

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ৩ হাজার
টন ইলিশ মাছ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের
উপসচিব সুলতানা আক্তার স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে
বিভিন্ন রপ্তানিকারকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে তিন
হাজার মেট্রিক টন ইলিশ মাছ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হলো।
সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর
দুপুর ১২টার মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বরাবর (উপসচিব, রপ্তানি-২ শাখা, কক্ষ নম্বর ১২৭,
ভবন-৩, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা) আবেদন করতে বলা হয়েছে। উল্লিখিত
তারিখের পর আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। আর যারা আগেই আবেদন করেছেন তাদের নতুন করে আবেদন
করার প্রয়োজন নেই।
সম্প্রতি ভারতের ফিস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন
সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে এক চিঠিতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিতে অনুরোধ করে।
এর আগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
থেকে এ ব্যাপারে সুপারিশ আসতে হয়। তবে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবার ভারতে ইলিশ রপ্তানি
হবে না এমনটিই ইঙ্গিত দিয়েছিল।
গত ১১ আগস্ট মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
ফরিদা আখতার জানিয়েছিলেন, দেশবাসী ইলিশ পাবে না, আর বিদেশে রপ্তানি হবে, এটা হতে পারে
না। আগে দেশকে গুরুত্ব দিতে হবে। এরপর রপ্তানি করা হবে।
মন্তব্য করুন


ফুটসালে অপরাজিত
যাত্রা ছুটছে বাংলাদেশের। আজ নেপালকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে মেয়েদের সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের
শিরাপা লড়াইয়ে ফিরেছেন সাবিনা খাতুন-মাসুরা পারভীনরা।
ব্যাংককের ননথাবুরিতে
শুরু থেকেই আক্রমণ শানায় বাংলাদেশ। তার ফলও পায় দ্রুত।
ম্যাচের ১৪
মিনিটে গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। কৃষ্ণা রানীর পাস থেকে দলকে লিড এনে দেন সাবিনা খাতুন।
অবশ্য ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে গোল পাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের।
মাতসুশিমা সুমাইয়ার
পাস ধরে গোলবার ফাঁকায় পেয়েও বলকে জালে জড়াতে পারেননি সাবিনা।
সেটার প্রায়শ্চিত্ত
যেন পরে করলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। সাবিনার গোলের রেশ শেষ না হতেই বাংলাদেশকে দ্বিতীয়
লিড এনে দেন কৃষ্ণা।
কৃষ্ণার ১৯
মিনিটের গোলের পর নেপালের জালে শেষ পেরেক মারেন লিপি আক্তার। দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে
৩৩ মিনিটে গোল পায় বাংলাদেশ।
বিপরীতে ব্যবধান
কমানোর চেষ্টা করা নেপালের বেশ কিছু আক্রমণ সেভ করেন গোলরক্ষক স্বপ্ন আক্তার ঝিলি।
টুর্নামেন্টে
দ্বিতীয় জয় বাংলাদেশের। তিন ম্যাচ শেষে ২ জয় ও এক ড্রয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৭। সমান
৭ পয়েন্টে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে পাকিস্তান। এর আগে ভারতের সঙ্গে জয়ের পর
ভুটানের বিপক্ষে ড্র করে বাংলাদেশ।
চতুর্থ ম্যাচ
বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। ৭ দলের টুর্নামেন্টে যে দল পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে
থাকবে তাদের হাতেই উঠবে সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মূল কথাই ছিল সংস্কার। তার সরকার নির্বাচনের আগে সেই সংস্কার করতে বদ্ধপরিকর।
আজ সোমবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে আরও বেশি সুইডিশ বিনিয়োগকে স্বাগত জানাই’। তার সরকার দুর্নীতি দমন করেছে, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে বিনিয়োগ সহজ করেছে এবং শ্রম আইনের বিষয়ে আইএলও কনভেনশন অনুমোদনের উদ্যোগ নিয়েছে।
রাষ্ট্রদূত উইকস জানান, সুইডেনের সরকার ইউনূস-নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এবং পুলিশের সংস্কার, বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন পুনর্গঠনের উদ্যোগকে সমর্থন করে।
নিকেলাসউ উইকস বলেন, 'আপনাকে আশ্বস্ত করতে চাই যে এই পরিবর্তনকালে আমাদের পূর্ণ সমর্থন আপনার সঙ্গে রয়েছে।'
বৈঠককালে তারা জুলাই-আগস্ট বিপ্লব, সরকারের সংস্কার উদ্যোগ, বাংলাদেশের সুইডিশ বিনিয়োগ এবং গণঅভ্যুত্থানে নারীদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়েছে, তবে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে, বিশেষ করে সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর উচ্চ প্রত্যাশা পূরণের ক্ষেত্রে। 'দাবিদাওয়া মেটানো একটি বড় কাজ। আমরা চেষ্টা করছি, তবে খুব সতর্কও রয়েছি,' তিনি বলেন।
এ সময় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক শাহীনা গাজী।
মন্তব্য করুন


মিয়ানমারের
সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্যদের ছোড়া গুলিতে আহত হয়েছে টেকনাফের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী
হুজাইফা আফনান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ
কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। অপারেশন করেও তার মাথার ভেতরে থাকা গুলি বের করা সম্ভব হয়নি।
হুজাইফা গুলিবিদ্ধ
হওয়ার এক দিন পর সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে একই এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে হানিফ নামে
এক যুবকের পা বিছিন্ন হয়ে যায়।
ভুক্তভোগীদের
পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মিয়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরাকান আর্মির
(এএ) গুলি ও মাইনে গুরুতর আহত হয়েছেন হুজাইফা ও হানিফ।
চট্টগ্রাম মেডিকেলের
আইসিইউর সামনে বিষন্ন মনে দাঁড়িয়েছিলেন গুলিবিদ্ধ শিশু হোজাইফা আফনানের চাচা শওকত আলী।
হুজাইফার শারীরিক
অবস্থা জানতে চাইলে শওকত জানান, তার (হুজাইফা আফনান) অবস্থা ভালো না। মাথায় এখনো গুলি
রয়ে গেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ‘মাথার ভেতরে স্পর্শকাতর জায়গায় আছে গুলিটি। এখনো বের
করার মতো পরিস্থিতি হয়নি। গত রোববার রাতে মাথায় অপারেশন হয়েছে। তার মাথার খুলি আলাদা
করে ফ্রিজে রাখা হয়েছে।’
গত সোমবার
(১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে তিনি এসব তথ্য জানান।
শওকত আলী স্থানীয়
একটি দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘রোববার সকালে আমাদের
বাড়িতে পিঠা বানানো হচ্ছিল। সাড়ে ৮টার দিকে নাস্তা করে হুজাইফাকে পানি আনতে বলি৷ পরে
আমি ৯টার দিকে মাদ্রাসায় চলে যাই। আমাকে ফোন করে জানানো হয়, হুজাইফা গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন,
এরপর বাসায় গিয়ে তাকে নিয়ে কক্সবাজার হাসপাতালে যাই। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে
রেফার করা হয়। বিকেল ৪টার দিকে আইসিইউতে ভর্তি করানো হয়। এরপর তার অবস্থার উন্নতি হয়নি।
রাতে অপারেশন করা হয়। তার মাথার খুলি আলাদা করে ব্রেইনে জমাট বাঁধা রক্ত অপসারণ করা
হয়েছে এবং খুলিটি ফ্রিজে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দেশের অভ্যন্তরে
