

কুমিল্লা ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামী ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ।
সোমবার (২২ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনিছুর রহমান,উভয় সিটিতে সব কেন্দ্রে ভোট হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ।
ময়মনসিংহ সিটিতে এবার দ্বিতীয়বারের মতো ভোটগ্রহণ হবে। অন্যদিকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক ওরফে রিফাত (৬৬) গত ১৩ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন বিধি অনুযায়ী, সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন করতে হয়।
ইসি আরো জানিয়েছেন, ময়মনসিংহ সিটির সাধারণ নির্বাচন ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে উপনির্বাচন আগামী ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। একই দিনে বেশ কয়েকটি পৌরসভায় নির্বাচন হবে। এছাড়া উপজেলা, জেলা পরিষদ উপনির্বাচন হবে। এর বাইরেও মৃত্যুজনিত কারণে শূন্য হওয়া কিছু ইউনিয়ন পরিষদেও নির্বাচন হবে। এই সবগুলো নির্বাচন একই দিনে অর্থাৎ ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। দ্রুতই এসব নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করা হবে। পৌরসভা, জেলা পরিষদ এবং সিটি করপোরেশন ছাড়া অন্য নির্বাচনগুলোর ভোটগ্রহণ হবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে।
২০১৯ সালের ৫ মে প্রথমবারের মতো ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ভোটগ্রহণ হয়। সেবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হন ইকরামুল হক টিটু। ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ১১টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন। সিটি করপোরেশটির আয়তন ৯১ দশমিক ৩১৫ বর্গকিলোমিটার। সিটি করপোরেশনের মোট জনসংখ্যা চার লাখ ৭১ হাজার ৮৫৮ জন।ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে বয়ড়া ও আকুয়া ইউনিয়নের পুরোটা এবং খাগডহর, চর ঈশ্বরদিয়া, দাপুনিয়া, ভাবখালী, সিরতা ও চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়নের আংশিক এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করে এই সিটি করপোরেশনের এলাকা নির্ধারণ করা হয়। এ সিটিতে প্রথম ভোটেও নগরবাসী ইভিএমের মাধ্যমে ভোট দিয়েছিলেন। আর এবারও সেখানে ইভিএমে ভোটগ্রহণ করবে কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশন।
এদিকে ৯ মার্চ যে ৯টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে সেগুলো হলো- জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ পৌরসভা, পটুয়াখালী পৌরসভা, রাজশাহী জেলার কাটাখালী পৌরসভা, সাতক্ষীরা পৌরসভা, ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল পৌরসভা, মুন্সিগঞ্জ পৌরসভা, সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর পৌরসভা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ পৌরসভা ও বরগুনা জেলার আমতলী পৌরসভা।
তিনি বলেন, উপজেলার যে তালিকগুলো আমরা পেয়েছি, সেগুলো যাচাই-বাছাই করছি। ঈদুল ফিতরের আগে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে ৩০ এপ্রিলের মধ্যেই কিছু সংখ্যক নির্বাচন করবো। প্রায় ১০০ উপজেলার নির্বাচনের জন্য এই সপ্তাহেই সিদ্ধান্ত হতে পারে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আমরা এখনো পর্যালোচনা করছি এবং দেখছি। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে এবং ১২ মার্চ শেষ হবে। আবার ১০ বা ১১ মার্চ শুরু হবে রমজান। এ বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হচ্ছে। উপজেলা পরিষদের প্রথম ধাপে যে নির্বাচনগুলো করতে হবে, সেগুলো ৩০ এপ্রিলের মধ্যে কিছু হবে। বাকিগুলো কয়েক ধাপে মে মাসে হবে। কারণ, জুন মাসে এইচএসসি পরীক্ষা। এজন্য আমরা এই সময়টাকে কাজে লাগাতে চাই।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংরক্ষিত আসনের ভোট নিয়ে যাচাই-বাছাই হচ্ছে। সহসাই হয়ে যাবে। সংসদ নির্বাচনের এক মাসের মধ্যে এ ভোট করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন
। তিনি তাদের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘দলের সমর্থন ও সমন্বয় ছাড়া সরকার
সফল হতে পারবে না। তাই নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে করা সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে
জন্য আমাদের 'নতুন সংগ্রামে' নামতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের একটি যুদ্ধ শেষ
হয়েছে। এখন আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সেটা হলো-আমরা মানুষকে যে কথা দিয়েছিলাম তার বাস্তবায়ন
করা।'
আজ
শনিবার (০৯ মে) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (কেআইবি)-এর
মিলনায়তনে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শ্লোগানকে ধারণ করে বিএনপি, যুবদল,
স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন।
তিনি
আরো বলেন, 'গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আপনারা মাঠে ছিলেন। আমি বলেছিলাম নির্বাচন
কিন্তু কঠিন হবে। আপনারা প্রত্যেকেই পরতে পরতে সেটা অনুভব করেছেন। মানুষ আমাদের দলের
পক্ষে, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের পক্ষে সমর্থন দিয়েছে।'
নির্বাচনের
আগে দেয়া ইশতেহার এখন জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, 'নির্বাচনের
আগের দিন পর্যন্ত আমাদের দেয়া ইশতেহার ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ম্যানিফেস্টো।
নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরে বিশেষ করে আমরা সরকার গঠন করার পরে এই ইশতেহারটি আমাদের সরকারের
তথা বাংলাদেশের জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে।’তিনি বলেন 'কারণ ভোট দেয়া দেশের ৫২
শতাংশ মানুষ মূলত আমাদের এই ম্যানিফেস্টোর পক্ষেই রায় দিয়েছেন। কাজেই এই ম্যানিফেস্টোতে
যা যা বলেছিলাম আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা করতে হবে।'
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, 'নির্বাচনের আগে আমরা মানুষকে বলেছিলাম যে আমরা সুশাসন দিব। আমরা এমন একটি দেশ
তৈরি করতে চাই যেখানে শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে। নারী পুরুষ শিশু সকলে নিরাপদে রাস্তায় চলতে পারবে।'
তিনি
বলেন, আমরা যখন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলাম তখন বলেছিলাম
যে, আমাদের উপরে যে রকম অত্যাচার নির্যাতন হচ্ছে, গুম খুনের শিকার হতে হচ্ছে তাতে আমরা
রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা চাই দেশে এমন একটি রাজনৈতিক পরিস্থিতি হোক যেখানে আমরা বিতর্ক
করবো, স্বাধীনভাবে নিজেদের মত প্রকাশ করবো।
তারেক
রহমান বলেন, 'আমরা বলি বর্তমান সরকার বিএনপি সরকার। অর্থাৎ সরকার ঠিকই আছে। কিন্তু
বিএনপি সরকার। সেজন্য বিএনপি যদি সহযোগিতা না করে অনেক ক্ষেত্রেই সরকার সফল হতে পারবে
না।' এর আগে সকাল পৌনে ১১টায় ফার্মগেইটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট(কেআইবি) মিলনায়তনে এই
মতবিনিময় সভা শুরু হয়। দিনব্যাপী রুদ্ধদ্বার এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
দলটির
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে সভায় স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল
মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা
রহমান ও এজেডএম জাহিদ হোসেনও উপস্থিত রয়েছেন।
উল্লেখ্য,
১২ ফেব্রুয়ারি এয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরে দলের
মাঠ পর্যায়ের নেতাদের সাথে চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এটি প্রথম মতবিনিময়
সভা।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান দেশে সনদনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে দক্ষতাভিত্তিক, প্রযুক্তি নির্ভর এবং
বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
তিনি
বলেন, ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অটোমেশনের চ্যালেঞ্জ
মোকাবিলায় প্রচলিত শিক্ষা কারিকুলামকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করার কোনো বিকল্প নেই।'
তিনি
আজ রোববার (০৭ জুন ) সকালে বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
আয়োজিত 'কর্মমুখী ও টেকনিক্যাল শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ’
কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, 'দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণ শুধুমাত্র দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক
রাজনৈতিক অধিকারই কেড়ে নেয়নি কিংবা দেশের সাংবিধানিক এবং বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকেই
অকার্যকর করে দেয়নি, শিক্ষা ব্যবস্থাকেও বিপর্যস্ত করে দিয়েছে। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে
এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা।'
একটি
জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, 'দেশের স্বাধীনতা এবং
মুক্তিযুদ্ধ অর্জন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে যেসব সাহসী মানুষ
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় আত্মত্যাগ করেছেন, তাঁদের অবদানকে
সম্মান জানাতে আমাদের শিক্ষা-দীক্ষায়, জ্ঞানে-বিজ্ঞানে ও প্রযুক্তিতে নিজেদের প্রস্তুত
করতে হবে। অন্যথায় বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কষ্টকর হবে।'
উচ্চশিক্ষা
বিস্তারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'সারাদেশে
২ হাজারের বেশি অধিভুক্ত কলেজে বর্তমানে ৪০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। উচ্চশিক্ষা
ব্যবস্থাপনার সংকট নিরসন এবং সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী
মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯২ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দেশের আধুনিক
ও প্রযুক্তিনির্ভর উচ্চশিক্ষা বিস্তারে এই প্রতিষ্ঠানটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
পালন করতে পারে।'
প্রযুক্তির
দ্রুত পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, 'অটোমেশন এবং এআই-চালিত প্রযুক্তির কারণে
অনেক পুরোনো পেশা ঝুঁকির মুখে পড়লেও নতুন অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হচ্ছে।
এই প্রযুক্তিগত বিপ্লব মোকাবিলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি, প্রোগ্রামিং,
ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ন্যানো টেকনোলজি এবং ফাইভ জি প্রযুক্তির
মতো বিষয়গুলো শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা অপরিহার্য। বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে
প্রাথমিক থেকে সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত শিক্ষাক্রমকে বাস্তবভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর
করার কাজ শুরু করেছে।'
প্রধানমন্ত্রী
উচ্চশিক্ষিত পর্যায়ে বেকারত্বের হার কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, 'সর্বোচ্চ একাডেমিক
সার্টিফিকেট অর্জন করলেও প্রায়োগিক দক্ষতার অভাবে অনেকেই বেকার থাকছেন। এই পরিস্থিতি
উত্তরণে সরকার এপ্রেন্টিসশীপ, ইন্টার্নশীপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাড়াতে
কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় শহরগুলোতে এই পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা
হচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি কর্মদক্ষতা অর্জন করতে পারেন।'
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার গোলাবাড়ি এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাস দমনে প্রশাসনের কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে লং মার্চের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, প্রশাসন যদি দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তিনি নিজেই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামবেন। এমনকি প্রয়োজন হলে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করার কথাও তিনি বলেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) বেলা ১২টায় কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, “জঙ্গল সলিমপুর নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলে গোলাবাড়ি কেন নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না? সেখানে যদি এখনো কোনো অভিযান বা গ্রেপ্তার না হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন থেকে যায়।”
তিনি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের উদ্দেশে আরও বলেন, গোলাবাড়ির মূল অপরাধীদের চিহ্নিত করে তালিকা প্রস্তুত করতে হবে এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, প্রয়োজনে গোলাবাড়ি এলাকায় ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লং মার্চ কর্মসূচি পালন করা হবে।
মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় তিনি জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকুকে উদ্দেশ করে প্রশ্ন রাখেন, “মার্ডার ও মাদকসহ ৩৫টি মামলার আসামিরা কীভাবে জামিন পায়? এ বিষয়ে আরও কঠোর ভূমিকা নিতে হবে।”
জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বজলুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজিবি কুমিল্লার সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম, জেলা পিপি অ্যাডভোকেট কাইউমুল হক রিংকু, অধ্যক্ষ শরীফুল ইসলাম, লাকসাম সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার সনদ বড়ুয়া, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায়, আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাপানের অন্যতম বৃহৎ ট্রেডিং ও বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান
মিতসুই অ্যান্ড কোং-এর একটি প্রতিনিধিদল।
আজ
বুধবার (০৩ জুন ) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে
এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
মিতসুই
বৈশ্বিক পর্যায়ে লজিস্টিকস, অবকাঠামো, ধাতু, জ্বালানি ও খাদ্য বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে
কার্যক্রম পরিচালনা করে।
বৈঠকে
খাদ্য, কৃষি, জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং বিনিয়োগ
সম্প্রসারণের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সরকার প্রতিনিধিদলকে জানায়, বর্তমান সরকার
বিনিয়োগবান্ধব নীতি অনুসরণ করছে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ
সহযোগিতা দেবে।
পাশাপাশি
বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবসা পরিচালনা ও অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে সরকারের বিভিন্ন
সংস্থার সেবা ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’-এর আওতায় একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া
হয়েছে বলেও জানানো হয়। এর ফলে বিনিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা সম্ভব
হবে।
সাক্ষাৎকালে
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা
উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম
খান এবং অর্থ সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।
মিতসুই
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটির এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী
কর্মকর্তা (সিইও) ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাকাতো সাতো।
প্রতিনিধি
দলে আরও ছিলেন, এশিয়া প্যাসিফিক বিজনেস ইউনিটের চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার তাকানোবু মুরায়ামা,
মিতসুই বাংলাদেশের কান্ট্রি চেয়ারপারসন কেনইচিরো কাওয়ামোতো এবং ঢাকা শাখার ডেপুটি জেনারেল
ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমৃত্যু বাংলাদেশের স্বাধীনতা,
সার্বভৌমত্ব এবং অগ্রগতির অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে অনন্য ভূমিকা পালন করে গেছেন।
আজ
শনিবার (৩০ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের
প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার
মাজার জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা
বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের
মূল আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে
ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।
মন্ত্রী
বলেন, আজকের দিনটি বিএনপি এবং এদেশের সমগ্র গণমানুষের জন্য অত্যন্ত দুঃখভারাক্রান্ত
ও স্মৃতিময় একটি দিন। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে তার যে ঐতিহাসিক
উত্থান ঘটেছিল, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে গিয়েই তিনি শাহাদাত বরণ করেছেন।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রের মূল ঠিকানা হচ্ছে শহীদ রাষ্ট্রপতি
জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার প্রদর্শিত পথ। আমরা এই গভীর শোককে শক্তিতে পরিণত
করেছি।
তিনি
আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে সব মানুষের মধ্যে
ইস্পাত কঠিন ঐক্য তৈরি করে জাতীয় সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে হয়। আমরা তার প্রতিষ্ঠিত
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের
আদর্শের রাজনীতি করি।
গণতন্ত্রের
প্রতি বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,
যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন এই দেশটিকে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক ধারায় পরিচালিত করা হবে।
৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের যে চেতনা, তার আলোকেই দেশের গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ়
ও শক্তিশালী করা হবে।
প্রয়াত
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের মা’ হিসেবে অভিহিত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
পাশাপাশি তিনি দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় বেগম জিয়ার সীমাহীন ত্যাগ ও সংগ্রামের কথাও সশ্রদ্ধচিত্তে
স্মরণ করেন।
তিনি
বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এদেশের গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বেশি লড়াই ও ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
আমরা এখানে এসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার
মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশের সার্বিক কল্যাণের জন্য দোয়া করেছি এবং দেশ ও জনগণের
সেবায় নতুন করে অনুপ্রাণিত হয়েছি।
মন্তব্য করুন


বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশটাকে নতুন করে সাজাতে হবে। আমাদের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি কেউ আঙুল তুলতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। তাদের জানমাল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনাদের। দয়া করে কারও সঙ্গে ঝগড়া, বিবাদ করবেন না।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নেমে ঠাকুরগাঁও যাওয়ার প্রাক্কালে বিমানবন্দরে নেমে শহীদ স্মরণীতে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এ কথা বলেন তিনি।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশবাসীকে শান্ত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, ম্যাডাম অসুস্থ, তারপরও বলেছেন, হিংসা নয়, প্রতিহিংসা নয়, প্রতিশোধ নয়, আমরা ভাইয়ের মতো শান্তিময় বাংলাদেশ উদযাপন করব।
তিনি বলেন, এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি যেন না হয় যাতে অর্জিত বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে যায় কেউ।
মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের সময় উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দপুর জেলা বিএনপি সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম জনি ও সুমিত কুমার আগারওয়াল, সাধারণ সম্পাদক শাহিন আকতার, সহ-সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হোসেন পাপ্পু, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন প্রামাণিকসহ বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা
নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিতর্কিত ধারাগুলো পুনর্বিবেচনা করা হবে।
সোমবার (১২ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে
আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে এ কথা বলেন তিনি।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা
নাহিদ ইসলাম বলেন, আজকের বৈঠকে মৌলিকভাবে এই বিভাগের বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ এবং
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আমরা বলতে চাই, সাইবার সিকিউরিটি আইনের
যে ধারাগুলো নিয়ে সমালোচনা রয়েছে সেগুলো পুনর্বিবেচনা করা হবে। এ সময় তিনি বলেন, কোটা
সংস্কার আন্দোলনের সময়ে যেসব স্টার্টআপ শিক্ষার্থীদের পক্ষ নেওয়ায় বিরূপ আচরণের শিকার
হয়েছে, তাদের বিনিয়োগ নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা হবে। দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন শিক্ষামূলক
প্রতিষ্ঠান ‘টেন মিনিট স্কুল’-এর
জন্য পাঁচ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব গত ১৬ জুলাই বাতিল করে আইসিটি বিভাগের আওতাধীন
সরকারি সংস্থা স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড। টেন মিনিট স্কুলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিইও
আয়মান সাদিক সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের পক্ষ নিয়ে নিজের ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন।
এর পরই বিনিয়োগ প্রস্তাব বাতিল করা হয়।
এদিকে আন্দোলনকালে ইন্টারনেট শাটডাউন
নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে রবিবারে। কমিটিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার
কথা।
এর পেছনে যদি সাবেক প্রতিমন্ত্রী বা
কোনো সংস্থাপ্রধান জড়িত থাকেন, তাহলে তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে কি না—তা জানতে চাওয়া হলে নাহিদ ইসলাম বলেন,
অবশ্যই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আজকের মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন আসবে। এরপর যদি মূল্যায়ন
করে আরও তদন্ত প্রয়োজন হয়, সেটি করা হবে। এতে যদি সরকারের কোনো লোক, সংস্থা বা মন্ত্রী
কেউ জড়িত থাকেন, অবশ্যই বিচার করা হবে। ইন্টারনেটে অবাধে তথ্যপ্রবাহ হয়, এটি মানবাধিকার।
কিন্তু এই ইন্টারনেট বন্ধ করে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে, শত শত মানুষকে মেরে ফেলা
হয়েছে। এ বিভাগের প্রকল্পে দুর্নীতি ও অবহেলার সুযোগ নেই।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা
জানিয়েছেন নির্বাচন ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে হবে।
আজ
শনিবার (২৪ মে) রাত সাড়ে ১০টায় যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তিনটি রাজনৈতিক দলের
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। বৈঠকে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া ও ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস
সচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দল প্রধান উপদেষ্টাকে সমর্থন জানিয়েছে। তারা
অনুরোধ করেছে— নির্বাচন শেষ না
করে তিনি যেন পদত্যাগ না করেন।
প্রেস
সচিব আরও বলেন, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচনের বিষয়ে এনসিপি ও জামায়াত দ্বিমত
পোষণ করেনি। তবে বিএনপি ডিসেম্বরের মধ্যে চেয়েছে।
প্রধান
উপদেষ্টা বিচার প্রক্রিয়া এ মাসের মধ্যেই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন এবং এ বিষয়টি সর্বোচ্চ
অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
তিনি
বলেন, খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক হয়েছে। এনসিপি স্থানীয় সরকার নির্বাচন চেয়েছে।
শেখ হাসিনার আমলের সব নির্বাচন বাতিল চেয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু
বলেননি।
মন্তব্য করুন


লন্ডনে
চার মাস চিকিৎসা শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আগামী মঙ্গলবার (৬ মে) সকালে
ঢাকায় ফিরছেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন দুই পুত্রবধূ। এদিন সকালে কাতারের আমিরের পাঠানো একটি বিশেষ এয়ার
অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পৌঁছাবেন তিনি।
বেগম
খালেদা জিয়ার দেশে ফেরার বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বলছে, বিএনপি চেয়ারপারসনের দেশে
ফেরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, পাশাপাশি
থাকবে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থা।
ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার
(ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা
উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে তার বাসভবন
পর্যন্ত যাত্রা সুগম করতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাও
থাকবে।
ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কর্মকর্তার সূত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়ার ঢাকায় ফেরার উপলক্ষে
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তার জন্য
কাজ করছে। একইরকম তথ্য দিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি
জানান, আগামীকাল সোমবার (৫ মে) যাত্রা শুরু করে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে হযরত
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে বহন করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি অবতরণ করবে। এদিন
বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা পর্যন্ত খালেদা জিয়ার যাত্রাপথে থাকবে নিশ্ছিদ্র
নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এছাড়া নেতাকর্মীদের জন্যও জারি করা হয়েছে কড়া নির্দেশনা।
নির্দেশনাগুলো
হলো: অত্যন্ত শৃঙ্খলার সঙ্গে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে কোনো যানজট সৃষ্টি না করে একহাতে
জাতীয় পতাকা এবং আরেক হাতে দলীয় পতাকা নিয়ে দেশনেত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
এছাড়া
সাধারণের চলাচলের জন্য ওইদিন বিমানবন্দর থেকে কাকলী পর্যন্ত মূল সড়ক এড়িয়ে এলিভেটেড
এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারেরও অনুরোধ জানানো হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে।
আরও
বলা হয়েছে, বিমানবন্দর ও চেয়ারপারসনের বাসভবনে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। সব নেতাকর্মী
দলীয় পতাকা এবং জাতীয় পতাকা হাতে রাস্তার একপাশে দাঁড়াবে। চেয়ারপারসনের গাড়ির সঙ্গে
মোটরসাইকেল এবং হাঁটা সম্পূর্ণরূপে নিষেধ।
অভ্যর্থনা
জানানোর জন্য বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অবস্থানের কথাও জানিয়েছে দলটি।
সংগঠনের
নাম ও অবস্থান:
>মহানগর
উত্তর বিএনপি, বিমানবন্দর থেকে লা মেরিডিয়ান হোটেল।
>ছাত্রদল,
লা মেরিডিয়ান হোটেল থেকে খিলক্ষেত।
>যুবদল,
খিলক্ষেত থেকে হোটেল র্যাডিসন।
>মহানগর
দক্ষিণ বিএনপি, হোটেল র্যাডিসন থেকে আর্মি স্টেডিয়াম।
>স্বেচ্ছাসেবক
দল, আর্মি স্টেডিয়াম থেকে বনানী কবরস্থান।
>কৃষকদল,
বনানী কবরস্থান থেকে কাকলী মোড়।
>শ্রমিক
দল, কাকলী মোড় থেকে বনানী শেরাটন হোটেল।
>ওলামা
দল, তাঁতী দল, জাসাস, মৎস্যজীবী দল, বনানী শেরাটন হোটেল থেকে বনানী কাঁচাবাজার।
>মুক্তিযোদ্ধা
দল ও সব পেশাজীবী সংগঠন, বনানী কাঁচাবাজার থেকে গুলশান-২।
>মহিলা
দল, গুলশান-২ গোলচত্বর থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ রোড।
>বিএনপি
জাতীয় নির্বাহী কমিটির নেতারা, গুলশান-২ গোলচত্বর থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ রোড।
>বিভিন্ন
জেলা থেকে আগত নেতাকর্মী, যার যার সুবিধামতো স্থানে অবস্থান করবেন।
মন্তব্য করুন


নতুন দল গঠন করে নেতৃত্বে আসা ও সরকার থেকে
পদত্যাগের বিষয়ে এ সপ্তাহের শেষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং তথ্য ও
সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন বলে জানিয়েছেন ।
ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কার্য অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর রাত ১০টার দিকে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জানান, আমি এ বিষয়ে আমার অবস্থান ব্যক্ত করেছি মিডিয়ার বিভিন্ন জায়গায়। তবে বিভিন্ন সংবাদপত্র বা মিডিয়ায় যেভাবে তথ্য আসছে আমি মনে করি যে এভাবে আসা উচিত না। কারণ আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সেটা প্রকাশের আগেই, কোনো ধরনের অনুমানের ওপর ভিত্তি করে এ ধরনের তথ্যগুলো ছড়ানো উচিত হচ্ছে না।
নাহিদ ইসলামের কাছে প্রশ্ন ছিল- ছাত্র জনতার
নেতৃত্বে একটি নতুন দল আসছে, আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি নতুন দল আপনার নেতৃত্বকে
বেছে নিয়েছে, তারা চায় আপনি সেই দলের নেতৃত্ব দেন। সে ক্ষেত্রে আপনার অবস্থান
কী? সেই দলে যদি আপনি যেতে চান তাহলে উপদেষ্টার পর থেকে সরে আসতে হবে- সে বিষয়ে
আপনি কী ভাবছেন?
প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, বাইরে যারা আছে, বৈষম্যবিরোধী নাগরিক কমিটি তারা একটা রাজনৈতিক দলের উদ্যোগের কথা বলেছে অনেক আগেই, ফেব্রুয়ারির মধ্যে। আমি আমার জায়গাতে বলেছি যে, সেই দলে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা হয়তো আমার থাকতে পারে। তো সেটা হলে আমি সরকার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেই সেটি করবো। সে বিষয়ে আমি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। কিন্তু সেটা সম্ভাবনা আছে। হয়তো এ সপ্তাহের শেষে আমি এ বিষয়ে একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আপনাদের সবাইকে জানাতে পারব।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সরকারের
পতনের পর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টার দায়িত্ব নেন মো. নাহিদ ইসলাম।
মন্তব্য করুন