

ঢাকা
শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত ফল পুনঃনিরীক্ষণের এইচএসসি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত
জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র টেলিটকের প্রিপেইড নম্বর থেকে ফল পুনঃনিরীক্ষণের
আবেদন করা যাবে।
আবেদন করার জন্য প্রথমে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখতে হবে। তারপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করতে হবে। উদাহারণ: RSC COM123456 174 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য কমা দিয়ে সাবজেক্ট কোড এসএমএস করতে হবে।
এসএমএস সেন্ড হয়ে গেলে টেলিটক থেকে পিন নম্বরসহ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে, সেটা জানিয়ে একটি ফিরতি টেলিটকের আসবে। পিন নম্বরটি সংগ্রহ করে রাখতে হবে। তারপর এতে সম্মত হলে আবারও মেসেজ অপশনে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে ‘পিন নম্বর’ লিখে স্পেস দিয়ে নিজস্ব মোবাইল নম্বর (যেকোনো অপারেটর) লিখে ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে।
বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি তথ্যানুযায়ী- প্রতিটি পত্রের ফল পুনঃনিরীক্ষার ফি ১৫০ টাকা। সেই হিসেবে এইচএসসির প্রতি বিষয়ের (১ম এবং ২য় পত্র) পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের জন্য ফি ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কারণ ২ পত্রের বিষয়ের ক্ষেত্রে দুটির জন্যই একসঙ্গে আবেদন করতে হবে।
মন্তব্য করুন


রোববার (২১ জানুয়ারি) স্পেকট্রাম বিভাগের পরিচালক ড. মো. সোহেল রানার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে ,দেশে ব্যবহৃত অবৈধ মোবাইল ফোন শিগগির নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে ।
এতে বলা হয়, বিটিআরসি জাতীয় পরিচিতি ও নিবন্ধিত সিম কার্ডের সঙ্গে ট্যাগিং করে প্রতিটি মোবাইল নিবন্ধনের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণ বা প্রদান নিশ্চিত করা, অবৈধভাবে উৎপাদিত বা আমদানিকৃত মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধ করার উদ্দেশ্যে এনইআইআরের কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গ রূপে শুরু হয়েছে। এতে সরকারের রাজস্ব আহরণ নিশ্চিত সম্ভব হবে। পাশাপাশি মোবাইল ফোনের চুরি ও অবৈধ ব্যবহার রোধ হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এনইআইআরের কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গ রূপে চালু করে শিগগির অবৈধ মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে। এ পরিস্থিতিতে সবাইকে মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনার আগে বৈধতা যাচাই করে নিতে হবে।
বিটিআরসি জানিয়েছে ,মোবাইল কেনার আগে মেসেজ অপশন থেকে KYD ও ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বর লিখে (উদাহরণ স্বরূপ: KYD 123456789012345) ১৬০০২ নম্বরে প্রেরণের মাধ্যমে হ্যান্ডসেটের বৈধতা যাচাই করা যাবে ।
১৬ জানুয়ারি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক দেশে অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেন ।
ওইদিন তিনি বলেন, দেশে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিবন্ধনবিহীন মোবাইল ফোনগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। মোবাইল ফোনের ডেটাবেজ এবং অটোমেটিক রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা বিটিআরসির রয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান সকল ধর্মের মানুষের জন্য শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেছেন,
‘আমরা আজ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসেছি। এক কাতারে রয়েছি। এটিই আমাদের আবহমানকালের
ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ বিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে। মুসলমান
হিন্দু বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী কিংবা সংশয়বাদী আমরা সবাই মিলেই
ভালো থাকবো।’
আজ
শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল সোয়া ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন,
খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার, অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের সম্মানী দেওয়ার কার্যক্রমের
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
বগুড়ার
বায়তুল রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের ইমাম হোসাইন আহমেদ আবদুল্লাহর হাতে সম্মানীর চেক হস্তান্তরের
মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে আইবাস সিস্টেমে ‘সেন্ট বাটন’
প্রেস করে সম্মানীর টাকা নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেন, ‘আজ থেকে চালু হলো খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয়
গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি। যাদের প্রয়োজন সারাদেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে
এই সহায়তা দেয়া হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণী-পেশার মানুষ তথা প্রতিটি
নাগরিকের আর্থিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু
দিয়ে চেষ্টা করবে।'
নাগরিক
কিছু দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'নাগরিকদেরও কিন্তু রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি
কিছু দায় দায়িত্ব রয়েছে। নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র এবং সমাজের
প্রতি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি, আমি আশা করি, আগামী ১০ বছরে রাজনৈতিক এবং
অর্থনৈতিকভাবে আমরা একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পাবো ইনশাআল্লাহ।'
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, 'বিভিন্ন ধর্মের সম্মানিত নেতৃবৃন্দ খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সম্মানিত ভাতা
দেয়ার যে কর্মসূচি সরকার চালু করেছে, এই কর্মসূচির অধীনে প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং স্কিমের
আওতায় মোট ৪ হাজার ৯০৮ টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪ টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬ হাজার
৯৯২ জন মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে সবাইকে এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত
করা হবে। বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের জন্য সরকারের এইসব অর্থনৈতিক কর্মসূচি উদ্যোগের
মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নাগরিকদেরকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।'
দেশের
জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা কেউ মসজিদে কিংবা যার যার ধর্মীয়
উপাসনালয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেদেরকে বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে
সম্পৃক্ত করতে চাইলে আপনাদের সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নেও সরকার সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মিটিংয়ে একজন ইমাম, খতিব বা ধর্মীয় প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত
করা হবে। '
নাগরিকদের
দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'দেশের
প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের
দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, যাতে আর কোনো ফ্যাসিবাদ
কিংবা তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে। আমি বার বার একটি কথা
বলি, নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না।'
শহীদ
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় দেশে প্রথমবারের মতো'ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী'
চালু করা হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ মসজিদ রয়েছে।
আমরা সারাদেশের এই মসজিদগুলোকে ধর্মীয় সামাজিক এবং নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে
পরিণত করতে পারি। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় দেশে
প্রথমবারের মতো'ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী' চালু করা হয়েছিল।
তিনি
বলেন, '১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় দেশে 'মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা'
কার্যক্রম চালু হয়েছিল। বর্তমান সরকারও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের একটি নির্দিষ্ট হারে সম্মানী
ভাতা প্রদানের পাশাপাশি আপনাদের যোগ্যতাকে আরো কিভাবে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানো
যায় সেই পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।'
ধর্মীয়,
সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'অর্থনৈতিকভাবে
সমৃদ্ধ রাষ্ট্র মানুষের জীবনে হয়তো আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করে কিন্তু ধৈর্য,
সততা, কৃতজ্ঞতাবোধ, শ্রদ্ধা, আনুগত্য, সংহতি, সহনশীলতা, উদারতা, বন্ধুত্ব, বিনয়, দায়
কিংবা দয়া, এই সকল বৈশিষ্টগুলো অর্জন ছাড়া একজন ব্যক্তি মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন হয়ে
উঠতে পারে না। এ ধরনের মানবিক বৈশিষ্টগুলো অর্জনের জন্য ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে
উজ্জীবিত হওয়া জরুরি।''যার আমানতদারি নেই, যার কাছে নিরাপত্তা নেই, সে প্রকৃত ইমানদার
নয়। যার ওয়াদা ঠিক নেই, তার কোনো ধর্মই নেই' পবিত্র হাদিসের এই উক্তি টেনে প্রধানমন্ত্রী
বলেন, 'রাষ্ট্র ও সমাজ এবং পরিবেশ ও প্রতিবেশ থেকে অর্জিত আচরণ থেকেই মানুষ তার শুদ্ধ
জীবন এবং সুস্থ চিন্তার মানসিক নির্দেশনা পায়।'
তিনি
বলেন, 'প্রতিহিংসা এবং সহিংসতা' মুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে ধর্মের
এই উদারনৈতিক শিক্ষণীয় বক্তব্যগুলো অতুলনীয়। আমার বিশ্বাস, একটি নৈতিকতা সমৃদ্ধ মানব
সমাজের গঠনের জন্য প্রতিটি ধর্মেই এ ধরণের ইতিবাচক বার্তা রয়েছে। সুতরাং, একটি ধর্মীয়,
সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ মানসিকতা
তৈরীর ক্ষেত্রে আপনাদের মতো ধর্মীয় জ্ঞান সম্পন্ন মানুষদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, দুনিয়ার কল্যাণের পাশাপাশি আখেরাতের কল্যাণের জন্য প্রার্থনার কথা পবিত্র কোরআনে
কারীমে রয়েছে। ইহকালীন পরকালীন কল্যাণ বিষয়ক নির্দেশনা নিঃসন্দেহে অন্য ধর্মাবলম্বীদের
ধর্মীয় বিধিবিধান অনুযায়ীও নির্দেশিত রয়েছে। সুতরাং, ধর্মীয় বিধিবিধানের আলোকেই আপনারা
আপনাদের শিক্ষা-দীক্ষা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে কিভাবে আরো বেশি করে দেশ এবং জনগণের কল্যাণে
কাজে লাগাতে পারেন সেই চিন্তা এবং চেষ্টা অব্যাহত রাখাও জরুরি।
মন্তব্য করুন


বয়স
মাত্র ৯ বছর, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী অরিনা। দুই মাসের চেষ্টায় নিজের হাতে নির্ভুলভাবে
লিখেছে পবিত্র কোরআন শরিফ। ১১৪টি সুরা সংবলিত ৩০ পারার কোরআন শরিফটি দেখে বোঝার উপায়
নেই, এটি ছাপা না হাতে লেখা।
খুলনা
মহানগরীর খালিশপুরের গোয়ালখালী এলাকার ব্যবসায়ী মো. শুকুর আলী খান ও রাশিদা বেগম দম্পতির
ছোট মেয়ে অরিনা সাফা খান। তার বয়সী শিশুরা যখন খেলাধুলা আর মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত, সেই
সময়ে নিজের হাতে কোরআন লিখেছে অরিনা। সমগ্র কোরআন শরিফ লেখা শেষ করেছে মাত্র ২ মাসে।
হাতে
লেখার কারণে এ কোরআন যেন আরও যত্ন, ভক্তি ও আন্তরিকতায় মোড়া। শিশু অরিনা কাজটি করেছে,
আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায়।
খুলনার
বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিনা। ৪র্থ শ্রেণিতে
পড়ার সময়ও নিজের হাতে পবিত্র কোরআন লিখে বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছিল। কোরআনের হাফেজ না হয়েও
সুরেলা কণ্ঠে অসংখ্য সুরা মুখস্ত তেলাওয়াত করে অরিনা। ইসলামী গান গেয়েও অনেক পেয়েছে
পুরস্কার অরিনা।
অরিনার
মা রাশিদা বেগম বলেন, ছোটবেলা থেকেই অরিনার বড় বোন আরবি ভাষা লিখতে ও শিখিয়েছে তাকে।
সেই থেকে আরবি লেখা প্রিয় হয়ে ওঠে তার। বড় হয়ে গরিব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায়
অরিনা, আসতে চায় সবার উপকারে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে দেশের মানুষ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লালকার্ড দেখাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শুক্রবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রেস সচিব বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো ধরনের রিকনসিলিয়েশন বা সমঝোতার আলোচনা হচ্ছে না। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো অনুশোচনার কথা শোনা যায়নি। বরং গতকাল একজন সাবেক মন্ত্রী শহিদের রক্ত নিয়ে মকারি করেছেন। আমরা তাদের মধ্যে অনুতপ্ত হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখছি না।”
তিনি আরও বলেন, “যারা খুনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের জায়গা সমাজে নয়, তাদের জায়গা জেলখানায়। খুনিদের সমাজে গ্রহণযোগ্যতা থাকতে পারে না।”
গণভোট প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, “এই গণভোটে মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রেডকার্ড দেখাবে। গত ১৬ বছর ধরে যে গুম-খুনের রাজনীতি চলেছে, তার বিরুদ্ধেই জনগণের এই রায়। মানুষ সুশাসনের পক্ষে ভোট দেবে।”
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এবছরের জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা মহানগরীর জাঙ্গালিয়া এলাকায় ২৩ বীর এবং র্যাব-১১ (সিপিসি-২) এর যৌথ উদ্যোগে একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ নাজমুল ইসলাম শামীম নামের এক সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) গভীর রাত থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায় , গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে মোঃ নাজমুল ইসলাম শামীমের বাসভবনে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তার বাসা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্থানীয়ভাবে তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র, দেশি ও বিদেশি গোলাবারুদ এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তার ব্যবহৃত গোপন আস্তানাগুলোতেও তল্লাশি চালানো হয়, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে তাকে সেখানে পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে র্যাব-১১ (সিপিসি-২) কর্তৃক আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় জিপিএস ও লোকেশন ট্র্যাকিং পরিচালনা করে সন্দেহভাজন শামীমকে আটক করা হয়।
আটক হওয়া নাজমুল ইসলাম শামীম মহানগরীর ২১ নং ওয়ার্ডের জাঙ্গালিয়া এলাকার মরহুম আব্দুল হালিমের ছেলে।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে স্থানীয়ভাবে তৈরি ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র / পাইপগান, ৬০ রাউন্ড শটগান কার্তুজ, ( ১২ বোর × ৭০ মিমি – ৪০ রাউন্ড ও ১২ বোর × ৭৬ মিমি – ২০ রাউন্ড) । ১৮ রাউন্ড মেশিনগান গোলাবারুদ (৭.৬২×৫৪ মিমি, POF নির্মিত), ১ রাউন্ড পিস্তল গোলাবারুদ (৭.৬২×২৫ মিমি, টোকারেভ: S&B নির্মিত), ১ রাউন্ড রিভলভার/ এয়ারগান গোলাবারুদ, ১০টি ছুরি, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল। এছাড়া দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, ৮টি মানিব্যাগ, এটিএম কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডি জব্দ করা হয়।
স্থানীয় বিভিন্ন প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সন্দেহভাজন শামীম জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ডের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি পূর্বে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন। এছাড়াও তিনি কুমিল্লা শহরের একজন চিহ্নিত বড় চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। ভয়ের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে তার বিরুদ্ধে বক্তব্য প্রদান করতে সাহস পান না, তবে একাধিক সূত্র থেকে তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার পরই সেনাবাহিনী তার বাসায় অভিযান পরিচালনা করে।
সন্দেহভাজন শামীমের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় কমপক্ষে ৭টি মামলা বিদ্যমান।
অস্ত্রসহ তাকে র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, এই অভিযানটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের অধিনায়কত্বে ২৩ বীর কর্তৃক পরিচালিত একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য ও সফল অভিযান, যা কুমিল্লা অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
মন্তব্য করুন


যেসব শিক্ষার্থী রাস্তায় ট্রাফিকের কাজ করছে তাদের তালিকা করে সবাইকে পুলিশের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।
রোববার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে এসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন এ কথা জানিয়ে আরো
বলেছেন, এই সার্টিফিকেট চাকরি ক্ষেত্রে যেন মূল্যায়ন করা হয়।
সাখাওয়াত হোসেন এটাও বলেন যে, আমি আইজিপিকে অনুরোধ করবো, এই যে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় ট্রাফিকের কাজ করছে তাদের তালিকা করে সবাইকে পুলিশের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট দেবেন। শিক্ষার্থীরা নিজের টাকায় সড়কে কাজ করছে, সড়ক পরিষ্কার করছে, রং কিনে দেয়াল সুন্দর করছে। এটা যদি সরকারি প্রজেক্ট হতো তাহলে হাজার কোটি টাকা লাগতো। একটা দেশে এই চাইতে ভালো উদাহরণ হতে পারে না।
শিক্ষার্থীরা তাঁর গাড়িও চেক করেছে উল্লেখ করে তিনি জানান, পতাকাওয়ালা গাড়ি থামানো হয়েছে। তারপর তারা বলেছে পতাকা থাক আর যাই থাক গাড়ি চেক করবো। এরপর আমাকে দেখে বললো না স্যার আপনি চলে যান।
মন্তব্য করুন


ভ্রাম্যমান
আদালত পরিচালনাকারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে শাসানোর ঘটনায় নেত্রকোণার কলমাকান্দা
উপজেলার লেংগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভুঁইয়াকে সাময়িক বরখাস্ত
করা হয়েছে।
রবিবার
তাকে তার পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
সাইদুর
রহমান ভুঁইয়া ইউএনওকে শাসিয়ে কথা বলছেন এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে
সমালোচিত হওয়ার পর এই আদেশটি এলো।
প্রজ্ঞাপনে
বলা হয়েছে, নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাইদুর
রহমান ভূইয়া জনপ্রতিনিধি হিসেবে সহযোগিতা করার পরিবর্তে ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যক্রমে
বাধা সৃষ্টি, আদালত চলাকালীন আদালতের প্রতি বিরূপ মন্তব্য এবং আদালত অবমাননা করেছেন।
এছাড়াও
ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনারের (ভূমি)
উপস্থিতিতে চলমান মোবাইল কোর্টে বাধা প্রদান ও অসম্মান করে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার
ও অসদাচরণ করেছেন বলে এই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
উল্লেখিত
এই অভিযোগের কারণে তার ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণে আইন বহির্ভূত
বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।
এতে
জানানো হয়েছে, সাইদুর রহমান ভুঁইয়া কর্তৃক সংঘটিত অপরাধমূলক কার্যক্রম ইউনিয়ন পরিষদসহ
জনস্বার্থের পরিপন্থী বিবেচনায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন এর ঘ ধারায় অপরাধ
সংঘটিত করায় একই আইন অনুযায়ী তাকে স্বীয় পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, ইটভাটা জনিত
বায়ুদূষণ রোধে আর কোনো নতুন ইটভাটার ছাড়পত্র দেয়া হবে না। পরিবেশগত ছাড়পত্রবিহীন ৩,৪৯১
টি ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করা হবে। অবৈধভাবে পার্বত্য এলাকায় নির্মিত সব ইটভাটা স্থানান্তর
করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ
সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ ব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং
ওনার্স এসোসিয়েশন (বিবিএমওএ)-এর নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় পরিবেশ উপদেষ্টা এসব
কথা বলেন।
সভায় পরিবেশবান্ধব ইট উৎপাদন, ইটভাটার
আধুনিকায়ন, এবং কার্বন নির্গমন কমানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ইটভাটার
পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, শুধু ভবন নির্মাণই যথেষ্ট নয়, আমাদের
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বায়ুদূষণের কারণে মানুষের
গড় আয়ু ৫-৭ বছর কমে যাচ্ছে। তাই, লাইসেন্স এবং ছাড়পত্র ছাড়া কোনো ইটভাটা পরিচালনা করা
যাবে না। তিনি পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয়ার
কথাও জানান।
বিবিএমওএ-এর নেতৃবৃন্দ ইটভাটা শিল্পের
চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি গ্রহণের প্রস্তাব দেন। ইটভাটায় সবুজ প্রযুক্তির
ব্যবহার উৎসাহিত করতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন এবং উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি প্রদান
করেন।
সভায় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত
সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং ওনার্স এসোসিয়েশনের
কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ফিরোজ হায়দার খান-সহ কেন্দ্রীয় এবং বিভিন্ন জেলা থেকে আগত
নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ইন্টারনেটের ব্যবহার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা হল এটা খোলা থাকবে। ইন্টারনেট যদি
কেউ বন্ধ করে, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
আজ
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর
ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি
এ কথা বলেন ।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড অনেক পুরনো শব্দ। কিছু কিছু
শব্দ আছে যেগুলো সব সময় ব্যবহার হয়। কেউ বলবে ফিল্ড লেভেল, কেউ বলবে ফিল্ড লেভেল না।
কিন্তু আমরা আমাদের চেষ্টা করে যাচ্ছি। নির্বাচনটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডেই হবে।’
দেশের
১৮ কোটি লোকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন কাজ বলে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বলেন, ‘আপনারা সবসময় বলেন, আইনশৃঙ্খলা কন্ট্রোল করি না। দেখেন এখানে আপনারা কয়জন সাংবাদিক,
এই কয়জনের কথা বলাটা বন্ধ করতে অনেক সময় লেগে যায়। তো দেশের ১৮ কোটি লোকের আইনশৃঙ্খলা
রক্ষা করা অনেক ডিফিকাল্ট কাজ।’
তিনি
জানান, নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে। তাদের প্রস্তুতি মতো
কাজ এগিয়ে গেলে আমাদের নির্বাচনটা হবে খুবই সুষ্ঠু, উৎসবমুখর এবং একেবারে ফেয়ার। এখানে
কোনো ধরনের অসুবিধা হবে না।
ফেসবুকসহ
সামাজিক মাধ্যমে বর্তমানে যে মাত্রার স্বাধীনতা দেখা যাচ্ছে, বিগত আমলে তা ছিল না বলেও
মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ফেসবুক বা ইন্টারনেট বন্ধ করা এখন আর গ্রহণযোগ্য
নয়। সবাই স্বাধীনভাবে লিখবেন, মত প্রকাশ করবেন। আগে সাংবাদিকেরাও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে
ছিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনে গিয়ে প্রশ্ন করার সাহস পেতেন না। এখন সেই পরিবেশ বদলে
গেছে।
সাংবাদিকদের
উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের মুখ একেবারে খোলা। সত্যি কথা প্রকাশ করার জন্যই তো আপনারা।
আপনারা যদি সত্য তথ্য প্রকাশ করতে না পারেন, জনগণ সঠিক তথ্য পাবে না। তাই আমরা চাই,
সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কাজ করুক, সত্য কথা বলুক।
নির্বাচনকালীন
সহিংসতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এই সময় যে সহিংসতাগুলো
হচ্ছে, তার অনেকটাই নিজেদের দলের ভিতরেই। একই দল বা একই সংগঠনের ভেতরের দ্বন্দ্ব থেকেই
অনেক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সচেতন হতে
হবে। তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো
রয়েছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ
সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
সভায়
স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গণি, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন ও জেলা
প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশসহ
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সুদানে
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয় শান্তিরক্ষীর
লাশ দেশে পৌঁছেছে।
আজ
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৫ মিনিটে তাদের বহনকারী উড়োজাহাজটি ঢাকার হজরত শাহজালাল
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম বিমানবন্দরে
শান্তিরক্ষীদের লাশ গ্রহণ করেন। এ ছাড়া লাশ
গ্রহণকালে চেয়ারম্যান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ; বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত
আবাসিক প্রতিনিধি; আবেইতে মোতায়েনরত জাতিসংঘ মিশন ইউনিসফা-এর ফোর্স কমান্ডারের প্রতিনিধি,
চিফ কমিউনিটি লিয়াজো অফিসার; পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিজি (ইউএন); পরিচালক, ওভারসিজ
অপারেশন পরিদপ্তর, সেনা সদর; ঊর্ধ্বতন সামরিক বেসামরিক কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিরা
উপস্থিত ছিলেন। লাশ গ্রহণকালে সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন এবং সব সামরিক
ব্যক্তিরা শাহাদাতবরণকারীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে স্যালুট দেন।
আগামী
রোববার (২১ ডিসেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসস্থ কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠান
শেষে তাদের নিজ নিজ ঠিকানায় হেলিকপ্টারযোগে পাঠানোর পরে যথাযথ সামরিক মর্যাদায় দাফন
কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
উল্লেখ্য,
গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় ছয়জন শান্তিরক্ষী শহীদ
হওয়ার পাশাপাশি নয়জন শান্তিরক্ষী আহত হন, যাদের মধ্যে আটজন কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে
অবস্থিত আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল (লেভেল–৩ হাসপাতাল)-এ চিকিৎসাধীন। বর্তমানে
সবাই শঙ্কামুক্ত।
মন্তব্য করুন