

কুমিল্লায় ১০ কেজি
গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন
নাজিরা বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ নূর নবী এবং ২।
মোঃ আব্দুর রহীম উল্লা নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের
কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ নূর নবী
(৬৫) চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার পূর্ব হাসনাবাদ গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম এর
ছেলে এবং ২। মোঃ আব্দুর রহীম উল্লা (২৬) একই জেলার আকবর শাহ থানার বিশ্ব কলোনী কাচাঁবাজার
গ্রামের মোঃ আজিজুল হক এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর
যোগসাজসে জব্দকৃত মিনি ট্রাক ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য
গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি
ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ
হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১
এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
১৭ টি উপজেলা এবং
মহানগরের সংগঠকদের নিয়ে আয়োজিত হলো জাতীয় নাগরিক পার্টি (ন্যাশনাল সিটিজেন
পার্টি - এনসিপি) কুমিল্লা জেলা পর্বের প্রস্তুতি সভা।
বুধবার (১৪ মে) নগরীর কাজী নজরুল ইনস্টিটিউট
অডিটোরিয়ামে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রায় আড়াইশো সংগঠক
এখানে অংশগ্রহণ করেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি থেকে
পরীক্ষিত যারা দলীয় রাজনীতিতে আসতে চান এবং এনসিপির আত্মপ্রকাশের পর থেকে যারা
প্রান্তিক পর্যায়ে দলের পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করছেন তাদের নিয়ে এই সাংগঠনিক
প্রস্তুতি সভা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের
সদস্যরা এবং আহত কয়েকজন বিপ্লবী।
এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে উক্ত সভা পরিচালনা করেন যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও কুমিল্লা অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক নাভিদ নওরোজ শাহ্ এবং কেন্দ্রীয় সদস্য হাফসা জাহান। প্রতিটি উপজেলা থেকে আসা সংগঠকদের বক্তব্য তারা শোনেন এবং উত্তরে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রুহের মাগফিরাত
কামনা করা হয়। পরবর্তীতে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয় এবং সকলের মধ্যে পরিচয়
বিনিময় হয়। গত এক মাস কুমিল্লা মহানগর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় যারা আওয়ামী
লীগের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ করে যাচ্ছিলেন তাদের প্রতি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা ১১টার দিকে মহাসড়কের নিমসার সবজি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ওসি মো. আবদুল মমিন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ময়নামতি হাইওয়ে থানার একটি টহল দল মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর লক্ষ্যে চলাচলরত কয়েকটি অবৈধ থ্রি-হুইলার আটক করে। এ সময় থ্রি-হুইলার চালকরা ক্ষুব্ধ হয়ে সংঘবদ্ধভাবে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে হাইওয়ে পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে গাড়িটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা গেছে।
ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ওসি মো. আবদুল মমিন জানান, অবৈধ থ্রি-হুইলার আটকের পর ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা পুলিশের গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ও পিটিয়ে ভাঙচুর করে এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলে।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তিনি আরও জানান, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-কুমিল্লা
সরাসরি রেললাইন (কর্ডলাইন) চালুর বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত
হয়েছে। বৈঠকে সম্ভাব্য রেললাইন বাস্তবায়ন নিয়ে একটি ভিডিও প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা
হয়।
মঙ্গলবার
(১২ মে) অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশ নেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
বৈঠকে
টেকনিক্যাল টিম ঢাকা-কুমিল্লা সরাসরি রেললাইন সংক্রান্ত পরিকল্পনা, সম্ভাব্য রুট এবং
প্রকল্পের বিভিন্ন কারিগরি দিক তুলে ধরে একটি ভিডিও প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করে।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ
হাবিব, সচিব ফাহমিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে নতুন সচিব এবং কলেজ পরিদর্শক পদে পদায়ন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের (সরকারি কলেজ-২) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের দুই কর্মকর্তাকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রেষণে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ এই দুই পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম। একইসঙ্গে কলেজ পরিদর্শক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ সিপন মিয়াকে।
জানা গেছে, অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম ১৭তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তা। তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলার চর মনসা গ্রামে।
অন্যদিকে, অধ্যাপক মোহাম্মদ সিপন মিয়া ২২তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তা। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার জাফরপুর গ্রামে।
শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রশাসন ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা থাকা এই দুই কর্মকর্তা কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে প্রায় ৪ লাখ টাকার মাদকসহ এক মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ।
আটককৃত তাফাজ্জল হোসেন ভুট্টু (৪৬) উপজেলার গোপচর গ্রামের রাশেদ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে গৌরীপুর বাজারের কাঠপট্টিতে সেকান্দরের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ৪৬ বোতল বিদেশি মদ ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টোকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, গৌরীপুর বাজারে মাদকের একটি বড় চালান ঢুকছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যের যৌথ অভিযান চালিয়ে ৪৬ বোতল বিদেশি মদসহ এক মাদক কারবারীকে আটক করা হয়েছে। যার অনুমানিক মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা।
মাদক আইনে মামলা দায়েরের পর তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গত
এপ্রিল মাসের শেষ ১২ দিনে পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে ১২ শিশুর।
শুধুমাত্র ৩ দিনেই চার উপজেলায় পানিতে
ডুবে মারা গেছে ৮ শিশু। আর বেশিরভাগই শিশুর মৃত্যুই হয়েছে বাড়ির পাশের পুকুর, ডোবা
বা জলাশয়ে ডুবে।
জানা গেছে, গত ১৮ এপ্রিল জেলার বরুড়া
উপজেলায় দুইজন, ২৫ এপ্রিল চান্দিনায় দুইজন, দাউদকান্দিতে দুইজন, ২৬ এপ্রিল বুড়িচংয়ে
একজন, ২৭ এপ্রিল দেবিদ্বারে তিন জন এবং ৩০ এপ্রিল মুরাদনগরে দুই জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে
পানিতে ডুবে। মারা যাওয়া ১২ শিশুর মধ্যে ১১ জনেরই বয়স ৮ বছরের মধ্যে।
এসব শিশুদের মৃত্যুর ঘটনা সংশ্লিষ্ট
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে এসব শিশুদের
মৃত্যু নিয়ে কেউ থানায় অভিযোগ করেনি বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ব্রাহ্মণপাড়া থানায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে পুলিশ বৃহৎ পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করেছে।
এই অভিযানে চার জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার রাত ৩.২৫ ঘটিকায় ব্রাহ্মণপাড়া থানায় কর্মরত এসআই মোঃ শাহাবুর আলম ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ ব্রাহ্মণপাড়া থানা এলাকায় রাত্রীকালীন মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন ০৪নং শশীদল ইউনিয়নের বাল্লক রামচন্দ্রপুর সাকিনে ভারত সীমান্ত হতে রামচন্দ্রপুরগামী রাস্তায় চেকপোস্ট ডিউটি করাকালে একটি মাইক্রোবাস থেকে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন। এই সময় মাইক্রোবাসে যাত্রা করছিলেন চার জন মাদক ব্যবসায়ী, যাদের পুলিশ গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের মধ্যে তিন জনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মাদক মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মোঃ জাহাঙ্গীর (৩৪), মোঃ আলমগীর হোসেন (২৮), মোঃ জুয়েল মিয়া (২৯) ও মোঃ শাহপরান (২০)। তারা সবাই ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশের তদন্তে জানা গেছে যে, তিন জনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মাদক মামলা রয়েছে।
এ সম্পর্কে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম আতিক উল্লা বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ ৬ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
গতকাল (৩ এপ্রিল) সকালে চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) মোঃ মশিউর আলম ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাস্থ উপ-কর কমিশনারের কার্যালয় এর সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনে কমলপুর রাস্তা থেকে ৫০ কেজি গাঁজাসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো: ১।
হায়দার আহম্মেদ উৎসব প্রকাশ উৎসব শিকদার (৩০), পিতা- মৃত মাসুদ পারভেজ, সাং- নতুন বাজার, গাবতলী (মাজদাইর গোরস্থান সংলগ্ন
তুহিন মিয়ার ভাড়াটিয়া) থানা- ফতুল্লা, জেলা-নারায়নগঞ্জ।
২। মোঃ রাকিব হাসান প্রকাশ রকি(৩৫), পিতা- মৃত হায়দার আলী প্রকাশ হাসান আলী, স্থায়ী ঠিকানা:- সাং- বাহার পাড়া, রহিম মিয়ার বাড়ি, থানা- টঙ্গীবাড়ী, জেলা- মুন্সিগঞ্জ, বর্তমান সাং—ইসদাইর (কাপুড়িয়া পট্টি গাবতলী, উকিল টিটন মিয়ার ভাড়াটিয়া) থানা- ফতুল্লা, জেলা-নারায়নগঞ্জ।
৩।
মাহফুজুর রহমান প্রকাশ মুন্না (৩০), পিতা- আলমাছ ঢালী, সাং- পশ্চিম ইসদাইর, গাবতলী (দোহার ভিলা), থানা- ফতুল্লা, জেলা- নারায়নগঞ্জ।
৪। সুফিয়ান হোসেন সজল(২৪), পিতা- আবুল খায়ের, সাং- করপাড়া (হাজী বাড়ী), থানা- রামগঞ্জ, জেলা- লক্ষীপুর, বর্তমান সাং- ই ব্লক, ০৫নং লাইন, ৪৪নং বিসমিল্লা হাউজ, মিরপুর, থানা- শাহআলী, ডিএমপি, ঢাকা।
৫। মোঃ ইব্রাহিম(২৬), পিতা- আব্দুল বাসেত মন্ডল, সাং- নোয়াপাড়া, থানা- ইসলামপুর, জেলা- জামালপুর, বর্তমান সাং- উত্তর মাসদাহর (গাবতলী), থানা- ফতুল্লা, জেলা- নারায়নগঞ্জ।
৬।
রবিউল আলম পিয়াস(২৬), পিতা- মৃত শিহাবুল আলম মিলন, সাং- কমলপুর, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা।
গ্রেফতারকৃত
আসামীদের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায়
এজাহার দায়ের করা হয়।
উল্লেখ্য,
গ্রেফতারকৃত ১নং আসামী মোঃ রাকিব হাসান প্রকাশ রকি (৩৫) এর বিরুদ্ধে পূর্বের
৫ টি মাদক মামলা
ও ০১ টি অন্যান্য
ধারায় মামলা।
২নং
আসামী হায়দার আহম্মেদ উৎসব প্রকাশ উৎসব শিকদার এর বিরুদ্ধে পূর্বের
৪ টি মাদক মামলা
ও ১ টি অন্যান্য
ধারায় মামলা।
৩নং আসামী মাহফুজুর রহমান প্রকাশ মুন্না (৩০) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ১ টি মাদক মামলা ও ১ টি গনধর্ষন মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


চলমান অপারেশন অপারেশন ডেভিল হান্টে কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে গত গেল ২৪ ঘন্টায় ১২ জনসহ মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার
করেছে যৌথ বাহিনী।
গ্রেপ্তারকৃরা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী বলে জানা গেছে। কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ
সুপার আরাফাতুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম খোকন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো. রেজাউল করিম, মোকাম ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জামাল হোসেন, নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবলীগ নেতা ফরহাদ হোসেন, মহানগরীর ৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জনি, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গোলাম হোসেন তপন, সাজাপ্রাপ্ত আসামি রনিসহ অন্যরা।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা নগরীর মুন্সেফবাড়ি এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী জান্নাতুন নাঈম ফারিহার রহস্যজনক মৃত্যুর পর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি ও নিহতের স্বামী মেহেদি হাসান হৃদয়ের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক অমর্ত্য মজুমদার কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুল হকের আদালতে এই আবেদন পেশ করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাফসীরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে, আগামী ২০ মে বুধবার এই রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
নিহত ফারিহার বাবা ও মামলার বাদী মো. হানিফ মজুমদার মুঠোফোনে জানান, তদন্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে সরাসরি কোনো তথ্য না পেলেও আইনজীবীর মাধ্যমে তিনি রিমান্ডের আবেদন এবং শুনানির তারিখ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন। এদিকে তদন্ত কর্মকর্তা অমর্ত্য মজুমদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি রিমান্ড আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও আবেদনের সঠিক তারিখ এবং শুনানীর সময় তাৎক্ষণিকভাবে মনে করতে পারেননি। তিনি জানান, কয়েকদিন আগে আবেদনটি করা হয়েছে এবং নথিপত্র দেখে নিশ্চিত হতে হবে।
এদিকে, গত ১০ মে রবিবার, মামলার পাঁচজন আসামি কুমিল্লার আদালতে আত্মসমর্পণ করলে চারজনকে জামিন দিলেও আদালত প্রধান আসামির জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। জামিন পাওয়া আসামিরা হলেন, মেহেদি হাসান হৃদয়ের বাবা আবদুর রহিম, মা আফরোজা বেগম, ভগ্নিপতি মো: জাকারিয়া ও বোন রীমা আক্তার।
গত ৫ মে মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টি এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামক ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে ফারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। জান্নাতুন নাঈম ফারিয়া সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার কান্দাল গ্রামে। প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর পারিবারিকভাবে ১৫ লাখ টাকা দেনমোহরে মেঘনা উপজেলার আবদুর রহিমের ছেলে মেহেদি হাসান হৃদয়ের সঙ্গে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন ফারিয়ার পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল। এই টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করায় তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দেয় এবং ফারিয়াকে একাধিকবার শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। পরিবারের দাবি, যৌতুকের জের ধরে চলা ধারাবাহিক নির্যাতনের ফলাফল হিসেবেই এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে অভিযুক্ত হৃদয় কারাগারে রয়েছেন এবং পুলিশ রিমান্ডের মাধ্যমে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছে।
মন্তব্য করুন