

কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়কের পাশের ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে ও মহাসড়কে অবৈধ যান চলাচল প্রতিরোধে বাংলাদেশ
সেনাবাহিনী ও হাইওয়ে পুলিশ যৌথভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে।
এ সময় মহাসড়কের পাশের ফুটপাতের অবৈধ
স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদ, মহাসড়কে অবৈধভাবে চলাচলকারী থ্রি-হুইলার ও বৈধ কাগজপত্র
বিহীন মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। পরে এ সংক্রান্তে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানা সূত্রে জানা
গেছে, গত সপ্তাহে মহাসড়কের পাশের ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে জনস্বার্থে হাইওয়ে পুলিশের
পক্ষ থেকে বিশেষ প্রচারনা করা হয়। প্রচারনা শেষে আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজার এলাকাসহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে মিয়াবাজার হাইওয়ে পুলিশের সহযোগিতায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা
হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন সড়ক আইন ভঙ্গের দায়ে হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে মোট ২৫টি মামলা
করা হয়।
যৌথ এ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর চৌদ্দগ্রাম ক্যাম্প কমান্ডার মেজর রিফায়েত তারেক মজুমদার, হাইওয়ে পুলিশের
সার্জেন্ট মো: হাসান, মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক মো: নজরুল
ইসলাম সহ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-সদস্যবৃন্দ ও মিয়াবাজার হাইওয়ে থানা
পুলিশের একটি টিম।
এ অভিযানের বিষয়ে মিয়াবাজার হাইওয়ে
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জসিম উদ্দিন বলেন, মহাসড়কের পাশের ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত
রাখতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং থ্রি-হুইলার বন্ধে
যৌথবাহিনী সোমবার বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বিভিন্ন অপরাধে মোট ২৫টি মামলা
দায়ের করা হয়েছে। মহাসড়ক অবৈধ দখল ও যানজটমুক্ত রাখতে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১,৯৫০ পিস ইয়াবাসহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১১ জুলাই রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন মতিনগর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ কাইয়ুম মিয়া
(২৪), ২। মোঃ লিমন হোসেন (২৪), ৩। মোঃ সোহাগ হোসেন (২৬) এবং ৪। মোঃ ইয়াছিন (২৩) নামক
চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ১,৯৫০ পিস ইয়াবা ও মাদক
পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। মোঃ কাইয়ুম মিয়া (২৪) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার মতিনগর গ্রামের মোঃ সাদেক
মিয়া এর ছেলে, ২। মোঃ লিমন হোসেন (২৪) একই গ্রামের মোঃ নুরু মিয়া এর ছেলে, ৩। মোঃ সোহাগ
হোসেন (২৬) কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার তালতলী গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলাম এর ছেলে
এবং ৪। মোঃ ইয়াছিন (২৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বারপাড়া গ্রামের মোঃ হালিম
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা
দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মোটরসাইকেল ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য
ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা
মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত
অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান
অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


যৌথ বাহিনীর নেতৃত্বে গত ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখ হতে ৪/৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে কুমিল্লা জেলার নিরীহ ছাত্র জনতার উপর আক্রমনকারী সন্ত্রাসীসহ সকল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আটক, অবৈধ মাদক কারবারী এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৮ নভেম্বর ২০২৪ মাদক ব্যবসায়ী ব্যক্তির অবস্থান সম্পর্কে প্রাপ্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী কর্তৃক মোল্লা কান্দি, দাউদকান্দি নামক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে মাদক সরবরাহকারী মোঃ বাদলকে গ্রেফতার করতে গেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে তার স্ত্রী মোছাঃ তাসলিমা বেগম এবং মোছাঃ মুক্তা বেগম নামক ০২ জন ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে ৭,৬০০/- পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১ রোল ইয়াবা সেবন ফয়েল পেপার, ০৭ টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল, ১ টি সীম কার্ড ও নগদ ২,২৯,৩০০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি ও উদ্ধারকৃত দ্রব্যসামগ্রী দাউদকান্দি থানায় হস্তান্তর করা হয়।
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদেরকে আটক করার এরূপ অভিযান যৌথ বাহিনী কর্তৃক অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া ২৮ টি অস্ত্র ও ৬৬৭ টি গুলি উদ্ধার করছে আনসার ভিডিপি কুমিল্লার কমান্ড্যান্ট রাশেদুজ্জামান ।
তিনি জানান, বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করে এসব উদ্ধার হওয়া অস্ত্র সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
আনসার জেলা অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ তারিখে কুমিল্লার বিভিন্ন থানা ও কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স থেকে অস্ত্র লুট হয়। পরে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক আনসার ভিডিপি সদস্যরা এসব অস্ত্র উদ্ধারে কাজ শুরু করে। কুমিল্লা জেলা অফিসের তত্ত্বাবধানে ২৮ টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৬৬৭ রাউন্ড গুলি, ১১ টি খালি ম্যাগজিন, হ্যান্ডকাফ ও চাবি উদ্ধার করা হয়েছে।
জেলা কমান্ডেন্ট আরো জানান, আমাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে পরিত্যক্ত অবস্থায়- ড্রেনের ভেতর, বন জঙ্গল থেকে খোঁজাখুঁজি করে এবং এলাকার মসজিদের মাইকে জানান দিয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে এসব অস্ত্র গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সাথে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
আনসার ভিডিপি কুমিল্লা রেঞ্জ পরিচালক আশীষ কুমার ভট্টাচার্য জানান,শুধু কুমিল্লায় নয় নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং চাঁদপুরেও বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, থানা পাহারা এবং ট্রাফিকিংয়ের কাজে আনসার ভিডিপি সদস্যরা সচেষ্ট রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০
বিজিবি) এর বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী আভিযান পরিচালনা করে ভারত থেকে বাংলাদেশে
পাচারের সময় ভারতীয় শাড়ী, থ্রি পিস, বাজি, কসমেটিক্স ও অন্যান্য সামগ্রী এবং মাদকদ্রব্যসহ ৪১,০৭,০০০/- (একচল্লিশ লক্ষ সাত হাজার) টাকা মূল্যের
মালামাল জব্দ করে।
শুক্রবার রাতে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ কটকবাজার পোষ্ট এবং বিবির বাজার বিওপি এর বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উল্লেখিত অভিযানে বিজিবি টহলদল ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচারের প্রাক্কালে সীমান্ত পিলার ২০৮৩/০৯ এস হতে ১৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সুইচ গেইট নামক স্থান এবং সীমান্ত পিলার ২০৮০/এমপি হতে আনুমানিক ৪ কিঃ মিঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাঁনপুর নামক স্থান থেকে মদ-৬০ বোতল, ফেন্সিডিল-১৩৯ বোতল, বিয়ার-১১৪ বোতল, শাড়ী-১৯৮ পিস, থ্রি পিস-৭৮টি, কিং কোবরা বাজি-৮২,৬০০ পিস, বিস্কুট-৫০ প্যাকেট, স্কিন ক্রিম-৬৫৪টি, শ্যাম্পু-১,৭০০ পাতা এবং মেহেদী-১,৭৮০টি আটক করে। আটককৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ৪১,০৭,০০০/- (একচল্লিশ লক্ষ সাত হাজার) টাকা।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে প্রায় ৬৮ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি জব্দ করেছে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার (১৭ জুন) ভোর রাতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শিবেরবাজার বিওপির টহল দল মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে সীমান্ত থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নিমসার বাজার এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত শাড়িগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৬৮ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধারকৃত শাড়িগুলো প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে মিনি পিকআপে
করে মাদক পরিবহনকালে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ পাঁচজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১
সিপিসি-২।
আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) সকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন
চান্দিনা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অভিনব কৌশলে
মিনি পিকআপের পিছনে মাছ রাখার ড্রামের মধ্যে লুকিয়ে গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী ১। মোঃ
দিপু , ২। কামরুল ইসলাম , ৩। মোঃ ছুটন মিয়া , ৪। শিপন এবং ৫। মোঃ মাহফুজ নামের পাঁচজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ৪৮ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ
কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি পিকআপ উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ দিপু
(২৭) বি.বাড়িয়া জেলার কসবা থানার কাইয়ুমপুর গ্রামের আইয়ুব খান এর ছেলে; ২। কামরুল ইসলাম
(৩০) কুলনা পাথর গ্রামের মৃত জামাল হোসেন এর ছেলে; ৩। মোঃ ছুটন মিয়া (৩০) কামালপুর
গ্রামের মৃত মকবুল হোসেন এর ছেলে; ৪। শিপন (৩০) নোয়াগাঁ গ্রামের টুনু মিয়া এর ছেলে
এবং ৫। মোঃ মাহফুজ (২৪) কামালপুর গ্রামের বাছির মিয়া এর ছেলে।
র্যাব
জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ
করে কুমিল্লা সহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা
মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন
অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক
অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে
র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা:
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আলোচিত একটি ডাকাতি মামলায় একজনকে সাত বছর এবং অপর চারজনকে পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম আদালত) বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন ভূঁইয়া।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বরুড়া উপজেলার মহিদপুর গ্রামের মো. বাবুল মিয়া, জয়নাল আবেদীন ওরফে জনু এবং মিজান (পলাতক)। এছাড়া একই উপজেলার ঝলম গ্রামের মো. আব্দুল মালেক ও ওয়াশকুরুনী (পলাতক)।
আদালতের রায়ে মো. বাবুল মিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর চার আসামিকে প্রত্যেককে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৬ মে বিকেলে বরুড়া উপজেলার ঝলম-আড্ডা সড়কে একটি কাভার্ড ভ্যানের গতিরোধ করে সশস্ত্র ডাকাতরা চালককে মারধর ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। পরে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানির সিগারেট বিক্রির ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৯ টাকা এবং একটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের সেলস ম্যানেজার কবির হোসেন বাদী হয়ে বরুড়া থানায় অজ্ঞাতনামা তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৯৫, ৩৯৭ ও ৪১২ ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে নতুন সচিব এবং কলেজ পরিদর্শক পদে পদায়ন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের (সরকারি কলেজ-২) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের দুই কর্মকর্তাকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রেষণে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ এই দুই পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম। একইসঙ্গে কলেজ পরিদর্শক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ সিপন মিয়াকে।
জানা গেছে, অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম ১৭তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তা। তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলার চর মনসা গ্রামে।
অন্যদিকে, অধ্যাপক মোহাম্মদ সিপন মিয়া ২২তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তা। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার জাফরপুর গ্রামে।
শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রশাসন ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা থাকা এই দুই কর্মকর্তা কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
মন্তব্য করুন


এক্সিম ব্যাংক ৩৫তম জাতীয় নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে কুমিল্লা জেলা হ্যান্ডবল দল।
সোমবার (৩ জুন) এক্সিম ব্যাংক ৩৫তম জাতীয় নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা-২০২৩ এর উদ্বোধন হবে ঢাকায়।
১২ সদস্যের কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দল রবিবার কুমিল্লা থেকে ঢাকার উদ্দ্যেশে যাত্রা করে।
রবিবার সকালে কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দলকে বিদায় জানান কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাদক্ষ আল আমিন ভূইয়া ও সদস্য দেলোয়ার হোসেন জাকির।
নারী হ্যান্ডবল দলকে শুভেচ্ছা জানান, নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন, তিনি শৃংখলার সাথে খেলায় অংশ নিয়ে নিজেদের ও কুমিল্লা জেলার সুনাম বয়ে আনতে মনোযোগী হতে বলেন।
কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দলের ম্যানেজার হিসেবে রয়েছেন রোকসানা বেগম ও কোচ আলমগীর আলম রাজু।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লাস্থ চাঁদপুর জেলা আইনজীবীদের বার্ষিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার (১৪ মে ) বিকেলবেলা কুমিল্লা গোমতী নদীর পাড় সংলগ্ন ডুমুরিয়া চান্দপুর গোমতী টাচ্ রিসোর্টে কুমিল্লাস্থ চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে এ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
ওই অনুষ্ঠানে শুরুতেই ফোসকা, চটপটি ও চা-কফি খাওয়া পর সাংগঠনিক আলোচনা শেষে নৈশভোজ এর আয়োজন করা হয়। এছাড়াও মিষ্টি থেকে শুরু করে বাহারি রকমের মুখরোচক খাবার পরিবেশন করা হয়।
এতে অংশগ্রহণ করেন- কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির প্রথম মহিলা অ্যাড. সামছুন নাহার বেগম, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র অ্যাড. মোঃ নজরুল ইসলাম (৫), জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মোঃ সামছুর রহমান ফারুক, সিনিয়র অ্যাড. জসীম উদ্দিন চৌধুরী (শিশু), জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি অ্যাড. মোঃ ইলিয়াছ মিন্টু, কুমিল্লা মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা অ্যাড. শাহীন আফরোজ বিজলী, অ্যাড. আয়েশা বেগম, অ্যাড. শামীমা আক্তার জাহান, অ্যাড. মোঃ মফিজুল ইসলাম, কুমিল্লা আদালত অঙ্গনের পরিচিত মুখ অ্যাড. তাপস চন্দ্র সরকার, অ্যাড. এ.এন.এম আহসান শাহরিয়ার, অ্যাড. সুরঞ্জিত পাল ও অ্যাড. মোঃ জাকির হোসেন নয়ন এবং শিক্ষানবিশ আইনজীবী মোঃ শাহ এনামুল হক কমল প্রমুখ। এছাড়াও অতিথি হিসেবে অংশ নেন- মিসেস ইলিয়াছ মিন্টু, শামীমা আক্তার জাহান এর স্বামী, মিসেস অ্যাড. মোঃ মফিজুল ইসলাম, মিসেস শাহরিয়ার, মিসেস নয়ন ও মিসেস কমল প্রমুখ।
মন্তব্য করুন