

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা জেলা পুলিশের অধঃস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৫ উপলক্ষে ক্যাম্প প্রশিক্ষণ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স মাঠে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় কনস্টেবল হতে নায়েক/এটিএসআই এবং নায়েক হতে এএসআই (সশস্ত্র) পদে পদোন্নতির জন্য অংশগ্রহণকারীরা নির্ধারিত নিয়মে প্রশিক্ষণ পরীক্ষা দেন।
পরীক্ষা বোর্ডের সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন। তিনি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের ক্যাম্প অনুশীলন পরিদর্শন করেন এবং শৃঙ্খলা ও দক্ষতা যাচাই করেন।এ সময় বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) কুমিল্লা রাশেদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) কুমিল্লা পংকজ বড়ুয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া আবু সাঈদ মোঃ গাওছাল আজম (পিপিএম) এবং কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সের আরআই মোঃ ফরিদুজ্জোহা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে অটোরিকশার ভাড়াকে কেন্দ্র করে বুকে রড ঢুকিয়ে ফরহাদ হোসেন (২০) নামের এক যুবককে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। (১ সেপ্টেম্বর) সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার লক্ষণপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
একইদিন রাত ১০টার দিকে মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ফরহাদ হোসেন উপজেলার লক্ষণপুর ইউনিয়নের বানঘর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। অপরদিকে অভিযুক্ত মাহফুজ আলম (২০) সাইকচাইল গ্রামের রবিউল হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ফরহাদ ও মাহফুজ দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। সোমবার সন্ধ্যায় কাজ শেষে অটোরিকশায় করে তারা লক্ষণপুর বাজারে পৌঁছান। এ সময় ভাড়া দেওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে মাহফুজ উত্তেজিত হয়ে ফরহাদের বুকে রড ঢুকিয়ে দেয়। এতে ফরহাদ গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পরে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত মাহফুজকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
মনোহরগঞ্জ থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে বলেন, ‘খবর পেয়ে নিহতের মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ আগস্ট) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে আটক করা হয়েছে।’
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বারের ধামতী ইউনিয়নে নানা পন্থায় ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মিঠুর ক্রয় করা বসত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সাবেক এমপির কর্মীদের বিরুদ্ধে। বসতজমির কলাগাছ কেটে নেয়া, বসতঘর কুপিয়ে ঘরের বাসিন্দাদের মারধর-মালামাল লুট, আবার সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করে আওয়ামী দোসর বানিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে বির্তকিত করে তার ক্রয় করা জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনদের বিরুদ্ধে।
ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মিঠুর ছোট ভাই মোঃ সোহরাব হোসেন জানান, আমার বড় ভাই ধামতী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিগত ২০২২ সালের ২২ জুন দুয়ারিয়া এলাকায় ৫২ শতক জায়গা হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনের কাছ থেকে কেনার জন্য বায়নাপত্র করে এবং সম্পত্তির মূল্য বাবদ ৪৩ লক্ষ টাকার চেক তাদের প্রদান করেন। তারা পরে টাকা বুঝে নিয়ে আমাদেরকে জায়গা ভোগ দখল বুঝাইয়া দিলে আমরা গত দুই বছর যাবৎ উক্ত সম্পত্তি ভোগ দখল করে সেখানে কলার বাগান করি। আমরা বহুবার তাদেরকে সম্পত্তিটি রেজিস্ট্রি করে দিতে বললেও মকবুল হোসেন প্রবাসে থাকার বাহানা দিয়া ‘অদ্যবধি তারা আমার ভাইয়ের নামে উক্ত সম্পত্তিটি রেজিস্ট্রি করে দেয়নি। চলতি বছরে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পরেই তারা বেপরোয়া হয়ে উঠে। তারা এমপি আবুল কালাম আজাদের অনুসারি ছিলেন। ৫ ফেব্রুয়ারি আমাদের বায়না করা ৫২ শতক জমির ৫ পাঁচ শতাধিক কলা গাছ কেটে নিয়ে জমির চারপাশে তার কাটা বেড়া দিয়ে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনের নেতৃত্বে আলামিন বাশার ও আলামিনসহ অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা । পরে মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হলে কিছুদিন তারা চুপচাপ থাকে। এছাড়া আমরা এই বিষয়ে থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি।
সোহরাব আরো জানান, পরবর্তীতে ১৫ অক্টোবর বিকেল ৫ টায় আমাদের জমিতে নির্মিত দুটি ঘরে বসবাসরত মো: জুয়েল (১৮) ও মো: হোসাইনকে (১৮)মারধর করে দুটি ঘর ভাংচুর করে মালামাল লুট করে নেয় হুমায়ুন কবির বাহিনী। এ ঘটনায় আমি বাদি হয়ে দেবিদ্বার থানায় ৭ জনের উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের করি। এ ঘটনায়ও জড়িত ছিলেন ধামতী ইউনিয়নের দুয়ারিয়া গ্রামের মো: বাচ্চু মিয়ার ৩ ছেলে মো: হুমায়ুন কবির, মকবুল হোসেন ও মহসিন, মৃত. খোরশেদ মিয়ার ছেলে এছাড়া আবু বকর ও আবু সাইদ, হোসেন মেম্বারের ছেলে আল আমিন ও মো: খলিল, জসিমের ছেলে মো: রিফাত এবং শাহ জালালের ছেলে মো: সিয়াম প্রমুখ। হামলা–ভাংচুর করেও জায়গা দখল করতে না পেরে ১৪ নভেম্বর আমার ভাইকে আওয়ামী দোসর বানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে হুমায়ুন কবির বাহিনী। আমরা তো বসতজমি দখল করিনি, জমিটি ক্রয় করেছি।
স্থানীয় একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন মিঠু আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ সমর্থিত আওয়ামী নেতাকর্মীদের রোষানলে পড়েন তিনি। চলতি বছরের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজাদ এমপি হওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদে নিজ কার্যালয়েও তিনি যেতে পারতেন না এমপি আজাদ সমর্থিত নেতাকর্মীদের হুমকির কারণে। এরপরই চেয়ারম্যান মিঠুর লোকজনকে একাধিকবার মারধর করা হয়। সম্প্রতি তার বসতজমিটিও দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। মহিউদ্দিন মিঠু দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য চেয়ারম্যান । বর্তমানে মহিউদ্দিন মিঠু চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে হুমায়ুন কবিরের মুঠোফোনে কল দিলে মুঠোফোন সংযোগে তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ইন্সপেক্টর শাহীন ইসলাম জানান, আমি এ বিষয়ে তেমন কিছু জানি না। ওসি স্যার ছুটিতে আছেন। তিনি হয়তো এ বিষয়ে বলতে পারবেন।
দেবিদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শুভ জানান, মিঠু সাহেবের বসতজমিতে হামলার পর আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলেছি। পরিবেশ যাতে ঘোলাটে না হয় সে জন্য সর্তক করা হয়েছে।আর বসতজমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
কুমিল্লার ৬টি উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন ৭০টি পরিবার নিজ বসতভিটায় বিশেষ আবাসন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় সেনাবাহিনীর নির্মিত ঘর পেয়েছে।
আজ বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ঘোলপাশায় ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ঘরগুলো উপহার হিসেবে হস্তান্তর করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
এসময় কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার, ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোঃ এনামুল হক, ২৩ বীরের অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসেনসহ সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জেলার বুড়িচংয়ে ২৯, ব্রাহ্মণপাড়ায় ১০, সদর দক্ষিণে ৬, চৌদ্দগ্রামে ১০, মনোহরগঞ্জে ১০ ও নাঙ্গলকোটে ৫ টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর ২৪ ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশন এসব গৃহনির্মাণ বাস্তবায়ন করে।
ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সঙ্গে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গোলপাশা ইউনিয়নের কুমাল্লা গ্রামের উপকারভোগী মো. আলম মিয়ার বাড়ির সামনে থেকে অনুষ্ঠানটি সংযুক্ত হয়।
২০২৪ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন কুমিল্লা জেলার ৭০টি পরিবারের মধ্যে এ ঘরগুলো হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


শারদীয় দুর্গাপূজার মহাসপ্তমী আজ বৃহস্পতিবার। সারাদেশের ন্যায় বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার কুমিল্লা মহেশাঙ্গণসহ জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে সকাল ৬টা ১০মিনিট থেকে সপ্তমীপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
চণ্ডী ও মন্ত্রপাঠের মধ্যদিয়ে পূজা, দেবীদর্শন, দেবীর পায়ে ভক্তদের অঞ্জলি প্রদান শেষে প্রসাদ গ্রহণের মতো আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। মণ্ডপে মণ্ডপে সকাল থেকেই ছিল পুণ্যার্থীদের ভিড়।
এ বছর কুমিল্লা মহানগরী সহ জেলায় ৭৯৪ টি পূজা মন্ডপে শারতীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে ।
এদিকে পূজাকে কেন্দ্র করে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে যাতে না পারে সেক্ষেত্রে প্রশাসনের পক্ষ প্রতিটি পূজা মন্ডপে ব্যাপক নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
প্রতি বছর কার্ত্তিক মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয় তিথিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাসা-বাড়ীতে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় ঘরোয়া পরিবেশে পালিত হয় বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা উৎসব।
তারই ধারাবাহিকতায় ২৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর কালিয়াজুরীতে বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা ইউনিটের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের একমাত্র মেয়ে অর্পিতা সরকার তাঁর ছোটভাই অরন্য সরকার প্রিন্স এর কপালে চন্দন দিয়ে ফোঁটা এঁকে ছড়া কেটে বলেন "ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়লো কাঁটা, যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা, আমি দেই আমার ভাইকে ফোঁটা।" এভাবেই ভ্রাতৃদ্বিতীয়া যমের দুয়ারে কাঁটা দিয়ে বোন ভাইয়ের দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করেন। এরপরে ভাইবোনেরা একে অপরের সাথে মিষ্টি বিনিময় করে এবং উপহার আদান-প্রদান করে থাকে।
জানা যায়- শুভ দিনের পরম পবিত্র লগ্নে ভাই-বোনের মধুর সম্পর্কের পুনঃ নবীকরণ করে নেওয়া হয় প্রতি বছর। শৈশবের হারিয়ে যাওয়া মধুর এই দিনটিতে বড় বেশি করে মনে পড়ে যায়। ভাই-বোনের স্নেহ ভালোবাসার সম্পর্কের প্রকাশ ভাইফোঁটা আচার অনুষ্ঠানটি মন কেড়ে নেয়। একটি অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে চিরন্তন আবেগ অনুভূতিই জীবন্ত হয়ে ওঠে। কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষে দ্বিতীয় তিথিতে বোন তাঁর ভাইকে পরম যত্ন সহকারে একটি সুন্দর আসনে বসিয়ে হেমন্তের শিশির ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে হাতের তিন আঙ্গুলের সাহায্যে বোন তাঁর ভাইয়ের কপাল ধুয়ে দেয়। এরপর বোন তার কনিষ্ঠা আঙ্গুল দিয়ে একইভাবে চন্দন তিলক এঁকে দিয়ে ছড়া কেটে বলে "ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়লো কাঁটা, যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা, আমি দেই আমার ভাইকে ফোঁটা।"
অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার বলেন- দীপাবলির একদিন পরেই ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা। হেমন্তের পবিত্র শিশির দিয়ে বোন তাঁর ভাইয়ের সব অশুভ, অমঙ্গল ও অকল্যাণকর শক্তিকে ধুয়ে দেয়। সুগন্ধি চন্দন তিলক ললাটে এঁকে দিয়ে এনে দেয় সৌভাগ্যের পরশমনি। তারই সঙ্গে অমরত্বের প্রতীক দুর্বা আর ধনের প্রতীক ধান দিয়ে প্রার্থনা বা আশীর্বাদ বা তার মঙ্গল কামনা করেন। তিনি আরো বলেন- যমী (যমুনা) তার ভাই যমকে কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে নিজ গৃহে এনে পূজা করে ভোজনে আপ্যায়িত করেছিলেন। তিনি বলেন জনশ্রুতি আছে, সেই থেকে অদ্যাবধি বিপুুুল উৎসাহ উদ্দীপনায় ঘরোয়া পরিবেশে পালিত হয়ে আসছে বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা উৎসব।
অন্যদিকে, ১৩৩৬ খ্রিস্টাব্দে আচার্য সবানন্দ সুবীর পুঁথির শেষ শ্লোকে বলা হয় মহাবীরের জীবনবাসন হলে রাজা নন্দী বর্ধন বোনের শোক নিবারণের জন্য বোনকে বুঝিয়ে আদর যত্ন করে আপ্যায়ন করেছিলেন। ভ্রাতৃদ্বিতীয়া যমের দুয়ারে কাঁটা দিয়ে ভাইয়ের দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করা হয়। ভাইফোঁটার দিনে বোনেরা তাদের দাদা বা ভাইকে নিজের বাড়ীতে নিমন্ত্রণ করে আপ্যায়ন করে এবং ভাইয়েরাও বোনদের প্রাণ ভরে আর্শীবাদ করে। ভাগ্নিরা ভাইয়ের কপালে চন্দন ও কুমকুমের তিলক বা ফোঁটা এঁকে দিলে কেউ তার ক্ষতি করতে পারবেনা। সেজন্যই বোনেরা ভাইয়ের হাতে রাখি বেঁধে দেয়। এভাবে বোনেরা ভাইয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করে। এরপর ভাইকে ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি খাওয়ায়। ভাইও তার সাধ্যমত বোনকে কিছু উপহার বা টাকা দেয়। পশ্চিমবঙ্গের ন্যায় বাংলাদেশেও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে পালিত হয় বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা উৎসব।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই)
পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে কুমিল্লার রসমালাই। ২০২৪ সালে কুমিল্লার রসমালাই সহ মোট চারটি
পণ্য জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। পণ্যগুলো হলো টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম,কুমিল্লার
রসমালাই, বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল এবং কুষ্টিয়ার তিলের খাজা।
বৃহস্পতিবার (২ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় কুমিল্লার রসমালাই জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করেন। এসময় তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পঙ্কজ বড়ুয়াসহ জেষ্ঠ্য সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে জিআই সনদ প্রদর্শন করেন।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মু:
মুশফিকুর রহমান বলেন, কুমিল্লার ইতিহাস ঐতিহ্যের ভাণ্ডার অনেক প্রাচীন। কুমিল্লার রসমালাই
জিআই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মধ্যদিয়ে এটির বৈশ্বিক স্বীকৃতি মিলেছে। এই স্বীকৃতির
মাধ্যমে পণ্যটির বাণিজ্যিকীকরণের সুবিধা বাড়লো। এই রসমালাই এখন দেশের বাইরেও রপ্তানি
করা যাবে। আমরা কুমিল্লার খাদি, বিজয়পুরের মৃৎশিল্প নিয়ে জিআই পণ্য হিসেবে অনুমোদনের
জন্য কাজ শুরু করবো। এছাড়াও কুমিল্লার বরুড়ার লতি, হোমনার শ্রীমদ্দির বাঁশি নিয়েও
পরবর্তীতে এগিয়ে যাবো।
কুমিল্লার রসমালাইয়ের জিআই স্বীকৃতি প্রাপ্তিতে অনির্বাণ সেনগুপ্ত কুমিল্লা জেলা প্রশাসনসহ শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সারের সভাপতিত্বে সভার শুরুতে কার্যপত্র পাঠ করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্র্যাট মো. জাফর সাদিক চৌধুরী। সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার নজির আহমেদ খান, কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট অ্যাডভোকেট কাইউমুল হক রিংকু, অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মোতালেব হোসাইন, জামায়াতে ইসলামীর মহানগরী নায়েবে আমীর অধ্যাপক এমদাদুল হক মামুন, এনসিপির কুমিল্লা মহানগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল হাসান, যুবশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাজহারুল ইসলাম হানিফ, পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি জামিল খন্দকার, জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসারগন সহ বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের প্রধানরা।সভায় জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা করা হয়। কুমিল্লা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন ঠিক থাকে সে দিকে সভায় উপস্থিত সকলকে নজর রাখার জন্য জোর তাগিদ দেয়া হয়। যেন জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে এবং কোন কারণে তার অবনতি হয়ে জনসাধারণের জান-মালের ক্ষতি সাধন না হয়। এই বিষয়ে সভার সকলকে সজাগ থাকার বিশেষ তাগাদা দেয়া হয়েছে।সভার কার্যপত্রে জানানো হয়, কুমিল্লায় সেপ্টেম্বর মাসে চাঁদাবাজি, চুরি, নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদক ও অপমৃত্যু মতো অপরাধের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। অপরদিকে ডাকাতির পরিমান বেড়েছে। স্থিতি রয়েছে ছিনতাই, খুন ও চোরাচালান। অপরদিকে কিছু অপরাধ প্রবণতায় সামান্য হলেও কমতির ধারা লক্ষ্য করা গেছে। জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। সভায় বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার নজির আহমেদ খান বলেন, কার্যপত্রে দেখলাম আইনশৃঙ্খলা সূচক কিছু ক্ষেত্রে কমেছে, কিছু ক্ষেত্রে বেড়েছে। জেলা পুলিশ ডাকাতি প্রতিরোধে গত মাসরমে বেশ কয়েকটি অভিযান করেছে। আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দারসহ ১৪ জনের একটি ডাকাতের টিম আটক করেছি। মাদক নিয়ে জেলা পুলিশ কাজ করছে।
বিজিবি কুমিল্লার সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, সীমান্তে মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রতিনিয়ত অপারেশন অব্যাহত আছে। গোমতী নদীকে ব্যবহার করে অনেকে মাদক চোরাকারবার করছে। আমরা এমন কয়েকটি চালান সনাক্ত করে ধরতে পেরেছি।
সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মাইনউদ্দিন চিশতী বলেন, পলিথিন ব্যবহারে সর্বত্র সয়লাব। আপাতত ব্যবহৃত পলিথিন সংগ্রহ করে ডাম্পিং করা হয়। কিন্তু যেসব পলিথিন ড্রেনে বা খালে ফেলা হয় সেগুলো ডাম্পিংয়ের সুযোগ থাকে না।
সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার মোস্তফা কামাল বলেন, আমরা কাজ করছি, আগামী তিনদিনের মধ্যে সড়কে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা হবে বলে আশা করছি। মহাসড়কে ইউটার্নগুলো নিয়ে আমরা পরিকল্পনা গ্রহন করেছি। ডিসেম্বরের মধ্যেই সুফল আসবে বলে আশা করছি। উল্টোপথে গাড়ি চলাচল রোধে কাজ করছি, অনেকাংশে কমে এসেছে। বর্ষায় মোটামুটি অনেক রাস্তাই বেহাল দশা। বর্ষায় মেরামত করলে টেকসই হয় না। এখন বর্ষার মৌসুম শেষের দিকে, এখন অনেক রাস্তাই মেরামত শুরু হয়েছে। কিছু রাস্তায় নতুন টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ শুরু হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সার বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সকল শ্রেণীপেশার মানুষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই ওঠানামা নিয়ে আমাদেরকে আরও সতর্ক থাকতে হবে। ডাকাতি, দস্যুতা ও অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনা বেড়ে যাওয়াটা আমাদের জন্য উদ্বেগের বিষয়। এসব প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সব স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সক্রিয় করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় পরিবেশ রক্ষা, বায়ু দূষণ
প্রতিরোধে জনসচেতনতা বিষয়ক মানববন্ধন করেছে কুমিল্লার তিনটি যুব সংগঠনের সদস্যরা।
সোমবার বেলা সাড়ে ১০ টার দিকে
"Turn the pollution into solution" প্রতিপাদ্য বিষয়কে সমানে রেখে কুমিল্লার
বেলতলী বিশ্বরোডের ময়লার ভাগাড় ও কোটবাড়ি এলাকায় এই মানববন্ধন আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিসের কুমিল্লা জেলার সমন্বয়কারী মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব বাংলাদেশে বেড়েই চলছে। পরিবেশ দূষণ বৃদ্ধির ফলে ওজোন স্তর ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তাই কুমিল্লা মহাসড়কে ময়লার ভাগাড় মুক্ত করতে আমাদের আজকের জলবায়ু আন্দোলন।"
ময়নামতি কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজের
উপদেষ্টা মো. আমিনুর রহমান বলেন, বৈজ্ঞানিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কুমিল্লা মহাসড়ক
ও কোটবাড়ি এলাকা ময়লার ভাগাড় মুক্ত করতে কর্তৃপক্ষকে উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
এসময় ইয়ুথ চেঞ্জ সোসাইটি বাংলাদেশ এর
মিনিস্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ তাহসিনুল ইসলাম সাব্বির বলেন, "একমাত্র সচেতনতাই প্রতিরোধ
গড়তে পারে প্লাস্টিক ব্যবহার। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা প্লাস্টিক ব্যবহারে সচেতন হবো না,
ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা পরিবেশ দূষণ রোধ করতে পারবো না।
ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ কুমিল্লা প্রতিনিধি জেরিন আফরোজ বলেন, কুমিল্লা মহাসড়কের পাশে ময়লা আর্বজনার কারণে একদিকে যেমন বাতাসে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে অন্যদিকে সড়ক মহাসড়ক দিয়ে চলাচলরত যানবাহন ও পথচারীরা চরম ভোগান্তির শিকার হতে মুক্ত ও নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করবো।
এসময় মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা কুমিল্লা
চৌদ্দগ্রাম থেকে চান্দিনা, ঢাকা- চট্রগ্রাম মহাসড়কের পাশে ময়লার ভাগাড় অপসারণের জন্য
সিটি কর্পোরেশন এবং অন্যান্য কতৃপক্ষের কাছে দাবী জানান।
মানববন্ধনে যৌথভাবে অংশ নেওয়া তিনটি সংগঠন হলো ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস, ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ এবং ইয়ুথ চেঞ্জ সোসাইটি বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহে কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছে। তবে বাংলাদেশে এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই। আগামী এক মাসের চাহিদা মেটানোর মতো মজুদ দেশে রয়েছে এবং পরবর্তী চালানবাহী জাহাজও ইতোমধ্যে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। তাই তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।
শনিবার (৭ মার্চ) কুমিল্লা স্টেডিয়াম জিমনেসিয়ামে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার পরিচিতি সভা, ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বিদ্যুতের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং অপচয় রোধে সচেতন হতে হবে। আসন্ন ঈদ মৌসুমে মার্কেটগুলোতে অতিরিক্ত আলোকসজ্জা না করার জন্যও তিনি ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান। মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব এখন একটি কঠিন সময় অতিক্রম করছে। তাই বিদ্যুতের অপচয় কমিয়ে আমাদের সবাইকে হিসাব করে চলতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। আমাকে এমন কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন , যেগুলোর সঙ্গে দেশের প্রতিটি মানুষের জীবন-জীবিকা সরাসরি সম্পর্কিত। এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন, যাতে তিনি দায়িত্ব পালন করে কুমিল্লার মানুষের মুখ উজ্জ্বল করতে পারেন।
কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি
সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) মোঃ মোস্তাক মিয়া,বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূঁইয়া, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জামাল খন্দকার।
কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মঞ্জুরুল আলম ভূইয়া মঞ্জুর পরিচালনায় কুমিল্লার বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
আলোচনা সভা শেষে দোকান মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি হেলাল উদ্দিন কুমিল্লা জেলার নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে পরিচয় করিয়ে দেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার চান্দিনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস চাপায় আসমা বেগম (৫৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে কুটুম্বপুর ফুট ওভার ব্রিজের নিচে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আসমা বেগম চান্দিনা উপজেলার গাটিগড়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত কেরামত আলী’র স্ত্রী।পুলিশ জানায়, নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সারা এক্সপ্রেস’ (রেজি. নং- ঢাকা মেট্রো-ব-১২-৫৩৩৬) নামের বাসটি দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে চলার সময় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আসমা বেগমকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
সংবাদ পেয়ে ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।এবিষয়ে ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মো. রুহুল আমিন জানান, দুর্ঘটনার পরপরই বাসচালক পালিয়ে যান। তবে বাসটি জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। এ ঘটনায় মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন