

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা:
কুমিল্লার
যুবলীগ কর্মী, কিশোর গ্যাং ও চোর-ছিনতাইকারি চক্রের সক্রিয় ১৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে
কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।
শুক্রবার
রাতভর নগরীর বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানান, কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. নাজির আহমেদ খানের নির্দেশে
নগরীতে অপরাধ দমনে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে থানা পুলিশের একাধিক টিম শুক্রবার রাতভর নগরের বিভিন্ন
স্থানে অভিযান পরিচালনা করে।
এ
সময় পুলিশ কিশোর গ্যাং ৮ সদস্য সহ ও চোর ছিনতাইকারী
চক্রের সক্রিয় ১৫ সদস্যকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে -নয়ন, ফয়সাল, তাসকিন,
প্রান্ত, সাগর, ইফতেখার, মকবুল, আরাফাত, যুবলীগ কর্মী টিপু, চাঁদাবাজ শাহজাদা সহ চোর
ছিনতাইকারী চক্রের ১৫ সদস্য। গ্রেফতারকৃতদের
শনিবার আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,প্রতিবেদন:
কুমিল্লার চান্দিনায় নকল কোমল পানীয় ও জুস তৈরির আড়ালে যৌন উত্তেজক সিরাপ তৈরিসহ বাজারজাত করে চলছে ‘ইহান ফুড’ নামের অনুমোদনহীন নাম সর্বস্ব একটি ফ্যাক্টরী। স্থান পরিবর্তন করে বিভিন্ন বাড়ি ভাড়া নিয়ে ওই ফ্যাক্টরীটি পরিচালনা করে আসছে হাসান গাজী নামের এক ব্যক্তি।
চান্দিনায় ওই ফ্যাক্টরীতে বিএসটিআই এর সীল ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জুস, কোমলপানীয় ও যৌন উত্তেজক সিরাপের নাম ও মোড়ক হুবহু নকল করে পণ্য তৈরি ও অবাধে বাজারজাত করে আসছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (১০ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার হারং ভূইয়া বাড়িতে ওই ফ্যাক্টরীতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নুর। এসময় সেনাবাহিনী ও পুলিশের একাধিক টিম ভ্রাম্যমান আদালতকে সহযোগিতা করে। অভিযানে পাঁচ হাজার নকল স্টিকার যুক্ত কোমলপানীয়, চার হাজার বোতল নকল জিনসিন প্লাস যৌন উত্তেজক সিরাপ জব্দ করা হয়। এছাড়াও ওইসব তৈরীর কাঁচামাল ও মেশিন জব্দ করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- কুমিল্লা সদর থানার বাগিচাগাঁও এলাকার কামাল হোসেনের ছেলে মো. খাইরুল ইসলাম অপু (৩৩) ও মজিবুর রহমানের ছেলে মো. আল-আমিন (৩০)।এই ঘটনার সাথে জড়িত দুই জনকে আটক করে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে ভ্রাম্যমান আদালত।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নুর জানান- হাসান গাজী নামের এক ব্যক্তি অবৈধ ভাবে ওই ফ্যাক্টরীটি পরিচালনা করে আসছে। ওই ফ্যাক্টরীতে মানহীন অস্বাস্থ্যকর শিশুদের ফলের জুস, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল জুস ও কোমল পানীয় তৈরী করছে। পাশাপাশি ‘জিনসিন প্লাস’ নামের একটি কোম্পানীর মোড়ক হুবহু নকল যৌন উত্তেজক সিরাপ তৈরি করে আসছে। বেশ কয়েকদিন যাবৎ আমরা খোঁজ নিয়ে ওই ফ্যাক্টরীর সন্ধান পাই। অভিযান চালিয়ে অনেক অস্বাস্থ্যকর খাদ্য পণ্য ও কাঁচামাল ধ্বংসসহ জব্দ করা হয়েছে। দুইজনকে আটক করে সাজা প্রদান করা হয়েছে। ফ্যাক্টরীর মালিকের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর পৃথক অভিযানে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
ও সদর দক্ষিন এলাকা হতে ইয়াবা ও গাঁজা সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
৪ মে রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম
থানাধীন পূর্ব কাশিপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ সুমন
মিয়া (২৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৫ কেজি গাঁজা
উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে
৪ মে রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন জগপুর (পশ্চিম পাড়া) এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা
করে। উক্ত অভিযানে আব্দুর রাজ্জাক (৪৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ
সময় আসামীর কাছ থেকে ৪২ পিস ইয়াবা ও ১২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলো, ১। মোঃ সুমন মিয়া (২৮) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার পূর্ব কাশিপুর গ্রামের
মোঃ আঃ মালেক এর ছেলে এবং ২। আব্দুর রাজ্জাক (৪৮) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানার
জগপুর (পশ্চিম পাড়া) গ্রামের মৃত সরাফত আলী এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা
হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা ও ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা
আদর্শ সদর উপজেলায় অবৈধ ভারতীয় চিংড়ির রেনুসহ একটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার
রাত ৩টার দিকে উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়ন চাঁনপুর এলাকায় রেনুসহ ট্রাকটি জব্দ করে বিজিবি।
এ ঘটনায় বিজিবি কাউকে আটক করতে পারেনি।
বিজিবি
সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান
প্রতিরোধসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে সীমান্তের
শূন্য লাইন হতে আনুমানিক ৪ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আদর্শ সদর উপজেলা পাঁচথুবী
ইউনিয়ন চাঁনপুর নামক স্থানে মালিক বিহীন ১টি ট্রাকসহ ৫১ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা
হয়।
বিজিবি
জানায়, জব্দ মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমস এ জমা করা হবে। সীমান্তে ভারতীয় অবৈধ মালামাল
জব্দে বিজিবি তৎপর রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুই পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনায় উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ)।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টা থেকে এ অভিযান শুরু হয়।
বুড়িচং উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হোসেন জানান, নিমসার বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চলছে। সওজের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।এতে প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত রয়েছেন।
জানা গেছে, এর আগে গত বুধবার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়। তবে অবশেষে সওজ কুমিল্লা অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে অভিযান শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
সরেজমিন দেখা গেছে, মোকাম ইউনিয়নের নিমসার পাইকারি বাজার ঘিরে মহাসড়কের দুই পাশে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সওজের জায়গা দখল করে প্রভাবশালীরা শতাধিক ভাসমান দোকান নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া আদায় করে আসছে।
প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীরা সবজি, ফলমূলসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য নিয়ে এই বাজারে আসেন। এতে মহাসড়কের দুই পাশে ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।
অনেক সময় উল্টো পথে গাড়ি চলাচল এবং সড়কের ওপর মালামাল লোড-আনলোডের কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের এই অংশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
এছাড়া সম্প্রতি নিমসার এলাকায় একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নোয়াখালীর জহিরুল ইসলাম ও মেহেরপুরের সোহেল রানা নিহত হন, যা পরিস্থিতিকে আরো উদ্বেগজনক করে তোলে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ মার্চ সওজের পক্ষ থেকে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ১ এপ্রিলের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ৩০ মার্চ এলাকায় মাইকিং করে দখলদারদের সতর্ক করা হয়। কিছু ব্যবসায়ী দোকান সরিয়ে নিলেও অধিকাংশই থেকে যায়।
অতীতেও একইভাবে নোটিশ দিয়েও অভিযান না হওয়ায় অনেকে বিষয়টি গুরুত্ব দেননি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মহিউদ্দিন
(৩০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করে ডান হাত কেটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার
দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের ওলানপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মহিউদ্দিন পেশায় একজন রং মিস্ত্রি ছিলেন। তিনি
ওলাপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।
মহিউদ্দিনের মা মনোয়ারা বেগম বলেন,
আমার ছেলে মহিউদ্দিন দিনমজুর হিসেবে যখন যে কাজ পেতো, তাই করতো। আমার ছেলে রাজনৈতিক
কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না। তার কোনো শক্রও ছিল না। কিন্তু কে বা কারা দিনদুপুরে
বসতবাড়িসংলগ্ন মসজিদের কাছে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে তার ডান হাত বিচ্ছিন্ন করে
নিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জান্নাতুল নাঈম তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডা: জান্নাতুল
নাঈম জানান, মহিউদ্দিনকে মৃত অবস্থায় আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়েছে। তাঁর
ডান হাত পাওয়া যায়নি। কনুইয়ের ওপর থেকে হাত বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। হাত বিচ্ছিন্ন করার
পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর মাথা ও পাসহ শরীরের বিভিন্ন
অংশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ
(পরিদর্শক) রোমেন বড়ুয়া বলেন, ধারণা করা হচ্ছে মাদক সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধের জেরে এ
হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে। তদন্তের পরে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের
জন্য কুমিল্লায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক
সাইদুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা হত্যা করা হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। হত্যাকারীরা তার
ডান হাত নিয়ে গেছে। লাশের প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালে
পাঠানো হয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
লালমাই উপজেলায় সৎ মায়ের নির্যাতনের শিকার এক এতিম শিশু তার মায়ের কবরের পাশে বসে কাদার
একটি ভিডিও ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হৃদয়বিদারক
এ ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপে করেছে।
মঙ্গলবার
(২৪ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে অভিযুক্ত সৎ মা এবং শিশুটিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার
(ইউএনও) কার্যালয়ে হাজির করা হয়। এ সময় তার সৎ মা দেশবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন
এবং ভবিষ্যতে এমন আচরণ আর করবেন না বলে মুচলেকা দেন।
জানা
গেছে, ছামিয়া আক্তার উপজেলার পোহনকুছা পশ্চিম পাড়া এলাকার বাসিন্দা। প্রায় চার বছর
আগে তার মা মারা যান। এরপর তার বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।
বাবার অনুপস্থিতিতে সৎ মা আয়েশা আক্তারের সঙ্গে বসবাস করতে গিয়ে ছামিয়া দীর্ঘদিন ধরে
শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, কিশোরীকে প্রায়ই মারধর করতেন তার সৎ মা। এমনকি সম্প্রতি টানা দুই
দিন ঘরের ভেতরে বেঁধে রেখে নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে। এ বিষয়ে বাবাকে জানানো হলেও কার্যকর
কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
এদিকে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, কিশোরীটি তার মায়ের কবরের
পাশে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে। এ সময় কান্না করতে করতে বলতে শোনা যায়, আমারে কেন আপনার
সঙ্গে নিয়ে গেলেন না। আম্মু গো আমি আসছি। আম্মু গো বের হও। আমারে নিয়ে যেতে পারেন নাই?
কেন রেখে গেলেন? মা, আমাকে নিয়ে যাও।
হৃদয়বিদারক
এ দৃশ্য দ্রুতই নেটিজেনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং জনমনে ব্যাপক সহানুভূতির সৃষ্টি হয়।
ঘটনার
পরপরই ইউএনও উম্মে তাহমিনা মিতু বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেন এবং বাগমারা দক্ষিণ
ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. লোকমান হোসেনকে তদন্তের দায়িত্ব দেন।
ইউএনও
উম্মে তাহমিনা মিতু গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটির সৎ মা আয়েশা আক্তারকে এক মাসের জন্য সতর্কতামূলক
সময় দেওয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে পুনরায় এমন অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা
নেওয়া হবে।
এদিকে
বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. লোকমান হোসেন জানান, ঘটনাটি
তদন্ত করে দেখা হয়েছে। শিশুটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয়ভাবে নজরদারি জোরদার
করা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে
উপস্থিত ছিলেন লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামানসহ বিভিন্ন
দপ্তরের কর্মকর্তারা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
প্রশাসনের
এমন দ্রুত পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে শিশুটির নিরাপত্তা
নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের ধারাবাহিক নজরদারির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
মন্তব্য করুন


শিক্ষা,
সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে নিবেদিত সংগঠন “আমরা কুমিল্লার তরুণ প্রজন্ম” দেবিদ্বার উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন
করা হয়েছে। এই নবগঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ আল আমিন
এবং সদস্য সচিব হয়েছেন শরীফ নাজিরী।
সংগঠনের
পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কুমিল্লার দেবিদ্বার
উপজেলায় তারা সমাজসেবা, শিক্ষা প্রসার এবং মানবিক সহায়তার মাধ্যমে তরুণদের সম্পৃক্ত
করে গঠনমূলক কাজ করতে চায়। অচিরেই একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।
আহ্বায়ক
মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, আমরা দেবিদ্বার উপজেলায়
আর্তমানবতার সেবায় কাজ করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং
তাদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।
সদস্য
সচিব শরীফ নাজিরী বলেন, কমিটি গঠনের পরপরই আমরা একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করব এবং সুবিধাবঞ্চিত
মানুষের জন্য কাজ শুরু করব।
সংগঠনের
জেলা আহ্বায়ক পিয়ারে মাহবুব এবং জেলা সদস্য সচিব সাজ্জাদ খান।
নবগঠিত
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন:
যুগ্ন
আহবায়ক আবুল খায়ের,সুবিল ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক আবু মূছা নিরব,বরকামতা ইউনিয়ন।
যুগ্ম
আহ্বায়ক পিবি হাবিব,ইউসূফপুর ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহ্বায়ক সুজন আহমেদ,ফতেহাবাদ ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহ্বায়ক মুনতাসির রাফি,দেবিদ্বার পৌরসভা।
যুগ্ন
আহ্বায়ক আবু জর গিফারী,রসূলপুর ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক রফিকুল ইসলাম,গুনাইঘর ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক বিল্লাল হোসেন আত্তারী,ফতেহাবাদ ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহ্বায়ক কাউছার আহমেদ -দেবিদ্বার পৌরসভা
যুগ্ন
আহবায়ক মো.আসরার জাহিদ আলেমদার, ইউসূফপুর ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক রবিউল ইসলাম -ফতেহাবাদ ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক মুহাম্মদ মনিরুল হক,ফতেহাবাদ ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক মারুফ বিল্লাহ -পইয়াবাড়ি,এলহাবাদ ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক মিজানুর রহমান -সুবিল ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক নাহিদ হাছান -সুলতানপুর ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক আল-আমিন -জাফরগন্জ ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক ওলিউল্লাহ,বরকামতা ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক মুহাম্মদ মাহফুজ মিয়া,দেবিদ্বার পৌরসভা।
যুগ্ন
আহবায়ক মোঃ মেরাজ, সুলতান ইউনিয়ন।
সদস্য
মো:জোবায়ের
ইসলাম-গুনাইঘর
ইউনিয়ন।
সদস্য
মাওলানা মোহাম্মদ কবির হোসাইন রেজা কাদেরী।
সুবিল
ইউনিয়ন।
সদস্য
রানা মাহমুদ,বরকামতা ইউনিয়ন।
সদস্য
সাবিত রেজবী,রসূলপুর ইউনিয়ন।
সদস্য
রফিকুল ইসলাম
সদস্য
এনামুল আহমেদ, দেবিদ্বার পৌরসভা।
সদস্য
শাহ কামাল -সুবিল ইউনিয়ন।
সদস্য
ইসমাইল আহমেদ মাহিন,দেবিদ্বার পৌরসভা।
সদস্য
ইলিয়াস,এলাহবাদ ইউনিয়ন।
সদস্য
জুবায়ের ইসলাম,গুনাইঘর ইউনিয়ন।
সদস্য
শরীফুল ইসলাম,ইউসুফপুর ইউনিয়ন।
সদস্য
কাইয়্যুম ইসলাম,ইউসুফপুর ইউনিয়ন
সদস্য
ওমর ফারুক,দেবিদ্বার পৌরসভা।
সদস্য
মাওলানা মোহাম্মদ আলী, সুবিল ইউনিয়ন।
সদস্য
মুহাম্মদ রাকিব,সুবিল ইউনিয়ন।
সদস্য
মুহাম্মদ রাব্বি, সুবিল ইউনিয়ন।
সদস্য
দ্বীন ইসলাম, সুবিল ইউনিয়ন।
সদস্য
হৃদয় আহমেদ সাগর -ফতেহাবাদ ইউনিয়ন।
সদস্য
মো.আরিফুল ইসলাম,ফতেহাবাদ ইউনিয়ন।
সদস্য
আরিফ রেজা,ফতেহাবাদ ইউনিয়ন।
সদস্য
সাইদুল ইসলাম সুমন, ইউসুফপুর ইউনিয়ন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
আসন্ন নির্বাচনে দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) কুমিল্লা জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার (চতুর্থ পর্যায়) সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, কুমিল্লার কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) মোঃ ফারুক হোসেন।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন বলেন, “আজকের এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও দায়িত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করা। নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন, যেখানে পুলিশের ভূমিকা নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের দায়িত্ব হলো ভোটার, প্রার্থী এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখা। এজন্য প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে আইন, আচরণবিধি ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”
পুলিশ সুপার আশা প্রকাশ করেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যরা মাঠ পর্যায়ে আরও দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠবেন। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটাই— নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় কুমিল্লা জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকল প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
চট্টগ্রাম
বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠলো কুমিল্লা জেলা দল। ১১ মে
ফাইনালে কক্সবাজার জেলা দলের সাথে মুখোমুখি হবে কুমিল্লা।
আজ
সোমবার বিকেলে ভাষা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ
জোন ফাইনালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে ১-০ গোলে হারায় কুমিল্লা। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ
জোন ফাইনালে প্রথমার্ধের খেলা গোল শূন্য ড্র ছিলো। পরে খেলার ৭৫ মিনিটে স্বাগতিক দলের
পক্ষে মোহাম্মদ মামুন জয়সূচক গোলটি করেন। খেলায় প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ বিবেচিত হন গোলদাতা
মামুন। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ
বড়ুয়া।
উল্লেখ্য
বিভাগের ১১ জেলা দল নিয়ে দুটি জোনে ভাগ হয়ে ২৪ এপ্রিল টুর্নামেন্টটি শুরু হয়। ১১ মে
কক্সবাজার জেলা স্টেডিয়ামে রাঙ্গামাটি জোন চ্যাম্পিয়ন কক্সবাজার জেলা দলের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
পূর্ণ ফাইনালে মুখোমুখি হবে কুমিল্লা।
মন্তব্য করুন