

কুমিল্লায় ১৭৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,সিপিসি-২।
রবিবার (৩০ জুন) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন
কনেশতলা বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী শিশু মিয়া (২৫) নামের
একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৭৫ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক
পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী শিশু মিয়া (২৫) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার ধনপুর গ্রামের জামাল মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত
সিএনজি গাড়ি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ
করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয়
করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চান্দিনায় সৎমাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ছেলে শাহিন মুন্সিকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার শাহিন মুন্সি চান্দিনা উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নের সব্দলপুর গ্রামের এমদাদুল হক মুন্সির ছেলে। এর আগে গত বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে পারিবারিক কলহের জেরে নিজ বাড়িতে সৎমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন তিনি। পরে বৃহস্পতিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নারীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই নূরুল ইসলাম মুন্সি বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমিল্লা পিবিআইয়ের পরিদর্শক বিপুল দেবনাথ জানান, ‘বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে ঘটনাটি প্রকাশের পর পুলিশ সুপার “সারোয়ার আলম” স্যার অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। তথ্য-প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতা ব্যবহার করে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল হোতাকে গ্রেপ্তার করা হয় ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,প্রতিবেদক:
কুমিল্লা জেলার পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেট শহীদ আরআই এ.বি.এম আবদুল হালিম মিলানায়তনে কুমিল্লা জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কল্যাণ সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রাশেদুল হক চৌধুরীর সঞ্চালনায় এবং কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন এর সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, মোঃ শামিম কুদ্দুস ভুঁইয়া , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) পংকজ বড়ুয়া ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) সহ কুমিল্লা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যবৃন্দ ছিলেন।
কল্যাণ সভায় সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যগণ পুলিশ সুপার এর নিকট নানাবিধ সমস্যার কথা তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে বিভিন্ন ইউনিট থেকে আগত পুলিশ সদস্যদের সমস্যার কথা শোনেন। এসময় পুলিশ সুপার সমস্যা সমূহ দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন। উক্ত কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার সবাইকে অত্যন্ত সতর্কতা এবং পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
তিনি উপস্থিত অফিসার ও ফোর্সদের নৈতিক স্খলন রোধ, প্রশাসনিক বিষয়ে শৃঙ্খলা, দক্ষতা, কর্তৃপক্ষের আদেশ নির্দেশ ও নিয়ন্ত্রণ, বুদ্ধিমত্তা, সুরক্ষা, নিরাপত্তা এবং সকলের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনসহ সার্বিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ এর
সহযোগিতায় জেলা ক্রীড়া অফিস কুমিল্লার ব্যবস্থাপনায় কুমিল্লা জেলায় অনুষ্ঠিত হলো ‘স্পোর্টস
ফর ডেভেলপমেন্ট’ -ডে অবজারভেশন প্রোগ্রাম এবং বালিকাদের ৩ দিন ব্যাপী কাবাডি
প্রশিক্ষণের উদ্বোধন।
আজ বুধবার (১৪ মে) বিকেলে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া অফিসের ব্যবস্থাপনায়
ভাষা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ৩দিনব্যাপী কাবাডি প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন
অতিথিরা।
কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া অফিসার সুমন কুমার মিত্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য কাজী গোলাম কিবরিয়া, খালেদ সাইফুল্লাহ, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সহকারী ক্রীড়া কর্মকর্তা মোঃ সায়েম মিয়া, সোনালী অতীত ক্লাবের সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন, হকির জাতীয় পর্যায়ের সাবেক খেলোয়াড় মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড় জহিরুল হক, অ্যাথলেট সাফিয়া শেলী, ইউনিসেফ বাংলাদেশ কুমিল্লার কমিউনিটি ফ্যাসিলিলেটর সহ খেলোয়াড়, কোচ এবং কর্মকর্তাবৃন্দ।
