

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ। প্রচণ্ড গরমে মানুষের নাভিশ্বাস অবস্হা ।
তীব্র তাপদাহে ইতোমধ্যে সারা দেশে বেশ কয়েকজনের হিট অ্যাটাকে মৃত্যুও হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিন নগরবাসীকে ব্যাগে পানির বোতল, টুপি, ফ্যান, ছাতার মতো জিনিসপত্র রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
তীব্র তাপপ্রবাহের এই পরিস্হিতিতে সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই অবস্থা থেকে সবাইকে বাঁচানোর জন্য তারা নিয়মিত ‘হিট অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইন’ চালাচ্ছেন। চেষ্টা করে যাচ্ছেন কেন ঢাকায় তাপমাত্রা বাড়ছে তা খুঁজে বের করার। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সেটার চেষ্টা সম্পর্কে বুশরা জানান, তার মতে, ঢাকা এবং আশপাশের এলাকায় তাপমাত্রা কমাতে আরও বেশি গাছ লাগানো জরুরি।
তিনি বলেন, আমাদের এখানে রাস্তার ধারে ২ লাখ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর উপযুক্তভাবে রক্ষণাবেক্ষণও করতে হবে। নগরে বনায়ন করা খুব জরুরি। এখানে যে ফাঁকা এবং পরিত্যক্ত জায়গাগুলো পড়ে আছে সেখানে সবুজায়ন করার দিকেও আমরা নজর দিয়েছি। আমাদের এখানে আরও অনেক পার্ক এবং সবুজে ঘেরা জায়গা দরকার। তাতে তাপমাত্রা যেমন কমবে, তেমনই পাখিসহ নানা প্রাণীও ফিরে আসবে।
হিট অফিসার আরো বলেন, ঢাকা শহরের প্রায় ৮০ শতাংশ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এর ফলে নানা রকম সমস্যার সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রাও। দিন দিন বাড়তে থাকা জনসংখ্যার ঘনত্বের কারণে সংকটে পড়া ঢাকার তাপমাত্রা গ্রামাঞ্চলের চেয়ে বেশি হচ্ছে।
নগরের তাপমাত্রা কমাতে ঢাকায় বনাঞ্চল তৈরির পরিকল্পনার বিষয়ে বুশরা আফরিন বলেন, ঢাকায় তাপমাত্রা কমানোর জন্য আমরা ‘টু অ্যাবেল ফরেস্ট’ অর্থাৎ দুটি বন করার চেষ্টা করছি। একটা হচ্ছে মিরপুর কল্যাণপুরের দিকে; অন্যটি বনানীর এক্সপ্রেসওয়ের পাশে।
তিনি বলেন, এই বন দুটি যে শুধু নগরের হিট কমাবে তা নয় পাশাপাশি দূষণ প্রতিরোধেও সহায়তা করবে। একই সঙ্গে তীব্র তাপপ্রবাহ কমাতে শহরের ফাঁকা জায়গাগুলোতে গাছ লাগনো হবেও বলে জানান তিনি।
বুশরা বলেন, তীব্র তাপপ্রবাহে আমরা নিজেরা যদি সচেতন থাকি- আমরা যদি বাসা থেকে বের হওয়ার আগে আমাদের ব্যাগে একটা পানির বোতল, টুপি, ফ্যান, ছাতার মতো জিনিসপত্র সঙ্গে রাখি তাহলে কিন্তু অনেকটাই নিরাপত্তা পেতে পারি।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা।।
পবিত্র ঈদ-ই-মিল্লাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল। বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে সমিতি ভবনের দ্বিতীয় তলায় ৭নং হল রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়- ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ মাহাবুবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইয়াছির আরাফাত এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের রুলস্ এন্ড পাবলিকেশন কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ কাইমুল হক রিংকু এবং সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামাল হোসেন।
অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ মিজানুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি এডভোকেট মুহাম্মদ জহীরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন, মোফাচ্ছিরে কোরআন, বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মোশতাক ফয়েজী পীর সাহেব নাগাইশ দরবার শরীফ, কুমিল্লা। তাঁর আলোচনায় উঠে আসে যে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর ন্যায়, দয়া, মানবিকতা ও সমাজ সংস্কারের শিক্ষা একটি ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিময় সমাজ প্রতিষ্ঠার অনিবার্য দিকনির্দেশনা। তিনি বলেন- মহানবীর আদর্শ অনুসরণ করলে ব্যক্তিজীবন যেমন কল্যাণমুখী হয়, তেমনি জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের পথও সুগম হয়।
ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোঃ সহিদ উল্লাহ। তাঁর বক্তব্যে প্রতিফলিত হয় মানবকল্যাণ, সত্য ও ন্যায়ের শিক্ষা মহানবীর জীবনাদর্শের মূল সুর, যা সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ভিত্তি হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
সবশেষে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে। আইনজীবীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ আধ্যাত্মিক আবেশে ভরে ওঠে।
মন্তব্য করুন


যশোরের চৌগাছায় জমিতে কাজ করতে যেতে অস্বীকৃতি জানানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাবার হাতে কোদালের আঘাতে তরিকুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত বাবা রবিউল ইসলাম (৫৭) পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের চাচা আসাদুল ইসলাম বাদী হয়ে চৌগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
ঘটনাটি ঘটে চৌগাছা উপজেলার সিংহঝুলি ইউনিয়নের জাহাঙ্গীরপুর গ্রামে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২০ জানুয়ারি রাতে তরিকুল বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় তার বাবা তাকে বোরো ধানের ক্ষেতে কাজ করতে যেতে বলেন। ছেলে কাজে যেতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে রবিউল ইসলাম কোদাল দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে তরিকুল গুরুতর আহত হন।
পরবর্তীতে তাকে প্রথমে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা আসাদুল ইসলাম জানান, তরিকুল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। ঘটনার দিন জমিতে কাজ করতে না যাওয়াকে কেন্দ্র করেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বলে তিনি জানান।
চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠান মালা-২০২৫ উদযাপনের অংশ হিসেবে সেনাসদরের নির্দেশক্রমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশন, কুমিল্লা এরিয়ার ব্যবস্থাপনায় প্রায় দেড় হাজার অসহায় গরীব ও অসুস্থ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়।
সোমবার
(২৮ জুলাই) কুমিল্লা নগরীর শাকতলা এলাকার দ্যা
ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্সে এ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
কুমিল্লা সেনানিবাস হতে আগত মেডিসিন, সার্জারী, গাইনি, শিশু রোগ, অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ, মেডিকেল অফিসার ও প্যারামেডিক্স এর সমন্বয়ে বিশেষায়িত মেডিকেল দলের মাধ্যমে এই চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে।
পুরুষ,
স্ত্রী ও শিশুসহ আনুমানিক প্রায় দেড় হাজার
স্থানীয় জনসাধারণকে বিনামূলো চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী প্রদান করা
হয়েছে।
এছাড়াও একটি ফিল্ড অপারেশন থিয়েটার স্থাপন করা হয়, যেখানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক মাইনর অপারেশন করা হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে এই মহতী কার্যক্রমের পরিকল্পনা করায় স্থানীয় জনসাধারণ সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির বিষয়ে তারা দৃঢ় আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলিকে হত্যার মামলার প্রধান আসামি হোটেল
কর্মচারী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় থেকে তাকে গ্রেপ্তার
করা হয়।
আজ
সোমবার ( ১২ জানুয়ারি ) সকালে এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে র্যাব। এর আগে শনিবার দুপুরে
দক্ষিণ বনশ্রীর ‘প্রীতম ভিলা’ নামের একটি বাসায় এই হত্যাকাণ্ডের
ঘটনা ঘটে।
নিহত
লিলি (১৭) স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার
বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় গতকাল রবিবার সকালে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে
হোটেল কর্মচারীর মিলনকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
খিলগাঁও
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, শনিবার বিকেলের
দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল যায় পুলিশ।
লিলি
আক্তারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। লিলির গলায় ধারালো
অস্ত্রের আঘাত ছিল। ঠিক কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা জানাতে পারেননি তিনি।
নিহতের
বড় বোন সোভা বলেন, ‘আমাদের একটি খাবারের হোটেল আছে।
গত
বৃহস্পতিবার রাতে হোটেলের কর্মচারী মিলন খাবার নেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় আসে। এত রাতে
বাসায় আসা নিয়ে লিলি তাঁর সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। শনিবার দুপুরেও মিলন খাবার নিতে
বাসায় এসেছিল। তবে তার আচরণ একটু অন্যরকম মনে হয়েছে।’
তিনি
আরো বলেন, ‘দুপুর দেড়টার দিকে জিমের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হই।
যাওয়ার
সময় লিলিকে দরজা লক করে দিতে বলি। তখন ওই কর্মচারী মিলনও বাসা থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু
সে রাস্তা পার হয়ে চলে গিয়েছিল কি না, তা আমি দেখিনি। পরে বাসায় ফিরে দেখি দরজা খোলা।
ভেতরে সবকিছু এলোমেলো। আমার বোনকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম সে হয়তো
কোনোভাবে আঘাত পেয়েছে। বাড়িওয়ালাকে ডাকলে তারা হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করেননি। পরে
এক বন্ধুর মাধ্যমে লিলিকে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে হিজাব খুলে দেখি
তাঁর গলায় রশি পেঁচানো এবং গলা কাটা।’
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালনে ঢাকাসহ সারা দেশে শোভাযাত্রাসহ ১০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।
আজ রোববার (২ নভেম্বর) দুপুরে নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের এক যৌথ সভা শেষে দলের মহাসচিব “মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর” এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
“মির্জা ফখরুল” বলেন, ‘৭ নভেম্বর আমাদের কাছে, গোটা জাতির কাছে অত্যন্ত গুরুকত্বপূর্ণ একটা দিন। সেজন্য আমরা আজ যৌথসভায় সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আমরা যথাযোগ্য মর্যাদায় সঙ্গে পালন করব। সেজন্য আমরা ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছি, এই কর্মসূচি হবে ৫ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত।’
১০ দিনের কর্মসূচির মধ্যে হচ্ছে― ৭ নভেম্বর সকাল ১০টায় জাতীয় নেতারাসহ নেতা-কর্মীরা শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে পুস্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। সেদিন বেলা ৩টা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে র্যালি অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন বিভাগ-জেলাসহ সারা দেশেও র্যালি অনুষ্ঠিত হবে। ৭ নভেম্বর ভোরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। বিএনপির আলোচনা সভা হবে ১২ নভেম্বর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে হবে। বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ৭ নভেম্বর নিয়ে নিজেদের সময়সূচি অনুযায়ী আলোচনা সভা করবে। এর মধ্যে শ্রমিক ৫ নভেম্বর, ছাত্র দল ৭ ও ৮ নভেম্বর আলোকচিত্র প্রদর্শনী, ওলামা দল ৯ নভেম্বর এতিম শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষাসামগ্রি বিতরণ, তাঁতী দল ১০ নভেম্বর, কৃষক দল ১১ নভেম্বর এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৩ নভেম্বর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করবে। ৭ নভেম্বর উপলক্ষে পোস্টার প্রকাশ, জাতীয় সংবাদ পত্রগুলোতে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে বিশেষ ডকুমেন্টারি প্রচার করা হবে বলে জানান বিএনপি মহাসচিব।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবার নিহত হওয়ার পর সেনাপ্রধানের দায়িত্বে আসেন জিয়াউর রহমান। এরপর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থান হয়, জিয়া হন গৃহবন্দি।
৭ নভেম্বর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সঙ্গে যুক্ত মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে পাল্টা অভ্যুত্থানে আটকাবস্থা থেকে মুক্ত হন জিয়া। এর মধ্য দিয়ে তিনি ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। বিএনপি এই দিনকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে।
“মির্জা ফখরুলের” সভাপতিত্বে যৌথ সভায় দলের যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, আবদুস সালাম আজাদ, চেয়ারপারসসনের বিশেষ সহকারি শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, কেন্দ্রীয় নেতা মীর সরাফত আলী সপু, সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন, বজলুল করীম চৌধুরী আবেদ. মহানগর বিএনপির আমিনুল হক, তানভীর আহমেদ রবিন, মুক্তিযোদ্ধা দলে ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, স্বেচ্ছাসেবক দলের স্বেচ্ছাসেবক দলের এসএম জিলানী, শ্রমিক দলের মণ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, কৃষক দলের মামুনুর রশীদ খান, মহিলা দলের শাহানা আখতার সানু, জাসাসের জাকির হোসেন রোকন, তাঁতী দলের আবুল কালাম আজাদ, মজিবুর রহমান, যুব দলের নুরুল ইসলাম সোহেল, উলামা দলের মাওলানা কাজী মোহাম্মদ আবুল হোসেন, ছাত্র দলের নাছির উদ্দীন নাছিরসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের প্রতিনিধিরা যৌথ সভা অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সফরে থাকা ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
রোববার (২৩ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর একটি সিটি হোটেলে তাদের মধ্যে এ সৌহার্দ্যপূর্ণ দেখা–সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সকালে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেয়।
এর আগে শনিবার সকালে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় আসেন শেরিং তোবগে। ড্রুক এয়ারের একটি ফ্লাইট সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাকে অভ্যর্থনা জানান।
সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে তিনি ঢাকা ত্যাগ করে থিম্পুর উদ্দেশে রওনা হবেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমান ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তথ্য অনুযায়ী,
নির্বাচন কমিশনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার হিসেবে তারেক রহমানের নাম অন্তর্ভুক্ত
হয়েছে।
এর আগে, ভোটার
তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আবেদন
অনুমোদন করেছে নির্বাচন কমিশন ।
আজ রোববার নির্বাচন
কমিশনের জনসংযোগ শাখার পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, নির্বাচন
কমিশন কর্তৃক তারেক রহমানের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়টি অনুমোদিত হয়েছে।
গত ২৭ ডিসেম্বর
আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে যান তিনি। সেখানে ভোটার হিসেবে নিবন্ধন ও জাতীয়
পরিচয়পত্র পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন তিনি।
২৭ ডিসেম্বরই
ভোটার হচ্ছেন তারেক রহমান- বিএনপির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছিল আগেই। সেজন্য সব
প্রস্তুতিও সেরে রাখে নির্বাচন কমিশন কর্তৃপক্ষ।
বিএনপি মিডিয়া
সেল শনিবার দুপুরে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, শনিবার, আঙুলের ছাপ, চোখের মণির (আইরিশ)
প্রতিচ্ছবি ও বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার পর তারেক রহমানের এনআইডি পেতে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা
লাগবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এস এম হুমায়ুন কবীর।
মন্তব্য করুন


বিএনপি-জামায়াতের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধের প্রথম দিনে রাজধানী ও আশপাশের জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২৩২ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।
আজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ২৮ প্লাটুনসহ সারা দেশে ২৩২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে হামলা ও সংঘর্ষের পরদিন দলটি সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করে।
এক দিন বিরতি দিয়ে ৩১ অক্টোবর থেকে টানা তিন দিন অবরোধ কর্মসূচি দেওয়া হয়। পরে শুক্র ও শনিবার বিরতি দিয়ে ৫ ও ৬ নভেম্বর অবরোধ পালন করে বিএনপি।
এরপর একদিনের বিরতি দিয়ে ৮ ও ৯ নভেম্বর তৃতীয় দফায় অবরোধ দেওয়া হয়। আবারও শুক্র ও শনিবার বিরতি দিয়ে চতুর্থ দফায় ১২ ও ১৩ নভেম্বর দেশব্যাপী অবরোধ কর্মসূচি পালন করে দলটি।
একদিন বিরতি দিয়ে ১৫ ও ১৬ নভেম্বর আবারও বিএনপি অবরোধ কর্মসূচি দেয়। পরে ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। এর প্রতিবাদে ১৯ ও ২০ নভেম্বর হরতাল ডাকে বিএনপি। একদিন বিরতি দিয়ে বুধ ও বৃহস্পতিবার অবরোধ কর্মসূচি পালন করবে দলটি।
মন্তব্য করুন


ঢাকার
সাভারে ভবঘুরে পরিচয়ে একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়া সিরিয়াল কিলারের
পরিচয় নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর নিজেকে ‘মশিউর রহমান খান
সম্রাট’ বলে পরিচয় দিলেও তার প্রকৃত নাম সবুজ শেখ বলে নিশ্চিত
করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার
(২০ জানুয়ারি) ঢাকা জেলা পুলিশের সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান
এ তথ্য জানান।
পুলিশ
জানায়, সবুজ শেখের বাবার নাম পান্না শেখ। তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে দ্বিতীয়। তার বড়
বোনের নাম শারমিন। তার জন্মস্থান ও পৈতৃক বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার হলুদিয়া
ইউনিয়নের মোসামান্দা গ্রামে। পরিবারের একাংশ বরিশাল এলাকায় বসবাস করে।
পুলিশের
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নাম ও পরিচয় গোপন রেখে বিভিন্ন এলাকায় ভবঘুরে নারীদের সঙ্গে
শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের ফাঁদ পাতত সবুজ।
পরে
তাদের পরিত্যক্ত ও নির্জন ভবনে নিয়ে যেত। ওই নারীরা অন্য কারো সঙ্গে কিংবা অন্য কেউ
তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ালে ক্ষিপ্ত হয়ে সে তাদের হত্যা করত। এসব হত্যাকাণ্ডের
বিষয়ে আদালতে দেওয়া তার স্বীকারোক্তি যাচাই–বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অতিরিক্ত
পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আদালতে দেওয়া সবুজের তথ্যগুলোর সত্যতা খতিয়ে দেখা
হচ্ছে।
তিনি
আরও জানান, সর্বশেষ ঘটনার তিন থেকে চার দিন আগে তানিয়া ওরফে সোনিয়া নামে এক ভবঘুরে
তরুণীকে সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে আসে সবুজ। সেখানে ওই তরুণীর
সঙ্গে আরেক ভবঘুরে যুবকের অনৈতিক সম্পর্কের ঘটনা ঘটলে প্রথমে যুবককে ভবনের দোতলায় নিয়ে
হত্যা করে। পরে তরুণীকে নিচতলায় হত্যা করে দুজনের মরদেহ কাঁধে করে দোতলার টয়লেটে নিয়ে
গিয়ে একসঙ্গে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়।
রোববার
(১৮ জানুয়ারি) বিকেলে সাভার থানার সামনে থেকে সবুজ শেখকে আটক করে পুলিশ। পরে সাভার
পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবনের ভেতর থেকে এক কিশোরীসহ দুজনের পোড়া মরদেহ উদ্ধারের
ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
সোমবার
পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে আদালতে হাজির করলে জিজ্ঞাসাবাদে সে ছয়টি হত্যাকাণ্ডে
জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলামের আদালতে
১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে সবুজ শেখ ওরফে সম্রাটকে সোমবার রাতেই কারাগারে
পাঠানো হয়।
প্রাথমিক
তদন্তের তথ্য অনুযায়ী, সম্রাট ওরফে সবুজ প্রথম খুন করেন ২০২৫ সালের ৪ জুলাই। ওই দিন
রাতে সাভার মডেল মসজিদের সামনে আসমা বেগম নামে এক বৃদ্ধাকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে।
পরবর্তীতে ওই বছর ২৯ আগস্ট সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবনের ভেতরে এক
যুবককে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে দেন। এর প্রায় এক মাস পর ১১ অক্টোবর আরও এক নারীর
মরদেহ উদ্ধার হয় কমিউনিটি সেন্টারের ভেতর থেকে। তাকেও সবুজ হত্যা করে বলে স্বীকার
করে।
সাভার
থানার পরিদর্শক (অপারেশন) হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘সম্রাট পাগল নন। অতিরিক্ত নেশা করার
কারণে কিছুটা মানসিক বিকারগ্রস্ত। মানুষ খুন করা তার নেশায় পরিণত হয়েছিল। তার ভাষায়,
হত্যাকে তিনি “থার্টি ফোর” বা “সানডে মানডে ক্লোজ”
বলে উল্লেখ করতেন।’
হেলাল
উদ্দিন আরও বলেন, ‘সাভারে আসার পর ভবঘুরে ওই সিরিয়াল কিলার বেশির ভাগ রাত কাটিয়েছেন
সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকার মডেল মসজিদে।
২০২৫
সালের ৪ জুলাই আসমা বেগম নামের এক বৃদ্ধকে হত্যার পর পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত
ভবনে চলে আসেন এবং ওই সেন্টারের নিচতলায় আস্তানা গাড়ে। এর পর থেকেই কমিউনিটি সেন্টারের
ভেতর থেকে একের পর এক লাশ উদ্ধার হতে থাকে। গত পাঁচ মাসে ওই ভবন থেকে পাঁচটি লাশ উদ্ধার
করা হয়। এ কারণে পুলিশের পক্ষ থেকে ওই সেন্টারে নিয়মিতভাবে নজরদারি চালানো হতো। সম্রাটও
সন্দেহের বাইরে ছিলেন না। কিন্তু কোনো ক্লু বা প্রমাণের অভাবে তাকে আইনের আওতায় আনা
যাচ্ছিল না।’
হেলাল
উদ্দিন জানান, নজরদারির অংশ হিসেবে গত শুক্রবার রাতে কমিউনিটি সেন্টার পরিদর্শনে গিয়ে
এক কিশোরীকে সম্রাটের (ছদ্মনাম) বিছানায় শুয়ে থাকতে দেখা গেছে। এ সময় সম্রাট পাশেই
দাঁড়িয়ে ছিলেন। জানতে চাইলে ওই কিশোরী সম্রাটকে তার ভাই বলে সম্বোধন করেন এবং তিন
দিন আগে কমিউনিটি সেন্টারে এসেছেন বলে জানিয়েছিলেন।
পরের
রাতেই (শনিবার রাত) ওই কিশোরীরসহ দুজনকে হত্যার পর তাদের মরদেহ পুড়িয়ে দেন সম্রাট।
পরদিন রোববার দুপুরের পর তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে
খুনের সঙ্গে সম্রাটের জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে রোববার সন্ধ্যায় তাকে গ্রেপ্তার
করা হয়।
গতকাল
সোমবার আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তিনি ছয় খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার
কথা স্বীকার করেছেন।
হেলাল
উদ্দিন বলেন, ভবঘুরে ওই সিরিয়াল কিলার দিনের বেলায় থানার আশপাশে ঘোরাফেরা করলেও গভীর
রাতে তার দেখা মিলত ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক বা পদচারী-সেতুতে। যেসব ভবঘুরে বা পাগল নারী-পুরুষ
রাতে পদচারী-সেতুতে ঘুমাতেন, তাদের কাউকে কাউকে ফুসলিয়ে তিনি পৌর কমিউনিটি সেন্টারে
নিয়ে আসতেন। যারা তার কথায় কমিউনিটি সেন্টারে আসতেন, তারাই খুনের শিকার হতেন।
জানতে
চাইলে সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলী বলেন, খুনি ধরা পড়েছেন এবং
খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকারও করেছেন। এখন ভিকটিম, অর্থাৎ যারা খুন হয়েছেন,
তাদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।
আরমান
আলী আরও বলেন, ‘শুধু এই ছয় খুনই নয়, সম্রাট আরও কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন।
তদন্ত চলছে। আশা করি, সব তথ্য বের হয়ে আসবে।’
গত
বছর ১৯ ডিসেম্বর ওই কমিউনিটি সেন্টারের ভেতরেই আরও এক যুবককে হত্যা করেন সবুজ।
এর
আগে সাভারে ছয় খুনের ঘটনায় আটক হওয়ার পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এই সিরিয়াল কিলার
খুনের দায় স্বীকার করে জানিয়েছেন ‘কোনো পাগল বা ভবঘুরেকে অনৈতিক যৌনাচারে লিপ্ত হতে
দেখলেই তাদের “থার্টি ফোর” বা “সানডে মানডে ক্লোজ”
করে দিতাম।’
মন্তব্য করুন