

শহীদ শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে তার রুহের মাগফেরাত কামনায় ঝালকাঠিতে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার
বাদ জোহর শহরের কেন্দ্রীয়
ঈদগাহ মাঠে এ গায়েবানা
জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন মসজিদ
থেকে আগত বিপুল সংখ্যক
মুসল্লি এতে অংশ নেন।
জানাজা শেষে মরহুম শরীফ
ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া
ও মোনাজাত করা হয়। এ
সময় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা হাদি হত্যার সুষ্ঠু
তদন্ত, দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির
দাবি জানান। গায়েবানা জানাজায় স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
শরিফ
ওসমান হাদির অকাল মৃত্যু শুধু
তার পরিবার কিংবা সহকর্মীদের জন্য নয়, বরং
পুরো সমাজের জন্যই এক অপূরণীয় ক্ষতি
বলে মনে করছেন জানাজায় অংশগ্রহণকারীরা।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ড সবুজ সংকেত দিলেই
ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে কাতারের রয়েল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স।
বিএনপি
চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে
কাতারের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তিনিই এই বিষয়ে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করছেন।
এনামুল
হক চৌধুরী বলেন, ‘ম্যডামের মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে কাতারের রয়েল অ্যাম্বুলেন্স
বাংলাদেশ আসবে। তারা এখন সেইভাবে প্রস্তুত আছেন। মেডিকেল বোর্ড যখনই সিদ্ধান্ত জানাবে
তখনই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে এবং বেগম জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার
জন্য লন্ডন নিয়ে যাবে। সবকিছুই কাতার কর্তৃপক্ষ অ্যারেজমন্ট করেছে।’
জার্মানি
থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আনার বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা নই, কাতার
কর্তৃপক্ষই জার্মানি থেকে একটি অত্যাধুনিক এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের অ্যারেজমেন্ট করে দিচ্ছে।
এনামুল
হক জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জন্য রয়েল কর্তৃপক্ষের
তত্ত্বাবধায়নে সবকিছু করা হচ্ছে। এখানে আমাদের কিছু নেই।
বিএনপি
চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শারীরিক অবস্থা আগের মতই আছে। মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা ক্রিটিক্যাল
কেয়ার ইউনিটে বেগম খালেদা জিয়াকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন।
একাধিক
চিকিৎসকের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, বিএনপি চেয়ারপারসন এখনও ফ্লাই করার সক্ষমতা অর্জন
করেননি। সেজন্য লন্ডন যাত্রা বিলম্ব হচ্ছে।
তারা
আরও জানান, গত দু’দিনে মেডিকেল বোর্ড কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা
করেছে। সেগুলোর প্রতিবেদনও তারা পর্যালোচনা করছেন। গতকাল (শুক্রবার) দু’দফা
মেডিকেল বোর্ডের বৈঠক হয়। প্রতিদিনই বোর্ডের সভায় খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার নিয়মিত
প্রতিবেদনগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
গত
২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চকিৎসাধীন আছেন বেগম খালেদা জিয়া।
অধ্যাপক
শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে একদল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড তাঁর
চিকিৎসা দিচ্ছে। তারেক রহমানের সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমানও সেই বোর্ডের সদস্য।
বেগম
খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন নিয়ে যেতে শুক্রবার ডা. জুবাইদা ঢাকায় এসে
পৌঁছান।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে জাপান সরকারের অফিসিয়াল বিনিয়োগ ও বানিজ্য উন্নয়ন সংস্থা - জাপান এক্সর্টানাল ট্রেড অগ্রানাইজেশন এর একটি প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
আমীরে জামায়াতের বসুন্ধরার কার্যালয়ে বৈঠকটি আন্তরিকতা ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাপান এক্সর্টানাল ট্রেড অগ্রানাইজেশন (Japan External Trade Organization- JETRO) এর কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ মি. কাজুইকি কাতাওকা, সুমিতোমো কর্পোরেশন এশিয়া অ্যান্ড ওশেনিয়া প্রাইভেট লিমিটেড (Sumitomo Corporation Asia & Oceania Pte. Ltd.) এর কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার ও ঢাকাস্থ জাপানি কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন মি. হিরোনোরি ইয়ামানাকা, ঢাকাস্থ জাপানি কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (Dhaka Shoo-Koo-Kai) এর প্রেসিডেন্ট মি. মানাবু সুগাওয়ারা ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মি. হিরোনোরি ইয়ামানাকা, মারুবেনি করপোরেশন এর কান্ট্রি হেড মি. সুগাওয়ারা মানাবু। আরও উপস্থিত ছিলেন জেট্রো (JETRO) ঢাকা অফিসের সিনিয়র ডিরেক্টর জনাব শরিফুল আলম ও এসিসট্যান্ট ম্যানেজার ইশরাত জাহান।
বৈঠকে আমীরে জামায়াত বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসাবে জাপান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিদেশী বিনিয়োগ স্বাগত জানায়।
জাপান প্রতিনিধি দল আমীরে জামায়াতকে জানান যে, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় তিনশত এর অধিক প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসায়ীক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
আমীরে জামায়াত জাপানী প্রতিনিধি দলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশে জাপানের বিনিয়োগ আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আইবিডব্লিউএফ’র প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান সারাদেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ
বুধবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
সভাপতিত্বে আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত সেল-এর সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায়
সেলের কার্যক্রমের সর্বশেষ অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বাসস’কে জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সারাদেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদার করতে বলেছেন।
তিনি
জানান, সভায় সারাদেশে আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্ম-পরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে
আলোচনা হয়েছে।
অতিরিক্ত
প্রেস সচিব আরও জানান, সরকারি নার্সারি ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি নার্সারি থেকে চারা
সংগ্রহ করা হবে। সারাদেশে খাসজমি, চরাঞ্চল, নদীর দুই পাড়, সড়ক-মহাসড়কের দুই পাশ, বনাঞ্চলে
যেখানে বৃক্ষ নেই সেসব স্থান, সরকারি প্রতিষ্ঠানের আঙ্গিনা প্রভৃতি স্থানে এসব বৃক্ষরোপণ
করা হবে। প্রতি শিক্ষার্থী একটি করে বৃক্ষরোপণ করবে এবং সেই বৃক্ষ তারা পরিচর্চা করবে।
বৈঠকে
বন ও পরিবেশ মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, মন্ত্রি পরিষদ
সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারসহ সরকারের উর্ধ্বতন
কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘদিন
পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনে
ধানের শীষের প্রার্থী তারেক রহমান।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ১২ ফেব্রুয়ারি ) সকাল সাড়ে ৯টার পর রাজধানীর গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড
কলেজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জয়ের ব্যাপারে দৃঢ়
আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তারেক
রহমান বলেন, বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের মানুষ এই দিনটির জন্য অপেক্ষা
করছিলেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে
একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবেন।
সারা
দেশ থেকে গত রাতে পাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী কঠোরভাবে সেসব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যা তার কাছে আশাব্যঞ্জক
বলে মনে হয়েছে।
তিনি
ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়ে বলেন,
মানুষ যদি সারাদিন ভোটকেন্দ্রে এসে তাদের অধিকার প্রয়োগ করেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ যে
কোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব।
নির্বাচনের
ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তারেক রহমান দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, তিনি এবং তার দল জয়ের ব্যাপারে
আশাবাদী।
নির্বাচনে
বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার
দেওয়ার কথা জানান। তার ভাষায়, সাধারণ মানুষ যাতে দেশে নিরাপদ বোধ করেন, সেটিই হবে আমাদের
প্রধান লক্ষ্য।
নারীর
অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দেশের
মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। নির্বাচনী ইশতেহার
অনুযায়ী নারীর যথাযথ মূল্যায়ন ও ক্ষমতায়নের কাজ প্রথম দিন থেকেই শুরু করা হবে।
ভোটের
পরিবেশ কেমন দেখছেন বা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কিনা—এমন
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনই মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। আরও কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণ
করার পর হয়তো বলতে পারব।
সবাইকে
সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর ও স্থিতিশীল আগামীর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নতুন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান মনে করিয়ে দিয়েছেন, গণমাধ্যমকে নির্বাচনের সময় প্রপাগান্ডা, ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকে দূরে থেকে শুধু যাচাই করা তথ্যই পরিবেশন করতে হবে।
আজ রোববার (১৪ ডিসেম্বর) তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, “বিভ্রান্তিমূলক তথ্য নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এজন্য গণমাধ্যমকর্মীদের সর্বদা সতর্ক থাকা প্রয়োজন।”
উপদেষ্টা আরও জানান, সরকার একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম চায় যা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করবে। “গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং তথ্যের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করাই সরকারের লক্ষ্য,” তিনি বলেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সতর্কতা, নৈতিকতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার গুরুত্বও উল্লেখ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার সঠিক তথ্য প্রচারের জন্য গণমাধ্যমকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে এবং স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে একটি বিশ্বাসযোগ্য মিডিয়া পরিবেশ গড়ে উঠবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) নূর মো. মাহবুবুল হক, অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রচার ও প্রেস) ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলম এবং মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। নব নিযুক্ত উপদেষ্টাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
মতবিনিময় শেষে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক প্রশ্নের জবাব দেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে
স্টারলিংক সফলভাবে চালু করার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রশংসা
করেছেন স্পেসএক্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ার।
আজ
শুক্রবার (১৮ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনুসের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
লরেন
ড্রেয়ার বলেন, আমরা ১৫০টি দেশ ও অঞ্চলে কাজ করি। আমরা এত দক্ষতা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত
গ্রহণ আগে কখনও দেখিনি। স্পেসএক্স-এর সব সহকর্মীর পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই।
আমরা আপনার লোকজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় আছি।
প্রধান
উপদেষ্টা বাংলাদেশ সফরের জন্য ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,
এখন বর্ষাকাল, দেশের এক মনোরম সময়। সুন্দর পরিবেশ। চারদিকে সবুজ আর পানি। কিন্তু বন্যা
ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির বাস্তবতাও আছে। সেজন্য আমাদের ভালো কানেক্টিভিটির স্বার্থে
নির্ভরযোগ্য প্রযুক্তির প্রয়োজন।
তিনি
আরও বলেন, আমাদের পার্বত্য অঞ্চলের দূরবর্তী এলাকাগুলোতে উন্নত কানেক্টিভিটির বিশেষ
প্রয়োজন। এসব অঞ্চলে ভালো স্কুল শিক্ষক ও ডাক্তার নেই। আমরা ১০০টি স্কুলে অনলাইন শিক্ষা
চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছি, যা বিচ্ছিন্ন এলাকার শিক্ষার্থীদের উপকারে আসবে।
অন্তর্ভুক্তিমূলক
স্বাস্থ্যসেবার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবাকে
অগ্রাধিকার দিচ্ছি, যাতে দূরবর্তী এলাকার মানুষ অনলাইনে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে পারে।
তাদের চিকিৎসার ইতিহাস ডিজিটালি সংরক্ষিত থাকবে, এর ফলে ভবিষ্যতে পরামর্শ দেয়া সহজ
হবে।
তিনি
বলেন, এটি প্রেগনেন্সি পিরিয়ডে খুব কার্যকর ভূমিকা রাখে। নারীদের এ সময় ডাক্তারের কাছে
যাওয়ার জন্য আরেকজন সহযোগীর প্রয়োজন হয়। ডিজিটাল হেলথ সেবা হলে তারা ঘরে বসেই ডাক্তার
দেখাতে পারবেন।
প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস উল্লেখ
করেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরাও ডিজিটাল হেলথ সেবা থেকে উপকৃত হবেন।
তিনি
বলেন, প্রবাসীরা ভাষার কারণে অনেক সময় ডাক্তারের কাছে যেতে অস্বস্তিতে ভোগেন। কী বলবেন-এটা
নিয়ে ভাবেন। তবে ডিজিটাল হেলসথ সেবা হয়ে গেলে বিদেশ থেকেই বাংলাদেশের ডাক্তারের সাথে
তারা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শের জন্য কথা বলতে পারবেন।
প্রধান
উপদেষ্টা লরেন ড্রেয়ারের উদ্দেশে বলেন, আমরা এখানে ছোট ছোট যে উদ্যোগ নিচ্ছি, আপনারা
এগুলোকে বৈশ্বিক পরিসরে নিয়ে যেতে পারেন।
লরেন
ড্রেয়ার অধ্যাপক ইউনুসের আইডিয়ার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আপনি যে দৃষ্টান্ত তৈরি
করছেন, তা নিয়ে অন্য নেতাদের সঙ্গে আমরা কথা বলতে পারি। আমরা বলবো-অধ্যাপক ইউনূস যদি
নিজের দেশে এগুলো করতে পারেন, তাহলে আপনারাও আপনার দেশে করতে পারেন।
তিনি
দুর্নীতির বিরুদ্ধে অধ্যাপক ড. ইউনূসের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
স্পেসএক্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, সরকারি সেবাগুলো দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে আপনি যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমি প্রায়ই বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করি, তাই জানি দুর্নীতি কীভাবে একটি গুরুতর সমস্যা হতে পারে। প্রযুক্তির মাধ্যমে সেবা বিকেন্দ্রীকরণ এবং সুশাসন নিশ্চিত করা একটি অর্থবহ দৃষ্টিভঙ্গি।
বৈঠকে
উপস্থিত ছিলেন, স্পেসএক্সের গ্লোবাল এনগেজমেন্ট কনসালট্যান্ট রিচার্ড গ্রিফিথস, বাংলাদেশের
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি
বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এবং বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী
আশিক মাহমুদ বিন হারুন প্রমুখ।
(সূত্র-
বাসস)
মন্তব্য করুন


ঢাকা-৯ সংসদীয়
আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা
করা হয়েছে।
আজ শনিবার বেলা
১১টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঢাকা জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম এ ঘোষণা দেন।
এতে তাৎক্ষনিক
প্রতিক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন তাসনিম জারা।
দুজনের স্বাক্ষর
নিয়ে সমস্যা থাকায় মনোনয়ন বাতিল ঘোষণার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একজন জানতেন তিনি
ঢাকা-৯ এর ভোটার। কিন্তু জানার উপায় ছিল না তিনি এই আসনের ভোটার না।’
তাসনিম জারা আরও বলেন, ‘আরেকজন যার ব্যতিক্রম এসেছে তার কাছে যে জাতীয় পরিচয়পত্রের
কপি রয়েছে, তাতে তিনি ঢাকা-৯ এর ভোটার। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বলছে তিনি এই আসনের ভোটার
নন।’
স্বাক্ষরকারী দুজনের জানা না থাকায় এমনটা হয়েছে জানিয়ে তাসনিম জারা বলেন, ‘তাদের
জানা ছিল তারা ঢাকা-৯ আসনের ভোটার। সে অনুযায়ী স্বাক্ষর দিয়েছেন। আর নির্বাচন কমিশনও
ভোটারদের আসন জানার কোনো উপায় রাখেনি।’
গত ২৯ ডিসেম্বর তাসনিম জারা ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র
জমা দেন।
তফসিল অনুযায়ী গত ২৯ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন। ৪ জানুয়ারির মধ্যে
বাছাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর প্রার্থিতা নিয়ে আপত্তি থাকলে ৫ থেকে ৯
জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করা যাবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয়
সংসদ ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
হলফনামার তথ্য
অনুযায়ী, ডা. তাসনিম জারা পেশায় একজন চিকিৎসক। চাকরি থেকে তার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩
হাজার ৩৩৩ টাকা।
এ ছাড়া দেশের
বাইরে তার আয় রয়েছে ৩ হাজার ২০০ ব্রিটিশ পাউন্ড। তিনি আয়কর হিসেবে পরিশোধ করেছেন ৩৪
হাজার ৫৭ টাকা।
মন্তব্য করুন


সরকারি
চাকরিজীবীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই লম্বা ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে পবিত্র
শবেবরাত পালিত হবে। সে উপলক্ষে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি
ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরের দিন ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার)।
এ
অবস্থায় কেবল এক দিনের ছুটি নিলেই টানা চার দিনের ছুটি কাটানো যাবে। কেননা এর পরের
দুদিন যথাক্রমে ৬ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) ও ৭ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি। সুতরাং
মাত্র এক দিনের ছুটি নিলেই সরকারি চাকরিজীবীরা টানা চার দিনের ছুটি কাটাতে পারবেন।
এদিকে,
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ক্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সে
উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এর পরের দুদিন ১৩ ও ১৪
ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। অর্থাৎ এখানে মিলছে টানা চার দিনের
ছুটি।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামী
১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
আর
১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের
দিন সাধারণ ছুটি থাকবে, যা আগেই ঘোষণা করা হয়।’
অন্যদিকে,
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, চলতি বছরে
মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি ও ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্র
ও শনিবারে পড়েছে। এ ছাড়া ২০২৬ সালে ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটি নির্ধারিত হয়েছে।
সে
অনুযায়ী মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫ দিন; হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৯ দিন; খ্রিস্টান
ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৮ দিন; বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর
সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামী ১২ তারিখের
নির্বাচন যাতে কেউ বানচাল করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, সবাইকে সজাগ
থাকতে হবে। জনগণ যদি ১২ তারিখে সতর্ক থাকে তাহলে ১৩ তারিখ থেকে শুরু হবে জনগণের দিন
ইনশাআল্লাহ। এই বাংলাদেশে ১৩ তারিখ থেকে হবে জনগণের দিন। জনগণের প্রত্যাশা, জনগণের
আশা, জনগণের আকাঙ্ক্ষা, যে সকল আছে সেসব বিষয়ের কাজগুলো ধীরে ধীরে পর্যায়ক্রমিকভাবে
শুরু হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক
মাদরাসা মাঠে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক
রহমান।
তারেক রহমান বলেন, একটি মহল ষড়যন্ত্র শুরু করছে। ভেতরে
ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে। কীভাবে এই নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যায়, কীভাবে বাধাগ্রস্ত
করা যায়।
তিনি আরও বলেন, বেকারদের কর্মসংস্থানের সমস্যার সমাধানের
কাজ শুরু হবে, মা-বোনদের ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু হবে, কৃষক ভাইদের কৃষক কার্ডের
কাজ শুরু হবে, পদ্মা ব্যারেজের কাজ আমরা শুরু করব। কৃষি লোন মওকুফের কাজ শুরু করব।
এই কাজগুলো হচ্ছে জনগণের কাজ। এই কাজগুলো ইনশাআল্লাহ ১২ তারিখে ধানের শীষ জয়যুক্ত করলে
পরে ইনশাআল্লাহ ১৩ তারিখ থেকে শুরু হবে জনগণের জয়যাত্রা।
এ সময় রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিএনপির প্রার্থীদের
পরিচয় করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেকের হাতে আমি ধানের শীষ তুলে দিয়ে গেলাম। এখন আপনাদের
দায়িত্ব হচ্ছে ১২ তারিখ পর্যন্ত এদেরকে দেখে রাখা। ১২ তারিখে ইনশাআল্লাহ ভোট দিয়েন।
যখন আপনারা জিতিয়ে আনবেন তখন ১৩ তারিখ থেকে এদের দায়িত্ব হচ্ছে আপনাদেরকে দেখে রাখা।
জনসভায় সভাপতিত্ব করবেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি
মামুন-অর-রশিদ।
সঞ্চালনায় ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক
মাহফুজুর রহমান রিটন।
মন্তব্য করুন


দেশে
ফেরার পর সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটি
ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার
(২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১টা ৫০ মিনিটের দিকে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ পোস্টটি প্রকাশ
করা হয়।
পোস্টে
তারেক রহমান দেশে ফেরার সময় পাওয়া শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও সহযোগিতার জন্য সর্বস্তরের
মানুষ, দলীয় নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ফেসবুক
পোস্টটি প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে
পড়ে। নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মন্তব্য ও শেয়ার দিয়ে তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।
দলীয়
সূত্র জানায়, তারেক রহমানের এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশকে দেশে ফেরার পর তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক
প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন