

ঢাকা
শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত ফল পুনঃনিরীক্ষণের এইচএসসি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত
জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র টেলিটকের প্রিপেইড নম্বর থেকে ফল পুনঃনিরীক্ষণের
আবেদন করা যাবে।
আবেদন করার জন্য প্রথমে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখতে হবে। তারপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করতে হবে। উদাহারণ: RSC COM123456 174 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য কমা দিয়ে সাবজেক্ট কোড এসএমএস করতে হবে।
এসএমএস সেন্ড হয়ে গেলে টেলিটক থেকে পিন নম্বরসহ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে, সেটা জানিয়ে একটি ফিরতি টেলিটকের আসবে। পিন নম্বরটি সংগ্রহ করে রাখতে হবে। তারপর এতে সম্মত হলে আবারও মেসেজ অপশনে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে ‘পিন নম্বর’ লিখে স্পেস দিয়ে নিজস্ব মোবাইল নম্বর (যেকোনো অপারেটর) লিখে ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে।
বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি তথ্যানুযায়ী- প্রতিটি পত্রের ফল পুনঃনিরীক্ষার ফি ১৫০ টাকা। সেই হিসেবে এইচএসসির প্রতি বিষয়ের (১ম এবং ২য় পত্র) পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের জন্য ফি ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কারণ ২ পত্রের বিষয়ের ক্ষেত্রে দুটির জন্যই একসঙ্গে আবেদন করতে হবে।
মন্তব্য করুন


মুক্তিযুদ্ধের
প্রধান সেনাপতি ও মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি (এম এ জি)
ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার। ১৯৮৪ সালের আজকের এইদিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
জেনারেল
ওসমানীর জন্ম ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাবার কর্মস্থল সুনামগঞ্জে। তার গ্রামের বাড়ি
সিলেটের বালাগঞ্জে।
শৈশবে
ওসমানীর প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় পরিবার থেকেই। কোনো স্কুলে ভর্তি না হয়ে, ঘরে বসে
বসেই তার বিদুষী মায়ের অনুশাসন এবং যোগ্য গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে বাংলা ও ফার্সি
ভাষায় ওসমানী প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। ১৯২৯ সালে ১১ বছর বয়সে ওসমানীকে আসামের গৌহাটির
কটনস স্কুলে ভর্তি করা হয়। কটন স্কুলে পড়াশুনা শেষ করার পর মায়ের ইচ্ছায় ১৯৩২ সালে
সিলেট সরকারি পাইলট স্কুলে নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।
এই
স্কুল থেকে ১৯৩৪ সালে প্রথম বিভাগে মেট্রিক পাস করেন এবং ইংরেজিতে কৃতিত্বের জন্য
‘প্রিটোরিয়া অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন।
১৯৩৪
সালে তিনি উচ্চ শিক্ষার্থে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়
থেকেই তিনি ১৯৩৬ সালে আই.এ পাশ করেন। ১৯৩৮ সালে বি.এ পাশ করেন।
১৯৩৯
সালে ভূগোলে এম এ প্রথম পর্ব পড়ার সময় ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনা বাহিনীতে যোগদান করেন। ছাত্র
হিসাবে সব সময়ই ওসমানী অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি
দক্ষতার পরিচয় দেন। ন্যায়পরায়ণতা, শৃঙ্খলা এবং কর্তব্যপরায়ণতা তার চারিত্রিক গুণাবলি
বিশেষভাবে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
ছাত্রজীবনেই
ওসমানীর মধ্যে ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের ছাপ ফুটে ওঠে।
যোগ্যতার
স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউ.ও.টি.সি’র (ইউনিভার্সিটি অফিসার্স ট্রেনিং কোর)
সার্জেন্ট নিযুক্ত হন। ওসমানী ১৯৩৯ সালে জুলাই মাসে ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনা বাহিনীতে যোগদান
করেন। তিনি ১৯৪০ সালে ৫ অক্টোবর দেরাদুন সামরিক একাডেমি হতে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ
হয়ে আর্মির কিং কমিশন প্রাপ্ত হন।
১৯৪১
সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং যোগ্যতার বলে তিনি ১৯৪২ সালে
ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিটিশ আর্মির সর্ব কনিষ্ঠ মেজর হন। মাত্র ২৩ বছর বয়সে একটি ব্যাটোলিয়ানের
অধিনায়ক হয়ে নজিরবিহীন রেকর্ড সৃষ্টি করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪৩ সাল থেকে ১৯৪৫
সাল পর্যন্ত বার্মার রণাঙ্গনে স্বতন্ত্র যান্ত্রিক পরিবহনে এক বিশাল বাহিনীর অধিনায়কত্ব
দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৫ সালে ওসমানী তার পিতার ইচ্ছা পূরণে আই.সি.এস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ
করে উত্তীর্ণ হন।
এম
এ জি ওসমানী ১৯৪৭ সালে ৭ অক্টোবর লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে
যোগ দেন এবং ১৯৪৮ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে কোয়েটা স্টাফ কলেজ থেকে পি.এস.সি ডিগ্রি লাভ
করেন। তাকে ১৯৫৫ সালে ১২ ডিসেম্বর পাকিস্তানের সেনা সদর অপারেশন পরিদপ্তরে জেনারেল
স্টাফ অফিসার নিয়োগ করা হয়। এখানে তাকে ১৯৫৬ সালে ১৬ মে মাসে কর্নেল পদে পদোন্নতি দিয়ে
ডেপুটি ডাইরেক্টর এর দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়।
এসময়
আন্তর্জাতিক সংস্থা সিয়াটো ও সেন্টোতে ওসমানী পাকিস্তান বাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেন।
১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে ওসমানীর দক্ষতার সঙ্গে ডেপুটি ডাইরেক্টর অব মিলিটারি অপারেশনের
দায়িত্ব পালন করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্নেল পদে কর্মরত থাকাকালীন ওসমানী একজন
স্বাধীন চেতা বাঙালি সেনা কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৬৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি
কর্নেল পদে থাকা অবস্থায় অবসরে যান ওসমানী।
পরবর্তীকালে
তিনি ১৯৭০ এর নির্বাচনে ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ-বিশ্বনাথ এলাকা থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের
সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে অসামান্য কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন
ওসমানী। মুক্তিবাহিনীর প্রধান হিসেবে পালন করেন অতুলনীয় ভূমিকা।
৬৫
বছর বয়সে ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ইন্তেকাল করেন। সিলেটে হযরত শাহজালাল (রঃ)
মাজার সংলগ্ন গোরস্তানে তাকে সমাহিত করা হয়।
মন্তব্য করুন


সম্প্রতি
সন্ত্রাসীদের হামলায় শহীদ জুলাই বিপ্লবী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন
হাদির কবর জিয়ারত করতে যাবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার
(২৪ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে
এ তথ্য জানান দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি
জানান, ২৭ ডিসেম্বর (শনিবার) তারেক রহমান ভোটার হওয়ার জন্য নিবন্ধন করবেন। এরপর শেরেবাংলা
নগরে অবস্থিত পঙ্গু হাসপাতালে জুলাইযোদ্ধাদের দেখতে যাবেন।
একই
দিন তিনি শহীদ ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারত করবেন।
এর
আগে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বাদ জুমা তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত
করবেন। এরপর সেখান থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা
জানাবেন।
১৭
বছর পর বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) লন্ডন থেকে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
বনানী কবরস্থানে বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করেছেন
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। কোকো বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট
ছেলে।
আজ
শনিবার কোকোর কবর জিয়ারতের সময় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। এ সময় তারা পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও মোনাজাত করেন।
আরাফাত
রহমান কোকোর জন্ম ঢাকায়, ১৯৬৯ সালে। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে মারা যান আরাফাত রহমান কোকো। তিনি স্ত্রী ও দুই মেয়ে জাফিয়া
রহমান ও জাহিয়া রহমানকে রেখে যান। ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের
উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন আরাফাত রহমান কোকো।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামীকাল মিশরের রাজধানী কায়রোতে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দিবেন। তিনি বর্তমানে ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দুই দিনের সফরে সেখানে অবস্থান করছেন।
প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার আজ বাসস’কে বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা আগামীকাল ১৯ ডিসেম্বর, আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দিবেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস আল-আজহার আল শরীফ মসজিদের গ্র্যান্ড ইমাম আহমেদ এলতায়েবের আমন্ত্রণে মিশরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দিবেন।
গ্র্যান্ড ইমাম গত ১২ নভেম্বর আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে রিটজ কালর্টন হোটেলে সাক্ষাতকালে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।
সফরকালে প্রধান উপদেষ্টা ডি-৮ অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশনে যোগ দিবেন, যা ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলন নামে পরিচিত। এই সম্মেলন মিশরের রাজধানীতে ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি বলেছেন, শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে তিনি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানসহ কয়েকটি ডি-৮ সদস্য রাষ্ট্রের সরকার প্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, যারা টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমার মাঠ নিয়ন্ত্রণকে
কেন্দ্র করে হতাহতের ঘটনায় জড়িত, তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। এতে ছাড় দেওয়ার
কোনো অবকাশ নেই। খুনিদের কোনো অবস্থায় ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। যারা প্রকৃত দোষী তাদেরকে
আইনের আওতায় আনা হবে।
আজ বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে টঙ্গীতে আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের
লক্ষ্যে তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপের (জোবায়ের ও সাদ) সাথে বিশেষ আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম
চৌধুরী বলেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। অন্যায়কারীকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সঠিক তদন্ত
করে আইনের আওতায় আনা হবে। তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপকে অনমনীয় অবস্থান থেকে সরে এসে
ছাড় দিতে হবে। তবেই আমরা একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল বিশ্ব ইজতেমা উপহার দিতে পারব। উপদেষ্টা এ সময় বিশ্ব ইজতেমার মাঠে অনাকাঙ্ক্ষিত
ঘটনায় নিহতদের রুহের মাগফেরাত এবং আহতদের আশু আরোগ্য কামনা করেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সভাপতিত্বে বৈঠকে
উপস্থিত ছিলেন ভূমি উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার
প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল আব্দুল হাফিজ
(অব.), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরীসহ
আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আরভিএন্ডএফ কোরের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৫ সাভারে অবস্থিত রিমাউন্ট ভেটেরিনারি এন্ড ফার্ম (আরভিএন্ডএফ) ডিপোতে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি। সেনাবাহিনী প্রধান আরভিএন্ডএফ ডিপোতে পৌঁছালে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান আরভিএন্ডএফ কোরের নবনিযুক্ত কর্নেল কমান্ড্যান্ট জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার সাভার এরিয়া এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ।
সেনাবাহিনী প্রধান বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত আরভিএন্ডএফ কোরের অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। সেনাবাহিনীর পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষায় এ কোরের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অত্মোৎসর্গকারী সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। সেনাবাহিনী প্রধান আরভিএন্ডএফ কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশের সেবায় এই কোরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়াও, তিনি একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকতে এই কোরের সকল সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জিওসি আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; আরভিএন্ডএফসি কোরের নবনিযুক্ত কর্নেল কমান্ড্যান্ট ও জিওসি ৯ পদাতিক ডিভিশন; সেনাসদর ও সাভার এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ; জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার: অন্যান্য পদবির সেনাসদস্য এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রিমাউন্ট ভেটেরিনারি এন্ড ফার্ম কোরের ৩য় 'কর্নেল কমান্ড্যান্ট' হিসেবে অভিষিক্ত হন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার সাভার এরিয়া মেজর জেনারেল এস এম আসাদুল হক, এনডিসি, পিএসসি। সাভারে অবস্থিত রিমাউন্ট ভেটেরিনারি এন্ড ফার্ম ডিপোর প্যারেড গ্রাউন্ডে সামরিক রীতি ও ঐতিহ্য মেনে এ অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অভিষেক অনুষ্ঠানে আরভিএন্ডএফ কোরের জ্যেষ্ঠতম অধিনায়ক এবং মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার কর্তৃক নবনিযুক্ত কর্নেল কমান্ড্যান্টকে গৌরবমন্ডিত 'কর্নেল কমান্ড্যান্ট র্যাংক-ব্যাজ' পরিয়ে দেন।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম
বলেছেন, ‘একটি দল সারা দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের
ওপর হামলা করছে এবং ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করছে, যা আওয়ামী লীগের অতীত কর্মকাণ্ডেরই
পুনরাবৃত্তি।’
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় মৌলভীবাজারের
শ্রীমঙ্গল স্টেশন রোডে এনসিপির পদযাত্রা শেষে এক জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘একটি দল
সারা দেশে ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে গণহারে মামলা দিয়েছিল, এখন নির্বাচনে এসে বলছে, মামলা
তুলে নেবে, এটা তাদের কূটকৌশল, এতে আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না।
তারা ৩১ দফা থেকেও সরে এসেছে। একতরফা হামলা চলতে থাকলে
জনগণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে এর জবাব দেবে।’
জনসভায় মৌলভীবাজার-৪ আসনে এনসিপির প্রার্থী প্রীতম
দাসকে বিজয়ী করার আহ্বান জানানো দলটির আহ্বায়ক।
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ভাষণে ফিলিস্তিনের
নির্যাতিত মানুষের পক্ষে সোচ্চার বক্তব্য রাখায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূসের প্রশংসা করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ রামাদান।
আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সৌজন্য সাক্ষাতে
এ প্রশংসা করেন তিনি। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতি
বৈশ্বিক সমর্থন, গাজায় গণহত্যা এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা হয়।
ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত ইউসুফ রামাদান
জাতিসংঘে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের প্রশংসা করে বলেন, ‘সময়োপযোগী এবং ফিলিস্তিন
ইস্যুতে একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় স্পটলাইট তৈরি করেছে।’
ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে
শিক্ষা গ্রহণকারী প্রায় ৬০ ফিলিস্তিনি চিকিৎসক এখন গাজায় রোগীদের সেবা করছেন।’ আরও দুই শতাধিক ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী
বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের অপেক্ষায় রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র
ও এর জনগণের প্রতি বাংলাদেশের অব্যাহত সমর্থন ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ফিলিস্তিনি
জনগণের সমর্থন অব্যাহত রাখবে।’ফিলিস্তিনের
জনগণ তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীন রাষ্ট্র পাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
মিন্টো রোডের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ছিলেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনূস। জাতীয় নির্বাচনের পর ২৮ ফেব্রুয়ারি যমুনা ছেড়েছেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান সেখানেই উঠবেন। তাই এরইমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে যমুনা।
সংশ্লিষ্টরা
জানিয়েছেন, নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ সুবিধা বিবেচনা করে তার বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত
করা হয়েছে যমুনা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী অপচয় কমাতে এর সংস্কার কাজে বাড়তি
খরচ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী।
তিনি
বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাহুল্য খরচ পরিহার করতে চান সবসময়ই। তাই আমরা কোনো বাহুল্য খরচে
যাচ্ছি না। ভেতরে রঙ করা হয়েছে। সাথে করা হয়েছে হাইজেনিক ওয়াশ (জীবাণুমুক্তের জন্য
পরিচ্ছন্ন করা)। যাতে আমরা খুব অল্প বাজেটের ভেতরে সাশ্রয়ীভাবে এই জিনিসটা করতে পারি।
এরইমধ্যে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কয়েকটি কর্মসূচি এখানে পালন করেছেন। কিন্তু বসবাসের জন্য
কবে যমুনায় উঠবেন তা জানাননি।
প্রধান
প্রকৌশলী জানিয়েছেন, যখনই নির্দেশনা পাবেন, সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেয়া আছে। যমুনায়
ওঠার সিদ্ধান্ত হলে সর্বোচ্চ দুই সপ্তাহের মধ্যে সব প্রস্তুত হবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


দেশের ১৭ জেলার
ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলছে। কিছু কিছু জায়গা থেকে তা প্রশমিত হতে পারে বলে জানিয়েছে
আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী পাঁচ দিনে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে বলা হয়েছে
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে।
আজ বৃহস্পতিবার
সকালে ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ
ড. মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী,
পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, সিলেট, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা,
যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
কিছু কিছু জায়গায় তা প্রশমিত হতে পারে।
এ ছাড়াও মধ্যরাত
থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অনেক স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও তা
দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন
ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
এতে আরো
বলা হয়, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। আর দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি
সেলসিয়াস বাড়তে পারে। অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে
পারে।
আবহাওয়ার সিনপটিক
অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চবলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন
এলাকায় অবস্থান করছে।
গতকাল দেশের
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা
রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মন্তব্য করুন