

২০২৫-২৬
অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থ উপদেষ্টা
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
বাংলাদেশের
ইতিহাসে ৫৪তম এবং অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের এই
প্রথম বাজেটটি দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন (জিডিপি)’র ১২.৭ শতাংশের সমতুল্য।
অর্থ
উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আজ বিকাল ৩টা থেকে বাজেট বক্তৃতা উপস্থাপন শুরু করেছেন।
বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে পূর্বে ধারণকৃত সম্প্রচারের মাধ্যমে
এটি প্রচারিত হয়।
মোট
বাজেটের মধ্যে পরিচালন ব্যয় ও অন্যান্য খাতে ৫,৬০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে
এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাবদ ২,৩০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান সকল ধর্মের মানুষের জন্য শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেছেন,
‘আমরা আজ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসেছি। এক কাতারে রয়েছি। এটিই আমাদের আবহমানকালের
ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ বিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে। মুসলমান
হিন্দু বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী কিংবা সংশয়বাদী আমরা সবাই মিলেই
ভালো থাকবো।’
আজ
শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল সোয়া ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন,
খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার, অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের সম্মানী দেওয়ার কার্যক্রমের
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
বগুড়ার
বায়তুল রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের ইমাম হোসাইন আহমেদ আবদুল্লাহর হাতে সম্মানীর চেক হস্তান্তরের
মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে আইবাস সিস্টেমে ‘সেন্ট বাটন’
প্রেস করে সম্মানীর টাকা নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেন, ‘আজ থেকে চালু হলো খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয়
গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি। যাদের প্রয়োজন সারাদেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে
এই সহায়তা দেয়া হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণী-পেশার মানুষ তথা প্রতিটি
নাগরিকের আর্থিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু
দিয়ে চেষ্টা করবে।'
নাগরিক
কিছু দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'নাগরিকদেরও কিন্তু রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি
কিছু দায় দায়িত্ব রয়েছে। নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র এবং সমাজের
প্রতি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি, আমি আশা করি, আগামী ১০ বছরে রাজনৈতিক এবং
অর্থনৈতিকভাবে আমরা একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পাবো ইনশাআল্লাহ।'
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, 'বিভিন্ন ধর্মের সম্মানিত নেতৃবৃন্দ খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সম্মানিত ভাতা
দেয়ার যে কর্মসূচি সরকার চালু করেছে, এই কর্মসূচির অধীনে প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং স্কিমের
আওতায় মোট ৪ হাজার ৯০৮ টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪ টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬ হাজার
৯৯২ জন মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে সবাইকে এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত
করা হবে। বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের জন্য সরকারের এইসব অর্থনৈতিক কর্মসূচি উদ্যোগের
মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নাগরিকদেরকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।'
দেশের
জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা কেউ মসজিদে কিংবা যার যার ধর্মীয়
উপাসনালয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেদেরকে বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে
সম্পৃক্ত করতে চাইলে আপনাদের সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নেও সরকার সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মিটিংয়ে একজন ইমাম, খতিব বা ধর্মীয় প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত
করা হবে। '
নাগরিকদের
দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'দেশের
প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের
দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, যাতে আর কোনো ফ্যাসিবাদ
কিংবা তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে। আমি বার বার একটি কথা
বলি, নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না।'
শহীদ
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় দেশে প্রথমবারের মতো'ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী'
চালু করা হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ মসজিদ রয়েছে।
আমরা সারাদেশের এই মসজিদগুলোকে ধর্মীয় সামাজিক এবং নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে
পরিণত করতে পারি। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় দেশে
প্রথমবারের মতো'ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী' চালু করা হয়েছিল।
তিনি
বলেন, '১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় দেশে 'মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা'
কার্যক্রম চালু হয়েছিল। বর্তমান সরকারও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের একটি নির্দিষ্ট হারে সম্মানী
ভাতা প্রদানের পাশাপাশি আপনাদের যোগ্যতাকে আরো কিভাবে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানো
যায় সেই পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।'
ধর্মীয়,
সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'অর্থনৈতিকভাবে
সমৃদ্ধ রাষ্ট্র মানুষের জীবনে হয়তো আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করে কিন্তু ধৈর্য,
সততা, কৃতজ্ঞতাবোধ, শ্রদ্ধা, আনুগত্য, সংহতি, সহনশীলতা, উদারতা, বন্ধুত্ব, বিনয়, দায়
কিংবা দয়া, এই সকল বৈশিষ্টগুলো অর্জন ছাড়া একজন ব্যক্তি মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন হয়ে
উঠতে পারে না। এ ধরনের মানবিক বৈশিষ্টগুলো অর্জনের জন্য ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে
উজ্জীবিত হওয়া জরুরি।''যার আমানতদারি নেই, যার কাছে নিরাপত্তা নেই, সে প্রকৃত ইমানদার
নয়। যার ওয়াদা ঠিক নেই, তার কোনো ধর্মই নেই' পবিত্র হাদিসের এই উক্তি টেনে প্রধানমন্ত্রী
বলেন, 'রাষ্ট্র ও সমাজ এবং পরিবেশ ও প্রতিবেশ থেকে অর্জিত আচরণ থেকেই মানুষ তার শুদ্ধ
জীবন এবং সুস্থ চিন্তার মানসিক নির্দেশনা পায়।'
তিনি
বলেন, 'প্রতিহিংসা এবং সহিংসতা' মুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে ধর্মের
এই উদারনৈতিক শিক্ষণীয় বক্তব্যগুলো অতুলনীয়। আমার বিশ্বাস, একটি নৈতিকতা সমৃদ্ধ মানব
সমাজের গঠনের জন্য প্রতিটি ধর্মেই এ ধরণের ইতিবাচক বার্তা রয়েছে। সুতরাং, একটি ধর্মীয়,
সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ মানসিকতা
তৈরীর ক্ষেত্রে আপনাদের মতো ধর্মীয় জ্ঞান সম্পন্ন মানুষদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, দুনিয়ার কল্যাণের পাশাপাশি আখেরাতের কল্যাণের জন্য প্রার্থনার কথা পবিত্র কোরআনে
কারীমে রয়েছে। ইহকালীন পরকালীন কল্যাণ বিষয়ক নির্দেশনা নিঃসন্দেহে অন্য ধর্মাবলম্বীদের
ধর্মীয় বিধিবিধান অনুযায়ীও নির্দেশিত রয়েছে। সুতরাং, ধর্মীয় বিধিবিধানের আলোকেই আপনারা
আপনাদের শিক্ষা-দীক্ষা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে কিভাবে আরো বেশি করে দেশ এবং জনগণের কল্যাণে
কাজে লাগাতে পারেন সেই চিন্তা এবং চেষ্টা অব্যাহত রাখাও জরুরি।
মন্তব্য করুন


আজ সোমবার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চার সদস্যদের প্রতিনিধি দল।
সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে এতে অংশ নেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, সেক্রেটারি মনিরা শারমিন এবং আইনি সহায়তাবিষয়ক উপকমিটির প্রধান জহিরুল ইসলাম মূসা।
এসময় সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে নির্বাচন নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন উদ্বেগ জানান এনসিপি নেতৃবৃন্দ। তাঁরা বলেন, গণভোটে “হ্যাঁ” এর পক্ষে এনসিপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা প্রচারণা করছেন।
এনসিপির নেতৃবৃন্দ নির্বাচন সম্পর্কিত কয়েকটি বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং নির্বাচনে যেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয় সে ব্যাপারে সরকারকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ ও পরামর্শ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারকে জানাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের ব্যবস্থা নেয়া যায়, সরকার তা নেবে। কেউ যেন আইন অমান্য না করতে পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের জন্যই লটারির মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনে রদবদল করা হয়েছে। এ নির্বাচনে কোনো পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই। এই নির্বাচন দেশের ভাগ্য নির্ধারণের নির্বাচন। এ নির্বাচন দেশ পাল্টে দেওয়ার নির্বাচন। এই নির্বাচন সুষ্ঠু হতেই হবে।’
অধিকাংশ কেন্দ্র জানুয়ারির মধ্যেই সিসি ক্যামেরার আওতাধীন আনা হবে বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা। এছাড়া ঝুঁকির আশঙ্কা আছে এমন কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরা থাকবে। কন্ট্রোল রুম থেকে এগুলো সব মনিটর করা হবে বলেও জানান তিনি।
গণভোটে “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে সরকার আইনসম্মতভাবেই প্রচারণা করছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট কেন দেওয়া প্রয়োজন, “হ্যাঁ” ভোট দিলে কী হবে আমরা তা জনগণকে বোঝানোর চেষ্টা করছি। এ ব্যাপারে সকল রাজনৈতিক দলকেও আহ্বান জানিয়েছি। এবারের নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে হয় এই দায়িত্ব সকলের- সরকার, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল- আমাদের সবার। এ ব্যাপারে সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা কামনা করছি,’ বলেন তিনি।
মন্তব্য করুন


আজ
বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান
নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন
আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের তারিখ রেখে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার
(সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
বৃহস্পতিবার
(১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন
তিনি। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে প্রচারিত
হয়। তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীদের মনোনয়পত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র
বাছাই ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল
দায়ের ১১ জানুয়ারি এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি।
প্রার্থিতা
প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচার
শুরু হবে ২২ জানুয়ারি, প্রচার শেষ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ১২ ফেব্রুয়ারি
সারা দেশে ৩০০ সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৬
লাখ ৯৫ হাজার ১৯৩ জন। প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটাররাও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ
পাচ্ছেন।
রাজনৈতিক
দল ও প্রার্থীদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, আসুন আচরণবিধি মেনে শান্তিপূর্ণ উৎসবমুখর নির্বাচন
করি। ভোটের আস্থা অর্জনই হোক আপনাদের লক্ষ্য। কমিশন স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব
পালনে বদ্ধপরিকর। কোনো শিথিলতা বা গাফিলতি সহ্য করা হবে না। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের
মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের
নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেয়। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১৬ মাসের মাথায়
জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগের দিন
বুধবার দুপুরে সিইসির নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনাররা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের
সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
মন্তব্য করুন


আওয়ামীলীগকে
নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবিতে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ
সমাবেশ। মানুষের ঢল নেমেছে বিক্ষোভ সমাবেশে।
আজ
শুক্রবার (৯ মে) জুমার নামাজের পর এই কর্মসূচি শুরু হয়। সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক
পার্টি (এনসিপি)।
দলটির
দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ নিজ বাসভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ
কর্মসূচির ঘোষণা দেন। এরপর বিক্ষোভকারীরা ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে অবস্থান নেয়।
রাজনৈতিক
দলের নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে সমাবেশে এসে অবস্থান নিচ্ছেন। আর এখনও অর্ধশতাধিক মানুষ
প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ চেয়ে বিক্ষোভ করে যাচ্ছেন।
আওয়ামী
লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে রাজধানী ঢাকার রাজপথ উত্তাল হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন,
রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। জুমার নামাজের পর থেকেই বিভিন্ন
এলাকা থেকে ছাত্র-জনতা ও রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে এসে
জড়ো হতে শুরু করেন। সময় বাড়ার সাথে সাথে মিছিলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে।
এর
আগে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার
সামনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে
বিদ্যমান আইনের নামকরণে ‘নিয়ন্ত্রণ’ শব্দটির বদলে ‘প্রকাশ্যে ব্যবহার নিষেধ’
শব্দটি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য তিনি জাতীয় সংসদে প্রস্তাব উত্থাপন করবেন। তিনি বলেন,
‘নিয়ন্ত্রণ’ শব্দটির মধ্যে একটি ঢিলেঢালা ভাব থাকে, যা ‘প্রকাশ্যে
নিষেধ’ শব্দটির মাধ্যমে কঠোর আইনি অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা
সম্ভব।
আজ
সোমবার (৯ মার্চ) সকালে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা সেমিনার কক্ষে
‘জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ: সরকারের সাফল্য, প্রতিশ্রুতি ও জনপ্রত্যাশা’
শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময়
মন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রণীত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ
(সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ কে আইনে পরিণত করার আশা প্রকাশ করেন।
তামাক বিরোধী সংগঠন ‘আত্মা’ (অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স)
এবং ‘প্রজ্ঞা’ (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
তথ্যমন্ত্রী
জহির উদ্দিন বলেন, সমাজে তামাকের ক্ষতিকর দিক নিয়ে সচেতনতা থাকলেও ডাক্তার গোলাম মহিউদ্দিন
ফারুকের উপস্থাপনায় উঠে এসেছে যে এখনো তামাকজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। মন্ত্রী বলেন,
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের আমলেই বাংলাদেশ তামাক নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক
চুক্তি এফসিটিসি-তে স্বাক্ষর করেছিল। তিনি বলেন, ‘আমি ২০০৫ সালে যখন সংসদ সদস্য ছিলাম,
তখনই ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন-২০০৫’
পাস হয়। আমি সেই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে গর্বিত।’
আসন্ন
সংসদ অধিবেশন প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ১২ মার্চ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু
হচ্ছে। সেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রণীত প্রায় ১৩০টি অধ্যাদেশ উপস্থাপিত হবে।
এর মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যাদেশ
রয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি, এই আইনটির নামকরণে ‘নিয়ন্ত্রণ’
শব্দের বদলে ‘প্রকাশ্যে ব্যবহার নিষেধ’ করার প্রস্তাব দেব। এটি আমার সংসদীয়
এজেন্ডার শীর্ষে রয়েছে।’
আইন
বাস্তবায়নের বিষয়ে তিনি ‘আত্মা’ ও ‘প্রজ্ঞা’-কে
একটি কার্যকর রূপরেখা বা গাইডলাইন তৈরির আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা সরকারের সহযোগিতার
জন্য একটি পূর্বপ্রস্তুতি সম্পন্ন করে রাখলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য তা বাস্তবায়ন
সহজ হবে।’
তথ্যমন্ত্রী
হিসেবে নিজের দায়বদ্ধতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আইনটি হওয়ার সাথে সাথেই একটি ‘পজিটিভ
ইকোসিস্টেম’ ডেভেলপ করার জন্য আমি একটি ‘ক্রিয়েটিভ ক্যাম্পেইন’
করার নির্দেশ আমার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দিয়ে রাখব। যাতে জনমত তৈরি হয় এবং আইন প্রয়োগকারী
সংস্থাও সহজে এটি প্রয়োগ করতে পারে।’
বর্তমান
সরকারের রাজনৈতিক দর্শনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতা দেশনায়ক তারেক রহমান
১৭ বছর পর দেশে ফিরে অতীতের আবেগ বা প্রতিহিংসার রাজনীতি না করে ‘ফিউচার হোপ’
বা আগামীর সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলছেন। আমাদের দল তামাকমুক্ত সমাজ গঠনের যে প্রতিশ্রুতি
দিয়েছে, আমরা তা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।’
অনুষ্ঠানে
অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, যুগান্তর সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার, এনটিভির
হেড অব নিউজ জহিরুল আলম, চর্চা ডট কম-এর সম্পাদক সোহরাব হোসেন, বাংলাদেশ ক্যান্সার
সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক প্রমুখ।
গোলটেবিল
বৈঠকে তামাকবিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা
উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন
মহান স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর পক্ষ থেকে এই পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর বশির, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরে আলম এবং টাউনহলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল কবিরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
স্বাধীনতার এই তাৎপর্যপূর্ণ দিনে শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
মন্তব্য করুন


আজ
(২ ফেব্রুয়ারি) কমলাপুরের বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে সাফ
অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে থাকলো
বাংলাদেশ। সাগরীকা দলের হয়ে জোড়া গোল করেছেন।
ম্যাচপূর্ববর্তী
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের কোচ সাইফুল বারী টিটু বলেছিলেন, ১ম ম্যাচে জয় নিশ্চিত
করে ফাইনালের পথে এগিয়ে থাকতে চান। পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করেছেন মাঠে।
ম্যাচের
শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে নেপালের বিপক্ষে আধিপত্য
বিস্তার করে খেলে পুরোটা সময়। এই ম্যাচে সাগরীকা নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কেড়েছেন।
ম্যাচের
৫ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশ। স্বপ্না রানির ফ্রি-কিক গোলরক্ষক ঝাপিয়ে রক্ষা
করেন। নেপালের গোলরক্ষক সুজাতাতামাংয়ের হাতে লেগে দিক বদলে বারে প্রতিহত হয়। ফিরতি
বলে মুনকি আক্তার বল জালে জড়াতে চেষ্টা করলেও তার শট ডিফেন্ডাররা আটকে দেন।
২
মিনিট বাদেই আবারও আক্রমণ শানায় বাংলাদেশ। বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন মুনকি আক্তার। তবে
নেপালের গোলরক্ষক এগিয়ে এসে তাকে থামান। ম্যাচের ১৪ মিনিটে বক্সের মধ্যে বল পান পূজা
দাস। তার মাটি কামড়ানো শট অল্পের জন্য পোষ্ট ঘেঁষে বেড়িয়ে গেলে এগিয়ে যাওয়া হয়নি বাংলাদেশের।
১৮ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেয়া পূজার বা পায়ের
শট ক্রসবার ঘেষে বেড়িয়ে যায়।
৩৮
মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। গোলকিক থেকে বল পান স্বপ্ন রানী। তার হেডে বক্সের
কাছাকাছি ২ ডিফেন্ডারের মাঝে বল পান সাগরীকা।
২ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে আগুয়ান গোলরক্ষকের উপর দিয়ে চিপ শটে বল জালে জড়ান সাগরীকা।
ব্যবধান
২গুন করতে সময় নেয়নি বাংলাদেশ ৪২ মিনিটে মুনকি আক্তারের দর্শনীয় গোলে ২-০ গোলের লিড
নেয় বাংলাদেশ। বক্সের ভেতর বল ক্লিয়ার করতে এগিয়ে আসেন নেপালের গোলরক্ষক সুজাতা। তবে
তার ক্লিয়ার করা বল পান ইতি খাতুন; ক্রস দেন মুনকি আক্তারকে। তিনি বুদ্বিদীপ্ত শটে
গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে বল জালে জড়ান। প্রথমার্ধে
ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো বাংলাদেশের। প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ।
বক্সের ভেতর সাগরীকাকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। পেনাল্টি থেকে গোল
করতে পারেননি আফঈদা খন্দকার। তার শট পোস্টে লাগে। তবে ফিরতি বলে শট নেন সাগরিকা। তবে
নেপালের গোলরক্ষক সুজাতা গ্লাভস বন্দী করেন। শেষ পর্যন্ত ২ গোলের লিড নিয়েই বিরতীতে
যেতে হয় সাইফুল বারী টিটুর শিষ্যদের।
দ্বিতীয়ার্ধে
আক্রমণের ধার বাড়ায় ২ দলই। ৫২ মিনিটেই এক গোল শোধ করে ম্যাচে ঘুড়ে দাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়
নেপাল। সুকরিয়া মিয়ার গোলে ব্যবধান কমায় নেপাল। তবে লিড বাড়িয়ে নিতে খুব বেশি সময় নেয়নি
বাংলাদেশ। ৫৬ মিনিটে সাগরিকার গোলে ব্যবধান ৩-১ করে সাইফুর বারী টিটুর শিষ্যরা।
পরের
ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত।
মন্তব্য করুন


আগামী
৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে বাতিল হওয়া শেরপুর-৩ আসনের
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র
জানায়, এ দুই আসনে ৯ এপ্রিল ভোট হতে পারে। এ বিষয়ে বিকেলে তফসিল ঘোষণা করে বিস্তারিত
জানানো হবে।
এই
দুই আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকছে বলে জানা গেছে।
ইসি
কর্মকর্তারা জানান, বগুড়া-৬ আসন বিএনপি চেয়ারম্যান ছেড়ে দেওয়ায় শূন্য হয়। তাই সেখানে
উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর ভোটের আগে শেরপুর-৩ আসনের একজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় সেই
আসনের ভোট বাতিল করে ইসি। সেখানেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


সড়ক,
রেলপথ, নৌপরিবহন এবং সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ঢাকা বরিশাল
মহাসড়ক, দুই লেনের রাস্তা। ভাঙা থেকে বরিশাল পর্যন্ত যে রাস্তা এটায় চলাচল করা গেলেও
আরও প্রশস্ত করা দরকার। এটা সরকার উপলব্ধি করে, আমরাও উপলব্ধি করছি। আর এবার এসে সরাসরি
দেখে গেলাম।
দ্রুত
কীভাবে কাজটা শুরু করা যায় সেই পরিকল্পনা সরকারের আছে, দ্রুত আপনারা সুখবর পাবেন।
বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার, এ সরকার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায়। বিশেষ করে
অবকাঠামোগত উন্নয়ন ছাড়া একটি জাতি সমৃদ্ধ হতে পারে না। অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত
হয়।
মঙ্গলবার
(১৭ মার্চ) দুপুরে বরিশালের বাকেরগঞ্জের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত গোমা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠানে
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রীর
ভাষ্য, সব গণমাধ্যম রিপোর্ট করছে, কোনো অভিযোগ নেই, ভাড়া বাড়ছে না। স্বস্তিতে মানুষ
যাচ্ছে, খুব বেশি যানজট বা অব্যবস্থাপনা সড়কে নেই। মনে রাখতে হবে, মাত্র ২/৩ দিনের
মধ্যে দেড় কোটি লোক ঢাকা ছাড়ছে। তাদের যাত্রাটা স্বস্তিদায়ক করা চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু
আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে যে প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি, তাতে আমরা নিশ্চিত যে যাত্রীরা
স্বস্তিতে, স্বাচ্ছন্দ্যে আরামদায়ক যাত্রার মাধ্যমে স্বজনদের কাছে যাবে।
শেখ
রবিউল আলম আরও বলেন, গোমা সেতু এই এলাকার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় ২৮৩ মিটারের
মতো দূরত্ব সেতুটির। আমার বিশ্বাস এই অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের জন্য এ সেতু একটি
যুগান্তকারী ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এসময়
সড়ক ও রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি,
বরিশাল-৬ আসনের সাংসদ আবুল হোসেন খানসহ সড়ক বিভাগ ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা
উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত,
রাঙ্গামাটিয়া নদীর ওপর নির্মিত গোমা সেতুর কাজ শেষ হয়েছে প্রায় ৯ বছর পর। সেতুটির
দৈর্ঘ্য ২৮৩ দশমিক ১৮৮ মিটার ও প্রস্থ ১০ দশমিক ২৫ মিটার। মঙ্গলবার উদ্বোধনের পর সেতুটি
যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সেতুটি চালু হওয়ায় বরিশালের বাকেরগঞ্জের সঙ্গে
পটুয়াখালীর দুমকির সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। দুই জেলার প্রত্যন্ত এলাকার
অন্তত পাঁচ লাখ মানুষের যাতায়াত ভোগান্তি লাঘব হয়েছে এ সেতুর মাধ্যমে। যাতায়াতের
সময়ও কমে আসবে প্রায় দুই ঘণ্টা।
২০১৭
সালে ৫৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে তিন বছর মেয়াদি প্রকল্প হিসেবে সেতুটি অনুমোদন পায়।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে
কাজ শেষ হয়নি। শুরুতেই উচ্চতা নিয়ে আপত্তি তোলে বিআইডব্লিউটিএ। তাদের দাবি ছিল, নদীপথ
সচল রাখতে সেতুর উচ্চতা আরও বাড়াতে হবে। প্রথম নকশায় সেতুর মাঝ বরাবর সর্বোচ্চ জোয়ারের
সময় উচ্চতা ধরা হয়েছিল ৭ দশমিক ৬২ মিটার, পরে তা বাড়িয়ে ১২ দশমিক ২০ মিটার করা
হয়। এই পরিবর্তনের কারণে পুরো নকশাই সংশোধন করা হয়। নতুন নকশায় সেতুর মাঝে স্টিল
ট্রাস স্প্যান যুক্ত করতে হয়। নকশা পরিবর্তন, জমি অধিগ্রহণ ও নদী শাসনের কাজ যুক্ত
হওয়ায় প্রকল্পটির সময়সীমা পাঁচবার বাড়ানো হয়। সংশোধিত প্রকল্পে সেতুর ব্যয় দাঁড়ায়
৯২ কোটি ৪৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা, যা প্রাথমিক ধারণার তুলনায় ৬০ শতাংশ বেশি।
মন্তব্য করুন


আগামী সপ্তাহে সারা দেশ থেকে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বা বর্ষা বিদায় নিতে পারে।
বুধবার (৯ অক্টোবর) আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ জানায়, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
বর্ধিত ৫ দিনে দক্ষিণপশ্চিম মৌসুমি বায়ু (বর্ষা) সারা দেশ থেকে বিদায় নিতে পারে এবং বৃষ্টিপাতের প্রবণতা হ্রাস পেতে পারে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার (১১ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন