

মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় অটোরিকশা চালক মো. সাব্বির হোসেন (১৮) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও ঘটনা জড়িত ৭জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি, লুন্ঠিত অটোরিকশা ও চালকের ব্যবহত মোবাইল ফোন।
বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
গ্রেফতার আসামীরা হলেন-চাঁদপুর সদরের তরপুরচন্ডী এলাকার মো. জহির বাবলা (৪৫), মতলব দক্ষিন উপজেলার মো. আনিছুর রহমান (২৫), একই উপজেলার মো. রাজু বেপারী (২৫), মো. রাকিব (২৩) ও মো. আমির হোসেন হানজালা (২৫), নরসিংদী জেলার পলাশ থানার চরসিন্দুরের কবির হোসেন (৩৫) এবং দিনাজপুর জেলার কোতয়াালী থানার মতুল্লাপুর এলাকার হামিদুর রহমান (৪১)।
পুলিশ সুপার জানান, কচুয়া পালাখাল ইউনিয়নের ভুঁইয়ারা গ্রামের অটোরিকশা চালক মো. সাব্বির হোসেন গত ২৪ জানুয়ারি বিকেলে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ী থেকে বের হন। এরপর রাতে বাড়ীতে ফিরেননি। পরদিন ২৫ জানুয়ারি তার মা জাহানারা বেগম থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। ওই দিন বিকেলে পুলিশ স্থানীয় সংবাদের ভিত্তিতে ওই ইউনিয়েনর সেঙ্গুয়া নামক স্থান থেকে হাত পা বাধা সাব্বিরের মরদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় চালকের মা জাহানারা বেগম ২৬ জানুয়ারি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি গ্রহনের পর কচুয়া থানা পুলিশ একটি চৌকস দল গঠন করে তদন্ত শুরু করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. দেলোয়ার হোসেন রাজিবসহ দলটি তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রথমে আসামী হানজালাকে গ্রেফতার করেন। তার তথ্যের ভিত্তিতে ১২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা পর্যন্ত চাঁদপুর ও নারায়নগঞ্জে অভিযান চালিয়ে বাকী আসামীদের গ্রেফতার করেন।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, অটোরিকশা চালক সাব্বির হত্যায় জড়িত ছিলেন ৯জন। এর মধ্যে ৭ জন গ্রেফতার হয়েছে। বাকীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। তারা অন্য কোন অপরাধে জড়িত আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আসামীদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী, সহকারী পুলিশ সুপার (কচুয়া সার্কেল) মো. রিজওয়ান সাঈদ জিকু, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমের বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আগামী
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ
ইউনূসকে অবহিত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
আজ
রোববার ( ০৭ ডিসেম্বর ) সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কমিশনারগণ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে
সাক্ষাৎ করে নির্বাচন আয়োজনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানান।
বৈঠকে
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত
ছিলেন।
জাতীয়
নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন
মিয়াও বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠকে সিইসি নাসির উদ্দিন জানান, নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সব
ধরনের প্রস্তুতি সঠিক ও সুন্দরভাবে এগোচ্ছে এবং ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন
ও একই দিনে গণভোট আয়োজনের জন্য কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। প্রস্তুতিকালে ইসিকে পূর্ণ
সহযোগিতা প্রদানের জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান সিইসি ও অন্যান্য নির্বাচন
কমিশনাররা।
নির্বাচনের
প্রস্তুতিকালে সর্বাত্মক সহযোগিতা করায় তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও
প্রধান উপদেষ্টার মাধ্যমে ধন্যবাদ জানান।
তিনি
বলেন, ইতোমধ্যে নাগরিকরা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত করেছেন, যা দেশে নির্বাচনী
আমেজ সৃষ্টি করেছে।
এ
সময় নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সুষ্ঠু
ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে
সরকার।’
তিনি
বলেন, ‘জাতির জন্য প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনে আপনারা (ইসি) চালকের আসনে আছেন। আমাদেরকে
কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতেই হবে।’
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, জাতিকে একটি সুন্দর নির্বাচন দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতিকে আমরা ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রত্যয়ে
এগিয়ে চলছি।
মন্তব্য করুন


আজ ৪ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে তাঁর বসুন্ধরার কার্যালয়ে ঢাকাস্থ মান্যবর বৃটিশ হাইকমিশনার মিস সারাহ কুক-এর এক সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকে তাঁর সঙ্গে ছিলেন হাইকমিশনের হেড অব পলিটিক্যাল মি. টিমোথি ডাকেট এবং আমীরে জামায়াতের সাথে উপস্থিত ছিলেন আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।
অত্যন্ত হৃদ্যতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে তারা বাংলাদেশের বিরাজমান বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
এ সময় আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আসন্ন ইউকে সফররের বিষয়টিও স্থান পায়।
উল্লেখ্য, এ সফরে আমীরে জামায়াতের সঙ্গে বৃটিশ সরকারের একজন মান্যবর মন্ত্রীর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীতে র্যাব ফোর্সের ১৪৮টি দলসহ সারাদেশে ৪৩২টি টহল
দল মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার
(২২ নভেম্বর) সকালে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান
খান এ তথ্য জানান।
তিনি
জানান, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রদানে দেশের বিভিন্ন স্থানে দূরপাল্লার
গণপরিবহন ও পণ্যবাহী পরিবহনকে র্যাব টহলের মাধ্যমে এস্কর্ট প্রদান করে নিরাপদে গন্তব্যে
পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশনসহ
গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে গোয়েন্দারা ছদ্মবেশে নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) চট্টগ্রাম সেনানিবাসস্থ দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টার (ইবিআরসি)-এ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩৮তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি। সেনাবাহিনী প্রধান ইবিআরসিতে পৌঁছালে তাঁকে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড: জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া এবং কমান্ড্যান্ট ও পাপা টাইগার, দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টার অভ্যর্থনা জানান।
বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনের শুরুতেই সেনাবাহিনী প্রধান ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা স্মরণ করে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। সেই সাথে নিষ্ঠা, একাগ্রতা এবং পেশাদারিত্বের সাথে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা অর্জন করে একবিংশ শতাব্দীর কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার জন্য ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সকল সদস্যদের প্রতি আহবান জানান। এছাড়াও, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে সেনাবাহিনী প্রধান এ রেজিমেন্টের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করেন।
অনুষ্ঠানে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া; কমান্ড্যান্ট ও পাপা টাইগার, ইবিআরসি; মিলিটারি সেক্রেটারি; অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল; কমান্ড্যান্ট, বিআইআরসি; চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ চা বোর্ড; সেনাসদর ও চট্টগ্রাম এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ; সকল পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডারগণ ও ইউনিটসমূহের অধিনায়কগণ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


দেশবাসীর
প্রিয় নেত্রীকে শেষবারের মতো একনজর দেখা আর জানাজায় অংশ নেওয়ার ব্যাকুলতা নিয়ে ঢাকার
পথে সর্বস্তরের লাখো মানুষ। বাস, ট্রেন কিংবা লঞ্চ, যে যেভাবে পারছেন, গতকাল মঙ্গলবার
রাত থেকেই রাজধানীর পথ ধরেছেন।
আজ
বুধবার সকাল হতে না হতেই সেই জনস্রোত মিশতে শুরু করেছে মানিক মিয়া এভিনিউতে।
সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই
দেশের নানা প্রান্ত থেকে ঢাকামুখী এই যাত্রা শুরু হয়। মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে এই
স্রোত আরও জোরালো হয়। রাতে ভোলা, বরিশাল ও চাঁদপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের নেতাকর্মীরা নদীপথে
সদরঘাটে এসে পৌঁছান। একই সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা
ট্রেন ও বাসগুলোতেও ছিল তুলনামূলক ভিড়। সবার গন্তব্য একটাই, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা।
তীব্র
শীত উপেক্ষা করে গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাত থেকেই মানিক মিয়া এভিনিউ ও এর আশপাশের এলাকায়
জড়ো হতে থাকেন নেতাকর্মীরা। সকাল থেকেই লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে সংসদ ভবন চত্বর ও এর
আশপাশের সড়ক। অনেকে ফুটপাতেই রাত কাটিয়েছেন প্রিয় নেত্রীর জানাজায় সামনের কাতারে থাকার
আশায়।
জাতীয়
বার্তা সংস্থা বাসসের কথা হয় বাষট্টি বছর বয়সী কৃষক সাত্তার মিয়ার সাথে। লাঠিতে ভর
দিয়ে তিনি সুদূর বগুড়া থেকে গতকাল মঙ্গলবার রাতেই ঢাকায় পৌঁছান। থাকবার জায়গা না থাকায়
তীব্র শীত উপেক্ষা করে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের রাস্তায়। ভেজা চোখে
তিনি বলছিলেন, ‘ম্যাডাম হামাগের মা। ওনারে শেষবারের মতো দেখমু না, তা কি হয়? শরীর চলে
না, তাও মনের জোরে আসছি। ওনার জানাজায় শরিক হতে পারলেই শান্তি।’
সরেজমিনে
দেখা গেছে, সমবেত মানুষের চোখেমুখে গভীর শোকের ছায়া। দলীয় কার্যালয় ছাড়াও সড়কগুলোতে
উড়ছে কালো পতাকা। ঢাকার আশপাশের জেলাগুলো থেকে আজ ভোর থেকেই মিছিল নিয়ে আসছেন নেতাকর্মীরা।
তাছাড়া দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ শেষবারের মত শ্রদ্ধা জানাতে মানিক মিয়ার
পথ ধরেছেন।
আজ
দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবন মাঠ ও মানিক মিয়া এভিনিউতে খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত
হবে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব এই জানাজায় ইমামতি করবেন। এরপর পূর্ণ রাষ্ট্রীয়
মর্যাদায় শেরেবাংলা নগরে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাঁকে
সমাহিত করা হবে।
গতকাল
মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে ইন্তেকাল
করেন (ইন্নানিল্লাহে........রাজিউন) দেশের তিনবারের এই প্রধানমন্ত্রী। জীবনের শেষ মুহূর্তে
পাশে ছিলেন তাঁর বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারকে সহযোগিতা করার জন্য সেনাবাহিনী
সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে সেনারা মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। আগে এত
দীর্ঘ সময় মাঠে থাকতে হয়নি। তাই সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে, দূরত্ব থাকলে
তা দূর করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকালে ঢাকা
সেনানিবাসে ‘অফিসার্স অ্যাড্রেস’অনুষ্ঠানে
সেনা সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন সেনাপ্রধান। এতে পদস্থ কর্মকর্তারা
সরাসরি উপস্থিত ছিলেন এবং দেশের অন্য সব সেনা স্থাপনার কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি যুক্ত
হন।
সেনা সদস্যদের উদ্দেশে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
বলেন, সেনাবাহিনী একটি পেশাদার সংগঠন। মাঠে দায়িত্ব পালনের সময় পেশাদারি দেখাতে হবে।
প্রতিশোধমূলক কোনো কাজে জড়ানো যাবে না।
সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়ানো নিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, বিভ্রান্তিকর
বার্তা দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কেউ ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে সেনাবাহিনীর
ভাবমূর্তি নষ্ট করতে না পারে।
তিনি আরো বলেন, দেশের মানুষ এখন সেনা
সদস্যদের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে
এবং বাহিনীর চেইন অব কমান্ড অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী ২০২২ সালের
২৫ জুন প্রমত্তা পদ্মা নদীর উপর দেশের বৃহত্তম সেতু ৬.১৫ কিলোমিটার পদ্মা সেতু উদ্বোধন
করেছিলেন। নিজস্ব অর্থায়নে ৩২ হাজার ৬০৫.৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে পদ্মা সেতু।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
পদ্মা সেতু নির্মাণে নেওয়া ঋণ পরিশোধের ৭ম ও ৮ম কিস্তি হিসেবে ৩১৪,৬৪,৮৬,৯৬৩ টাকার
বেশি গ্রহণ করেছেন।
বৃহস্পতিবার গণভবনে এক অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি প্রধানমন্ত্রীর
কাছে পদ্মা সেতুর ঋণের সপ্তম ও অষ্টম কিস্তি হিসেবে ৩১৪ কোটি ৬৪ লাখ ৮৬ হাজার ৯৬৩ টাকার
চেক হস্তান্তর করেন।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব
মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এম. নাঈমুল ইসলাম খান, অর্থ বিভাগের
সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গণভবনে উপস্থিত
ছিলেন।
অর্থ বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু
কর্তৃপক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে ঋণ নেওয়া
হয়।
২০২২ সালের ২৫ জুন সেতু চালু হওয়ার পর থেকে ২০২৪ সালের ২৬ জুন পর্যন্ত পদ্মা সেতু থেকে মোট ১৬৫৩,৭১,৬৫,৫৫০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।
৫ এপ্রিল, সেতু বিভাগ প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তি হিসাবে সেতু থেকে টোল আদায় হিসাবে অর্জিত
রাজস্ব থেকে ৩১৬,৯০,৯৭,০৫০ টাকা দিয়ে ঋণ পরিশোধ শুরু করে।
সর্বশেষ কিস্তিসহ সেতু বিভাগ এই পর্যন্ত সরকারকে মোট
১২৬২,৬৬,০৬,৫৪৮ টাকা পরিশোধ করেছে।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় জিসান (১৭) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে।
সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার গোপালদী পৌরসভার দাইরাদী এলাকায়।
নিহত জিসান সদাসদী গ্রামের বাসিন্দা ও গোপালদী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হক সাবেরের ছেলে।
জানা যায়, জিসান এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল গোপালদী পৌরসভার সদাসদী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। ঘটনার দিন স্কুলের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান ছিল। স্কুলের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান শেষে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে দাইরাদী এলাকায় একটি অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয় জিসান। তাৎক্ষণিকভাবে জিসানকে উদ্ধার করে আড়াইহাজার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে অবস্থা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা পাঠানো হয়। ঢাকা নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার।
এ তথ্য নিশ্চিত করেন, আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান উল্লাহ।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে জাপান সরকারের অফিসিয়াল বিনিয়োগ ও বানিজ্য উন্নয়ন সংস্থা - জাপান এক্সর্টানাল ট্রেড অগ্রানাইজেশন এর একটি প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
আমীরে জামায়াতের বসুন্ধরার কার্যালয়ে বৈঠকটি আন্তরিকতা ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাপান এক্সর্টানাল ট্রেড অগ্রানাইজেশন (Japan External Trade Organization- JETRO) এর কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ মি. কাজুইকি কাতাওকা, সুমিতোমো কর্পোরেশন এশিয়া অ্যান্ড ওশেনিয়া প্রাইভেট লিমিটেড (Sumitomo Corporation Asia & Oceania Pte. Ltd.) এর কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার ও ঢাকাস্থ জাপানি কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন মি. হিরোনোরি ইয়ামানাকা, ঢাকাস্থ জাপানি কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (Dhaka Shoo-Koo-Kai) এর প্রেসিডেন্ট মি. মানাবু সুগাওয়ারা ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মি. হিরোনোরি ইয়ামানাকা, মারুবেনি করপোরেশন এর কান্ট্রি হেড মি. সুগাওয়ারা মানাবু। আরও উপস্থিত ছিলেন জেট্রো (JETRO) ঢাকা অফিসের সিনিয়র ডিরেক্টর জনাব শরিফুল আলম ও এসিসট্যান্ট ম্যানেজার ইশরাত জাহান।
বৈঠকে আমীরে জামায়াত বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসাবে জাপান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিদেশী বিনিয়োগ স্বাগত জানায়।
জাপান প্রতিনিধি দল আমীরে জামায়াতকে জানান যে, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় তিনশত এর অধিক প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসায়ীক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
আমীরে জামায়াত জাপানী প্রতিনিধি দলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশে জাপানের বিনিয়োগ আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আইবিডব্লিউএফ’র প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


২৬ আগস্ট ২০২৪ দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী।
এ দিনটিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বিবিধ অনুষ্ঠান ও উপাসনালয় সমূহের বিশেষ নিরাপত্তায় অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
সেনাবাহিনীর এ তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বী জনগণ।
উল্লেখ্য যে, দেশব্যাপী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তায় কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সংঘর্ষ ও অন্যায়কে পরাভূত করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা। এই শিক্ষাকে বুকে ধারণ করে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ একসাথে সোনার বাংলা গড়ে তুলবে এই সকলের প্রত্যাশা।
জনগণের এই প্রত্যাশা পূরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পাশে আছে এবং থাকবে।
মন্তব্য করুন