

কুমিল্লায় ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ
পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাইকারী চক্রের মূল হোতাকে গ্রেফতার করেছে মুরাদনগর থানা পুলিশ।
গত (৫ জুন) রাতে সঞ্জিত চন্দ্র সরকার
পিকআপ গাড়ি করে মাছ নিয়ে যাওয়ার সময় মুরাদনগর থানাধীন মুরাদনগর বাজারের আল্লাহ চত্ত্বর
সিএনজি স্টেশনে আসার পর অজ্ঞাতনামা একজন মোটরসাইকেল যোগে এসে মাছের গাড়িকে সিগন্যাল
দিয়ে গাড়িতে অবৈধ মাল আছে বলে জিজ্ঞাসা করে এবং নিজেকে আইনের লোক বলে পরিচয় দেয়। পিকআপটি
দাঁড় করানোর সাথে সাথে অজ্ঞাতনামা লোক মোটরসাইকেল ও প্রাইভেকার নিয়ে পিকআপের পাশে এসে
দাঁড়ায় এবং পিকআপ চেক করতে শুরু করে। এমন সময় অন্য একজন অজ্ঞাতনামা লোক পিকআপ গাড়ির
ড্রাইভার মোঃ সোহেল এর প্যান্টের বাম পকেট থেকে ১ লক্ষ ২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিলে বিষয়টি সন্দেহ হলে সাথে সাথে আসামীদেরকে চ্যালেঞ্জ করলে
অজ্ঞাতনামা আসামীরা তাৎক্ষণিক মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার যোগে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে
সঞ্জিত চন্দ্র সরকার থানায় এসে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত এজাহার দায়ের
করেন।
উক্ত ঘটনার সংবাদ প্রাপ্তির সাথে সাথে
মুরাদনগর থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম লুষ্ঠিত টাকা ও ঘটনায় জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের
লক্ষে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযান পরিচালনার সময় তথ্য প্রযুক্তি
ও স্থানীয় সোর্সের সহায়তায় গত (১২ জুন) মুরাদনগর থানাধীন নিমাইকান্দি গ্রামের মাসুদ
এর বিল্ডিংয়ের সামনে পৌঁছালে পুলিশ দেখতে পেয়ে দৌঁড়ে পালানোর সময় আসামী মোঃ নাজমুল
হাসান লিটনকে গ্রেফতার করা হয় এবং অপর এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির হাতে থাকা ১৫ পিস ইয়াবা
ফেলে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার
মুরাদনগর থানাধীন ১৩নং মুরাদনগর সদর ইউনিয়নের মুরাদনগর মধ্যপাড়া এলাকার ওমর আলীর ছেলে
মোঃ নাজমুল হাসান লিটন (২৬)।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদকালে
তার অপর এক সহযোগীর সহায়তায় উক্ত ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করে এবং তার দেখানো স্থান
হতে ছিনতাইকাজে ব্যবহৃত রেজিস্ট্রেশন ও নম্বরবিহীন একটি কালো রংয়ের ১৫০ সিসি পালসার
মোটরসাইকেল এবং লুণ্ঠিত ১ লক্ষ ২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামীদেরকে
গ্রেফতারের জন্য ও ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়ী উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উক্ত ঘটনায় পৃথকভাবে মুরাদনগর থানার
মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি
কুমিল্লা মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করেছে ।
শনিবার বিকেলে মাদকবিরোধী এ টাস্কফোর্স অভিযানে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ ১ জনকে আটক করা হয়
।
আদর্শ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)মো: মেহেদী হাসান এর নেতৃত্বে ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এর নির্দেশনায় এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক কাজী দিদারুল আলম এর সার্বিক তত্বাবধানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী মডেল থানাধীন নিশ্চিন্তপুর বাজারে পরিচালিত এ টাস্কফোর্স অভিযানে ডিএনসি-কুমিল্লা, পুলিশ ও বিজিবির সদস্যদের অংশগ্রহণে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানাধীন মোসা: মিলন বিবি (৬৩) কে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয় ।
আসামীর
বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান ।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসক ও দক্ষ স্বাস্থ্যসেবক অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ মাছুম হাসান অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করায় তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চিকিৎসক, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা।
চিকিৎসা ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের সততা, নিষ্ঠা, জ্ঞান, দক্ষতা এবং পেশাগত অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবে এই পদোন্নতি অর্জন করেছেন তিনি। চিকিৎসা সেবায় তাঁর অবদান এবং রোগীদের প্রতি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে চিকিৎসক সমাজে একটি সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে।
কুমিল্লার চিকিৎসকরা মনে করেন, অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ মাছুম হাসান শুধু একজন দক্ষ চিকিৎসকই নন, তিনি হাজারো মানুষের আস্থা ও ভরসার প্রতীক। তাঁর সেবামূলক কর্মকাণ্ড, পেশাগত সততা এবং রোগীবান্ধব মনোভাব সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।
চিকিৎসক সমাজের নেতৃবৃন্দ বলেন, “অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ মাছুম হাসানের এই পদোন্নতি তাঁর কর্মনিষ্ঠা ও সততার যথাযথ মূল্যায়ন। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দেশের চিকিৎসা খাতকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং ভবিষ্যতেও তিনি মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।”
তাঁর এই অর্জনে সহকর্মী, শিক্ষার্থী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সর্বস্তরের মানুষ আনন্দ প্রকাশ করেছেন এবং আগামী দিনগুলোতে আরও সাফল্য ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেছেন।
অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করায় অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ মাছুম হাসানকে জানাই কুমিল্লার কর্মরত সকল চিকিৎসকরা আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাই।
মন্তব্য করুন


ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনালে বাংলাদেশের সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয় ৩য় রানার আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। এসোসিয়েশন অব ইউনির্ভাসিটিজ অব এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক এর আয়োজনে গত ৮ ও ৯ এপ্রিল দ্বিতীয় আন্তার্জাতিক ইংলিশ স্টুডেন্ট ডিবেট কম্পিটিশনের আয়োজন করা হয় ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অবস্থিত রিজাল টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে। প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ এশিয়ার ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের মোট ২২টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করেন।
কুমিল্লার সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান মনির হোসেনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো: আরাফাত কবির, তাফহিমুল ইসলাম স্বপ্ন এবং মাহির তাজওয়ার আকাশ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে ফিলিপাইনে পদার্পন করেন। প্রথমবার অংশগ্রহন করেই নামকরা ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে লড়াই করে সেরা পাঁচ-এ অবস্থান করে নেন কুমিল্লার সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইনালে শেষ পর্যন্ত ৩য় রানার আপের গৌরব অর্জন করেন টিম-সিসিএন।
বুধবার অনুষ্ঠিত ফাইনাল রাউন্ডে প্রথম স্থান অর্জন করেন ফিলিপাইনের রিজাল টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি, ফার্স্ট রানার আপ ফিলিপাইনের ভিসায়াস স্টেট ইউনিভার্সিটি, দ্বিতীয় রানার আপ বাংলাদেশের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৩য় রানার আপ কুমিল্লার সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। কুমিল্লার সবুজে ঘেরা কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন অর্জনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শুভাকাঙ্খীরা আনন্দিন, উচ্ছ্বসিত। বিশ্ব জয় করার এ যেন অনন্য প্রেরণা।
সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ড. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী অনুভূতি ব্যাক্ত করে জানান, সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আন্তর্জাতিক মানের সিলেবাসে পাঠদান করে আসছি। ফিলিপাইনে আমাদের বিতার্কিক টিমটির আজকের অর্জিত সফলতা তারই অংশ বিশেষ। সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছর আন্তর্জাতিক মানের বেশ কয়েকটি সেমিনার করে থাকি এবং আমাদের শিক্ষার্থীরাও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিভিন্ন সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কম্পিটিশনে অংশগ্রহণ করে আসছে। সর্বোপরি আমরা সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণামূলক করে একাডেমিক সিলেবাস সাজিয়েছি এবং তা বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর। তিনি আরো বলেন-আজকের অর্জন অনাগত দিনে বিশ্বপরিমন্ডলে সিসিএন-এর বিচরণ বৃদ্ধি পাবে, সফলতার ঝুলি আরও পূর্ণ হবে। আমাদের স্বপ্ন আকাশ সমান। সিসিএন-ইউএসটি ডিবেট টিম সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি বিশেষত তিনজন বিতার্কিক নিহাদ, স্বপ্ন ও আকাশের প্রতি আমাদের অশেষ শুভকামনা ও কৃতজ্ঞতা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলায় এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাটি ঘটেছে লাকসাম উপজেলার আজগরা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে।
বুধবার বিকেলে গ্রেফতারকৃত আসামি জানু মিয়াকে আদালতে পাঠানো হয়।
লাকসাম থানার ওসি সাহাবুদ্দিন খান জানান, গত ২৮ এপ্রিল বেলা আড়াইটায় ওই গ্রামের মৃত বন্দে আলী মিয়ার ছেলে জানু মিয়া (৭০) তার নাতনির খেলার সাথী ওই শিশু কন্যাকে একা পেয়ে ঘরে নিয়ে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করলে তাকে ছেড়ে দেয়। পরে শিশুটি তার মাকে ঘটনাটি জানায়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় আইজিপি কাপ ও চট্ট্রগ্রাম রেঞ্জ কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের আয়োজনে ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় কুমিল্লা জিমনেসিয়ামে কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কুমিল্লা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার)।
কাবাডি প্রতিযোগিতায় চট্ট্রগ্রাম বিভাগের ৮টি জেলা পুলিশ দল অংশ নিচ্ছে। দুটি গ্রুপে লীগ পর্যায়ে খেলবে।
গ্রুপ-ক দলে কুমিল্লা জেলা, চাঁদপুর খাগড়াছড়ি ও লক্ষীপুর জেলা দল। গ্রুপ-খ দলে বান্দরবান জেলা, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও আর আর এফ চট্ট্রগ্রাম।
১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুর ৩ টায় কাবাডি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরন করা হবে।
উদ্বোধনী খেলায় ৫০/১৫ পয়েন্টে চাঁদপুর জেলাকে হারায় কুমিল্লা জেলা।
কুমিল্লায় আইজিপি কাপ ও চট্ট্রগ্রাম রেঞ্জ কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার মংনে খোয়াই মারমা।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান, মতিউল ইসলাম, কামরান হোসেন, কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন জাকির।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বড় ধর্মপুর এলাকার লালমাই পাহাড়ে অনেক বছর ধরে একটি গুঞ্জন প্রচলিত–এখানে তেল-গ্যাসের সন্ধান মিলেছিল, বিদেশি কোম্পানি এসে খননও করেছিল; কিন্তু একটি অদৃশ্য হেলিকপ্টার এসে কূপ সিলগালা করে দেয়। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসায় এলাকাজুড়ে আবারও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশে এখনও বড় আকারের খনিজ তেলের মজুত আবিষ্কৃত হয়নি। দেশের প্রধান জ্বালানি নির্ভরতা প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর। সিলেটের হরিপুর ও মৌলভীবাজারের বরমচাল ছাড়া উল্লেখযোগ্য তেল উৎপাদনের ইতিহাসও সীমিত। ফলে দেশের অধিকাংশ জ্বালানি তেল এখনও বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৭-১৮ সালের দিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স) লালমাই এলাকায় অনুসন্ধান কার্যক্রম চালায়। সেখানে ‘লালমাই-১’ ও ‘লালমাই-২’ নামে দুটি কূপ খনন করা হয়। অনুসন্ধানের শুরুতে কিছু পরিমাণ তেলের অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও পরীক্ষামূলক উত্তোলনে উৎপাদন খুবই কম ছিল। লালমাই-১ কূপ থেকে দৈনিক মাত্র ২০ থেকে ২৫ ব্যারেল তেল উত্তোলন সম্ভব হচ্ছিল। লালমাই-২ কূপে চাপ কম থাকায় সেটিও বাণিজ্যিক উৎপাদনের উপযোগী হয়নি।
কথিত আছে–প্রতিদিন অন্তত কয়েকশ ব্যারেল তেল উত্তোলন সম্ভব হলে একটি তেলকূপকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক ধরা হয়। সেই তুলনায় লালমাইয়ের উৎপাদন ছিল খুবই সীমিত। এ ছাড়া তেলের সঙ্গে অতিরিক্ত পানি উঠে আসা, চাপ কমে যাওয়া এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্পটি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ঝুঁকি এড়াতে নিয়ম অনুযায়ী কূপগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ বা ‘প্লাগ অ্যান্ড অ্যাবানডন’ করা হয়।
মো. সিরাজ নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, এখানে তেল-গ্যাস পাওয়া গিয়েছিল। আমরা নিজের চোখে দেখেছি। ২০০২ সালে কোরিয়ান কোম্পানি খনন করতে আসে। পরে তারা চলে যায়। হাজার-হাজার মিটার খনন করা হয়েছিল। এক সময় হেলিকপ্টার এসে এটি সিলগালা করে দেয়।
বড় ধর্মপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শহীদ বলেন, এ জায়গাটা আমাদের বাড়ির পাশে। ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি এটা সিসা ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। কিন্তু কেন বন্ধ করা হলো, কে করল আজও জানি না। সরকার চাইলে আবার অনুসন্ধান করতে পারে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিত্যক্ত তেল বা গ্যাসকূপ খোলা অবস্থায় রেখে দিলে গ্যাস লিক, অগ্নিকাণ্ড কিংবা ভূগর্ভস্থ পানি দূষণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসরণ করে অলাভজনক কূপগুলো সিলগালা করা হয়।
পেট্রোবংলার উপব্যবস্থাপক সৈকত মাহমুদ বলেন, লালমাই এলাকায় অনুসন্ধান চালানো হলেও সেখানে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক তেলের মজুত পাওয়া যায়নি। ফলে কূপগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,কুমিল্লা:
কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামে অজ্ঞাতনামা
চলন্ত গাড়ির পিছনে ধাক্কায় কাভার্ডভ্যান চালক নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৪ জুন) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়কের আমানগন্ডা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বাহাদুর মিয়া(৩২) নোয়াখালী জেলার
সুবর্ণপুর উপজেলার চড়ভাঙ্গা গ্রামের মৃত মিরাজ মিয়ার ছেলে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ এসএম
লোকমান হোসাইন তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়কের আমানগন্ডা এলাকায় ঢাকামুখী কাভার্ডভ্যান (ঢাকামেট্রো-ই-১১-১৫৯২) শুক্রবার
সকাল ৭টায় সামনের চলন্ত অজ্ঞাতনামা গাড়িকে ধাক্কা দেয়। এতে কাভার্ডভ্যানের সামনের অংশ
ধুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চালক বাহাদুর মিয়া ঘটনাস্থলে নিহত হন। খবর পেয়ে মিয়াবাজার হাইওয়ে
থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে থেকে লাশ উদ্ধার করে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক
গিয়াস উদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক ও লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি- কুমিল্লার হাতে ১০ কেজি গাঁজাসহ
একজনকে আটক।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার
উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও সহকারী উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ মনির হোসেন এর নেতৃত্বে ডিএনসি- কুমিল্লা
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে চান্দিনা থানাধীন চান্দিনা উপজেলা মোড় ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের
দক্ষিণ পাশে রাস্তার উপর থেকে ১০ কেজি গাঁজাসহ আসামী মো: জীবনকে আটক করে।
আটককৃত আসামী হলো- শরিয়তপুর জেলার চরপায়াতলী
এলাকার মৃত নুরুজ্জামান এর ছেলে মো: জীবন (২৩)।
আসামীদের বিরুদ্ধে সহকারী উপপরিদর্শক
মোহাম্মদ মনির হোসেন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণীর ১৯(খ)
ধারায় চান্দিনা থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
মন্তব্য করুন


সুজন মজুমদার,বরুড়া:
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) ইংরেজি ১ম পত্র
পরীক্ষার দিন তাদের বহিষ্কার করে উপজেলা প্রশাসন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নু এমং মারমা মং। তবে তিনি বহিষ্কার হওয়া পরীক্ষার্থীদের
নাম প্রকাশ করেননি।
বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)
নু এমং মারমা মং জানান, বৃহস্পতিবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ৩য় দিন বরুড়া উপজেলার
বরুড়া শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ কেন্দ্র, আড্ডা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্র এবং বরুড়া সুন্নিয়া
কামিল মাদরাসা কেন্দ্র পরিদর্শন করে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বরুড়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসা
কেন্দ্রে ৮ জন পরীক্ষার্থীকে তল্লাশি করে ৮টি মোবাইল ও নকল, শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ
কেন্দ্রে ১ জন পরীক্ষার্থীকে তল্লাশি করে ১টি মোবাইল ও নকল এবং আড্ডা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে
২ জন পরীক্ষার্থীকে তল্লাশি করে মোবাইল ফোন ও নকল পাওয়া যায়। এ সময় নকল ও মোবাইল ফোন
পাওয়া পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা স্থগিত করে তাদের সবাইকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নকলের বিরুদ্ধে জিরো
টলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে। বরুড়া উপজেলা প্রশাসনের নকল বিরোধী অভিযান সব সময় অব্যাহত
থাকবে। শিক্ষার্থীরা হলে কীভাবে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করল সেটি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট
কেন্দ্রের শিক্ষক ও সচিবদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে তার বিরুদ্ধেও
ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব
প্রতিবেদক:
কুমিল্লার
ঐতিহ্যবাহী খাদি কাপড়সহ মোট ২৪টি পণ্য ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে।
গতকাল
বুধবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট,
শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর আয়োজিত বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস ২০২৫-এর আলোচনা সভায়
সংশ্লিষ্টদের এসব সনদ হস্তান্তর করা হয়।
কুমিল্লার
ঐতিহ্যের স্মারক খাদি কাপড় ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি পাওয়ায় জেলার মানুষ
আনন্দিত। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা দাবি জানিয়ে আসছিলেন, অবশেষে পেয়েছেন সুখবর। খাদি কাপড়ের
বিশেষত্ব হলো এটি হাতে তৈরি, পরিবেশবান্ধব এবং আরামদায়ক। কুমিল্লার কারিগররা তাদের
অনন্য দক্ষতার মাধ্যমে খাদিকে একটি শিল্পে রূপান্তরিত করেছেন।
কুমিল্লার
কান্দিরপাড় এলাকার রামঘাটলা থেকে শুরু করে রাজগঞ্জ পর্যন্ত অন্তত ৩০০ খাদি পোশাকের
দোকান রয়েছে।
কুমিল্লার
জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার জানান, জেলা প্রশাসনের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় গত বছর কুমিল্লার
রসমালাই জিআই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। কুমিল্লার খাদি ও বিজয়পুরের মৃৎশিল্পের জিআই
স্বীকৃতির জন্য তখন থেকেই কাজ শুরু হয়। কুমিল্লার ‘ব্র্যান্ড’ হিসেবে পরিচিত তিনটি
পণ্যের মধ্যে দুটি জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে।
নিবন্ধন
সনদপ্রাপ্ত ২৪টি ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (ব্রাকেটে সনদ নম্বর) হলো, ঢাকাই ফুটি কার্পাস তুলা (৩৯), কুমিল্লার খাদি (৪০),
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী মিষ্টি (৪১), গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জের গহনা (৪২), সুন্দরবনের
মধু (৪৩), শেরপুরের ছানার পায়েস (৪৪), সিরাজগঞ্জের লুঙ্গি (৪৫), গাজীপুরের কাঁঠাল
(৪৬), কিশোরগঞ্জের রাতাবোরো ধান (৪৭), অষ্টগ্রামের পনির (৪৮), বরিশালের আমড়া (৪৯),
কুমারখালীর বেডশিট (৫০), দিনাজপুরের বেদানা লিচু (৫১), মুন্সীগঞ্জের পাতক্ষীর (৫২),
নওগাঁর নাকফজলি আম (৫৩), টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের জামুর্কির সন্দেশ (৫৪) ও ঢাকাই ফুটিকার্পাস
তুলার বীজ ও গাছ (৫৫),নরসিংদীর লটকন (৩২), মধুপুরের আনারস (৩৩), ভোলার মহিষের দুধের
কাঁচাদই (৩৪), মাগুরার হাজরাপুরী লিচু (৩৫), সিরাজগঞ্জের গামছা (৩৬), সিলেটের মনিপুরি
শাড়ি (৩৭), মিরপুরের কাতান শাড়ি (৩৮)।
মন্তব্য করুন