

বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার এমপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী
চৌধুরীর ভাড়া বাসার সামনে ককটেল হামলার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার
(১৩ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে দুর্বৃত্তরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। বিস্ফোরণের বিকট শব্দে
আশপাশের এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের
খবর পাওয়া যায়নি।
ঘটনার
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন
বলেন, ‘নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাহত করার জন্য জামায়াতের প্রার্থীর বাসার সামনে
দুর্বৃত্তদের ককটেল হামলা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। অনতিবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে
আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
তিনি
এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি
আকর্ষণ করেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
খাগড়াছড়ি
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কায় কিসলু জানান, ‘পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদশন
করেছে। স্থানীয়রা বিকট শব্দের আওয়াজ শুনলেও বিস্ফোরকের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে
প্লাস্টিকের টুকরা পাওয়া গেছে। সেটি পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো
হবে।
মন্তব্য করুন


শহীদ
সাদমানদের রক্ত দিয়ে 'নতুন
সংবিধান' লেখা
হয়ে গিয়েছে। জীবিত সাদমানদের রক্তেই সেই নতুন সংবিধান প্রতিষ্ঠিত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয়
যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির।
যুগ্ম
সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির বলেন,
আমরা চাই, বাংলাদেশে
একটি নতুন সংবিধান তৈরি হোক,
যেখানে প্রকৃত অর্থেই জনগণের ক্ষমতায়ন হবে এবং একব্যক্তিকেন্দ্রিক, এক পরিবার কেন্দ্রিক
ক্ষমতার কোনো সুযোগ থাকবে না।
শুক্রবার
(৪ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার দিঘলগাঁও গ্রামে শহীদ হামিদুর রহমান
মজুমদার সাদমানের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা
বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন,
শহীদ সাদমানরা বাংলাদেশকে এক অন্ধকার,
রুদ্ধশ্বাস পরিবেশ থেকে মুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। এই
দেশের মানুষ আজীবন তাদের স্মরণ করবে,
তাদের জন্য দোয়া করবে এবং ইতিহাসের পাতায় তাদের অবদান অধ্যয়ন করবে। আমরা
বিশ্বাস করি, সাদমানদের
রক্তে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই রক্তকে আমরা পবিত্র রক্ত মনে
করি। এ রক্তের মাধ্যমেই বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ,
সাম্রাজ্যবাদ ও সম্প্রসারণবাদ পরাজিত হয়েছে। আওয়ামী লীগকে
নিষিদ্ধ করতে হবে, কারণ
তারা শহীদ সাদমানদের হত্যাকারী,
গণহত্যাকারী, শিশু
হত্যাকারী। এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেই।
বর্তমান
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শহীদ সাদমানদের
রাষ্ট্রীয়ভাবে আরও মূল্যায়ন করা হোক,
যেন বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্মৃতির প্রতি চিরকাল শ্রদ্ধা জানাতে পারে। আমরা
চাই, তাদের
ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক,
যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের সংগ্রাম ও ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। এ বিষয়ে
আমরা সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাই।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লা
মহানগর কমিটির সদস্য সচিব মুহাম্মাদ রাশেদুল হাসান, লালমাই
উপজেলা এএসপি নেতা গাজী হুমায়ুন কবির,
ওমর ফারুক, মাঈন
উদ্দিন,কবির
হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার
রাসেল সিদ্দিকী,সদর
দক্ষিণ উপজেলার সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম রাকিব, সদস্য হান্নান,
ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন আয়ান, যুগ্ম
আহ্বায়ক শাকিল আহমেদ,
লাল সবুজ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা কাউসার আলম,
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লালমাই উপজেলা মুখপাত্র মো. জাহিদুল ইসলাম
ফারাবী এবং মুখ্যসংগঠক মেহেদি হাসান শুভ। এছাড়াও সদস্য ইয়ামিন,
নাজমুল হাসান জয়,
রাকিব, ফারুকসহ
শহীদ সাদমানের আত্মীয়-স্বজনরা কবর জিয়ারতে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা চালু করার বিষয়ে
অগ্রগতি অর্জিত হওয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বিভিন্ন খাতে দেশটির বিনিয়োগ প্রস্তাবকে
স্বাগত জানান।
আজ বুধবার (৭ মে) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন
যমুনায় ইউএই’র টলারেন্স এ্যান্ড এক্সিসটেন্স বিষয়ক কেবিনেট মন্ত্রী শেখ নাহায়ান
বিন মুবারক আল নাহায়ানের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় অধ্যাপক ইউনূস ইউএই’কে ধন্যবাদ জানান।
শেখ নাহায়ানের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলটি আজ
দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে ঢাকায় স্বল্প সময়ের সফরে পৌঁছান। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী তাদেরকে অভ্যর্থনা জানান।
প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ বিন আলি আল সায়েঘ, বিনিয়োগ মন্ত্রণালয়ের
আন্ডার সেক্রেটারি মোহাম্মদ আবদুর রহমান আল হাওয়ি।
আল নাহায়ান প্রধান উপদেষ্টাকে বলেন, বাংলাদেশের
প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং আমাদের বন্ধুত্ব পুনর্ব্যক্ত করতে ‘আমি আমাদের প্রেসিডেন্টের
নির্দেশে এখানে এসেছি।
তিনি বলেন, আমাদের দুই দেশের সরকারের মধ্যে
সাম্প্রতিক সময়ের বাড়তি সংলাপকে আমরা প্রশংসা করি। আমরা বিনিয়োগ থেকে শুরু করে ভিসা
পর্যন্ত সব খাতে সহযোগিতার আশ্বাস দিচ্ছি এবং আমরা একসাথে কাজ করতে ইচ্ছুক।
এই সৌহার্দ্যমূলক উদ্যোগের প্রশংসা করে অধ্যাপক
ইউনূস বলেন, আমরা এ ধরনের সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতাকে স্বাগত জানাই। আমরা বিভিন্ন খাতে
বিনিয়োগ প্রস্তাবকেও স্বাগত জানাই।
ভিসা নীতিতে শিথিলতার কথা উল্লেখ করে প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ভিসার দরজা খোলার জন্য ধন্যবাদ। এখনও কিছু পদক্ষেপ নেওয়া বাকি আছে,
আশা করি আমরা সম্পৃক্ত থাকবো এবং সমস্যাগুলো সমাধান করবো।
সম্প্রতি ইউএই প্রতিদিন ৩০ থেকে ৫০টি ভিজিট
ভিসা ইস্যু করছে।
ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের জন্য ভিসাগুলোও সাম্প্রতিক
সময়ে দ্রুত অনুমোদিত হচ্ছে। সেইসাথে, মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় দক্ষ কর্মীদের জন্য অনলাইন
ভিসা সিস্টেম পুনরায় চালু করেছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বিপণন ব্যবস্থাপক,
হোটেল কর্মীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের ভিসাও এই
পদ্ধতিতে দেওয়া হয়।
এ ছাড়াও, নিরাপত্তা রক্ষীদের জন্য ৫০০ ভিসা
ইতোমধ্যে ইস্যু হয়েছে এবং আরও এক হাজার ভিসা অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
ঢাকায় নিযুক্ত ইউএই রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলি
আল হমোদি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদও বৈঠকে
উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা
জানিয়েছেন নির্বাচন ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে হবে।
আজ
শনিবার (২৪ মে) রাত সাড়ে ১০টায় যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তিনটি রাজনৈতিক দলের
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। বৈঠকে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া ও ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস
সচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দল প্রধান উপদেষ্টাকে সমর্থন জানিয়েছে। তারা
অনুরোধ করেছে— নির্বাচন শেষ না
করে তিনি যেন পদত্যাগ না করেন।
প্রেস
সচিব আরও বলেন, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচনের বিষয়ে এনসিপি ও জামায়াত দ্বিমত
পোষণ করেনি। তবে বিএনপি ডিসেম্বরের মধ্যে চেয়েছে।
প্রধান
উপদেষ্টা বিচার প্রক্রিয়া এ মাসের মধ্যেই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন এবং এ বিষয়টি সর্বোচ্চ
অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
তিনি
বলেন, খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক হয়েছে। এনসিপি স্থানীয় সরকার নির্বাচন চেয়েছে।
শেখ হাসিনার আমলের সব নির্বাচন বাতিল চেয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু
বলেননি।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অধ্যাদেশ, ২০২৪ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
আজ (১৯ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ব্যাপক দমনপীড়ন ও গণহত্যা চালানোর ফলশ্রুতিতে সমগ্র দেশে দলমত নির্বিশেষে ছাত্র-জনতা উত্তাল গণবিক্ষোভ করে এবং আন্দোলনের এক পর্যায়ে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে সরকার পতনের একদফা দাবিতে ঐক্যবদ্ধ ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্ট রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগ করে দেশ ত্যাগ করেন। রাষ্ট্রপতি বিগত ৬ আগস্ট দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাংবিধানিক সংকট মোকাবিলা, জনস্বার্থ ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা রক্ষা, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সচল রাখা এবং রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার গঠন বিষয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের মতামত যাচনা করেন। সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার প্রয়োগ করে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ৮ আগস্ট তারিখে স্পেশাল রেফারেন্স নম্বর- ০১-২০২৪ দ্বারা মতামত প্রদান করেছে যে, ‘রাষ্ট্রের সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার নিমিত্ত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উপদেষ্টা নিযুক্ত করতে পারবেন। রাষ্ট্রপতি উক্তরূপে নিযুক্ত প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উপদেষ্টাগণকে শপথ পাঠ করাতে পারবেন।
এতে আরও বলা হয়, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ডক্ট্রিন অব নেসেসিটি অনুসারে সাংবিধানিক সংকট মোকাবিলায় সর্বস্তরের জনগণের ঐকান্তিক ইচ্ছা ও পরম অভিপ্রায়ের প্রেক্ষিতে, গণ-অভ্যুত্থানকারী ছাত্র-জনতার প্রতিনিধিদের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের রাষ্ট্র সংস্কার আকাঙ্ক্ষা পূরণের ও রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা ও দায়িত্ব, প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টাদের পদমর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা, পদত্যাগ এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে বিধান করা জরুরি। এ প্রেক্ষাপটে অন্তবর্তী সরকার অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদ ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অধ্যাদেশ, ২০২৪ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রথমবারের মতো সেনাসদরে গেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা সেনাসদরে পৌঁছালে সেনাবাহিনী
প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তাঁকে স্বাগত জানান।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টাকে জাতীয় নিরাপত্তার
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি সম্পর্কে ব্রিফ করা হয়। পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা কর্তৃক
প্রদত্ত মূল্যবান দিকনির্দেশনাসমূহ সম্মিলিতভাবে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং
বাস্তবায়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালনে অত্যন্ত সহায়ক হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
মো: তৌহিদ হোসেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো: জাহাঙ্গীর আলম
চৌধুরী, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারি লেফটেন্যান্ট
জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো: মাহবুব হোসেন, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী
প্রধান, পিএসও এএফডি, সামরিক ও অসামরিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, পুলিশ মহাপরিদর্শক এবং
গোয়েন্দা সংস্থাসমূহ, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি, র্যাব এর মহাপরিচালকগণ
ও সেনাসদরের কর্মকর্তাগণ।
(খবর বাসসের)
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় বিএনপি’র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, বহু বছরের জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশনেত্রী, গণতন্ত্রের নেত্রী ও আমাদের মাতা বেগম খালেদা জিয়া কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। তিনি বলেন, “আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি—আমাদের এই সম্পদ, আমাদের দলের শক্তিকে যেন আল্লাহ সুস্থ করে দেন। যার আহ্বানে দেশের কোটি মানুষ সত্যের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত হয়ে যায়। আমাদের মাতা দেশের গণতন্ত্রের আইকন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জীবন্ত প্রতীক। তাঁর সুস্থতা ও আরোগ্য লাভ দেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত জরুরি।”
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকালে কুমিল্লা নগরীর ঐতিহাসিক টাউন হল মাঠে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি কামনায় দিনব্যাপী পবিত্র কোরআন খতম শেষে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কান্নাজড়িত কন্ঠে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করে হাজী ইয়াছিন বলেন, “২০০৮ সালে টাউন হলের এক বিশাল জনসভায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমার হাতে ধানের ছড়া দিয়ে বলেছিলেন—‘ইয়াছিন আমার সন্তান সমতুল্য, তার হাতে আমি ধানের ছড়া তুলে দিলাম।’ আজ সেই স্মৃতি আরও গভীর হয়ে আছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি সকলের কাছে অনুরোধ করবো—আপনারা সবাই আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করুন ও দোয়া করুন। সৃষ্টিকর্তা যেন আমাদের নেত্রীকে সুস্থ করে তোলেন। ২০০৮ সালের মতোই যেন ২০২৫ সালেও আবার তিনি এই টাউন হলের মঞ্চে আসতে পারেন। এবং সেই একই স্নেহের ভাষায় যেন বলতে পারেন—‘আমার সন্তান হাজী ইয়াছিনের হাতে আবার ধান তুলে দিলাম।”
হাজী ইয়াছিন দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আমার আর কোনো ব্যক্তিগত চাহিদা নেই। আমার একমাত্র আকাঙ্ক্ষা—আমার নেত্রী যেন আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়ে ওঠেন। আমি পুনরায় তার হাত থেকে ধানের ছড়া নিতে চাই। তিনি ফিরে এলে জনগণের হৃদয়ে আবার গণতন্ত্রের শক্তি ফিরিয়ে আনবেন।”
দোয়া মাহফিলের পুরো সময় জুড়েই টাউন হল মাঠে ছিল একটি প্রার্থনামুখর পরিবেশ। কোরআন তেলাওয়াত, দরূদ শরীফ পাঠ এবং বিশেষ মুনাজাতে অংশ নেন দলীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ।
নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড, উপজেলা, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সাধারণ নাগরিক এবং নানা পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এ দোয়া অনুষ্ঠানে।
দোয়া মাহফিলে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, কৃষকদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এডভোকেট আলী আক্কাস, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বর্ষীয়ান নেতা এস এ বারী সেলিম, মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মাহাবুবর রহমান দুলাল, আতাউর রহমান ছুটি, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন—কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, যুবদলের ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ মাহমুদ জহির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু এবং যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব।
অন্যদের মধ্যে ছিলেন—জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহরম, মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, কৃষকদলের সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী এবং সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান।
এছাড়া মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিবসহ অগণিত নেতাকর্মী ও অংশগ্রহণকারী দোয়া মাহফিলের পরিবেশকে আরও আন্তরিক করে তুলেন।
অনুষ্ঠান শেষে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেন, “আমরা আজ আমাদের নেত্রী বেগম জিয়ার জন্য দোয়া করেছি। আমরা বিশ্বাস করি—আল্লাহর রহমতে ইনশাআল্লাহ তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং আগামীতেও দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গঠন ও রক্ষায় তাঁর ভূমিকা থাকবে।”
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ায় মরদেহ জিয়া উদ্যানে নেয়া হয়েছে। সেখানেই
স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা
হবে।
বুধবার
(৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে তার মরদেহবাহী গাড়ি জিয়া উদ্যানে পৌঁছায়। এরপর ফ্রিজার
ভ্যান থেকে তার মরদেশ নামানো হয়। তারপর একটি ভ্যানে করে খালেদা জিয়ার মরদেহ সমাধি চত্বরে
নেয়া হয়।
এর
আগে, বিকেল ৩টার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে খালেদা জিয়ার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত
হয়। জানাজায় সারাদেশ থেকে আসা লাখ লাখ মানুষ অংশ নেয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল
মালেকের ইমামতিতে জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়।
এ
সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, তিন বাহিনীর প্রধান,
তারেক রহমান ও বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও মানিক মিয়া
অ্যাভিনিউতে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার, যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ, রাশিয়া, চীন, ইরান, কাতারসহ
৩২ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত উপস্থিত ছিলেন।
এ
দিন সকাল ১১টা ৪৮ মিনিটের দিকে কঠোর নিরাপত্তায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা
জিয়ার মরদেহ নেয়া হয়। রাষ্ট্রীয় প্রোটকলে লাল-সবুজ রঙের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো ফ্রিজার
ভ্যানে করে তার মরদেহ আনা হয়।
এর
আগে, বেলা ১১টার দিকে ছেলে গুলশানে তারেক রহমানের বাসা থেকে খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী
ফ্রিজার ভ্যানটি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। তার আগে সকালে রাজধানীর
এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে খালেদা জিয়ার মরদেহ গুলশানে নেয়া হয়।
প্রসঙ্গত,
গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে খালেদা জিয়ার মৃত্যুবরণ
করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি ও ডায়াবেটিসসহ নানা জটিলতায়
ভুগছিলেন।
মন্তব্য করুন


আইন
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশে প্রথমবারের
মতো ইন্টারনেটকে মৌলিক অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই অধ্যাদেশে
অনলাইন জুয়াকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো সাইবার স্পেসে নারী ও শিশু নির্যাতন
এবং যৌন হয়রানিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত অধ্যাদেশে
আগের আইনের ৯টি ধারা বাতিল করা হয়েছে। যা ছিল কুখ্যাত ধারা, এসব ধারাতেই ৯৫ শতাংশ মামলা
হয়েছিল। মামলাগুলোও এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
আজ
মঙ্গলবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে
এ তথ্য জানান তিনি।
উপদেষ্টা
পরিষদের বৈঠকে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া উপস্থাপন করা হয়। কিছু সংশোধন শেষে এই
সপ্তাহে গেজেট আকারে প্রকাশ হতে পারে বলেও জানান আইন উপদেষ্টা।
আইন
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, এছাড়া কিছু কিছু ধারা পরিবর্তন করা হয়েছে। মত প্রকাশের
ক্ষেত্রে দুটি অপরাধ রাখা হয়েছে, একটি হচ্ছে নারী ও শিশুর প্রতি যৌন নির্যাতনমূলক কন্টেন্ট
প্রকাশ, হুমকি দেওয়া। আরেকটি হচ্ছে ধর্মীয় ঘৃণা ছড়ানো, যেই ঘৃণা ছড়ানোর মধ্যে দিয়ে
সহিংসতা উসকে দেওয়া হয়। ধর্মীয় ঘৃণাকে কঠোরভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যাতে ভুল বোঝাবুঝি
না হয়, কেউ কাউকে হয়রানি করতে না পারে। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এই প্রথমবারের
বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে যদি কোনও সাইবার অপরাধ করা হয়, সেটাকে শাস্তিযোগ্য
করা হয়েছে। মত প্রকাশের ক্ষেত্রে ওই দুটি ক্ষেত্রে কারো বিরুদ্ধে মামলা হলে এটা আমলি
আদালতে যাবে, যাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি দেখেন—
এই মামলার কোনো যৌক্তিকতা নেই, তাহলে প্রি ট্রায়াল স্টেজে তিনি মামলা বাতিল করে দিতে
পারবেন। অর্থাৎ চার্জশিটের জন্য অপেক্ষা করা লাগবে না। যদি দেখেন সম্পূর্ণ ভুয়া মামলা,
এই মামলার কোনো ভিত্তি নেই, তাহলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই মামলা বাতিল করে দিতে পারবেন।
আইন
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আরও বলেন, বিলুপ্ত করা বিধানগুলোর মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের
চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় শহীদ বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কিত
বিদ্বেষ বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার যে দণ্ড দেওয়ার বিধান সেটা বিলুপ্ত করা হয়েছে।
এই বিধানে প্রচুর হয়রানিমূলক মামলা হতো। মানহানিকর তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে বিধান যেটা
এতে প্রচুর মামলা হতো, অনেক সাংবাদিক এই মামলার ভুক্তভোগী হয়েছেন, এই ধারা সম্পূর্ণ
বাতিল করা হয়েছে। আরেকটা হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে— এই ধরনের কোনও কন্টেন্ট
বা কথাবার্তা বলায় প্রচুর মামলা হতো, এটাও সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা হয়েছে। আক্রমণাত্মক
বা ভীতিকর তথ্য উপাত্ত প্রকাশ এটাও সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা হয়েছে।
সংবাদ
সম্মেলনে প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, কোরবানি ঈদের ছুটি ৫-১০ জুন আগে থেকেই ঘোষণা
করা ছিল। ১১ এবং ১২ জুন ছুটি ঘোষণা করে ১৭ মে এবং ২৪ মে এই দুই দিন সরকারি ও আধা সরকারি
কর্মচারীরা কাজ করবেন। এই দুই দিন ছুটি ঘোষণা করায় ঈদুল আজহার ছুটি হবে ১০ দিন। এই
অনুযায়ী ব্যাংক ও প্রাইভেট কোম্পানি তাদের মতো করে ছুটি ঘোষণা করবে।
মন্তব্য করুন


অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে যে নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সুযোগ
তৈরি হয়েছে, তা কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি)
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি কার্যালয়ে
বাম গণতান্ত্রিক জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তারেক রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধই বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক
ভিত্তি; একাত্তরকে বাদ দিলে দেশের অস্তিত্বই থাকবে না।
এর আগে বেলা ১১টায় বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতারা গুলশানে বিএনপি
চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে গিয়ে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এরপর তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতে
অংশ নেন।
সাক্ষাৎকালে বাম গণতান্ত্রিক জোটের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মুজাহিদুল
ইসলাম সেলিম, কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, শরীফ নুরুল আম্বিয়া,
নাজমুল হক প্রধান, ডা. মুশতাক হোসেন, বজলুর রশীদ ফিরোজ, রাজেকুজ্জামান রতন, ইকবাল কবীর
জাহিদ, অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, মাসুদ রানা, মোশরেফা মিশু ও আব্দুল আলী।
এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা এবং কুমিল্লাকে নিয়ে হাজী ইয়াছিনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জনসাধারণের কাছে তুলে ধরতে একটি গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকালে নগরীর ছাতীপট্টি অজিত গুহ কলেজ এলাকা থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় হাজী ইয়াছিন উপস্থিত না থাকলেও তার পক্ষে নেতৃবৃন্দ এই কর্মসূচি পরিচালনা করেন। কর্মসূচিটি ছাতীপট্টি থেকে শুরু হয়ে চকবাজার–তেলিকোনা হয়ে গুধীরপুকুর পাড়ে গিয়ে শেষ হয়।
গুধীরপুকুর পাড়ে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, এই রাষ্ট্র সংস্কার প্রক্রিয়া এখন সময়ের দাবি। জনগণের ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই ৩১ দফার লক্ষ্য।
তারা জানান, হাজী ইয়াছিন কুমিল্লার মানুষের পাশে থেকে যে উন্নয়ন–ভিশন দিয়েছেন, তা আগামী দিনে কুমিল্লার আধুনিক নগর বিকাশে ভূমিকা রাখবে।
বক্তারা আরো বলেন, কঠিন সময়েও হাজী ইয়াছিন দলের প্রতি যে নিষ্ঠা ও ত্যাগ দেখিয়ে গেছেন তা কুমিল্লার বিএনপিকে প্রেরণা দেয়। সংগঠনের প্রতিটি নেতা–কর্মীর মাঝে তার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রয়েছে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এস এ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুবর রহমান দুলাল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক মহরম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম চেয়ারম্যান, সদর দক্ষিণ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবু সায়েম মজুমদার, সদর দক্ষিণ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়া জুয়েল—সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আয়োজকরা জানান, আগামী দিনগুলোতে এই কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে আরও বিস্তৃত আকারে পরিচালিত হবে।
মন্তব্য করুন