সম্মুখসারির যোদ্ধা শহীদ
শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা/বিচার কার্যক্রমের অগ্রগতি, অপারেশন
ডেভিল হান্ট ফেইজ-২ এর অগ্রগতি পর্যালোচনা, অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, মাদক বিরোধী
অভিযান জোরদারকরণ এবং সীমান্ত ও পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ
বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নারী ও শিশু নির্যাতন
আইনে ধর্ষণ মামলায় জামিন পাওয়ার অধিকার রাখবো না বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক
উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আজ রবিবার (৯ মার্চ)
আইন মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ
নজরুল বলেন, ধর্ষণ মামলায় যদি ৯০ দিনের মধ্যে বিচার না হয়, তাহলে এই মামলায় কাউকে জামিন
দেওয়া যাবে না। আগে ছিল ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার না হলে জামিন দেওয়া যেতো। এখন থেকে ধর্ষণের
মামলার ক্ষেত্রে কোনো জামিন দেওয়া হবে না। ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রে যদি কোনো রকমের
গাফলতি থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে ডিপার্টমেন্টাল অ্যাকশন নেয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট আইন
সংযোজন করা হবে। ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রে ডিএনএ
সার্টিফিকেট লাগতো। আমাদের দেশের সব জায়গায় ডিএনএ সার্টিফিকেট দেওয়ার সুবিধা নেই। এজন্য
ধর্ষণ মামলার বিচার অনেক দেরি হতো। এজন্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলে একটা সংশোধনী
আনবো যে, উপযুক্ত ক্ষেত্রে বিচারক যদি মনে করে যে শুধু মাত্র মেডিকেল সার্টিফিকেটই
মামলার বিচার ও তদন্ত কার্যক্রম চালানো সম্ভব তাহলে সে রকম ব্যবস্থা নিতে পারবে, বলেন
উপদেষ্টা।
আইন উপদেষ্টা আর বলেন,
যেসব স্থানে আসামিরা হাতেনাতে ধরা পড়বে সেখানে ডিএনএ সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য সময়ক্ষেপণ
রোধকল্পে এই পরিবর্তন আনার চিন্তা করছি। অতিদ্রুত জেলা পর্যায় ডিএনএ টেস্ট নেওয়ার জন্য
ল্যাবরেটরি তৈরি করা হবে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। তবে নির্বাচনের পূর্বাভাসে তিনি জান-মালের ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) কালবেলার প্রতিবেদকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার সময় তাহেরী বলেন, “লুট হওয়া অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। ফেসবুকে আমার সমর্থকদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। এসব নিয়ে আমি শঙ্কিত। আসন্ন নির্বাচনে জান-মালের নিরাপত্তা নিয়ে আমি ভাবছি।”
নির্বাচন চলাকালীন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত আছে কি না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা ২২ জানুয়ারি শুরু হবে। তখনই বুঝতে পারব নির্বাচনী মাঠ সমান আছে নাকি কোনো দিকে হেলে পড়েছে।”
সম্পদ ও হলফনামা:
তাহেরী বলেন, “আমার জমানো টাকা থেকে যে সুদ আসে, সেটি আমি ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করি না। আমার স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, নিজের নামে আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ। এসব স্বর্ণ আমি বিভিন্ন সময়ে উপহার হিসেবে পেয়েছি এবং স্ত্রীর ও মেয়েদের জন্য নিজের নামে ক্রয় করেছি। পরিবারের প্রধান হিসেবে সকল সম্পত্তি নিজের নামের।”
ভোটের উৎসাহ ও প্রত্যাশা:
মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী আরও জানান, “সাধারণ মানুষ আমাকে ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ। আশা করি উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের ভোটেই আমি এমপি হিসেবে জয়ী হবো।”
হবিগঞ্জ-৪ আসনে ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত এই প্রার্থী ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। ‘মোমবাতি’ প্রতীকে তিনি নির্বাচন করবেন। বৃহত্তর সুন্নিজোট তাকে সমর্থন দিয়েছে। তাহেরির বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ভাজরা গ্রামে। মাধবপুরে তার শ্বশুরবাড়ি।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার
সিদ্ধান্ত হয়েছে। আজ মধ্যরাতের পরে অথবা কালকে সকালের ভেতরে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হবে
বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ০৪ ডিসেম্বর ) দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার
হাসপাতালের সামনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।
এই
সফরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকবেন চিকিৎসক, দলের নেতাকর্মীসহ ১৪ জন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা
ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তারা
হলেন—পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান, ডা. জাহিদ হোসেন, ডা. এনামুল
হক চৌধুরী (চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা), ডা. ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ সিদ্দিকী, ডা. সাহাবুদ্দিন
তালুকদার, ডা. নুরুদ্দিন আহমেদ, ডা. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, ডা. মোহাম্মদ আল মামুন, হাসান
শাহরিয়ার ইকবাল (এসএসএফ), সৈয়দ সামিন মাহফুজ (এসএসএফ), আব্দুল হাই মল্লিক (ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যানের সহকারী), মাসুদের রহমান (অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রাইভেট সেক্রেটারী), ফাতেমা
বেগম (গৃহকর্মী), রুপা শিকদার (গৃহকর্মী)।
ডা.
জাহিদ জানান, বেগম খালেদা জিয়াকে আজ মধ্যরাতের পরে অথবা কালকে সকালের ভেতরে লন্ডনে
নিয়ে যাব। আমরা সেখানে বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতাল নির্ধারণ করেছি।
দীর্ঘদিন
ধরে খালেদা জিয়া আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায়
ভুগছেন। গত বছরের ৫ আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর খালেদা জিয়া
মুক্তি পান। এরপর চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান খালেদা জিয়া।
চিকিৎসার জন্য ১১৭ দিন লন্ডনে অবস্থান শেষে গত ৬ মে দেশে ফেরেন তিনি।
মন্তব্য করুন


রাজশাহীতে
ট্রায়াল দেওয়ার নামে গ্যারেজ থেকে গাড়ি নিয়ে যুবদলের এক নেতা লাপাত্তা হয়ে গেছেন বলে
অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ তুলে রোববার দুপুর ১২টায় গ্যারেজ মালিক নূর আহমেদ রাজশাহী নগরের
একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এরপর বিকেলে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি এক সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে এই নেতাকে বহিষ্কারের কথা জানিয়েছে।
অভিযুক্ত
নেতার নাম এসএম সফিক মাহমুদ তন্ময়। তিনি রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য
ছিলেন। এছাড়া দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাও ছিলেন। যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির
সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুইয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা
পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে তন্ময়কে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল
পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক
মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন। এতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতার
কোন অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না। তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য যুবদলের
সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে নির্দেশনাও দেওয়া হয় এতে।
এর
আগে সংবাদ সম্মেলনে গ্যারেজ মালিক নূর আহমেদের ভাই মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করেন, নগরের
বন্ধগেট এলাকায় তার ভাই নূর আহমদের একটি গাড়ির গ্যারেজ রয়েছে। সেখানে তিনি গাড়ি মেরামতের
কাজ করেন। পাশাপাশি পুরনো গাড়ি কেনাবেচার ব্যবসা করেন। গত ১৮ নভেম্বর বিকেলে গ্যারেজে
গাড়ি কেনার জন্য যান যুবদল নেতা তন্ময়। এ সময় তিনি গ্যারেজে থাকা একটি জিপ (ঢাকা মেট্রো
গ-০২-০৮৭০) পছন্দ করেন। ছয় লাখ টাকা দাম হয়। এরপর তন্ময় গাড়িটি ট্রায়াল দেওয়ার কথা
বলে নিয়ে যান। তারপর আর তিনি ফেরেননি। কয়েকদিন পর ফোন ধরলেও গাড়ি দিতে চাননি। মোহাম্মদ
আলী অভিযোগ করেন, তন্ময় বলেছিলেন যে তিনি যুবদল নেতা। তার কিছু করা যাবে না।
গ্যারেজ
মালিক নূর আহমেদ বলেন, ‘আমি গত ১৪ ডিসেম্বর মহানগরীর রাজপাড়া থানায় মামলা করতে যাই।
কিন্তু ওসি মামলা নেননি। আসামি প্রভাবশালী হবার কারণে আমাকে তিনি আদালতে মামলা করার
পরামর্শ দেন। পরে গত ২২ ডিসেম্বর আদালতে মামলা করি। বিষয়টি মহানগর বিএনপি এবং যুবদলের
শীর্ষ নেতাদের অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি।’
নূর
আহমেদ দাবি করেন, শহরের লক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা মো. মিজানুর রহমানের কাছ থেকে তিনি
গাড়িটি কিনে বিক্রির জন্য গ্যারেজে রেখেছিলেন। এ সংক্রান্ত চুক্তিনামা এবং বিআরটিএ’র
সমস্ত কাগজপত্রসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণাদিও তার কাছে আছে। সেই গাড়ি তন্ময় নিয়ে গেছেন। অভিযোগের
বিষয়ে জানতে চাইলে সদ্য বহিষ্কৃত যুবদল নেতা তন্ময় বলেন, ‘গাড়িটা আমার কেনা। গ্যারেজ
থেকে ট্রায়াল দেওয়ার নামে গাড়ি আনার অভিযোগ একেবারেই সত্য নয়।’
গাড়ি কেনার এফিডেফিট আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা এখনও করা হয়নি।’
দল
থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি জেনেছেন জানিয়ে তন্ময় বলেন, ‘দল তো আমাকে শোকজও করেনি। হঠাৎ
এটা দেখছি। সমস্যা নাই। আমি সঠিক আছি। সবকিছুই প্রমাণ হয়ে যাবে।’
রাজশাহী
মহানগর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শরিফুল ইসলাম জনি বলেন, ‘যারা অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত
হবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তন্ময়ের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ
সেটি জেনেছি। ইতোমধ্যে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি তাকে বহিষ্কার করেছে।’
মন্তব্য করুন


স্ত্রীর
মৃত্যুর ১১ ঘণ্টা পর
মারা গেছেন স্বামী। এমন হৃদয়স্পর্শী ঘটনা ঘটেছে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কাদিবাড়ী মৃধাপাড়া গ্রামে। ওই দম্পতি হলেন
জলিলুর রহমান (৭০) ও আঞ্জুয়ারা
বেগম (৬৫)।
আজ
শনিবার ( ২৫ অক্টোবর )
বেলা ১১টার দিকে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের দাফন করা হয়েছে।
গতকাল
শুক্রবার বেলা ১টা ২৫ মিনিটে নিজ
বাড়িতে মারা যান আঞ্জুয়ারা। আর দিবাগত রাত
১২টা ২৫ মিনিটে নওগাঁ
সদর হাসপাতালে মারা যান জলিলুর।
প্রায়
৪০ বছরের দাম্পত্য জীবন ছিল তাঁদের। সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে
আছে।
গ্রামবাসী
ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জলিলুর রহমান অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন। কয়েক দিন ধরে তিনি কিছুটা অসুস্থ ছিলেন।
গতকাল
বেলা ১ একটা ২৫
মিনিটের দিকে হঠাৎ মারা যান তাঁর স্ত্রী আঞ্জুয়ারা বেগম। তখন তিনি আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে স্বজনেরা তাঁকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে রাতে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
জলিলুর
রহমান ও আঞ্জুয়ারা বেগম
দম্পতির মৃত্যুর পর তাঁদের একটি
ছবি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে।
এই
দম্পতির ছোট ছেলে রাকিবুল হাসান বলেন, ‘আমার বাবা কিছুটা অসুস্থ ছিলেন। গতকাল দুপুরে মা মারা যান।
এতে বাবা ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়েন। নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত ১২টার
পর মারা যান। তাঁদের হারিয়ে আমরা এতিম হয়ে গেলাম।
মন্তব্য করুন


সরকার
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের সন্তানদের সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে
৫ শতাংশ কোটার সেই আদেশ বাতিল করেছে ।
সোমবার আগের আদেশ বাতিল করে
নতুন আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে সই করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
উপসচিব (মাধ্যমিক-১) মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার।
নতুন আদেশে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে অনেক
ছাত্র-জনতা আহত ও শহীদ হন। তাদের পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে
ভর্তির বিষয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে জারি করা আদেশ বাতিল করে নতুন আদেশ
জারি করা হলো।
এটাতে
বলা হয়, গত বছরে জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানে অনেক ছাত্র-জনতা আহত ও শহীদ হন। তাদের পরিবারের
সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির বিষয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি জারীকৃত আদেশ বাতিল
করে নতুন আদেশ জারি করা হলো।
তবে,
কোটার স্থলে আহত ও নিহতদের সন্তানদের জন্য স্কুলে ভর্তিতে লটারির জন্য নির্ধারিত আসন
সংখ্যার অতিরিক্ত প্রতি শ্রেণিতে একজন করে ভর্তির জন্য আসন সংরক্ষিত থাকবে।
আদেশে
আরও বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত/শহীদ পরিবারের সদস্যদের আসন নির্ধারণের ক্ষেত্রে
সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র/গ্যাজেটের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে এবং
ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযুদ্ধ
বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে ইস্যুকৃত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের গেজেট যথাযথভাবে যাচাই
করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
এ ছাড়া
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত/শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাওয়া না গেলে মেধা তালিকা থেকে উক্ত
আসনে ভর্তি করতে হবে। কোনো অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না বলেও আদেশে বলা হয়।
এর আগে,
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জারি করা এক আদেশে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের
পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক
বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক
অনুষ্ঠিত হয়। তথ্য অধিদপ্তরের এক বিবরণীতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের এই তথ্য জানানো
হয়েছে।
দুপুরে
তথ্য অধিদপ্তরের এক বিবরণীতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে বুধবার
(১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন আসিফ
মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম।
জুলাই
গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা
ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলম। আসিফ মাহমুদ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছিলেন। মাহফুজ
আলম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছিলেন।
মন্তব্য করুন