

জনগণকে মুখ্য রেখে কর্মকর্তাদের
সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করার আহ্বান জানিয়েছেন এলজিআরডি উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া।
আজ সোমবার (১১ নভেম্বর) স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার গ্রহন শেষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের
সাথে মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের
(সচিবের রুটিন দায়িত্বে) অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো: নজরুল ইসলাম।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়াকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে সদ্য বিদায়ী উপদেষ্টা এ হাসান আরিফ বলেন, এটা কোন রুটিন সরকার নয়, বিপ্লবী সরকার। আমাদের
মূল দাবি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়া। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সবাই অংশগ্রহণ করেছিল, তেমনি
২০২৪ সালের আন্দোলন শুধু ঢাকা কেন্দ্রিক ছিল না। এর ধাক্কা লেগেছে সমস্ত দেশে। এ সময়
মন্ত্রণালয়ের সবার ভুয়সি প্রশংসা করেন হাসান।
সবাই কাজের ব্যাপারে বেশ দক্ষ ও আন্তরিক বলে
উল্লেখ করেন তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া বলেন, কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং দক্ষতার সাথে কাজ করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
সিনিয়রদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জনকল্যাণমূলক
কাজ করতে হবে যা ভবিষ্যতে উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে। এই মন্ত্রণালয়ের কাজে জনসম্পৃক্ততা
বেশি,জনকল্যাণে সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস জনগণ। জনকল্যাণে কাজের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যেতে
চাই।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে নতুন উপদেষ্টার শপথ গ্রহণ ও উপদেষ্টাদের মাঝে দপ্তর পুর্নবণ্টন করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং
স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। এর আগে তিনি যুব
ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় দায়িত্বে ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পরিমাণ তিনগুণ পর্যন্ত বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান।
আজ শনিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা সেনানিবাসের মেসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সামরিক সদস্যদের মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামান বলেন, পুরো জাতি এখন নির্বাচনমুখী। গত ১৩-১৪ মাস ধরে সেনাবাহিনী মাঠে কাজ করছে। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে সেনা সদস্যরা বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পরিমাণ তিনগুণ পর্যন্ত বাড়ানো হবে,এমন প্রস্তুতি আমরা নিচ্ছি। ট্রেনিং, পোস্টিং, প্রমোশনসহ সব ধরনের প্রস্তুতি চলছে। এমন সময় এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ঘটনাটি সেনা সদস্যদের মনোবলে কিছুটা প্রভাব ফেলেছে। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে আমরা সবসময় ন্যায়ের পক্ষে থাকব।
মন্তব্য করুন


আজ ৮ ডিসেম্বর (সোমবার) সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে তাঁর বসুন্ধরার কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রুনাইর মান্যবর হাইকমিশনার হাজি হারিস বিন ওসমান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি মি. রোজাইমি আব্দুল্লাহ।
অত্যন্ত আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকালে ২৪-এর গণবিপ্লব-সহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জামায়াতে ইসলামীর গঠনমূলক ভূমিকা তুলে ধরা হয়।
ভ্রাতৃপ্রতিম দুই দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
বৈঠকে আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির
দাফন সম্পন্ন হয়েছে। হাদির জানাজার নামাজ পড়িয়েছেন তার বড় ভাই
আবু বকর সিদ্দিক।
আজ শনিবার
সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল
ইসলামের কবরের পাশে তাকে সমাহিত
করা হয়।
এর আগে দুপুর আড়াইটার
দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ
প্লাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে
শহীদ ওসমান হাদির নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার বড়
ভাই আবু বকর সিদ্দিকের
ইমামতিতে এ জানাজা আদায়
করা হয়। জানাজা শেষে
তাকে দাফনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
কেন্দ্রীয় কবরস্থানের দিকে নিয়ে যাওয়া
হয়।
শহীদ
ওসমান হাদির নামাজে জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস,
উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, তিন বাহিনীর প্রধানসহ
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ
নেন।
জানাজার
আগে প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেন,
ওসমান হাদি নির্বাচনে অংশ
নিতে চেয়েছিলেন এবং নির্বাচন কীভাবে
করা উচিত, তার একটি প্রক্রিয়াও
তিনি দেখিয়ে গেছেন।
তিনি
বলেন, হাদি যে নির্বাচনী
প্রক্রিয়ার শিক্ষা দিয়ে গেছেন, সেটি
আমাদের সবাইকে গ্রহণ করতে হবে। কীভাবে
প্রচারণা চালাতে হয়, কীভাবে মানুষের
কাছে যেতে হয়- সবকিছুরই
শিক্ষা তিনি দিয়ে গেছেন।
আমরা সেই শিক্ষা গ্রহণ
করেছি।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, হাদি কোথাও হারিয়ে
যাবে না। কোনোদিন তোমাকে
কেউ ভুলতে পারবে না। তোমাকে আমাদের
সবার পক্ষ থেকে আল্লাহর
কাছে আমানত রাখলাম। আমরা সবসময় তোমার
কথা রেখে জাতির অগ্রগতির
পথে চলতে থাকব।
ড. ইউনূস বলেন, আজ লাখ লাখ
মানুষ হাজির হয়েছেন। রাজপথে ঢেউয়ের মতো লোক আসছে।
এই মুহূর্তে কোটি কেটি মানুষের
চোখ এখানে। তারা তাকিয়ে রয়েছে
হাদির বিষয়ে জানার জন্য। প্রিয় ওসমান হাদি তোমাকে আমরা
বিদায় দিতে আসিনি। তুমি
আমাদের বুকের ভেতরে আছ। বাংলাদেশ যতদিন
আছে, ততদিন তুমি সব বাংলাদেশির
বুকে থাকবে। এটা কেউ সরাতে
পারবে না।
হাদির
কাছে ওয়াদা করে এসেছেন জানিয়ে
ড. ইউনূস বলেন, তুমি যা বলে
গেছ, সেটা যেন আমরা
পূরণ করতে পারি। সে
ওয়াদা করার জন্য আমরা
একত্রিত হয়েছি। সেই ওয়াদা শুধু
আমরা নয়, পুরুষানুক্রমে দেশের
সব মানুষ পূরণ করবে। তোমার
যে মানব প্রেম তোমার
যে ভঙ্গি, তোমার যে ওঠাবসা এবং
রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, তা নিয়ে সবাই
প্রশংসা করছে। সেটা যেন আমাদের
মনে সবসময় জাগ্রত থাকে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আগামী শুক্রবার কক্সবাজারে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার করবেন।
আজ বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানিয়ে বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সৌজন্যে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে এই ইফতার পার্টির আয়োজন করা হবে।
চার দিনের সফরে আগামীকাল বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশ আসবেন।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
চকরিয়ায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযানে নিহত শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩)
এর পিতা-মাতা আজ বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪) সেনাসদরে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল
ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি এর সাথে সাক্ষাৎ করেন।
এ
সময় শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন এর পিতা-মাতা সন্তান হারানোর বেদনায় আবেগ
আপ্লুত হয়ে পড়েন এবং হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির
দাবি জানান।
সেনাবাহিনী
প্রধান শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের
আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিতে সর্বপ্রকার সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গিকার করেন।
উল্লেখ্য,
এই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত ৭ জনকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করে চকরিয়া থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর
করে এবং সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে চকরিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা বহুল আলোচিত দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং ভাগনি যুক্তরাজ্যের এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ মোট ১৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে ৫ বছর, শেখ রেহানাকে ৭ বছর এবং টিউলিপ সিদ্দিককে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় শোনার আগেই আদালত এলাকা ঘিরে বাড়ানো হয় নিরাপত্তা। আদালতের গেট, বারান্দা ও প্রবেশপথজুড়ে পুলিশ, ডিবি ও বিজিবির অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়। সন্দেহজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেও দেখা যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।
দুদকের পক্ষ থেকে মামলার সমন্বয়কারী পাবলিক প্রসিকিউটর মঈনুল হাসান রায়ের আগে সাংবাদিকদের বলেন, “সাক্ষ্য-প্রমাণে আমরা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের, তবে রাষ্ট্রপক্ষ সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা করেছে।”
মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের একটি ১০ কাঠার প্লট অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি মামলাটি দায়ের করেন দুদকের উপপরিচালক সালাহউদ্দিন। তখন শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও টিউলিপ সিদ্দিকসহ মোট ১৫ জনকে আসামি করা হলেও পরে তদন্তের মাধ্যমে আরও দু’জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে আসামির সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭ জনে।
অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ আনিছুর রহমান মিঞা, রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, সাবেক পরিচালক নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপপরিচালক নায়েব আলী শরীফ এবং তদন্তের পর যুক্ত হওয়া দু’জন—সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
গত ৩১ জুলাই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে মোট ৩২ জন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অবশেষে আজ এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।
মন্তব্য করুন


দেশের ৩টি বিভাগে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিপাতের আভাসও রয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ জুন) আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ বলেন, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ হয়ে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
বুধবার সকাল পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
খুলনা বিভাগসহ গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা ও পটুয়াখালী জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রংপুর, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পুনরুত্থান কর্মসূচির উদ্বোধন করে বলেছেন, যে লক্ষ্য নিয়ে তরুণ ছাত্র, জনতা, রিকশাচালক, শ্রমিকরা শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন-সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে এই অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে জুলাই-আগস্ট মাসজুড়ে আমরা গত বছরের প্রতিটি দিনকে আবারও পুনরুজ্জীবিত করব। এই অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে আবার নতুন করে শপথ নেব এবং এটা আমরা প্রতি বছর করব, যাতে স্বৈরাচার আর যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে।
আজ মঙ্গলবার (১ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আজ ইতিহাসের এক গৌরবময় ক্ষণ। এক বছর আগে, এই জুলাই মাসে শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন শুরু করেছিল তা এক অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থান রচনা করে আমাদের মুক্তির স্বাদ দিয়েছিল। জুলাই ছিল দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে এক অমোঘ ডাক, জনতার এক জাগরণ। সেই আন্দোলনের মর্মবাণী ছিল- “ফ্যাসিবাদের বিলোপ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ, রাষ্ট্রকে জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া।”
জুলাই গণঅভ্যুত্থাণের স্বপ্ন ছিল নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ এই মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, আমরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে স্মরণ করার যে অনুষ্ঠানমালা নিয়েছি, এটা শুধু ভাবাবেগের বিষয় নয়, ক্ষোভ প্রকাশের বিষয় নয়। আমরা ১৬ বছর পরে বিরাট বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলাম অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এবং যে কারণে অভ্যুত্থান হয়েছিল, তাৎক্ষণিক তাঁর যে লক্ষ্য ছিল সেটা আমরা পূরণ করতে পেরেছি। কিন্তু তাঁর পেছনে ছিল একটা বিরাট স্বপ্ন- নতুনভাবে রাষ্ট্রব্যবস্থা বিনির্মাণ, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ।
স্বৈরাচার যেন আর কখনও ফিরে আসতে না পারে সে বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমরা প্রতি বছর এই সময়টা উদযাপন করব যাতে পরবর্তীতে আবার এই অভ্যুত্থান করার জন্য ১৬ বছর আমাদের অপেক্ষা করতে না হয়। আমরা প্রতি বছর এটা করব, যাতে স্বৈরাচারের কোনো চিহ্ন দেখা গেলেই তাৎক্ষণিক ভাবে আমরা তার বিনাশ করতে পারি।
সেটার জন্য জুলাই গণঅভ্যুত্থান পুনরুত্থান কর্মসূচি পালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বৈরাচারের প্রথম পাতা মেলার আগেই যেন আমরা তাকে ধরে ফেলতে পারি। ১৬ বছর যেন আমাদের অপেক্ষা করতে না হয়।
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর ভাষণে জুলাই গণঅভ্যুত্থাণে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে গভীর গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, সেই সব তরুণ-তরুণী, নারী-পুরুষ, শিশু-বৃদ্ধ, কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, রিকশাচালকদের—যারা রাস্তায় নেমে গণতন্ত্রের পতাকা উঁচিয়ে ধরেছিলেন; সাহস, ত্যাগ আর দৃঢ়তার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন’।
জুলাইকে ঐক্যের মাসে পরিনত করার আহ্বান জানিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশে সরকার প্রধান বলেন, আমরা আজ মাসব্যাপী যে কর্মসূচির সূচনা করছি, তা শুধুই স্মরণ নয় বরং একটি নতুন শপথ। গত বছরের জুলাইয়ে এ দেশের সকল শ্রেণি-পেশা-বয়সের মানুষের মধ্যে যে ঐক্য তৈরি হয়েছিল, আমরা চাই, এই জুলাইয়ে সেই ঐক্য আবার সুসংহত হোক।
তিনি বলেন, ‘আমাদের এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য— জনগণকে গণতান্ত্রিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা, রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার দাবি জানানো এবং রক্তের বিনিময়ে পাওয়া সংস্কারের এই সুযোগকে হারিয়ে না ফেলা। আমাদের সামনের পথ অনেক কঠিন, কিন্তু মস্ত বড় সম্ভাবনাও আছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, জনগণ যখন জেগে ওঠে, তখন কোনো শক্তিই তাদের রুখে দিতে পারে না। সেই বিশ্বাস নিয়েই আমি আপনাদের আহ্বান জানাই—আসুন, এই জুলাই মাসকে পরিণত করি গণজাগরণের মাসে; ঐক্যের মাসে’।
জুলাই-আগস্টের পুনরুত্থান কর্মসূচির সাফল্য কামনা করে প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমাদের স্বপ্ন আবার নতুন করে জেগে উঠুক। আমাদের ঐক্য সর্বমুখী হোক, অটুট হোক আমাদের এই অনুষ্ঠানমালার লক্ষ্য।
উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী এবং শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


প্রতি বছরের ন্যায় এবারো মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষার টান দুই বাংলার ভাষাপ্রেমীদের মিলনমেলা বসে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট নো-ম্যান্সল্যান্ড এলাকায়।
বুধবার সকালে এ মেলার আয়োজন করা হয়। এসময় দু'দেশের শতশত ভাষাপ্রেমী মানুষ বিজিবি ও বিএসএফের বাধার মুখে প্রবেশ করতে পারেনি।
বেনাপোল চেকপাস্ট নো-ম্যান্সল্যান্ডে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ বেদীতে সকাল সাড়ে ১১টায় ভারত ও বাংলাদশ ভাষাপ্রমী শতশত মানুষ ফুল দিয়ে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
দু'দেশের পক্ষ নেতৃত্ব দেন পশ্চিমবঙ্গ বনগাঁও অঞ্চলের এমএলএ শ্রী নারায়ন গোস্বামী ও যশোর-১ আসনর সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন।
ভারতের পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান, পশ্চিমবঙ্গ বনগাঁও অঞ্চলর এমএলএ শ্রী নারায়ন গোস্বামী, শ্রী বীনা মন্ডল সভপতি উত্তর ২৪ পরগঁনা জেলা পরিষদ, সাবেক এমপি মমতা ঠাকুর, শ্রীমতি ইলাবাচী সভাপতি গাইঘাটা পঞ্চায়ত সমিতি, শ্রী সুরজীত বিশ্বাস সাবেক বিধায়ক, শ্রী বিশ্বজিত দাস সাবেক সাংসদ, হাবড়া পৌর মেয়র শ্রী নারায়ন সাহা।
বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জানান, যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযাদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয়ন কুমার রাজবংশী, শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি ফারজানা ইসলাম, বেনাপোল পৌর মেয়র আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন, অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল, বেনাপাল পোর্ট থানার ওসি শ্রী সুমন ভক্ত, ইমিগ্রেশন ওসি কামরুজ্জামান বিশ্বাস, শার্শা থানার ওসি মনিরুজ্জামান, শার্শা উপজেলা বীর মুক্তিযাদ্ধা কামান্ডার মাজাফ্ফর হোসেন, বিজিবির আইসিপি ক্যাম্পর কামান্ডার মিজানুর রহমান, যুবলীগের সভাপতি অহেদুজ্জামান অহিদ এবং সাধারণ সম্পাদক সাহরাব হোসেন।
এছাড়াও সর্বস্তরের জনগণ এতে অংশ নেন।
এরপর দুই দেশের জনগণের জন্য উভয় দেশ থেকে মিষ্টি পাঠানা হয়।
মন্তব্য করুন


জ্বালানি
সরবরাহ আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জের, এ নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার
(১৩ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত
উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
দেশের
জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, দেশজুড়ে এলপি গ্যাস নিয়ে
কাজ চলছে। জ্বালানি সরবরাহ আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জের, এ নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা
করা হচ্ছে।
ভেনেজুয়েলা
ও ইরানজুড়ে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। এতে আশঙ্কা করা হচ্ছে জ্বালানি তেলের মূল্যের ওপর
প্রভাব পড়তে পারে। সেই বিষয়ে সরকার কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে- এমন প্রশ্ন করা হলে সালেহউদ্দিন
আহমেদ বলেন, জ্বালানিতে ভেনেজুয়েলা ইন্ডিপেন্ডেন্ট অব ভেনেজুয়েলা। ভেনেজুয়েলাতে হঠাৎ
করে একটা প্রভাব পড়েছে, আমেরিকা কীভাবে ডিল করে...।
তিনি
আরও বলেন, জ্বালানির ব্যাপারে দীর্ঘমেয়াদী একটা পরিকল্পনা করা হয়েছে। কয়েকদিন আগে একটা
প্রেজেন্টেশন দেওয়া হয়েছে, আমিও ছিলাম সেখানে। কারণ জ্বালানি তো আমাদের একটা বড় চ্যালেঞ্জ।
জ্বালানি যদি আমরা এনসিওর না করতে পারি, লোকাল প্রোডাকশন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
জ্বালানির
দুইটা দিক আছে- পাওয়ার এবং এনার্জি। ওই দুইটা দিকে একটা কমপ্রিহেনসিভ করা হয়েছে। আমাদের
নিজস্ব অফশোর ড্রিলিং, তারপরে কয়লার ব্যবহারটা কীভাবে করব। মধ্যপাড়া কয়লাটা আছে সেটা
হার্ড রক। এগুলো একটা কমপ্রিহেনসিভ ব্যবস্থা করা হয়েছে।
গতকাল
টিআইবি একটা রিপোর্ট দিয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে সরকারের উপদেষ্টাদের থেকে ব্যুরোক্রেসি
বেশি শক্তিশালী এবং তারা সব সিদ্ধান্ত নেয়। আপনি কী বলবেন- সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন
প্রশ্ন করা হলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আপনারা দেখছেন না যে কোনো কিছু হয়েছে। দেখতে চাচ্ছেন
না বা যারা দেখেন তারা আবার সাহস করে বলতে পারছে না। আমাদের দেশে কিন্তু এ রকম একটা
জিনিস সব সময় চলে আসে। এক এক সময় বেশি বলেন, এক সময় কম বলেন।
তিনি
আরও বলেন, একেবারে যেসব হয়ে গেছে, আমি বলে ফেললাম ১০০ এর মধ্যে ১০০ পেয়ে গেছি, সেটা
তো না। ডেফিনেটলি কিছু কিছু আমাদের এক্সপেক্টেশন ছিল করতে পারব, লিমিটেশন ছিল করতে
পারিনি। তার মধ্যে অনেক রকম কোঅপারেশন আছে, কোঅর্ডিনেশন আছে, সরকারি কর্মচারী আছে,
দক্ষ লোকের দরকার আছে, নিষ্ঠা এগুলো আছে তো। এগুলো ছাড়া আমরা পরিকল্পনা করলাম বা আমরা
ইচ্ছা করলাম করে ফেলব, এটা সম্ভব না।
বৈঠকে
সয়াবিন তেল, সার, বরিশালের প্রত্যন্ত অঞ্চলে একটি সেতু নির্মাণের পাশাপাশি বিদেশে পাঠানোর
জন্য ৬০ হাজার চালক নির্মাণের প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন