

কুমিল্লাস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কল্যাণ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে আগামি দুই বছরের জন্য কার্যকরি পরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা ক্লাব মিলনায়তনে অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে ওই সাধারণ সভা শেষে নতুন কমিটি ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের আহবায়ক ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ইন্দুভূষণ ভৌমিক। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে সমিতির সাবেক সভাপতি ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো: তাজুল ইসলামকে মনোনীত করা হয়।
আগামি ২০২৫-২০২৭ সালের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন প্রফেসর মেজর ইয়াকুব আলী, সিনিয়র সহসভাপতি মো: আনোয়ার হোসেন ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক এটিএম মোস্তফা কামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাংবাদিক মো: এমদাদুল হক সোহাগ। তাছাড়া ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরি পরিষদ এবং ৩৬ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা মন্ডলীর নাম ঘোষণা করা হয়।
কার্যকরি পরিষদের অন্যান্যরা হলেন, সহ সভাপতি মো: আলমগীর শিকদার, সহ সভাপতি আলী আমজাদ খান, সহ সভাপতি মোহাম্মদ আলী সরকার, সহ সভাপতি মো: ছাইয়েদুর রহমান। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন, মো: শাখাওয়াত হোসেন, মো: আজাদ সরকার লিটন, দুলাল হোসেন। কোষাধ্যক্ষ আলহাজ্ব আবদুর রাজ্জাক, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বশির আহম্মেদ, দপ্তর সম্পাদক মো: তৌহিদুজ্জামান, প্রচার সম্পাদক একেএম নুরিই জাবেদ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এস.ডি.এস.এম শাহনাজ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো: আশরাফুল ইসলাম জিকু, শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক মাহফুজুর রহমান সোহাগ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক কামরুণ নাহার দিপু, মহিলা সদস্য মলি ভৌমিক, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আনোয়ারুল হক দিপু, সহ দপ্তর সম্পাদক মো: আতাউর রহমান।
নির্বাহী সদস্যরা হলেন, এডভোকেট বিল্লাল হোসেন, মো: তরিকুল ইসলাম তরুণ, মো: শাহাদাত হোসেন, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, শাহাদাত হোসেন আজাদ, নুরুল ইসলাম সরকার, মোহাম্মদ মাসুদুল ইসলাম বাবু, শাহাদাত হোসেন সরকার, মাহবুব আলম, সার্জেন্ট আলিম, মোসা. নাছিমা আক্তার রত্না।
উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্যগণ হলেন, ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. একেএম আছাদুজ্জামান, অধ্যাপক ইন্দুভূষণ ভৌমিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস আর এম ফারুক, অধ্যাপক আজহারুল ইসলাম, ডা. হারুনুর রশিদ, আহমেদ সোয়েব সোহেল, ডা. সৈয়দ জহিরুল ইসলাম, সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, মাহমুদুল হাসান ভূঁঞা, ড. আতিকুল ইসলাম, এম.এ হান্নান আজাদ, মো: জহিরুল ইসলাম, ডা. লিটন কুমার রায়, ড. সফিকুল ইসলাম, মোশাররফ হোসেন ইকবাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিক মিয়া, সাকিনা বেগম, ডা. আরিফ মোর্শেদ খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক, কাজী শওকত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা জামিলুজ্জামান, আবু জাহেদ, মশিউর রহমান ভূইয়া, আবুল বাশার, এড. নজীর আহমেদ মনু, এড. দেওয়ান মোহাম্মদ সাকি, অধ্যাপক শ্যামা প্রশাদ ভট্টাচার্য, ডা. আজিজুল হোসেন, ডা. নাজমুল হাসান চৌধুরী, মো: আবদুস সামাদ, এড. শিপ্রা রাণী দাশ, এড. মাসুদ সালাউদ্দীন, আবুল কালাম আজাদ, মো: সানাউল হক, মাহমুদা আক্তার, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সচিব খোন্দকার মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান।
এদিকে, শুরুতে বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এস.আর.এম ফারুক। মো: শাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন পাঠ করেন সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর শিকদার। দ্বিতীয় পর্যায়ে কমিটি ঘোষণার পর নির্বাচিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক সহ অন্যান্যদের উষ্ণ অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়াতে সমাজের দানশীল ও মানবীক মানুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার লক্ষ্যে কুমিল্লার দেবীদ্বারে দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন, কুমিল্লা ও ক্যাট’স হোম বিড়ালের বাড়ির উদ্যোগে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দেবীদ্বার সরকারি শিশু পরিবারে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবুল হাসনাত খাঁন।
গ্লোবাল টেলিভিশন, কুমিল্লার সার্বিক সহযোগিতায় এবং দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন, কুমিল্লা ও ক্যাট’স হোম বিড়ালের বাড়ি এর প্রতিষ্ঠাতা রোটাঃ মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন রনী স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায় বরুন চক্রবর্তী দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ রায়হানুল ইসলাম, থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামসুদ্দিন ইলিয়াস, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ, দৈনিক কালের কন্ঠের প্রতিনিধি প্রবীন সাংবাদিক এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, ডাক্তার শেখ মোঃ শাহজালাল, কামরুল হাসান।
সহকারী শিক্ষক আবুল হাসেম এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক মোঃ মাসুদ রানা, মোঃ এনামুল হক,ফখরুল ইসলাম সাগর, শাহিন আলম, ফারুক হোসেন জনি, মোঃ মাহফুজ আহম্মেদ, আনোয়ার হোসেন, নাজমুল হাসান, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন সরকার, দলিল লেখক হাফিজুর রহমান, বীমাকর্মী নওশাদ চৌধুরী, ক্যামেরা পারসন সাইফুল ইসলাম সজিব, ব্যবসায়ী রাসেল আহম্মেদ ক্বারী সাইফুল ইসলামসহ আরো অনেকে।
দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন, কুমিল্লা ও ক্যাট’স হোম বিড়ালের বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা রোটাঃ মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন রনী বলেন, সুবিধা বঞ্চিত এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়াতে সমাজের দানশীল ও মানবীক মানুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে আজকের এই দোয়া ও ইফতার মাহফিল। এই অনুষ্ঠান দেখে একজনও যদি তার আশে পাশের এতিমদের সহযোগিতায় এগিয়ে তবেই এই অনুষ্ঠান স্বার্থক। এছাড়াও দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন প্রতি বছর বিশেষ বিশেষ দিনে এই শিশুদের জন্য উন্নত মানের খাবার বিতরণ, ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ, পিঠা, বসন্ত, ফল উৎসবসহ নানান আয়োজন করে থাকে। ভবিষ্যতে এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার:
ভাই-বোনের
সম্পর্ককে মজবুত করতে রাখইর থালায় রাখি, মিষ্টি, প্রদীপ, সিঁদুর, লাল সুতো, ধান ও দূর্বা
দিয়ে সাজিয়ে বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান রাখি বন্ধন উৎসব পালিত হয়।
সোমবার
(১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুরীতেও জেলা ঐক্য পরিষদ
নেতা এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার এর একমাত্র মেয়ে অর্পিতা সরকার এভাবেই রাখি বন্ধনের
মাধ্যমে তাঁর ছোট ভাই অরন্য সরকার প্রিন্স এর দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করেন। তদ্রুপ
ভাইও বোনের রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। ঐদিন পরিবারের সকলে একত্রে মিলিত হয়ে
বিশেষ খাবার দাবার ও উপহার এর ব্যবস্থা করা হয় এবং সকলে মিলে আনন্দ ফুর্তিতে মেতে ওঠে।
এই বিশেষ দিনে পরিবেশে “যম” তত্ত্ব বেশি থাকে, এতে ভাইয়ের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে
কিন্তু রাখি বন্ধনের ফলে তা দূর হয়ে যায়।
জানা
যায়- রাখি বন্ধন বা রাখি পূর্ণিমা উৎসবটি ভাই-বোনদের পবিত্র সম্পর্কের এক নিবিড় উদযাপন।
রাখি পূর্ণিমার ঠিক পাঁচদিন আগে ঝুলন পূর্ণিমা শুরু হয় এবং রাখি পূর্ণিমার সাতদিন পর
জন্মাষ্টমী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছর শ্রীকৃষ্ণের এই দুই লীলার মাঝে শ্রাবণ মাসের
পূর্ণিমা তিথিতে রাখি পূর্ণিমা অনুষ্ঠিত হয় বলে এর আরেক নাম শ্রাবণী পূর্ণিমা। এই দিনটির
জন্য প্রত্যেক ভাইবোন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকে। বোন ভাইয়ের হাতে রাখি পরিয়ে দেয়
আর ভাই বোনকে রক্ষার অঙ্গীকার বদ্ধ হয়। এই ভাবেই এই অনুষ্ঠিত যুগের পর যুগ ধরে পালিত
হয়ে আসছে। রাখি বন্ধন মূলত বিহারী সংস্কৃতি হলেও পরবর্তীকালে এই অনুষ্ঠান বাঙালি সংস্কৃতির
সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে পরে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার বিবিরবাজার সীমান্ত এলাকা থেকে প্রায় ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকার অবৈধ ভারতীয় বাজি জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আজ শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর বিশেষ টহলদল এই অভিযান চালায়।
বিজিবি জানায়, কটকবাজার পোস্টের বিশেষ টহলদল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সীমান্তের প্রায় ৬ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আদর্শ সদর উপজেলার বানাশুয়া এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় এক লাখ চার হাজার ২৪৭ পিস ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার বাজি জব্দ করা হয়। জব্দকৃত বাজির আনুমানিক বাজারমূল্য ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কোম্পানি অধিনায়ক মীর আলী এজাজ জানান, আটককৃত বাজিগুলো শিগগিরই আইন অনুযায়ী কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) ১ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার টাকার ভারতীয় অবৈধ চোরাচালান পণ্য উদ্ধার করেছে। শনিবার দুপুরে জেলার চৌদ্দগ্রাম সীমান্ত থেকে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়। এ সময় বিজিবি ভারতীয় বাজি ও চিংড়ি মাছের রেণুসহ একটি ট্রাক আটক করেছে।
আজ শনিবার দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) তাদের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধসহ আন্তঃ সীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকে। শনিবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আওতাধীন শিবের বাজার বিওপি’র বিশেষ টহলদল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে সীমান্তের ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিজিবি টহল দল কর্তৃক মালিকবিহীন অবস্থায় ১ লাখ ২০ হাজার ৪’শ পিস বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় বাজি এবং ৪২ ড্রাম চিংড়ি মাছের রেণুসহ একটি ট্রাক আটক করা হয়। যার মূল্য ১ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমসে জমা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি-কুমিল্লার মাদকবিরোধী যৌথ অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবা, ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির ১ লাখ ১৩ হাজার ৯শত টাকাসহ দুইজনকে আটক।
সোমবার ( ১৪ অক্টোবর) সকাল ৪:৪৫ মিনিট থেকে ৬:৪৫ মিনিট পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে লাকসাম থানাধীন খুন্তা দক্ষিণ পাড়াস্থ আসামী মোহাম্মদ আলীর নিজ ঘর এবং মিশ্রী মধ্যম পাড়াস্থ আসামী মো: মামুন এর নিজ ঘর থেকে ইয়াবা,গাঁজা ও টাকা সহ তাদের আটক করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এর সার্বিক তত্বাবধানে ও পরিদর্শক মো: সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা এর নেতৃত্বে এবং লাকসাম উপজেলা ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন এর সার্বিক সহযোগিতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ডিএনসি কুমিল্লা, সেনা সদস্য, লাকসাম থানার পুলিশ সদস্য ও লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি মেডিকেল টিম অংশগ্রহণ করেন।
আটককৃত আসামীরা হলো-১/ লাকসাম থানাধীন মিশ্রী(মধ্যপাড়া) গ্রামের মৃত আব্দুল মালেক এর ছেলে মো: মামুন (৪৪), ২/ খুন্তা দক্ষিণ পাড়া এলাকার মৃত আব্দুল মজিদ এর ছেলে মোহাম্মদ আলী(৫০)।
আসামীদের বিরুদ্ধে পরিদর্শক মো: সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা বাদী হয়ে লাকসাম থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীর সাত্তার খান শপিং কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে বিভিন্ন চামড়া জাত উৎপাদিত পন্য সামগ্রী বিক্রি করা জনপ্রিয় শপ স্যাচল মার্ট এর দ্বিতীয় শাখার (জুতা সামগ্রী) উদ্বোধন হয়েছে।
আজ শনিবার ( ১৬ আগস্ট) দুপুরে নগরীর সাত্তার খান শপিং কমপ্লেক্স এর তৃতীয় তালায় দোয়া ও মোনাজাত এর মাধ্যমে উক্ত শপ এর উদ্বোধন করা হয়।
দোয়া ও মোনাজাতে উপস্থিত ছিলেন সাত্তার খান শপিং কমপ্লেক্সে কমিটির সভাপতি, সহ-সভাপতিসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মার্কেট মসজিদের খতিব।
এ সময় স্যাচল মার্ট এর স্বত্বাধিকারী তুহিন আলম, নুর মোহাম্মদ জানান, সাত্তার খান কমপ্লেক্স এর শপ স্যাচল মার্ট দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার বাসীর জনপ্রিয় মুখ হিসেবে পরিচিত লাভ করে আসছে। আমরাও সুনামের সাথে ব্যবসার কাজ পরিচালনা করতেছি। আমাদের আগে ছিল চামড়া জাত পণ্য যেমন লেডিস ব্যাগ, স্কুল কলেজ পড়ুয়া সকলের জন্য ছোট বড় ব্যাগ, ছোট-বড় ট্রলি ব্যাগ,বেল্ট, ওয়ালেট সহ অন্যান্য সামগ্রী কিন্তু ক্রেতাদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে আজকে থেকে আমরা বিভিন্ন রকমের জুতার সামগ্রী নিয়ে স্যাচল মার্ট এর দ্বিতীয় শাখা উদ্বোধন করেছি। বিশেষত স্যাচল মার্ট এর বেশিরভাগ পণ্য সামগ্রী চায়না থেকে ইমপোর্ট করা। তাই আমরা পণ্য সামগ্রীর কোয়ালিটি মেইনটেইন করে থাকি।
স্যাচল মার্ট এর বিক্রয় কর্মী জানান, আমাদের নতুন জুতার কালেকশনে রয়েছে স্লিপার, ব্লক হীল, পেন্সিল হিল, বেলেন্স হিল, ডক্টর সেন্ডেল, ডক্টর সু, কোট সু, পার্টি সু, রাফ ইউজ ও বাচ্চাদের জন্য সকল আইটেম।
উল্লেখ্য, আজ এবং আগামীকাল সকল ৩০% ও শর্তপ্রযোজ্যে ৫০% ডিসকাউন্ট চলমান থাকবে, এছাড়া ও দ্রুত সময়ের মধ্যে অনলাইনে বিক্রয় করা যাবে। অনলাইনে ক্রয় করতে স্যাচল মার্ট ফেসবুক পেজ ফলো করুন।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা কুমিল্লা এর যৌথ অভিযানে
কুমিল্লায় ১৮৫ বোতল ফেনসিডিল, ৪ কেজি গাঁজা
ও ২ বোতল বিদেশী মদসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
১০ এপ্রিল রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২, কুমিল্লা ও জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন আলেখারচর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান
পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ আব্দুর রহিম (২৭) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৮৫ বোতল ফেন্সিডিল, ৪ কেজি গাঁজা, ২ বোতল বিদেশী মদ ও
মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ আব্দুর রহিম (২৭) নোয়াখালী জেলার চরজব্বার থানার চর ওয়াবদা গ্রামের মিজান উদ্দিন
এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল, গাঁজা ও বিদেশী মদ সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিল। র্যাব-১১ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লা এর ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লা এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লা সদর দক্ষিণে জমিজমা নিয়ে বিরোধের
জের ধরে মোঃ গিয়াস উদ্দিন ও মোঃ জামাল হোসেন নামের দুই চাচাতো জ্যেঠাতো ভাইকে ধারালো
দা, ছেনী ও হকিস্টিক দ্বারা কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৭ জনকে যাবজ্জীবন
কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। সেই সাথে প্রত্যককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড
এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামী প্রত্যেককে অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
প্রদান করেন।
সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায়
কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ
রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কুমিল্লা
সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ধনাইতরী গ্রামের মোঃ হাজী আতর আলীর ছেলে তোফায়েল আহমেদ তোতা,
মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে কামাল হোসেন, হাজী আব্দুর রহিমের ছেলে আলমগীর হোসেন, মোঃ ফরিদ
উদ্দিনের ছেলে মোঃ মামুন, মৃত আনোয়ার আলীর ছেলে মোঃ বাবুল ও মৃত আনোয়ার আলীর হারুনুর
রশিদ।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা
হলেন- কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ধনাইতরীর মৃত জুনাব আলীর ছেলে হায়দার আলী, হাজী
আব্দুর রহিমের ছেলে আঃ মান্নান, মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে জামাল হোসেন, মৃত আঃ খালেক
এর ছেলে আবুল বাশার, মৃত আঃ রশিদ এর ছেলে জাকির হোসেন, মৃত আঃ খালেক এর ছেলে আব্দুল
কাদের ও মৃত ইউসুফ মিয়া'র ছেলে আব্দুল কুদ্দুস।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞ জেলা পিপি
এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্র পক্ষে
নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম ও অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট
মোঃ মজিবুর রহমান বাহার এবং বাদীপক্ষে প্রাইভেট ল'ইয়ার এডভোকেট মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন
আমরা আশা করছি উচ্চ আদালত রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।
মন্তব্য করুন


আন্তঃজেলা ট্রান্সফরমার চোর চক্রের মূল হোতাসহ আরো ৮ সদস্য গ্রেফতার এবং চোরাই মালামাল উদ্ধার করেছে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গত ২৪ জানুয়ারি রুজুকৃত বুড়িচং থানার মামলা নং-১৮, তারিখ-২৪/০১/২০২৪, ধারা- ২০১৮ সালের বিদ্যুৎ আইনের ৩৫ এর রহস্য উদ্ঘাটন পূর্বক গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ মনির হোসেন (৩২), ২। মোঃ সোহেল (৩০), ৩। কামরুল হাসান (৩২), ৪। মাঈনউদ্দিন (২৮), ৫। রুবেল আহমেদ @মিন্টু (২৯) দের গত ০৪/০২/২০২৪খ্রিঃ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। বিজ্ঞ আদালতে আসামি সোহেল ও মাঈনউদ্দিন ফোজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
উল্লেখ্য যে, তারা কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন থানায় ট্রান্সফরমার চুরি সংক্রান্তে রুজুকৃত ৮টি মামলার ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলো এবং তাদের দেওয়া তথ্য তদন্তকালে প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণে সত্যতা পাওয়া যায়।
আসামী মাঈন উদ্দিন (২৮) এর দেওয়া বিজ্ঞ আদালতের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি মোতাবেক কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা করে তথ্য প্রযুক্তি ও স্থানীয় সোর্সের সহায়তায় চোর চক্রের চোরাই মাল ক্রয় -বিক্রয়ের মূল মধ্যস্থতাকারী রুবেল (২৮) কে নোয়াগাঁও চৌমোহনী এলাকায় মা-বাবার দোয়া এন্টারপ্রাইজ দোকানের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়। কুমিল্লার অধিকাংশ চোরাই মাল ক্রয়কারী মাঈন উদ্দিন ঢাকায় চোরাই মাল বিক্রয় করে। ঢাকায় চোরাইমাল ক্রয় চক্রের মূলহোতা ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ এর মালিক দেলোয়ার ও ম্যানেজার মনসুর। তার দেওয়া তথ্য মতে চোরাই মালামাল ক্রয়কারী ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ এর ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম মনছুর কে ঢাকা মিডফোর্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মনসুরের দেখানো মতে ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ নামক দোকান হতে ৫০ কেজি চোরাই তামার তার উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়।
উল্লেখ্য, ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক দেলোয়ার পলাতক রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামী রুবেলকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে কুমিল্লায় ট্রান্সফরমার চোর চক্রের সাথে জড়িত অনেক সদস্যের নাম প্রকাশ করে। প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে লালমাই থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০৩/০২/২০২৪ ইং, ধারা- ২০১৮ সালের বিদ্যুৎ আইনের ৩৫/৪১ এর পলাতক আসামী চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য ১। রবিউল আলম @ রফিক (২৬) কে নোয়াগাঁও চৌমোহনী এলাকায় থেকে গ্রেফতার করা হয় । তার দেখানো স্থান হতে ২টি ট্রান্সফরমারের খালি খোসা, ৩৩ কেজি ষ্টিলের পাত, ২টি ট্রান্সফরমারের ঢাকনা ও ২টি লোহার তৈরি কয়েলের ঢাকনা উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। রবিউল আলম রফিককে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে অত্র মামলার সাথে জড়িত আসামী ২। মেহেদী হাসান শাকিল (২৩), ৩। রুবেল (২৬), ৪। মাসুদ রানা (২৩) দেরকে ভূশ্চি এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয় এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত অটোটি জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী রুবেলের দেওয়া তথ্য মতে, তথ্য প্রযুক্তি ও স্থানীয় সোর্সের মাধ্যমে সদর দক্ষিণ থানার মামলা নং-৭, তারিখ- ০২/০২/২০২৪ ইং, ধারা- ৩৭৯ দন্ডবিধি এর পলাতক আসামী জহিরুল ইসলাম (২৮) কে সদর দক্ষিণ থানাধীন সুয়াগাজি থেকে গ্রেফতার করা হয়। জহিরুল ইসলাম (২৮) এর দেওয়া তথ্য মতে, অত্র মামলার আর এক পলাতক আসামী মোঃ কবির হোসেন (৩০) কে জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় যে, তারা ট্রান্সফরমার চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা ৩/৪ বছর যাবৎ কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর, চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম, দেবিদ্বার, সদর দক্ষিণ থানাসহ বিভিন্ন থানা এলাকায় এবং পাশর্^বর্তী জেলা চাঁদপুর ও নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় ট্রান্সফরমারের তামার তার চুরি করে আসছে। তারা দিনের বেলায় টার্গেট ট্রান্সফরমারের স্থানে রেকি করে এবং রাতের বেলা গিয়ে ট্রান্সফরমারের ঢাকনা খুলে তামার তার নিয়ে চলে আসে। ট্রান্সফরমার থেকে তামার তার চুরি করতে তাদের মাত্র ২০ থেতে ২৫ মিনিট সময় লাগে। চুরি করার পরে ট্রান্সফরমারের খালি খোলস (বক্স) সাধারণত ঘটনাস্থলেই ফেলে দেয়।
উল্লেখ্য যে, আসামী মোঃ কবির হোসেন এর বিরুদ্ধে পূর্বে ৬টি মাদক মামলা রয়েছে। আসামী জহিরুল ইসলাম জহির এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১ টি চুরি মামলা, ৩টি মাদক মামলা, ২টি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। আসামী মাসুদ রানা এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১টি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। আসামী মেহেদী হাসান শাকিল এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১ টি চুরি মামলা, ১টি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। আসামী রবিউল আলম রফিক এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১টি মাদক ও ১টি মারামারি মামলা রয়েছে। আসামী রফিকুল ইসলাম মনছুর এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১টি মারামারি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো:
১। মোঃ কবির হোসেন (৩০), পিতাঃ মোঃ জসিম উদ্দিন, সাং-কাদির বক্স বাড়ী, গ্রাম- সৈয়দপুর, থানা- দেবিদ্বার, জেলা- কুমিল্লা,
২। জহিরুল ইসলাম (২৮), পিতাঃ মৃত মোঃ জাকির হোসেন, সাং- পূর্ব পাড়া, গ্রাম- বড় দৌলতপুর, থানা- কোতয়ালী, জেলা- কুমিল্লা
৩। রুবেল (২৬), পিতাঃ মিজান, সাং- চৌকিদার বাড়ী, গ্রাম- দূর্গাপুর, ওয়ার্ড- ১, থানা- সদর দক্ষিণ, জেলা- কুমিল্লা।
৪। মাসুদ রানা (২৩), পিতাঃ আব্দুল গফুর, সং- গ্রাম- ভুচ্চি (নুরপুর) মুক্তিযোদ্ধা জহির সাহেবের বাড়ী, থানা- লালমাই, জেলা- কুমিল্লা।
৫। মেহেদী হাসান @শাকিল (২৩), পিতাঃ শুক্কুর আলী,সাং- মোহরী বাড়ী, গ্রাম- চেংহাটা, থানা- লালমাই, জেলা- কুমিল্লা।
৬। রবিউল আলম @রফিক (২৬), পিতাঃ মৃত সুরুজ, সাং- ভুচ্চি( নুরপুর) ডাক্তার বাড়ী, থানা- লালমাই, জেলা-কুমিল্লা।
৭। রুবেল (২৮), পিতাঃ মৃত ফোরকান মিয়া, সাং- আহাম্মদপুর(ধানুর বাড়ী), থানা-নবীনগর, জেলা- ব্রাহ্মনবাড়ীয়া
৮। মোঃ রফিকুল ইসলাম @মনছুর (৪৮), পিতাঃ মোঃ শাহজাহান আলী , সাং- পায়না (প্রামানিক বাড়ী), থানা- ভেড়া, জেলা- পাবনা
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায় অটোরিকশা উল্টে ঘটনাস্থলে সেনোয়ারা বেগম (৬২) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(৬ মার্চ) দুপুরে উপজেলার রামচন্দ্রপুর দক্ষিন ইউনিয়নের পাঁচকিত্তা-রামচন্দ্রপুর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বৃদ্ধা উপজেলার পূর্বহাটি গ্রামের আঃ রশিদ মিয়ার স্ত্রী।
এ ঘটনায় অটোরিকশা চালক আলাউদ্দিন (৩৫) গুরুতর আহত হন। আহত আলাউদ্দিনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অটোরিকশাটি পাঁচকিত্তা থেকে রামচন্দ্রপুর যাওয়ার পথে দিঘলদী গ্রামের শ্মশানের পাশে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে পুকুরে পরে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা অটোরিকশা চালককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় বৃদ্ধার লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন