

দেশের ছয়টি বিভাগে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয় আধিদপ্তর। আর সেই সঙ্গে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত।
শনিবার (৪ মে) আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস দিয়েছে ।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চল হয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
রোববার (৫ মে) সকাল পর্যন্ত সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, সেই সাথে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে।
এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। পাবনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও বাগেরহাট জেলা সমূহের উপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চাঁদপুর ও মৌলভীবাজার জেলাসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর ও বরিশাল বিভাগ এবং খুলনা বিভাগের অবশিষ্টাংশের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
রোববার সকাল থেকে সোমবার (৬ মে) সকাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
দেশের পশিচমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে বিরাজমান তাপ প্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সে. হ্রাস পেতে পারে।
সোমবার সকাল থেকে মঙ্গলবার (৭ মে) সকাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে এবং সেই সাথে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে।
মন্তব্য করুন


ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবারের দেখাশোনাসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের বলে জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে বাইপাইলে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে নিহত মো. রমজান আলীর পরিবারের সাথে সাক্ষাতকালে তথ্য উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন,গণঅভ্যুত্থানের সময় যেভাবে ছাত্র-জনতা রাস্তায় নেমে এসেছিলো, তাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। শহীদদের জন্যই আমরা বেঁচে আছি, বাক্স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি।
এ সময় তথ্য উপদেষ্টা শহীদ রমজান আলীর পরিবারের খোঁজখবর নেন। তাদেরসহ সব শহীদ পরিবারের মাসিক ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাতের সময় শহীদ রমজানের পরিবার থেকে তার বাবা ও ছোট বোন উপস্থিত ছিলেন।
শহীদ রমজান আলী নাটোরের সিংড়ায় স্নাতক শ্রেণিতে পড়াশোনা করতেন। তার পরিবারের কেউ উপার্জনক্ষম না থাকায় বাইপাইলে একটি মাছের আড়তে কাজ করে তিনি পুরো পরিবারের খরচ চালাতেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন তিনি আন্দোলনে অংশ নেন এবং ৫ আগস্ট পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
মন্তব্য করুন


রাঙামাটির
লংগদু উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বেওয়ারিশ কুকুর শিকার করে ভারতের মিজোরামে পাচারের
অভিযোগ উঠেছে। আকারভেদে প্রতিটি কুকুর ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে বলে
জানা গেছে। বিষয়টি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
জানা
যায়, লংগদু উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বিশেষভাবে তৈরি বাঁশের ফাঁদ ব্যবহার করে কুকুর
ধরা হচ্ছে। পরে নৌকাযোগে কাপ্তাই হ্রদ পাড়ি দিয়ে সেগুলো বরকল উপজেলায় নেওয়া হয়। সেখান
থেকে সীমান্তবর্তী এলাকা হয়ে ভারতের মিজোরামে পাচার করা হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রের
দাবি।
মিজোরামের
জনপ্রিয় বসন্ত উৎসব ‘চাপচার কুট’ সাধারণত মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হয়। কৃষিভিত্তিক
এ উৎসবকে কেন্দ্র করে কিছু এলাকায় কুকুরের মাংসের চাহিদা বাড়ে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
অভিযোগ রয়েছে, আসন্ন উৎসবকে সামনে রেখে সম্প্রতি কুকুর শিকার ও পাচারের তৎপরতা বেড়েছে।
বাংলাদেশে
২০১৯ সালের প্রাণী কল্যাণ আইন অনুযায়ী মালিকবিহীন কুকুর বা অন্য কোনো প্রাণী হত্যা
বা অপসারণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
অন্যদিকে
ভারতে, বিশেষ করে মিজোরাম রাজ্যে কুকুর জবাই ও বিক্রি নিষিদ্ধ। ২০২০ সালের মার্চে মিজোরাম
বিধানসভায় ‘মিজোরাম অ্যানিম্যাল স্লটার (সংশোধন) বিল, ২০২০’
পাস হয়, যার মাধ্যমে কুকুরকে জবাই বা ভোজ্য প্রাণীর তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।
কয়েকজন
শিকারি দাবি করেন, তারা বরকল উপজেলা থেকে এসেছেন এবং মাংস খাওয়ার উদ্দেশ্যেই কুকুর
ধরেছেন।
রাঙামাটি
জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. দেবরাজ চাকমা সংবাদমাধ্যমকে বলেন,
বসন্ত উৎসবকে কেন্দ্র করে মিজোরামের কিছু এলাকায় কুকুরের মাংস খাওয়ার প্রচলন রয়েছে।
উৎসবকে সামনে রেখে কুকুর শিকার করা হতে পারে।
রাঙামাটি
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, কুকুর পার্শ্ববর্তী দেশে
পাচার হচ্ছে কি না, তা আমরা জানি না। এটি নিশ্চিত না হয়ে বলাও যায় না। তবে স্থানীয়ভাবে
কুকুর ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর আমরা পেয়েছি। প্রাণী কল্যাণ আইন ২০১৯-এর ৭ ধারা অনুযায়ী
মালিকবিহীন কুকুর হত্যা বা অপসারণ আইনত দণ্ডনীয়। কুকুর জলাতঙ্কসহ বিভিন্ন রোগ বহন করতে
পারে। বেওয়ারিশ কুকুরের মাংস খাওয়া জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই আমরা এটি প্রতিরোধে
উপজেলা প্রশাসনকে নিয়ে কাজ করছি।
তিনি
আরও বলেন, কোনো এলাকায় কুকুরকে ভ্যাকসিন দেওয়া হলে সেখান থেকে কুকুর সরিয়ে নেওয়া হলে
একটি শূন্যতা তৈরি হয়; ফলে টিকাবিহীন কুকুর এসে জায়গা দখল করে। এ কারণে নির্বিচারে
কুকুর অপসারণ না করতে আইন করা হয়েছে।
এ
বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনসচেতনতা তৈরির কাজ চলছে বলেও জানান জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।
মন্তব্য করুন


শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই তিনি সংশ্লিষ্ট মন্তব্যটি করেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন যে কারাবন্দি অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সময়মতো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। তার ভাষায়, “আল্লাহ যেন ওই জিনিসটা (শেখ হাসিনার ফাঁসি) বেগম খালেদা জিয়াকে দেখায়, যার কারণে তার আজকে এই পরিণতি হয়েছে। জেলের মধ্যে সঠিক চিকিৎসা দিতে দেওয়া হয়নি; কোনো ডাক্তার চিকিৎসা করতে গেলে তাকেও হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে। এতে ধীরে ধীরে তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক মত-পথের মানুষের কাছ থেকেও খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া প্রার্থনা করা হচ্ছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, “তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার ফাঁসি যেন দেখে যেতে পারেন—সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।”
এদিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন প্রায় ৮০ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়া। ফুসফুসে সংক্রমণজনিত শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর তার নিউমোনিয়া শনাক্ত হয়। পাশাপাশি কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস এবং ডায়াবেটিসসহ দীর্ঘদিনের অসুস্থতাগুলো তার চিকিৎসাকে আরও জটিল করে তুলেছে, কারণ একটি রোগের চিকিৎসায় অন্যটির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতিতে উদ্বেগ জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনও তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব মোহাম্মদ সাগর হোসেনের পাঠানো এক বার্তায় শনিবার এ প্রার্থনা জানানো হয়।
এর আগে, শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চান। তিনি নিয়মিত তার চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় সকল চিকিৎসা সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশও দিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক রূপান্তরের এই সময়ে খালেদা জিয়া জাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস, এবং তার সুস্থতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই নানা রোগে ভুগছেন খালেদা জিয়া। সর্বশেষ ২৩ নভেম্বর তিনি ফুসফুসে সংক্রমণ ও হৃদযন্ত্রের সমস্যার কারণে আবারো হাসপাতালে ভর্তি হন। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড সিসিইউতে তার চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বরিশালের
আগৈলঝাড়ায় ঋণের কিস্তির টাকা দিতে না পারায় এক গৃহবধূর পালিত হাঁস জোর করে ধরে নিয়ে
যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক এনজিও কর্মীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার
বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত
কর্মীর নাম ফিরোজ খাঁন। তিনি ‘ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ’
(টিএমএসএস) নামের একটি এনজিওর মাঠকর্মী। ভুক্তভোগী গৃহবধূর নাম হাফিজা খানম, তিনি ওই
গ্রামের মো. মুরাদ হোসেনের স্ত্রী।
স্থানীয়
ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, হাফিজা খানম ২০২৫ সালের শুরুর দিকে টিএমএসএস থেকে ৬০
হাজার টাকা ঋণ নেন। তিনি নিয়মিত সপ্তাহে ১ হাজার ২৫০ টাকা করে কিস্তি পরিশোধ করে আসছিলেন।
মঙ্গলবার দুপুরে মাঠকর্মী ফিরোজ খাঁন ও তার এক সহযোগী কিস্তি আদায়ে হাফিজার বাড়িতে
যান। হাফিজা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে সময় চাইলে ফিরোজ খাঁন তা মানতে নারাজ হন।
একপর্যায়ে তিনি উঠানে থাকা হাঁস-মুরগি দেখে টাকার বদলে হাঁস দাবি করেন। গৃহবধূ এতে
রাজি না হয়ে প্রতিবেশীর বাড়িতে গেলে ফিরোজ ও তার সহযোগী হাঁসটিকে ধাওয়া করে ধরে নিয়ে
যান।
হাফিজা
খানম বলেন, “আমি আগামী সপ্তাহে টাকা দেব বলেছিলাম, কিন্তু তারা শোনেনি। আমার মেয়ে লাবিবার
শখের চিনাহাঁসটি তারা জোর করে ধরে নিয়ে গেছে। হাঁসটির বাজারমূল্য ১৫০০-১৬০০ টাকা হলেও
তারা মাত্র ৮০০ টাকা দাম ধরে সেটি নিয়ে যায়।”এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাঠকর্মী ফিরোজ খাঁন
হাঁস নিয়ে যাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “কিস্তির টাকার বদলে ৮০০ টাকা দাম ধরে হাঁসটি
আনা হয়েছে।
টিএমএসএস-এর
ম্যানেজার মো. রাজেক ইসলাম কর্মীর সাফাই গেয়ে বলেন, “ঋণগ্রহীতা হাঁস বিক্রি করেই টাকা
দিতেন। তাই কর্মী দাম ধরে সেটি নিয়ে আসলে অপরাধের কিছু নেই।”
তবে
উপজেলা এনজিও সমন্বয় পরিষদের সভাপতি কাজল দাস গুপ্ত বলেন, “কিস্তির বদলে গ্রাহকের বাড়ি
থেকে হাঁস-মুরগি বা আসবাবপত্র নিয়ে আসার কোনো বৈধতা নেই। টিএমএসএস আমাদের সমন্বয় পরিষদের
আওতাভুক্ত নয়।”উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তপন বিশ্বাস বলেন, “কিস্তির
টাকার পরিবর্তে হাঁস নিয়ে আসা সম্পূর্ণ অবৈধ। ওই এনজিও কীভাবে এখানে কার্যক্রম চালাচ্ছে,
তা খতিয়ে দেখা হবে।”
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


আসন্ন
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে করার লক্ষ্যে
সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন,
মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে পরীক্ষার সিস্টেমে পরিবর্তন আনা হবে। ‘অটোপাশ’র
আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।
আজ
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান
এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায়
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এসময় মন্ত্রী পরীক্ষায়
যেকোনো ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি ঘোষণা করেন।
তিনি
বলেন, ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে।
পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের যথাযথ ‘বডি সার্চ’
নিশ্চিত করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
ড.
এহছানুল হক মিলন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘পরীক্ষা কেন্দ্রের টয়লেটেও যদি নকল পাওয়া যায়,
তবে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে এর জন্য দায় নিতে হবে।’
এছাড়া
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র সংক্রান্ত কোনো গুজব বা কনটেন্ট ছড়ালে কঠোর আইনানুগ
ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
পরীক্ষার্থীদের
প্রকৃত মেধা যাচাইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, প্র্যাকটিক্যাল বা ব্যবহারিক
পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার প্রচলিত প্রথা বন্ধ করতে হবে। প্রকৃত মূল্যায়নের মাধ্যমেই
শিক্ষার্থীদের ফলাফল নির্ধারিত হতে হবে।
নকলের
বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়তে দেশব্যাপী জেলা পর্যায়ে ‘মোটিভেশনাল মিটিং’
আয়োজন করা হবে বলেও সভায় জানানো হয়।
সভায়
মন্ত্রী দেশের শিক্ষা কাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একটি দূরদর্শী পরিকল্পনার কথা
তুলে ধরেন। তিনি জানান, যেসব জেলায় বর্তমানে ‘জিলা স্কুল’
নেই, সেখানে নতুন করে জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে। এই স্কুলগুলো প্রথম শ্রেণি থেকে
দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অর্থাৎ উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের আদলে পরিচালিত হবে।
মতবিনিময়
সভায় মন্ত্রী এসএসসি পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর
তালিকা পুনরায় তদন্ত করে হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন।
সভায়
শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানগণ পরীক্ষা আয়োজনের বর্তমান অগ্রগতি তুলে ধরেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, আজ রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য করুন


মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে
বৈঠকে করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস। বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি ‘পূর্ণ সমর্থন’জানিয়েছেন জো বাইডেন।
মঙ্গলবার ( ২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে জাতিসংঘের
সদর দপ্তরের নির্ধারিত সভা কক্ষে বৈঠকটি হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ভেরিফায়েড
ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পোস্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারকে
‘পূর্ণ সমর্থন’
জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের
ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৈঠকে ড. ইউনূস বিগত সরকারের আমলে সকল
ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সাহসী ভূমিকা ও বাংলাদেশ পুনর্গঠনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ
অবদানের কথা জো বাইডেনকে জানান।
অধ্যাপক ড. ইউনূস জোর দিয়ে বলেন, দেশ
পুনর্গঠনে তার সরকারকে অবশ্যই সফল হতে হবে। এসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন যেকোনো
সাহায্যে বাংলাদেশ সরকারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম
অধিবেশনে যোগ দেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় তাকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব
অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
এদিকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূসকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৯তম অধিবেশনে যোগদান করায় শুভেচ্ছা জানিয়েছে
জাতিসংঘ। প্রধান উপদেষ্টা এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এ সফর করছেন যখন বাংলাদেশ জাতিসংঘের
সদস্য পদ লাভের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করছে।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে
(সাবেক টুইটার) শেয়ার করা ঢাকায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গুইন লুইস এক বার্তায় বলেন,
এ বছর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হওয়ার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করছে। প্রধান উপদেষ্টা
ড. ইউনূস সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেওয়ায় আমার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু
হওয়ার পর ভাষণ দেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বব্যাপী এমন এক
চ্যাঞ্জেলের মুখে রয়েছি যা আগে কখনো দেখিনি। বৈশ্বিকভাবেই এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে
হবে। যুদ্ধ বেড়েই চলছে এবং তা শেষ হওয়ার কোনো উপায় দেখছি না।
মঙ্গলবার শুরু হওয়া জাতিসংঘের ৭৯তম
সাধারণ অধিবেশনে বিশ্ব নেতারা এমন এক সময় জড়ো হচ্ছেন, যখন ইউরোপ, আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যে
সংঘাত বেড়েই চলেছে। এ ছাড়া রয়েছে গাজা যুদ্ধ এবং ইউক্রেন ও সুদানে সংঘাত। আশা করা হচ্ছে
এ অধিবেশনে বিশ্বনেতারা যুদ্ধ বন্ধে তাদের কণ্ঠ জোরালো করবেন।
জানা গেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো
বাইডেন মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। জাতিসংঘে এটি তার চতুর্থ এবং
শেষ ভাষণ। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এ ভাষণে বাইডেন বর্তমান বৈশ্বিক সংকট তুলে ধরবেন।
ইউএনজিএতে অংশগ্রহণ উপলক্ষে ড. ইউনূস
এখন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশ সরকারের প্রধান হিসেবে এটি ড. ইউনূসের প্রথম
যুক্তরাষ্ট্র সফর।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানে
১৭ বছর ধরে চলে আসা উদ্গ্রীব অপেক্ষার এক আবেগঘন সমাপ্তি
হলো। ২৭ বছর বয়সী
কিরণ ১০ বছর বয়সে
ইসলামাবাদের বাড়ি থেকে হারিয়ে গিয়েছিলেন। অবশেষে করাচিতে তাঁর মা–বাবার সঙ্গে
মিলিত হলেন।
পাঞ্জাব
সেফ সিটি কর্তৃপক্ষের সহায়তায় কিরণের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। তাঁকে ইধি ফাউন্ডেশন পরিচালিত দাতব্য প্রতিষ্ঠান ইধি সেন্টার থেকে খুঁজে বের করা হয়।
ইধি
ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা জানান, সেফ সিটি সিস্টেমে থাকা তথ্যের সঙ্গে কিরণের দেওয়া বিবরণ মিলে যাওয়ার পর তাঁকে মা–বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়।
কিরণ
কর্মকর্তাদের জানান, ইসলামাবাদের বাসা থেকে আইসক্রিম কিনতে বেরিয়ে তিনি পথ হারিয়ে ফেলেছিলেন।
পরে এক অপরিচিত ব্যক্তি
তাঁকে ইসলামাবাদে ইধি ফাউন্ডেশন পরিচালিত একটি ইধি সেন্টারে নিয়ে যান।
পরবর্তী
সময় প্রয়াত বিলকিস ইধি শিশু কিরণকে পাকিস্তানের করাচিতে নিয়ে আসেন। তখন থেকে কিরণ ইধি ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। এ সময়ে তিনি
ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষা
লাভ করেন।
ইধি
সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত শাবানা ফয়সাল বলেন, কিরণের পরিবারকে খুঁজে বের করার জন্য তাঁকে কয়েকবার ইসলামাবাদে পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু এত দিন কোনো
কাজ হয়নি।
শাবানা
আরও বলেন, গত কয়েক সপ্তাহে
দেশজুড়ে ১২ জন হারানো
শিশুকে তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে করাচির পাঁচ মেয়েও ছিল।
পরিবারের
সঙ্গে কিরণের পুনর্মিলনের খবর অনলাইনে ছড়িয়ে পড়লে সবাই আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানান এবং ইধি ফাউন্ডেশনের অক্লান্ত প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
পরিচয়
নিশ্চিত হওয়ার পর কিরণের বাবা
করাচিতে পৌঁছালে কিরণের সঙ্গে তাঁদের হৃদয়স্পর্শী পুনর্মিলন ঘটে। তিনি তাঁর মেয়েকে প্রায় দুই দশক ধরে আশ্রয়, শিক্ষা ও যত্ন দেওয়ার
জন্য ইধি ফাউন্ডেশনের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ড. খলিলুর রহমান লন্ডনে অনুষ্ঠিত ২৬তম কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে বাংলাদেশ
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। এই সম্মেলনে ৫৬টি সদস্য রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বহুপাক্ষিক
সহযোগিতা জোরদার করা এবং চলতি বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠেয় কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনের প্রস্তুতি
নিয়ে আলোচনা করেন।
লন্ডনের
ল্যাঙ্কাস্টার হাউসে রোববার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ও ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ এবং সংস্থার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা
নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
লন্ডনে
অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন আজ সোমবার (৯ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ড. খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক
উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন।
বৈঠকে
বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে নিয়ম-নীতি ভিত্তিক আন্তর্জাতিক
ব্যবস্থার অবক্ষয় এবং বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান ও রীতিনীতির সামনে বাড়তে থাকা চ্যালেঞ্জগুলো
নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মতবিনিময় করেন।
বিশ্বজুড়ে
নতুন করে দেখা দেওয়া চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় কমনওয়েলথের ভূমিকা এবং সদস্য দেশগুলোর
সম্মিলিত সমৃদ্ধির লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর উপায় নিয়েও তারা আলোচনা
করেন।
আগামী
১-৪ নভেম্বর অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডায় অনুষ্ঠেয় কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের সম্মেলনের
(সিএইচওজিএম) আলোচ্যসূচি এবং নীতিগত অগ্রাধিকারগুলোও এই বৈঠকে নির্ধারিত হয়।
বাংলাদেশ
প্রতিনিধিদল সম্মেলনের ফাঁকে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কূটনৈতিক
সূত্রগুলো জানিয়েছে, ২০২৬-২০২৭ মেয়াদে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের
সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের বড় সুযোগ
হিসেবে দেখা হচ্ছে এই সম্মেলনকে।
এই
পদের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থী বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ফিলিস্তিন
তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় এখন এই পদের জন্য সাইপ্রাসের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করবে বাংলাদেশ। আগামী ২ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে ১৯৮৬-৮৭ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্ব করেছিল। তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
উল্লেখ্য,
২৬তম কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এই সম্মেলনের মাধ্যমেই আজ সোমবার থেকে ৫৬টি সদস্য
রাষ্ট্রের বার্ষিক ‘কমনওয়েলথ দিবস’ উদযাপনের কার্যক্রম শুরু হলো। প্রতি
বছর মার্চের দ্বিতীয় সোমবার এই দিবসটি পালন করা হয়। সফর শেষে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল আগামী ১২ মার্চ দেশে
ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন