

মজিবুর
রহমান পাবেল:
কুমিল্লা টমছম ব্রিজ বাজারে অনিয়মের
অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
কুমিল্লা।
আজ ডিমসহ নিত্যপণ্যের বাজারে তদারকি
কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এসময় অনিয়মের অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
করা হয় এবং একটি পরিমাপক যন্ত্র বিনষ্ট করা হয়। সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লিফলেট
ও প্যাম্পলেট বিতরণ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলাম।
এ তদারকি কার্যক্রমে জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের প্রতিনিধি, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর একে আজাদ এবং জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী
ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও উপপরিদর্শক তমাল মজুমদার এর নেতৃত্বে আজ শুক্রবার
(২০ ডিসেম্বর) সকাল ৮ টায় কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন নিমসার বাজারের পশ্চিমে ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়কের দক্ষিণ পার্শ্বে গাড়ি চালকদের বিশ্রামাগারের পাশে রাস্তার উপর গৌরিপুর-হোমনা অভিমুখী নিউ একতা সার্ভিস
বাস তল্লাশী করে ৮ কেজি গাঁজাসহ মোঃ সোহেল রানা নামের একজন আসামিকে আটক করা হয়।
আসামী মোঃ সোহেল রানা একটি প্লাস্টিকের
বড় জেরিক্যান নিয়ে কুমিল্লার আলেখারচর বিশ্বরোড থেকে নিউ একতা সার্ভিস নামক বাসে ওঠেন।
আসামি জানান যে সাদ্দাম নামীয় একজন
তার হাতে প্লাস্টিকের জ্যারিকেন তুলে দেয় এবং ৮ হাজার টাকার বিনিময়ে এটি ঢাকার গুলিস্তানে
পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেন। কিন্তু নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দিবে সে ব্যাপারে
আসামি অবগত নয়। আসামী সোহেল রানা এর আগেও নওগাঁ জেলায় গাজাঁসহ ডিএনসি-র হাতে আটক হয়েছিলো
বলে জানায়।
আটককৃত আসামি সোহেল রানা (৩২) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জেলার শিবগঞ্জ থানার মনাকষা গ্রামের মো: বদিউজ্জামানের ছেলে।
আসামীর বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক তমাল মজুমদার
বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা তিতাসে সাময়ন আরিয়ানকে হত্যা অভিযোগে একজনকে মৃত্যুদণ্ড; আরেকজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
আজ বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরবেলা কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক সাব্বির মাহমুদ চৌধুরী এ রায় দেন।
মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিল্লাল পাঠান হলেন- কুমিল্লা তিতাস উপজেলার বিরামকান্দি পাঠান বাড়ী'র মোঃ খেলু পাঠানের ছেলে এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি শেফালী আক্তার (৪৩) হলেন একই উপজেলার কলাকান্দি উত্তর পাড়া মাষ্টার বাড়ীর জামাল মিয়ার স্ত্রী।
মামলার বিবরণে জানা যায়- পূর্ব আক্রোশের বশবর্তী হইয়া আসামিরা পরষ্পর যোগসাজশে ভিকটিম সায়মন আরিয়ান (৭) কে হত্যা করিয়া কলাকান্দি বালুর মাঠে (কাঁশ বনে) লাশ গুম করে।
জানা যায়- ২০২৩ সালের ১৮ আগস্ট বিকেলবেলা ভিকটিম সায়মন আরিয়ান আসামি শেফালী আক্তারের ছেলে রাফি'র সাথে খেলাধুলা করার জন্য ঘর থেকে বের হয়ে বাড়ীতে ফিরে না আসায় বাদীনি তাঁর আত্মীয় স্বজনের সহায়তায় সম্ভাব্য স্থানে খোঁজাখুঁজি না পেয়ে বাদীনি তিতাস থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন এবং পরদিন ঘটনাস্থলে ভিকটিমের অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২০ আগস্ট নিহতের গর্ভধারিনী মাতা খোর্শেদা আক্তার (৪০) বাদী হয়ে তিতাস থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করিলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মোঃ নয়ন মিয়া ও সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ জাহিদুল হক এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার সাব-ইন্সপেক্টর জীবন বিশ্বাস তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট আসামি শেফালী আক্তার ও একই বছর ৩১ ডিসেম্বর আসামি মোঃ বিল্লাল পাঠানকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করিলে আসামি মোঃ বিল্লাল পাঠান ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনের ১৬৪ ধারার বিধানমতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তৎপর তদন্তকারী কর্মকর্তা জীবন বিশ্বাস ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর আসামি বিল্লাল পাঠান ও শেফালী আক্তার এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারার বিধানমতে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তৎপর মামলাটি বিচারের জন্য বিজ্ঞ আদালতে আসিলে চলতি বছর ২৭ ফেব্রুয়ারী তাহাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জগঠনক্রমে রাষ্ট্র পক্ষে ১৫জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামি মোঃ বিল্লাল পাঠান এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মহামান্য হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে মৃত্যুদণ্ড এবং ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধানমতে তাকে ৫ (পাঁচ) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায়ে আরও উল্লেখ করেন যে, "মৃত্যুদণ্ড না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে গলায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ প্রদান করা হল"।
আসামি শেফালী আক্তার এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার বিধানমতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অনাদয়ের আরো ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধানমতে তাকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত। রায়ে আরও উল্লেখ করেন যে, আসামি শেফালীর উভয় দণ্ড একসাথে চলবে।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট মোঃ ইকরাম হোসেন বলেন, শালি-দুলাভাইয়ের অন্তরঙ্গ মুহুর্ত দেখে পেলায় আসামিরা পরষ্পর যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে শিশু সায়মন আরিয়ানকে হত্যা করে। আমরা আশা করছি শীঘ্রই উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের দুই নেতাসহ ২৭ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে সুইস গিয়ার, ছোরা ও অন্যান্য দেশি অস্ত্রশস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।
২৩ আগস্ট শনিবার দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদের নির্দেশে শুক্রবার সন্ধ্যায় কোতোয়ালি মডেল থানার একাধিক টিম নগরীর ধর্মসাগর পাড়, পুলিশ লাইনস গেট, রানীর দিঘীরপাড় ও সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ গেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে- ইফতি (১৮), সাগর (১৫), নয়ন (১৫), ফাহাদ (১৭), নাফিজুল (১৫), সাগর (১৯), তুষার (১৬), রাশেদ (১৭), মুন্না (১৬), সুজয় (১৫), রিফাত (১৮), সাইমন (১৫), মাহফুজ (১৪), শ্রীনাম (১৬), তুহিন (১৫), রাইয়ান (১৪), আপন (১৬), পিযুষ (১২), জিসান (১২), পিয়াস (১৮), রাফি (১৭), জীবন (১৮), আজমীর (১৮), সজীব (১৯), আমীর (২১) ও সাকিব (১৯)।
সাম্প্রতিক সময়ে কুমিল্লা নগরীসহ উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ায় পুলিশের এ অভিযানকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের শনিবার আদালতে চালান দেয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রোববার (২৩ জুন) রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার সদর দক্ষিণে মাইক্রোবাসের চাপায় মো. মোস্তফা কামাল (৫০) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন।
এ দুর্ঘটনাটি ঘটে সদর উপজেলার সুয়াগাজী ট্রাফিক চৌমুহনী এলাকায়।
পার্শ্ববর্তী চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জয়মঙ্গলপুর গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে নিহত মোস্তফা কামাল। নিহত মোস্তফা কামাল পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক ছিলেন।
স্থানীয়রা জানায়, রাতে মোস্তফা কামাল তার অটোরিকশাটি সুয়াগাজী চৌমুহনীর একটি গ্যারেজে রেখে মহাসড়ক পার হওয়ার সময় চট্টগ্রামমুখী একটি মাইক্রোবাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই কামালের মৃত্যু হয়। এ সময় মাইক্রোবাসটি ফেলে রেখে পালিয়ে যায় চালক।
সোমবার (২৪ জুন) সকালে ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার জানায়, কিছুক্ষণ আগে দুর্ঘটনার খবরটি পেয়েছি। এ বিষয়ে জানতে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


ঈদ উপলক্ষে কুমিল্লা বিসিকে (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন) উৎপাদিত সেমাই বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, মুন্সীগঞ্জ, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, জামালপুরসহ ২০-২২টি জেলায় যাচ্ছে।
সূত্রমতে, কুমিল্লা বিসিকের পাঁচটি কারখানায় সেমাই উৎপাদন করা হয়। সেগুলো হচ্ছে কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিল, রিয়াজ ফ্লাওয়ার মিল,মেট্রো কনফেকশনারি, খন্দকার ফুড ও মক্কা কনজুমার এন্ড ফুড প্রোডাক্টস। বিসিক ছাড়া কুমিল্লা আদর্শ সদর ও বিভিন্ন উপজেলায় সেমাই উৎপাদন হয়ে থাকে। কারখানা গুলোতে বাংলা ও লাচ্ছা নামে দুই ধরনের সেমাই তৈরি করা হয়।
কুমিল্লা বিসিকের কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলে গিয়ে দেখা গেছে, মেশিনে গর গর শব্দে বাংলা সেমাই উৎপাদন করা হচ্ছে। সেই সেমাই ছাদে শুকানো হচ্ছে। শুকানোর পর সেটা উনুনে ভাজা হয়। ঈদ বাজারের চাহিদা মেটাতে দ্রুত প্যাকেটজাত করছেন শ্রমিকরা। ঘণ্টায় একজন শ্রমিক দুই থেকে আড়াইশ’ প্যাকেট করছেন। কেউ প্যাাকেট, কেউ ওজন, কেউ মুখ লাগানোর কাজ করছেন। কেউ কার্টনে সেমাই ভরছেন।
কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলের সেমাই কারখানার সুপারভাইজার মো. মহসীন, শ্রমিক ফজলে রাব্বী ও হালিমা আক্তার বলেছেন, ঈদের অল্প কয়েকদিন বাকি। এখন বাজারে সেমাইয়ের চাহিদা রয়েছে। ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে দ্রুত কাজ করতে হচ্ছে।
নগরীর কাপ্তান বাজারের ব্যবসায়ী টিপু সুলতান বলেছেন, কুমিল্লা বিসিকে উৎপাদিত সেমাইয়ের সুনাম রয়েছে। তাই স্থানীয় বাজারে এর চাহিদাও ভালো।
কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলের পরিচালক সৈয়দ গোলাম কাদের তানিন বলেছেন, আমরা ৩ দশক ধরে মান সম্মত উপায়ে সেমাই তৈরি করি। এখানে সেমাই তৈরিতে কৃত্রিম কিছু ব্যবহার করা হয় না। আমাদের সেমাই বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বেশি বিক্রি হয়। বাংলা সেমাই আল-নূর, কুলসুম নামে এবং লাচ্ছা সেমাই তানিন নামে বাজারজাত করি। চরাঞ্চলে বাংলা সেমাইয়ের চাহিদা বেশি।
বিসিক কুমিল্লার ডিজিএম মো. মুনতাসির মামুন বলেছেন, কুমিল্লা বিসিকের খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনে সুনাম রয়েছে। তার একটি সেমাই। এখানে উৎপাদিত সেমাই ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে। এখানের সেমাই মান সম্মত। মান রক্ষায় আমরা নিয়মিত কারখানা পরিদর্শন করি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায় সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় বাজি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে সদর দক্ষিণ উপজেলার যশপুর বিওপি এলাকায় একটি বিশেষ টহল পরিচালনা করে। এ সময় সীমান্তের প্রায় ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাহাড়পুর নামক স্থানে মালিকবিহীন অবস্থায় বিভিন্ন প্রকার অবৈধ ভারতীয় বাজি জব্দ করা হয়।
উদ্ধারকৃত বাজিগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য ৭৬ লাখ ১৬ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি। তবে অভিযানের সময় এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। বিজিবি আরও জানায়, জব্দকৃত অবৈধ বাজি বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামে পরিত্যক্ত টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক
থেকে সুমাইয়া তাবাসসুম (৪) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার
(১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে বসন্তপুর গ্রামের বেপারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমাইয়া তাবাসসুম
একই গ্রামের প্রবাসী ছালেহ আহমেদের দ্বিতীয় মেয়ে।
প্রতিবেশীরা
জানান, বিকেল ৫টা থেকে সুমাইয়া নিখোঁজ ছিল। এরপর স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
একপর্যায়ে রাত ৮টার পর পাশের বাড়ির আব্দুল খালেকের পরিত্যক্ত টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের
ভেতরে তাকে দেখতে পান স্থানীয়রা। সেখান থেকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রবিউল হাসান বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই
শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন জানান, নিহত শিশুর স্বজনদের
সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খেলতে গিয়ে সে পরিত্যক্ত টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যায়।
এ ঘটনায় পরিবারের কোনো অভিযোগ নেই।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লার সাংবাদিকতা অঙ্গনে এক উজ্জ্বল নাম মাসুক আলতাফ চৌধুরী। নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্ববোধকে মূল মূল্যবোধ হিসেবে ধারণ করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করে যাচ্ছেন। পেশাগত দক্ষতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির এই সমন্বয় তাঁকে কুমিল্লা অঞ্চলের সাংবাদিকতার ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায়ে পরিণত করেছে।
নেতৃত্ব ও পেশাগত যাত্রা
দীর্ঘ কর্মজীবনে মাসুক আলতাফ চৌধুরী কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে প্রেস ক্লাব আরও ঐক্যবদ্ধ ও সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা কুমিল্লার সাংবাদিক সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।
এছাড়া তিনি দৈনিক কালবেলা পত্রিকার কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান হিসেবেও দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি ও তথ্যনির্ভর সংবাদ পরিবেশনার মাধ্যমে তিনি সহকর্মী ও পাঠকদের আস্থা অর্জন করেছেন।
নতুন অধ্যায়ে পদার্পণ
সম্প্রতি তিনি আয়কর আইনজীবী নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন— যা তাঁর কর্মজীবনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। সাংবাদিকতার পাশাপাশি আইনি জ্ঞান অর্জনের এই প্রয়াস তাঁর অধ্যবসায় ও আত্মউন্নয়নের প্রতিফলন।
জীবন দর্শন ও সামাজিক দায়বদ্ধতা
মাসুক আলতাফ চৌধুরীর জীবন দর্শনের মূলমন্ত্র—
“দায়িত্বের জায়গা থেকে সততার সঙ্গে কাজ করাই জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন।”
তিনি বিশ্বাস করেন, সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়; এটি সমাজ পরিবর্তনের এক শক্তিশালী মাধ্যম। তাই তিনি সবসময় ন্যায়, সত্য ও মানবিক মূল্যবোধের পক্ষে অবস্থান নেন।
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। মানবিক সহায়তা, সামাজিক উদ্যোগ ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে তিনি তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছেন।
সহকর্মীদের চোখে একজন অনুপ্রেরণার মানুষ
সহকর্মীরা তাঁকে একজন সহৃদয়, পরামর্শদাতা ও নৈতিকতার প্রতীক হিসেবে দেখেন। তরুণ সাংবাদিকদের পাশে থেকে দিকনির্দেশনা দেওয়া ও পেশাগত উন্নয়নে সহায়তা করা তাঁর নিত্যদিনের অংশ।
মাসুক আলতাফ চৌধুরী শুধু একজন সাংবাদিক নন
তিনি কুমিল্লার গণমাধ্যম অঙ্গনের এক অনন্য প্রেরণা।
তাঁর জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে ফুটে ওঠে দায়িত্ববোধ, সততা ও সমাজের প্রতি ভালোবাসা।
তিনি প্রমাণ করেছেন— পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধই একজন সত্যিকারের সফল মানুষের পরিচয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দিতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদস্যদের বহনকারী তিনটি বাসের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত সাতজন আনসার সদস্য আহত হয়েছেন নিশ্চিত করেছেন দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ইনচার্জ ইকবাল বাহার মজুমদার । সোমবার দুপুর একটায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের হাসানপুর এলাকার তাসফিন সিএনজি পাম্পের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় মহাসড়কের তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় ।
জানা গেছে, খাগড়াছড়ি থেকে খুলনার উদ্দেশে রওনা দেওয়া আনসার সদস্যদের বহনকারী তিনটি বাস একই লাইনে চলছিল। পথে দাউদকান্দির হাসানপুর এলাকায় পৌঁছলে হঠাৎ একটি বাসের সঙ্গে সামনে থাকা আরেকটি বাসের ধাক্কা লাগে। এতে পেছনের বাসটিও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা বাসে ধাক্কা দেয়। ফলে পরপর তিনটি বাসের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। আহত আনসার সদস্যদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ইনচার্জ ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, খাগড়াছড়ি থেকে ছেড়ে আসা বাস গুলো অতিরিক্ত গতির কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে । ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আমানগন্ডা সীমান্তবর্তী এলাকায় শিশুসহ ১৯ জন বাংলাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
আটকদের মধ্যে ৯ জন নারী, ৯ জন পুরুষ ও একজন শিশু।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের আটক করে আমানগন্ডা বিওপি ক্যাম্পে নিয়ে আসে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
এ বিষয়ে উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের আমানগন্ডা ১০ বিওপি ব্যাটালিয়নের ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার মো. মোস্তফা জানান, আজ দুপুরে ১৯ জনকে সীমান্ত পিলার নং ২১০৪ সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ ও বিজিবির উপস্থিতিতে তাদের হস্তান্তর করে।
জানা যায়, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের দক্ষিণ ভবানীপুর নিউনিদিয়া বিএসএফ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার দীপংকর সাহার নেতৃত্বে বিএসএফ-এর একটি দল ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগন্ডা বিওপি কমান্ডার মো. মোস্তফার নেতৃত্বে একটি দল পতাকা বৈঠকে অংশ নেয়। বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। বিভিন্ন সময়ে অবৈধ পথে ভারতে গিয়ে তারা দেশটির পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়। তারা ভারতের বিভিন্ন কারাগারে সাজাও খেটেছেন।
নায়েক সুবেদার মো. মোস্তফা আরও জানান, আটকদের তথ্য, নাম ঠিকানা যাচাই করা হচ্ছে এবং যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন