

শনিবার রাতে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা একটি টিম কুমিল্লা জেলার সকল থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার আমতলী এলাকার চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা গামী মহাসড়কের রাস্তার উপর হতে ২৬ কেজি গাঁজাসহ ১জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম মোঃ আরিফুল ইসলাম (২০), পিতা-এরশাদ মিয়া।
আসামী কুমিল্লা জেলার মুরাদপুর থানার দিলালপুর গ্রাম নিবাসী।
উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভাঙার ঘটনাকে সামনে রেখে ৩৩ বছর পর একই দিনে বাবরি মসজিদ পুনর্নির্মাণের উদ্যোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
এই কর্মসূচির নেতৃত্বে রয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক ও তৃণমূল থেকে সাময়িক বহিষ্কৃত নেতা হুমায়ুন কবীর। তার আহ্বানে ইতোমধ্যেই রেজিনগরে জড়ো হতে শুরু করেছেন হাজার হাজার মানুষ। প্রায় ৪০ হাজার মানুষের খাবারের বন্দোবস্ত করা হয়েছে এবং আয়োজকদের দাবি, মোরাদিঘির কাছে ২৫ বিঘা জমিতে প্রায় ৩ লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে। শুধু স্থানীয় নয়—বিভিন্ন রাজ্যের ধর্মীয় নেতাদের পাশাপাশি সৌদি আরব থেকেও ধর্মগুরুদের আসার কথা জানিয়েছেন হুমায়ুন কবীর।
তিনি বলেন, মাত্র তিন কাঠা জায়গা নিয়ে এত বিরোধিতা থাকলেও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কার্যক্রম থামানো হয়নি। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৫ বিঘা জমিতে মসজিদের পাশাপাশি হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় ও পার্ক নির্মাণ হবে। এসব প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হবে, যা মুর্শিদাবাদসহ মালদা, উত্তর–দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দিনাজপুর, হাওড়া, হুগলি ও দুই মেদিনীপুরের মানুষের আর্থিক সহযোগিতায় নির্মিত হবে।
হুমায়ুন কবীর স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি রাজ্য সরকারের কোনো টাকা গ্রহণ করে মসজিদ নির্মাণ করবেন না, কারণ এতে “মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট হবে।”
এদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনীতিতে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেস তাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে। শুক্রবার সন্ধ্যায় রেজিনগর থানায় তাকে কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।
তবে তার আগেই তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, সমস্ত প্রস্তুতি আগেই সম্পন্ন, এবং কর্মসূচি যেকোনোভাবেই অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের মাটিতে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে আইসিসির সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
আজ রবিবার (১৮ আগস্ট) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করতে পারা আমাদের জন্য ভালো মাইলফলক হবে। কিন্তু যেহেতু বাংলাদেশ একটা সংকটকালীন পার করছে, আবার একইসঙ্গে যারা আমাদের মেহমান হয়ে আসবেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব। সবকিছু বিবেচনায় এটা ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাতে নেই, এখন এটা রাষ্ট্রীয় ব্যাপার। ড. মুহাম্মদ ইউনূস (অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা) স্যার আছেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নতুন নিয়োগ পেয়েছেন। সবার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেব। আইসিসির সঙ্গেও আমাদের আলোচনা চলমান আছে। তারপর এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে পারব।
বেশ কয়েকটি এজেন্ডা নিয়ে আগামী ২০ আগস্ট ক্রিকেট বোর্ডগুলোর সঙ্গে অনলাইন বৈঠকে বসবে আইসিসি। তারা চাচ্ছে সেই সময়ের মধ্যে যেন বিসিবি নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়।
সূচি অনুযায়ী আগামী ৩-২০ অক্টোবর বাংলাদেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। যার জন্য আয়োজকদের হাতে আর মাত্র দেড় মাস বাকি। সে হিসেবে দ্রুত জটিলতার অবসান চায় আইসিসি।
মন্তব্য করুন


মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে এক ব্যক্তির গ্রেপ্তার দাবি করে তার বাড়ির সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার সিংরুইল ইউনিয়নের কচুরি বেপারিবাড়ি এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।স্থানীয়দের সঙ্গে মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা জানান, ওই এলাকার মো. আব্দুল হেলিমের ছেলে ইলিয়াস, যিনি সোহেল মিয়া নামেও পরিচিত, ঢাকায় বসবাস করলেও এলাকায় এসে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। একসময় আর্থিকভাবে অসচ্ছল থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তার বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।তারা আরও অভিযোগ করেন, সোহেলের ছোট ভাই বিল্লালের নেতৃত্বে এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ মাদকচক্র গড়ে উঠেছে। সোহেল এর আগেও একাধিকবার মাদক সংশ্লিষ্ট ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হন। তবে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পুনরায় একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে দাবি এলাকাবাসীর।এ অবস্থায় দ্রুত সোহেল, তার ভাই বিল্লালসহ সংশ্লিষ্ট মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার এবং এলাকায় গড়ে ওঠা মাদকের আস্তানাগুলো উচ্ছেদের দাবি জানান তারা।মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পারভেজ আহমেদ জামিন, ইখলাস উদ্দিন, মুরাদ মিয়া, তানভীর হক, সুজন আহম্মেদ, রুবেল মিয়া ও আলিম উদ্দিন। বক্তারা অভিযোগ করেন, সিংরুইল ইউনিয়নে বর্তমানে ইয়াবা, গাঁজা ও মদসহ বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য সহজেই পাওয়া যাচ্ছে, যা এলাকার সামাজিক পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেলের বাবা আব্দুল হেলিম বলেন, এলাকায় অবৈধ মাটি ব্যবসার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার ছেলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল-আমীন জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় একজন কর্মকর্তাকে পাঠানো হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


মহান
মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান
এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকারের (এ কে খন্দকার) নামাজে জানাজায় অংশ নিয়েছেন
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
রবিবার ( ২১ ডিসেম্বর ) রাজধানীর বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশারে এ কে খন্দকারের জানাজা
অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে খন্দকারের ফিউনারেল
প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায়
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাগণ ছাড়াও সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানসহ উচ্চপদস্থ
সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন।
জানাজা
শেষে রাষ্ট্রপতির পক্ষে তাঁর সামরিক সচিব মরহুম এ কে খন্দকারের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ
করে শ্রদ্ধা জানান। এরপর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস কফিনে পুষ্পস্তবক
অর্পণ করে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরে
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,
নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল
হাসান মাহমুদ খাঁন একে একে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে বিমানবাহিনীর একটি ফ্লাই পাস্টের
মাধ্যমে মরহুম এ কে খন্দকারের প্রতি সম্মান জানানো হয়।
জানাজার
আগে এ কে খন্দকারের পূত্র জাফরুল করিম খন্দকার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
মুক্তিযুদ্ধের
অন্যতম বীর সেনানী এ কে খন্দকার গতকাল শনিবার সকালে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান।
তিনি
ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর-উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিবাহিনীর
ডেপুটি চিফ অব স্টাফ, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান এবং সাবেক মন্ত্রী।
১৯৭১
সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা
অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এ কে খন্দকার। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তাঁর কৌশলগত
সিদ্ধান্ত ও সাংগঠনিক দক্ষতা স্বাধীনতার সংগ্রামকে আরও সুসংহত করে।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থানায় দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় এএসআই আকতার হোসেন (৩৮) অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। শনিবার ভোরে তাকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে থানা সূত্রে জানা গেছে। আকতার হোসেন ঝিনাইদহের কাঞ্চনপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শাহজাদপুর থানায় যোগ দেন।
থানার ওসি আসলাম আলী জানান, শুক্রবার বিকেলে ডিউটির সময় আকতার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে রাতে তাকে এনায়েতপুরের খাজা ইউনুস আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার দুই কিডনি ও লিভারে মারাত্মক সমস্যা ধরা পড়ে।
শনিবার ভোরে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হলেও চিকিৎসকরা দ্রুত ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মন্তব্য করুন


নতুন শিক্ষাক্রমে বিভাগ
বিভাজন (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য) নেই। ফলে নবম শ্রেণিতেও একই পাঠ্যবই পড়ছে সব
শিক্ষার্থী।
রোববার (১ সেপ্টেম্বর)
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচির মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার সাক্ষরকৃত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা নির্দেশনা থেকে জানা গেছে, নবম শ্রেণির
শিক্ষার্থীর যখন দশম শ্রেণিতে উঠবে, তখন বিভাগ বিভাজনের সুযোগ পাবে। তারা আগের
নিয়মে যেন ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে, সেজন্য সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচিও
প্রণয়ন করা হবে।
নির্দেশনায় আরো বলা
হয়েছে, ২০২৫ সালে দশম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা
(২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য) নেওয়ার লক্ষ্যে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা
অব্যাহত রেখে পূর্বের জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ এর আলোকে প্রণীত সংশোধিত ও পরিমার্জিত
পাঠ্যপুস্তকগুলো (অর্থাৎ ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ব্যবহৃত পুস্তক) শিক্ষার্থীদের সরবরাহ
করা হবে।
এতে আরও বলা হয়, যেসব
শিক্ষার্থী ২০২৫ সালে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হবে, তাদের জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ এর
আলোকে প্রণীত শাখা ও গুচ্ছভিত্তিক সংশোধিত ও পরিমার্জিত পাঠ্যপুস্তকগুলো (২০২৩
শিক্ষাবর্ষে ব্যবহৃত) প্রদান করা হবে। এসব শিক্ষার্থী নবম ও দশম শ্রেণি মিলিয়ে দুই
শিক্ষাবর্ষে সম্পূর্ণ পাঠ্যসূচি শেষে ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ
করবে।
‘জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ অনুসারে প্রণীত বিজ্ঞান,
মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষাভিত্তিক এ পাঠ্যপুস্তকগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচি
প্রণয়ন করা হবে, যেন শিক্ষার্থীরা এক শিক্ষাবর্ষের মধ্যেই পাঠ্যসূচিটি সম্পন্ন
করতে পারে। পাঠদান ও মূল্যায়ন পদ্ধতি জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ অনুসারে পরিচালিত
হবে।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষাবিদ, শিক্ষাক্রম বিশেষজ্ঞ, মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞ,
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও
অভিভাবক প্রতিনিধিদের সহযোগিতায় ২০২৫ সালে পরিমার্জিত শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত করা হবে,
যা ২০২৬ সাল থেকে পরিপূর্ণরূপে কার্যকর করা হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকার যে ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে-বিচার ও সংস্কার দৃশ্যমান করার মধ্য দিয়ে তাদের
নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন। এজন্য যতটুকু সময় প্রয়োজন অন্তর্বর্তী সরকার
ততটুকু সময় পেতে পারে।
আজ
শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের বিরতিতে এনসিপি’র সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমন কথা বলেন।
আখতার
হোসেন বলেন, নির্বাচনের আগে বিচার ও সংস্কারের দৃশ্যমান রোডম্যাপ সরকারকে উপস্থাপন
করতে হবে। আমরা নির্বাচন প্রলম্বিত করার পক্ষে নয়, তবে তার আগে বিচার এবং সংস্কারকে
যেন অবশ্যই দৃশ্যমান করা হয়। সে ব্যাপারে আমরা জোরালো বক্তব্য উপস্থাপন করেছি। আমরা
এখন পর্যন্ত সংবিধানের বিষয়ে আলোচনা করেছি। এখন পর্যন্ত বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন,
জনপ্রশাসন, দুদক এবং পুলিশ সংস্কার কমিশনের মতো বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে পারিনি। তবে
পুলিশ সংস্কার কমিশিনের রিপোর্ট কেন অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি সে বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন
করেছি। আমাদের মতামতগুলো জানাতে চেয়েছি।
বর্তমান সংবিধানের অধীনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত সম্ভব
নয় উল্লেখ সম্ভব নয় উল্লেখ করে আখতার হোসেন বলেন, সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীকে একচ্ছত্র
ক্ষমতায়ন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সাংবিধানিকভাবেই স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ
তৈরি হয়েছে। আমরা ক্ষমতার ভারসাম্যের কথা বলেছি এবং সংবিধানের মৌলিক সংস্কারের কথা
আমরা বলেছি। কীভাবে নতুন একটি সংবিধান পুনর্লিখন করা যায়। গণপরিষদ নির্বাচনের বাস্তবতা
নিয়ে আমরা কথা বলেছি।
এনসিপি’র
দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ঐকমত্য কমিশনের ১৬৬টি বিষয়ের মধ্যে
১২৯টি বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। যেসব বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি সেসব বিষয়ে আমাদের অবজারভেশন
রয়েছে। এসব বিষয়ে সংযোজন, বিয়োজনের নোট আমরা ঐকমত্য কমিশনে দিয়েছি। আমরা মূলত এখন পর্যন্ত
তিনটি বিষয়ে কথা বলেছি। প্রথমত, প্রটেকশন অব সিটিজেন (নাগরিকদের নিরাপত্তা)। আমরা দেখেছি,
স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রে নাগরিকদের নিরঙ্কুশ অধিকার কখনো স্বীকৃত হয়নি। সেসব
বিষয়ে আমরা বিস্তারিত কথা বলেছি।
দ্বিতীয়ত,
আমরা শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে কথা বলেছি। আমরা প্রতিনিয়ত দেখেছি, যখনই ক্ষমতা
হস্তান্তরের একটি সময় এসেছে তখনই দেশে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। একটা সরকার
থেকে অন্য সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর কীভাবে হবে এই বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা
হচ্ছে।
তৃতীয়ত,
সংসদের স্থিতিশীলতার নামে আর্টিকেল ১৭ দিয়ে আমাদের কন্ঠ রোধ করে রাখা হয়েছে- এ বিষয়ে
কথা হয়েছে। আমাদের সংসদকে আরো বেশি কীভাবে কার্যকর করা যায় ওই বিষয়টি নিয়ে আমাদের কথা
হয়েছে।
উক্ত বৈঠকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রিয়াজ, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
এনসিপি’র
পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক
সরোয়ার তুষার, জ্যেষ্ট যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী,
মুখ্য সংগঠক (দাক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে। এর ফলে সরকারি অনুদানে নির্মিতব্য চলচ্চিত্রের মানোন্নয়ন হবে।
আজ বুধবার (১২ নভেম্বর) ঢাকার তথ্য ভবনে স্বল্পদৈর্ঘ্য ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালা, ২০২৫-এর সংশোধন-বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গত অর্থবছরে অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাই প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, বিদ্যমান নীতিমালার আলোকে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার সঙ্গে সরকারি অনুদানের জন্য চলচ্চিত্র বাছাই করা হয়েছে। যেসব চলচ্চিত্র অনুদানের জন্য নির্বাচিত হয়েছে, সেসব চলচ্চিত্র নির্মাণে গুণগত মান বজায় রাখার জন্য তিনি চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।
তথ্য উপদেষ্টামাহফুজ আলম বলেন, অনুদানে নির্মিতব্য চলচ্চিত্রের মানোন্নয়নে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয় চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
বিদ্যমান নীতিমালায় যেসব ক্ষেত্রে সংশোধন প্রয়োজন, তা লিখিতভাবে জমাদানের জন্য তিনি চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের প্রতি আহ্বান জানান।
উক্ত মতবিনিময় সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, অতিরিক্ত সচিব নূর মো. মাহবুবুল হক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস-চেয়ারম্যান এস. এম. আব্দুর রহমানসহ চলচ্চিত্র পরিচালক, চলচ্চিত্রনির্মাতা, অভিনেতা ও চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সবাই না থাকাতে ভেঙে গেছে সংস্থার চেইন অব কমান্ড। তাই পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি এ কে এম শহিদুর রহমানকে ফোকালপারসন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর রমনার ইস্কাটন গার্ডেনে পুলিশ অফিসার্স মেসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি (চাকরিচ্যুত) খান সাঈদ হাসান।
নির্যাতিত অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের পক্ষে এই ঘোষণা করে তিনি বলেন, পুলিশে কমান্ড দেওয়ার মতো এই মুহূর্তে কেউ নেই। পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তাকে রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ ও চকবাজার এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে কুমিল্লা জেলা পুলিশ।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন এর নির্দেশে এ অভিযান পরিচালনা করেন কুমিল্লা ট্রাফিক বিভাগের অ্যাডমিন সরওয়ার মোহাম্মদ পারভেজ।
অভিযান চলাকালে রাজগঞ্জ ও চকবাজার এলাকার ফুটপাত দখল করে বসানো অবৈধ হকার ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। পাশাপাশি রাস্তার পাশে দোকানদারদের ফেলে রাখা মালামালও সরিয়ে নেওয়া হয়, যাতে পথচারীরা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারেন।
ট্রাফিক বিভাগের অ্যাডমিন সরওয়ার মোহাম্মদ পারভেজ বলেন, “জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় ও যানজট সৃষ্টি করে এমন অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।”
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন পর এমন কার্যকর অভিযানে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছে। তারা আশা করছেন, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে নগরীর যানজট ও ফুটপাত দখলের সমস্যা অনেকাংশে কমে যাবে।
মন্তব্য করুন