

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা অঞ্চলের মানুষ আর চট্টগ্রাম-গাজীপুর গিয়ে কাগজপত্র আনতে হবে না। পরিক্ষা খাতা জমা দিতে হবে না। এডমিশন টেস্টের খাতা দেওয়ার জন্য আর দৌড়াতে হবে না। আপনারা কুমিল্লায় বসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ করতে পারবেন। এই আঞ্চলিক অফিস কুমিল্লাতে আমাদের আরো আগেই করা দরকার ছিল।
শুক্রবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কুমিল্লা আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধনী সভায় এসব কথা বলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইসা-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অডিটোরিয়াম এ উদ্বোধনী সভা হয়।
উদ্বোধনী সভার পর কুমিল্লা হাউজিং এস্টেট এলাকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কুমিল্লা আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধ করা হয়। এসময় কুমিল্লা অঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লা অঞ্চলের মানুষকে নিয়ে গবেষণা হতে পারে মন্তব্য করে ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, হাজার বছরের সংস্কৃতি কুমিল্লা, বাংলাদেশের অস্তিত্বের সাথে জড়িত। কুমিল্লার সাংস্কৃতিক ইতিহাস, খাবার, মিষ্টান্ন ও কুমিল্লার মানুষদের নিয়ে শত মত পৃষ্ঠা লিখা যাবে। আমি কুমিল্লা নিয়ে গর্ববোধ করি। কুমিল্লার ছেলে মেয়েরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রয়েছে। তারা চমৎকার পারফর্ম করছে। শুধু বললে হবে না। আমি নিজের চোখে দেখেছি, তারা কতটা পরিশ্রমী। যারা পরিশ্রম করে তারা তো সফল হবেই।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল বাসার ভূঁঞা সভাপতিত্বে উদ্বোধনী সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আযম, কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজিব আল মিঠু।
ড. এ এস এম আমানুল্লাহ আরো বলেন, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ল্যাংগুয়েজ ক্লাব স্থাপন হবে। যেখানে জাপানি, কুরিয়ান, ইংরেজি আরবি ভাষা শিক্ষা দেওয়া হবে। যার ফলে এই কলেজে শিক্ষার্থীদোর ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। ভিক্টোরিয়া কলেজের জিয়া অডিটোরিয়াম সংস্কার করা দরকার। এ বিষয় নিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বসবে।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর অভিযানে ১৪.৫ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
আজ মঙ্গলবার সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন গাজীপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে রিমন (৩১) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৪.৫ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী রিমন (৩১) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার দৌলতপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা ভগবতী এন্ড পেড়া ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট কিরণময় দত্ত ঝুনু পরলোকগমন করায় আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নিয়ম অনুসারে শেষকৃত্য পালনের জন্য কিরণময় দত্ত ঝুনু'র সহধর্মিণী অনিতা দত্তের হাতে ১,৫০,০০০/- (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা বুঝিয়ে দিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খন্দকার মিজানুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক গাজী মোঃ নজরুল ইসলাম মানিক ও এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার সহ আরো অনেকে।
উল্লেখ্য যে, এডভোকেট কিরণময় দত্ত ঝুনু গতকাল শুক্রবার রাত পৌনে ৮টার সময় ইহলোকের মায়ামমতা ত্যাগ করে পরলোকগমন করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর এলাকায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করে মাদক ও নগদ অর্থসহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়িকে আটক করা হয়।
বুধবার (২ অক্টোবর) যৌথবাহিনী এই অভিযান পরিচালনা করেন।
উক্ত
অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ ইব্রাহিম হোসেন (২৭), মোঃ মিতন মিয়া (২৫), মোঃ মাহফুজ মিয়া
(৩৫), মোছাঃ সুলতানা বেগম (৪৭) ও মোছাঃ ফাতেমা বেগম (৪৫) নামক ৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে
আটক করা হয় ।
আটককৃতদের কাছ থেকে ৪৭ বোতল হুইস্কি, ১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২ কেজি গাঁজা, ৬২০টি ফয়েল
পেপার, ৫টি এন্ড্রয়েড মোবাইল ও নগদ ৩২ হাজার ১৪০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তি এবং উদ্ধারকৃত মাদক বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
অবৈধ
অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদেরকে আটক না করা পর্যন্ত যৌথ বাহিনীর এ অভিযান অব্যাহত থাকবে
বলে সেনাবাহিনী সূত্র জানায়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা বিভাগের দাবিতে কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা (সিজেএফডি) আয়োজিত সমাবেশ ও মানববন্ধনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘কুমিল্লা সবসময়ই উন্নয়নবঞ্চনার শিকার। যে ন্যায্য দাবি নিয়ে আপনারা রাস্তায় নেমেছেন, তার প্রতি আমি ঐক্যের ডাক দিচ্ছি-এটা কুমিল্লার ইজ্জতের প্রশ্ন।
আজ সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ সমাবেশে তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা আজও অনেক মৌলিক অবকাঠামো থেকে বঞ্চিত। ঢাকা-কুমিল্লা মহাসড়ক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হলেও এ রাস্তায় যথাযথ উন্নয়ন হয়নি। ১৯৮৮ সালের বন্যার পর এ মহাসড়ক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়া হলেও তা বছরের পর বছর পিছিয়ে গেছে। ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, সার্ভিস লেন-কিছুই হয়নি।’
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, কুমিল্লার দুই পৌরসভা একীভূত হওয়া সত্ত্বেও কোনো নতুন অবকাঠামো, জনবল বা প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে ওঠেনি, যা কুমিল্লার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও দুর্বল করেছে।
তিনি কুমিল্লা অঞ্চলের কয়েকটি বড় বঞ্চনার কথা উল্লেখ করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য-কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা বহু বছর বিলম্বিত হওয়া, কুমিল্লা বিমানবন্দর চালু না হওয়া, ওই অঞ্চলে শিল্প-বাণিজ্য ও শিক্ষা খাতে বৈষম্যমূলক বরাদ্দ। তিনি বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকে পাকিস্তান-কেউই কুমিল্লাকে প্রাপ্য মর্যাদা দেয়নি। স্বাধীন বাংলাদেশেও এই চিত্র বদলায়নি।
নোয়াখালীকে বাদ দিয়ে ‘কুমিল্লা বিভাগ’ গঠনের প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘কেউ রাজি না হলে আলাদা পথ খুঁজতে হবে। নোয়াখালীর নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপ করব। প্রয়োজন হলে আপনাদের নিয়েই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো।’
আন্দোলনে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার ঘোষণা দিয়ে মনিরুল হক বলেন, ‘রাজপথে আপনাদের সঙ্গে থাকব। আন্দোলনকে সংগঠিত করতে আপনারা আমাকে সময় দিন। কুমিল্লার ন্যায্য অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে।’
কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এম. মোশাররফ হোসাইনের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ইকবাল হোসেন মজুমদার, বৃহত্তর কুমিল্লা বনশ্রী-আফতাবনগর সমিতির সভাপতি এনামুল হক বাবলু, নাঙ্গলকোট উন্নয়ন ঐক্য ফোরামের সভাপতি মাইনুল হক বাবলু, ইঞ্জিনিয়ার মনিরুল ইসলাম ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রানা চৌধুরী।
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য দেন, সিজেএফডি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহমুদুর রহমান খোকন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ডিইউজে’র যুগ্ম-সম্পাদক দিদারুল আলম, সহ-সভাপতি এম এস দোহা, ডিইউজে’র অর্থ সম্পাদক খন্দকার আলমগীর হোসেন, ডিআরইউ’র সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক মঈনুল আহসান, সিজেএফডি’র যুগ্ম-সম্পাদক সালাহ উদ্দিন জসিম, অর্থ সম্পাদক নিজাম উদ্দীন দরবেশ, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল ইসলাম, সাবেক অর্থ সম্পাদক সায়ীদ আবদুল মালিক, জনকল্যাণ সম্পাদক জহির আলম সিকদার, প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক এ এফ এম রাসেল পাটোয়ারী, তথ্য-প্রযুক্তি সম্পাদক আহমেদ আজম ও নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ মাসুদ এবং হালিম মোহাম্মদ, নার্গিস জুঁই, ড. শাহজাহান মজুমদার, মাহবুব মোর্শেদ, রানা চৌধুরী, শাহজালাল উজ্জল, গোলাম মোস্তফা রবি, ইমাম হোসেন ইমন, নুরুল ইসলাম খান মামুন, মঈন উদ্দিন শাহীন, আকাশ খান এবং মেরি আক্তার।
