

কুমিল্লায়
২০ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
গতকাল
(২ ডিসেম্বর) কোতয়ালী মডেল থানাধীন কান্দিরপাড় পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই (নিঃ) মফিজুল
ইসলাম খান ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন রাজমঙ্গলপুর পশ্চিম মধ্যপাড়ায়
২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সোহেল মিয়া
কে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামি হলো: মোঃ সোহেল মিয়া(২৩), পিতা-মোঃ জামাল ভূইয়া,
মাতা-মৃত-আমেনা বেগম ,স্থায়ী: গ্রাম- রাজমঙ্গলপুর (পোঃ-বিবির বাজার) , উপজেলা/থানা-
কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা –কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত
আসামী মোঃ সোহেল মিয়া এর বিরুদ্ধে পূর্বের ১টি মাদক মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে
।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় সৎ মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শাহিন মুন্সি (২৫) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাত সোয়া ১১টার দিকে উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নের সব্দলপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত হালিমা খাতুন (৩৪) সব্দলপুর গ্রামের এমদাদুল হক মুন্সির দ্বিতীয় স্ত্রী। অভিযুক্ত শাহিন মুন্সি এমদাদুল হক মুন্সির চতুর্থ ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে প্রথম স্ত্রীর মৃত্যু হলে চার ছেলে ও তিন মেয়ের বাবা ৭৫ বছর বয়সী এমদাদুল হক মুন্সি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। দুই মাস আগে তিনি দাউদকান্দির জয়নগর এলাকার হালিমা খাতুনকে বিয়ে করে ঘরে তোলেন। চার ছেলে সৌদিপ্রবাসী হলেও ছোট ছেলে শাহিন মুন্সি আট মাস আগে দেশে ফেরেন এবং বাড়িতেই থাকছিলেন।
এমদাদুল হক মুন্সি বলেন, ‘রাত ১১টার দিকে আমি শৌচাগারে যাই। ফিরে এসে দেখি স্ত্রী বিছানায় কাতরাচ্ছে, আর চারদিকে রক্ত ছড়িয়ে আছে। ডাকচিৎকার দিলে পরিবারের লোকজন ছুটে আসে। পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে কুমিল্লা মেডিকেলে নিয়ে যাই। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
পুত্রবধূ শিরিনা আক্তার বলেন, ‘আমরা পাশের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ শ্বশুরের চিৎকার শুনে ছুটে এসে দেখি, শাহিন ঘর থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। আর সৎ শাশুড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছে।’
বাতাঘাসী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান সিরাজ জানান, এমদাদুলের দ্বিতীয় বিয়েকে পরিবার মেনে নিয়েছিল। কেন শাহিন এমন ঘটনা ঘটাল, তা কেউ বলতে পারছে না। ঘটনার পর থেকে শাহিন পলাতক।
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম বলেন, ঢাকা থেকে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। নিহত নারীর স্বামী এমদাদ মুন্সি অভিযোগ করেছেন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার কৃতি সন্তান তাহিব হোসাইন ওসমান খেলতে যাচ্ছে তৃতীয় যুব এশিয়ান গেমস যা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাহরাইন।
কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থা কুমিল্লা তায়কোয়ানডো এসোসিয়েশনের একজন প্রশিক্ষিত খেলোয়াড়। জানা গেছে তিনি ২২ ও ২৩ অক্টোবর দুই দিনব্যাপী তায়কোয়ানডো ইভেন্টে অংশ নেবেন। পুরো প্রতিযোগিতা চলবে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। বাহারাইন সরকারের পক্ষ থেকে তাকে ১৪ দিনের মেয়াদি ভিসা প্রদান করা হয়েছে, যার মেয়াদ শেষে তিনি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
কুমিল্লা তায়কোয়ানডো এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এক ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, তাহিব হোসেন ওসমান আমাদের প্রতিষ্ঠানের একজন গর্বিত ছাত্র। তার এই অর্জন আমাদের সকল তরুণ খেলোয়ারদের জন্য অনুপ্রেরণার এ প্রসঙ্গে এসোসিয়েশনের প্রধান শিক্ষক “ মো.রাসেল উদ্দিন মজুমদার “ বলেন, তাহিব অত্যন্ত পরিশ্রমী ও প্রতিভাবান একজন খেলোয়াড়।আমরা বিশ্বাস করি, সে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভালো কিছু করবে।
সহকারী প্রশিক্ষক “রাহিমা ইসলাম রিপা” বলেন, তাহিব আমাদের ক্লাব কুমিল্লা ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এটা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। আমরা তার সাফল্য কামনা করি।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে তিনটি চোরাই টিউবওয়েলসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বারাইশ গ্রামের মোঃ কামালের ছেলে মোঃ সাগর ও শুভপুর ইউনিয়নের যশপুর ইঞ্জিনিয়ার বাড়ির মৃত আবদুল কাদেরের ছেলের মোঃ শাহজাহান।
রোববার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ত্রিনাথ সাহা। চৌদ্দগ্রাম থানার সেকেন্ড অফিসার আলমগীর হোসেন জানান, মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বারাইশ গ্রামের মঞ্জু বেগমের মা ছালমা বেগম শনিবার রাত ১০ ঘটিকায় প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।
রোববার ভোরে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তে উঠে ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন একই গ্রামের সাগর তাদের টিউবওয়েল নিয়ে যাচ্ছে। তাৎক্ষণিক শোর-চিৎকার করলে আশ-পাশের লোকজন এসে টিউবওয়েলটিসহ সাগরকে আটক ও মারধর করে। ঘটনাটি থানায় অবহিত করলে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ সাগরকে হেফাজতে নেয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় হাইওয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ মাদক কারবারিকে
আটক করা হয়েছে ।
হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলম এর নির্দেশনা
মোতাবেক শুক্রবার (১৪ ই জুন) বিকাল আনুমানিক ৪টায় কুমিল্লা
সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের মিরপুর হাইওয়ে থানাধীন ব্রাহ্মণপাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৩৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জন মাদক কারবারিকে আটক করা
হয়।
আটককৃতরা হলো রোজিনা বেগম (২৮) এবং আলা
আমিন মিয়া (৪২) ।
কুমিল্লা সিলেট আঞ্চলিক মহাসডকের মিরপুর
হাইওয়ে থানাধীন ব্রাহ্মণপাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় কুমিল্লা গামী
নিউ সুগন্ধা যাত্রীবাহী একটি বাসে করে ২ জন
মাদক কারবারি ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে যাচ্ছে।
এই তথ্যের ভিত্তিতে মিরপুর হাইওয়ে থানার এসআই বোরহান উদ্দিন তার ফোর্স সহ
উক্ত বাসটি থামিয়ে সে গাড়িতে থাকা যাত্রীদের তল্লাশীর চেষ্টাকালে
তারা ২জন দ্রুত গাড়ি হতে নেমে পালানোর চেষ্টা
করলে এসআই বোরহান উদ্দিন ফোর্স সহ তাদের ২ জনকে আটক করে স্থানীয় মহিলা সাক্ষী দ্বারা
আসামি রোজিনা বেগমকে তল্লাশি করলে রোজিনা বেগম তার পরিহিত কালো বোরকার নিচে থাকা পরিহিত
পায়জামার কোঁছা হতে মাদক ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় উপস্থিত সাক্ষীদের উপস্তিতিতে উক্ত মাদক গননা করে মিনিটে ৩৫০ পিস ইয়াবা
ট্যাবলেট পাওয়া যায় যা বিকাল অনুমান ৩টা ৫০ এসআই বোরহান উদ্দিন জব্দ তালিকা মুলে জব্দ
করেন।
রোজিনা বেগমের সাথে থাকা অপর ব্যাক্তি আলা আমিন হচ্ছে তার স্বামী।
তারা স্বামী ও স্ত্রী ২জন পরষ্পর যোগসাজসে
উদ্ধারকৃত মাদক ইয়াবা ট্যাবলেট সমুহ সীমান্তবর্তী এলাকা হতে ক্রয় করে অধিক লাভে বিক্রয়ের
জন্য কুমিল্লাগামী বাস যোগে অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছিলো।
উক্ত বিষয়ে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১টি
মামলা দায়ের করে আসামিদেরকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি কাভার্ডভ্যানের পেছনে আরেকটি কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় চালক ও হেলপার নিহত হয়েছেন।
রোববার ভোরে মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ঘোলপাশা ছুপুয়া এলাকায় চট্টগ্রামগামী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর কমলা গ্রামের আবুল বাশারের ছেলে আব্দুল জব্বার (৩১) ও একই জেলার চর জব্বার থানার চর মহিউদ্দিন গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে শাকিল (২২)। তাদের মধ্যে জব্বার কাভার্ডভ্যানের চালক এবং শাকিল হেলপার (সহযোগী) ছিলেন।
মিয়া বাজার হাইওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানায়, রোববার ভোরে ঘন কুয়াশার কারণে একটি কাভার্ডভ্যানের পেছনে আরেকটি কাভার্ডভ্যান ধাক্কা দেয়। এতে ধাক্কা দেওয়া পেছনের কাভার্ডভ্যানটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে চালক জব্বার নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় হেলপার শাকিলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন এবং তিনি মারা যান।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন জানান, রোববার ভোরে ছুপুয়া এলাকায় ঘন কুয়াশার কারণে চট্টগ্রামমুখী মহাসড়কে দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নেওয়া হয়েছে। স্বজনরা এলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৭৬ কেজি গাঁজা’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন বাগরা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
অভিযানে আসামী ১। মোঃ রাশেদ মিয়া (২৪) ও ২। সাইফুল আব্বাস (২২) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৭৬ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত ০১ টি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারা বাজার থানার আলমখালী গ্রামের মৃত মনির হোসেন এর ছেলে মোঃ রাশেদ মিয়া (২৪) এবং চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী জেলার দুহিনকুল গ্রামের আলী আব্বাস টিটু এর ছেলে সাইফুল আব্বাস (২২)।
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত কাভার্ড ভ্যান ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে সুনামগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি ;
দুপুরে কুমিল্লা নগরের ধর্মসাগরপাড়ের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিলেন কুমিল্লা-৬( আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও কুমিল্লাা সেনানিবাস এলাকা) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। আজ সোমবার বিকেল পাঁচটার আগেই তাঁর প্রতিনিধিরা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসানের দপ্তরে গিয়ে সেটি অনুমোদন করিয়ে নেন। এর ফলে ইয়াছিন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের (ইয়াছিন) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।প্রত্যাহারপত্রে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন উল্লেখ করেন, আমি মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসনে একজন বৈধ সংসদ সদস্য প্রার্থী। আমি বর্তমানে অনিবার্য ও ব্যক্তিগত কারণে আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে চাই। এমতাবস্থায় নির্বাচন কমিশনের বিধি ও নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে স্বেচ্ছায় আসন ২৫৪ কুমিল্লা-৬ নির্বাচনী এলাকা থেকে আমার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। উপরোক্ত বিষয় বিবেচনা কওে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদনটি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আপনার সহযোগিতা কামনা করছি।
এর আগে আজ সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা) বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিনসহ কেন্দ্রীয় , জেলা ও মহানগরের নেতাকর্মীদের সামনে নির্বাচন থেকে সওে দাঁড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। তখন বলেছিলেন তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলার সদর দক্ষিণ থানার ইপিজেট পুলিশ ফাড়িঁ আওতাধীন শাকতলা সার্ভে ইনস্টিটিউটের পিছনে
ডিসি গলির মাথায় বিসমিল্লাহ ডিমের আরত দোকানের সাথে টিনশেড রুমের ভিতরে অবৈধ দেশীয় অস্ত্র (কাটিং প্লাস, বড় দা, রামদা, ছোট দা, চাকু,ছোরা)
সহ ১১ মামলার আসামি ছিনতাইকারী ডাকাত সাজ্জাদ হোসেন খোকা (২৭) কে গ্রেফতার করেন ইপিজেট
পুলিশ ফাড়িঁর এসআই নিয়াজ মোহাম্মদ খান ও সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স।
গতকাল
সোমবার (৯ জুন) রাত অনুমান ৯টা ৩০ মিনিটের সময় কুমিল্লা মহানগর ২১নং ওয়ার্ডের শাকতলা
সার্ভে ইনস্টিটিউটের নতুন ভবনের পিছনে সেনাবাহিনীর
সহায়তায় ইপিজেট পুলিশ ফাড়িঁ টিম একটি অভিযান পরিচালনা করেন। এই সময় ছিনতাইকারী, ডাকাত,
চাদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ১১ মামলার আসামি মোঃ সাজ্জাদ হোসেন খোকাকে দেশীয় অস্ত্র সহ
আটক করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামি হলো- কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন ২১নং ওয়ার্ড মধ্যম আশ্রাফপুর এলাকার মৃত
আঃ খালেক এর ছেলে মোঃ সাজ্জাদ হোসেন খোকা।
এই
বিষয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানাধীন ইপিজেড ফাঁড়ীর ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ এসআই নিয়াজ মোহাম্মদ
খান জানান, ১টি ধারালো বড় দা, লোহার বাট, ১টি ধারালো রাম দা, কাঠের বাট, ১টি স্টীলের
ধারালো চাকু, ১টি ধারালো ছোরা, কাঠের বাট, ১টি ধারালো দা লোহার বাট, ১টি ধারালো কাটিং
প্লাস জব্দ করা হয়। এই সময় তার সহযোগী একজন পালিয়ে যায়। পলাতক আসামী হলো-কুমিল্লা কোতয়ালী
মডেল থানাধীন গোবিন্দপুর এলাকার মশু। আসামীর বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ থানায় মামলা দায়ের
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
প্রতি বছর কার্ত্তিক মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয় তিথিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাসা-বাড়ীতে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় ঘরোয়া পরিবেশে পালিত হয় বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা উৎসব।
তারই ধারাবাহিকতায় ২৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর কালিয়াজুরীতে বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা ইউনিটের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের একমাত্র মেয়ে অর্পিতা সরকার তাঁর ছোটভাই অরন্য সরকার প্রিন্স এর কপালে চন্দন দিয়ে ফোঁটা এঁকে ছড়া কেটে বলেন "ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়লো কাঁটা, যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা, আমি দেই আমার ভাইকে ফোঁটা।" এভাবেই ভ্রাতৃদ্বিতীয়া যমের দুয়ারে কাঁটা দিয়ে বোন ভাইয়ের দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করেন। এরপরে ভাইবোনেরা একে অপরের সাথে মিষ্টি বিনিময় করে এবং উপহার আদান-প্রদান করে থাকে।
জানা যায়- শুভ দিনের পরম পবিত্র লগ্নে ভাই-বোনের মধুর সম্পর্কের পুনঃ নবীকরণ করে নেওয়া হয় প্রতি বছর। শৈশবের হারিয়ে যাওয়া মধুর এই দিনটিতে বড় বেশি করে মনে পড়ে যায়। ভাই-বোনের স্নেহ ভালোবাসার সম্পর্কের প্রকাশ ভাইফোঁটা আচার অনুষ্ঠানটি মন কেড়ে নেয়। একটি অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে চিরন্তন আবেগ অনুভূতিই জীবন্ত হয়ে ওঠে। কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষে দ্বিতীয় তিথিতে বোন তাঁর ভাইকে পরম যত্ন সহকারে একটি সুন্দর আসনে বসিয়ে হেমন্তের শিশির ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে হাতের তিন আঙ্গুলের সাহায্যে বোন তাঁর ভাইয়ের কপাল ধুয়ে দেয়। এরপর বোন তার কনিষ্ঠা আঙ্গুল দিয়ে একইভাবে চন্দন তিলক এঁকে দিয়ে ছড়া কেটে বলে "ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়লো কাঁটা, যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা, আমি দেই আমার ভাইকে ফোঁটা।"
অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার বলেন- দীপাবলির একদিন পরেই ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা। হেমন্তের পবিত্র শিশির দিয়ে বোন তাঁর ভাইয়ের সব অশুভ, অমঙ্গল ও অকল্যাণকর শক্তিকে ধুয়ে দেয়। সুগন্ধি চন্দন তিলক ললাটে এঁকে দিয়ে এনে দেয় সৌভাগ্যের পরশমনি। তারই সঙ্গে অমরত্বের প্রতীক দুর্বা আর ধনের প্রতীক ধান দিয়ে প্রার্থনা বা আশীর্বাদ বা তার মঙ্গল কামনা করেন। তিনি আরো বলেন- যমী (যমুনা) তার ভাই যমকে কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে নিজ গৃহে এনে পূজা করে ভোজনে আপ্যায়িত করেছিলেন। তিনি বলেন জনশ্রুতি আছে, সেই থেকে অদ্যাবধি বিপুুুল উৎসাহ উদ্দীপনায় ঘরোয়া পরিবেশে পালিত হয়ে আসছে বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা উৎসব।
অন্যদিকে, ১৩৩৬ খ্রিস্টাব্দে আচার্য সবানন্দ সুবীর পুঁথির শেষ শ্লোকে বলা হয় মহাবীরের জীবনবাসন হলে রাজা নন্দী বর্ধন বোনের শোক নিবারণের জন্য বোনকে বুঝিয়ে আদর যত্ন করে আপ্যায়ন করেছিলেন। ভ্রাতৃদ্বিতীয়া যমের দুয়ারে কাঁটা দিয়ে ভাইয়ের দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করা হয়। ভাইফোঁটার দিনে বোনেরা তাদের দাদা বা ভাইকে নিজের বাড়ীতে নিমন্ত্রণ করে আপ্যায়ন করে এবং ভাইয়েরাও বোনদের প্রাণ ভরে আর্শীবাদ করে। ভাগ্নিরা ভাইয়ের কপালে চন্দন ও কুমকুমের তিলক বা ফোঁটা এঁকে দিলে কেউ তার ক্ষতি করতে পারবেনা। সেজন্যই বোনেরা ভাইয়ের হাতে রাখি বেঁধে দেয়। এভাবে বোনেরা ভাইয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করে। এরপর ভাইকে ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি খাওয়ায়। ভাইও তার সাধ্যমত বোনকে কিছু উপহার বা টাকা দেয়। পশ্চিমবঙ্গের ন্যায় বাংলাদেশেও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে পালিত হয় বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা উৎসব।
মন্তব্য করুন