

কুমিল্লা নগরীতে ছিনতাইয়ের ৩৬ ঘন্টার মধ্যে মালামাল উদ্ধার সহ ২ ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে পুলিশ সুপার মোঃ সাইদুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোঃ সাইদুল ইসলাম জানান, গেল ১৩ জুলাই নগরীর রানীর দিঘীরপাড় থেকে তৌফিকুল ইসলাম সবুজ নামে একজনকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ ছিনতাই করে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়।
এঘটনায় মামলা হলে আজ (১৫ জুলাই) সোমবার ভোর রাতে পুলিশ নগরীর দক্ষিন চর্থা ও রানীর বাজার এলাকা থেকে মোঃ রকি (১৯) ও আল মোকাদ্দিম রিয়াজ (২৫) নামে দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করে। এসময় ছিনতাইকৃত টাকা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
মন্তব্য করুন


হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা রক্ষায় দেশব্যাপী জেলায় জেলায় সেনাবাহিনী
মোতায়েন থেকে পূজামন্ডপ সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সদা তৎপর রয়েছে। হিন্দু
ধর্মাবলম্বী প্রত্যেক বাংলাদেশী অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে উৎসবমুখর পরিবেশে
শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করবেন এবং অন্যান্য সকল ধর্মাবলম্বীগণ সহযোগিতা ও
সম্প্রীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের
শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন সার্থক ও সুন্দর করে তুলবেন- এই প্রত্যাশা বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর।
মন্তব্য করুন


গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগে মো. সিয়াম (২৩) ও তামজিদ হোসেন শুভ (২৩) নামে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গতকাল বুধবার (১০ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর তেজগাঁও থানার এলাকা থেকে তেজগাঁও থানা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানায়, তেজগাঁও এলাকায় পার্কিংয়ে রাখা একটি হ্যারিয়ার গাড়ির স্টিকার চুরির চেষ্টা করেন সিয়া ও শুভ। এসময় গাড়িচালক দেখলে তারা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া দিয়ে তাদের আটক করে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
পুলিশ আরও জানায়, শুভ ও সিয়াম শুধু মার্সিডিজ বেঞ্জ ও হ্যারিয়ার গাড়ির লোগো চুরি করতেন। যার কাছ থেকে চুরি করে পরে কৌশলে তার কাছেই বিক্রি করতেন চোরাই যন্ত্রাংশগুলো।
বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহম্মদ মোহসিন এসব তথ্য জানান।
তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহম্মদ মোহসিন বলেন, গ্রেফতারকৃত শুভ ও সিয়াম পেশাদার চোর। শুভর বিরুদ্ধে ৪টি ও সিয়ামের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা রয়েছে। ঢাকায় গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরির সংঘবদ্ধ যে কয়েকটি চক্র আছে তার মধ্যে শুভ ও সিয়াম অন্যতম। তারা শুধু মার্সিডিজ বেঞ্জ ও হ্যারিয়ার গাড়ির লোগো, স্টিকার, লুকিং গ্লাসসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ চুরি করতেন। পরে স্বল্প দামে ধোলাইখালে বিক্রি করে দিতেন সেসব যন্ত্রাংশ।
তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহম্মদ মোহসিন আরও বলেন, গ্রেফতারকৃতরা যে ব্যক্তির গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরি হয় তিনি যখন আবার এ ধরনের যন্ত্রাংশের খোঁজে ধোলাইখাল এলাকায় যান, তখন তার কাছেই উচ্চমূল্যে এগুলো বিক্রি করা হয়। দামি লোগো, স্টিকার, লুকিং গ্লাস চুরি করা সহজ, এসবের আবার দাম বেশি। তাই এগুলো চুরি করে বলে জানান তারা।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, ‘বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি
এই অর্ধেক জনসংখ্যাকে যদি আমরা পেছনে রাখি, শিক্ষা এবং অর্থনৈতিকভাবে তাদেরকে যদি ক্ষমতায়িত
করতে না পারি, তাহলে দেশকে কোনোভাবেই সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।’
আজ
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানীতে কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি মাঠে ‘ফ্যামিলি
কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে
প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। পাইলট প্রকল্পের অংশ হিসেবে সারা দেশের ১৪টি স্থানে একযোগে
এই কার্ড বিতরণ শুরু হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারী ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ
মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
সাবেক
প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সরকারের উদাহরণ টেনে তারেক রহমান বলেন, এর আগে দেশনেত্রী
বেগম খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তখন সমগ্র বাংলাদেশে তিনি নারীদের
স্কুল পর্যায় থেকে ইন্টারমিডিয়েট লেভেল পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিনামূল্যে করার
ব্যবস্থা করেছিলেন। সেই শিক্ষিত নারী সমাজকে আজকে আমরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়িত করতে
চাই, অর্থনৈতিকভাবে তাদের সচ্ছল করতে চাই।
সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বর্তমান সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করছে কীভাবে নারীর
ক্ষমতায়ন আমরা করব, অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল করে তুলব। তারই অংশ হিসেবে আজকে এই ফ্যামিলি
কার্ড আমরা সমগ্র বাংলাদেশে পর্যায়ক্রমে ইন্ট্রোডিউস (পরিচিত) করলাম।
তারেক
রহমান বলেন, সমগ্র বাংলাদেশে ১৪টি জায়গায় বা ১৪টি উপজেলায় এই কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে
এই মুহূর্তে প্রায় ৩৭ হাজার নারী অংশগ্রহণ করছে। আমাদের এই কড়াইল এলাকা, ভাষানটেক এলাকা
এবং সাততলা এই তিন এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার নারীকে এই কার্ডের সুবিধার আওতায় আজকে নিয়ে
আসা হয়েছে।
সরকারের
পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন,‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সরকার পর্যায়ক্রমিকভাবে
বাংলাদেশে যে চার কোটি পরিবার রয়েছে, সেই চার কোটি পরিবারে যারা নারী প্রধান তাদের
কাছে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমিকভাবে সকলের কাছে এই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে যেতে
সক্ষম হবে।’
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ফল। এ উদ্যোগকে তিনি তাঁর সরকার
ও বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক একটি দিন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি
আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আজকের এই অনুষ্ঠানটি আমাদের জন্য অত্যন্ত একটি
গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান, একটি স্মরণীয় দিন এবং একটি ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান।’
দায়িত্বশীল
সরকারের ভূমিকা পালন করার অঙ্গীকার করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা একটি
দায়িত্বশীল সরকারের ভূমিকা পালন করতে চাই, যে সরকার জনগণের জন্য কাজ করবে, যে সরকার
কাজ করবে দেশের জন্য।’
তিনি
বলেন, ‘আমরা জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে চাই এবং তারই একটি অংশ হিসেবে আমাদের দল বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দল নির্বাচনের পূর্বে আমরা বাংলাদেশের মানুষ ও নারী সমাজের কাছে প্রতিশ্রুতি
দিয়েছিলাম যে বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে আমরা এই ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু করব।
আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশের মানুষের সমর্থনে বিগত নির্বাচনে সরকার গঠন করার এক মাসেরও
কম সময়ের মধ্যে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কাজ আমরা শুরু করেছি।’
তিনি
জানান, ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’
চালুর কাজও শুরু হয়েছে এবং আগামী মাসের মধ্যে অনেক কৃষকের হাতে সেই কার্ড তুলে দেওয়া
সম্ভব হবে।
এ
ছাড়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ
করা হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা কৃষক ভাইদের কাছে প্রতিশ্রুতি
দিয়েছিলাম, যাদের কৃষি ঋণ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আছে, সুদসহ সেই ঋণ আমরা মওকুফ করব।
গত সপ্তাহে সেই ঋণ মওকুফ করা হয়েছে।’
ফ্যামিলি
কার্ড কর্মসূচি চালুর দিনটি তাঁর জন্য ব্যক্তিগতভাবে আবেগঘন বলেও উল্লেখ করেন তারেক
রহমান। তিনি বলেন, ‘এই ফ্যামিলি কার্ডটি ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্য অত্যন্ত আবেগঘন। কারণ
অনেক বছর ধরে আমরা পরিকল্পনা করেছি, সুযোগ পেলে এটি বাস্তবায়ন করব। আল্লাহর রহমতে আজকে
আমরা সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পেরেছি।’
মধ্যপ্রাচ্যের
অস্থিরতাসহ সমসাময়িক বৈশ্বিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের
মানুষের প্রত্যাশা বর্তমান সরকারের কাছে অনেক, সেটি আমরা বুঝতে পারি। আমরা যে প্রতিশ্রুতি
গুলো দিয়েছিলাম, তা থেকে বিন্দুমাত্র অবস্থান পরিবর্তন করব না। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির
কারণে ক্ষেত্রবিশেষে কিছু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে হয়তো সময় বেশি লাগতে পারে। তাই সবাইকে
ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলার অনুরোধ করছি।’
বক্তব্যের
শেষে তিনি তাঁর নির্বাচনী স্লোগান মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, প্রত্যেকটি নির্বাচনী জনসভায়
একটি কথা আমার বক্তব্যের শেষে আমি তুলে ধরতাম। সেই কথাটি ছোট্ট একটি স্লোগানের মাধ্যমে
আপনাদের সকলের কমবেশি জানা আছে, সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের কাছে স্লোগানটি পৌঁছে গেছে।
আজকে সেই স্লোগানটি দিয়েই আমি আমার বক্তব্য শেষ করতে চাই, সেই স্লোগানটি ছিল: করব কাজ,
গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ! সবার আগে বাংলাদেশ!
রাজধানীর
বনানীতে টিঅ্যান্ডটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে
যোগ দিতে সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সেখানে পৌঁছান। তবে, মঞ্চে ওঠার আগেই
তিনি সোজা চলে যান মাঠে অপেক্ষমাণ নারীদের কাছে।
এ
সময় প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন নারীরা। নানা স্লোগান দেন তারা। দেশের
প্রধানমন্ত্রীকে এতো কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন
কমিশন গঠন হয়ে গেছে। এখন ধাপে ধাপে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাবে সরকার বলে মন্তব্য
করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান
আরিফ।
আজ
শুক্রবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বিআইসিসিতে এশিয়ান আন্তর্জাতিক
বাণিজ্যমেলার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
উপদেষ্টা
এ এফ হাসান আরিফ বলেন, নির্বাচন কমিশনে যারা এসেছেন সবাই অভিজ্ঞ। তারা ভালো একটি
নির্বাচন উপহার দিতে পারবেন বলে তিনি আশা করেন।
উপদেষ্টা
আরও বলেন, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করতে কাজ চলছে। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যটকরা
এ দেশে সম্পূর্ণ নিরাপদ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বেসরকারি
উদ্যোগে মেলা আয়োজন করায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, গ্রামের মেলার আমেজ এ
মেলায় পেলাম। এ ধরনের মেলায় বিদেশিরাও আসেন। তারা বাংলাদেশে সংস্কৃতি, ঐতিহ্য দেখতে
মেলায় আসেন। মেলাগুলো আমাদের দেশীয় সংস্কৃতি তুলে ধরার একটা জায়গা। এ মেলা আমাদের পর্যটন
বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
গত
৭ নভেম্বর থেকে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার আদলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের চীন মৈত্রী
সম্মেলন কেন্দ্রে চলছে ১৭ দিনব্যাপী এশিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা। মেলা শেষ হবে আগামী
২৩ নভেম্বর।
মন্তব্য করুন


আজ বেলা ১১ টায় টঙ্গীর কামারপাড়া রোড়ে র্যাবের অস্থায়ী ক্যাম্পে বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে ইজতেমা মাঠের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংক্রান্ত ব্রিফিং করেছেন র্যাব মহাপরিচালক (জিডি) এম খুরশীদ হোসেন।
এসময় তিনি বলেন, আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা-২০২৪ উপলক্ষে ইজতেমা মাঠসহ আশেপাশের এলাকায় যে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট র্যাবপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
র্যাবের ৫টি ব্যাটালিয়নের (১, ২, ৩, ৪ ও ১০) এর সমন্বয়ে আকাশপথে র্যাবের হেলিকপ্টার টহল, ডক স্কোয়াড টিম, ফুট পেট্রোলিং, মোবাইল টিম, টহল টিম, সাইবার মনিটরিংসহ ৭ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে এবার বিশ্ব ইজতেমায়।
এই বছরও দুই ধাপে ৩ দিন করে মোট ৬ দিন ইজতেমা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রথম ধাপে মাঠে থাকবেন জুবায়ের পন্থী ২-৪ ফেব্রুয়ারি এবং দ্বিতীয় ধাপে সাদ পন্থী ৯-১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।
রাজধানী ঢাকার সন্নিকটে তুরাগ নদীর তীরে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমায় বিদেশি মুসল্লিসহ সারাদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান অংশগ্রহণ করে থাকেন।
তিনি বলেন, বিদেশি মুসল্লিদের নিরাপত্তার জন্য বিদেশি খিত্তা এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধকল্পে সতর্ক দৃষ্টি ও নজরদারি রাখা হয়েছে। ইজতেমামুখী যানবাহন ও যাত্রীদের তল্লাশির জন্য চেরাগআলী বাসস্ট্যান্ড, টঙ্গী কালীগঞ্জ রোড, উত্তরা নর্থ টাওয়ার এর সামনে এবং আশুলিয়া কামারপাড়া এলাকায় নিয়মিত চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইজতেমা এলাকায় র্যাবের চিকিৎসা কেন্দ্র সার্বক্ষণিকভাবে সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। র্যাবের পর্যাপ্ত সংখ্যক মেডিকেল টিম এবং অ্যাম্বুলেন্সসহ সার্বক্ষণিকভাবে আগত মুসল্লিদের চিকিৎসা সেবা প্রদানে নিয়োজিত থাকবে।
তিনি বলেন, মাঠে আগত মুসল্লিদের জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করা হবে। বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতের দিনে আগত ও ঘরমুখী মুসুল্লিরা যাতে হয়রানির শিকার না হয় সে জন্য র্যাবের নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা চলমান থাকবে। বিশ্ব ইজতেমাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাষ্ট্র ও ধর্ম বিরোধী অপপ্রচার-গুজব রোধে র্যাবের সাইবার মনিটরিং টিম অনলাইনে নজরদারি অব্যাহত রাখছে। আসন্ন ইজমেতাকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনষ্ট করতে কোন ব্যক্তি, স্বার্থান্বেষী মহলের অপচেষ্টা-অপপ্রচার কঠোর ভাবে দমন করতে প্রস্তুত রয়েছে র্যাব।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে র্যাব ডিজি বলেন, বিশ্ব ইজতেমাকে ঘিরে কোন ধরনের হুমকি বা নাশকতার আশংকা নেই। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে র্যাব। কুচক্রী মহলের অপচেষ্টা, সাইবার আপরাধ ও গুজব রোধে সচেষ্ট থাকবে র্যাব।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস 'ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকার সবকিছু ধ্বংস করে গেছে' - উল্লেখ করে বলেছেন, নির্বাচনের আগে আমাদের অর্থনীতি, শাসনব্যবস্থা, আমলাতন্ত্র ও বিচারব্যবস্থায় সর্বাত্মক সংস্কার করতে হবে।
একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস।
সোমবার (২ ডিসেম্বর) প্রকাশিত হয় সাক্ষাৎকারটি।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনী ব্যবস্থা, সংবিধান এবং বিচার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সংস্কারের জন্য বেশ কয়েকটি কমিশন গঠন করেছে। জানুয়ারির মধ্যে ওই কমিশনগুলোর সুপারিশ হাতে পাওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ সংস্কার বাস্তবায়ন করার কথা জানান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। উপদেষ্টা বলেন, 'এই সংস্কার বাস্তবায়নে সময় লাগবে, কেননা ‘নতুন বাংলাদেশ’গড়তে আমরা একদম শূন্য থেকে শুরু করেছি। '
নির্বাচন ঠিক কখন হবে সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছেন, ‘নির্বাচনের সময় নির্ভর করছে সংস্কার প্রক্রিয়ার ওপর। এর ফলাফলই সময় নির্ধারণ করে দেবে। ’
সাধারণ নির্বাচনে ড. ইউনূস প্রার্থী হবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি নাকচ করে দিয়ে বলেন, ‘না, আমি রাজনীতিবিদ নই। আমি সব সময়ই রাজনীতি থেকে দূরে থেকেছি।’ রাষ্ট্রের যেসব ব্যক্তি নীতি-নৈতিকতা সমুন্নত রাখেন, নিয়মকানুন মেনে চলেন এবং নিজেকে দুর্নীতিমুক্ত রাখেন তাদের নির্বাচনে দাঁড়ানো উচিত বলে মনে করেন ড. ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, ‘হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে দেশের শাসনকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, আর গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করে তা পুনর্গঠনের সুবিশাল কর্মযজ্ঞ আমাদের ঘাড়ে এসে পড়েছে।'
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, ‘হাসিনার শাসনামলে গণতন্ত্রের রীতিনীতি একদম ধ্বংস হয়ে গেছে। টানা তিন মেয়াদে ভোটারবিহীন ভুয়া নির্বাচন মঞ্চস্থ করেছেন হাসিনা। আর তাতে তিনি নিজেকে এবং তার দলকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করেছেন। একজন ফ্যাসিবাদী শাসক হিসেবে এসব করেছেন হাসিনা।'
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, 'এ বছরের আগস্টে ছাত্র নেতৃত্বাধীন সরকারি চাকরিতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে কয়েকশ শিক্ষার্থী নিহত হন। এরপরই শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন হাসিনার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। শেষ পর্যন্ত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। তিনি হেলিকপ্টারে চড়ে ভারতে পালিয়ে যান। অক্টোবরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা এবং তার বেশ কয়েকজন সহযোগীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। ’
বিচারিক কার্যক্রম শেষে রায় হলে হাসিনার প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে ভারতকে অবহিত করা হবে বলে জানান ড. ইউনূস। তিনি বলেন, ‘বিচার শেষে তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত রায় এলে আমরা ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হাসিনাকে হস্তান্তরের অনুরোধ জানাব। এক্ষেত্রে উভয় দেশের স্বাক্ষরিত একটি আন্তর্জাতিক আইনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারত এ আইন মানে কাজ করতে বাধ্য হবে।’
কূটনীতিক ফ্রন্টে বাংলাদেশের ভারতের সঙ্গে শক্তিশালী ও সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত। এক্ষেত্রে ড. ইউনূস দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রস্তাব করেছেন। ভারত ও পাকিস্তানের বৈরী সম্পর্কের ফলে সার্ক কার্যত নিষ্ক্রিয় রয়েছে। সার্কের লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে- ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর মতো নিজেদের মধ্যে চলাফেরার স্বাধীনতা, আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য উৎসাহিত করা। সার্কের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে ভারতকে পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনা নিরসনের আহ্বান জানান ড. ইউনূস।
এদিকে হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে ভারত। তাদের দাবি বাংলাদেশে হিন্দুদের ঘরবাড়ি, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে ‘হামলা’ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকাকে অবশ্যই হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে বলে জোর দিয়েছে দিল্লি। তবে ভারত সরকারের এসব ঢালাও বক্তব্য নাকচ করে দেন ড. ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, ‘সংখ্যালঘু ইস্যুতে যা বলা হচ্ছে তার বেশির ভাগই প্রোপাগান্ডা। ’ এগুলো সঠিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বলা হচ্ছে না বলে পাল্টা অভিযোগ করেন ড. ইউনূস। তিনি ভারতীয় সাংবাদিকদের বাংলাদেশে এসে তদন্তসাপেক্ষে সঠিক তথ্য তুলে ধরার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমরা এসব অপ-তথ্যের বিরুদ্ধে ভারত সরকারকে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য কাজ করছি।
অন্য আঞ্চলিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইউনূস চীনকে 'আমাদের বন্ধু' বলে অভিহিত করেন।
তিনি বলেন, সড়ক ও বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ থেকে শুরু করে সমুদ্রবন্দর পর্যন্ত তারা আমাদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ বেইজিংয়ের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সংস্থা- আসিয়ানে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়ে জোর দেন ড. ইউনূস। বাংলাদেশ আসিয়ানে যোগ দেয়াকে একটি প্রতিশ্রুতিশীল সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করতে চায়। কারণ বাংলাদেশ বিশেষ করে ২০২৬ সালে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে, এরপর বাংলাদেশ আর অগ্রাধিকারভিত্তিক শুল্ক সুবিধা পাবে না।
মালয়েশিয়া আগামী জানুয়ারি থেকে আসিয়ানের সভাপতি হতে যাচ্ছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস বলেন, তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বাংলাদেশের সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বাংলাদেশকে আসিয়ানে স্বাগত জানাতে তার সদিচ্ছার কথা ব্যক্ত করেছেন। তবে এক্ষেত্রে বেশ কিছু ধাপ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের আসিয়ানে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম ধাপটি হবে আসিয়ানের সংজ্ঞা সংশোধনে একটি সর্বসম্মত রেজোল্যুশন নিশ্চিত করা। এর আগে আমরা আসিয়ানের একটি সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হিসেবে স্বীকৃতি অর্জনের আশা করছি। আসিয়ানের সদস্য দেশগুলো বাংলাদেশের এই প্রচেষ্টাকে সমর্থন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ড. ইউনূস।
মিয়ানমারের সামরিক জান্তার দমন-পীড়ন থেকে বাঁচতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া বিপুল সংখ্যক রাষ্ট্রবিহীন ও নাগরিকত্বের প্রাধিকার-বঞ্চিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী প্রসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, 'এই দায় (রোহিঙ্গা) বাংলাদেশ কতদিন বহন করবে? রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আমাদের একটি সুস্পষ্ট গন্তব্য ও একটি অভিন্ন লক্ষ্য ঠিক করা দরকার। '
বাংলাদেশ মিয়ানমারে জাতিসংঘ-শাসিত একটি নিরাপদ অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, এতে করে এই বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা তাদের দেশেই আশ্রয়-শিবিরে থাকতে পারবে। সেখানকার পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে তাদের অন্য কোনো দেশে স্থানান্তর করার প্রয়োজন হবে না, তারা তাদের নিজেদের বাড়িঘরে ফিরে যেতে পারবে বলে উল্লেখ করেন মুহাম্মদ ইউনূস।
মন্তব্য করুন


নিকটজন হারানোর
শূন্যতা পেরিয়ে পুরো বাংলাদেশই পরিবার হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার
সকাল ১০টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
পোস্টে তারেক
রহমান লিখেছেন, ‘গভীর শোক ও কৃতজ্ঞতায় ভাস্বর হয়ে আমি আমার প্রিয় মা, জীবনের প্রথম
শিক্ষক, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে আমার বাবা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের
পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করেছি। তার অনুপস্থিতির শূন্যতা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তবু,
এই কঠিন মুহূর্তে দেশের মানুষের অভূতপূর্ব উপস্থিতি আমাকে একাকিত্বে ভুগতে দেয়নি।’
অগণিত নেতাকর্মী,
শুভাকাঙ্ক্ষী, পরিবার ও দেশবাসীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি লেখেন,
‘লাখ লাখ মানুষ একসঙ্গে এসে যেভাবে সম্মান জানিয়েছে, ভালোবাসা দিয়েছে এবং এই কঠিন সময়ে
পাশে দাঁড়িয়েছে, তা আমাকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে- তিনি শুধু আমার মা ছিলেন না অনেক
দিক থেকে তিনি ছিলেন সমগ্র জাতির মা।’
কূটনীতিকদের
উদ্দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লেখেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ
প্রতিনিধি, বৈশ্বিক কূটনীতিক এবং উন্নয়ন সহোযোগীরা সশরীরে উপস্থিত থেকে শ্রদ্ধা জানান।
আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। যেসব দেশ সমবেদনা প্রকাশ করেছে তাদের প্রতিও আমি ধন্যবাদ জানাই।
আপনাদের এই সহমর্মিতা আমাদের হৃদয় গভীরভাবে ছুঁয়ে গেছে।’
শোকের এই মুহূর্তে
বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে স্মরণ করে তারেক রহমান
বলেন, ‘আজ এত মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে মনে হচ্ছে, নিকটজন হারানোর শূন্যতা পেরিয়ে
পুরো বাংলাদেশই আমার পরিবার হয়ে উঠেছে।’
সারাজীবন মানুষের
সেবা করে আসা খালেদা জিয়ার সেই দায়িত্ব ও উত্তরাধিকার গভীরভাবে অনুভব করছেন জানিয়ে
তিনি বলেন, ‘একাগ্রতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি: যেখানে আমার মায়ের
পথচলা থেমেছে, সেখানে আমি চেষ্টা করব সেই পথযাত্রাকে এগিয়ে নিতে। সেই মানুষদের জন্য,
যাদের ভালোবাসা ও বিশ্বাস তাকে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শক্তি দিয়েছে, প্রেরণা যুগিয়েছে।’
মন্তব্য করুন


ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমাদের লড়াই এখনো চলমান রয়েছে। আমরা
অবশ্যই আমাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করব এবং মাতৃভূমিকে নতুন করে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু
করে দাঁড় করাব।
শুক্রবার (১ নভেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় যুব
পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
জাতীয় যুব দিবস- ২০২৪ উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে যুব ও ক্রীড়া
মন্ত্রণালয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।
উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের তরুণ, যুবক ও ছাত্ররা
জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে পৃথিবীকে একটি নতুন পথ দেখিয়েছেন। পুরো পৃথিবী এখন দেখতে
চায়, এই তারুণ্য, এই যুবশক্তি বাংলাদেশকে এরপর কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। আমরা আশাবাদী। আমরা
বলি, তারুণ্য হবে দেশের চালিকাশক্তি। আমরা বলেছিলাম বৈষম্যহীন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন
আমরা দেখছি। সেই স্বপ্ন আজ বাংলাদেশের সবাই দেখছে। এবং তরুণদের এ স্বপ্ন বাংলাদেশে
পূরণ হবে, সেটিই সবার প্রত্যাশা। যুব অধিদপ্তর এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অনেক
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। আমরা আশা করব, নতুন বাংলাদেশে সেই ভূমিকা তারা পালন করবে।তরুণরা
বাংলাদেশকে নতুন করে পথ দেখিয়েছেন। ফলে বাংলাদেশের সব ক্ষেত্রে তরুণরা নেতৃত্বে আসবেন,
সেটিই সবার প্রত্যাশা। রাজনীতি, সমাজ, অর্থনীতি সব কিছুতেই তরুণরা নেতৃত্বে আসার জন্য
প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যে প্রজন্ম রক্ত দিয়েছে, স্বপ্ন দেখিয়েছে, সেই প্রজন্ম স্বপ্নও
পূরণ করতে পারে, তা প্রমাণ করতে হবে। আমাদের এ সামষ্টিক অগ্রযাত্রায় সবার সহযোগিতা
পাব, সবাই তরুণদের জায়গাটি করে দেবেন, আমাদের এমন প্রত্যাশা থাকবে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদীর সভাপতিত্বে
ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান স্বাগত বক্তব্য
দেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম
ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে সফল যুব উদ্যোক্তাদের
হাতে পদক তুলে দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, শিশুরাই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার। বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে শিশুদের সুন্দর বিকাশের জন্য গুরুত্ব প্রদান করা আমাদের সবার দায়িত্ব।
সোমবার (৭ অক্টোবর) ‘বিশ্ব শিশু দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে উপযুক্ত পরিবেশ, শিক্ষা, নিরাপত্তা, পুষ্টি ও সুস্থ বিনোদনের বিকল্প নেই। শিশুরা স্নেহ, মমতা ও মুক্তচিন্তার চেতনায় সমৃদ্ধ হয়ে বেড়ে উঠলে আগামী দিনের বাংলাদেশ গঠনে তারা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আজকের শিশুরাই আগামীর শিল্পী, সাহিত্যিক, দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, বিজ্ঞানী, চিকিৎসক ও প্রকৌশলীসহ নানা পেশায় দক্ষ হয়ে উঠবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার শিশুর প্রতি বঞ্চনা, শিশুশ্রম, অপুষ্টি ও বাল্যবিয়েসহ অন্যান্য সমস্যা যা শিশুর সঠিক বিকাশের অন্তরায়, সেসব চিহ্নিত করে সমাধান করতে বদ্ধপরিকর।
‘বিশ্ব শিশু দিবস ২০২৪' উদযাপনে নেওয়া কর্মসূচি শিশুর সার্বিক বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শিশু নিরাপদ ও নিবিড় স্নেহ যত্নে বেড়ে উঠুক- আজকের দিনে এটাই আমার প্রত্যাশা।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশে “বিশ্ব শিশু দিবস ২০২৪” উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শিশুকে স্নেহ ও ভালোবাসা জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের ঊষালগ্নে বিশ্ব শিশু দিবস পালনের গুরুত্ব নতুন মাত্রায় উপনীত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পরিকল্পনা
প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, মানুষকে স্বস্তি দেওয়াই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
নেতৃত্বে সরকার নানামুখী কাজ করছে।
তিনি
বলেন, দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থার বিপর্যয় রোধ, অর্থনীতির উন্নয়ন এবং জনগণের মৌলিক অধিকার
নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি
কার্ড চালু এবং কৃষিঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন অঙ্গীকার বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার
(৭ মার্চ ) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ শহরের একটি কনভেনশন হলে গণসংহতি আন্দোলনের জেলা ও মহানগর
শাখার আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি
বলেন, ‘বাংলাদেশের ব্যাংকসহ পুরো আর্থিক ব্যবস্থার উপরে কিভাবে মানুষের আস্থা তৈরি
হবে এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থানের চাহিদা পূরণের মাধ্যমে মানুষের জীবনে সত্যিকার
উন্নতি তৈরি হবে সেই লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বর্তমান সরকার, ফ্যামিলি কার্ড,
কৃষি কার্ডসহ সামাজিক সুরক্ষার প্রশ্নে যেসব প্রতিশ্রুতি করেছিলো, সবার আগে সেগুলো
বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’
বর্তমান
বৈরি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেল আমদানি-রপ্তানিসহ বিভিন্ন খাতে নতুন চ্যালেঞ্জ
ও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এসব সংকট মোকাবিলায়
সবার ধৈর্য ও ঐক্য প্রয়োজন। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দেশকে এগিয়ে নিতে সরকার ও বিরোধী
দলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।’
তিনি
আরও বলেন, দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের পর বাংলাদেশ এখন নতুন একটা যাত্রা শুরুর সন্ধিক্ষণে।
বিগত জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক যাত্রার উল্লেখযোগ্য একটা মাইলস্টোন আমরা
পার করেছি। দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে এই দেশের মানুষ লড়াই করেছেন এবং
আমরা রাজনৈতিক লড়াইয়ে বিশেষকরে বিএনপির নেতৃত্বে গণসংহতি আন্দোলনসহ ৩৯ টি রাজনৈতিক
দল আন্দোলনে থেকেছি।
পরিকল্পনা
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঐতিহাসিক এক গণঅভ্যুত্থানে দেশের হাজারো তরুণ, নারী, শিশু, বৃদ্ধ,
বাঙালি, চাকমা, হিন্দু ও মুসলমানসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ জীবন দিয়ে বাংলাদেশকে
নতুনভাবে গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন।
তিনি
বলেন, সেই ধারাবাহিকতায় জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের
নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করেছে এবং তার নেতৃত্বেই দেশ গড়ে তোলার কাজ চলছে।
অনুষ্ঠানে
আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ-৪
আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক
অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন