

কুমিল্লায়
১০ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৩ নভেম্বর দুপুরে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানাধীন নূরপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে
আসামী মোঃ সুজন নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১০
কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ সুজন (২৯) দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানার মধ্য বাঁশদূতপুর গ্রামের মৃত হাকিম এর
ছেলে।
র্যাব জানান, সে
দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার
বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে
আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আগামী ২৫ ও ২৬ শে অক্টোবর ২০২৪ এ "অল বাংলাদেশ উন্মুক্ত কারাতে
প্রতিযোগিতা ২০২৪" এবং "৫ম আন্তর্জাতিক কারাতে প্রতিযোগিতা ২০২৪" অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। উক্ত প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ
করবেন কুমিল্লা সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র মোফাজ্জাল মাহিন চৌধুরী। টানা ৬বার
জাতীয় স্বর্ণপদক প্রাপ্ত এই খেলোয়াড়টি এবার -৫৫ ওজন শ্রেণীতে খেলবেন কুমিল্লা সরকারি
কলেজের হয়ে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ৩০০ বোতল স্কাফ সিরাপ ও ৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গতকাল (৩১ জুলাই) ভোরে ব্রাহ্মণপাড়া থানা, কুমিল্লায় কর্মরত এসআই(নিঃ) মোহাম্মদ শাহাবুর আলম সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণপাড়া থানার শশীদল এলাকায় আসামীর বসতবাড়ি থেকে ৩০০ বোতল স্কাফ সিরাপ, ৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ
একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মনপাড়া থানার রামচন্দ্রপুর গ্রামের আবু তাহের এর ছেলে মোঃ রাকিবুল হাসান প্রকাশ রাকিব(২২)।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে কুমিল্লা এর ব্রাহ্মনপাড়া থানার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সেফটি ট্যাংক থেকে
প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চার আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার (২ জুলাই) দুপুরে গ্রেফতারের
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বুড়িচং থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল হক।
তিনি জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের
ধরে ২ লাখ টাকা চুক্তিতে খুন করা হয় ফেরদৌসী বেগমকে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে নিহতের
ঝা সহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে আসামীরা আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- দক্ষিণগ্রামের জাহাঙ্গীর
আলমের স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৫০) একই গ্রামের মোঃ সোলাইমান ওরফে তনু মিয়ার ছেলে আনোয়ার
(৩০), মমতাজ উদ্দিনের ছেলে রুবেল আহমেদ মিন্টু (৩১), খোরশেদ আলমের ছেলে মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন
জিল্লু (২৭)।
ওসি জানান, রাজাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ
গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার সৌদি প্রবাসী শামসুল হক আলমের স্ত্রী ফেরদৌসী বেগম নয়ন ও ঝা নুরজাহান
বেগম মধ্যে বাড়ির পাশের একটি জমি নিয়ে পূর্ববিরোধ চলছিল। বিষয়টি নিয়ে কোন প্রকার
সুরহা না হওয়ায় ফেরদৌসী বেগমকে হত্যার পরিকল্পনা করে ঝা নুরজাহান বেগম।
পরিকল্পনা অনুযায়ী পার্শ্ববর্তী এলাকার
মাদকসেবী আনোয়ার হোসেনের সাথে দুই লাখ টাকায় হত্যার চুক্তি করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী
আনোয়ার হোসেন সাথে মমতাজ উদ্দিনের ছেলে রুবেল আহমেদ মিন্টু ও খোরশেদ আলমের ছেলে মোহাম্মদ
মাইনুদ্দিন জিল্লু এই দুজনকে যুক্ত করেন। চুক্তি অনুযায়ী গত ২৭ জুন শুক্রবার সকালে
ফেরদৌসী বেগমকে বাড়ির পাশের একটি নির্জন বাগানে হত্যা করে মরদেহ সেফটি ট্যাংকে ফেলে
দেয়। ফেরদৌসী বেগম নিখোঁজের পর থেকেই পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজিসহ
থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
পরে মঙ্গলবার সকাল ৮টায় স্থানীয়রা বাড়ি
থেকে ২শ গজ দূরে একটি নির্জন বাগানের সেপটিক ট্যাংকে বস্তাবন্দি লাশের সন্ধান পেয়ে
বুড়িচং থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে বুড়িচং থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে
সেফটি ট্যাংক থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার করে।
এই ঘটনার পর নিহতের ছেলে ইকরামুল হাসান
বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর বুড়িচং থানা পুলিশ
প্রথমে নিহতের ঝা নুরজাহান বেগম আটক করে। পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে একপর্যায়ে হত্যার
ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়। পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে আরও তিন আসামিকে গ্রেফতার
করা হয়।এ সময় আসামিদের কাছ থেকে নিহতের কানের দুল, গলার চেইন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বুধবার দুপুরে কুমিল্লা
আদালতে পাঠালে আসামিরা হত্যার ঘটনা স্বীকার করে জবানবন্দী প্রদান করেন। পরবর্তীতে আসামিদের
কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বারে
বড়শালঘর ইউ এম এ উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে ১৫ শিক্ষার্থী হিস্টিরিয়ায় আক্রান্ত
হয়েছেন। হিস্টিরিয়া এক ধরনের মানসিক রোগ। শিক্ষার্থীরা ভয়ে এ রোগে আক্রান্ত হয়।
আজ মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর)
সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ক্লাস চলাকালে এই ঘটনা ঘটে।
তারা সবাই নবম শ্রেণীর
শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে আটজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি
সাতজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে ভর্তি থাকা শিক্ষার্থীরা হলেন- মাহি ইসলাম, স্বপ্না আক্তার, মীম আক্তার,
মহিমা আক্তার, ইসরাত জাহান, সিফাত আক্তার ও জান্নাত আক্তার।
ক্লাসের অন্য শিক্ষার্থীরা
জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে নবম শ্রেণির ক্লাসে এক শিক্ষার্থী হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে
পড়ে। তার মাথায় পানি ঢেলে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করেও সম্ভব না হওয়ায় তাকে হাসপাতালে
নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর একে একে ক্লাসের আরও ১৪ ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে পড়ে।
উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আরিফুল ইসলাম মুন্সি জানান, অসুস্থদের মধ্যে যাদের
অবস্থা গুরুতর তাদেরকে ভর্তি করে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছে।
দেবিদ্বার উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিগার সুলতানা জানান, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দ্রুত চিকিৎসা
দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আশা করি তারা তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি ;
কুমিল্লার চান্দিনায় ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি শাখায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। আজ বুধবার সকাল পৌঁনে ৮টায় উপজেলা সদরের মধ্য বাজার জয়নাল সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ব্র্যাক ব্যাংকের সার্ভার কক্ষ থেকে ওই অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটে। এতে দিন ব্যাপী গ্রাহক সেবা বন্ধ।
এতে আইটি শাখার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ, বৈদুতিক তার ক্ষতিগ্রস্থ হলেও অন্যান্য কক্ষ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ব্যাংকের লকার অক্ষত রয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান- ব্যাংক খোলার আগে কর্তব্যরত নিরাপত্তা প্রহরী হঠাৎ ব্যাংকের ভিতরে আগুনের সূত্রপাত টের পেয়ে কর্মকর্তাদের ও ফায়ার সার্ভিসে ফোন করেন। খবর পেয়ে ব্যাংক কর্মকর্তারা এসে ব্যাংক খোলেন এবং সকাল সোয়া ৮টা থেকে চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় চার ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নির্বাপন হয়।
ব্যাংকটির ম্যানেজার মো. রফিকুল ইসলাম খাঁন জানান- আমাদের ব্যাংকের সার্ভার কক্ষে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ওই কক্ষে থাকা বৈদ্যুতিক তাঁর সহ যন্ত্রাংশগুলো পুরে প্রচন্ড ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। তাৎক্ষনিক ভাবে ফায়ার সার্ভিস ও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। খুব কম সময়ের মধ্যে আগুন নির্বাপন করা সম্ভব হলেও ধোঁয়া বের করতে অন্তত চার ঘন্টা সময় লাগে। এতে ওই সার্ভার কক্ষের কিছু যন্ত্রাংশ ও বৈদ্যুতিক তার নষ্ট হলেও বড় ধরণের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছি। অগ্নিকান্ডের ফলে ব্যাংকের সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ইমাম হোসেন পাটোয়ারী জানান- প্রাথমিক ভাবে বৈদ্যুতিক সক সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে অগ্নিকান্ডের মূল ঘটনা, ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানা এলাকায় বিষাক্ত মদপানে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ ১৩ আগস্ট বুধবার উপজেলার রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়নের বাখরাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়নের দক্ষিণ বাখরাবাদ গ্রামের প্রয়াত মহাদেব সরকারের ছেলে তপন চন্দ্র সরকার (৫০) ও একই গ্রামের প্রয়াত নিত্যন চক্রবর্তীর ছেলে পলাশ চক্রবর্তী (৩৮)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোর রাতে স্পিরিট জাতীয় বিষাক্ত অ্যালকোহল (মদ) খেয়ে তপন চন্দ্র সরকার ও পলাশ চক্রবর্তী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদেরকে পরিবারের লোকজন মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে পলাশ চক্রবর্তীকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। অপরজন তপন চন্দ্র সরকারের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। কুমিল্লা নেওয়ার পথে তপন চন্দ্র সরকার মারা যান। আজ বুধবার বিকেলে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ পলাশের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ আসার পূর্বেই তপনের লাশ দাহ করা হয়।
বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি হোমিওপ্যাথি দোকানের স্পিরিট জাতীয় অ্যালকোহল (মদ) পানে ২ জন মারা গেছেন। পলাশের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তপনের লাশ দাহ করে ফেলায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পলাশের লাশ ময়না তদন্তের জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিন উপজেলা থেকে একদিনে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকাল থেকে বিকেলের মধ্যে জেলার লাকসাম, লালমাই ও আদর্শ সদর উপজেলা থেকে এই মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ জন যুবক ও ১ জন মাদরাসাছাত্র বলে জানা গেছে।
আদর্শ সদর উপজেলার ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়ি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরে উপজেলার দুতিয়ার দিঘিরপাড় থেকে সামিউল বাসির (১১) নামে এক মাদরাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সামিউল সদর দক্ষিণ উপজেলার আবু ইউসুফের ছেলে এবং দিঘিরপাড় এলাকার গাউছিয়া হাফেজিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা ও এতিমখানায় লেখাপড়া করতেন।
সামিউলের স্বজনরা জানান, ২৭ অক্টোবর দুপুরের পর থেকে তারা সামিউলের খোঁজ পাচ্ছিলেন না। এ নিয়ে আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাননি। ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক “মো. মমিরুল হক” বলেন, বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে সামিউলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, লাকসাম পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীমুড়া উত্তরপাড়ায় নিখোঁজের ৩ দিন পর সাব্বির হোসেন (২২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকালে গাজীমুড়া বড় মসজিদের পাশের একটি পরিত্যক্ত আইসক্রিম কারখানার ভেতর থেকে দুর্গন্ধ আসছিল। আশপাশের লোকজন গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে কারখানার ভেতরে সাব্বিরের মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেন। নিহত সাব্বির ওই এলাকার সৈয়দ আহমেদের ছেলে।
লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) “নাজনীন সুলতানা” বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে জানা যাবে কীভাবে মৃত্যু হয়েছে। অপরদিকে, সকাল ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের হরিশ্চর এলাকা থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের (৩০) মরদেহ উদ্ধার করেছে রেলওয়ে পুলিশ।
লাকসাম রেলওয়ে থানার (ওসি) “মো. জসিম উদ্দিন” বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ভোররাতের পর কোনো একসময় চট্টগ্রামগামী ট্রেনের ধাক্কায় ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শরীর ও মাথায় গুরুতর জখমের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভারত হতে বাংলাদেশে পাচারের সময় কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর বিশেষ টহলদল চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ২ হাজার
পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন বাংলাদেশী মাদক চোরাকারবারীকে আটক করেছে।
আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ শাহাপুর পোষ্টের বিশেষ টহল দল দায়িত্বপূর্ণ এলাকা
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী সদর উপজেলাধীন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শাহাপুর নামক স্থানে নিজস্ব
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত
অভিযানে বিজিবি টহল দল ভারত হতে বাংলাদেশে পাচারের সময় ভারতীয় ২০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ
একজন বাংলাদেশী মাদক চোরাকারবারী মনির হোসেন (৫০) কে আটক করে।
স্থানীয়রা জানান, উক্ত মাদক চোরাকারবারী
দীর্ঘদিন যাবৎ এই এলাকায় অবৈধ মাদক চোরাচালানের সাথে জড়িত ছিল।
উল্লেখ্য, আটককৃত মাদক চোরাকারবারীকে
শাহাপুর পোষ্ট কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করেন।
মন্তব্য করুন


আজ কুমিল্লা সদর দক্ষিণ চৌয়ারা বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
কুমিল্লা ডিমসহ নিত্যপণ্যের বাজারে তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা
করেন। এসময় অনিয়মের অভিযোগে চার প্রতিষ্ঠানকে ৫৯ হাজার টাকা জরিমানা করা
হয়। সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লিফলেট ও প্যাম্পলেট বিতরণ করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ তদারকি কার্যক্রমে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর একে আজাদ ও সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক :
বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা মুক্ত দিবস উদযাপিত হয়েছে।
এই উপলক্ষে সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসন ও কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আয়োজনে কুমিল্লা নগরীর টাউন হল ময়দানে বেলুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,কুমিল্লা জেলার প্রশাসক মুঃ রেজা হাসান, পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান, মুক্তিযোদ্ধা জেলা কমান্ডার নূরে আলম ভূইয়াসহ রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধন শেষে আলোচনা সভায় বক্তব্যে বক্তরা বলেন,প্রতিবছর ৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা মুক্ত দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।
১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী থেকে মুক্ত হয় কুমিল্লা। দীর্ঘ নয় মাসের নির্যাতন, দমন ও যুদ্ধের পর মুক্তিযোদ্ধা, মিত্রবাহিনী ও সর্বস্তরের জনগণ আনন্দের উল্লাসে শহরকে প্রকম্পিত করেছিলেন।পরে টাউন হল মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মন্তব্য করুন