এছাড়াও সমাবেশে কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র সদস্য, পেশাজীবী, শিক্ষার্থী এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


মাহাবুব আলম বাবু:
৩১ জানুয়ারি শুক্রবার কুমিল্লা ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদ(২০২৫-২৬) এর নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে দারুণ উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে। উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে কুমিল্লা ক্লাব। শেষ মূহুর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা। অপরদিকে ভোটারগন ক্লাবের অগ্রগতির স্বার্থে দক্ষ ও অসীর আগ্রহে ভোট প্রদানের জন্য অভিজ্ঞ প্রার্থীদের বেছে নিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। ইতিমধ্যে কুমিল্লার স্থানীয় ভোটাগণে পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রামে বসবাসরত ভোটারগণ কুমিল্লায় আসতে শুরু করেছেন। কুমিল্লা ক্লাবের আঙ্গিনা এখন আগত ভোটারদের উপস্থিতিতে মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে।
শুক্রবার নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হবে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে আছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম। ক্লাবের এডহক কমিটির ২০১ সদস্য ফরহাদ আখতার, মো শাহরিয়ার এবং দেলোয়ার হোসেন মানিক সার্বিক দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯১৭ সালে তৎকালীন ত্রিপুরার মহারাজা বীর বাহাদুর মানিক্য এ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা।
নির্বাচন শুরুর আগে সকাল ১০টা থেকে ১ম অধিবেশনে কুমিল্লা ক্লাবের ১০৮ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভাপতিত্ব করবেন কুমিল্লা ক্লাবের সভাপতি জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়ছার।
এবারের নির্বাচনে ভোট ভোটার হচ্ছেন ৫৬১ জন। বিভিন্ন পরে প্রার্থী রয়েছেন ৩১ জন। উল্লেখ্য কুমিল্লা ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য মোট ১৯ তন্মধ্যে ২ জন নির্বাচন ছাড়াই প্রতিনিধি হিসেবে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হন। একজন হচ্ছেন ক্লাব সভাপতি পদে জেলা প্রশাসক এবং অপরজন হচ্ছেন টাউন হলের প্রতিনিধি। বাকি ১৭ সদস্য নির্বাচিত হয়ে কমিটিতে আসেন। ১৭ জনের পদগুলো হচ্ছে- সভাপতি পদে (৩ জন), সাধারণ সম্পাদক পদে (১জন), সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে (১ জন), কোষাধ্যক্ষ পথে (১জন), ক্রীড়া সম্পাদক পদে (১ জন), অতিথিশালা ও আপ্যায়ন সম্পাদক পদে (১জন), কল্যান সম্পাদক পদে (১ জন) এবং নির্বাহী সদস্য পদে (৮ জন)।
নির্বাচনে বিভিন্ন পদের প্রার্থীরা হচ্ছেন- সহ-সভাপতি পদে মোঃ জামাল খন্দকার, কাজী এনামুল হক বাবুল, মহিউদ্দিন আহমেদ, মো. আমিরুজ্জামান ভূঁইয়া, আলহাজ্ব মোঃ জসিম উদ্দিন, ডা. মো. আবদুল লতিফ,অধ্যাপক আলহাজ ফারুক আহমেদ।
সাধারন সম্পাদক পদে রইস আবদুর রব, আহমেদ শোয়ের সোহেল, সহ- সাধারন পদে-মেহেদী হোসেন (শাকিল), মো. মাহাবুব আলম চৌধুরী,
কোষাধ্যক্ষ পদে - মো. হুমায়ুন কবির, এম এ তাহের, মো. আতিকুল ইসলাম। ক্রীড়া সম্পাদক পদে মো. মনিরুল ইসলাম বাচ্চু, মোহাম্মদ জহিরুল হক।
অতিথিশালা ও আপ্যায়ন সম্পাদক পদে মোঃ ওমর ফারুক শাহীন, মোঃ তারিক ওবাইদুল্লাহ। কল্যাণ সম্পাদক পদে মাহাবুব আলম বাবু, মোহাম্মদ নামির উদ্দিন (সুমন)।
নির্বাহী সদস্য পদে- গোলাম ইউসুফ চৌধুরী, মো. ফোরকান উদ্দিন হেলাল, মাসুদ আহমেদ, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মো মাহবুবুর রশিদ (তুহিন), প্রকৌশলী মো. . সাইফুল ইসলাম, মো. জিয়াউল হক (লিটু), মোঃ মামুনুর রশিদ ভূঁইয়া, ডা. মো. সফিকুর রহমান, মোঃ রেজাউনুর রহমান , ডা. মো. রাসেল আহমেদ চৌধুরী।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে চলা মানবিক ও সমাজসেবামূলক সংগঠন “দুর্বার বাংলাদেশ” এবার তাদের বিশেষ কর্মসূচি “প্রজেক্ট স্বাবলম্বী”-এর আওতায় এক অসচ্ছল ব্যক্তিকে রিকশা প্রদান করেছে। সমাজে স্বাবলম্বী মানুষ তৈরির লক্ষ্যে এই প্রকল্পের এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ, যা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
এই আয়োজনটি সম্প্রতি কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুর্বার বাংলাদেশের উপদেষ্টা সাদমান সারার, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রাকিবুল আলম রিফাত, পরিচালক আকিব হাসান, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলম মহিউদ্দিন আজম, সাধারণ সম্পাদক মইন নাসের খান রাফি, এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্য অহনা, মিলি, শতাব্দী, রাত্রি, মেহজাবীন, বিপুল, আবির ও ওমর সহ আরও অনেকে। সংগঠনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো অসহায় মানুষদের স্বনির্ভর করে তোলা।
দুর্বার বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রাকিবুল আলম রিফাত বলেন, “আমরা চাই মানুষ শুধু সাহায্যের উপর নির্ভরশীল না থেকে নিজে উপার্জনের সুযোগ পাক। প্রজেক্ট স্বাবলম্বী শুরু থেকেই সেই চিন্তা থেকে পরিচালিত হচ্ছে। আজ যে মানুষটিকে রিকশা দেওয়া হলো, তিনি এখন নিজে উপার্জন করে পরিবারকে সহায়তা করতে পারবেন এটা আমাদের জন্য গর্বের।”
উপদেষ্টা সাদমান সারার বলেন, “দুর্বার বাংলাদেশ শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, মানুষের জীবনে স্থায়ী পরিবর্তন আনতেই কাজ করে যাচ্ছে। প্রজেক্ট স্বাবলম্বী আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মসূচি। আজকের এই রিকশা প্রদানের মাধ্যমে একজন মানুষ তার জীবনে নতুন আশার আলো খুঁজে পেয়েছেন।”
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে বেশি সংখ্যক মানুষ উপকৃত হতে পারেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে একমত হন যে, সমাজে পরিবর্তন আনতে হলে শুধু দান নয়, আত্মকর্মসংস্থান ও সুযোগ তৈরির মতো কার্যক্রমই বেশি কার্যকর। দুর্বার বাংলাদেশ ঠিক সেই জায়গাটিতেই কাজ করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কেবল ব্যক্তি নয়, একটি পরিবারের ভবিষ্যৎও বদলে দিতে পারে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “প্রজেক্ট স্বাবলম্বী” আগামীতে সেলাই মেশিন, ক্ষুদ্র ব্যবসার পুঁজি এবং অন্যান্য স্বনির্ভর উপকরণ প্রদান কর্মসূচিও চালু করতে যাচ্ছে। এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে অসহায় মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন সম্ভব বলে মনে করছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মইন নাসের খাঁন রাফি বলেন,“আমাদের লক্ষ্য সমাজে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। দুর্বার বাংলাদেশ সে লক্ষ্যেই কাজ করছে। আমরা শুধু সমস্যার কথা বলি না, তার সমাধানেও এগিয়ে যাই।”
সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনে এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অনুকরণীয়। দুর্বার বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে এই উদ্যোগকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা দাউদকান্দিতে গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।
শুক্রবার(৩অক্টোবর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন দাউদকান্দির হাসানপুর আর্মি ক্যাম্পের সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন।
আটককৃত ব্যক্তি মো. সাগর মিয়া (৪০)। তিনি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের স্বল্প পেন্নাই দিঘীরপাড় গ্রামের মৃত মোহন মিয়ার ছেলে।
গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, শুক্রবার রাতে গৌরীপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসয়ী সাগর মিয়াকে গাঁজাসহ আটক করে সেনাবাহিনী। পরে তাকে পুলিশে সোর্পদ করে। তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে ২৫টি রাজনৈতিক দলের মনোনীত ৭৬ জন প্রার্থী ও স্বতন্ত্র চার প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসান কুমিল্লা-১ আসনে প্রতীক বরাদ্দের মধ্যদিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পরে আসনভিত্তিকভাবে প্রার্থীদের মধ্যে পর্যায়ক্রমে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রতীক বরাদ্দ ঘিরে জেলা প্রশাসক কার্যালয় এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রতীক বরাদ্দের সময় অধিকাংশ প্রার্থী নিজে উপস্থিত না থেকে তাদের প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রতীক সংগ্রহ করেন। কুমিল্লা- ৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলাীর প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহামম্মদ, কুমিল্লা-৭ আসনের বিএনপি প্রার্থী রেদোয়ান আহমেদ, কুমিল্লা-৯ আসনের বিএনপি প্রার্থী হআবুল কালাম আরও কিছু প্রার্থী নিজ নিজ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হয়ে প্রতীক গ্রহণ করেন।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে প্রার্থীরা প্রচারণার কৌশল নির্ধারণ ও মাঠে নামার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘিরে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
এদিকে কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে বিএনপির তিনজন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে তারা পছন্দের প্রতীক গ্রহণ করেছেন।এরমধ্যে কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এম এ মতিন খান পেয়েছেন তালা প্রতীক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া। কুমিল্লা ৭ চান্দিনা আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী চান্দিনা উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আতিকুল আলম পেয়েছেন কলস মার্কা। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. রেদওয়ান আহমেদ।
কুমিল্লা ৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম দোলা পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম।
কুমিল্লার ১১টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮০ জন প্রার্থী। এরমধ্যে মধ্যে ৭৬ জন তাদের নিজস্ব দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করছেন। চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের বলেন, কুমিল্লার ১১টি আসনে ২৫টি দলের ৭৬ জন প্রার্থী এবং চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে প্রতীক দেওয়া হয়েছে। একজন প্রার্থী হাইকোর্টের রায় নিয়ে এসেছেন, এটা যাচাই-বাছাই করেছি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় পৃথক দুইটি অভিযানে ৯৫ বোতল ফেন্সিডিল ও ১৬ বোতল বিদেশী মদসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
রোববার (১৪ জুলাই) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন পাঁচথুবী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ অন্তর নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৯৫ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মিশুক (অটো) গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে বিকালে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন শ্রীপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ আরিফ হাসান নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৬ বোতল বিদেশী মদ ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মিশুক (অটো) গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ অন্তর (২২) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ঝাকুনীপাড়া গ্রামের মনির হোসেন এর ছেলে এবং ২। মোঃ আরিফ হাসান (৩১) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল ওয়াদুদ এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মিশুক (অটো) গাড়ি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ও বিদেশী মদ সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও বিনম্র ভালোবাসায় নানান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কুমিল্লায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে কুমিল্লা টাউন হল প্রাঙ্গণে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবসের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসান এবং কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।
পরবর্তীতে জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এর নেতৃত্বে কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি দল শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানায়।
এছাড়াও কুমিল্লা জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
একইভাবে কুমিল্লা প্রেসক্লাব, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড, নগরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বীর শহীদদের স্মরণ করে।
এদিকে সকাল সাড়ে ৮টায় কুমিল্লা স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে নগরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, শিশু চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা এবং আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মন্তব্য করুন