

কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন উত্তর বাড়বের এলাকা হতে ৩২ বোতল বিদেশী মদ’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ০৪ ডিসেম্বর সোমবার রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন উত্তর বাড়বের এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ৩২ বোতল বিদেশী মদ’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলো: কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার উত্তর বাড়বের গ্রামের মোঃ আব্দুল মনাফ এর ছেলে দেলোয়ার (৫৫)।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদেশী মদ’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে।
উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নারীর
ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ
নিয়েছে সরকার। সরকার নারী প্রধান পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী
'ফ্যামিলি কার্ড' চালু করলো।
আজ
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টা ১৮ মিনিটে রাজধানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি
সংলগ্ন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ল্যাপটপে বাটন প্রেস করে এ 'ফ্যামিলি কার্ড' উদ্বোধন
করেন।
প্রধানমন্ত্রীর
'ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশে ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল
সার্ভিসে ভাতা পোঁছে গেছে কার্ড প্রাপ্ত নারীর হাতে। পরে অনুষ্ঠান মঞ্চে ১৭ জন নারীর
হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তাঁর পাশে ছিলেন সহধর্মিণী জুবাইদা
রহমান এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
সাততলা
বস্তিতে বাস করা ফ্যামিলি কার্ড প্রাপ্ত রিনা বেগম খুশিতে আবেগ আপ্লূত হয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে
ধন্যবাদ। জীবনে স্বপ্নেও ভাবিনি এই কার্ড হাতে পাবো। এই টাকা দিয়ে আমার পরিবারের অনেক
সাহায্য হবে।’
ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রতিটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার অঙ্গীকার
করা হয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে। দেশের সর্বস্তরে আলোচিত
হয়েছিল নারীর ক্ষমতায়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচনকারী এই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। সেই অঙ্গীকার
বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই সরকার গঠনের মাত্র ২১ দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
এই ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করেন। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ১৪ টি স্থানে এই পাইলট
প্রকল্প চালু হয়েছে। প্রথম ধাপে ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন নারী ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন।
এর
আগে সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বনানী টিএন্ডটি মাঠে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র
করে কড়াইল ও এর আশপাশের এলাকায় ভোর থেকেই উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ফ্যামিলি
কার্ড সুবিধাভোগী নারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। সকাল হওয়ার আগেই শত
শত নারী কড়াইল বস্তি সংলগ্ন উদ্বোধনী এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে
তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন এই ফ্যামিলি কার্ড হাতে পাওয়ার জন্য।
রাজধানীর
বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আজ ফ্যামিলি
কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফ্যামিলি কার্ড
উদ্বোধনের শুভ সূচনার আগে কোরআন থেকে তেলোয়াত করেন মাওলানা ইউসুফ আল মাদানী। এর পরে
বিএনপি দলীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এ সময় ব্যাক-গ্রাউন্ডে বেজে ওঠে 'প্রথম বাংলাদেশ
আমার শেষ বাংলাদেশ..জীবন বাংলাদেশ আমার মরণ বাংলাদেশ', বাংলাদেশ, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ।
' পরে ‘সবার আগে স্বাবলম্বী পরিবার, সবার আগে বাংলাদেশ’
এই স্লোগানকে সামনে রেখে 'ফ্যামিলি কার্ড' নিয়ে তৈরি করা প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন
করা হয়। এতে দেখা যায় হতদরিদ্র পরিবারে এক নারীর অভাব আর সংগ্রামের নিদারুণ কষ্টের
মাঝে স্বস্তির বার্তা নিয়ে হাজির হয় বিএনপি সরকারের দেয়া 'ফ্যামিলি কার্ড'।
আজ
মঙ্গলবার থেকে যেসব এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে সেগুলো হচ্ছে—রাজধানীর
কড়াইল বস্তি, সাততলা বস্তি, ভাসানটেক বস্তি, মিরপুর সার্কেল বা শাহ আলীর ওয়ার্ড-৮,
আলিমিয়ার টেক বস্তি (ওয়ার্ড-১৪) এবং বাগানবাড়ি বস্তি এলাকা।
এছাড়া
রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর, বান্দরবানের লামা,
খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাশন, সুনামগঞ্জের দিরাই, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, বগুড়া সদর,
নাটোরের লালপুর, ঠাকুরগাঁও সদর এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জেও এই পাইলট কর্মসূচি চালু হচ্ছে।
'ফ্যামিলি
কার্ড' প্রদানের ক্ষেত্রে সুবিধাভোগী বাছাই প্রক্রিয়া যেভাবে হয়েছে তা হলো- প্রাপ্ত
তথ্য হতে ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি, পেনশন ইত্যাদি
কারণে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭ টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য চূড়ান্ত
করা হয়।
সমগ্র
প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র্য সূচক মানের ভিত্তিতে
সম্পন্ন করায় উপকারভোগী নির্বাচনে কোনোরূপ দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের
অবকাশ ছিল না।
এই
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য নির্বাচিত নারীরা মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। এ সময় তিনি
অন্য কোনো ভাতা বা সুবিধা পাবেন না। তবে পরিবারের অন্য কেউ কোনো সুবিধা পেয়ে থাকলে
তা বহাল থাকবে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
নির্বাচনকে সকলের জন্য অংশগ্রহণমূলক, শঙ্কামুক্ত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সশস্ত্র
বাহিনীকে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব
পালনের বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি ) সেনাসদরের হেলমেট অডিটোরিয়ামে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায়
তিনি এ নিদের্শনা প্রদান করেন।
আন্ত:বাহিনী
জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রধান
উপদেষ্টা অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে তাঁকে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,
নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান
মাহমুদ খাঁন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে: জেনারেল এস এম
কামরুল হাসান অভ্যর্থনা জানান।
সভার
শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা দেশের বিভিন্ন প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ও দায়িত্বশীল
ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে ধৈর্য ও পেশাদারিত্বের সাথে দেশের
আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
করেন। সভায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা
হয়।
মতবিনিময়
সভায় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ, সংশ্লিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ
এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন নাজিরাবাজার এলাকা হতে ১৩২ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ০৩ নভেম্বর রাতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন নাজিরাবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১৩২ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো: ১। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার খাড়েরা গ্রামের মোঃ শামসু মিয়া এর ছেলে মোঃ রাসেল (২৪) এবং ২। কুমিল্লা জেলার বাঙ্গরা বাজার থানার হায়দারাবাদ গ্রামের মোঃ আব্দুল হান্নান এর ছেলে মোঃ শরীফ (২০)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত কাভার্ড ভ্যান ব্যবহার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি সদ্য
বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হলেন। আগামী তিন বছরের
জন্য তিনি সেনাপ্রধানের দায়িত্ব সামলাবেন।
আজ রোববার (২৩ জুন) তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।
এর আগে ১১ জুন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ওয়াকার-উজ-জামানকে সেনাবাহিনী
প্রধান হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের শ্বশুর বীর মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজুর রহমানও
একসময় (১৯৯৭-২০০০) সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ওয়াকার-উজ-জামানকে চলতি বছরের শুরুতে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ
অফিসারের (পিএসও) দায়িত্ব থেকে সিজিএস করা হয়। তার আগে ২০২০ সালের নভেম্বরে মেজর জেনারেল
থেকে পদোন্নতি পেয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল হন ওয়াকার-উজ-জামান। তখনই তাকে সেনা সদর দপ্তরের
সামরিক সচিবের দায়িত্ব থেকে পিএসও করা হয়।
শেরপুরের সন্তান ওয়াকার-উজ-জামান ১৯৮৫ সালের ২০ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ দীর্ঘমেয়াদি
কোর্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক কোরে কমিশন পান। দীর্ঘ ৩৯ বছরের সামরিক
জীবনে তিনি একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন, একটি পদাতিক ব্রিগেড ও পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্ব
দিয়েছেন। স্কুল অব ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিকস ও সেনা সদর দপ্তরে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব
পালন করেছেন তিনি।
ওয়াকার-উজ-জামান সেনা সদর দপ্তরের সামরিক সচিবের দায়িত্ব পান ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি।
তার আগে তিনি নবম পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রিন্সিপাল
স্টাফ অফিসারও ছিলেন একসময়। দায়িত্ব পালন করেছেন অ্যাঙ্গোলা ও লাইবেরিয়ায় জাতিসংঘ শান্তি
মিশনেও, সিনিয়র অপারেশন অফিসার হিসেবে।
সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কমিশন পাওয়া ওয়াকার-উজ-জামান মিরপুরের ডিফেন্স
সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ ও যুক্তরাজ্যের জয়েন্ট সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড
স্টাফ কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘মাস্টার্স অব ডিফেন্স
স্টাডিজ’ এবং যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ থেকে ‘মাস্টার্স অব আর্টস ইন ডিফেন্স স্টাডিজ’
ডিগ্রি পান।
ব্যক্তিগত জীবনে ওয়াকার-উজ-জামানের সহধর্মিণী সারাহনাজ কমলিকা জামান। এই দম্পতির
ঘরে দুই কন্যা সন্তান (সামিহা রাইসা জামান এবং শাইরা ইবনাত জামান) রয়েছে।
ওয়াকার-উজ-জামান প্রয়াত
জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমানের জামাতা, যিনি ২৪ ডিসেম্বর ১৯৯৭ থেকে ২৩ ডিসেম্বর ২০০০
সাল পর্যন্ত সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মন্তব্য করুন


মিয়ানমারের
সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্যদের ছোড়া গুলিতে আহত হয়েছে টেকনাফের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী
হুজাইফা আফনান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ
কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। অপারেশন করেও তার মাথার ভেতরে থাকা গুলি বের করা সম্ভব হয়নি।
হুজাইফা গুলিবিদ্ধ
হওয়ার এক দিন পর সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে একই এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে হানিফ নামে
এক যুবকের পা বিছিন্ন হয়ে যায়।
ভুক্তভোগীদের
পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মিয়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরাকান আর্মির
(এএ) গুলি ও মাইনে গুরুতর আহত হয়েছেন হুজাইফা ও হানিফ।
চট্টগ্রাম মেডিকেলের
আইসিইউর সামনে বিষন্ন মনে দাঁড়িয়েছিলেন গুলিবিদ্ধ শিশু হোজাইফা আফনানের চাচা শওকত আলী।
হুজাইফার শারীরিক
অবস্থা জানতে চাইলে শওকত জানান, তার (হুজাইফা আফনান) অবস্থা ভালো না। মাথায় এখনো গুলি
রয়ে গেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ‘মাথার ভেতরে স্পর্শকাতর জায়গায় আছে গুলিটি। এখনো বের
করার মতো পরিস্থিতি হয়নি। গত রোববার রাতে মাথায় অপারেশন হয়েছে। তার মাথার খুলি আলাদা
করে ফ্রিজে রাখা হয়েছে।’
গত সোমবার
(১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে তিনি এসব তথ্য জানান।
শওকত আলী স্থানীয়
একটি দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘রোববার সকালে আমাদের
বাড়িতে পিঠা বানানো হচ্ছিল। সাড়ে ৮টার দিকে নাস্তা করে হুজাইফাকে পানি আনতে বলি৷ পরে
আমি ৯টার দিকে মাদ্রাসায় চলে যাই। আমাকে ফোন করে জানানো হয়, হুজাইফা গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন,
এরপর বাসায় গিয়ে তাকে নিয়ে কক্সবাজার হাসপাতালে যাই। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে
রেফার করা হয়। বিকেল ৪টার দিকে আইসিইউতে ভর্তি করানো হয়। এরপর তার অবস্থার উন্নতি হয়নি।
রাতে অপারেশন করা হয়। তার মাথার খুলি আলাদা করে ব্রেইনে জমাট বাঁধা রক্ত অপসারণ করা
হয়েছে এবং খুলিটি ফ্রিজে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দেশের অভ্যন্তরে
প্রবেশ করে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলি করেছে বলে দাবি করে শওকত বলেন, টেকনাফের হোয়াইক্যাং
তেচ্ছাব্রিজ এলাকায় সিমান্ত থেকে তিন কিলোমিটার দূরে। ওই জায়গায় গুলিবিদ্ধ হয় হুজাইফা।
সীমান্তের ওপার থেকে গুলি করা হলে লোকালয়ে আসার কথা না। মূলত দেশের অভ্যন্তরে হউসের
দ্বীপ এলাকা থেকে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলি করেছে। তারা ওই দ্বীপ ছেড়ে
যাওয়ার সময় স্থলমাইন পুঁতে দিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, ওই মাইন বিস্ফোরণে
আজকে (সোমবার) সকালে আরেকজনের পা বিছিন্ন হয়।
চট্টগ্রাম মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ বলেন,
ভোর ৪টা পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তবে গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। সেটি মস্তিষ্কে,
বের করায় ঝুঁকি আছে। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানো হয়েছে।
সীমান্তের একাধিক
সূত্র জানায়, রোহিঙ্গা বিদ্রোহীগোষ্ঠীর হামলা ঠেকাতে নাফ নদীর মধ্যভাগে জেগে ওঠা কয়েকটি
দ্বীপের চারপাশ এবং সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে নিষিদ্ধ স্থলমাইন পুঁতে রেখেছে মিয়ানমারের
সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। এর আগেও স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি কয়েকজন জেলে
আহত হয়েছেন। দ্বীপগুলোতে মূলত মাছ চাষ হয়, স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে মাছ চাষ করেন,
মানুষের কোনো বসতি নেই।
জানতে চাইলে
হোয়াইক্যাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ জালাল বলেন, মিয়ানমারের ভেতরে
আরকান আর্মির সঙ্গে প্রতিপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। সেখান থেকে একটি পক্ষে
নাফ নদী পার হয়ে দেশের অভ্যন্তরে চলে আসায় আরকান আর্মিও হউসের দ্বীপে চলে আসে। সেখান
থেকেও গোলাগুলি হয়। পাশাপাশি জায়গায় আজকে মাইন বিস্ফোরণে হানিফ নামের একজনের পা বিছিন্ন
হয়ে গেছে। তিনিও একই এলাকার বাসিন্দা।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) চট্টগ্রাম সেনানিবাসস্থ দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টার (ইবিআরসি)-এ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩৮তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি। সেনাবাহিনী প্রধান ইবিআরসিতে পৌঁছালে তাঁকে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড: জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া এবং কমান্ড্যান্ট ও পাপা টাইগার, দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টার অভ্যর্থনা জানান।
বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনের শুরুতেই সেনাবাহিনী প্রধান ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা স্মরণ করে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। সেই সাথে নিষ্ঠা, একাগ্রতা এবং পেশাদারিত্বের সাথে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা অর্জন করে একবিংশ শতাব্দীর কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার জন্য ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সকল সদস্যদের প্রতি আহবান জানান। এছাড়াও, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে সেনাবাহিনী প্রধান এ রেজিমেন্টের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করেন।
অনুষ্ঠানে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া; কমান্ড্যান্ট ও পাপা টাইগার, ইবিআরসি; মিলিটারি সেক্রেটারি; অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল; কমান্ড্যান্ট, বিআইআরসি; চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ চা বোর্ড; সেনাসদর ও চট্টগ্রাম এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ; সকল পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডারগণ ও ইউনিটসমূহের অধিনায়কগণ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের রূপরেখা দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) ভোররাতে সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ফেসবুকে দেওয়া ভিডিওবার্তায় সরকার গঠনের রূপরেখার দেন।
সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রিয় মুক্তিকামী ছাত্রজনতা, আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের এ অভ্যুত্থান ও বিপ্লবের পরই অরাজকতা, নাশকতা করছে ফ্যাসিস্ট এবং তাদের দোসররা। আমরা দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন জায়গায় গোলাগুলি চলছে, মন্দিরে হামলা হচ্ছে এবং নাশকতা ও লুটপাট চলছে।
সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা মনে করি, আমাদের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে নস্যাৎ করার জন্যই এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। আমরা মুক্তিকামী ছাত্র-জনতাকে সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রূপরেখা দিতে ২৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছিলাম, জরুরি পরিস্থিতি মোতাবেক তার একটি রূপরেখা এখনই ঘোষণা করছি।
সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সর্বজন গ্রহণযোগ্য, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, তিনি ছাত্র-জনতার আহ্বানে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে এ গুরু দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছেন। আমরা সকালের মধ্যেই সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দেখতে চাই।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতির কাছে আহ্বান, দ্রুত সময়ের মধ্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হোক। এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যদের নামও আমরা সকালের মধ্যে ঘোষণা করব।
আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার উদ্দেশে সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতির কাছে আহ্বান, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি (স্বাভাবিক অবস্থায়) ফিরিয়ে আনার জন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য মুক্তিকামী ছাত্র-জনতাও রাজপথে থাকবে বলে জানান তিনি। এ সমন্বয়ক বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত মুক্তিকামী ছাত্র-জনতাকে রাজপথে থেকে অভ্যুত্থানকে রক্ষা করতে হবে।
নাহিদ বলেন, ছাত্র-জনতার প্রস্তাব ছাড়া কোনো ধরনের সরকার মেনে নেওয়া হবে না। আমরা আগেও বলেছি, সেনা শাসিত সরকার অথবা সেনা সমর্থিত সরকার অথবা ফ্যাসিস্টদের দোসরদের কোনো বি-টিম সরকার, কোনো গণবিরোধী সরকার মেনে নেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, সবাইকে সকাল থেকে রাজপথে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করতে হবে।
মন্তব্য করুন


বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় রবিবার (২৫ আগস্ট ২০২৪) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জল, স্থল ও আকাশ পথে উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। মানবতার সেবায় পরিচালিত এই অভিযানকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ ২১ টি হেলিকপ্টার সর্টির মাধ্যমে উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উল্লেখ্য, হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ১৬ জন মুমূর্ষ রোগীকে দুর্যোগপূর্ণ এলাকা হতে উদ্ধারপূর্বক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ৩ জন শিশু, ৬ জন অন্তঃসত্ত্বা নারী, ২ জন পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগী ও ৫ জন বার্ধক্য জনিত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি রয়েছেন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সত্ত্বেও ২,১৪৭ প্যাকেট ত্রান ফেনী সদর, ফাজিলপুর, ছাগলনাইয়া, সোনাগাজী, পরশুরাম ও মধুগ্রাম এলাকায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার এর মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও বন্যা দুর্গত এলাকায় সেনা সদস্যদের কার্যক্রম পরিদর্শনে সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, বিপি, ওএসপি, বিএএম, এনডিসি, পিএসসি কুমিল্লা ও ফেনী জেলায় গমন করেন। দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ
বিরতির পর আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে
সিরিজের প্রথম ম্যাচে আজ মিরপুর শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাঠে নামছে
টাইগাররা। ম্যাচটি শুরু হয় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে।
বুধবার(১১
মার্চ) ম্যাচ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরই স্টেডিয়ামের ভিআইপি গেটে উপস্থিত হন জাইমা রহমান।
সেখানে তাকে স্বাগত জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এ সময় বিসিবির পরিচালক
এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের
(বিসিবি) প্রেসিডেন্টস বক্সে অবস্থান করছেন।
এর
আগে, বুধবার (১১ মার্চ) মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের
বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে
বাংলাদেশ। ফলে আগে ব্যাটিংয়ে নেমেছে পাকিস্তান। ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে
রেখে এই সিরিজকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবেই দেখছে দুই দলই।
সবশেষ
গত ২ ডিসেম্বর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলেছিল টাইগাররা।
এরপর ৯৯ দিনের বিরতি শেষে আবার মাঠে ফিরেছে তারা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে না
পারার হতাশা পেছনে ফেলে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে নতুন উদ্যমে শুরু করেছে বাংলাদেশ।
২০২৭
বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে পারবে ওয়ানডে র্যাংকিংয়ের সেরা আটটি দল। পাশাপাশি স্বাগতিক
দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে এবং নামিবিয়াও সরাসরি খেলবে। দক্ষিণ আফ্রিকা যদি র্যাংকিংয়ের
সেরা আটে থাকে, সেক্ষেত্রে সেরা নয় দল সরাসরি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। বর্তমানে
ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে দশম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। তাই সেরা নয়ের মধ্যে জায়গা করে নিতে
এই সিরিজটি টাইগারদের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
গুরুত্বপূর্ণ
এই সিরিজে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের নিয়েই মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান
মিরাজ জানিয়েছেন, আগামী বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ভালো ব্যাটিং উইকেটে খেলার অভ্যাস গড়ে
তুলতে হবে দলের ক্রিকেটারদের।
বাংলাদেশের
মাটিতে সর্বশেষ ২০১৫ সালে ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল পাকিস্তান। সেই সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে
হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল তারা। এছাড়া গত বছর তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ
সফরে এসে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছিল পাকিস্তান।
সবমিলিয়ে
এখন পর্যন্ত ৩৯টি ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। এরমধ্যে বাংলাদেশের
জয় ৫টিতে, পাকিস্তান জিতেছে ৩৪ ম্যাচে। পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ৫ জয়ের চারটি
এসেছে ২০১৫ সালে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন