

ঢাকা
শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত ফল পুনঃনিরীক্ষণের এইচএসসি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত
জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র টেলিটকের প্রিপেইড নম্বর থেকে ফল পুনঃনিরীক্ষণের
আবেদন করা যাবে।
আবেদন করার জন্য প্রথমে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখতে হবে। তারপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করতে হবে। উদাহারণ: RSC COM123456 174 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য কমা দিয়ে সাবজেক্ট কোড এসএমএস করতে হবে।
এসএমএস সেন্ড হয়ে গেলে টেলিটক থেকে পিন নম্বরসহ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে, সেটা জানিয়ে একটি ফিরতি টেলিটকের আসবে। পিন নম্বরটি সংগ্রহ করে রাখতে হবে। তারপর এতে সম্মত হলে আবারও মেসেজ অপশনে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে ‘পিন নম্বর’ লিখে স্পেস দিয়ে নিজস্ব মোবাইল নম্বর (যেকোনো অপারেটর) লিখে ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে।
বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি তথ্যানুযায়ী- প্রতিটি পত্রের ফল পুনঃনিরীক্ষার ফি ১৫০ টাকা। সেই হিসেবে এইচএসসির প্রতি বিষয়ের (১ম এবং ২য় পত্র) পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের জন্য ফি ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কারণ ২ পত্রের বিষয়ের ক্ষেত্রে দুটির জন্যই একসঙ্গে আবেদন করতে হবে।
মন্তব্য করুন


লাখো
মানুষের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসা আর গভীর শ্রদ্ধায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন
বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা আজ বুধবার বেলা ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত
হয়েছে। দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম এই জানাজায় অংশ নিতে আসা মানুষের ভিড় সংসদ ভবন
এলাকা ছাড়িয়ে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে এক মহাসমুদ্রে রূপ নেয়।
জাতীয়
মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক জানাজার নামাজ পড়ান। দুপুর ২টায় জানাজা
শুরুর সময় নির্ধারিত থাকলেও ভোর থেকেই মানিক মিয়া এভিনিউ ও এর আশপাশের এলাকায় মানুষের
ঢল নামে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অগণিত মানুষ প্রিয় নেত্রীকে শেষবারের মতো
এক নজর দেখতে রাজধানীজুড়ে জনস্রোত তৈরি করে।
জানাজায়
অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ ও নেতা-কর্মীরা জানান, বেগম খালেদা জিয়া আমৃত্যু জনগণের অধিকার
আদায়ের সংগ্রামে যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, আজ কৃতজ্ঞ জাতি তার শেষ বিদায়বেলায় সেই ভালোবাসারই
বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। দীর্ঘ ৪৫ বছরের রাজনৈতিক লড়াইয়ে তিনি যে জনপ্রিয়তার দৃষ্টান্ত
স্থাপন করেছেন, আজকের এই মহাসমুদ্র তারই প্রমাণ।
সাবেক
এই প্রধানমন্ত্রীর জানাজায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ
ইউনূসসহ দেশি-বিদেশি শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিদেশি অতিথিদের মধ্যে পাকিস্তানের
স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিক, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং নেপাল, ভুটান ও
শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন।
দেশের
নেতাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
জানাজায় শরিক হন। জানাজায় নারীদের অংশগ্রহণের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।
সাবেক
প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজার আগে তাঁর জীবন ও কর্ম সবার উদ্দেশে তুলে ধরেন বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এছাড়াও পরিবার ও দলের পক্ষ্য থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমান বক্তব্য রাখেন। এর আগে আজ সকালে বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ এভারকেয়ার
হাসপাতাল থেকে শেষবারের মতো গুলশানের বাসভবনে নেওয়া হয়। পরে কফিনবাহী গাড়িটি দুপুর
পৌনে ১১টার দিকে মানিক মিয়া এভিনিউতে পৌঁছালে সেখানে হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।
জাতীয় পতাকায় মোড়ানো মরদেহের সঙ্গে লাল-সবুজ রঙের বাসে পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের বড় ছেলে তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা
রহমান ও পরিবারের অন্য সদস্যরা জানাজাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
জানাজা
উপলক্ষ্যে সংসদ ভবন ও মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ,
র্যাবের পাশাপাশি ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়। জানাজা শেষে এখন মরদেহ শেরেবাংলা
নগরে নেওয়া হচ্ছে। বিকেল সাড়ে ৩টায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে
পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ভোর ৬টায় চিকিৎসাধীন
অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর বিদায়ে
সরকার দেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও আজ বুধবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। প্রিয় নেত্রীর
মৃত্যুতে সমগ্র দেশ এখন শোকাতুর।
মন্তব্য করুন


কোটা সংস্কার আন্দোলনে আহত হয়ে রাজধানীর
বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইনজীবীসহ চারজন মারা গেছেন।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে মরদেহ চারটির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।
নিহতরা হলেন- কুমিল্লা সদর উপজেলার
আইনজীবী আবুল কালাম (৫৫), চুয়াডাঙ্গার রাজমিস্ত্রী উজ্জ্বল হোসেন (৩০), নোয়াখালীর দোকান
কর্মচারী আসিফ (২৬) ও বরগুনার ওষুধ কোম্পানীর সেলসম্যান আল আমিন হোসেন (২৭)।
নিহত আইনজীবী আবুল কালামের বাড়ির চাঁদপুরের
হাজীগঞ্জে। তবে থাকতেন কুমিল্লা সদর উপজেলার মহিলা কলেজ রোডে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শেখ হাসিনার ‘নির্মমতা ও পাশবিকতার’ বিচার একদিন হবেই এবং তাকে ইতিহাস ক্ষমা করবে না। তিনি বলেন, 'হাসিনা মানবজাতির কলঙ্ক, মায়েরদের কলঙ্ক। তার বিচার হবেই, ক্ষমা নেই।
আজ
রোববার (২০ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী কৃষক দল ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ আয়োজিত একটি স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি। ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪: জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা—সবুজ পল্লবে স্মৃতি অম্লান’ শীর্ষক এ কর্মসূচিতে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে মাজার প্রাঙ্গণে নিম গাছ রোপণ করা হয়।
এক শহীদ মায়ের আহাজারির কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, 'এক মা তার সন্তানের স্বপ্ন দেখেছিলেন—পরিবার দেখেছিল ভবিষ্যৎ। কিন্তু সেই সন্তানকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পড়ে গেলে একটি ভ্যানে তোলা হয়, মরে গেছে কি বেঁচে আছে তা না দেখেই আরও লাশসহ আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়। এটা কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের কাজ হতে পারে না।'
তিনি আরও বলেন, '১৯৭১ সালে আমরা যুদ্ধ করেছি একটি স্বাধীন দেশের জন্য। অথচ সেই রাষ্ট্রের পুলিশ, প্রশাসন—যাদের বেতন আমরা দেই, তারা আজ আমাদের সন্তানদের হত্যা করছে, পুড়িয়ে মারছে। এটা নিষ্ঠুরতা, বর্বরতা, আর সেই অপরাধের দায় থেকে হাসিনা রেহাই পেতে পারেন না।'
এই ঘটনায় শহীদ ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করে বিএনপি মহাসচিব জানান, দলীয়ভাবে একটি পুনর্বাসন ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, 'আজই আমি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে বলব, যেন শহীদ ও আহতদের জন্য একটি বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়। এরইমধ্যে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ পক্ষ থেকে কিছু সহায়তা শুরু হয়েছে।'
অনুষ্ঠানে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, কৃষক দলের সভাপতি হাসান জারিফ তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনসহ দলটির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সুন্দরবনের গহীনে অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত ‘জাহাঙ্গীর বাহিনী’র আস্তানা থেকে জিম্মি থাকা আটজন জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। অভিযানকালে ওই এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক আজ দুপুরে সাংবাদিকদের এই সাফল্যের কথা নিশ্চিত করেন।
জিম্মিদশা ও উদ্ধার অভিযান
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানান, গোপন সূত্রে খবর আসে সুন্দরবনের শিবসা নদীর ছোট ডাগরা খাল এলাকায় ডাকাত জাহাঙ্গীর বাহিনী বেশ কয়েকজন নিরীহ জেলেকে জিম্মি করে রেখেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রার সদস্যরা দ্রুত একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযান চলাকালে ডাকাতদের আস্তানা থেকে ৮ জন জেলেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা বন্দুক, চার রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং সাত রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ জব্দ করা হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পাওয়ায় ডাকাত সদস্যরা বনের গহীনে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ফলে কাউকে আটক করা যায়নি।
নির্যাতিত জেলেদের বিবরণ
উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে রয়েছেন কয়রার আতিয়ার (২৮), আবুল খায়ের গাজি (২৪), মকছেদ আলী (৫০), মিজানুর রহমান (৩৭), কৃষ্ণপদ রপ্তান (৪৫), সুগদেব মন্ডল (২৭), মোশারফ হোসেন ঢালী (৬০) এবং জলিল গাজি (৩৫)। তারা প্রায় সবাই ৪ নম্বর কয়রা ও মহারাজপুর গ্রামের বাসিন্দা।
উদ্ধার হওয়া জেলেরা কোস্ট গার্ডকে জানিয়েছেন, জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা তাদের গত সাত দিন ধরে জিম্মি করে রেখেছিল এবং মুক্তিপণ আদায়ের জন্য তাদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হচ্ছিল।
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, জিম্মি দশা থেকে উদ্ধার হওয়া জেলেদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া, সুন্দরবনকে জলদস্যু ও ডাকাতমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা
প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন হবে উৎসবমুখর, ফ্রি ও ফেয়ার।
নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। তবে কেউ সহিংসতা, নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির
চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত
আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আগের নির্বাচনগুলোতে যেসব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে,
এবারের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এখন পর্যন্ত তেমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এবার যে পরিমাণ
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে, অতীতে কোনো নির্বাচনে তার নজির নেই।
ভোটকেন্দ্রে
সিসিটিভি, ড্রোন নজরদারির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি
ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা
হয়েছে।
যেসব
ভোটকেন্দ্রে স্থায়ী বাউন্ডারি নেই, সেখানে অস্থায়ীভাবে বাঁশের ঘেরা দিয়ে নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি
বলেন, এবার বিশেষ ব্যবস্থায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভোট প্রাঙ্গণে প্রবেশের সুযোগ
রাখা হয়েছে। আমাদের জ্যেষ্ঠ সচিব প্রয়োজনীয় সমন্বয় করেছেন, যাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।
ভোটারদের
নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়টিকে সরকারের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হয়, সেজন্য প্রশাসন
ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
বোরকা
পরিহিত ভোটারদের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে পরিষ্কার
নির্দেশনা দিয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নারী আনসার সদস্য থাকবেন এবং প্রয়োজন হলে তারাই
বিষয়টি দেখভাল করবেন।
সভায়
সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি। এ সময় আরো উপস্থিত
ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিকসহ
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা
বাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম সাদ আলী (১০)। তিনি এনজিও কর্মী লিয়াকত আলী লিটনের ছেলে। পরিবারটি মূলত লালমনিরহাটের বাসিন্দা।
ঘটনাটি ঘটে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে, নগরীর লিলিহলের মোড় এলাকায়।
পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্যমতে, সেদিন দুপুরে লিটন তার ছেলে সাদকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে আমচত্বর থেকে কাশিয়াডাঙ্গার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে লিলিহলের মোড়ে পৌঁছালে পেছন দিক থেকে দ্রুতগতির একটি ট্রাক এসে তাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়।
ধাক্কার ফলে সাদ মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যায়। ঠিক সেই মুহূর্তে একই ট্রাকের চাকা তার ওপর দিয়ে চলে গেলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়।
মন্তব্য করুন


পর্দায়
একাধিকবার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এবার একেবারে নতুন রূপে ধরা দিতে চলেছেন ওপার
বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। না, বাস্তবে নয়—
পর্দাতেই দাদি হচ্ছেন শ্রাবন্তী। আসন্ন এক ওয়েব সিরিজে তিনি অভিনয় করছেন ঠাকুর মা—
অর্থাৎ দাদির চরিত্রে।
জনপ্রিয়
ওটিটি প্ল্যাটফরম হৈচৈ সম্প্রতি জানিয়েছে, চলতি মাসেই শুরু হতে যাচ্ছে তাদের নতুন ওয়েব
সিরিজের শুটিং। সিরিজটি পরিচালনা করবেন অয়ন চক্রবর্তী।
জানা
গেছে, গল্পের পটভূমি বাংলার এক জেলার বনেদি পরিবার। একটি বিয়েকে ঘিরে সেখানে ধীরে ধীরে
জমে ওঠে রহস্য। সেই রহস্যের জট খুলতে উদ্যোগী হন পরিবারের ঠাকুর মা। অর্থাৎ দাদির ভূমিকায়
দেখা যাবে শ্রাবন্তীকে।
ঘোষণা
পর্বেই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, ঠাকুমা ও নাতনির দুরন্ত জুটি দর্শকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ
হতে চলেছে। তবে নাতনির চরিত্রে কে অভিনয় করছেন, সে বিষয়ে প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
যদিও
ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে শোনা যাচ্ছে, সেই চরিত্রে থাকতে পারেন দিব্যাণী মণ্ডল। দিব্যানী
ছোট পর্দার পরিচিত মুখ। ‘ফুলকি’ ধারাবাহিক শেষ করার পর তিনি পরিচালক
সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের একটি ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন, যার শুটিং
ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। এবার তাকে দেখা যাবে ওয়েব সিরিজে। টলিপাড়ায় আলোচনায় রয়েছে শ্রাবন্তী
ও দিব্যাণীর মুখের মিল নিয়েও।
অনেকেই
মনে করছেন, পর্দায় দাদি-নাতনির রসায়ন আরো বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে এই সাদৃশ্য। এই নতুন
চরিত্র নিয়ে শ্রাবন্তী বলেন, ‘নতুন বছরে নতুন ধরনের গল্পের অংশ হচ্ছি। এবার ঠাকুমার
চরিত্রে। গ্র্যান্ডচাইল্ডের সঙ্গে রহস্য সমাধান করব।’
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ রেলওয়ে কোটা সংস্কার
আন্দোলনকে ঘিরে চলমান পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ট্রেন চলাচল
বন্ধ রেখেছে ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাতে
বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় বাণিজ্যিক বিভাগের দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি গণমাধ্যমকে
নিশ্চিত করে বলেছে, চলমান পরিস্থিতিতে এ অবস্থায় যারা অগ্রিম টিকিট কিনেছেন তাদের টাকা
ফেরত দিচ্ছে প্রতিষ্ঠান।
গত ১৮ জুলাই রাজধানীর নাখালপাড়া
রেলগেট এলাকায় কোটা আন্দোলনকারীরা রেললাইনের ওপর আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করলে জননিরাপত্তার
স্বার্থে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে
রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিমও জানান, ট্রেন না চলার কারণে টিকিট রিফান্ড করতে হচ্ছে।
এটা সবচেয়ে বড় ক্ষতি। এখন পর্যন্ত ১৬ কোটি ২৯ লাখ টাকার বেশি টিকিট রিফান্ড করা হয়েছে
যাত্রীদের। এ ছাড়া পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল মিলিয়ে রেলওয়ের মোট ক্ষতি হয়েছে ২২ কোটি
৩ লাখ ৮ হাজার টাকা।
এদিকে গত ১৯ তারিখ থেকে সারা
দেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওইদিন থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত ট্রেনের
টিকিটের টাকা যাত্রীদের রিফান্ড করা হচ্ছে।
তরে যাদের টিকিট অনলাইন থেকে
কেনা হয়েছে, তাদের অনলাইনে এবং যারা কাউন্টার থেকে কিনেছেন, তাদের কাউন্টারের মাধ্যমে
টিকিটের বিপরীতে টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে।
আর এই সম্পূর্ণএই সময়ের মধ্যে
যেসব আন্তঃদেশীয় ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়েছে, সেসব ট্রেনের টিকিটের টাকা আন্তঃদেশীর কাউন্টার
থেকে ফেরত দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কেরু চিনিকলের শ্রমিকরা কারখানার প্রধান ফটক অবরোধ করেন। তারা দ্রুত শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান। অবরোধ চলাকালে কারখানার ব্যবস্থাপক মো. রাব্বিক হাসানসহ অন্যান্য কর্মকর্তা কারখানার ভেতরে আটকা পড়েন।
বিকেল ৫টার দিকে শ্রমিকদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
শ্রমিক, কর্মচারী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কেরু চিনিকলে দুই বছর অন্তর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন হয়। চলতি বছর ১৪ মার্চ ভোট হওয়ার কথা থাকলেও, ১১ মার্চ অনিবার্য কারণে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। এরপর থেকে প্রায় আট মাস ধরে শ্রমিকরা ভোটের জন্য আন্দোলন চালাচ্ছেন। নির্বাচনের বিষয়টি কেন্দ্র করে শ্রমিক ও কর্মচারীদের মধ্যে দুটি পক্ষের মধ্যে সংঘাত দেখা দিয়েছে। এক পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ কয়েকজন শ্রমিক নেতা, অন্য পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন কমিটির বর্তমান কিছু সদস্য।
মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর নির্বাচনের দাবিতে শত শত শ্রমিক মিছিল করেন এবং প্রধান ফটকের সামনে বসে ও শুয়ে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন। দুপুর ১২টার দিকে সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মিলের দ্বিতীয় তলায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাব্বিক হাসানের সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করলে শ্রমিকরা তাদের ধাওয়া করেন। দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতি হয়, এতে কয়েকজন আহত হন।
শ্রমিকরা কারখানার প্রধান ফটক অবরোধ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পৌর বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বুলেট ও স্থানীয় নেতারা চেষ্টা করেন, তবে শ্রমিকরা তাদেরও ধাওয়া করে। পরে সেনা ও পুলিশ মোতায়েন করে অবরোধ শেষ করা হয়।
সাবেক সভাপতি মো. তৈয়ব আলী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম জানান, ভোটের তারিখ ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তারা দ্রুত ভোটের তারিখ ঘোষণা করার দাবি জানান।
কেরু চিনিকলের এমডি মো. রাব্বিক হাসান বলেন, “শ্রমিক ও কর্মচারীরা দুই গ্রুপে বিভক্ত, কেউ কারও কথা মানছে না। সকাল থেকে তারা কারখানার প্রবেশ মুখে অবস্থান নেওয়ায় আমরা ভেতরে আটকা পড়ি। বিকেল ৫টার দিকে তাদের বোঝিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।”
দর্শনা থানার পরিদর্শক মো. সুলতান আহম্মেদ জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত উত্তেজনা বিরাজ করছে। অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


অপতথ্য মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা
গড়ে তোলা এবং গণমাধ্যমকে নৈতিক মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করতে জাতিসংঘের
প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বুধবার (২ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি
ভবন যমুনায় ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুসান ভাইজ ও ইউনেস্কোর ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা
ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা’ বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রকল্প কর্মকর্তা মেহদি বেনচেলাহ প্রধান
উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)
এবং ইউনেস্কোর যৌথভাবে প্রস্তুত করা বাংলাদেশের গণমাধ্যম পরিমণ্ডলের মূল্যায়ন : স্বাধীন,
নিরপেক্ষ ও বহুমাত্রিক গণমাধ্যমের দিকে মনোনিবেশ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশের আগে তারা
এ সাক্ষাৎ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, আমরা এই প্রতিবেদনের জন্য সত্যিই অপেক্ষা করছি।
তিনি বলেন, আমাদের প্রধান সমস্যা হলো
অপতথ্য, ভুয়া সংবাদ। আর এসব অপতথ্যের কিছু ছড়ায় বিদেশে থাকা লোকজন, আবার কিছু ক্ষেত্রে
স্থানীয়রাও এতে জড়িত। ধারাবাহিকভাবে এ হামলা হচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টাড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন,
শুধু ডিজিটাল মাধ্যমে নয়, নিয়মিত প্রচারিত গণমাধ্যমও অনেক সময় ভুয়া তথ্যের উৎস হয়ে
ওঠে।’ এ প্রেক্ষিতে তিনি জাতিসংঘের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করে বলেন, ‘আপনারা শুধু সরকারের
সঙ্গেই কথা বলবেন না, গণমাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলুন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে। যদি কোনো গণমাধ্যম বারবার মিথ্যা
তথ্য ছড়ায়, তাহলে তাদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া উচিত তারা বিশ্বাসযোগ্য নয়।
তিনি বলেন, আপনারা জাতিসংঘ, আপনাদের
কথা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ...আপনাদের সমর্থন আমাদের প্রয়োজন।
ইউনেস্কো প্রতিনিধি সুসান ভাইজ বলেন,
আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনটিতে আত্ম-নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও তুলে ধরা
হবে।
তিনি বলেন, প্রতিবেদনটি দেখাবে কী কার্যকর
হচ্ছে, আর কী হচ্ছে না এবং এতে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ
থাকবে। সরকারি কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং বিচার বিভাগের সদস্যদের আন্তর্জাতিক
মানের সাথে তাদের কার্যক্রম সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে- সে বিষয়টিও
উল্লেখ থাকবে।’
ইউনেস্কোর জ্যেষ্ঠ প্রকল্প কর্মকর্তা
মেহদি বেনচেলাহ বলেন, প্রতিবেদনে সাংবাদিকদের কাজের পরিবেশ এবং নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা
সম্পর্কেও কিছু সুপারিশ থাকবে, যা একটি বৈশ্বিক উদ্বেগ। সরকারি পদক্ষেপ এসব ক্ষেত্রে
গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রতিবেদনটি ইউএনডিপির প্রতিষ্ঠান,
নীতি ও সেবা শক্তিশালীকরণ (এসআইপিএস) প্রকল্পের আওতায় এবং ইউনেস্কোর মত প্রকাশের স্বাধীনতা
ও গণমাধ্যম উন্নয়ন সংক্রান্ত ম্যান্ডেটের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রস্তুত করা হয়েছে বলে
জানান কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন