

শনিবার রাতে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা একটি টিম কুমিল্লা জেলার সকল থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার আমতলী এলাকার চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা গামী মহাসড়কের রাস্তার উপর হতে ২৬ কেজি গাঁজাসহ ১জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম মোঃ আরিফুল ইসলাম (২০), পিতা-এরশাদ মিয়া।
আসামী কুমিল্লা জেলার মুরাদপুর থানার দিলালপুর গ্রাম নিবাসী।
উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


শনিবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল ৫.৩০টা থেকে
দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য একটি আবহাওয়ার
পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর যেখানে বলা হয়েছে কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে রাত ১টার মধ্যে পশ্চিম অথবা
উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ
বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
দেখাতে বলা হয়েছে।
মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিটিতে আগামী তিন দিনের পূর্বাভাসে আবহাওয়া
অধিদপ্তর জানিয়েছে, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা
ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি
হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া
তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা ও
চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে অতি তীব্র তাপ প্রবাহ এবং টাঙ্গাইল, বগুড়া,বাগেরহাট,
যশোর ও কুষ্টিয়া জেলাগুলোর ওপর দিয়ে তীব্র তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। মৌলভীবাজার, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও
বান্দরবান জেলাসহ রংপুর, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগসহ ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের
অবশিষ্টাংশের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা
অব্যাহত থাকতে পারে।
সর্বোপরি তাপমাত্রার বিষয়ে বলা হয়েছে, সারা
দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় একইরকম
থাকতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিভাব বিরাজমান থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় ওটিটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ট্যাপম্যাড দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের সম্প্রসারণ যাত্রা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশের শীর্ষ টেলিকম অপারেটরগুলোর একটি রবি আজিয়াটা লিমিটেড – এর সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে।
পাকিস্তানে অসাধারণ সাফল্যের পর, ট্যাপম্যাড এখন বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য নিয়ে আসছে প্রিমিয়াম মানের লাইভ স্পোর্টস এবং বিনোদন অভিজ্ঞতা, যা দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নির্দেশ করে।
এই অংশীদারিত্বের ফলে রবি গ্রাহকরা ট্যাপম্যাডের বিশাল লাইভ ও অন-ডিমান্ড কনটেন্ট লাইব্রেরিতে অবিচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকার উপভোগ করতে পারবেন। মোবাইল ব্যালেন্স বা সরাসরি বিলিংয়ের মাধ্যমে সহজেই সাবস্ক্রিপশন সক্রিয় করা যাবে, যা রবির শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ও ট্যাপম্যাডের উন্নত স্ট্রিমিং প্রযুক্তিকে একত্রিত করে যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে নির্বিঘ্ন এইচডি-মানের স্ট্রিমিং নিশ্চিত করবে।
ট্যাপম্যাডের সিইও ইয়াসির পাশা এ প্রসঙ্গে বলেন, “রবির সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারিত্ব ট্যাপম্যাডের আঞ্চলিক সম্প্রসারণে আরেকটি মাইলফলক। বাংলাদেশের দর্শকগোষ্ঠী প্রাণবন্ত ও উৎসাহী, এবং আমরা আনন্দিত যে আমরা তাদের জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম আনতে পারছি যা সুবিধা, সাশ্রয়ী এবং উন্নত মানের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।”
এই সহযোগিতার মাধ্যমে ট্যাপম্যাড সীমান্ত অতিক্রম করে ডিজিটাল বিনোদনের মান আরও উন্নত করছে।প্ল্যাটফর্মটির বিশাল ক্রীড়া ও বিনোদনমূলক কনটেন্ট সংগ্রহ স্থানীয় রুচি অনুযায়ী সাজানো, একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেছে যা পাকিস্তানসহ পুরো অঞ্চলে তাদের সাফল্যের পরিচায়ক।
রবি আজিয়াটার মার্কেটিং প্রধান শওকত কাদের চৌধুরী বলেন, “আমরা ট্যাপম্যাডের সঙ্গে অংশীদারিত্বে আনন্দিত। এর ফলে আমাদের ব্যবহারকারীদের জন্য প্রিমিয়াম মানের স্পোর্টস ও বিনোদন অভিজ্ঞতাকে আরও সহজলভ্য করবে। এই অংশীদারিত্ব আমাদের ডিজিটাল উদ্ভাবনের প্রতিশ্রুতি এবং গ্রাহকদের বিনোদন অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করার প্রচেষ্টাকে প্রতিফলিত করে।”
ট্যাপম্যাডের সিওও আলী রানা বলেন, “বাংলাদেশ আমাদের জন্য এক উচ্ছ্বাসপূর্ণ সুযোগ।এখানে আমরা ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল দর্শকদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারব। আমাদের লক্ষ্য হলো ট্যাপম্যাডের সাফল্য নির্ধারণকারী আন্তর্জাতিক স্ট্রিমিং মান বজায় রাখা, পাশাপাশি স্থানীয় দর্শকদের প্রত্যাশা ও পছন্দ অনুযায়ী অভিজ্ঞতা সাজানো।”
ট্যাপম্যাড বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আরিফ আদিত্য বলেন, “এই অংশীদারিত্ব আমাদেরকে বাংলাদেশের নতুন দর্শকদের সঙ্গে যুক্ত হতে এবং তাদের জন্য এমন এক উচ্চমানের, ব্যবহারবান্ধব স্ট্রিমিং অভিজ্ঞতা দিতে সহায়তা করছে যা বৈশ্বিক উদ্ভাবন ও স্থানীয় প্রাসঙ্গিকতাকে একত্রে প্রতিফলিত করে।”
দক্ষিণ এশিয়ার ডিজিটাল বিনোদন শিল্পে প্রায় এক দশকের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ট্যাপম্যাড ইতোমধ্যে নিজেকে অঞ্চলের অন্যতম বিশ্বস্ত ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। প্রযুক্তি, অংশীদারিত্ব ও স্থানীয় কনটেন্টে ধারাবাহিক বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দক্ষিণ এশিয়ার দর্শকদের লাইভ স্পোর্টস ও অন-ডিমান্ড বিনোদনের অভিজ্ঞতাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে।
রবির শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো এবং ট্যাপম্যাডের পরীক্ষিত দক্ষতাকে একত্রিত করে, এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য সহজলভ্য ও উচ্চমানের ডিজিটাল বিনোদনের এক নতুন অধ্যায় সূচনা করছে।
ট্যাপম্যাড সম্পর্কে :
ট্যাপম্যাড হোল্ডিংস পিটিই লিমিটেড সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি আঞ্চলিক ওটিটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, যা লাইভ স্পোর্টস এবং অন-ডিমান্ড কনটেন্ট সরবরাহ করে। সহজ ব্যবহারযোগ্য ইন্টারফেস, নির্ভরযোগ্য স্ট্রিমিং এবং সাশ্রয়ী সাবস্ক্রিপশন প্ল্যানের মাধ্যমে ট্যাপম্যাড দক্ষিণ এশিয়ার লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারীর জন্য একটি বিশ্বস্ত বিনোদন সঙ্গী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপের নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার তারিখ পিছিয়েছে।
বুধবার (৬ মার্চ) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি এবং অপারেশন) মনীষ চাকমা স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, তৃতীয় ধাপের নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা আগামী ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এই ধাপের পরীক্ষায় অংশ নেবেন ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের চাকরিপ্রার্থীরা।
২৯ মার্চ সকাল ১০টায় লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে মর্মে অবগত করা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে চিঠি দেওয়ার জন্য অনুরোধও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৩ এর তৃতীয় গ্রুপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের লিখিত পরীক্ষা প্রশাসনিক কাজের স্বার্থে আগামী ২২ মার্চের পরিবর্তে ২৯ মার্চ সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।
গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি রংপুর, সিলেট ও বরিশাল বিভাগের ক্লাস্টারের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে অধিদপ্তর। এরপর ২২ মার্চ রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরপর ১৭ জুন ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
প্রথম ধাপে তিন লাখ ৬০ হাজার ৭০০, দ্বিতীয় ধাপে চার লাখ ৫৯ হাজার ৪৩৮ এবং তৃতীয় ধাপে ৩ লাখ ৪০ হাজার প্রার্থী আবেদন করেন। বর্তমানে প্রায় ৮ হাজারের বেশি পদ শূন্য রয়েছে।
এবারই প্রথম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে বিভাগওয়ারি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। গুচ্ছভিত্তিক এ নিয়োগে তিন ধাপে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষাও আলাদাভাবে নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ২ হাজার ৪৯৭ জন প্রার্থী সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হন। আর দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ২০ হাজার ৬৪৭ জন।
মন্তব্য করুন


সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে । বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহার করা গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা বাড়িয়ে গেজেট জারি করা হয়েছে। নতুন এ দাম চলতি ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কার্যকর ধরা হয়েছে।
এর আগে গত বছরের ১৮ জানুয়ারি আবাসিক, সিএনজিচালিত যানবাহন, সার ও চা শিল্পে ব্যবহার ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল, যা ওই বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কার্যকর হয়।
সরকারি, আইপিপি ও রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের জন্য গ্যাসের পূর্ব মূল্য ছিল প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা যা বাড়িয়ে বর্তমান মূল্য করা হয়েছে ১৪ টাকা ৭৫ পয়সা।
ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট, স্মল পাওয়ার প্ল্যান্ট ও বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ছিল প্রতি ঘনমিটার ৩০ টাকা। এক্ষেত্রেও ৭৫ পয়সা বাড়িয়ে সেটা ৩০ টাকা ৭৫ পয়সা করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ভতুর্কি সমন্বয়ে বিদ্যুতের সঙ্গে গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে । গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেছিলেন, গ্যাসের দাম সমন্বয় গ্রাহক পর্যায়ে হচ্ছে না। বিদ্যুতের পর্যায় হচ্ছে। গ্যাসের আবাসিক পর্যায়ে ব্যবহারের ক্ষেত্রে দাম বাড়ছে না। শিল্পেও গ্যাসের দাম বাড়ছে না। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে যে গ্যাস দেওয়া হয় সেখানে আমরা কিছুটা সমন্বয় করছি।
তিনি বলেন যে গ্যাস বিদ্যুতে দেওয়া হয় সেখানে প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা বাড়বে, অর্থাৎ এটা ইন্টারনাল।
এ বছর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি আসবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি ক্ষেত্রে ৬ হাজার কোটি টাকার মতো ভর্তুকি আসবে। এগুলো আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আমরা সমন্বয়ে যাবো।
মন্তব্য করুন


বিলাসবহুল
জীবনযাপনের জন্য প্রায়ই আলোচনায় থাকেন বলিউড অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলা। এবার মায়ের
জন্মদিনে ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের প্রলেপ দেওয়া তিন তলা কেক কেটে নেট দুনিয়ায় শোরগোল ফেলে
দিয়েছেন তিনি। গত ১ জানুয়ারি দুবাইয়ের একটি অভিজাত হোটেলে এই রাজকীয় আয়োজন সম্পন্ন
হয়।
বিশ্বের
অন্যতম উঁচু হোটেল বুর্জ আল আরবে মা মীরা রাউতেলার জন্মদিনের বিশেষ এই পার্টির আয়োজন
করেন উর্বশী। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, তার মায়ের সামনে রাখা হয়েছে
সোনালি রঙের একটি বিশাল তিন তলা কেক। কেকের ওপরে ছিল স্বর্ণের একটি রাজকীয় মুকুট।
উর্বশী নিজেই জানান, কেকটি ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের পাতে মোড়ানো ছিল। এই এলাহি আয়োজন দেখে অনেক নেটিজেন যেমন প্রশংসা করেছেন, তেমনি কেউ কেউ একে অপ্রয়োজনীয় দেখনদারি বলে কটাক্ষও করেছেন। সেই আয়োজনে উর্বশীকে সোনালি রঙের ঝলমলে পোশাকে এবং তার মাকে বেগুনি রঙের ট্র্যাডিশনাল পোশাকে দেখা যায়। তাদের সামনে থাকা বড় স্বর্ণালি কেকটি ছিল বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। এছাড়া টেবিলে দামী পানীয় ও ফুলের সাজসজ্জা চোখে পড়ার মতো ছিল। উর্বশী তার পোস্টে লেখেন, বিশ্বের উচ্চতম হোটেলে ২৪ ক্যারেটের রাজকীয় স্বর্ণের মুকুট সম্বলিত কেক দিয়ে মায়ের জন্মদিন পালন করলাম। উর্বশী রাউতেলা এর আগেও তার বিভিন্ন দামী শখের কথা জানিয়ে খবরের শিরোনাম হয়েছেন। তিনি এর আগে স্বর্ণের পাতে মোড়ানো মোবাইল ফোন ব্যবহার করেও আলোচনায় এসেছিলেন।
মন্তব্য করুন


বড়দিন
উপলক্ষ্যে আগামীকাল ২৫ ডিসেম্বর দেশব্যাপী র্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।
খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’।
খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বৃহত্তম এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেছে র্যাব
ফোর্সেস।
আজ
বুধবার ( ২৪ ডিসেম্বর ) র্যাব থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে
দেশের সকলে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের উৎসব উদযাপন করে। খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের
বড়দিনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও র্যাব ফোর্সেস
বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে।
ক.
বড়দিন উদযাপন উপলক্ষ্যে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে
দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধিসহ পর্যাপ্ত সংখ্যক র্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
খ.
র্যাব ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সার্বক্ষণিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ গির্জা, উপাসনালয়সমূহ
ও গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানস্থলে প্রয়োজনীয় স্যুইপিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছে। যে কোনো
উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় র্যাব স্পেশাল ফোর্স-এর কমান্ডো টিমকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত
রাখা হয়েছে।
গ.
যে কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকল মেট্রোপলিটন শহর, জেলা শহর ও উপজেলা পর্যায়ে
গির্জাসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসমূহে চেকপোস্ট স্থাপন, পর্যাপ্ত সংখ্যক টহল মোতায়েন এবং
সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সকল মেট্রোপলিটন শহর ও গুরুত্বপূর্ণ
জেলা শহরসমূহে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সার্বক্ষণিক প্রয়োজনীয় সংখ্যক ফোর্স রিজার্ভ
রাখা হয়েছে।
ঘ.
চক্রান্তকারী, উসকানিদাতা ও সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের বিষয়ে আগাম তথ্য সংগ্রহপূর্বক নাশকতামূলক
কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও যে কোনো ধরনের
নাশকতার পরিকল্পনা নস্যাৎ করতে কাজ করছে র্যাব।
ঙ.
ভার্চুয়াল জগতে যে কোনো ধরনের গুজব, মিথ্যা তথ্য ছড়ানো প্রতিরোধে র্যাব সাইবার মনিটরিং
টিম অনলাইনে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রাখছে। যারা সাইবার জগতে মিথ্যা তথ্য ও গুজব
ছড়িয়ে উসকানি দেওয়ার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার অপচেষ্টা করবে, তাদের
শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ গির্জা, উপাসনালয় ও অনুষ্ঠানস্থলে
অপতৎপরতাকারীদের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বড়দিন উদযাপন কমিটি সিসিটিভি ক্যামেরার
মাধ্যমে মনিটরিং করা হচ্ছে।
চ.
এছাড়াও বড়দিন উদযাপন কমিটি নিয়োগকৃত স্বেচ্ছাসেবক এবং কর্তব্যরত র্যাব সদস্যদের মাধ্যমে
সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কোনো দুষ্কৃতকারী গির্জা ও অনুষ্ঠান
এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তাৎক্ষণিকভাবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা
হবে।
ছ.
গুরুত্বপূর্ণ গির্জা, উপাসনালয় এবং অনুষ্ঠানস্থলসমূহে আগত নারীদের উত্ত্যক্ত, ইভটিজিং,
যৌন হয়রানি রোধকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
জ.
গির্জাসমূহের নিরাপত্তা রক্ষায় সেখানে দায়িত্বরত র্যাব সদস্যদের গির্জা কর্তৃপক্ষের
স্বেচ্ছাসেবক টিম সর্বদা সহায়তা করার জন্য অনুরোধ করছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ গির্জাসমূহে
নিরাপত্তা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য যে সকল সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে, তা যথাযথভাবে
মনিটরিং করার জন্য গির্জা কর্তৃপক্ষকে আহ্বান করছে র্যাব।
ঝ.
ব্যাটলিয়নসমূহ নিজ নিজ কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে তাদের জনপ্রতিনিধি ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা
বাহিনীর সাথে সমন¦য় করে কাজ করছে। র্যাব সদর দপ্তরে কন্ট্রোল রুমের (কন্ট্রোল রুমের
হটলাইন নম্বর : ০১৭৭৭৭২০০২৯) মাধ্যমে ঢাকাসহ সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ
ও সমন্বয় করা হচ্ছে। বড়দিনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট
করার লক্ষ্যে কেউ নাশকতার চেষ্টা করছে এমন কোনো তথ্য আপনারা পেলে সে ব্যাপারে র্যাবকে
অবহিত করুন।
ঞ.
বড়দিন এর উৎসবকে কেন্দ্র করে চক্রান্তকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি নিয়ে জনস্বার্থ
বিরোধী পদক্ষেপ নিতে না পারে, সেজন্য কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধিসহ প্রতিরোধমূলক
ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র্যাব।
ট.
বড়দিনের উৎসবকে কেন্দ্র করে বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের কর্মকর্তা এবং ভিআইপি কর্মকর্তাগণ
অনুষ্ঠানস্থলে গমনাগমন করে থাকেন। এছাড়াও, খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি
এবং ধর্মযাজকগণের নিরাপত্তার বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহপূর্বক ঝুঁকি পর্যালোচনা ও
অনুষ্ঠানস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
ঠ.
বড়দিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানসমূহ বিশেষ করে ঢাকার বনানী, গুলশান, উত্তরা, পূর্বাচল,
৩০০ ফিট, হাতিরঝিল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের অভিজাত হোটেল ও ক্লাবগুলোতে এবং
কক্সবাজার ও কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আয়োজিত অনুষ্ঠানের আড়ালে অশ্লীল কর্মকাণ্ড, ইভটিজিং
ও নারীদের শ্লীলতাহানির ঘটনা রোধকল্পে বড়দিন উদযাপন কমিটিসমূহসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ
করা হয়েছে।
ড.
বঙ্গভবন, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা, বাংলাদেশ সচিবালয়, প্রধান উপদেষ্টার অফিস এবং
গণভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও কেপিআই-এর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে র্যাবের
গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
ঢ.
বড়দিনের অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে পটকা, আতশবাজিসহ আগুন দ্বারা পরিচালিত ফানুস ওড়ানো যাবে
না। আতশবাজি বা পটকা ফোটানো বা ফানুস ওড়ানো বন্ধ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা
হয়েছে।
ণ।
পূর্বের বছরগুলোর ন্যায় এ বছরও অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে সারা দেশব্যাপী বড়দিন
উদযাপিত হবে এবং সকলেই উৎসব মুখরভাবে বড়দিন উদযাপন করবে। র্যাব ফোর্সেস অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা
বাহিনী সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
কসবা উপজেলায় ছেলের অটোরিকশা থেকে পড়ে ট্রাক চাপায় মাসুমা বেগম (৪০) নামে এক নারী নিহত
হয়েছে। মাসুমা বেগম উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের কবির হোসেনের স্ত্রী।
শুক্রবার
(২৬ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের আকছিনা গ্রামের কসবা-নয়নপুর
সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে ওষুধ কিনতে ছেলের চালানো অটোরিকশায় করে
কসবা বাজারে যাচ্ছিলেন মাসুমা বেগম। পথে আকছিনা এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে আসা একটি
দ্রুতগতির ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি অটোরিকশা থেকে ছিটকে ট্রাকের নিচে
চাপা পড়েন।
পরে
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক
তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কসবা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক অনিক ইসলাম বলেন, ‘নিহতের মাথায় গুরুতর
আঘাত লেগেছিল। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা
হচ্ছে।’
কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজনীন সুলতানা বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


ব্যবসায়ীদের
দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে মোবাইল ফোন আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে
১০ শতাংশ করা হয়েছে।
এর
ফলে সরাসরি মোবাইল ফোন আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক, অগ্রিম কর ও ভ্যাটের পরিমাণ
মোট ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ থেকে ৪৩ দশমিক ৪৩ শতাংশে নেমে এল।
তাতে
আমদানি করা ৩০ হাজার টাকার বেশি দামের স্মার্টফোনে সাড়ে ৫ হাজার টাকা সাশ্রয় হবে বলে
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর আশা করছে।
এছাড়া
মোবাইল ফোন সংযোজনকারী কোম্পানির আমদানি করা উপকরণের ওপর শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে
৫ শতাংশ করা হয়েছে।
ততে
দেশে সংযোজন করা ৩০ হাজার টাকার বেশি দামের মোবাইলে ফোনে দেড় হাজার টাকা সাশ্রয় হবে
বলে এনবিআরের ভাষ্য।
মঙ্গলবার
দুটো আলাদা প্রজ্ঞাপনে শুল্ক কমানোর এই সিদ্ধান্ত জানায় এনবিআর।
চলতি
বছরের প্রথম দিন দাম কমিয়ে আনতে দেশে উৎপাদিত ফোনের যন্ত্রাংশ ও আমদানি করা মোবাইল
ফোনে শুল্ক ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন
রেজিস্টার’ বা এনইআইআর চালুর উদ্যোগ ঘিরে ব্যবসায়ীদের আন্দোলন ও দাবির
মধ্যে ১ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের সভায় শুল্ক ছাড়ের এ সিদ্ধান্ত হয়।
এনবিআর
বলছে, “উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শুল্ক হ্রাসের ফলে সকল ধরনের মোবাইল ফোনের মূল্য সর্বসাধারণের
ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে এবং দেশের নাগরিকগণের পক্ষে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ সহজতর হবে
মর্মে সরকার আশা করে।
এনইআইআর
পদ্ধতি চালু করতে সরকারের উদ্যোগের মধ্যে মোবাইল ফোন আমদানিতে ‘উচ্চ শুল্কের’
বিষয়টি আলোচনায় আসে। কর ফাঁকি বন্ধের পাশাপাশি নিম্নমানের ফোন দেশে ঢোকা বন্ধ করতে
সরকার হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের এনইআইআর পদ্ধতি চালু করেছে। এর ফলে দেশে অবৈধ পথে আসা ফোনগুলো
আর ব্যবহার করা যাবে না। পাশাপাশি বন্ধ হয়ে যাবে অবৈধভাবে বিদেশ থেকে নিয়ে আসা পুরনো
ফোনের ব্যবসাও।
মোবাইল
হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের এই বাধ্যবাধকতা পুরোপুরি কার্যকর হলে কেবল সরকার অনুমোদিত বৈধ
হ্যান্ডসেটই নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকতে পারবে। তবে এনইআইআর চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত নেটওয়ার্কে
ব্যবহার হওয়া কোনো ফোন বন্ধ হবে না।
এনইআইআরের
বিরোধিতায় বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন মোবাইল ফোনের গ্রে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা।
গত ৭ ডিসেম্বর তারা বিটিআরসি কার্যালয় ঘেরাও করেন। দিনভর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।
মন্তব্য করুন


বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত বর্বরতম হত্যাযজ্ঞের বিষয় তদন্তের জন্য গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে।
আজ
রোববার (৩০ নভেম্বর) কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান ও অন্য সদস্যরা
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেন। এ সময় উপস্থিত
ছিলেন কমিশনের সদস্য মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার (অব.), ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল মো. সাইদুর রহমান বীর প্রতীক (অব.), মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ যুগ্মসচিব (অব.),
ড. এম আকবর আলী ডিআইজি (অব.), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী
অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের
সহকারী অধ্যাপক মো. শাহনেওয়াজ খান চন্দন।
এ
সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতি দীর্ঘদিন ধরে অন্ধকারে
ছিল। আপনারা সত্য উদ্ঘাটনে যে ভূমিকা রেখেছেন জাতি তা স্মরণে রাখবে। জাতির পক্ষ থেকে
আপনাদের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি বলেন, ইতিহাসের এই ভয়াবহতম ঘটনা নিয়ে জাতির
অনেক প্রশ্ন ছিল, এই কাজের মধ্য দিয়ে সেসব প্রশ্নের অবসান ঘটবে। এই প্রতিবেদনে শিক্ষণীয়
বহু বিষয় এসেছে। জাতির জন্য মূল্যবান সম্পদ হয়ে থাকবে এটি।
কমিশন
প্রধান ফজলুর রহমান বলেন, তদন্তকাজ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ত্রুটিমুক্ত করার স্বার্থে সর্বোচ্চ
পেশাদারত্ব বজায় রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা যখন কাজ শুরু করি তখন ১৬ বছর আগের এই
ঘটনার বহু আলামত ধ্বংস হয়ে গেছে।
এই
ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেকে বিদেশে চলে গেছেন।
আমরা
দুটো প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছি। সাক্ষীদের ডাকলাম, কারো কারও ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বক্তব্য
শুনেছি আমরা। যতক্ষণ তিনি বলতে চেয়েছেন। যারা তদন্তে জড়িত ছিল তাদের সঙ্গে কথা করেছি।
তাদের তদন্তের রিপোর্ট কালেক্ট করেছি, অন্যান্য এলিমেন্ট কালেক্ট করেছি।
তিনি
বলেন, এই তদন্তের মাধ্যমে বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে জনমনে থাকা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর
খোঁজা হয়েছে, উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হয়েছে কার কী ভূমিকা ছিল। কেন সেনাবাহিনী দাঁড়িয়ে
থাকল অ্যাকশন নিল না। তদন্তে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বহিঃশক্তির সরাসরি সম্পৃক্ততা ও তৎকালীন
ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সরাসরি জড়িত থাকার শক্তিশালী প্রমাণ মিলেছে। এসময় কমিশনের
ফাইন্ডিংস সম্পর্কে জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার বলেন, এই ঘটনা কিছু বাহ্যিক ও প্রকৃত কারণ
বের করেছে কমিশন।
তিনি
বলেন, এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত এবং এর পেছনে প্রধান সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেছিল
তৎকালীন সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের রক্ষা করতে স্থানীয়
আওয়ামী লীগ সরাসরি ভূমিকা রেখেছে। তারা ২০-২৫ জনের একটি মিছিল নিয়ে পিলখানায় ঢুকেছে
এবং বের হবার সময় সেই মিছিলে দুই শতাধিক মানুষ ছিল।
তিনি
বলেন, পুরো ঘটনাটি সংঘটিত করার ক্ষেত্রে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গ্রিন
সিগন্যাল’ ছিল।
তিনি
এই ঘটনার দায় নিরূপণের ক্ষেত্রে বলেন, দায় তৎকালীন সরকার প্রধান থেকে শুরু করে সেনাপ্রধানেরও।
এই ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে সমাধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুলিশ ও র্যাব এবং গোয়েন্দা
সংস্থাগুলোরও রয়েছে চরম ব্যর্থতা। ওই হত্যাকাণ্ডের সময় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়
(তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন) যেসব বিডিআর সদস্যদের সঙ্গে শেখ হাসিনা বৈঠক করেছে,
তাদের সঠিক নাম পরিচয় ও তথ্য সংরক্ষণ করা হয়নি।
কমিশন
তাদের প্রতিবেদনে বেশকিছু সুপারিশ করে, যাতে করে ভবিষ্যতে বাহিনীগুলোতে এই ধরনের ঘটনা
এড়ানো যায় এবং এই ঘটনার ভিকটিমরা ন্যায় বিচার পায়।
বৈঠকে
অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার
প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল
আব্দুল হাফিজ ও স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি।
মন্তব্য করুন