

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাস্তবায়নের মাধ্যমে অবৈধ মোবাইল ফোন বন্ধ করার সুপারিশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং সিক।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অফিস কক্ষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং সিক এ সুপারিশ করেন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং সিক বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশে চতুর্থ বৃহৎ বিনিয়োগকারী দেশ। স্যামসাং, এলজির মতো বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেছে। কিন্তু উচ্চ করহারের কারণে উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাস্তবায়নের মাধ্যমে অবৈধ মোবাইল ফোন বন্ধ করার সুপারিশ করেন। বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগেও আগ্রহ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, কর কমানোর বিষয়টি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত। অর্থনৈতিক সংস্কারের সময় কর কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে, যাতে অন্য কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের কার্যক্রম চলছে, সেখানে অর্থনৈতিক সংস্কারও হবে। বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানিকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী করতে অন্তর্বর্তী সরকার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে, যাতে দেশে বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।
তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, আমরা স্থানীয় প্রস্তুতকারী শিল্পগুলোকে উৎসাহিত করতে চাই। সেজন্য প্রয়োজনীয় সব কিছুই করা হবে।
ডাক ও টেলিযোগ যোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মুশফিকুর রহমান সরকারি প্রতিষ্ঠান টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেডে বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূতকে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম
চৌধুরী র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছেন ।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব সদর
দপ্তরে র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশ দিয়ে
বলেন, র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। র্যাব গঠনের সময় বলা
হয়েছিল, বাহিনীটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে না। কিন্তু পরবর্তীকালে তা
মানা হয়নি।
তিনি আরো বলেন, র্যাব গঠনের শুরুর দিকে এটি একটি সুশৃঙ্খল ও
সুসংগঠিত বাহিনী হিসেবে মানুষের সম্মান, আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করে। পুলিশ ও
সশস্ত্র বাহিনীর সেরা অফিসারদের এখানে পদায়ন করা হতো। যখনই রাজনৈতিক বিবেচনায় এ
বাহিনীতে নিয়োগ ও পদায়ন শুরু হয়, তখন থেকে এতে পচন ধরতে শুরু করে। সাধারণ মানুষের
মনে বদ্ধমূল ধারণা এই যে, যখন থেকে র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা শুরু
হয়, তখন থেকেই র্যাব গুম, খুনসহ বিভিন্ন বেআইনি ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হতে শুরু
করে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ভালোবাসা, ব্যবহার ও পারফরম্যান্সের
মাধ্যমে র্যাবের হারানো গৌরব ও সম্মান পুনরুদ্ধার সম্ভব উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, সেজন্য আইনের মধ্যে থেকে র্যাবকে কাজ করে যেতে হবে। ঊর্ধ্বতন
কর্তৃপক্ষের বেআইনি আদেশ মানা যাবে না। অননুমোদিত ও বেআইনিভাবে কাউকে আটক রাখা
যাবে না। ক্রসফায়ার, গুম, খুন থেকে র্যাবকে দূরে থাকতে হবে।
সভায় র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানসহ বাহিনীর বিভিন্ন
পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
পরে অনুষ্ঠানে র্যাবের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে উপদেষ্টাকে
অবহিত করা হয়।
মতবিনিময় সভা শেষে উপদেষ্টা র্যাবের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন
এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


চুয়াডাঙ্গায় শুভ ‘বড়দিন’ ও ‘থার্টি ফাস্ট নাইট’ উদযাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গান-বাজনা কিংবা ডিজে পার্টি ,আতশবাজি ফোটানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. কিসিঞ্জার চাকমা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কবির হোসেন, চুয়াডাঙ্গা স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা: মার্টিন হীরক চৌধুরী, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার ডিডি ইয়াসিন সোহাইল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদাত হোসেন। এছাড়াও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক থার্টি ফাস্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে, বাড়ির ছাদে গান-বাজনা কিংবা ডিজে পার্টি, ফানুস ও আতশবাজি ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। প্রতিবছরই থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষকে স্মরণীয় রঙ্গিন করতে এবং বর্তমান সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে প্রচুর পরিমাণে ফানুস উড়ানো হয়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফানুস উড়ানোর জন্য আগুন ধরে বাসস্থানসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ফানুস উড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কেউ যদি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই ২টি বড় উৎসবকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে একাধিক টিম কাজ করবে। উৎসবগুলো শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য চুয়াডাঙ্গাবাসীর সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব-এর ৬টি পদ সংরক্ষণ করেছেন। এই উপলক্ষ্যে সচিবালয়ের সকল শ্রেণীর কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পক্ষে থেকে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব আবদুল খালেক এর নেতৃত্বে উপসচিব-এর ৬টি পদ সংরক্ষণের অফিস আদেশ হাতে পেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডিকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী
সমিতির মহাসচিব মাহে আলম, পার্সোনাল অফিসার সমিতির সভাপতি মোহা: সালাহউদ্দীন, নজরুল
ইসলাম, জাহেদা, সেলিনা, নুরুল আলম, রফিক, হান্নান সরদার, নুর নওয়েজ, মনিরুজ্জামান,
আক্তার, কামাল হোসেন, গাজীউর রহমান, ফরিদ, রিয়াদ, সাদ্দাম হোসেন, আলমগীর, মুননাফসহ
এছাড়া বিভিন্ন সংগঠন-এর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সেনাসদরে
সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের প্রতিনিধি
দল।
উল্লেখ্য, আগামী ১৬ই অক্টোবর ২০২৪ তারিখে
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব 'শুভ প্রবারনা' অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিবর্গ উৎসবটি অত্যন্ত ধর্মীয় মর্যাদায়
ও ভাবগম্ভীর্যে উদযাপন করে থাকেন। এ উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বৌদ্ধ পল্লী, জনপদ
ও বিহার গুলোতে সপ্তাহব্যাপী বিবিধ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। উক্ত উৎসব চলাকালীন শান্তি-শৃঙ্খলা
ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের প্রতিনিধি
দল সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং উৎসবে অংশগ্রহণের জন্য সেনাবাহিনী
প্রধানকে আমন্ত্রণ জানান। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান সমতলের পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে
'শুভ প্রবারনা' ও 'কঠিন চীবরদান' উদযাপন উপলক্ষে আর্থিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রদানের
অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত ভাবে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে উৎসব সমূহ
পালন করার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল কার্যক্রম গ্রহণের আশ্বাস প্রদান
করেন এবং প্রতিনিধি দলের সদস্যগণকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে নিবিড়ভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বর্তমানে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশব্যাপী জেলায় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন থেকে পূজামন্ডপ সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সদা তৎপর রয়েছে। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে প্রত্যেক বাংলাদেশী তার নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসবসমূহ অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করবেন- এই প্রত্যাশা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি বাড়িতে শুক্রবার দুপুরে বিয়ের অনুষ্ঠানের অতিথি হিসেবে খাবার খেয়ে ২৮ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩ জন চাঁদপুর সদর হাসপাতালে এবং ২৫ জন লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুক্রবার (১৯ জানুয়ারী তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়) রাত ৯টার পর।
এদের মধ্যে ৩ জনের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ এলাকায় এবং ২৫ জনে বাড়ি রায়পুর উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নে।
তাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১৩ জন নারী ও ৯ জন শিশু রয়েছে।
তারা চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি বাড়িতে শুক্রবার দুপুরে বিয়ের অনুষ্ঠানের অতিথি হিসেবে খাবার গ্রহণ করেন। তারা সন্ধ্যার পর থেকে অসুস্থ হতে শুরু করেন। বমি এবং পাতলা পায়খানা করেন অনেকেই।
রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম জানান, তারা অসুস্থ হয়েছেন ফুড পয়জনিং বা খাদ্য বিষক্রিয়ায়। তবে কোন ধরনের খাদ্যে বিষক্রিয়া ছিল, এ চিকিৎসক সেটা নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি।
রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের হাসপাতালে ২৫ জন ভর্তি হয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর, তবে অনেকের অবস্থা ভালোর দিকে। ঠিক কোন খাবারের বিষক্রিয়া হয়েছে, সেটা আমরা নিশ্চিত নই। নমুনা ল্যাবেটরিতে পাঠালে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, একই খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে আরও ৩ জন ভর্তি রয়েছেন।
অসুস্থরা ধারণা করছেন, তারা অসুস্থ হয়েছেন বিয়ে বাড়ির দধি খেয়েই।
জানা যায়, লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের পাটওয়ারী বাড়ির তছলিম পাটওয়ারীর ছেলে মো. মানিকের সঙ্গে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের চর মান্দারী গ্রামের তফাদার বাড়ির তোফায়েল আহমেদের মেয়ের বিয়ে হয়। শুক্রবার বউ ভাতের অনুষ্ঠানে অংশ নেয় রব পক্ষের লোকজন।
বর মানিকের ভাই মো. মাসুম জানান, আমরা বর পক্ষের প্রায় ২০০ অতিথি নিয়ে কনে বাড়িতে গিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানের দুপুরের খাবার খাই। বিকেলে চলে আসি। এরপর আমাদের পক্ষের অন্তত ৫০ জন অতিথির বুমি এবং পাতলা পায়খানা শুরু হয়। তাদের মধ্যে ২৫ জনকে রায়পুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আবার অনেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বিভিন্নভাবে।
মন্তব্য করুন


স্থানীয়
সরকার বিভাগের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ দ্রুত, সাশ্রয়ী ও জনবান্ধবভাবে বাস্তবায়নের
নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, জনগণের কল্যাণই সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্য এবং জনগণের অর্থের
এক টাকাও যেন অপচয় না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার
(১৪ মে) সচিবালয়ে qস্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সিটি কর্পোরেশন
কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী
বলেন, প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্প জনগণের স্বার্থে গ্রহণ করা হয় এবং জনগণের অর্থেই বাস্তবায়িত
হয়। তাই প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে প্রকল্প ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে হবে।
তিনি
আরো বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি যেমন উজ্জ্বল হয়, তেমনি কোনো
ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি পুরো মন্ত্রণালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালকদের আরো দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
স্থানীয়
সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তা, বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকরা
উপস্থিত ছিলেন। সভায় চলমান প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি, ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ
কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায়
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার
পাশাপাশি জনসেবার মান বাড়াতে আধুনিক ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
নারী ফুটবল দল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দুবার শিরোপা জিতেছে। এবার দেড় কোটি টাকা দেওয়ার
ঘোষণা দিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
আজ
শনিবার (৯ নভেম্বর) বাফুফের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভা শেষে
সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মিডিয়া কমিটির প্রধান আমিরুল ইসলাম বাবু। সেখানেই সাবিনা-মারিয়া-তহুরাদের
দেড় কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাটি দেন তিনি।
এর
আগে সাফ শিরোপা জেতায় চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের ১ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল ক্রীড়া
মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকেও এসেছিল পুরস্কারের ঘোষণা।
মন্তব্য করুন


নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি সদ্য
বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হলেন। আগামী তিন বছরের
জন্য তিনি সেনাপ্রধানের দায়িত্ব সামলাবেন।
আজ রোববার (২৩ জুন) তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।
এর আগে ১১ জুন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ওয়াকার-উজ-জামানকে সেনাবাহিনী
প্রধান হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের শ্বশুর বীর মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজুর রহমানও
একসময় (১৯৯৭-২০০০) সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ওয়াকার-উজ-জামানকে চলতি বছরের শুরুতে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ
অফিসারের (পিএসও) দায়িত্ব থেকে সিজিএস করা হয়। তার আগে ২০২০ সালের নভেম্বরে মেজর জেনারেল
থেকে পদোন্নতি পেয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল হন ওয়াকার-উজ-জামান। তখনই তাকে সেনা সদর দপ্তরের
সামরিক সচিবের দায়িত্ব থেকে পিএসও করা হয়।
শেরপুরের সন্তান ওয়াকার-উজ-জামান ১৯৮৫ সালের ২০ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ দীর্ঘমেয়াদি
কোর্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক কোরে কমিশন পান। দীর্ঘ ৩৯ বছরের সামরিক
জীবনে তিনি একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন, একটি পদাতিক ব্রিগেড ও পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্ব
দিয়েছেন। স্কুল অব ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিকস ও সেনা সদর দপ্তরে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব
পালন করেছেন তিনি।
ওয়াকার-উজ-জামান সেনা সদর দপ্তরের সামরিক সচিবের দায়িত্ব পান ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি।
তার আগে তিনি নবম পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রিন্সিপাল
স্টাফ অফিসারও ছিলেন একসময়। দায়িত্ব পালন করেছেন অ্যাঙ্গোলা ও লাইবেরিয়ায় জাতিসংঘ শান্তি
মিশনেও, সিনিয়র অপারেশন অফিসার হিসেবে।
সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কমিশন পাওয়া ওয়াকার-উজ-জামান মিরপুরের ডিফেন্স
সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ ও যুক্তরাজ্যের জয়েন্ট সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড
স্টাফ কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘মাস্টার্স অব ডিফেন্স
স্টাডিজ’ এবং যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ থেকে ‘মাস্টার্স অব আর্টস ইন ডিফেন্স স্টাডিজ’
ডিগ্রি পান।
ব্যক্তিগত জীবনে ওয়াকার-উজ-জামানের সহধর্মিণী সারাহনাজ কমলিকা জামান। এই দম্পতির
ঘরে দুই কন্যা সন্তান (সামিহা রাইসা জামান এবং শাইরা ইবনাত জামান) রয়েছে।
ওয়াকার-উজ-জামান প্রয়াত
জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমানের জামাতা, যিনি ২৪ ডিসেম্বর ১৯৯৭ থেকে ২৩ ডিসেম্বর ২০০০
সাল পর্যন্ত সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মন্তব্য করুন


পদোন্নতি বঞ্চিত অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণের
আবেদন পর্যালোচনা কমিটি আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) তাদের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পেশ করেছেন।
কমিটি প্রধান জাকির আহমেদ খান কমিটির
অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়
প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদনটি পেশ করেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০০৯
সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়কালে চাকরিতে নানাভাবে বঞ্চনার শিকার এবং উল্লেখিত
সময়কালের মধ্যে অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাগণের আবেদন পর্যালোচনাপূর্বক সুপারিশ প্রণয়নের
জন্য সরকার গত ১৬ সেপ্টেম্বর সাবেক অর্থ সচিব এবং বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের সাবেক বিকল্প
নির্বাহী পরিচালক জাকির আহমেদ খানকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে।
কমিটি নির্ধারিত ৯০ দিনের পূর্বেই প্রতিবেদন
পেশ করায় কমিটির সদস্যদের প্রধান উপদেষ্টা ধন্যবাদ জানান।
প্রতিবেদনটি পেশ করার সময় প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


দেশজুড়ে নতুন শিক্ষাক্রমের পাঠ্যপুস্তকে ভুল-ত্রুটি ও অসঙ্গতি নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ক্ষোভ জানাচ্ছেন।
এসব সমালোচনা ও মতামতকে ইতিবাচকভাবে নিয়ে মূল্যায়ন করে পাঠ্যপুস্তকের ভুল-অসঙ্গতির সংশোধনী অতি দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর কথা জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
মঙ্গলবার বিকালে পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীসহ সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক প্রণীত ২০২৪ সালের বইয়ের বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা ও গভীর পর্যবেক্ষণে যেসব বিষয় উঠে এসেছে, তা আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। বছরের প্রথম দিনে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের সময় আমরা সব শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পাঠ্যপুস্তক সম্পর্কে কোনো পরামর্শ থাকলে তা অবহিত করতে অনুরোধ করেছিলাম। আপনারা আমাদের আহ্বানে তাৎপর্যপূর্ণ ইতিবাচক মতামত দিয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে একই সাথে আরো বলা হয়, আপনাদের এ তাৎপর্যপূর্ণ মতামত আন্তরিকতার সঙ্গে গ্রহণ করে বিদ্যমান পাঠ্যপুস্তক যৌক্তিকভাবে মূল্যায়ণপূর্বক সংশোধনীসমূহ অতি দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমে পাঠানো হবে। যারা আমাদের নানান তথ্য-উপাত্ত, যৌক্তিক বিশ্লেষণ এবং সঠিক উপস্থাপনার মাধ্যমে পাঠ্যপুস্তকের মানোন্নয়নে সহায়তা করছেন, তাদের প্রতি আমরা অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
মন্তব্য করুন