জেলা ক্রীড়া অফিসার সুমন কুমার মিত্র জানান, ইউনিসেফ বাংলাদেশ
শিশু সুরক্ষায় কিভাবে ভূমিকা রাখছে এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাথে বিভিন্ন ক্রীড়া
কর্মকান্ড তুলে ধরা হয়। ভবিষ্যতে ইউনিসেফ বাংলাদেশ ক্রীড়া উন্নয়নে আরো কর্মকান্ড বাড়ালে
তৃনমূলের খেলাধুলার উন্নয়নের পাশাপাশি মাদকাশক্তি থেকে দূরে থাকা, মোবাইল আশক্তি দূর
হওয়াসহ শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ সবল জাতি গঠনে সহসয়ক হবে।
উদ্বোধন শেষে ৩ দিন ব্যাপী বালিকাদের কাবাডি প্রশিক্ষণে শুরু
হয়। শিক্ষণে ২০ জন বালিকা কাবাডি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নগরবাসীর জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শাহ আলম নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে পরিদর্শন কালে তিনি সড়কে যান চলাচলের প্রধান প্রতিবন্ধকতাগুলো ঘুরে দেখেন। এ সময় অবৈধ পার্কিং, রাস্তার সংকীর্ণতা, যত্রতত্র যানবাহন দাঁড় করানো এবং বিদ্যমান ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বাস্তব চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে প্রশাসক শাহ আলম সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও ট্রাফিক বিভাগের সদস্যদের সঙ্গে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। তিনি যানজট নিরসনে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করেন।এ সময় তিনি বলেন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এলাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঘনবসতিপূর্ণ নগরী। এখানে যানজট নিরসন করা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়; বরং নাগরিকদের সম্মিলিত সচেতনতারও প্রয়োজন। নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, পর্যায়ক্রমে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং যান চলাচলকে আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সিটি কর্পোরেশনের এই উদ্যোগকে নগরবাসী স্বাগত জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রশাসনের সক্রিয় তৎপরতার মাধ্যমে কুমিল্লা নগরীর দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা শিগগিরই অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং নাগরিক জীবনে স্বস্তি ফিরবে।
মন্তব্য করুন


ফাতেমাতুজ
জোহরা
তন্বী,
প্রতিবেদক
:
প্রতিবছর ১৯ আগস্ট বিশ্বজুড়ে এই দিনটি উদযাপন করা হয় ফটোগ্রাফির গুরুত্ব, ইতিহাস এবং এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত সৃজনশীল মানুষদের সম্মান জানাতে।
১৮৩৯ সালের এই দিনে ফ্রান্স সরকার ‘ডাগুয়েরোটাইপ’ (Daguerreotype) নামে পরিচিত প্রথম কার্যকর ফটোগ্রাফি প্রযুক্তিকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করে। সেই স্মৃতিতেই প্রতি বছর ১৯ আগস্ট পালন করা হয় বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস।
আজকের দিনে, বিশ্বজুড়ে পেশাদার এবং শৌখিন ফটোগ্রাফাররা বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, প্রদর্শনী এবং কর্মশালার মাধ্যমে ফটোগ্রাফির গুরুত্ব তুলে ধরছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ #WorldPhotographyDay ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ মানুষ শেয়ার করছেন তাঁদের প্রিয় মুহূর্তগুলোর ছবি।
বাংলাদেশেও দিবসটি ঘিরে বিভিন্ন স্থানে ফটোগ্রাফি প্রদর্শনী ও আলোকচিত্র কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। অনেক তরুণ আলোকচিত্রী তাঁদের তোলা ছবি প্রদর্শনের মাধ্যমে সমাজের বাস্তবতা, সৌন্দর্য এবং বৈচিত্র্য তুলে ধরছেন।
একজন ফটোগ্রাফার শুধু ছবি তোলেন না, তিনি সমাজের এক নিঃশব্দ ভাষ্যকার। ফ্রেমের ভেতরে একটি মুহূর্তকে ধরে রেখে তিনি ইতিহাসের সাক্ষ্য দেন। এই বিশেষ দিনে, তাঁদের প্রতি রইল অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের দায়ে আটক পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিককে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।
আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে কুমিল্লার সীমান্ত মেইন পিলার-২১২৫ এর কাছে গীলাবাড়ী এলাকায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিজিবির নিকট হস্তান্তর করা হয়।
হস্তান্তরকৃতরা হলেন-নওগাঁর পত্নীতলার মো. রাফি (২৫), চাঁদপুরের শাহরাস্তির মো. আবুল বাশার (৫৫), ফেনীর পরশুরামের এমদাদ হোসেন (২৭) ও সাইদুজ্জামান ভূঁঞা (২৯) এবং ছাগলনাইয়ার মো. গিয়াস উদ্দিন (৪০)।
বিজিবি জানায়, আটককৃতরা বিভিন্ন সময়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ভেতরে প্রবেশ করলে স্থানীয় পুলিশ ও বিএসএফ তাদের আটক করে। পরবর্তীতে বিএসএফ কর্তৃপক্ষ বিজিবির সাথে যোগাযোগ করে ফেরত প্রদানের উদ্যোগ নেয়। স্থানীয় পুলিশ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তাদের নাগরিকত্ব ও ঠিকানা যাচাই সঠিক পাওয়া গেলে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেওয়া হয়।
পরে যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে আটক পাঁচজনকে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ফেনী মডেল থানায় সোপর্দ করেছে বিজিবি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে চলা মানবিক ও সমাজসেবামূলক সংগঠন “দুর্বার বাংলাদেশ” এবার তাদের বিশেষ কর্মসূচি “প্রজেক্ট স্বাবলম্বী”-এর আওতায় এক অসচ্ছল ব্যক্তিকে রিকশা প্রদান করেছে। সমাজে স্বাবলম্বী মানুষ তৈরির লক্ষ্যে এই প্রকল্পের এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ, যা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
এই আয়োজনটি সম্প্রতি কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুর্বার বাংলাদেশের উপদেষ্টা সাদমান সারার, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রাকিবুল আলম রিফাত, পরিচালক আকিব হাসান, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলম মহিউদ্দিন আজম, সাধারণ সম্পাদক মইন নাসের খান রাফি, এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্য অহনা, মিলি, শতাব্দী, রাত্রি, মেহজাবীন, বিপুল, আবির ও ওমর সহ আরও অনেকে। সংগঠনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো অসহায় মানুষদের স্বনির্ভর করে তোলা।
দুর্বার বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রাকিবুল আলম রিফাত বলেন, “আমরা চাই মানুষ শুধু সাহায্যের উপর নির্ভরশীল না থেকে নিজে উপার্জনের সুযোগ পাক। প্রজেক্ট স্বাবলম্বী শুরু থেকেই সেই চিন্তা থেকে পরিচালিত হচ্ছে। আজ যে মানুষটিকে রিকশা দেওয়া হলো, তিনি এখন নিজে উপার্জন করে পরিবারকে সহায়তা করতে পারবেন এটা আমাদের জন্য গর্বের।”
উপদেষ্টা সাদমান সারার বলেন, “দুর্বার বাংলাদেশ শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, মানুষের জীবনে স্থায়ী পরিবর্তন আনতেই কাজ করে যাচ্ছে। প্রজেক্ট স্বাবলম্বী আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মসূচি। আজকের এই রিকশা প্রদানের মাধ্যমে একজন মানুষ তার জীবনে নতুন আশার আলো খুঁজে পেয়েছেন।”
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে বেশি সংখ্যক মানুষ উপকৃত হতে পারেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে একমত হন যে, সমাজে পরিবর্তন আনতে হলে শুধু দান নয়, আত্মকর্মসংস্থান ও সুযোগ তৈরির মতো কার্যক্রমই বেশি কার্যকর। দুর্বার বাংলাদেশ ঠিক সেই জায়গাটিতেই কাজ করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কেবল ব্যক্তি নয়, একটি পরিবারের ভবিষ্যৎও বদলে দিতে পারে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “প্রজেক্ট স্বাবলম্বী” আগামীতে সেলাই মেশিন, ক্ষুদ্র ব্যবসার পুঁজি এবং অন্যান্য স্বনির্ভর উপকরণ প্রদান কর্মসূচিও চালু করতে যাচ্ছে। এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে অসহায় মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন সম্ভব বলে মনে করছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মইন নাসের খাঁন রাফি বলেন,“আমাদের লক্ষ্য সমাজে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। দুর্বার বাংলাদেশ সে লক্ষ্যেই কাজ করছে। আমরা শুধু সমস্যার কথা বলি না, তার সমাধানেও এগিয়ে যাই।”
সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনে এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অনুকরণীয়। দুর্বার বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে এই উদ্যোগকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
দক্ষিণ এশিয়ার তরুণ নারী নেতৃবৃন্দের জন্য আয়োজিত আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ প্রোগ্রাম ‘সাউথ এশিয়া ইয়ং উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট একাডেমি’তে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লার উদীয়মান নারী নেত্রী সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী।
সুইডেনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেক্টোরাল অ্যাসিস্ট্যান্স (IDEA) এই ফেলোশিপের আয়োজন করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) অর্থায়নে এবং জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন (UN Women)-এর সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিতব্য এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশের তরুণ নারী নেতৃবৃন্দ অংশ নেবেন।
ফেলোশিপটি অনুষ্ঠিত হবে ১৬ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর, শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোয়। তিন দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা নেতৃত্ব বিকাশ, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন।
সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী বলেন, “আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ আমার জন্য গৌরব ও সম্মানের। দেশের তরুণ নারীদের অবস্থান ও সক্ষমতা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার এই দায়িত্ব আমি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব ইনশাআল্লাহ। এই অভিজ্ঞতা আমাকে ব্যক্তি ও পেশাগত জীবনে সমৃদ্ধ করবে। একইসঙ্গে ভবিষ্যৎ নারী নেতৃত্ব গঠনে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবেও কাজ করবে।”
সুমাইয়া বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল গবেষক এবং একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত। তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য-প্রযুক্তি সংসদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মহানগর মহিলা দলের সহ-সভাপতি এবং ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের তরুণ রাজনৈতিক ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় সুমাইয়া ইতোমধ্যে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে তরুণ নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
এই ধরনের আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ বাংলাদেশের তরুণ নারীদের সক্ষমতা ও নেতৃত্বের দক্ষতাকে বৈশ্বিক পরিসরে তুলে ধরছে। সুমাইয়া বিনতে হোসাইনীর মতো নেতৃত্বগুণে সমৃদ্ধ নারীরা আগামী দিনের পরিবর্তনের রূপকার হয়ে উঠবেন—এমনটাই প্রত্যাশা দেশের মানুষের।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় নয় বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন নয় বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী শান্ত (২২)’কে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন কংসনগর এলাকায় হতে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী শান্ত (২২) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার পশ্চিম সিংহ গ্রামের আবুল কালাম এর ছেলে।
র্যাব জানান, ভিকটিম তার নানীর বাসায় বসবাস করত এবং সে স্থানীয় একটি স্কুলে ২য় শ্রেণীতে পড়ত। ঘটনার দিন গত ৮ জানুয়ারী ২০২২ ইং তারিখে দুপুরে ভিকটিম তার বাড়ির উঠানে খেলা করা অবস্থায় আসামী ভিকটিমকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে আসামীর ঘরের ভিতরে নিয়ে যায় এবং ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষনিক বিষয়টি ভিকটিম তার মাকে জানায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ভিকটিমকে বুড়িচং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকে ভিকটিমকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে গত ১৫ জানুয়ারী বুড়িচং থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত উক্ত আসামীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্রসমুহে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
শুক্রবার
(২৬ এপ্রিল) এক অফিস আদেশে
১৪৪ ধারা জারি করেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান।
শনিবার
(২৭ এপ্রিল) গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সমুহের ‘এ’ ইউনিট, ৩
মে 'বি' ইউনিট এবং ১০ মে 'সি'
ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। 'এ' ইউনিটের পরীক্ষা
শুরু হবে বেলা ১২টায়। অন্য দুই ইউনিটের পরীক্ষা বেলা ১১টায় শুরু হবে। পরীক্ষা চলবে এক ঘণ্টা।
সূত্র
জানায়, কুমিল্লায় 'এ' ইউনিটের ভর্তি
পরীক্ষা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গভর্নমেন্ট ল্যাবেরটরি হাইস্কুল, বর্ডার গার্ড পাবলিক বিদ্যালয়, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ ও বার্ড হাইস্কুল;
'বি' ইউনিটের পরীক্ষা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও টিচার্স ট্রেনিং
কলেজ এবং 'সি' ইউনিটের পরীক্ষা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।
কুমিল্লার
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সৈয়দ শামসুল তাবরীজ জানান, সবগুলো পরীক্ষা কেন্দ্রে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। পরীক্ষা কেন্দ্রে যাতে করে কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে
জন্য ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। বিশৃঙ্খলা হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন