

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির ডাকা সমাবেশে
যোগ দিতে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার
পর থেকে নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে আসতে শুরু করেন।
এদিন দুপুর ২টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয়
কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা ছিলো। তবে দুপুর দুইটার সময় অনুষ্ঠানিকভাবে
শুরু হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর কাকরাইল,
নাইটিংগেল মোড়, মৎস্যভবন, পল্টন, ফকিরাপুল, আরামবাগে নেতাকর্মীরা মিছিল করছেন। তারা
বিভিন্ন ইউনিট থেকে ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে স্লোগান দিচ্ছেন। নেতাকর্মীদের
মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য
দেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি হিসাবে থাকবেন দলটির
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
সংসদ নির্বাচনে মর্যাদাপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.
শফিকুর রহমানকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
শনিবার ( ১৪ ফেব্রুয়ারি ) এক বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা জামায়াত আমিরের উদ্দেশে বলেন,
‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীদের সক্রিয় ও ব্যাপক
অংশগ্রহণ, দৃঢ় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পরবর্তী সময় নির্বাচনের ফলাফলকে শান্ত ও মর্যাদাপূর্ণভাবে
গ্রহণ করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
তিনি
বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারপর্ব থেকে শুরু করে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী সময় পর্যন্ত আপনার
রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সংযম, দায়িত্বশীল বক্তব্য এবং কর্মীদের প্রতি শান্তিপূর্ণ আচরণের
আহ্বান দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।’
তিনি
বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালনকালে আপনার দল যে গঠনমূলক সমর্থন, পরামর্শ
ও সহযোগিতা প্রদান করেছে, তার জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। বৈশ্বিক অর্থনীতি,
প্রযুক্তিগত রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের
প্রশ্নে আমাদের সামনে বহু চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রকে
আরো শক্তিশালী, অংশগ্রহণমূলক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুসংহত করতে হলে সরকার ও বিরোধী দল—উভয়েরই
দায়িত্বশীল ও নীতিনিষ্ঠ ভূমিকা অপরিহার্য।’
তিনি
বলেন, ‘আমি প্রত্যাশা করি, আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি গঠনমূলক
ও দায়িত্বশীল বিরোধী শক্তি হিসেবে জাতীয় সংসদ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা পালন
করবে।
নীতিগত
বিতর্ক, আইন প্রণয়নে পরামর্শ, জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরা এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা
নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি সুস্থ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে—এমনটাই
আমাদের আকাঙ্ক্ষা।’
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘জাতীয় ঐক্য সুসংহত করতে আপনি অতীতে যে ভূমিকা রেখেছেন ভবিষ্যতের দিনগুলোতে
তা অব্যাহত রাখবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি। আমি মহান আল্লাহ
তায়ালার কাছে আপনার ব্যক্তিগত সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ের (৩০০ ফিট এলাকা) সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছেছেন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় লাখ লাখ নেতাকর্মী তাকে অভিবাদন জানান। তিনিও
হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের অভিবাদনের জবাব দেন।
বৃহস্পতিবার
(২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ৩টা ৫০ মিনিটে সংবর্ধনাস্থলের মঞ্চে ওঠেন তিনি।
এর
আগে, কড়া নিরাপত্তায় বিমানবন্দর থেকে ৩০০ ফিটের সংবর্ধনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেন তারেক
রহমান। সবার আগে বাংলাদেশ' ব্রান্ডিংয়ে লাল-সবুজের একটি বাসে করে সেখানে পৌঁছান তিনি।
এ সময় রাস্তার দুই পাশে নেতাকর্মীরা তাকে অভিবাদন জানান।
এদিকে,
বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে বাসে ওঠার পূর্বে তারেক রহমান জুতা খুলে মাটিতে পা রাখেন এবং
হাতে এক মুঠো মাটি নেন।
এর
আগে, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে সপরিবারে দেশে পৌঁছান তারেক রহমান। এ সময় তার
সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
প্রসঙ্গত,
রাজধানীর পূর্বাচলের জুলাই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেয়ার পর মা খালেদা জিয়াকে দেখতে
এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে দুটি পৃথক স্ট্যাটাসে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন এবং তার জীবনের সংগ্রামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
একটি পোস্টে কনকচাঁপা উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়াকে “দেশজুড়ে কোটি কোটি সন্তান” মনে করেন। সোমবার আরও একটি সংক্ষিপ্ত স্ট্যাটাসে তিনি জানিয়েছেন, “ফি আমানিল্লাহ! খালেদা জিয়াকে আইসিইউতে ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছে। আল্লাহর রহমতের জন্য দোয়া করুন।” এই পোস্টের পরে অনেকেই খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া জানিয়েছেন।
এর আগে কনকচাঁপা দীর্ঘ একটি পোস্টে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, ব্যক্তিগত সংগ্রাম এবং কারাবাসের সময়ের কঠিন অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেছিলেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, ছোট বয়সে পরিবার হারানো, রাজনীতির চূড়ান্ত সময়ের গ্রেফতার, মিথ্যা মামলায় কারাগার, স্লো পয়জনিংয়ের ভয় এবং মৃত্যুভয়—সব পরিস্থিতিতেই খালেদা জিয়া ছিলেন অবিচল ও সাহসী।
কনকচাঁপা আরও বলেন, “অসুস্থ সন্তানের কাছে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকলেও দেশের মানুষকে ভেবে তিনি তা ত্যাগ করেছেন। গুরুতর অসুস্থতা সত্ত্বেও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার প্রস্তাবও গ্রহণ করেননি। তিনি শুধু তার সন্তানের মা নন, সারা দেশে কোটি কোটি মানুষের প্রিয় সন্তান।”
মন্তব্য করুন


রোববার (১২ নভেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টায় কুমিল্লার লাকসাম পৌরসভার গন্ডামারা এলাকায় ট্রাক চাপায় ইসমাইল হোসেন পরান (১২) নামে এক মাদরাসাছাত্র নিহত হয়েছে। এতে তার দুই বন্ধু আহত হয়েছে।
লাকসাম পৌরসভার ফতেহপুর এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে নিহত ইসমাইল। নিহত ইসমাইল স্থানীয় উম্মুল কোরান মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আহত দুজনের নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মাহফুজ বলেন, মাদরাসা থেকে বের হয়ে হেঁটে বাড়ি যাচ্ছিল ইসমাইল ও তার দুই বন্ধু। এসময় রাস্তায় পানি ছিটানো একটি ট্রাক পেছন থেকে তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ইসমাইলের। এতে তার দুই বন্ধু আহত হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা।
মন্তব্য করুন


বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডের পরনে দেখা যায়, বাংলাদেশের জনপ্রিয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ের সাব-ব্র্যান্ড “হার স্টোরি”র একটি জ্যাকেটে।
বিভিন্ন দেশের রাজপরিবারের সদস্যসের ফ্যাশন ইনস্টাগ্রামে তুলে ধরে রয়্যাল ফ্যাশন পুলিশ। গত ৪ মার্চ তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয় বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডের একটি ছবি। সেখানে রাজপরিবারের এই সদস্যের পরনে দেখা যায়, বাংলাদেশের জনপ্রিয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ের সাব-ব্র্যান্ড “হার স্টোরি”র একটি জ্যাকেটে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের আগস্টে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় এসেছিলেন রানি মাথিল্ডে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার দূত হিসেবে ওই এসেছিলেন তিনি। সেই সময় বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানা পরিদর্শনের পর বাংলাদেশের পোশাক খাতের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, সেই সময়ই পোশাকটি সংগ্রহ করেন তিনি।
জানা গেছে, রানি মাথিল্ডে গত ৩ মার্চ পশ্চিম আফ্রিকার রাষ্ট্র আইভরিকোস্টের রাজধানী ইয়ামুসুক্রোতে রাষ্ট্রীয় সফরে পোশাকটি পরেছিলেন। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) দূত হিসেবে ওই রাষ্ট্রীয় সফরে অংশ নেন তিনি।
রয়্যাল ফ্যাশন পুলিশের ওই পোস্টে অনেকেই রানির “ফ্যাশন সেন্সের” প্রশংসা করেছেন। প্রশংসিত হয়েছে রানির পরিহিত জ্যাকেটটিও। সিল্কে বিভিন্ন রঙের প্রিন্ট আর এমব্রয়ডারি করা জ্যাকেটটিতে রয়েছে রাজকীয় আবেদন। ধাতব সোনালি রঙের একরঙা কো-অর্ডস সেটের ওপর জ্যাকেটটি পরেছেন তিনি।
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কবরে দোয়া ও শ্রদ্ধা জানাতে জিয়া
উদ্যানে আসছেন বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং মোনাজাতে
অংশ নিচ্ছেন তারা।
বৃহস্পতিবার
(১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার পর জিয়া উদ্যানের প্রবেশমুখ খুলে দেওয়া হয়। এর আগে বেলা ১১টা
থেকেই খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে আসা মানুষের ভিড় জমে।
তবে
নিরাপত্তাজনিত কারণে তখন কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। দুপুর ১২টার দিকে প্রবেশমুখ
খুলে দিলে দর্শনার্থীরা উদ্যানে ঢুকতে শুরু করেন।
প্রবেশের
পর বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ খালেদা জিয়ার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং
মোনাজাত করেন। জিয়া উদ্যানে আগতদের মধ্যে ঢাকার বাইরের মানুষও ছিলেন।
বিএনপির
রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন, এমন অনেকেই খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন।
শ্রদ্ধা
জানাতে আসা শারমিন বলেন, খালেদা জিয়ার প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি কবর জিয়ারত করতে এসেছেন।
এর আগে, বেলা ১১টা পর্যন্ত জিয়া উদ্যানের ভেতরে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি এবং সামনের
সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। সেখানে দায়িত্বরত পুলিশরা জানান, কড়া নির্দেশনার কারণে
নির্ধারিত সময়ের আগে প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল।
বেলা
১১টার পর সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয় এবং দুপুর ১২টার পর প্রবেশমুখ খুলে দেওয়া
হয়। জিয়া উদ্যানে আগতদের মধ্যে নারীর উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি ছিল।
মঙ্গলবার
(৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগম খালেদা
জিয়া শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তার মৃত্যুতে সরকার তিন দিনের
রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে এবং বুধবার সরকারি ছুটি দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাষ্ট্রপতির সহধর্মিনী ড. রেবেকা সুলতানা।
মঙ্গলবার (০৪ জুন) এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় বঙ্গভবনে।
পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদিন ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, সাক্ষাৎকালে বিমান বাহিনী প্রধান দায়িত্ব পালনকালে সহযোগিতা প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।এ সময় তিনি বিমানবাহিনীর সার্বিক কার্যক্রম বিশেষ করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সফল ভাবে দায়িত্ব পালন করায় বিদায়ী বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নানকে ধন্যবাদ জানান। রাষ্ট্রপতি বিমান বাহিনীর উন্নয়নে তার ভূমিকার প্রশংসা করেন।
বিমান বাহিনীর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে এবং সরকার এ ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম খান এবং সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরী।
মন্তব্য করুন


আগামী এক মাসের মধ্যে গুম প্রতিরোধ বিষয়ক আইন প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। গুম বিষয়ক একটি শক্তিশালী স্থায়ী কমিশন গঠন করা হবে বলেও জানান তিনি।
আজ
সোমবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে জাতিসংঘের গুম সম্পর্কিত কার্যনির্বাহী দলের (ওয়ার্কিং গ্রুপ) সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান
তিনি।
আইন উপদেষ্টা বলেন, বিগত সরকারের আমলে জাতিসংঘের গুম সম্পর্কিত ওয়ার্কিং গ্রুপ বারবার বাংলাদেশে আসতে চেয়েছিল। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপকে বাংলাদেশে আসতে দেয়নি, তাদের চিঠির উত্তর পর্যন্ত দেয়নি। আমাদের সরকারের একটা কমিটমেন্ট ছিল গুমের তদন্ত ও বিচার করা। জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশে এসেছে, আমরা তাদের সঙ্গে আজ মিটিং করেছি। মিটিংয়ে বসার পর তারা আমাদের কিছু কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন। তারা গুম কমিশনের, তদন্ত কমিশনের প্রশংসা করেছেন, আমরা আইন প্রণয়নের যে উদ্যোগ নিয়েছি, সেটার প্রশংসা করেছেন। তারা গুম বিষয়ক কমিশনের মেয়াদ বাড়ানোর কথা বলেছেন।
মন্তব্য করুন


জুলাই
শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস
আলম বলেছেন, দুর্নীতিগ্রস্ত সিস্টেমগুলোর জন্য বিগত ১৬ বছরে মানুষ বিরক্ত হতে হতে দেয়ালে
পিঠ ঠেকে গিয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের ১৬ বছরে সবচেয়ে বড় দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল
নির্বাচন কমিশন। এ নির্বাচন কমিশন সংস্কার না করলে কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা
যাবে না। শুধুমাত্র নির্বাচনের জন্য ২ হাজার মানুষ জীবন দেয়নি আর এ অভ্যুত্থানও হয়নি।
আজ
শনিবার (৯ নভেম্বর) সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যদের
হাতে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
সমন্বয়ক
সারজিস আলম বলেন, আমরা বলছি না রাষ্ট্রের সবকিছু সংস্কার করে নির্বাচনে যান। আমরা এটাও
বলছি না আগামী ৫-৬ বছর সংস্কার করেন। কিন্তু সংস্কারের জন্য ন্যূনতম একটা যৌক্তিক সময়
লাগবে। কোনো বিবেকবান মানুষ তার জায়গা থেকে চিন্তা করতে পারবে না যে এক বছরের মধ্যে
সবকিছু সংস্কার হয়ে যাবে। ১৬ বছর ধরে যে সিস্টেমগুলোকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করা হয়েছে,
সেই সিস্টেমগুলোকে সংস্কার করতে একটা যৌক্তিক সময় প্রয়োজন। বিগত ১৬ বছর এমনকি ৫৩ বছর
ধরে বাংলাদেশের সংবিধান পাঁচ বছরের জন্য দেশের মানুষকে একটি ‘জনতার সরকার’উপহার দিতে পারেনি।
আমাদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করতে পারেনি। সেই সাংবিধানিক সংস্কারও প্রয়োজন। প্রত্যেক পাঁচ বছরের জন্য বড় বড় ইশতেহার দিয়ে
প্রতিটি সরকার ক্ষমতায় আসে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরপরই তারা ইশতেহার ভুলে যায়। তারা
ভুলে যায় তারা যে জনতার সরকার। শুধু একটা নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে পারে
না। এর পাশাপাশি অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান জড়িত। এর মধ্যে অন্যতম হলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
একটা সিস্টেমের মধ্যে আনতে হবে। তা না হলে নির্বাচন দিলে আবার জবরদখলের ঘটনা ঘটতে পারে।
ক্ষমতার অপব্যবহার হতে পারে। আবার এ নির্বাচন ঘিরে কোনো সমস্যা দেখা দিলে সেজন্য একটা
বিচারিক প্রক্রিয়া প্রয়োজন। তাই বিচার ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন।
শহীদ
পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চেক বিতরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সারা দেশ থেকে প্রায় ১ হাজার
৬০০ জনের বেশি শহীদ পরিবারের তালিকা আমাদের কাছে এসেছে। আপাতত যাচাই-বাছাই করে নির্বাচিতদের
পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক দেওয়া হচ্ছে। আমরা প্রতিটি বিভাগীয় পর্যায়ে গিয়ে
শহীদের পরিবারের হাতে অনুদানের চেক তুলে দিচ্ছি। এটা আমাদের দায়িত্ব। বাকি যারা রয়েছেন
তাদের কাগজপত্র সংগ্রহের কাজ চলছে। সেগুলো হাতে পেলে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হবে।
চেক
বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধসহ ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনীসহ দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সতর্ক ও সচেষ্ট রয়েছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ
ছাড়া দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তার ব্যাপারেও আশ্বস্ত করেছে মন্ত্রণালয়টি।
আজ
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে গৃহীত হালনাগাদ
প্রস্তুতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে ঢাকায়
বিদেশি দূতাবাসগুলোকে অবহিতকরণ সভায় এসব তথ্য জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন পদ্মায় এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায়
নির্বাচন কমিশন বিদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের স্বাগত জানাবেন বলে কূটনীতিকদের বলা
হয় এবং তাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষক প্রেরণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। ব্রিফিংয়ে ঢাকায়
দূতাবাসগুলোর প্রায় চল্লিশ জন কূটনীতিক উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন