

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে ঢাকার গুলশান এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে করা একাধিক হত্যা মামলার আসামি তিনি। অভিযানে নেতৃত্ব দেন দাউদকান্দি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সামছুল আলম।আজ সোমবার সকালে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী।তিনি বলেন, গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলী সুমনের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে রিফাত ও বাবু হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর আজ সকালে তাকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে ছিলেন সুমন। অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন তিনি দেশ ত্যাগ করেছেন। সুমন কুমিল্লা-১ ( দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়ার ছেলে।
মন্তব্য করুন


জাহাঙ্গীর আলম, কুড়িগ্রাম উত্তর প্রতিনিধি :
একশন এইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় উদয়াঙ্কুর সেবা সংস্থা এর আয়োজনে ইমপাওয়ারিং গার্লস এন্ড কমব্যাটিং চাইল্ড ম্যারেজ প্রজেক্ট এর আওতায় (২৮ এপ্রিল) সকাল ১১ টায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেহনুমা তারান্নুম। সভায় অত্র উপজেলার সকল প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ সহ প্রকল্পের সরাসরি অধিকারভোগীগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় অধিকারভোগীগণ বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট দায়িত্ববাহককে তাদের চাহিদা সমূহ তুলে ধরেন।
প্রকল্প সমন্বয়কারী রবিউল ইসলামের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন আবদুল্লাহ আল মামুন, ম্যানেজার চাইল্ড স্পন্সরশীপ এন্ড চাইল্ড রাইটস প্রোগ্রাম, একশনএইড বাংলাদেশ বলেন অধিকারভোগীদের চাহিদা সমূহ দায়িত্ববাহকগণ গুরুত্বের সাথে নিয়ে সহযোগিতা করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কিশোরী ক্লাবের সদস্য রেশমা খাতুন তার বক্তব্যে বাল্যবিবাহ বন্ধে শিক্ষক, ইমাম, কাজী, ঘটক ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রান্তিক নারী নেত্রী হালালী খাতুন বলেন, আমরা দরিদ্র মায়েরা প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে বাল্যবিবাহ থেকে আমাদের শিশুরা রক্ষা পেতে পারে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সেক্রেটারী মোর্শেদ আলম বলেন, বাল্যবিবাহ এর জন্য অভিভাবক ও এর সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনলে বাল্যবিবাহ কমে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।
পানিমাছ কুটি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তা শেখ বলেন, যে, বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে সমাজের প্রত্যেক অংশীজনকে নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে কাজ করে যেতে হবে।
সাইফুর রহমান সরকারি কলেজের প্রভাষক শংকর কুমার সেন বলেন, আমরা এটি বাল্যবিয়ে দিয়ে হাজারটি সমম্যার জন্ম দেই। তাই আসুন আমরাই পারি বাল্যবিবাহ রোধ করতে।
ফুলবাড়ী উপজেলার ইমাম সমিতির সভাপতি হাফেজ একরামুল হক বলেন, অভিভাবক ও শিক্ষকের বড় দায়িত্ব হলো ছেলেমেয়েদের সঠিক পথে পরিচালিত করা। এইটি হলে পরে বাল্যবিবাহ অনেকাংশে কমে যাবে।
ফুলবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ বলেন, একজন মেধাবী মেয়ের কখনোই বাল্যবিবাহ হয় না। তাই আমাদের মেয়েশিশুদের লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করতে হবে। যারা ভালো ফলাফল করছে না তারাই বাল্যবিবাহের শিকার হচ্ছে।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ শরিফুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাহাতাব হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আকবর কবীর, ইউএসএস এর প্রধান কার্যালয়ের সমন্বয়কারী আব্দুর রউফ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেহেনুমা তারান্নুম বলেন, বাল্যবিবাহ লিগ্যাল ভাবে হয় না। অধিকাংশ বাল্যবিবাহ ছেলেমেয়েদের প্রেম ঘটিত ফলাফল। আমরা সমাজে যারা পুরুষ আছি তারা যদি সিদ্ধান্ত নেই ১৮ বছরের কম কোন মেয়েকে আমরা বিয়ে কিংবা ছেলের বউ হিসেবে বেছে নিব না, তাহলেই অনেক বাল্যবিবাহ কমে যাবে। বাল্যবিবাহ রোধ করতে চাইলে যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা সবাই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে একসাথে কাজ করবো এই প্রতিজ্ঞা দেওয়া হলো।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় টাউন হল মাঠে অস্ত্র সহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নগরীর টাউনহল মাঠের ভিতর পূর্ব পাশে
দেশীয় অস্ত্রের মহড়া প্রদর্শন করে, জনমনে আতংকিত করে ভীতিকর অবস্থা সৃষ্টি করে। উক্ত
সংবাদ কান্দিরপাড় পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আমিনুল উল্লাহ মোবাইল ফোনে জানালে
থানা এলাকায় ডিউটিরত মোবাইল-১ পার্টি এবং কান্দিরপাড় পুলিশ ফাঁড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ
অফিসার ও ফোর্সসহ ৯ জানুয়ারী রাত ৪ টা ৪০ মিনিটে কোতয়ালী মডেল থানাধীন কান্দিরপাড়
সাকিনস্থ টাউন হল মাঠের ভিতর পূর্ব পার্শ্বে পৌছামাত্র আসামীগন পুলিশের উপস্থিতি টের
পেয়ে পালাইয়া যাওয়ার চেষ্টার সময় তাদেরকে আটক করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ শরীফ
(২০), পিতা-আব্দুর সামাদ, মাতা-মোসাঃ জোসনা বেগম, সাং-শাসনগাছা, ২। মোঃ ফরহাদ হোসেন
(২০), পিতা মৃত-দুলাল মিয়া, মাতা মৃত-রওশন আরা, সাং-রামপুর, ৩। জসিম উদ্দিন (২০),
পিতা-মোঃ সুরুজ মিয়া, মাতা- মোসাঃ খুরশিদা বেগম, সাং- নিশ্চিন্তপুর, ৪। মোঃ আকাশ
(২০), পিতা-কামাল হোসেন, মাতা- মোসাঃ রহিমা বেগম, সাং-অশোকতলা, ৫। মোঃ রবিউল (২১),
পিতা মৃত আব্দুল করিম, মাতা-আমেনা বেগম, সাং-অরন্যপুর, সর্ব থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা,
৬। মোঃ সবুজ আলী (২১), পিতা-রেসু মিয়া, সাং-ছালিয়াকান্দি, থানা-মুরাদনগর, জেলা-কুমিল্লা,
৭। মোঃ বাবু সওদাগর (২৫), পিতা মৃত-মহন সওদাগর, মাতা- মোসাঃ চায়না, সাং-মদন গোপাল
আঙ্গিনা, থানা-মধুপুর, জেলা-টাঙ্গাইল।
জব্দকৃত অস্ত্রগুলো হচ্ছে- ২ টি চাকু,
২ টি হাসুয়া,ষ্টীলের তৈরী মাথায় লোহার করাত, ১ টি কাচি, ৩টি মোবাইল ফোনের বেক কাভার,
মানিব্যাগ,১ টি রেঞ্জ, পেপার কাটার।
আসামীদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায়
মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা লাকসাম থানার আলোচিত ও ক্লুলেস
মো. শাহজাহান প্রকাশ সাইমন (১৭) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
গত ৩ সেপ্টেম্বর লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত কোয়ার্টারের ভেতরে খাটের ওপর সাইমনের মৃতদেহ সাদা কাপড়ে মোড়ানো
অবস্থায় পাওয়া যায়। লাশের গলা কাটা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। মৃতদেহ থেকে পচা রক্ত
ও পানি বের হচ্ছিল।
পরে সাইমনের পিতা আবদুল হান্নান বাদী
হয়ে লাকসাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে কুমিল্লা পুলিশের একটি
বিশেষ দল সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থেকে প্রধান
আসামি আব্দুল ওয়াদুদ প্রকাশ মানিক (২৪) কে রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে
মানিকের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাইমনের অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার এবং অপর আসামি
মো. সানাউল্লাহ (২৪) কে লাকসাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে মানিক স্বীকার
করে, সানাউল্লাহর সাথে সাইমনের পূর্বের একটি মাদক সেবন নিয়ে ঝগড়া হয়েছিল এবং সাইমন
সানাউল্লাহর মোবাইল নিয়ে যায়। এই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে তারা সাইমনকে হত্যার পরিকল্পনা
করে। হত্যাকাণ্ডের দিন তারা সাইমনকে লাকসাম হাসপাতালের পরিত্যক্ত কোয়ার্টারে নিয়ে যায়,
সেখানে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে মানিক কাঠের লাঠি দিয়ে সাইমনের মাথায় আঘাত করে এবং সানাউল্লাহ
ব্লেড দিয়ে তার গলা কাটে।
গ্রেফতার মানিক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশ এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লার
নাঙ্গলকোট উপজেলায় গরু ছুটে গিয়ে গাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জেরে দুপক্ষের
সংঘর্ষে ৪ জন গুলিবিদ্ধসহ উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন।
আজ
শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকালে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ আলিয়ারা গ্রামে এ ঘটনা
ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা
হলেন- রোকন আলীর স্ত্রী শরিফা বেগম (৬০),বশির আহম্মেদের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম (৫৫),
জাকির হোসেনের ছেলে ওসমান (১৬), জাকির হোসেনের স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৫০)।
তাদের
প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো
হয়েছে।
দায়িত্বরত
ডাক্তার শিমা মজুমদার জানান, দুপুর ১ টার পর তিন নারী ও এক কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে
চিকিৎসা নেন। তাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
গুলিবিদ্ধ
হোসনেয়ারা বেগম বলেন, বেলা ১১টার দিকে দোতলা মসজিদের সামনে শেখ ফরিদের লোকজন এসে আমাদের
গুলি করে। এতে আমিসহ অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়।
এ
বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার ওসি একে ফজলুল হক জানান, দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির খবর পেয়ে
ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীসহ পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর
পাইনি। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
বুড়িচংয়ে ৩০ কেজি গাঁজা পাচারকালে মা-মেয়েসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে
স্থানীয়রা।
আজ
শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে উপজেলার বাকশীমূল ইউনিয়নের কোদালিয়া-ছিনাইয়া এলাকা থেকে তাদের
আটক করা হয়েছে।
আটককৃতরা
হলেন- একই ইউনিয়নের উত্তর আনন্দপুরের বাসিন্দা
জেনারুল হোসাইন জেনু (৩৪), দক্ষিণ আনন্দপুরের বাসিন্দা মো. রুবেল (৩৫), পাঁচোড়া গ্রামের
বাসিন্দা আব্দুল ওয়াসেদ মিয়ার মেয়ে আসমা আক্তার (২০), মাশরা গ্রামের মৃত শফিকুল ইসলামের
মেয়ে জাহানারা বেগম (৩৬) ও একই গ্রামের মৃত শফিকুল ইসলামের স্ত্রী রোকেয়া (৫০)।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৯ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে বাকশীমূল ইউনিয়নের কোদালিয়া-ছিনাইয়া
এলাকায় মাদক পাচারকালে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে স্থানীয়রা।
পরে তল্লাশি চালিয়ে ৩০ কেজি গাঁজাসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে
একই পরিবারের মা ও মেয়ে রয়েছে।
আটকের
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক।
বুড়িচং
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক জানান, আটকদের মাদক আইনে মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
মুরাদনগরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় আমপাল গ্রামবাসীর কাছে
আতঙ্কের আরেক নাম ছিল সুমন সরকার । সেই সুমন সরকারকে স্ত্রী হত্যা মামলার অভিযোগে পুলিশ আটক করেছে।
শুক্রবার যাত্রাবাড়ী প্রথম স্ত্রীর বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনারগাঁও থানা পুলিশ।
কুমিল্লা
মুরাদনগর আমপাল গ্রামের মৃত আলিম সরকারের ছেলে সুমন সরকার। নিহত রিমা সুমনের দ্বিতীয়
স্ত্রী, তার দেড় বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রহমান বলেন, মামলার প্রধান আসামী নিহতের স্বামী সুমনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত
১৯ জুন সোনারগাঁও থানাধীন সাদিপুর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশ থেকে নিহত রিমার লাশ
একটি পলিথিন মোড়ানো বস্তা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে রোববার দুপুরে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে বজ্রপাতে আবুল খায়ের(৬২) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। তিনি পৌর এলাকার সোনাকাটিয়া গ্রামের উত্তর পাড়ার মরহুম জন্তুর আলীর ছেলে। বিকেলে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রশিদ আহমেদ চৌধুরী।
জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো রোববার দুপুরে আবুল খায়ের জমিতে কাজ শেষে পুকুরে গোসল করতে যান। এ সময় জোরশোরে বৃষ্টির সাথে বজ্রপাত শুরু হয়। এক পর্যায়ে পুকুরের ঘাটলায় অবস্থানকালে বজ্রপাতে কৃষক আবুল খায়ের লুটিয়ে পড়েন।
স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে আবুল খায়েরকে উদ্ধার শেষে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসকরা বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই বজ্রপাতে কৃষক আবুল খায়েরের মৃত্যু হয়েছে’।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১ এর বিশেষ অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন চকবাজার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে মোঃ আলম মিয়া (৫৬) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ৩০ কেজি গাঁজা এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আলম মিয়া কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার মতিনগর গ্রামের মৃত কালা মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে জেলার বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা দামে বিক্রি করে আসছিলেন।
র্যাব-১১ জানায়, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) নিজস্ব পদ্ধতিতে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান)
শ্রেণির ‘সি’ ও ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
আজ
শনিবার (১৯ এপ্রিল) ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে ১১টায় এবং
‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বিকাল ৩টা থেকে শুরু হয়ে ৪টায় শেষ হয় । কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ
মোট ৯টি কেন্দ্রে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা এবং ২৬টি কেন্দ্রে ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, আজকে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে
সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি হল ঘুরে দেখেছি।
কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কেন্দ্রগুলোতেও পরীক্ষার পরিবেশ ভাল ছিল। সুষ্ঠু পরীক্ষা
গ্রহণ ও জালিয়াতি প্রতিরোধে আমরা সতর্ক ছিলাম। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি করা
ছিল। ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে ছিল। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের
বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটস সদস্যরা যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছেন। আমাদের প্রত্যেকেই নিজ
নিজ দায়িত্বের প্রতি আন্তরিক ছিল বলেই ‘সি’ ও ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুন্দরভাবে
সম্পন্ন হয়েছে। সামনের ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষাতে আমরা আরও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা
করবো। পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রক্টরিয়াল বডি, কর্মকর্তা-কর্মচারী,
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি ধন্যবাদ
জানান।
উপ-উপাচার্য
অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, আজকের পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী,
প্রক্টরিয়াল বডি, কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট,
সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভর্তি পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ ভাল
ছিল। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আগামী ২৫ তারিখ ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
হবে। আজকের মতো ঐদিনও সবাই আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করবেন বলে প্রত্যাশা করছি।
ট্রেজারার
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের দাবীর প্রেক্ষিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
এ বছর স্বতন্ত্রভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিচ্ছে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এবং নিরাপত্তা
নিশ্চিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, সাংবাদিক
সবাই সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ ভর্তি কার্যক্রম
সহজ করতে এগিয়ে এসেছে। আইন-শৃঙ্খলা যাতে বিঘ্ন না ঘটে, পরিবহন সমস্যা যাতে না হয়, সেজন্য
তারা নিজ উদ্যোগে কাজ করেছে। তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং আগামীতেও তারা এভাবে সহযোগিতা
অব্যাহত রাখবেন বলে আমি আশাবাদী।
প্রক্টর
অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে সবাই কঠোর পরিশ্রম করেছেন। সকলের
সহযোগিতায় আমরা সুন্দরভাবে পরীক্ষা নিতে পেরেছি। আমরা সফল। আগামীতে আমরা আরো ভালো করতে
চেষ্টা করবো।
২৪০
আসনের বিপরীতে ‘সি’ ইউনিটে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯ হাজার ৯৫২ জন। তারমধ্যে উপস্থিত ছিল
৭ হাজার ৬৪৬ জন। উপস্থিতির হার ৭৬.৮৩ শতাংশ। অপরদিকে ৩৫০ আসনের বিপরীতে ‘এ’ ইউনিটে
মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩২ হাজার ৬৫৭ জন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১, সিপিসি-২ এর পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা থেকে ১৪৮ কেজি গাঁজা ও ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন শুভপুর এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে রুমা বেগম (৪০) নামের এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৪৮ কেজি গাঁজা ও ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
পরে ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর আরেকটি বিশেষ দল কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন দুতিয়া দিঘীরপাড় এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। সেখানে ইকবাল হোসেন (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
র্যাবের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত রুমা বেগম চৌদ্দগ্রামের শুভপুর গ্রামের আঃ রাজ্জাকের স্ত্রী এবং ইকবাল হোসেন কোতয়ালী থানার দুতিয়া দিঘীরপাড় এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা দামে বিক্রি করে আসছিল।
র্যাব-১১ জানিয়েছে, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে তাদের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন