

মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে স্ত্রীর ডিভোর্স লেটার পেয়ে গলায় ফাঁস
দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আজিজুল হক রবিন নামে এক যুবক।
উজিরপুর ইউনিয়নের জগমোহনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
আজ রোববার (১৫ জুন) পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে
থানায় নিয়ে আসে। তিনি একই গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহমেদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজিজুল হক রবিন আট বছর আগে পার্শ্ববর্তী সদর দক্ষিণ উপজেলার গোয়ালগাঁও গ্রামের নাছিমা আক্তারকে বিয়ে করেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে জান্নাত আরা নামের ছয় বছর বয়সী এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে ‘পরকীয়া’ সন্দেহে উভয়ের ঝগড়া লেগে থাকত। ঝগড়ার জেরে ছয় মাস আগে নাছিমা আক্তার একমাত্র সন্তানকে রেখে বাবার বাড়িতে চলে যান। দুই মাস আগে নাছিমা আক্তার স্বামী আজিজুল হক রবিনের ঠিকানায় ডিভোর্স লেটার পাঠান। পরিবারের লোকজন আজিজুল হক রবিনকে বিষয়টি অবগত করেননি। আজিজুল হক রবিন ঈদের ছুটি শেষে গার্মেন্টসে চাকরিতে যোগদানের জন্য ‘পরিচয়পত্র’ খুঁজতে গিয়ে ডিভোর্স লেটার দেখতে পান। এরপর থেকে তার মন খারাপ হয়ে যায়। শনিবার বিকেল থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর রোববার সকালে বাড়ির পাশের একটি গাছে তার লাশ ঝুলতে দেখা যায়।
আজিজুল হক রবিনের ভাই আশরাফুল ইসলাম শাওন বলেন,
দীর্ঘদিন ধরে ভাই রবিনের সঙ্গে ভাবি নাছিমা আক্তারের ঝগড়া
চলছিল। এরই জেরে ছয় মাস আগে ভাবি বাবার বাড়িতে চলে যান। দুই মাস আগে ডিভোর্স লেটার
পাঠান তিনি। বিষয়টি পরিবারের পক্ষ থেকে গোপন রাখলেও দুইদিন আগে ভাই ডিভোর্স
লেটারটি দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহমেদ জানান,
আজিজুল হক রবিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে
ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা:
পিআর পদ্ধতিতে আগামী জাতীয় নির্বাচন ও জুলাই সনদ ঘোষণাসহ পাঁচ দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরী। সমাবেশ শেষে মিছিলটি টাউন মাঠ থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে চকবাজার মোড়ে গিয়ে শেষ করে।
আজ শনিবার ২৫ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কুমিল্লা নগরীর টাউন হল মাঠে গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারী মু. মাহবুবর রহমান এর পরিচালনা গণমিছিল ও সমাবেশ বক্তব্য রাখেন,মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মু. কামারুজ্জামান সোহেল, নাছির আহম্মেদ মোল্লা, ,কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির সভাপতি হাফেজ মাজারুল ইসলাম,সদর দক্ষিণ উপজেলা জামায়াতে আমীর মিজানুর রহমান, মহানগর ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী নাজমুল হাসান পঞ্চায়েত।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক জাকির হোসেন, দেলোয়ার হোসাইন সবুজ, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম সহ অনেকে।কর্মসূচিতে দলের হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেন। এসময় এই মুহূর্তে দরকার পিআর আর সংস্কার, পিআর পদ্ধতির নির্বাচন, দিতে হবে দিয়ে দাও, জামায়াত-শিবির জনতা, গড়ে তোলো একতা স্লোগান দিতে দেখা যায়সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ আরো বলেন,আগামী জাতীয় নির্বাচনে সংসদের উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করতে হবে। অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সবার জন্য সমান সুযোগ) নিশ্চিত করতে হবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা দাবি জানান।তিনি আগামী নির্বাচনে কুমিল্লা ৬ আসনে সদর -সদর দক্ষিণ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে ন্যায়ের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে নগরবাসীকে আহবান জানান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৫
উপলক্ষে অমর একুশে বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে।
কুমিল্লা জিলা স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত আজকের এই অমর একুশে বইমেলার শুভ উদ্বোধন করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার।
২১ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা জিলা স্কুল প্রাঙ্গণে কুমিল্লা জেলা
প্রশাসনের আয়োজনে আয়োজিত এই বইমেলায় আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ এবং সাংস্কৃতিক
অনুষ্ঠানের পাশাপাশি গ্রাফিতি এবং তথ্যচিত্র প্রদর্শনী হয়।
২১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহব্যাপী উক্ত বইমেলা চলবে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আজকের অমর একুশে বইমেলায় স্টলের সংখ্যা ১৫টি।
উক্ত মেলায় দেশসেরা অনেকগুলো প্রকাশনীর পাশাপাশি থাকছে কুমিল্লার জনপ্রিয় সব বুকশপ।পাশাপাশি থাকছে পিঠা ও ক্যানভাসের স্টল।
জুলাই গণহত্যার তথ্যচিত্র নিয়ে ও থাকছে বইমেলাটিতে থাকছে বিশেষ প্রদর্শনী।
আজকের এই মেলায় আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জিলা স্কুল এর প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান,বাংলাদেশ জাতী়য়তাবাদী দল,কুমিল্লা সদর দক্ষিণ এর বিএনপি সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা জেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন রুবেল, কুমিল্লা মহানগর এর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর আহবায়ক আবু রায়হান, কুমিল্লা জেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক ইমপা ফারহাসহ অন্যান্যরা।
উদ্বোধন শেষে একটি মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং পরবর্তীতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
নির্বাচনে পিআর পদ্ধতিকে ‘মানুষকে বিভ্রান্ত করার কৌশল’ বলে অভিহিত করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু। তিনি বলেন, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ও ধর্ম ব্যবসায়ী এ প্রক্রিয়াকে সামনে এনে জনমনে ভুল ধারণা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এ ধরনের কৌশল উপমহাদেশের কোথাও নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা পিআর পদ্ধতির নামে ষড়যন্ত্র করছে, নির্বাচন বিলম্বিত করতে চায় বা বন্ধ করতে চায়—তাদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে।
আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর টাউন হল মাঠে আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। উদ্বোধন করেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন।
আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ূমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন দলের কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (বাইউস্ট)-এর গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের ২০২৬–২৭ সেশনের নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির উদ্বোধনী সভা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গাম্ভীর্য ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন শিক্ষাবর্ষের কার্যক্রম সুসংগঠিত ও লক্ষ্যভিত্তিকভাবে পরিচালনার প্রত্যয় নিয়ে আয়োজিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলের উপদেষ্টা পরিষদ, ট্রাস্টি বোর্ড এবং নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের সূচনায় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ একে একে সভাকক্ষে প্রবেশ করেন। সর্বপ্রথম সভাপতিত্বের আসন গ্রহণ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মোঃ নায়েম আলীমুল হায়দার। এরপর ক্রমানুসারে উপস্থিত হন উপদেষ্টা মোহাম্মদ আলমগীর, তানজিলা তামান্না, লুৎফর রহমান রানা, ইয়াকুব আলী, মোঃ ইমরানুল হাসান ইমন এবং ফয়সাল আহমেদ জেলানি। তাঁদের উপস্থিতিতে সভার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
উপদেষ্টা পরিষদের পরিচিতি পর্ব শেষে ট্রাস্টি বোর্ডের কাঠামো ও দায়িত্ব উপস্থাপন করা হয়। ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান সাদমান শারার, সহ-চেয়ারম্যান রাফি বিন হাসনাত, পরিচালক আসিফ এলাহী দীপ্ত এবং উপ-পরিচালক আসফাক আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বোর্ডের নীতিগত অবস্থান, জবাবদিহিতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। তাঁরা কাউন্সিলের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সক্রিয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
এছাড়াও গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান রায়হান আব্দুল্লাহর নেতৃত্ব ও দূরদর্শী পরিকল্পনার বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়। তাঁর উদ্যোগ ও সাংগঠনিক ভিত্তি কাউন্সিলের বর্তমান কাঠামো ও কার্যক্রমকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সভাটি সঞ্চালনা করেন একাডেমিক বিষয়ক সম্পাদক সাইদেল মনতাহা জান্নাত এবং জনসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক নিপর্ণা দেবনাথ। তাঁদের সুসংগঠিত উপস্থাপনায় অনুষ্ঠান ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে চলে। প্রথম পর্যায়ে তাঁরা পঞ্চম কমিটির সভাপতি হাসিবুর রহমান শাফিনকে আমন্ত্রণ জানান ষষ্ঠ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করার জন্য।
ঘোষণাকালে তিনি ২০২৬–২৭ সেশনের সভাপতি হিসেবে মোঃ আল আমিন সরকার এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাত্রি দে-র নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। উপস্থিত সকল সদস্য করতালির মাধ্যমে নবনির্বাচিত নেতৃত্বকে স্বাগত জানান।
সভাপতি আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে ২০২৬–২৭ সেশনের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। তিনি সভাপতি হিসেবে মোঃ আল আমিন সরকার এবং সহ-সভাপতি হিসেবে আনিকা তাহসিন তাসনিয়ার নাম ঘোষণা করেন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাত্রি দে, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আহম্মেদ ইসলাম জনি, সাংগঠনিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আবদুর রহিম শুভ, জনসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নিপর্ণা দেবনাথ, একাডেমিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সাইদেল মনতাহা জান্নাত, গণমাধ্যম ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আরফান আরাফাত সিমুন এবং অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আজরা সাদিয়ার নাম ঘোষণা করা হয়। ঘোষণার মাধ্যমে নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে।
পরবর্তীতে সাধারণ সম্পাদক রাত্রি দে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল কেবল একটি সংগঠন নয়, এটি নেতৃত্ব বিকাশ, কূটনৈতিক চর্চা ও বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম। তিনি সদস্যদের প্রতি দায়িত্বশীলতা, সময়ানুবর্তিতা এবং সমন্বিত দলগত কাজের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পরিকল্পিত কার্যক্রম, গবেষণাভিত্তিক প্রস্তুতি এবং নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কাউন্সিলকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিনিধিত্বশীল অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। স্বচ্ছতা ও ফলাফলভিত্তিক কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলার প্রত্যয়ও তিনি ব্যক্ত করেন।
এরপর সভাপতি মোঃ আল আমিন সরকার তাঁর বক্তব্যে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় বৈশ্বিক রাজনীতি, কূটনীতি ও নীতি নির্ধারণী আলোচনায় দক্ষতা অর্জন সময়ের দাবি। কেন আন্তর্জাতিক পরিসরে অংশগ্রহণ প্রয়োজন— এ প্রশ্ন উত্থাপন করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সম্মেলন ও সিমুলেশন কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি, আলোচনায় দক্ষতা এবং নেতৃত্বগুণ বিকাশে সহায়ক। তিনি কাউন্সিলকে একটি সুশৃঙ্খল, দায়িত্বশীল ও পেশাদার সংগঠনে রূপান্তরের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভায় পরবর্তীতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যৌথভাবে একটি মডেল ইউনাইটেড নেশনস সিমুলেশনের উপস্থাপনা প্রদান করেন। সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ সম্মেলন আয়োজনের কাঠামো, কমিটি গঠন, প্রতিনিধি ব্যবস্থাপনা, একাডেমিক প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। এ উপস্থাপনা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
সবশেষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মোঃ নায়েম আলীমুল হায়দার সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, সুসংগঠিত নেতৃত্ব, শৃঙ্খলাবদ্ধ দায়িত্ব বণ্টন এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলকে একটি আদর্শ প্ল্যাটফর্মে রূপান্তর করা সম্ভব। তিনি সকল সদস্যকে নিষ্ঠা, সততা, নথিবদ্ধকরণ এবং দলগত সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি আশ্বস্ত করেন যে, সঠিক পরিকল্পনা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাইউস্ট ক্যাম্পাসে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন সম্মেলন সফলভাবে আয়োজন করা সম্ভব হবে।
উদ্বোধনী সভাটি নতুন সেশনের কার্যক্রমে উদ্দীপনা, সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয়ে গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলকে আরও গতিশীল ও সুসংহত পথে এগিয়ে নেওয়ার ভিত্তি স্থাপন করে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা বিভাগের দাবিতে কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা (সিজেএফডি) আয়োজিত সমাবেশ ও মানববন্ধনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘কুমিল্লা সবসময়ই উন্নয়নবঞ্চনার শিকার। যে ন্যায্য দাবি নিয়ে আপনারা রাস্তায় নেমেছেন, তার প্রতি আমি ঐক্যের ডাক দিচ্ছি-এটা কুমিল্লার ইজ্জতের প্রশ্ন।
আজ সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ সমাবেশে তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা আজও অনেক মৌলিক অবকাঠামো থেকে বঞ্চিত। ঢাকা-কুমিল্লা মহাসড়ক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হলেও এ রাস্তায় যথাযথ উন্নয়ন হয়নি। ১৯৮৮ সালের বন্যার পর এ মহাসড়ক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়া হলেও তা বছরের পর বছর পিছিয়ে গেছে। ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, সার্ভিস লেন-কিছুই হয়নি।’
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, কুমিল্লার দুই পৌরসভা একীভূত হওয়া সত্ত্বেও কোনো নতুন অবকাঠামো, জনবল বা প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে ওঠেনি, যা কুমিল্লার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও দুর্বল করেছে।
তিনি কুমিল্লা অঞ্চলের কয়েকটি বড় বঞ্চনার কথা উল্লেখ করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য-কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা বহু বছর বিলম্বিত হওয়া, কুমিল্লা বিমানবন্দর চালু না হওয়া, ওই অঞ্চলে শিল্প-বাণিজ্য ও শিক্ষা খাতে বৈষম্যমূলক বরাদ্দ। তিনি বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকে পাকিস্তান-কেউই কুমিল্লাকে প্রাপ্য মর্যাদা দেয়নি। স্বাধীন বাংলাদেশেও এই চিত্র বদলায়নি।
নোয়াখালীকে বাদ দিয়ে ‘কুমিল্লা বিভাগ’ গঠনের প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘কেউ রাজি না হলে আলাদা পথ খুঁজতে হবে। নোয়াখালীর নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপ করব। প্রয়োজন হলে আপনাদের নিয়েই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো।’
আন্দোলনে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার ঘোষণা দিয়ে মনিরুল হক বলেন, ‘রাজপথে আপনাদের সঙ্গে থাকব। আন্দোলনকে সংগঠিত করতে আপনারা আমাকে সময় দিন। কুমিল্লার ন্যায্য অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে।’
কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এম. মোশাররফ হোসাইনের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ইকবাল হোসেন মজুমদার, বৃহত্তর কুমিল্লা বনশ্রী-আফতাবনগর সমিতির সভাপতি এনামুল হক বাবলু, নাঙ্গলকোট উন্নয়ন ঐক্য ফোরামের সভাপতি মাইনুল হক বাবলু, ইঞ্জিনিয়ার মনিরুল ইসলাম ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রানা চৌধুরী।
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য দেন, সিজেএফডি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহমুদুর রহমান খোকন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ডিইউজে’র যুগ্ম-সম্পাদক দিদারুল আলম, সহ-সভাপতি এম এস দোহা, ডিইউজে’র অর্থ সম্পাদক খন্দকার আলমগীর হোসেন, ডিআরইউ’র সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক মঈনুল আহসান, সিজেএফডি’র যুগ্ম-সম্পাদক সালাহ উদ্দিন জসিম, অর্থ সম্পাদক নিজাম উদ্দীন দরবেশ, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল ইসলাম, সাবেক অর্থ সম্পাদক সায়ীদ আবদুল মালিক, জনকল্যাণ সম্পাদক জহির আলম সিকদার, প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক এ এফ এম রাসেল পাটোয়ারী, তথ্য-প্রযুক্তি সম্পাদক আহমেদ আজম ও নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ মাসুদ এবং হালিম মোহাম্মদ, নার্গিস জুঁই, ড. শাহজাহান মজুমদার, মাহবুব মোর্শেদ, রানা চৌধুরী, শাহজালাল উজ্জল, গোলাম মোস্তফা রবি, ইমাম হোসেন ইমন, নুরুল ইসলাম খান মামুন, মঈন উদ্দিন শাহীন, আকাশ খান এবং মেরি আক্তার।
এছাড়াও সমাবেশে কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র সদস্য, পেশাজীবী, শিক্ষার্থী এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) সচিবালয়ে মজুরি ঘোষণা করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান।
পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী, আট হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি পাচ্ছিলেন পোশাকশ্রমিকরা। আগের তুলনায় ন্যূনতম মজুরি বেড়েছে সাড়ে ৪ হাজার টাকা।
আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নতুন মজুরি কার্যকর হবে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মালিক ও শ্রমিক পক্ষ এবং নিরপক্ষ প্রতিনিধিদের নিয়ে দ্রুত নতুন মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন শ্রমজীবী মানুষ আন্দোলন করে আসছেন মজুরি বাড়ানোর জন্য। মালিক ও শ্রমিকপক্ষকে নিয়ে মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আলাপ-আলোচনার মধ্যদিয়ে একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।মজুরির যদি কোনো তারতম্য হয়ে যায় আমরা শেষ সম্বল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বারস্থ হই সবসময়। উনার মৌখিক নির্দেশে আজকে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ঘোষণা করছি।
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের রেশনের দাবি আছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, একটি পরিবারের জন্য একটি ফ্যামিলি কার্ডের মধ্যেই নির্ধারিত থাকবে যতগুলো সদস্য কার্ডটি ব্যবস্থা করতে পারবে। পরবর্তীতে এ কার্ডের মাধ্যমে রেশনিং ব্যবস্থা চালুর কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।এখানে শ্রমজীবী মানুষ ও রাষ্ট্রের স্বার্থ আছে। শিল্প বাঁচলে শ্রমিক বাঁচবে। শ্রমিকের সঙ্গে শিল্পও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। উভয়দিক লক্ষ্য রেখেই মজুরি ঘোষণা করা হচ্ছে।
মজুরি ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়বে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আট হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকা করা হয়েছে। ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট বহাল আছে।
আন্দোলন-অবরোধের কারণে শিল্পাঞ্চলের বাড়িভাড়া মওকুফের জন্য মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, ডিসেম্বরের বেতন নতুন বেতনের আলোকে হবে। গেজেট এখনই করতে দেবে, কোনো সংশোধন থাকলে ১৪ দিনের মধ্যে করবে।
মজুরি ঘোষণার সময় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী মোল্লা, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তৌফিকুল আরিফ, বিকেএমইএ'র সভাপতি সেলিম ওসমান, বিজিএমইএ'র সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, শ্রমিক প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম রনি উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চান্দিনায় সৎমাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ছেলে শাহিন মুন্সিকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার শাহিন মুন্সি চান্দিনা উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নের সব্দলপুর গ্রামের এমদাদুল হক মুন্সির ছেলে। এর আগে গত বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে পারিবারিক কলহের জেরে নিজ বাড়িতে সৎমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন তিনি। পরে বৃহস্পতিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নারীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই নূরুল ইসলাম মুন্সি বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমিল্লা পিবিআইয়ের পরিদর্শক বিপুল দেবনাথ জানান, ‘বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে ঘটনাটি প্রকাশের পর পুলিশ সুপার “সারোয়ার আলম” স্যার অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। তথ্য-প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতা ব্যবহার করে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল হোতাকে গ্রেপ্তার করা হয় ।
মন্তব্য করুন


একটি শিশুর শৈশবের চিত্রাঙ্কন হচ্ছে অভিভাবক বা শিক্ষক।
আমরা যেভাবে চাইব সেভাবে তারা গড়ে উঠবে। আমাদের আকাঙ্ক্ষাকে রূপদান করবে। তাই বলে ভূল রূপদান যেন না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আমরা আমাদের ভালোবাসা তাদের দিতে পারি কিন্তু চিন্তাভাবনা নয়, কারণ তাদের নিজস্ব চিন্তাভাবনা আছে। আসলে কোমল শিশুরা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু চাপিয়ে দিলে তাদের স্বপ্নগুলো ভেঙে যায়। নিজে থেকে কিছু করার বা চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। হারিয়ে ফেলে তার সৃজনীশক্তি।
তাদের মানসিক বিকাশ হওয়াটা অত্যন্ত জরুরি। চিত্রাঙ্কন হতে পারে তার অন্যতম মাধ্যম।
শিশুরা
তার আশপাশের সুখ, দুঃখ, হাসি, কান্না, পরিবেশ তার ছবির ভাষায় তুলে ধরবে ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
দেশব্যাপী জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে
কুমিল্লা মহানগরীর পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করে এনসিপি।
এসময় সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এসময় জাতীয় নাগরিক পার্টি কুমিল্লা মহানগর কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী ফারহা এমদাদ ইম্পা, সদস্য জাফরিন হক, জাতীয় যুব শক্তির সদস্য জাহিদুল হক, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব জিয়া উদদীন রুবেল এবং অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লায় বাস চলাচল বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করছে বাস মালিক সমিতি। এতে জেলার প্রায় ৪০টি সড়কে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল থেকে নগরীর জাঙ্গালিয়া, শাসনগাছা ও চকবাজার বাস টার্মিনাল থেকে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। এতে কুমিল্লা-ঢাকা, কুমিল্লা-চট্টগ্রাম, কুমিল্লা-সিলেট, কুমিল্লা-চাঁদপুরসহ অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সড়কগুলোতে বাস চলাচল বন্ধ থাকে।
জানা গেছে, জাঙ্গালিয়া বাস টার্মিনাল থেকে কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়কে আইদি পরিবহন চলাচল বন্ধের দাবিতে এ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। পরিবহন নেতাদের দাবি, কুমিল্লা নগরীর তিনটি বাস টার্মিনাল ব্যবহার করে প্রতিদিন কয়েক হাজার বাস ও মিনিবাস চলাচল করে। তবে আইদি পরিবহন যথাযথ রুট পারমিট ছাড়াই টার্মিনাল ব্যবহার করতে চাইছে।
এদিকে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় কর্মস্থলগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও দূরপাল্লার যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেককে বিকল্প যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
আইদি পরিবহণের চেয়ারম্যান মীর পারভেজ আলম অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অনুমতি নিয়ে কুমিল্লা-চাঁদপুর রুটে তাদের বাস চলাচল শুরু হয়। কিন্তু শুরু থেকেই কুমিল্লা বাস মালিক গ্রুপের একটি সিন্ডিকেট তাদের চলাচলে বাধা দেয়। এ কারণে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন রুট পারমিট দেয়নি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে বাধ্য হয়ে জাঙ্গালিয়া বাস টার্মিনাল বন্ধ রেখে দুই কিলোমিটার দূরের পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে বাস সার্ভিস চালু করা হয়। আইনি কোনো বাধা না থাকলেও এখনো কুমিল্লা জেলা প্রশাসন থেকে অনাপত্তিপত্র দেওয়া হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা বাস মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম বলেন, আইদি পরিবহণ চাঁদপুর জেলা প্রশাসন থেকে অনুমতি পেলেও কুমিল্লা থেকে রুট পারমিট নেয়নি। এর পরও তারা কুমিল্লার বাস টার্মিনাল ব্যবহার করতে চাচ্ছে।
তিনি জানান, একাধিকবার তাদের বাধা দেওয়া হলেও বিজয় দিবসের দিন হঠাৎ করে কিছু বাস টার্মিনালে আনা হয়। বুধবারও সেখান থেকে বাস চলাচল করেছে। বৃহস্পতিবার আবার বাস আনার চেষ্টা করলে সকাল থেকে নগরীর তিনটি টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
মন্তব্য করুন