প্রবেশ করে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলি করেছে বলে দাবি করে শওকত বলেন, টেকনাফের হোয়াইক্যাং
তেচ্ছাব্রিজ এলাকায় সিমান্ত থেকে তিন কিলোমিটার দূরে। ওই জায়গায় গুলিবিদ্ধ হয় হুজাইফা।
সীমান্তের ওপার থেকে গুলি করা হলে লোকালয়ে আসার কথা না। মূলত দেশের অভ্যন্তরে হউসের
দ্বীপ এলাকা থেকে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলি করেছে। তারা ওই দ্বীপ ছেড়ে
যাওয়ার সময় স্থলমাইন পুঁতে দিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, ওই মাইন বিস্ফোরণে
আজকে (সোমবার) সকালে আরেকজনের পা বিছিন্ন হয়।
চট্টগ্রাম মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ বলেন,
ভোর ৪টা পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তবে গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। সেটি মস্তিষ্কে,
বের করায় ঝুঁকি আছে। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানো হয়েছে।
সীমান্তের একাধিক
সূত্র জানায়, রোহিঙ্গা বিদ্রোহীগোষ্ঠীর হামলা ঠেকাতে নাফ নদীর মধ্যভাগে জেগে ওঠা কয়েকটি
দ্বীপের চারপাশ এবং সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে নিষিদ্ধ স্থলমাইন পুঁতে রেখেছে মিয়ানমারের
সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। এর আগেও স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি কয়েকজন জেলে
আহত হয়েছেন। দ্বীপগুলোতে মূলত মাছ চাষ হয়, স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে মাছ চাষ করেন,
মানুষের কোনো বসতি নেই।
জানতে চাইলে
হোয়াইক্যাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ জালাল বলেন, মিয়ানমারের ভেতরে
আরকান আর্মির সঙ্গে প্রতিপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। সেখান থেকে একটি পক্ষে
নাফ নদী পার হয়ে দেশের অভ্যন্তরে চলে আসায় আরকান আর্মিও হউসের দ্বীপে চলে আসে। সেখান
থেকেও গোলাগুলি হয়। পাশাপাশি জায়গায় আজকে মাইন বিস্ফোরণে হানিফ নামের একজনের পা বিছিন্ন
হয়ে গেছে। তিনিও একই এলাকার বাসিন্দা।
মন্তব্য করুন


ভূমধ্যসাগর দিয়ে নৌকাযোগে ইউরোপ যাত্রাকালে তিউনিসীয় উপকূলে অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া নয়জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশি বলে জানিয়েছে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস।
শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ত্রিপোলিতে থাকা দূতাবাস জানায়, লিবিয়া উপকূল থেকে ৫২ জনের একদল অভিবাসনপ্রত্যাশী সাগরপথে ইউরোপ যাত্রাকালে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি তিউনিসিয়া উপকূলে তাদের বহনকারী নৌকাটিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
পরে তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী নৌকাটি থেকে নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করে। জীবিত ফিরিয়ে আনে ৪৩ জনকে।
আর জীবিত অবস্থায় উদ্ধার অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আর মারা যাওয়া নয়জনের মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশি বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে।
দূতাবাস আরো জানায়, উদ্ধারকৃত বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা এবং চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে দূতাবাস তিউনিসিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং আইওএমের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। এছাড়া স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎপূর্বক তাদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং মারা যাওয়া বাংলাদেশিদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে দূতাবাসের একটি টিমকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তিউনিসিয়া পাঠানোর সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে।
পাশাপাশি দূতাবাস বলছে, আইওএমের তথ্যমতে বিভিন্ন দেশের উপকূল হতে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ গমনের চেষ্টাকালে ২০২৩ সালে তিন হাজারেরও বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী মারা গেছেন এবং নিখোঁজ হয়েছেন।
সম্প্রতি ইউরোপের বিভিন্ন দেশ অবৈধ অভিবাসনের বিষয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করায় লিবিয়া ও তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী তাদের নজরদারি জোরদার করেছে। ফলে বর্তমানে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপযাত্রা অত্যন্ত বিপদজনক ও ঝুঁকিপূর্ণ।
ঝুঁকি নিয়ে এভাবে ইউরোপযাত্রা না করতে বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সতর্ক করেছে দূতাবাস।
এছাড়া লিবিয়ায় কর্মরত-বসবাসরত প্রবাসীদের বর্ণিত বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে অবস্থানরত তাদের আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতদেরও সতর্ক করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে
মন্তব্য করুন


মুম্বাইয়ের
ব্যস্ত সড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন বলিউড সেনসেশন নোরা ফাতেহি। মার্কিন ডিজে
ডেভিড গেটার কনসার্টে যোগ দিতে যাওয়ার পথে এক মদ্যপ গাড়িচালকের ধাক্কায় আহত হন তিনি।
ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই দুর্ঘটনায় নোরার মাথায় গুরুতর চোট লেগেছে।
সানবার্ন ফেস্টিভ্যালে
ডেভিড গেটার সঙ্গে পারফর্ম করার কথা রয়েছে নোরার। সেই লক্ষ্যেই অনুষ্ঠানস্থলের দিকে
যাচ্ছিলেন তিনি। পথিমধ্যে হঠাৎ একটি দ্রুতগামী গাড়ি নোরার গাড়িকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
পুলিশি তদন্তে প্রাথমিক তথ্য মিলেছে যে, ঘাতক গাড়ির চালক মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন।
দুর্ঘটনার পরপরই
নোরাকে দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা সিটি স্ক্যানসহ
প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান। তবে মস্তিষ্কে প্রচণ্ড ঝাঁকুনি বা চোট হওয়ায় চিকিৎসকরা
তাকে পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন।
অসুস্থ শরীর
ও চিকিৎসকদের বারণ সত্ত্বেও ভক্তদের নিরাশ না করতে সানবার্ন ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করার
সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন তিনি। এই কনসার্টে ডেভিড গেটা ও আমেরিকান গায়িকা সিয়ারার সঙ্গে
তার নতুন আন্তর্জাতিক সিঙ্গেলের এক ঝলক ভক্তদের উপহার দেওয়ার কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মিয়ানমারের
রাখাইন রাজ্যের ম্রাউক-উ অঞ্চলে সেনা বিমান হামলায় কমপক্ষে ৩১ জন নিহত এবং ৬৮ জন আহত
হয়েছেন। স্থানীয় সহায়তা কর্মী ওয়াই হুন অং , গতকাল বুধবার (১০ ডিসেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত
করেছেন। হামলাটি ঘটেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসের দিনে।
হামলায় আহত
ও নিহতদের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাধারণ মানুষ ও কর্মীরা রয়েছেন। হাসপাতালে কমপক্ষে
২০টি মৃতদেহও দেখা গেছে। এই বিমান হামলা সামরিক শাসনের অধীনে ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য
নির্বাচনের আগে সংঘটিত হলো।
মিয়ানমারে সামরিক
অভিযান ও বিমান হামলার ঘটনা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত অক্টোবরেও সাগাইং অঞ্চলে ধর্মীয়
উৎসবে বিমান হামলায় কমপক্ষে ২৪ জন নিহত এবং ৪৫ জন আহত হন।
জাতিসংঘ এই
ধরনের অবিচ্ছিন্ন হামলাকে অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছে এবং সকল পক্ষকে আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
জাতিসংঘের তথ্য
অনুযায়ী, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর সাগাইং অঞ্চল সবচেয়ে বেশি
বিমান হামলার শিকার হয়েছে। চলতি বছরে শুধু ২৮ মার্চ এই অঞ্চলে ১০৮টির বেশি বিমান হামলায়
অন্তত ৮৯ জন নিহত হয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কথায় আছে কপাল খুলতে নাকি সময় লাগে না, সে কথাই যেন সত্যি হলো। মুহূর্তে বদলে গেল সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) প্রবাসী এক বাংলাদেশি লটারিতে ২ কোটি দিরহাম জিতেছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৬৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। গতকাল শুক্রবার ‘বিগ টিকিট আবুধাবি’ নামের ওই লটারির বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
বাংলাদেশি ওই প্রবাসীর নাম হারুন সরদার নূর নবী সরদার। ৪৪ বছর বয়সী হারুন ইউএইর শারজাহ শহরে বসবাস করেন। পেশায় ট্যাক্সিচালক। গত ১৪ সেপ্টেম্বর একটি লটারির টিকিট কিনেছিলেন তিনি। গতকাল বিগ টিকিটের র্যাফল ড্র অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এতে প্রথম পুরস্কার জেতেন হারুন।
অনুষ্ঠান চলাকালে উপস্থাপক রিচার্ড ও বোচরা হারুনকে কল করে এ খবর দেন। শুনে তাজ্জব হয়ে যান তিনি। উত্তরে বেশি কিছু বলতে পারেননি। শুধু বলেন, ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে।’
তবে হারুন একাই এ লটারির অর্থ পাবেন না; তিনি মোট ১১ জনের জন্য আবুধাবির বিগ টিকিট নামে পরিচিত এই লটারি কিনেছিলেন। তাই পুরস্কারের অর্থ সবার মধ্যে ভাগ হবে।
হারুন ২০০৯ সাল থেকে আরব আমিরাতে বসবাস করছেন। তাঁর পরিবার থাকে বাংলাদেশে। একদিন না একদিন জিতবেন—এ আশায় প্রতি মাসেই তিনি বিগ টিকিটের লটারি কেনেন।
হারুন ছাড়া আরও চারজন বিগ টিকিটের লটারি কিনে ৫০ হাজার দিরহাম (প্রায় ১৬ লাখ ৫৮ হাজার টাকা) করে জিতেছেন। এ চারজনের একজন প্রবাসী বাংলাদেশি আলী হুসাইন আলী।
বিগ টিকিট লটারিতে চারজন প্রবাসী ‘স্পিন দ্য হুইল’ জিতেছেন। তাঁরা প্রত্যেকে দেড় লাখ দিরহাম (৪৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকা) করে পাবেন। তাঁদের একজন বাংলাদেশি জাজরুল ইসলাম ফকির আহমেদ। আল-আইন শহরে বসবাসকারী এই প্রবাসী ১০ জনের সঙ্গে অর্থ ভাগাভাগি করবেন।
শারজাহ শহরের আরেক বাংলাদেশি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আহমেদ নবী লটারিতে একটি ‘রেঞ্জ রোভার ভেলার’ গাড়ি জিতেছেন।
মন্তব্য করুন


চোর ভেবেছিল সে দামি
কিছু চুরি করেছে। ভেবে ছিলো চুরি করা ফোনটা আইফোনই হবে। তবে কিছুদূর যেতে চোর বুঝতে
পারে সে ভুল করেছে। এটা আইফোন নয় বরং অ্যান্ড্রয়েড ফোন। আর সে ভুল ভাঙতেই ফোনটা
মালিকের কাছে নিজ দায়িত্বে পৌঁছে দিয়েছে চোর।
ওয়াশিংটনের বাসিন্দা
ফোনের মালিক নিজেই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন।
ফোনের মালিক জানিয়েছেন, কিছু দিন আগে রাস্তার পাশে গাড়ি দাঁড়
করিয়ে কাছেই একটি কাজে গিয়েছিলেন। গাড়িতে ফোনটা ফেলে গিয়েছিলেন। তাড়াহুড়া থাকায়
গাড়ি লক করে যেতেও ভুলে যান। চাবিটি গাড়ির গায়েই ঝুলছিল।
ঠিক সেই সময়েই চোর এসে ফোনসহ গাড়িতে থাকা অন্য
জিনিসও নিয়ে যায়। ঘণ্টাখানেক পর গাড়ির মালিক ফিরে এসে দেখেন, ফোন চুরি হয়ে গেছে।
ফলে ফোন করে কারও কাছে সাহায্য চাইতে পারছিলেন না। এই পরিস্থিতিতে কী করবেন সেটা
বুঝে উঠতে না পেরে হয়রান হয়ে গিয়েছিলেন। ঠিক সে সময় চোর নিজে এসেই তাকে ফোনটি
ফিরিয়ে দিয়ে যায়। এই ঘটনায় তিনি তাজ্জব বনে যান। কৌতূহল
মেটাতে চোরকেই সরাসরি প্রশ্নটি করেন। উত্তরে চোর জানায়, সে আইফোন ভেবে চুরি
করেছিল। কিন্তু কিছু দূর যাওয়ার পর ভাল করে দেখে সে বুঝতে পারে, এটি আইফোন নয়।
সাধারণ অ্যান্ড্রয়েড ফোন।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


পৃথিবীকে জলবায়ু বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার জন্য ‘শূন্য বর্জ্য ও শূন্য কার্বন’-এর ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন জীবনধারা গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
বুধবার (১৩
নভেম্বর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ২৯-এর ওয়ার্ল্ড লিডারস ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি আহ্বান করেন।
একটি নতুন পৃথিবী গড়ার লক্ষে তিনটি শূন্যভিত্তিক তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্নের কথাও উপস্থাপন করেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, বেঁচে থাকার জন্য, আমাদের আরেকটি সংস্কৃতি গঠন করতে হবে। একটি ভিন্ন জীবনধারার ওপর ভিত্তি করে আরেকটি পাল্টা সংস্কৃতি গড়তে হবে। এটি হবে শূন্য বর্জ্যের ওপর ভিত্তি করে। এ সংস্কৃতি নিত্য পণ্যের ব্যবহারকে সীমিত করবে, কোন বর্জ্য অবশিষ্ট রাখবে না। এ জীবনযাত্রাও হবে শূন্য কার্বনের ওপর ভিত্তি করে যেখানে কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি থাকবে না, শুধুমাত্র পুনঃনবায়নযোগ্য শক্তি থাকবে। এতে এমন একটি অর্থনীতি হবে যা প্রাথমিকভাবে সামাজিক ব্যবসার মতো ব্যক্তিগত পর্যায়ে শূন্য মুনাফার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। সামাজিক ব্যবসার একটি বিশাল অংশ পরিবেশ ও মানবজাতির সুরক্ষায় মনোযোগ দেবে। সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের জীবন কেবল সুরক্ষিতই হবে না, গুণগতভাবে উন্নত হবে। এটি যুবকদের জন্য উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সহজতর করবে। উদ্যোক্তা হওয়ার নতুন শিক্ষার মাধ্যমে তরুণরা প্রস্তুত হবে। চাকরিপ্রার্থী তৈরির শিক্ষা উদ্যোক্তা-কেন্দ্রিক শিক্ষা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে।
পরিবেশের সুরক্ষার জন্য একটি নতুন জীবনধারার প্রয়োজন উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন জীবনধারা চাপিয়ে দেয়া হবে না, এটি হবে পছন্দ বেছে নেওয়া। তরুণরা সে জীবনধারাকে পছন্দ হিসেবে বেছে নেবে। প্রতিটি যুবক তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে। এগুলো হচ্ছে- শূন্য নেট কার্বন নির্গমন, শুধুমাত্র সামাজিক ব্যবসা গড়ে তোলার মাধ্যমে শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ ও নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে পরিণত করার মাধ্যমে শূন্য বেকারত্ব। প্রত্যেক মানুষ তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে এবং সারাজীবন তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে থাকবে। এটি নতুন সভ্যতা গড়ে তুলবে। এটা করা যেতে পারে আমাদের যা করতে হবে তা হল এ গ্রহের নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নতুন জীবনধারা গ্রহণ করা যেখানে সবাই বসবাস করে। আজকের তরুণ প্রজন্ম বাকিটা করবে। তারা তাদের আমাদের গ্রহকে ভালোবাসে। আমি আশা করি আপনারা এ স্বপ্ন দেখায় আমার সাথে যোগ দেবেন। আমরা যদি একসাথে স্বপ্ন দেখি তবে তা সম্ভব হবে। জলবায়ু সংকট তীব্রতর হচ্ছে এবং সে কারণে মানব সভ্যতা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মানুষ আত্ম-বিধ্বংসী মূল্যবোধের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আত্ম-রক্ষাত্মক ও আত্ম-শক্তিবর্ধক একটি নতুন সভ্যতার ভিত্তি স্থাপনের জন্য আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক, আর্থিক ও যুব শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা, এই গ্রহের মানব বাসিন্দারা এই গ্রহের ধ্বংসের কারণ। মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করছে এবং তারা এমন একটি জীবনধারা বেছে নিয়েছে যা পরিবেশের বিরুদ্ধে কাজ করে। তারা এটিকে একটি অর্থনৈতিক কাঠামো দিয়ে ন্যায্যতা দেয়, যা এ গ্রহ ব্যবস্থার মতো প্রাকৃতিক হিসেবে বিবেচিত হয়। এ অর্থনৈতিক কাঠামো সীমাহীন খরচের ওপর ভিত্তি করে চলছে। আপনি যত বেশি ব্যবহার করবেন তত বেশি প্রবৃদ্ধি পাবেন। যত বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করবেন, তত বেশি অর্থ উপার্জন করবেন। সর্বাধিক মুনাফা অর্জনকে সিস্টেমের সবকিছুকে আমাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভূমিকা পালনের শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মন্তব্য করুন


আসন্ন রমজানকে
সামনে রেখে ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের দ্রুত বুকিং দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন ভ্রমণসেবা সংশ্লিষ্টরা।
দেরি করলে ওমরাহ প্যাকেজের খরচ দুই থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠানগুলো।
আজ রোববার এক
প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদেন
বলা হয়েছে, রমজান মাসে মক্কা ও মদিনায় লাখ লাখ মুসল্লির আগমনের কারণে পরিবহন ও আবাসন
ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।
ওমরাহ অপারেটরদের
তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাসে ওমরাহ প্যাকেজের খরচ প্রায় এক হাজার ২০০ দিরহাম হলেও আগামী
কয়েক দিনের মধ্যেই তা বেড়ে ১ হাজার ৪০০ দিরহামে পৌঁছাতে পারে। রমজান যত ঘনিয়ে আসবে,
এই ব্যয় দুই হাজার দিরহামেরও বেশি হয়ে যাবে।
সংশ্লিষ্টরা
জানান, অনেকেই শেষ মুহূর্তে সস্তা প্যাকেজের আশায় বুকিং পিছিয়ে দেন, কিন্তু রমজানের
মতো ব্যস্ত সময়ে আসন ও হোটেল সীমিত হয়ে পড়ায় উল্টো বেশি দাম গুনতে হয়।
আকাশপথে ওমরাহর
ক্ষেত্রে খরচ আরও বেশি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে বিমানযাত্রাসহ ওমরাহ প্যাকেজ শুরু
হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ দিরহাম থেকে। তবে রমজান শুরু হলে এই প্যাকেজের দাম ৫ হাজার
২০০ দিরহাম ছাড়িয়ে ৮ হাজার দিরহাম পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বিশেষ করে রমজানের শেষ দশকে
খরচ সবচেয়ে বেশি হবে বলে জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ট্যুর অপারেটররা।
বিশ্লেষণে দেখা
গেছে, উড়োজাহাজের টিকিটের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও হোটেল ভাড়াই ব্যয় বৃদ্ধির
প্রধান কারণ। মসজিদুল হারাম থেকে হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত হোটেলগুলোর ভাড়া রমজানে দ্বিগুণ
এবং শেষ দশ দিনে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়।
এছাড়া, হজের
প্রস্তুতির কারণে ওমরাহ ভিসার সময়সীমাও গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ১৭ মার্চের পর ওমরাহ ভিসা
আবেদন বন্ধ হবে এবং ২ এপ্রিলের মধ্যে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে হবে। ১৮ এপ্রিলের মধ্যে
দেশ ছাড়ার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।
তাই খরচ ও সময়-দুটো বিষয় মাথায় রেখে আগেভাগে পরিকল্পনার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন