

ঘানার বাসিন্দা ২৯ বছর বয়সী আবু বকর তাহিরু ছোট থেকে বড় হয়েছেন কৃষক পরিবারে।
তাই প্রকৃতির প্রতি তার টান সেই ছেলেবেলা থেকে। পড়াশোনাও করছেন বনবিদ্যা বিভাগে।
আর এসময়ে এসে সেই গাছ নিয়েই গড়েছেন বিশ্ব রেকর্ড। মাত্র এক ঘণ্টায় এক হাজারের
বেশি গাছের সঙ্গে কোলাকুলি করে তিনি গিনেস বুকে তাঁর নাম লিখেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ইউপিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবু বকর এক ঘণ্টায় এক হাজার
১২৩টি গাছের সঙ্গে কোলাকুলি করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যের তুস্কেগি
ন্যাশনাল ফরেস্টে গাছের
সঙ্গে কোলাকুলি ,করে নতুন এই বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন
।
তবে বিষয়টি ততটা সহজ ও ছিলো না কারণ এই রেকর্ড গড়ার সময় আবু বকরকে বেশ কিছু শর্ত
মানতে হয়েছে। যেমন দুই হাত দিয়ে গাছকে জড়িয়ে ধরতে হবে। তবে এই সময় গাছের কোনো ক্ষতি
হতে পারবে না। কোনো গাছকে এক বারের বেশি জড়িয়ে ধরা যাবে না।
আরও মজার ব্যাপার হলো তিনি রোজা রেখেই এই কাণ্ড করেছেন। এর ফলে তাকে যেমন চ্যালেঞ্জের
মুখে পড়তে হয়েছে, তেমনি সুফলও পেয়েছেন।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসকে আবু বকর বলেছেন, পুরো প্রক্রিয়ায় একবারও পানি পান
না করতে পারাটা একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছিল, বিশেষ করে শারীরিক পরিশ্রমের দিক থেকে।
তবে পরে এটি একটি সহায়ক উপায় হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। কারণ আমাকে পানি পানের জন্য
কোনো বিরতি দিতে হয়নি। ফলে একটানে শুরু থেকে শেষ করতে পেরেছি।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে আন্তর্জাতিক
মঞ্চে রাশিয়া বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার
রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মান্টিটস্কি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধে
রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাইন অপসারণের কথা স্মরণ
করেন।
তিনি রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি বাংলাদেশের
অন্যান্য পণ্যও আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান। বর্তমানে রাশিয়ায় বাংলাদেশের মোট
রপ্তানির ৯০ শতাংশ তৈরি পোশাক।
বৈঠকে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায়
বাংলাদেশে নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং খাদ্য নিরাপত্তা,
জ্বালানি অনুসন্ধান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সহায়তা বাড়ানোসহ পারস্পরিক স্বার্থ
সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি আলোচনা করেন।
বাংলাদেশের খাদ্যশস্য এবং সারের বড় একটি অংশ রাশিয়া থেকে আমদানি
করা হয় উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক
অংশীদার।
গত বছর রাশিয়া থেকে বাংলাদেশ ২ দশমিক ৩ মিলিয়ন টনেরও বেশি গম
আমদানি করেছে এবং চলতি বছর আমদানির পরিমাণ ইতোমধ্যে ২ মিলিয়ন টন অতিক্রম করেছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত জানান, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি
কোম্পানি গ্যাজপ্রম ভোলা দ্বীপে এবং দেশের অভ্যন্তরে আরও পাঁচটি গ্যাস কূপ
অনুসন্ধান করতে আগ্রহী।
তিনি আরও জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ
চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং এটি আগামী বছর চালু হতে পারে।
তিনি বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশে এলএনজি রপ্তানিতে আগ্রহী।
প্রধান উপদেষ্টা অর্থনৈতিক ও শিক্ষা সহযোগিতা এবং দুই দেশের জনগণের
মধ্যে সম্পর্ক বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তান সামরিক একাডেমি (পিএমএ) থেকে প্রশিক্ষণ শেষে মর্যাদাপূর্ণ কমান্ড্যান্টস ওভারসিজ মেডেল অর্জন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাডেট “ জান্নাতুল মাওয় ” । প্রশিক্ষণে অসাধারণ সাফল্যের জন্য তার হাতে এ পদক তুলে দেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির।
গতকাল শনিবার (১৮ অক্টোবর) পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকায় অবস্থিত পাকিস্তান হাইকমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে।
পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদের কাকুলে অনুষ্ঠিত পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেন ১৫২তম পিএমএ লং কোর্স, ৭১তম ইন্টিগ্রেটেড কোর্স, ২৬তম লেডি ক্যাডেট কোর্স এবং ৩৭তম টেকনিক্যাল গ্র্যাজুয়েট কোর্সের ক্যাডেটরা। জান্নাতুল মাওয়া অংশ নিয়েছিলেন ২৬তম লেডি ক্যাডেট কোর্সে। এই আয়োজনে বাংলাদেশসহ ইরাক, ফিলিস্তিন, কাতার, মালি, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, ইয়েমেন ও নাইজেরিয়ার মতো বন্ধুপ্রতিম দেশের প্রশিক্ষণার্থীরাও অংশগ্রহণ করেন। পাকিস্তানে সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জান্নাতুল মাওয়া
প্যারেড শেষে সেনাপ্রধান কৃতিত্বপূর্ণ ক্যাডেটদের হাতে বিভিন্ন পুরস্কার তুলে দেন। ১৫২তম পিএমএ লং কোর্স থেকে একাডেমি সিনিয়র আন্ডার অফিসার আহমেদ মুজতবা আরিফ রাজা সোর্ড অব অনার এবং ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার জোহাইর হোসেন রাষ্ট্রপতির স্বর্ণপদক লাভ করেন।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের গুরুত্বপূর্ণ স্থান টাইমস স্কয়ারের বিলবোর্ডে একসঙ্গে দেখা মিলল ৯ জন বাংলাদেশি শিল্পীর মুখ। এর মধ্যে রয়েছেন ইমরান মাহমুদুল, ফাতেমা তুয যাহরা ঐশী, দিলশাদ নাহার কণা, মাশা ইসলাম, জাহিদ নিরব, মুজিব পরদেশি, ইনিমা রশ্নি ও কাজল দেওয়ান।
এছাড়া সবার ওপরে বড় করে যার ছবিটি স্থান পেয়েছে, তিনি সংগীত পরিচালক পাভেল আরিন।
জানা যায়, পাভেলের হাত ধরেই এই টাইমস স্কয়ার যাত্রা। মূলত তিনি একটি নতুন সংগীত সেশন চালু করেছেন। যেটার নাম দিয়েছেন ‘লিভিং রুম সেশন’। এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার জন্যই টাইমস স্কয়ারের একটি বিলবোর্ডে প্রদর্শন হয় প্রজেক্টটির নামসহ শিল্পীদের ছবি।
‘লিভিং রুম সেশন’ নিয়ে পাভেল আরিন বলেছেন, ইতোপূর্বে সিনেমা ও টেলিভিশনে অনেক কাজ করেছি। এবার ভাবলাম নতুন কিছু করি। তাই এই প্রজেক্ট। এটা কিছুটা জ্যামিংয়ের মতো হবে, তবে গানগুলো মিউজিক্যালি যাতে মানসম্পন্ন হয়, সেদিকটা নজরে রাখছি।
এই প্রজেক্টের পরিবেশনায় থাকছে মাশরুম এন্টারটেইনমেন্ট। অডিও প্রডাকশনে বাটার কমিউনিকেশন আর ভিডিওর দিকটি সামলাচ্ছেন মারুফ রায়হান। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষে সেশনের প্রথম পরিবেশনাটি উন্মুক্ত করা হবে।
মন্তব্য করুন


মিয়ানমারের
সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্যদের ছোড়া গুলিতে আহত হয়েছে টেকনাফের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী
হুজাইফা আফনান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ
কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। অপারেশন করেও তার মাথার ভেতরে থাকা গুলি বের করা সম্ভব হয়নি।
হুজাইফা গুলিবিদ্ধ
হওয়ার এক দিন পর সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে একই এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে হানিফ নামে
এক যুবকের পা বিছিন্ন হয়ে যায়।
ভুক্তভোগীদের
পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মিয়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরাকান আর্মির
(এএ) গুলি ও মাইনে গুরুতর আহত হয়েছেন হুজাইফা ও হানিফ।
চট্টগ্রাম মেডিকেলের
আইসিইউর সামনে বিষন্ন মনে দাঁড়িয়েছিলেন গুলিবিদ্ধ শিশু হোজাইফা আফনানের চাচা শওকত আলী।
হুজাইফার শারীরিক
অবস্থা জানতে চাইলে শওকত জানান, তার (হুজাইফা আফনান) অবস্থা ভালো না। মাথায় এখনো গুলি
রয়ে গেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ‘মাথার ভেতরে স্পর্শকাতর জায়গায় আছে গুলিটি। এখনো বের
করার মতো পরিস্থিতি হয়নি। গত রোববার রাতে মাথায় অপারেশন হয়েছে। তার মাথার খুলি আলাদা
করে ফ্রিজে রাখা হয়েছে।’
গত সোমবার
(১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে তিনি এসব তথ্য জানান।
শওকত আলী স্থানীয়
একটি দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘রোববার সকালে আমাদের
বাড়িতে পিঠা বানানো হচ্ছিল। সাড়ে ৮টার দিকে নাস্তা করে হুজাইফাকে পানি আনতে বলি৷ পরে
আমি ৯টার দিকে মাদ্রাসায় চলে যাই। আমাকে ফোন করে জানানো হয়, হুজাইফা গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন,
এরপর বাসায় গিয়ে তাকে নিয়ে কক্সবাজার হাসপাতালে যাই। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে
রেফার করা হয়। বিকেল ৪টার দিকে আইসিইউতে ভর্তি করানো হয়। এরপর তার অবস্থার উন্নতি হয়নি।
রাতে অপারেশন করা হয়। তার মাথার খুলি আলাদা করে ব্রেইনে জমাট বাঁধা রক্ত অপসারণ করা
হয়েছে এবং খুলিটি ফ্রিজে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দেশের অভ্যন্তরে
প্রবেশ করে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলি করেছে বলে দাবি করে শওকত বলেন, টেকনাফের হোয়াইক্যাং
তেচ্ছাব্রিজ এলাকায় সিমান্ত থেকে তিন কিলোমিটার দূরে। ওই জায়গায় গুলিবিদ্ধ হয় হুজাইফা।
সীমান্তের ওপার থেকে গুলি করা হলে লোকালয়ে আসার কথা না। মূলত দেশের অভ্যন্তরে হউসের
দ্বীপ এলাকা থেকে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলি করেছে। তারা ওই দ্বীপ ছেড়ে
যাওয়ার সময় স্থলমাইন পুঁতে দিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, ওই মাইন বিস্ফোরণে
আজকে (সোমবার) সকালে আরেকজনের পা বিছিন্ন হয়।
চট্টগ্রাম মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ বলেন,
ভোর ৪টা পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তবে গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। সেটি মস্তিষ্কে,
বের করায় ঝুঁকি আছে। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানো হয়েছে।
সীমান্তের একাধিক
সূত্র জানায়, রোহিঙ্গা বিদ্রোহীগোষ্ঠীর হামলা ঠেকাতে নাফ নদীর মধ্যভাগে জেগে ওঠা কয়েকটি
দ্বীপের চারপাশ এবং সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে নিষিদ্ধ স্থলমাইন পুঁতে রেখেছে মিয়ানমারের
সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। এর আগেও স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি কয়েকজন জেলে
আহত হয়েছেন। দ্বীপগুলোতে মূলত মাছ চাষ হয়, স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে মাছ চাষ করেন,
মানুষের কোনো বসতি নেই।
জানতে চাইলে
হোয়াইক্যাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ জালাল বলেন, মিয়ানমারের ভেতরে
আরকান আর্মির সঙ্গে প্রতিপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। সেখান থেকে একটি পক্ষে
নাফ নদী পার হয়ে দেশের অভ্যন্তরে চলে আসায় আরকান আর্মিও হউসের দ্বীপে চলে আসে। সেখান
থেকেও গোলাগুলি হয়। পাশাপাশি জায়গায় আজকে মাইন বিস্ফোরণে হানিফ নামের একজনের পা বিছিন্ন
হয়ে গেছে। তিনিও একই এলাকার বাসিন্দা।
মন্তব্য করুন


শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া।
দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের এক বিবৃতিতেতে এ কথা জানিয়ে আরো বলা হয়েছে যে, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশে দ্রুত শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে বলে আশাবাদী দক্ষিণ কোরিয়া। কোরিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ দক্ষিণ কোরিয়া।
প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকারের পতনের গত ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে কোনোভাবেই উদ্বিগ্ন নয় বিশ্বব্যাংক। বরং বাংলাদেশে কর্মসংস্থান বাড়াতে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে চায় সংস্থাটি। অন্তর্বর্তী সরকারকে সব বিষয়ে সহায়তা দিয়ে পাশে থাকতে চায় বিশ্বব্যাংক।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও আইএফসির কান্ট্রি ম্যানেজারের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক। তিনি জানান, আমরা বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে জেনেছি। যার ফলে আমরা বাংলাদেশের অর্থনীতির সংস্কারে কীভাবে সহযোগিতা করবো সেটিও আলোচনা করেছি। কারণ জটিল কিছু সংস্কার বাংলাদেশের প্রয়োজন। এখানে আর্থিক খাতে সংস্কার প্রয়োজন, বাণিজ্যে সংস্কার প্রয়োজন- আমরা এগুলোতে বিনিয়োগে আগ্রহী।
পাশাপাশি তিনি এটাও বলেন, আমরা এখন এ দেশে বেসরকারি খাতে চাকরির বাজার সৃষ্টিতে কাজ করতে আগ্রহী। বিশেষ করে যুবকরা এখানে বড় সম্পদ। এছাড়া এখানে জলবায়ু পরিবর্তন অনেক বড় ঝুঁকি, সেখানে অন্তর্বর্তীমূলক বিনিয়োগ প্রয়োজন। আমরা বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক গড়তে কাজ করছি আর আমরা মোটেই বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। আমাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। আমি অনেক দেশে কাজ করার অভিজ্ঞতায় বলতে পারি, এটি কখনোই আমাদের উদ্বেগের বিষয় নয়।
অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের স্থবির অর্থনীতিকে চালু করার জন্য যত রকমের সহযোগিতা দরকার বিশ্বব্যাংক তা দেবে। আইএফসি ও বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা চেয়েছি আমরা। তারা বলেছে, বাংলাদেশের মানুষের জন্য তারা যে কোনো কিছুই করতে পারে। নিয়মকানুন মেনে তারা বিনিয়োগ করবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ শিক্ষার্থীদের জন্য শোক জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। পাশাপাশি এ সময়ে যা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা সংস্কারেও পাশে থাকবে সংস্থাটি।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি
খুঁজে পায় নিজস্ব ঐতিহ্য,সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ দেয়া এক বাণীতে বলেন, শুভ
নববর্ষ-১৪৩১’ পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির জীবনে পরম আনন্দের একটি দিন। আনন্দঘন
এই দিনে আমি দেশে ও বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে জানাই বাংলা নববর্ষের
শুভেচ্ছা। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা বিশ্ব
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন ও আদর্শের
অন্যতম ভিত্তি ছিল দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও জাতীয় চেতনার উন্মেষ। সেই চেতনায়
উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধু কারারুদ্ধ জীবনে সহবন্দিদের নিয়ে নববর্ষ উদযাপন
করেছিলেন। জাতীয় সংস্কৃতির এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জাতি হিসেবে বাঙালির জন্য
পরম গৌরব ও মর্যাদার।
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি খুঁজে পায় নিজস্ব
ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ। দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতাকে ভুলে সবাই জেগে
ওঠে নব আনন্দে, নব উদ্যমে। বৈশাখের আগমনে বেজে উঠে নতুনের জয়গান। ফসলি সন
হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল,সময়ের সাথে আজ সমগ্র বাঙালির
অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে।
এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের
আত্মবিকাশ ও বেড়ে ওঠার প্রেরণা। বৈশাখ শুধু উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।বাঙালি
সংস্কৃতির বিকাশ,আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মুক্তিসাধনায় পহেলা বৈশাখ এক অবিনাশী শক্তি।
বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও গণতান্ত্রিক বিকাশে সংস্কৃতির এই শক্তি রাজনৈতিকতন্ত্রের
চেতনাকে দৃঢ় ও বেগবান করে।
"পহেলা বৈশাখ আমাদেরকে উদার হতে শিক্ষা দেয় এবং একটি আদর্শ জাতিকে মানব সমাজের অনুপ্রাণিত হয়ে
বিশ্বমানবের সঙ্গে মিশে যাওয়ার শক্তি জোগায়। এই উদারনৈতিক চেতনাকে ধারণ করে
বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রদর্শন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আদর্শ এবং রাষ্ট্রভাষা চেতনার
বহ্নিশিখা অন্তরে ধারণ করে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ
বিনির্মাণ হোক আজকের দিনে সকলের অঙ্গীকার।"
ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকলে মিলে নাচ-গান, শোভাযাত্রা,
আনন্দ-উৎসব, হরেক রকম খাবার ও বাহারি সাজে বৈশাখকে বরণ করে নেয় উৎসবপ্রেমী বাঙালি
জাতি। নতুন বছরে যাত্রাপালা, পুতুলনাচ, লোকসংগীত, গ্রামীণ খেলাধুলা, মেলাসহ
নানাবিধ বর্ণিল আয়োজন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয় আনন্দ ও সম্প্রীতির নতুন
বার্তা।
রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা - সকল অশুভ ও অসুন্দরের ওপর সত্য ও
সুন্দরের জয় হোক। ফেলে আসা বছরের সব শোক-দুঃখ-জরা দূর হোক, নতুন বছর জাতীয় ও ব্যক্তিজীবনে
নিয়ে আসুক অনাবিল সুখ ও সমৃদ্ধি।
মন্তব্য করুন


খ্যাতনামা গজল গায়ক পঙ্কজ উদাস মারা গেছেন।
পঙ্কজ উদাসের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে নায়াব উদাস। তিনি বলেছেন, গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি, পদ্মশ্রী শিল্পী পঙ্কজ উদাস ২৬ ফেব্রুয়ারি মারা গেছেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি।
পঙ্কজ উদাস ভারতের গুজরাটে জন্মগ্রহণ করেন। মূলত গজল গায়ক হিসেবে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। ১৯৮০ সালে ‘আহত’ শিরোনামের গজল অ্যালবাম প্রকাশের মাধ্যমে তিনি তার সংগীত দুনিয়ায় পা রাখেন।
পঙ্কজ উদাসের জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, ২৬ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার দিকে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে মারা যান তিনি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। গত কয়েকদিন ধরে তার শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না।
তার সঙ্গীত জীবনের বিস্তার চার দশকেরও বেশি সময়। ৮০'র দশককে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন পঙ্কজ।
চান্দি জ্যায়সা রঙ্গ, না কাজরে কি ধার, দিওয়ারো সে মিল কর রোনা, আহিস্তা,থোড়ি থোড়ি প্যার করো, নিকলো না বেনাকাব— পঙ্কজ উদাসের গাওয়া অসাধারণ সব গজল আজও শ্রোতাদের মনের রসদ। নশা, পয়মানা, হসরত, হামসফর-এর মতো বেশ কয়েকটি বিখ্যাত অ্যালবামও রয়েছে তার ঝুলিতে।
মন্তব্য করুন


ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নারীরা পবিত্র
কাবার গিলাফ পরিবর্তনের কাজে অংশ নিয়েছেন। পবিত্র কাবাঘর দৃষ্টিনন্দন কালো গিলাফে আবৃত
থাকে। প্রতি বছর এ ঘরের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়। প্রতিবারের ন্যায় এ বছরও পবিত্র কাবাঘরে
নতুন গিলাফ (কিসওয়া) পরিবর্তন করা হয়েছে। তবে ইতিহাসে প্রথম গিলাফ পরিবর্তন কার্যক্রমে
মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদ তত্ত্বাবধানকারী কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল নারীরা অংশগ্রহণ
করেছেন।
জেনারেল অথরিটির ভাষ্যমতে, এবারই প্রথম
নারীরা এ কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।
গত ৬ জুলাই হিজরি নববর্ষের প্রথম রাতে
মক্কায় পবিত্র মসজিদুল হারাম প্রাঙ্গণে গিলাফ পরিবর্তনের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। মূলত
গত কয়েক বছর ধরেই কাবার রীতিতে পরিবর্তন এসেছে। হারামাইন পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্ত
অনুযায়ী হিজরি বর্ষের শুরুতে গিলাফ পরিবর্তনের নিয়ম করা হয়।
চার ঘণ্টাব্যাপী চলমান এ কার্যক্রম
তত্ত্বাবধান করে মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদের সাধারণ কর্তৃপক্ষ। ইসলামের প্রথম
যুগ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর ধরে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ আরাফাত দিবসে কাবাঘরের গিলাফ
পরিবর্তনের রীতি ছিল। তবে ২০২২ সাল মোতাবেক ১৪৪৪ হিজরি থেকে কাবার গিলাফ পরিবর্তনের
সময়ে পরিবর্তন আনে সৌদি সরকার। তখন থেকে হিজরি নববর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে মহররমের
প্রথম রাতে গিলাফ পরিবর্তন করা হয়।
সৌদি বার্তা সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে,
মক্কার কিং আবদুল আজিজ কমপ্লেক্সে পবিত্র কাবাঘরের কালো গিলাফ প্রস্তুত করা হয়। সেখানকার
বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদের তত্ত্বাবধানে ১৫৯ জন দক্ষ কারিগর নতুন গিলাফ পরিবর্তনের
কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। এ ক্ষেত্রে তাঁরা প্রথমে কাবাঘর থেকে পুরনো গিলাফ সরিয়ে নেন।
এরপর নতুন গিলাফ স্থাপন করেন।
বার্তা সংস্থা আরো জানায়, গিলাফ তৈরিতে
১২০ কেজি সোনা, ১০০ কেজি রুপা ও এক হাজার কেজি রেশমের সুতা ব্যবহার করা হয়। ওই কাপড়ে
পবিত্র কোরআনের আয়াত ও আল্লাহর গুণবাচক নামের ক্যালিগ্রাফি থাকে। গিলাফের সব কাজ শেষ
করতে ৬ থেকে ৮ মাস সময় লাগে। সব মিলিয়ে ১ হাজার ৩৫০ কেজি ওজন ও ১৪ মিটার উচ্চতার এই
গিলাফ তৈরিতে ব্যয় হয় ২৫ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল বা সাড়ে ছয় মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই গিলাফকে
বিশ্বের ব্যয়বহুল কাপড় বলে মনে করা হয়।
উল্লেখ্য, পবিত্র কাবাঘরের গিলাফে থাকা
কোরআনের আয়াতের ক্যালিগ্রাফি করেন মুখতার আলম নামের এক বাংলাদেশি। তিনি গিলাফ প্রস্তুতকারক
প্রতিষ্ঠান কিং আবদুল আজিজ কমপ্লেক্সে প্রধান ক্যালিগ্রাফার হিসেবে কাজ করছেন। ২০২১
সালে তিনি সৌদি আরবের নাগরিকত্ব লাভ করেন।
মন্তব্য করুন


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হোয়াইট হাউসে আজ মঙ্গলবার মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে ইফতার অনুষ্ঠানে মিলিত হবেন। যদিও হোয়াইট হাউজের বাইরে কয়েকজন মুসলিম নেতা ইতিমধ্যে ইফতার অনুষ্ঠান বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন।
ইফতারের আগে জো বাইডেন মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন বলে নিশ্চিত করেছেন প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র জিন-পিয়েরে। তিনি এটিকে মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
জিন পিয়েরে বলেন, আমরা মুসলিম সম্প্রদায়ের সবাইকে ইফতার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের অনুরোধ করবো। এখানে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে তাদেরকে প্রতিক্রিয়া দেখানোর অনুরোধ করছি.প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে অনুষ্ঠানটিতে আরো যোগ দেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস, বাইডেন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মুসলিম কর্মকর্তারা এবং জাতীয় নিরাপত্তা দলের সদস্যরা।
যদিও বাইডেনের এ ইফতার আয়োজনের প্রতিক্রিয়ায় মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশ হোয়াইট হাউজের বাইরে একই ধরনের একটি ইফতার অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে। তারা এ অনুষ্ঠানের নাম দিয়েছে ‘পিপল সিজফায়ার নাউ ইফতার।’
প্রতিবাদ অনুষ্ঠানটি আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন, ‘অর্গানাইজেশন ইউথ অ্যামেরিকান মুসলিম ফর পিস’, দ্য কাউন্সিল অন অ্যামেরিকান-ইসলামিক রিলেশন, ইসলামিক সার্কেল অফ নর্থ অ্যামেরিকা, মুসলিম অ্যামেরিকান সোসাইটি, প্যালেস্টাইন ইউথ মুভমেন্ট, কোড পিঙ্ক। তারা অবিলম্বে ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধবিরতি কার্যকরে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের উপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে।
বাইডেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, হোয়াইট হাউস গোপনে ইসরায়েলকে ২ হাজার পাউন্ড বোমা ও বিমানসহ একটি নতুন সামরিক সহায়তা প্যাকেজ অনুমোদন করেছে। এর আগে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন অবরুদ্ধ গাজায় স্থায়ী যুদ্ধ বিরতির আহ্বানকে বারবার প্রত্যাখ্যান করে আসছিলেন। বাইডেনের এমন পদক্ষেপে বিক্ষোভকারীরা আরো বিক্ষুব্ধ হচ্ছিলো এবং তারা বারবার যুদ্ধ বিরতির দাবি জানিয়ে আসছিলো।
উল্লেখ্য, ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের অভ্যন্তরে হামাসের হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ ইসরায়েলিকে হত্যা করা হয়। এবং প্রায় ২০০ ইসরায়েলিকে অপহরণ করে গাজায় নিয়ে যায়। ইসরায়েলের পাল্টা হামলায় গাজায় এ পর্যন্ত ৩২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে প্রায় ৭৫ হাজার।
ইসরায়েল গাজায় একটি সর্বাত্মক অবরোধ আরোপ করেছে। ফলে উত্তর গাজার বাসিন্দারা অনাহারে আছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ত্রাণ প্রবেশের ক্ষেত্রেও ইসরায়েল কড়াকড়ি আরোপ করেছে।ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগ রয়েছে, যা গত সপ্তাহে তেল আবিবকে গাজায় দুর্ভিক্ষ প্রতিরোধে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানায়।
মন্তব্য করুন